Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মানবজমিন – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    August 7, 2026

    কড়িখেলা – সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 7, 2026

    নীললোহিতের চোখের সামনে – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    নিরুদ্দেশের দেশে – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    Ek Pata Golpo সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় এক পাতা গল্প178 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    নিরুদ্দেশের দেশে – ৬

    ৬

    জিন্স আর জয়পুরী কাজ করা জামা পরায় রোহিলার চেহারাটা একেবারে বদলে গেছে। তার মুখখানি এখন রক্তমাংসের একটি ফুল। পোশাক অনুযায়ী মানুষের গমনভঙ্গিও বদলে যায়। গাম্ভীর্য বা প্রতিরোধের বাতাবরণ একেবারেই খসে গেছে।

    আমার পাশে পাশে হাঁটতে হাঁটতে রোহিলা কৌতুক ঝলমল গলায় বলল, তুমি যখন প্রথম আমার বারান্দার সামনে এসে দাঁড়ালে, আমি ঘরের মধ্যে থেকে তোমাকে দেখতে পেয়েছিলাম। তখনই আমি একবার ভেবেছিলাম, আজই আমার এখানে থাকার শেষ। আমায় চলে যেতে হবে।

    –কেন, ওরকম মনে হলো কেন? আমায় কি ভগ্নদূতের মতন দেখাচ্ছিল? তুমি ভেবেছিলে, আমি তোমায় কোনো খারাপ খবর দিতে এসেছি?

    –না, তা নয়। আমি অনেক খারাপ পেরিয়ে এসেছি, আর বেশি কী হবে? আমি এখন শুধু ভালো লাগা–না–লাগার ওপর নির্ভর করে চলি। তোমাকে আমি ঘরের মধ্যে ডেকে খাটের ওপর বসতে বললাম কেন বলো তো? আমি দেখতে চেয়েছিলাম, তুমি প্রথম সুযোগেই আমার গায়ে হাত দেবার চেষ্টা করো কি না!

    –যাঃ, তা আবার হয় নাকি? ভালো করে আলাপ–পরিচয়…কিংবা প্রেম– ট্রেম হবার আগে কেউ কোনো মেয়ের গায়ে হাত দেয়?

    —তুমি পৃথিবীটা কিছুই চেনো না মনে হচ্ছে। তোমার চেয়ে আমি অনেক বেশি দেখেছি। আমি যখন প্রথম কাঁদলুম, তখন ভেবেছিলুম তুমি নির্ঘাৎ আমার মাথায় হাত দেবে, উঠে এসে আমাকে তোমার বুকে চেপে ধরবার চেষ্টা করবে। তা বলে আমি মিথ্যেমিথ্যি কাঁদিনি। সত্যি হঠাৎ কান্না এসে গিয়েছিল। আমি অভিনয় করা একেবারে ছেড়ে দিয়েছি।

    – আমি সেরকম কিছু করলে কী হতো?

    —ভাবতুম যে এই দিকশূন্যপুর অন্যান্য যে–কোনো জায়গার মতনই একটা পচা জায়গা। এখানেও ছ্যাচড়ারা রয়েছে। চলে যেতুম কাল সকালেই।

    –যাক, আমি তাহলে দিকশূন্যপুরের মান বাঁচিয়েছি।

    —তুমি কী করো, নীললোহিত? তুমি আমার সব কথা শুনলে, তোমার নিজের কথা কিছু বললে না?

    – আমি কী করব, সেইটাই এখনো ভেবে ঠিক করতে পারিনি। এটাই আপাতত আমার নিজের কথা!

    —অর্থাৎ তুমি বলবে না কিছু! ঐ যে বন্দনা বলে মেয়েটির কথা বললে, ও তোমার কে হয়?

    সর্বনাশ, তোমার কৌতূহল যে খুব বেশি দেখছি! রোহিলা, এখানে কেউ ব্যক্তিগত প্রশ্ন করেই না বলতে গেলে। অবশ্য আমার বেলা সেটা খাটে না। বন্দনা আমার সেরকম কেউ হয় না। এমনিই আমার চেনা।

    টিলার নিচে কুয়োর পাশের বাড়িটিতে মোমের আলো জ্বলছে না। অঙ্কের পণ্ডিতটিকেও দেখা যাচ্ছে না। সে বাড়ির পাশ দিয়ে টিলার ওপরের দিকে উঠতে যেতেই ডুম্ ডুম্ শব্দ শুনতে পেলুম। অনেকটা মাদলের আওয়াজের মতন। এমনিতেই এখানে গাড়ি–ঘোড়া চলে না বলে শব্দ কম, সন্ধের পর সব দিক একেবারে অদ্ভুত নিস্তব্ধ। মাদলের আওয়াজটা খুব কাছে মনে হয়

    রোহিলা যেন ভয় পেয়ে আমার হাত চেপে ধরে বলল, ও কিসের আওয়াজ?

    আমি বললুম, হয়তো কাছাকাছি কোনো আদিবাসীদের গ্রাম আছে। আর কোনো সন্ধেবেলা এরকম শব্দ শোনোনি?

    —না তো!

    ডুম্ ডুম্ শব্দটা বেজেই চলেছে।

    টিলার ওপর থেকে কে যেন নেমে আসছে, পায়ের আওয়াজে বোঝা গেল। আমরা এক পাশে সরে দাঁড়ালুম। কাছে আসতে দেখতে পেলুম বন্দনাদিকে। হাতে একটা টর্চ, আমাদের দেখার পর জ্বালল।

    আমি বললুম, বন্দনাদি, এর নাম রোহিলা। তোমার সঙ্গে আলাপ করবার জন্য নিয়ে এসেছিলাম।

    বন্দনাদি প্রথমে চিনতে পারল না। তারপর বলল, ও আপনিই তো মাসখানেক আগে এসেছেন?

    রোহিলা বলল, আমি কালো শাড়ি পরে থাকতাম। এই ছেলেটি বলল, ঐ পোশাকে আর্মাকে মড়া মড়া দেখায়।

    আমি বললুম, তা বলিনি। বলেছি, মূর্তির মতন।

    বন্দনাদি বলল, নীলু, তুই এত দেরি করলি, আমি তোর জন্য অপেক্ষা করছিলুম। আজ আমাদের মিটিং আছে, ঐ যে শুনছিস না ডাকছে মাদল বাজিয়ে!

    —ওটা তোমাদের মিটিংয়ের ডাক? আমি যেতে পারি সেখানে?

    —খোলা রাস্তার ওপর মিটিং হবে, যে–কেউ যেতে পারে। চল, তাড়াতাড়ি চল।

    আমরা আবার উল্টোদিকে ফিরলুম।

    রোহিলা আমাকে বলল, এই, তুমি ওকে দিদি বলছ কেন? আগে যে বললে কেউ হয় না?

    আমি বললুম, সত্যি, দিদি বলার কোনো মানে হয় না। নিছক একটা অভ্যেস বন্দনাদি, আজ থেকে আমি তোমায় শুধু নাম ধরে ডাকব?

    বন্দনাদি বলল, মোটেই না,! ওসব চলবে না। আমায় নাম ধরে ডাকলে চাঁটি খাবি।

    রোহিলা বলল, তা হলে আমাকেও দিদি বলা উচিত। আমি তোমার থেকে নিশ্চয়ই বয়েসে বড়!

    আমি বললুম, আরে, আমি কি বিশ্বশুদ্ধ মেয়ের সঙ্গে দিদি পাতাব নাকি? ওসব আমি বিশ্বাসই করি না।

    টিলার নিচের রাস্তায় একজন, দু’জন মানুষ দেখা যাচ্ছে। সবাই চলেছে মিটিং– এ। একটু একটু জ্যোৎস্না আছে আকাশে। বাতাসে কিসের যেন চাপা গন্ধ। এই রকম রাতে বসে থাকার চেয়ে বেড়াতেই ভালো লাগে।

    আমি জিজ্ঞেস করলুম, বন্দনাদি, মিটিং কে ডাকে? তোমাদের এখানে কী প্রেসিডেন্ট, সেক্রেটারির কোনো ব্যাপার আছে!

    –না–না, সেসব কিছু নেই। যে–কেউ ডাকতে পারে। তবে তার আগে আর অন্তত যে–কোনো দু’জনের সম্মতি নিতে হয়। অর্থাৎ যদি মোট তিনজন মনে করে কোনো একটা ব্যাপার সবাইকে জানানো দরকার, তাহলেই মিটিং ডাকা যায়!

    —সন্ধেবেলা মিটিং হয়?

    — গরমের দিনে সন্ধেবেলাই তো ভালো, বেশ ঠাণ্ডা ঠাণ্ডা থাকে। শীতকালে মিটিং হয় দুপুরে। জানিস তো, এমনও হতে পারে, আজকের মিটিংটা তোকে নিয়ে।

    –অ্যাঁ? আমাকে নিয়ে। তার মানে?

    —তুই বাইরের লোক হয়েও এখানে মাঝে মাঝে আসিস, সেটা অনেকের পছন্দ না হতেও পারে।

    —কিন্তু কেউ যদি এরকম চলে আসে, তাকে কি তোমরা বাধা দিতে পার? এই জায়গাটা প্রাইভেট প্রপার্টি নয় নিশ্চয়ই।

    —তা নয় অবশ্যই। জানি না ওরা কী বলবে!

    – ধরো, বাইরে থেকে যদি একদল ছাত্র এখানে ট্রাকে চেপে পিকনিক করতে আসে, বিকট সুরে মাইক বাজায়, গাছপালা নষ্ট করে, তাহলে তোমরা কী করবে?

    –ভাগ্যিস সেরকম কিছু হয়নি এখনো। তুই এসব অলক্ষুণে কথা বলছিস কেন রে?

    রোহিলা বলল, আমি যখন এখানে পৌঁছলুম, তখন দুপুর, রাস্তার একজন লোককে জিগ্যেস করলাম, আমি এখানে থাকতে পাব? সে একটা খালি বাড়ি দেখিয়ে দিয়ে চলে গেল। আশ্চর্য, একটা কথাও জিজ্ঞেস করল না।

    বন্দনাদি বলল, এতে আশ্চর্য হবার কী আছে? একটা খালি বাড়ি পড়ে থাকলে নতুন কেউ এসে সেখানে থাকবে, এটাই তো স্বাভাবিক।

    —কিন্তু ভাড়াটাড়া লাগে না? পৃথিবীতে এমনি এমনি কোথাও বাড়ি পাওয়া যায় নাকি?

    —এখানেও ভাড়া লাগে। শুধু প্রথম বছরটায় কোনো ভাড়া দিতে হয় না, কারণ প্রথম আসার সময় অনেকের কাছেই পয়সা থাকে না। তখন সব কিছু ফ্রি। এক বছর পর থেকে যে–কোনো ভাবে উপার্জন করে সব শোধ দিতে হয়।

    –কাকে শোধ দিতে হয়? কে বাড়ি ভাড়া নেয়?

    –অত সব তোকে বলব কেন রে? তুই তো বাইরের লোক!

    মাদলের আওয়াজটা থেমে গেছে। এবারে বোধহয় সভা শুরু হয়ে যাবে। আমরা প্রায় দৌড়তে লাগলুম।

    বন্দনাদি রোহিলাকে বলল, আপনি যদি রান্না না করে থাকেন, তাহলে রাত্তিরে ফিরে এসে আমার ওখানে খেয়ে নিতে পারেন। আমি বেশি করে রেঁধে রেখে এসেছি।

    রোহিলা বলল, আমাকে তুমি আপনি বলছ কেন? এই নীললোহিত, একে তুমি বলে দাও!

    আমি বললুম, বন্দনাদি, এই মেয়েটির বয়স মাত্র তিন বছর। সুতরাং ওকে আপনি বলার দরকার নেই।

    রোহিলা বলল, আমাকে কেউ আপনি বলবে না। আমিও কারুকে আপনি বলতে পারি না।

    আমি বললুম, তোমাদের বোম্বেতে মারাঠী ভাষায় বোধহয় আপনি শব্দটাই নেই। রোহিলার বয়েস তিন বছর শুনেও বন্দনাদি চমকাল না। সঙ্গে সঙ্গে ঠিক আন্দাজ করে নিয়েছে। সে বলল, আপনি–টাপনি আমারও ঠিক পছন্দ নয়। এখানে বিশেষ কেউ বলে না।

    নদীর ধারে আমরা অনেক মানুষের মাথা দেখতে পেলুম। আকাশে পাতলা জ্যোৎস্না, কিন্তু এখন দু’একটা মেঘও ঘোরাঘুরি করছে। একটা উঁচু পাথরের ওপর কেউ জ্বেলেছে একটা মশাল, সেখানে দাঁড়িয়ে একজন মহিলা ও দু’জন পুরুষ। সামনে জমায়েত হয়েছে প্রায় পাঁচ–সাতশো মানুষ, যুবক–যুবতী, বৃদ্ধ–বৃদ্ধা, কিশোর–কিশোরী, একেবারে বাচ্চা একটিও নেই। এরা কেউ কারুর সম্পর্কিত নয়, কে কোথা থেকে এসেছে, কেউ জানে না। কিসের জন্য এরা ঘর ছেড়েছে আর এখানে এসেই বা কী শান্তি পেয়েছে কে জানে!

    এখন এই নদীরেখাঙ্কিত প্রান্তরে, জ্যোৎস্নার তলায় এই মনুষ্য সমাবেশটিকে কেমন যেন আদিম দুনিয়ার একটি দৃশ্য বলে মনে হয়। বিশেষত ঐ মশালটির জন্য। এখানে যারা রয়েছে, তাদের কেউ কেউ এককালে নামকরা পণ্ডিত ছিল, কেউ উচ্চপদস্থ চাকুরে, কেউ কেউ শিল্পী, কেউবা উচ্চ সঙ্গতিসম্পন্ন পরিবারের সন্তান। কিন্তু এখানে কারুর কোনো আলাদা পরিচয় নেই। শুধু নাম ছাড়া, কারুর কোনো পদবীও শোনা যায় না।

    বন্দনাদি বলল, ভিড়ের মধ্যে আমরা যদি হারিয়ে যাই তাহলে মিটিং শেষে আমরা ঐ যে লম্বা ইউক্যালিপটাস গাছটা, ওর তলায় মিট করব, কেমন?

    রোহিলা আমার হাত চেপে ধরে বলল, আমার হারিয়ে যেতে ভয় করে। তুমি আমার পাশে পাশে থেকো।

    উঁচু পাথরের ওপর একজন পুরুষ তিনবার মাদলের ধ্বনি দিতেই সব গুঞ্জন থেমে গেল। আমি জিজ্ঞেস করলুম, বন্দনাদি, ঐ ভদ্রলোক বুঝি এখানকার নেতা?

    বন্দনাদি ঠোটে আঙুল দিয়ে বলল, চুপ!

    উঁচু পাথরের মঞ্চ থেকে প্রথমে মহিলাটি বলল, নমস্কার। আপনারা সবাই এসেছেন আমাদের ডাক শুনে, সে জন্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি। আমাদের কয়েকটি ঘোষণা আছে। আজকের সন্ধেটি বড় সুন্দর, এখানে আমাদের ইচ্ছে মতন নাচ গানের অনুষ্ঠান হতে পারে। তার আগে আমরা সংক্ষেপে কাজের কথাগুলো সেরে নিই। প্রথমে বলবে, আপ্পা রাও।

    আপ্পা রাও পাশে দাঁড়িয়ে ছিল, সে নমস্কার করে বলল, আমার বক্তব্য আলু বিষয়ে।

    শ্রোতাদের মধ্যে একটা হাসির হুল্লোড় পড়ে গেল।

    আপ্পা রাও লোকটি বেশ রসিক। প্রথম বাক্যেই হাসি শুনে সে ঘাবড়ে গেল না। নিজেও হেসে বলল, আমি প্রেম বিষয়েই ভালো বলতে পারি, কিন্তু দুর্ভাগ্য এই যে আজ আমাকে আলু বিষয়েই বলতে হবে।

    কেউ একজন চেঁচিয়ে বলল, বলুন, বলুন!

    আপ্পা রাও বলল, আলু জিনিসটা বেশ সুস্বাদু, নানা রকম রান্নার কাজে লাগে আপনারা সবাই জানেন। আলু সেদ্ধ, আলু ভাজা, আলুর দম, মাংসের আলু, তরকারির আলু, কত দিক থেকে আলু আমাদের উপকারী। আলু বিষয়ে আমি একটা গান লিখেছিলুম, কিন্তু সুরটা ভুলে গেছি!

    রোহিলা চোখ গোল গোল করে আমার দিকে তাকাল। যেন সে বলতে চায়, সন্ধেবেলা চাঁদের আলোয় মিটিং ডেকে এ আবার কী ধরনের কথাবার্তা? খাদ্য বিষয়ে বেশি চিন্তা সে পছন্দ করে না।

    আপ্পা রাও আবার বলল, কিন্তু তবু একটা কথা আছে। এবারে দেখা যাচ্ছে অনেকেই ঘরে ঘরে আলুর চাষ করেছে। প্রচুর আলু জমে গেছে। এত আলু কেউ খাবে না। কেউ আর আলু নিতে চায় না। সেইজন্য অতিরিক্ত আলু শহরে গিয়ে বিক্রি করে আসতে হবে। এটাই আমার প্রস্তাব। পরশু আমি শহরে যাব, আপনাদের যার যার ঘরে অতিরিক্ত আলু আছে, আমার বাড়িতে কাল বিকেলের মধ্যে জমা করে দিয়ে আসতে পারেন। শহর থেকে কিছু আনতে হলে সেই লিস্টিও পেশ করবেন। ব্যস, আমার কথা শেষ!

    সবাই একসঙ্গে হাততালি দিয়ে উঠল।

    মহিলাটি ঘোষণা করল, এবারের বক্তব্য রাখবেন ইসমাইল সাহেব।

    ইসমাইল নামের ব্যক্তিটি একটুক্ষণ চুপ করে দাঁড়িয়ে রইল মাথা নিচু করে। তারপর হঠাৎ বেশ জোরাল গলায় গান শুরু করে দিল। গজল ধরনের গান। গজল শুনলেই আমার নিজেকে বেশ বোকা বোকা লাগে, কারণ ঐ গানের কথার এক বর্ণও মর্ম বুঝতে পারি না। অবশ্য ইসমাইল সাহেবের কণ্ঠস্বরটি সুরেলা।

    দু’তিন মিনিট বাদেই গান থামিয়ে ইসমাইল বলল, এবারে একটা গল্প শুনুন। এক ছুতোর মিস্তিরির এক দজ্জাল বউ ছিল। বউটি অতি মুখরা। অনেকদিন সহ্য করার পর ছুতোর মিস্তিরি ভাবল, আর নয়, এবারে একটা কিছু করতেই হবে। তখন থেকে সে বউকে খুন করার ফন্দী আঁটতে লাগল। কী ভাবে খুন করবে শুধু সেই কথাই ভাবে। বিষ খাওয়াবে? মাথায় হাতুড়ি মারবে? গায়ে আগুন লাগিয়ে দেবে? ঠিক মনস্থির করতে পারে না। একদিন এই সব কথা ভাবতে ভাবতে ছুতোর মিস্ত্রি নদীর ওপরের একটা সাঁকো পার হচ্ছিল। হঠাৎ পা পিছলে পড়ে গেল নদীতে। ছুতোর মিস্তিরি সাঁতার জানত না! ব্যস!

    এই পর্যন্ত বলে থেমে গেল ইসমাইল সাহেব। আর কিছু বলে না।

    দু’একজন জিজ্ঞেস করল, তারপর? তারপর?

    ইসমাইল বলল, নদীতে বেশি জল ছিল না। আর দু’জন জেলে সেখানে মাছ ধরছিল, তারা ছুতোর মিস্তিরিকে বাঁচিয়ে দিল।

    —তারপর? তারপর?

    ইসমাইল সাহেব হেসে বলল, তারপর আবার কী? আমি কি গল্প বানাতে জানি নাকি? ছুতোর মিস্তিরির জীবন যেমন চলছিল তেমনই চলতে লাগল।

    একসঙ্গে হেসে উঠল অনেকে।

    ইসমাইল সাহেব বলল, সেই ছুতোর মিস্তিরি আর বউকে খুন করার কথা ভাবে না। আবার তারা ভালোবাসতে শেখে। আমার নিজের জীবনেই এরকম ঘটেছিল। এবারে আমার বক্তব্য রাখি? আমি আজ জঙ্গলে নীহারদাকে দেখতে গিয়েছিলাম। আপনারা সবাই জানেন, নীহারদা তিন দিন ধরে সেখানে শুয়ে আছেন। আজ আমি গিয়ে দেখলাম, তাঁর সময় ফুরিয়ে এসেছে, মনে হলো। তবে কষ্ট নেই। আমাদের মধ্যে একজন, যার সঙ্গে নীহারদার খুব কটু ঝগড়া হয়েছিল, নীহারদা –তাকে ক্ষমা করেছেন। নীহারদা আমাকে সেই কথা জানাতে বলেছেন। আসুন, আমরা সবাই উঠে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীহারদার জন্য দোয়া করি।

    সবাই উঠে দাঁড়াল, কিন্তু শোকসভার মতন নীরবতা পালন করল না। এক সঙ্গে বলতে লাগল, নীহারদা ফিরে এসো, নীহারদা ফিরে এসো!

    একটা ব্যাপারে আমি চমৎকৃত হলুম। এরা এখানে কোনো কাজের কথা নিছক কেজো ভঙ্গিতে বলে না। তার আগে একটু মজা করে গান গায়, গল্প বলে, এই প্রথাটা বেশ সুন্দর তো!

    মহিলাটি বলল, এবারে আমার কথা। আমি আকাশ সম্পর্কে বলব। আপনারা সবাই জানেন, পৃথিবীর প্রায় সব জন্তু মাথা নিচু করে চলে। তারা সব সময় মাটি দেখে। একমাত্র মানুষই যখন তখন আকাশ দেখতে পারে। তবু আমরা আকাশ দেখি না। যখন শহরে থাকি, তখন আকাশ দেখার কথা মনেই পড়ে না। শহরের আকাশের চেয়ে খোলা জায়গার আকাশ অনেক বেশি সুন্দর। এখানে এসেও আকাশ দেখে দেখে আমার আশ মেটে না। আমার গলায় সুর নেই, সে জন্য আমায় ক্ষমা করবেন, তবু আমি একটা ছোট্ট গান গাইছি। “এই তো তোমার আলোক ধেনু সূর্য তারা দলে দলে…”

    মহিলা বিনয় করছিল। তার গলা বেশ সুরেলা। গানটা সে গভীর উপলব্ধির সঙ্গে গাইল, গাইতে গাইতে তার গলা বুজে এলো কান্নায়।

    একটু থেমে, নিজেকে একটু সামলে নিয়ে সে বলল, আমার একটা সামান্য বক্তব্য আছে। কিন্তু সেটা আমি নিজের মুখে এখন বলতে পারছি না, ইসমাইল ভাই অনুগ্রহ করে বলে দিন।

    ইসমাইল সাহেব গলা খাঁকারি দিয়ে সেই মহিলার কাঁধে হাত রেখে বলল, এই মেয়েটির নাম জ্যোৎস্না। ও আকাশ কত ভালোবাসে তা তো আপনারা শুনলেন। আমার তো মনে হয় ও সারা শরীরে সব সময় আকাশ শুষে নিতে চায়। খুব ঝড়–বৃষ্টি না হলে ও রাত্তিরেও দরজা–জানলা বন্ধ করে না। শুয়ে শুয়ে যতক্ষণ ও জেগে থাকে ততক্ষণ আকাশকে আড়াল করতে চায় না।

    ইসমাইল সাহেব একটু থেমে সকলের দিকে তাকাল। তারপর জ্যোৎস্নাকে ইঙ্গিত করল নিচে নেমে যেতে। হাত তুলে গুঞ্জন থামাবার অনুরোধ করে বলল, এবারে একটা দুঃখের কথা জানাব। জ্যোৎস্না কাল রাতে ঘুমিয়ে পড়বার পর তার ঘরে একজন অতিথি এসেছিল। একজন অনাহূত অতিথি। তার উদ্দেশ্য ভালো ছিল না। তার কোনো কিছুর প্রয়োজন থাকলে সে জ্যোৎস্নাকে ডেকে তুলে চাইলেই পারত। কিন্তু সে তা করেনি। জ্যোৎস্না হঠাৎ জেগে উঠতেই সে জ্যোৎস্নাকে আক্রমণ করে। জ্যোৎস্না তাকে বাধা দেবার চেষ্টা করেও পারেনি। সে একজন পুরুষ এবং শক্তিশালী। এবং আমার ধারণা, সে বিকারগ্রস্ত। জ্যোৎস্না চিৎকার করে উঠতেই সে তার গলা চেপে ধরে। সে হয়তো জ্যোৎস্নাকে মেরেই ফেলত, কিন্তু জ্যোৎস্নার চিৎকার শুনে পাশের বাড়ি থেকে একজন ছুটে আসে। তখন সে পালিয়ে যায়। আপনাদের মনে হতে পারে যে এর সবটাই জ্যোৎস্নার কল্পনা বা দুঃস্বপ্ন। কিন্তু আমরা কয়েকজন আজ সকালে জ্যোৎস্নার গলায় পাঁচ আঙুলের দাগ দেখেছি। তাছাড়া, আপনারা বিজয়বাবুর কাছ থেকে তাঁর অভিজ্ঞতা শুনুন। বিজয়বাবু, অনুগ্রহ করে একবার এখানে আসুন।

    পাজামা পাঞ্জাবি–পরা একজন লোক উঠে এসে বলল, আমি সংক্ষেপে যা দেখেছি তাই বলছি। আমি জ্যোৎস্নার কাছাকাছি বাড়িতে থাকি। বেশির ভাগ রাতেই আমি ঘুমোই না। দিনের বেলার চেয়ে রাত্তিরবেলা কাজকর্ম সারতেই আমার ভালো লাগে। কাল রাতেও আমি জেগেছিলাম। জ্যোৎস্নার বাড়ি থেকে এক সময় আমি একটা চাপা আর্তনাদ শুনতে পাই। সেই সঙ্গে একটা ভারি কিছু জিনিস পড়ে যাওয়ার শব্দ। কৌতূহলী হয়ে আমি এগিয়ে যাই ওর বাড়ির দিকে। প্রথমে বাড়ির মধ্যে ঢুকিনি, সামনের বাগানে দাঁড়িয়ে ডেকে বললাম, জ্যোৎস্না, জ্যোৎস্না, কী হয়েছে? তোমার কি শরীর খারাপ লাগছে? কোনো উত্তর পেলাম না। তখনই একজন লোক ঝড়ের মতন জ্যোৎস্নার ঘর থেকে বেরিয়ে ছুটে পালাল। আমি তাকে ধরার সুযোগ পাইনি। তার মুখটাও দেখা যায়নি। কাল রাতে আকাশ মেঘলা ছিল। তখন আমি জ্যোৎস্নার ঘরে ঢুকে দেখলাম, সে প্রায় অজ্ঞান হয়ে পড়ে আছে। আমি তার চোখে মুখে জলের ছিটে দিই। আমার ধারণা, একজন সাংঘাতিক ধরনের আগন্তুক এসেছিল জ্যোৎস্নার ঘরে। আমাদের মধ্যে যদি এরকম কোনো মনোরোগী থেকে থাকে, তাহলে সেটা খুব দুশ্চিন্তার কথা। আমরা অনেকেই রাত্তিরে দরজা–জানলা বন্ধ করি না। এখন থেকে কি ভয়ে ভয়ে রাত কাটাতে হবে?

    সবাই কয়েক মুহূর্ত একেবারে বজ্রাহতের মতন চুপ। যেন এরকম অবিশ্বাস্য কাহিনী তারা আগে কখনো শোনেনি। তারপরেই শুরু হয়ে গেল পারস্পরিক আলোচনা।

    রোহিলা আমাকে খানিকটা হতাশভাবে জিজ্ঞেস করল, যাঃ! এখানেও এই কাণ্ড হয়?

    আমি বললুম, স্বর্গেও মাঝে মাঝে দৈত্যরা গিয়ে উপদ্রব করে।

    বন্দনাদিকে একজন কে যেন জোর দিয়ে বলল, আমাদের মধ্যে এরকম কোনো ম্যানিয়াক থাকতেই পারে না। এ নিশ্চয়ই বাইরের কোনো লোকের কাজ। চুপি চুপি ঢুকে পড়েছে।

    বন্দনাদি আমার দিকে তাকাতেই আমি বললুম, আমি কিন্তু আজ দুপুরে এসেছি। কাল ছিলাম অনেক দূরে।

    বন্দনাদি হাসি মুখে বলল, তোকে মঞ্চে তুলে দেব? সেখানে দাঁড়িয়ে তুই সবার সামনে নিজেকে ডিফেন্ড কর!

    –আগে আমার নামে কেউ অভিযোগ আনুক!

    রোহিলা বলল, না, এ ছেলেটা সে রকম নয়। এ আজ একা অনেকক্ষণ আমার ঘরে ছিল। আমি বাবা রাত্তিরে দরজা বন্ধ করে শোব।

    বন্দনাদি বলল, বাইরের লোক বলে মনে হয় না। এখানকারই কেউ। কয়েকদিন ধরেই আমার বারবার মনে হচ্ছে, এখানে একটা খারাপ কিছু ঘটবে।

    বন্দনাদির পাশে একজন মাঝবয়েসী মহিলা ম্লান মুখে বললেন, আমার খুব মন খারাপ লাগছে। কেন জানো? এই একটা বাজে বিষয় নিয়ে এখন আমাকে চিন্তা করতে হবে। আমার মন থেকে আমি এইসব জিনিসগুলো একেবারে তাড়িয়ে দিয়েছিলাম!

    মহিলাটিকে মা–মা দেখতে। লাল পাড় শাড়ি পরা। তিনি কেন বাড়িঘর ছেড়ে এখানে চলে এসেছেন? গল্পটা জানার জন্য আমার সঙ্গে সঙ্গে কৌতূহল হয়। কিন্তু উপায় নেই।

    পাথরের মঞ্চ থেকে ইসমাইল সাহেব আবার সবাইকে চুপ করতে অনুরোধ জানালেন। তারপর হাত জোড় করে বললেন, মিটিং শেষ করার আগে শুধু আর একটাই কথা আছে। আমাদের অনেকেরই ধারণা, জ্যোৎস্নার ঘরে কাল রাতে যে এসেছিল, সে বাইরের লোক নয়, সে আমাদেরই এখানকার একজন। হয়তো সে অসুস্থ কিংবা পুরোনো জীবনের টানে হঠাৎ ঝোঁকের মাথায় এরকম কিছু করে ফেলেছে। সে দোষ স্বীকার করলে জ্যোৎস্না তাকে ক্ষমা করবে বলেছে। সর্বসমক্ষে দোষ স্বীকার করারও দরকার নেই। শুধু রজতদার কাছে নিরালায় দেখা করে বললেই চলবে। আপনারা অনেকেই হয়তো জানেন, রজতদা একসময় বিখ্যাত ডাক্তার ছিলেন, তিনি সেই ব্যক্তিকে সাহায্য করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। আপনাদের সবাইকে ধন্যবাদ। আজকের সভা এখানেই শেষ!

    আর একটা ব্যাপার আমার অদ্ভুত লাগল। যে–তিনটি বিষয় নিয়ে আলোচনা হলো, তার মধ্যে জ্যোৎস্নার ব্যাপারটাই নিশ্চয়ই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। অথচ সে কথাটা প্রথমেই তোলা হয়নি।

    সভা ভঙ্গ হবার পর অনেকেই ছড়িয়ে পড়ল ছোট ছোট দলে। জ্যোৎস্নার ঘটনা শুনে সবাই যে খুব উদ্বিগ্ন তা মনে হলো না। দু’এক জায়গায় শোনা গেল স্বতঃস্ফূর্ত গান। তীক্ষ্ণ হাসির শব্দ।

    আমার খুব ইচ্ছে করল, জ্যোৎস্না নামের মেয়েটিকে কাছাকাছি গিয়ে দেখতে। কিন্তু এখন এই ভিড়ের মধ্যে কোথায় তাকে খুঁজে পাব?

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)
    Next Article ভালোবাসা নাও, হারিয়ে যেও না – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    Related Articles

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    নীললোহিতের চোখের সামনে – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    নীললোহিতের অন্তরঙ্গ – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    আকাশ পাতাল – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    ভালোবাসা নাও, হারিয়ে যেও না – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 6, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    শেষ দেখা হয়নি – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মানবজমিন – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    August 7, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মানবজমিন – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    August 7, 2026
    Our Picks

    মানবজমিন – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    August 7, 2026

    কড়িখেলা – সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 7, 2026

    নীললোহিতের চোখের সামনে – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }