Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মানবজমিন – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    August 7, 2026

    কড়িখেলা – সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 7, 2026

    নীললোহিতের চোখের সামনে – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    নিরুদ্দেশের দেশে – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    Ek Pata Golpo সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় এক পাতা গল্প178 Mins Read0
    ⤶

    নিরুদ্দেশের দেশে – ১৩

    ১৩

    বাড়িতে এসে আমি প্রথমেই একটা সিগারেট ধরালুম। সব নিয়মকানুন যে মানতে হবে তার কোনো মানে নেই। এটা আমার নিজের বাড়ি, এই চৌহদ্দির মধ্যে শুধু আমার নিয়মের রাজত্ব

    এখানে কোনো যানবাহন নেই বলেই কি জায়গাটা এত বেশি নিঃশব্দ? এই বাড়ির কাছাকাছি আর কোনো বাড়ি নেই, দূরে কোনো বাড়ির আলোও দেখা যায় না।

    অনেক ডাকবাংলোতে আমি একা একা রাত কাটিয়েছি। মানসের জঙ্গলে সেই রাত, কী নিদারুণ নিঃসঙ্গ ছিল! একা থাকার একটা রোমাঞ্চ আছে, সেটা আমি বেশ উপভোগ করি। কিন্তু এখন কী রকম যেন একটা অস্বস্তির ভাব, একটা কিসের যেন চাঞ্চল্য টের পাচ্ছি নিজের মধ্যে। এটা আমার নিজের বাড়ি। এখানে আমি সারা জীবন থাকব?

    রান্নাঘরে গিয়ে একটা মোমবাতি জ্বাললুম। এঁটো থালা–বাসনগুলো পড়ে আছে, কাল সকালে মাজতে হবে। বিলেত–আমেরিকায় যেসব ছেলেরা যায়, তাদেরও তো ঘর ঝাঁট দিতে হয়, থালা–বাসন মাজতে হয়!

    মোম নিয়ে সারা বাড়িটা ঘুরে দেখলুম। খাট–বিছানা কিছু নেই। তাতে কী হয়েছে? আজকাল ডাক্তাররা নাকি বলে, বালিশহীন শক্ত বিছানায় শোওয়াই স্বাস্থ্যকর। তাছাড়া ইজি চেয়ারটা রয়েছে।

    সিগারেটটা বেশ তারিয়ে তারিয়ে শেষ করলুম। তারপর ঝোলা থেকে বার করলুম আমার যাবতীয় সম্পত্তি। কয়েকটি জামা–প্যান্ট, পায়জামা, দু’খানা বই, একটা খাতা, কলম, দু’ প্যাকেট সিগারেট, একটা ছোট ছুরি, এক পাতা সেফটিপিন, ছোট একটা ব্র্যান্ডির শিশি—এই সব আমার ভ্রমণ–সঙ্গী।

    প্রথমে সিগারেটের প্যাকেট দুটো ছুঁড়ে ফেলে দিলুম জানলা দিয়ে। নিয়ম– ভাঙা হয়ে গেল, আর সিগারেট দরকার নেই।

    ফেলে দেবার পর মনে মনে হাসলুম। এরকম অনেকবার হয়েছে, আর সিগারেট খাব না ভেবে প্যাকেট ছুঁড়ে ফেলে দিয়েও একটু বাদে আবার কুড়িয়ে এনেছি, এমনকি পোড়া টুকরো খুঁজে এনেছি মাটি থেকে। সুতরাং ঐ প্যাকেট দুটোর চিরতরে গতি করা দরকার।

    এক গেলাস জল নিয়ে চলে এলাম বাইরে। জানলার বাইরে ফাঁকা মাটিতে প্যাকেট দুটো পাশাপাশি পড়ে আছে। তার ওপরে ঢেলে দিলুম জল। বিদায় সিগারেট! অনেক বছরের বন্ধু ছিলে, অনেক দুঃখে–সংকটে তুমি আমায় সাহায্য করেছ, ভরসা দিয়েছ, অনেক আনন্দ দিয়েছ, এবার থেকে তোমার সঙ্গে সব সম্পর্কের ইতি। তুমি সভ্যতার অগ্রগতির অঙ্গ। আমি এখন সভ্যতার আওতার বাইরে।

    সিগারেট ফুরিয়ে গেলে সেই যে পাগলের মতন খোঁজাখুঁজি, এবার সেই পাগলামি থেকেও নিষ্কৃতি! বেশ একটা মুক্তির স্বাদ পাওয়া গেল!

    ঘরে ফিরে এসে খাতা আর কলমের দিকে তাকিয়ে রইলুম কিছুক্ষণ। ও দুটো রাখারই বা কী দরকার? অতিরিক্ত আবর্জনা ছাড়া আর তো কিছু না! কলম আমার আর কোন্ কাজে লাগবে?

    পেছন দিকের বাগানে এসে খুব জোরে ছুঁড়ে মারলুম কলমটাকে। ওদিকে একটা ডোবা মতন আছে। আমার কলমের সলিলসমাধি হওয়াই ভালো। এবারে খাতাটাকেও পাঠালুম সেই দিকে।

    এবারে বই দুটো?

    বই দুটোর মালিক আমি নই, ধার করে নিয়ে এসেছি। ঐ বইয়ের মালিককে আর কোনোদিনই ফেরৎ দেওয়া হবে না বটে, তবু পরের জিনিস ফেলে দিতে আমার হাত ওঠে না! আর কিছু না হোক, উনুন ধরাবার জন্যও ঐ বইয়ের পাতা ছিঁড়ে কাজে লাগানো যেতে পারে। বই দুটি রেখে দিলুম রান্নাঘরে।

    ব্র্যান্ডির শিশিটিা? ঠিক নেশার জন্য তো ওটা রাখিনি, হঠাৎ শরীর খারাপ হলে কিংবা খুব শীত করলে ওটা কাজে লাগে। নেশার দ্রব্য হলে তো জমিয়ে না রেখে আগেই খেয়ে ফেলতুম। ওটা রেখে দেওয়া হবে না ফেলে দেওয়া উচিত? ঠিক মতো মন ঠিক করতে পারি না।

    একটু বাদে একটা উপায় মাথায় আসে। ছিপিটা খুব শক্ত করে এঁটে শিশিটা নিয়ে চলে এলুম বাগানে। ক’দিনের বৃষ্টিতে মাটি বেশ নরম হয়ে আছে, খালি হাতেই অনেকটা খুঁড়ে ফেলা গেল। তারপর ব্র্যান্ডির শিশিটাকে সেই গর্তে কবর দিলাম। জয়দীপ যদি তার ঘড়ি পুঁতে রাখতে পারে তা হলে আমিই বা ব্র্যান্ডির শিশি সেই ভাবে রাখতে পারব না কেন? পরে অন্য কারুর উপকারে লেগে যেতে পারে।

    এবারে আমি প্রকৃত স্বাধীন। মোমবাতি নিবিয়ে জামাকাপড়ও খুলে ফেললুম। গ্রীষ্মকালে, একলা নিজের বাড়িতে উলঙ্গ হয়ে শুয়ে থাকতেও তো অসুবিধে কিছু নেই। ঘরে না শুয়ে যদি উন্মুক্ত মাঠে শুই তা হলে একেবারে সাড়ে সাত লক্ষ বছর আগেকার পৃথিবীতে চলে যাওয়া যায়।

    কিন্তু বর্ষাকাল, সাপের ভয় আছে। এই বাড়িটা অনেকদিন অব্যবহৃত ছিল, আশেপাশে সাপ–খোপ থাকা অস্বাভাবিক কিছু নয়। সন্ধেবেলা আমি একটা ধেড়ে ইঁদুর দেখেছি।

    থাক, এক লাফে সাড়ে সাত লক্ষ বছর পিছিয়ে যাবার দরকার নেই, তিন– চার হাজার বছরই যথেষ্ট। ঘরেই শোব ঠিক করলুম।

    চোখ একেবারে খরখরে শুকনো। সহজে ঘুম আসবে বলে মনে হয় না।

    টাক–মাথা লোকটার কথা মনে পড়ল হঠাৎ, ও রোহিলাকে হঠাৎ সুলোচনা বলে ডেকে উঠল! রোহিলার সঙ্গে ওর কী সম্পর্ক ছিল, এখানে এসেও সেটা ভুলতে পারছে না? রোহিলা কিন্তু আগাগোড়া অবিচলিত। এই মেয়েটি সত্যিই অসাধারণ!

    — নীলু! নীলু!

    কে ডাকছে আমাকে। ধড়মড় করে উঠে পায়জামাটা পরে নিলুম। ডাকটা থেমে গেছে। তবু আমি উঁকি মারলুম বাইরে। কেউ নেই। পুরুষের গলা, ঠিক চিনতে পারিনি।

    আমি জিজ্ঞেস করলুম, কে? কেউ আছ ওখানে?

    কোনো উত্তর নেই। একটুক্ষণ অপেক্ষা করেও কোনো স্পন্দন টের পেলুম না। তাহলে কি আমার শোনার ভুল? কোনো রাতপাখি ডেকে উঠেছিল?

    ফিরে এসে শুয়ে পড়লুম আবার। ডাকটা শুনে আমার বুকটা কেঁপে উঠেছিল। কেন, কিসের ভয় আমার? খুব ঘনিষ্ঠ কেউ না হলে তো নীলু বলে ডাকবে না, এখানে সেরকম পুরুষ কে আছে।

    আবার একটু পরেই স্পষ্ট শুনতে পেলুম সেই ডাক। কণ্ঠস্বরে একটা ব্যাকুলতা রয়েছে। কেউ যেন হাত বাড়িয়ে দিয়ে বলছে, নীলু নীলু, এদিকে আয়! এবারে আমি উঠে খুঁজতে গেলুম না। আমার শরীর শিরশির করছে। আবার সেই ডাক শোনার জন্য উদগ্রীব হয়ে রইলুম।

    যদিও অন্ধকারে কিছু দেখা যায় না, তবু আমি চোখ বুজলুম। যে ডাকছে তার মুখখানা যদি চেনা যায়। কিন্তু অস্পষ্ট রেখা ঠিক চেনা যাচ্ছে না।

    তারপরেই হঠাৎ এক ঝলক হলুদ আলোর মধ্যে দেখা গেল দুটি মেয়েলি হাত, কেউ বলল, নীললোহিত, তুমি আসবে না?

    আমি উঠে বসলুম। প্রথম রাত্রে এইরকম হয়? তাহলে ঘুমাবার চেষ্টা না করাই তো ভালো। একা একা মানুষ কী করে জেগে থাকে? বই দুটো নিয়ে এসে পড়ব মোম জ্বেলে। হাতের আঙুল নিশপিশ করে উঠল অমনি। রাত জেগে বই পড়ার সময় সিগারেট খাব না, এটা যেন চিন্তাই করা যায় না। সিগারেটগুলোকে নিজের হাতে ধ্বংস করেছি। সব কটাই ভিজে গেছে? একটা দুটো যদি উদ্ধার করা যায়…কিংবা ব্র্যান্ডিতে দু’ এক চমুক দিলে যদি ঘুম আসে…

    নিজের মনেই হাসলুম। প্রথম রাত্তিরে সবারই কি মাথায় এই রকম চিন্তা আসে? কাল বন্দনাদিকে জিজ্ঞেস করতে হবে তো! পিছুটান এত তীব্র?

    খর–র–র খ–র–র–র শব্দ হলো বাইরে। এটা সত্যিকারের শব্দ, আমি বানাইনি! কান পেতে আরো দু’ একবার শুনলুম। কোনো সন্দেহ নেই, একটা জীবন্ত কিছু উপস্থিত হয়েছে।

    বাগানে এসে দেখি, শব্দটা আসছে আমার রান্নাঘরের ছাদ থেকে। একটা কোনো পাখি এসে বসেছে। ভালো করে নজর করলুম। সাদা রঙের একটা প্যাঁচা। তার মানে লক্ষ্মীপ্যাঁচা? আমার মতন এক লক্ষ্মীছাড়ার বাড়িতে?

    অল্প অল্প জ্যোৎস্নায় দুধ–সাদা রঙের প্যাচাটিকে বড় সুন্দর দেখায়। বিস্ময়মাখা বড় বড় চোখ, ঠিক মানুষের মতন।

    আমি একটু কাছে এগিয়ে যেতেই সেই প্যাঁচা আমায় স্পষ্ট ভাষায় জিজ্ঞেস করল, তুমি কে?

    আমি বিনীতভাবে বললুম, আমি নীললোহিত, এখানে নতুন অতিথি হয়ে এসেছি।

    প্যাঁচাটি মাথা নেড়ে বলল, তোমার নাম জানতে চাইনি, প্রকৃত পরিচয় দাও। তুমি কে?

    —আমি একজন মানুষ। আর তো কিছু পরিচয় নেই।

    —তুমি নিজের পরিচয় জানো না। তুমি কী চাও?

    —আমি কী চাই? তাও তো জানি না!

    –তোমার জীবন কার জন্য

    – আমার জীবন কার জন্য? তার মানে?

    —তুমি আমার প্রশ্নের পুনরাবৃত্তি করো না। উত্তর দাও।

    —জানি না।

    –তুমি কেন এখানে থাকতে চাও?

    বন্দনাদি যখন এই প্রশ্নটা করেছিল, আমি তৎক্ষণাৎ বলেছিলাম, তোমার জন্য। সেই মুহূর্তে ঐ উত্তরটাই মানায় এবং সেটা সেই মুহূর্তের সত্যও বটে। কিন্তু এই নিশি–বিহঙ্গকে আমি কোন উত্তর দেব?

    আমাকে নীরব থাকতে দেখে সেই শুভ্র পাখি তার দুই ডানা বিস্তার করল। ঈষৎ কঠোরভাবে বলল, তোমাকে আমি আর একটি মাত্র প্রশ্ন করব। তার সঠিক উত্তর দিতে না পারলে তোমার স্মৃতিলোপ ঘটবে। তুমি পুরোনো সব কথা ভুলে যাবে। আর যদি উত্তর দিতে পার…

    আমি ভয়ে কেঁপে উঠলুম। বিষাক্ত এক পুষ্করিণীর পাশে এক বক যুধিষ্ঠিরকে অনেক প্রশ্ন করেছিল। এই প্যাঁচাও কি ছদ্মবেশী কোনো দণ্ডদাতা? কিন্তু আমি কি যুধিষ্ঠির নাকি যে শক্ত শক্ত দার্শনিক প্রশ্নের উত্তর দিতে পারব?

    আমি বললুম, না না, না, আমাকে আর প্রশ্ন করবেন না। আমি স্মৃতি হারাতে চাই না। আমি হার স্বীকার করছি।

    —তাহলে তুমি এখানে থাকার যোগ্য নও!

    এরপর আমার মাথার ওপর দিয়েই উড়াল দিয়ে সেই প্যাঁচা চলে গেল পশ্চিম দিগন্তের দিকে।

    একটুক্ষণ সেখানেই মূর্তির মতন নিথরভাবে দাঁড়িয়ে থাকার পর আমি শুনতে · পেলুম ট্রেনের চাকার শব্দ, হকারদের চিৎকার, কফি হাউসের গমগমে আওয়াজ। আমার নাকে এলো ডাব্ল ডেকার বাসের পোড়া ডিজেলের গন্ধ, মানুষের ভিড়ের গন্ধ, খুব চেনা কোনো হাতের গন্ধ। একটু দূরেই কারা যেন দাঁড়িয়ে আছে, হাতছানি দিচ্ছে।

    আমি একটা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেললুম। সাদা প্যাঁচা তাহলে আমার স্মৃতিলোপ করে দেয়নি। আমি ভুলতে চাই না।

    যারা আগেকার স্মৃতি ভুলতে চায়, তারাই তো এখানে আসে। প্যাঁচা ঠিকই বলেছে, আমি এখানে থাকার যোগ্য নই। এতদিন মাঝে মাঝেই স্বপ্ন দেখতাম, কোনো একদিন দিকশূন্যপুরে যাব। এখানে পাকাপাকি পৌঁছে গেলে আর কোথায় যাবার স্বপ্ন দেখব? যদি এখানে থাকতে ভালো না লাগে তাহলে যে দিকশূন্যপুর চিরকালের মতন হারিয়ে যাবে!

    বন্দনাদি বলেছিল, প্রথম রাতটাই খুব কঠিন। প্রথম রাতেই এই সব দ্বিধা মনটাকে দুর্বল করে দেয়?

    আকাশের দিকে তাকিয়ে কত রাত বোঝা যায় না। দু–একটা তারা দেখা যাচ্ছে। হাউইয়ের মতন কী যেন একটা ছুটে গেল নিঃশব্দে। এইমাত্র একটা নক্ষত্রপাত হলো? আমার বুকের ভেতরটা সমুদ্রের মতন তোলপাড় হচ্ছে, কিন্তু আমি আকাশের মতন শান্ত হতে চাইছি।

    মোম জ্বেলে বাসনপত্রগুলো মেজে ফেললুম। কাজ গুছিয়ে রাখা ভালো। জল প্রায় ফুরিয়ে এসেছে। এখন কুয়ো থেকে জল আনতে গেলে কেমন হয়?

    আমার জীবনটা কার জন্য? আমি কী চাই? কোনোদিন এই প্রশ্ন আমার মনে জাগেনি। কারুর প্রতি আমার রাগ বা অভিমান নেই। তবে আমি কেন এখানে থেকে যেতে চাই? ঐ প্যাঁচা কাল আবার ফিরে আসবে, আবার প্রশ্ন করবে!

    আগে এইসব প্রশ্নের উত্তর জানা দরকার। তাড়াতাড়ি আমার জিনিসপত্রগুলো গুছিয়ে নিলুম থলিতে। রান্নাঘরের তাক থেকে পেড়ে নিলুম বই দুটো। খাতা আর কলম উদ্ধার করা যাবে না। ব্র্যাণ্ডির শিশিটাও আমি ভূমিকে দান করেছি।

    বাইরে বেরিয়ে খানিকটা খুঁজতেই চটি দুটো খুঁজে পাওয়া গেল ঝোপের মধ্যে। সে দুটোকে ভরে নিলুম থলের মধ্যে, পরে কাজে লাগবে। কারুকে কিছু জানিয়ে যাবার দরকার নেই, তাছাড়া রাত্রে কারুর বাড়িতে যাওয়া নিষেধ। যার বাড়িতে যাব, সে–ই ভাববে আমি ভূতের ভয় পেয়ে চলে এসেছি। এক হিসেবে মিথ্যে নয়, ভূতের টানেই চলে যাচ্ছি আমি। বন্দনাদি ঠিকই বুঝবে।

    সাধারণভাবে হেঁটে যাবার বদলে আমি ছুটছি কেন? কে আমাকে টানছে! খেয়াল হবার পর আমি গতি কমালুম। এত ব্যস্ততা নেই তো কিছুর। রাত অনেক বাকি। তাছাড়া কারুর সঙ্গে দেখা হলেও ক্ষতি নেই, কেউ তো আমায় বাধা দেবে না।

    বন্দনাদির বাড়ির টিলার পাশে থমকে দাঁড়ালুম। বন্দনাদি কাল একটা চুমু দেবে বলেছিল। সে কথাটা মনে হতেই যেন এলাচের গন্ধ পেলুম। সেই গন্ধটা বাতাসে ভাসতে লাগল। রাত্রির আকাশ যেন বন্দনাদির চুম্বন। থাক। পাওনা রইল। না–পাওয়া চুমুর আকর্ষণ অনেক বেশি।

    এক দৌড়ে এই টিলার ওপরে উঠে গিয়ে আমি বন্দনাদির বুকে মাথা রাখতে পারি। তার বদলে আমি নদীর দিকে হাঁটতে লাগলুম। কেন? আমি কী চাই তা আমি জানি না।

    কাল বোধহয় এই সময়েই বন্দনাদি একটার পর একটা গান গাইছিল। আজ সবাই সকাল সকাল ঘুমিয়ে পড়েছে। দেরি করে জ্যোৎস্না ফুটেছে আজ, তা কেউ দেখল না। জ্যোৎস্না… বন্দনাদি বলেছিল, জ্যোৎস্নাকে ঠিক বিধবার মতন দেখাচ্ছে। কী করছে এখন জ্যোৎস্না? সে–ও কি ঘুমিয়েছে? জ্যোৎস্নার মুখটা আমার ভালো করে দেখার ইচ্ছে ছিল। এখন আর যাওয়া যায় না। সম্ভবত নীহারদার দেহ এখনো সেখানে রয়ে গেছে।

    নদীর ধারে এসে আমি একটা সুবিধে মতন জায়গা খুঁজতে লাগলুম। নদীটা কোথাও বেশি চওড়া ও গভীর, কোথাও খানিকটা রোগা। তবু যা মনে হচ্ছে, সাঁতার কাটতেই হবে।

    পাজামা–পাঞ্জাবি খুলে ফেলতে যাচ্ছি, এমন সময় হঠাৎ একটা ঠক ঠক শব্দ শুনতে পেলুম। সঙ্গে সঙ্গে আবার পোশাক পরে নিতে হলো। জনমানবের চিহ্ন নেই, তাহলে কিসের শব্দ। অনেকটা কাঠঠোকরার আওয়াজের মতন। ঠক ঠক ঠক! ঠক ঠক ঠক!

    আওয়াজটা অনুসরণ করে এগিয়ে গেলুম। একটা বড় পাথরের আড়াল থেকে শব্দটা আসছে। কেমন যেন অলৌকিক লাগছে। এটা কোনো পাখির ব্যাপার নয়।

    খুব সন্তর্পণে পাথরের আড়াল থেকে একটুখানি মুখ বাড়িয়ে দেখে দারুণ চমকে উঠলুম। ছায়ার মতন একটা মূর্তি, অন্ধকারের মধ্যে অনেকখানি মিশে আছে। মনে হয় মানুষ নয়। পরক্ষণেই বুঝতে পারলুম, এ তো রোহিলা, এখন আবার কালো শাড়িটা পরে এসেছে!

    একটা ছেনির মতন জিনিস পাথরের খণ্ড দিয়ে ঠুকছে রোহিলা। তা দেখেই মনে পড়ে গেল, ‘আসবার সময় এখানকার একটা বড় পাথরের চাঁইতে একটা অসমাপ্ত রিলিফ ছবি দেখেছিলাম। ওটা তাহলে রোহিলারই কীর্তি? একবারও ওটার কথা উল্লেখ করেনি।

    হঠাৎ ওকে চমকে দেবার বদলে প্রথমে মাটিতে পা ঘষে একটা ছোট আওয়াজ করলুম। রোহিলা মুখ ফিরিয়ে তাকাতেই আমি বললুম, রোহিলা আমি নীললোহিত!

    কাজ থামিয়ে রোহিলা বলল, তুমি! ঘুম আসছে না বুঝি? প্রথম রাতে ঘুম আসে না, আমিও ঘুমোতে পারিনি।

    কাছে গিয়ে দাঁড়িয়ে জিজ্ঞেস করলুম, তুমি এত রাতে ছবি আঁকছ? কিংবা এটা ভাস্কর্য?

    রোহিলা বলল, সে রকম কিছুই না! এই পাথরটার গা কীরকম মসৃণ দেখ। এরকম পাওয়াই যায় না। এটা দেখেই মনে হয়েছিল, এটার গায়ে একটা ছবি হলে মানাবে। তাই একটু চেষ্টা করছি!

    —এত রাত্তিরে কেন?

    –দিনের বেলা লজ্জা করবে না? আমি কী ছবি আঁকতে জানি? সবাই এসে দেখবে। বলবে, ঠিক হচ্ছে না। কেউ বলবে মুখটা ওপরের দিকে তুলে দাও। কেউ বলবে চিবুকটা ধারালো করো! তার চেয়ে রাত্তিরেই সুবিধে! নীললোহিত, তুমি কিন্তু কারুকে বলবে না যে এটা আমার!

    –আচ্ছা বলব না।

    —তুমি কী করে এখানে এলে, নীললোহিত? অনেক দূর থেকে শব্দটা শোনা যায় বুঝি?

    –না, আমি কাছাকাছি এসে শুনতে পেলাম!

    –একটা হাতুড়ি পেলে বড্ড সুবিধে হতো! পাথর দিয়ে ঠুকে ঠুকে ঠিক হয় না। তুমি আমাকে একটা হাতুড়ি বানিয়ে দেবে?

    – আমি? আমি হয়তো পারব না, রোহিলা। তুমি বরং বসন্ত রাও–কে বলো, ওর কাছে থাকতেও পারে!

    –না, আমি ওকে বলব না। তুমি তৈরি করে দেবে না কেন, নীললোহিত? তুমি তো খুব খারাপ লোক।

    আমি চুপ করে রইলুম। রোহিলা ছেনিটা কোমরে গুঁজে নিয়ে বলল, চলো, জলের ধারে বসি, তোমার সঙ্গে গল্প করি। এখানকার রাতগুলো বড় সুন্দর, আমার ঘুমোতে ইচ্ছে করে না।

    কয়েক পা এগোবার পর রোহিলা জিজ্ঞেস করল, এ কী, তোমার কাঁধে ব্যাগ কেন?

    নিজে থেকে বলতে পারছিলুম না, ও জিজ্ঞেস করাতে সুবিধে হলো। আমি রোহিলার হাত ছুঁয়ে বললুম, রোহিলা, আমি চলে যাচ্ছি।

    যেন একটা অবিশ্বাস্য দৃশ্য দেখছে এই ভাবে রোহিলা আমার মুখের দিকে তাকাল। তারপর আস্তে আস্তে বলল, চলে যাচ্ছ? আজ রাতেই? নীললোহিত, প্রথম রাতে এরকম হয়। আমি খুব কেঁদেছিলুম। দুতিন দিন থাক!

    আমি বললুম, তুমি এখানে কেন এসেছ তা তুমি জানো। কিন্তু আমি যে সেটা জানি না!

    রোহিলা বলল, এখানে কেউ কারুকে কোনো ব্যাপারে বাধা দেয় না, তাই না? আমারও তোমাকে বাধা দেওয়া উচিত নয়! কিন্তু, তুমি চলে যাচ্ছ, সেই সময় কেন আমার সঙ্গে দেখা হলো? আমার যে মনটা খুব খারাপ লাগছে! এখন আমি কী করি?

    –আমি পরে আবার আসব, রোহিলা!

    –আবার আসবে, তবে কেন চলে যাচ্ছ? ও, থাক, উত্তর দিতে হবে না। এখানে এসব কৌতূহল দেখাতে নেই। তুমি আবার একদিন তাজমহলের বারান্দায় গিয়ে শোবে একা একা?

    —কী জানি, হতেও পারে।

    – তাজমহল, খাজুরাহো মন্দিরে আমার কোনোদিন শোওয়া হলো না।

    —তাতে কী হয়েছে, ওসব জায়গা মনে মনে কল্পনা করে নিলেই হয়!

    রোহিলা আমার দিকে একদৃষ্টিতে চেয়ে রইল। রাত্তিরবেলা কালো রঙের শাড়িতে ওকে বে–মানান লাগছে না। মনে হয় যেন অন্ধকারের মাধুরী।

    আমি খুব আস্তে আস্তে বললুম, রোহিলা, আমি এবার যাই?

    —নীললোহিত, তুমি আমাকে তোমার সঙ্গে নিয়ে যাবে?

    –কোথায়?

    –ভয় নেই, তোমার সঙ্গে তোমার বাড়িতে যাব না। আমি আর কোনো বাড়িতেই যাব না। তুমি আমাকে তাজমহল কিংবা খাজুরাহোতে পৌঁছে দেবে?

    –তা দিতে পারি। কিন্তু তারপর সেখান থেকে কোথায় যাবে?

    -সে তোমাকে ভাবতে হবে না! আমি যে অনেক কিছু দেখিনি, তাই আমার কল্পনাশক্তি এত কম। এত ছোট জীবন নিয়ে আমি কী করে বাঁচব? তাই দেখতে ইচ্ছে করে… তুমি আমাকে নিয়ে যাবে না?

    –কেন নিয়ে যাব না, চলো!

    নদীর জলে একটুখানি নেমে এলো রোহিলা। আমার হাত ধরল। আমি জিজ্ঞেস করলুম, তুমি সত্যিই যেতে চাও? তোমার তো এখানে ভালো লাগছিল।

    রোহিলা বলল, আবার ওপারে গিয়ে দেখি এখানে ফিরে আসতে ইচ্ছে করে কি না?

    হাঁটু জলে আসবার পর রোহিলা আমার হাত শক্ত করে ধরে বলল, নীললোহিত, আমার ভয় করছে। আমি যে সাঁতার জানি না!

    —ভয় নেই। আমাকে ধরে থাকো। ডুব জল হলে আমি তোমার কোমর ধরে ভাসিয়ে নিয়ে যাব।

    —তুমি ভালো সাঁতার জানো?

    –তোমাকে নিয়ে যেতে পারব ঠিকই।

    –আমি অন্যদিক থেকে এসেছিলাম এখানে। সেখানে নদী ছিল না, পাহাড় ছিল। পাহাড় পেরিয়ে যাওয়া সহজ। সেই দিক দিয়ে চলো।

    –সেদিক দিয়ে তুমি তো একাই যেতে পারবে। আমার সাহায্য লাগবে না। রোহিলা, আমাকে এইদিক দিয়েই যেতে হবে।

    কোমর জল এসে গেছে। রোহিলা দাঁড়িয়ে পড়ে বলল, নীললোহিত, তুমি আমাকে নিয়ে যেতে চাও না?

    –কেন চাইব না। এসো—

    – না। আমি যাব না। যেতে পারবে না, তুমি ফিরে এসো। নীললোহিত, তুমি ফিরে এসো!

    আমি রোহিলার হাত ধরে টানলুম, রোহিলা আমাকে টানল বিপরীত দিকে। আমরা একই জায়গায় স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে রইলুম। পল–অনুপল–মুহূর্ত কেটে যেতে লাগল। জোনাকির মতন ঝরে ঝরে পড়ছে জ্যোৎস্না। নদীর ওপার থেকে বাতাস এসে মাথার ওপর খেলা করছে।

    দূরে কয়েকজনের কণ্ঠস্বর শোনা গেল হঠাৎ। কারা যেন আসছে। বোধহয় নীহারদাকে নিয়ে আসছে সমাধি দিতে।

    রোহিলার কাছ থেকে হাত ছাড়িয়ে নিয়ে আমি নেমে গেলুম গভীরতর জলে।

    ⤶
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)
    Next Article ভালোবাসা নাও, হারিয়ে যেও না – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    Related Articles

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    নীললোহিতের চোখের সামনে – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    নীললোহিতের অন্তরঙ্গ – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    আকাশ পাতাল – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    ভালোবাসা নাও, হারিয়ে যেও না – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 6, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    শেষ দেখা হয়নি – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মানবজমিন – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    August 7, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মানবজমিন – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    August 7, 2026
    Our Picks

    মানবজমিন – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    August 7, 2026

    কড়িখেলা – সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 7, 2026

    নীললোহিতের চোখের সামনে – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }