Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    কাঞ্চন-মূল্য – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    April 23, 2026

    শূন্য পথের মল্লিকা – স্মরণজিৎ চক্রবর্তী

    April 23, 2026

    মরণের আগে ও পরে – ইমাম গাজ্জালী (অনুবাদ : মাওলানা শাহ ওয়ালীউল্লাহ)

    April 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ভৌতিক অলৌকিক – অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী

    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী এক পাতা গল্প189 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    শুধু কুড়ি মিনিট – অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী

    শুধু কুড়ি মিনিট

    কফির কাপে চুমুক দিয়ে বাইরের দিকে তাকাল জয়ন্ত। আকাশের রং সিগন্যালহীন টিভি-র স্ক্রিনের মতো। তুলোর মতো বরফ বৃষ্টি হচ্ছে। একটা লুফতহ্যানসার প্লেন পার্কিং থেকে বেরিয়ে রানওয়ের দিকে এগোচ্ছে। হালকা সবুজ জ্যাকেট পরা একটা লোক ফ্ল্যাগ দেখিয়ে প্লেনটাকে এগিয়ে যেতে বলছে।

    বিজনেস লাউঞ্জের সোফায় বসে এসব দেখে আরামসে কয়েক ঘণ্টা কাটিয়ে দেওয়া যায়। কিন্তু নাহ, এবার এগোতে হবে। আর কুড়ি মিনিট বাদে বোর্ডিং। গেট খুঁজে ঠিক গেটের সামনে যেতে যেতে আরও দশমিনিট লেগে যাবে। গেটের সামনে বসে অপেক্ষা করাটা বেটার।

    প্রায় দেড়মাস হয়ে গেল জয়ন্ত জার্মানি এসেছে। দু-সপ্তাহের জন্যে এসে কাজে আটকে গেছে। কত তাড়াতাড়ি দেশে ফেরা যায়, এখন তারই অপেক্ষা। তারই জন্যে প্রত্যেক সেকেন্ড গোনা। লাউঞ্জ থেকে বেরোনোর আগে ফ্লাইট টাইমিং-এর স্ক্রিনটাতে চোখ রাখে জয়ন্ত।

    যাহ, ফ্লাইটটা আধঘণ্টা লেট। বরফ পড়ার জন্যেই হবে হয়তো। বরফ পড়লে প্লেনগুলোকে ছাড়ার আগে ডিআইসিং করতে হয়। অর্থাৎ আরও আধঘণ্টা বাদে বেরোলেই হবে। কিছু আঙুর আর পিয়ার নিয়ে ফের সোফায় এসে বসে জয়ন্ত।

    লাউঞ্জের মধ্যের ঘড়িতে পাঁচটা জায়গার সময় দেখানো হচ্ছে টোকিও, হংকং, নিউইয়র্ক, লন্ডন আর মিউনিখ। একদিন হয়তো ভারতের কোনও জায়গাও যুক্ত হবে এই ঘড়ির সারণীতে। বাড়িতে রন্টু এখন কী করছে তা জানার জন্যে বারবার সাড়ে চারঘন্টা যোগের মেন্টাল ক্যালকুলেশনটাও করতে হবে না। নির্ঘাত এখন কার্টুনের কোনও চ্যানেল দেখছে। আর জয়তী ওকে মাঝেমধ্যে পড়তে বসার কথা বলে যাচ্ছে। একবার ফোন করে জানিয়ে দেওয়া যাক, প্লেন ছাড়তে দেরি করছে।

    ফোন করে জয়ন্ত,—’হ্যাঁ, আমি মিউনিখ এয়ারপোর্ট থেকে বলছি। ফ্লাইট ছাড়তে আধঘণ্টা দেরি হচ্ছে। মনে হয় সকাল বারোটা নাগাদ কলকাতা পৌঁছোব। সময়মতো এয়ারপোর্টে চলে এসো। রন্টুকে নিয়ে এসো।…

    উলটোদিকে জয়তীর কথা পরিষ্কার শুনতে পায় না জয়ন্ত। অন্য কেউ যেন ওর সঙ্গে কথা বলছে। ক্রস কানেকশন। নাহ, ফোনে নয়। কেউ যেন জয়ন্তর সামনেই কথা বলছে। অথচ সামনে কেউ নেই। অবাক ব্যাপার। বাধ্য হয়ে জয়তীকে সামান্য কিছু কথা বলে ফোনটা কেটে দিল জয়ন্ত। অন্য কথাটা কিন্তু এখনও চলছে। ভাঙা ভাঙা ইংরেজিতে কে যেন ওকে বলে চলেছে। মন দিয়ে শোনার চেষ্টা করে জয়ন্ত।

    ‘তুমি আজকে ইন্ডিয়া পৌঁছোবে না। তোমার সামনে ভীষণ বড় বিপদ।’

    আবার সেই কথাটা। উচ্চারণ শুনে মনে হয় ইটালিয়ান। ‘আই’ কে ‘ই’-এর মতো করে উচ্চারণ করছে।

    চারদিকে তাকিয়ে দেখল জয়ন্ত। অনেক লোকেই বসে আছে বিজনেস লাউঞ্জে। তবে জয়ন্তর সবথেকে কাছে যে বসে, সেও হাতপাঁচেক দূরে। পঞ্চাশোর্ধ্ব এক ভদ্রলোক। ছোট করে কাটা চুল। চওড়া কপাল। ঠোঁটের উপরে একচিলতে গোঁফ। চোখে গোল লেন্সের রিমলেস চশমা। চোয়ালের পাশ দিয়ে পড়া ভাঁজে মুখের কাঠিন্য অনেক বাড়িয়ে তুলেছে। লোকটা একবার জয়ন্তর দিকে তাকিয়ে আবার চোখ সরিয়ে নিল।

    লাউঞ্জে বেশিরভাগই নিজের মতো কাজ করছে। কেউ কাগজ পড়তে পড়তে কফি খাচ্ছে, কেউ ল্যাপটপে কাজ করছে। ওদিকে কিছু লোক টিভি দেখছে। কিন্তু এ লোকটা কিছুই করছে না। চুপচাপ বসে আছে।

    ‘ঠিকই ধরেছেন। আমিই বলছি। আমার নাম বোলে ফ্যাব্রিজিও। এর বেশি আমি কে, কোথা থেকে এসেছি এ ব্যাপারে কোনও কিছুই বলতে পারব না। শুধু এটুকুই জানবেন যে আমি আপনার ভালো চাই। আর এখন আপনাকে শুধু একটা খবর জানাতে চাই।’

    এ এক অদ্ভুত অভিজ্ঞতা! লোকটা কি জাদু জানে! ঠোঁট নড়ছে না। অন্যদিকে তাকিয়ে আছে। কিছু বলছে না। অথচ মনের মধ্যে প্রত্যেকটা শব্দ যেন পরিষ্কার শোনা যাচ্ছে।

    ‘ঘাবড়াবেন না। মন দিয়ে শুনুন। আপনার কাছে ঠিক কুড়ি মিনিট আছে। কুড়ি মিনিট পরে আপনার জীবনে এমন একটা ঘটনা ঘটতে চলেছে যে আপনি আর কোনওদিনই বাড়ি ফিরতে পারবেন না। আপনার ছেলে-বউ-এর সঙ্গে আর দেখা হবে না।’

    একটু সময় কথা থামল। তারপর ফের বলে উঠল—’আমার কথায় বিশ্বাস হচ্ছে না—তাই না! আপনার ছেলের নাম রন্টু। ভালো নাম জয়ব্রত। আপনারা থাকেন সল্টলেকের বিসি ব্লকে। ইদানীং রাজারহাটে একটা ফ্ল্যাট কিনেছেন। ঠিক কি না?’

    জয়ন্ত বুঝতে পারল, উত্তেজনায় ওর হাত-পা ঠান্ডা হয়ে যাচ্ছে। এতবার যাতায়াত করে, এরকম ঘটনা ওর জীবনে কখনও হয়নি! উঠে লোকটার কাছে যাবে? কী বলতে চায়, পরিষ্কার করে বললেই পারে।

    উঠতে যাবে, মনের মধ্যে আবার লোকটার গলা ভেসে এল, ‘খবরদার! আমার কাছে আসবেন না। এমন কিছু করবেন না যাতে অন্যরা কেউ এটা টের পায়। যা করার চটপট ভেবে নিন। আর ঠিক আঠেরো মিনিট বাকি আছে।’

    আজব ব্যাপার! কী করবে? কী বিপদ? কার থেকে বিপদ? কোনও কিছুই তো জানা নেই! বিপদ কী, না জানলে তার মোকাবিলা করা যায় নাকি? অথচ জিগ্যেসও করা যাবে না।

    ‘আমি আপনাকে বেশি কিছু বলতে পারব না। কারণ এভাবে ভবিষ্যৎ থেকে এসে কিছু বলে বড়রকম কোনও চেঞ্জ করে ফেললে আমি নিজেই বিপদে পড়ে যাব। নেহাতই আপনার ছেলের অনুরোধে আসা। ওর মুখ থেকেই পুরো গল্প শোনা।’

    ভবিষ্যৎ থেকে এসেছে? আমার ছেলের অনুরোধে? লোকটা কী সব আজগুবি কথা বলছে!

    ‘বিশ্বাস করুন বা না করুন, আপনার ছেলে হল আমার বন্ধু। আমার বসও বটে। এমন অদ্ভুত লোক খুব কম হয়। এত নামকরা সায়েন্টিস্ট, এত ভালো ব্যবহার, কিন্তু কারুর সঙ্গে মিশবে না। কারুর সঙ্গে মিশতে ভয় পায়। তা একদিন অনেক সাধাসাধির পর কারণটা বলল। তখনই আপনার ঘটনাটা শুনলাম। আপনাকে ছোটবেলা থেকে সবসময় কীরকম মিস করেছে, সব বলেছে। এই ঘটনার পরে হঠাৎ করে এতটা অবস্থার পরিবর্তন, মা’র পক্ষে সবকিছু সামলানো, খরচ কমাতে নামি স্কুল থেকে অনামি স্কুল কিশোর ভারতীতে ভরতি—বাড়ি বিক্রি করে ভাড়াবাড়িতে শিফট —সবকিছু। সবথেকে বড় কথা এখনও ও আপনাকে খুব মিস করে।

    ‘তা আমিই একদিন ওকে বললাম—আমি যদি অতীতে গিয়ে আপনাকে আগে থেকে জানিয়ে দিই, তাহলে এত বড় দুর্ঘটনাটা হয়তো ঘটবে না। ও তো শুনেই লাফিয়ে উঠল। টাইমট্রাভেল এখন সম্ভব হলেও, পারমিশন পাওয়া যায় না। নিকট আত্মীয় হলে তো কোনওভাবেই নয়।

    ‘নেহাত আপনার ছেলের ইনফ্লুয়েন্সে আমার আসার পারমিশন পাওয়া গেছে। কিন্তু হাজারটা নিয়ম। এটা করা যাবে না, ওটা করা যাবে না। সরাসরি কী হবে, তা বলা যাবে না। কার জন্য হবে, কী জন্য হবে তা বলা যাবে না। তা যা করবার তাড়াতাড়ি করুন। আর মাত্র বারো মিনিট।’

    লোকটা যদি সব ঠিক বলে, তা হলেও বা কী করার আছে? কিছুই তো বোঝা যাচ্ছে না। প্লেন ছাড়তে আধঘণ্টা বাকি। প্লেনে উঠবে না! কিন্তু তা তো বারো মিনিটের মধ্যে নয়। লাউঞ্জ থেকে বেরিয়ে যাবে? বাড়িতে ফোন করে জানিয়ে দেবে? উত্তেজনায় মাথা কাজ করে না জয়ন্তর।

    কাঁপা হাতে ফোন করে জয়ন্ত, ‘হ্যালো জয়তী! হ্যাঁ-বলছিলাম প্লেন দেরি হচ্ছে।…না-না এমনিই আবার ফোন করলাম। সাবধানে থাকবে। কোনও ধরনের প্রবলেম হলে মিলনকে ফোন কোরো।… শোনো রন্টুকে একটু দাও তো।…রন্টুসোনা, মার কথা শুনবে—ভালো হয়ে থাকবে বুঝলে? তোমার উপর অনেক দায়িত্ব। কী আনছি? তোমার জন্য ভালো বই কিনেছি। আচ্ছা তোমার মাকে একটু দাও।..জয়তী, শোনো আমার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফাইলে আমার সব অ্যাকাউন্ট পাসওয়ার্ড আছে।…না-না—সব ঠিক আছে। এমনিই বলছি। ফাইলটা কোথায় ঠিক, বুঝতে পেরেছ তো?’

    লোকটার কথা আবার ভেসে আসছে। ‘আর ঠিক দশমিনিট।’ বাধ্য হয়ে ফোনটা রেখে দেয় জয়ন্ত। যাক, দরকারি কথাটুকু জানানো গেছে অন্তত। এলোমেলো অনেক চিন্তা মাথায় আসে। জয়তী, রন্টুর মুখ খুব বেশি করে মনে পড়ে। যদি সত্যিই কিছু হয়, কী করে চলবে ওদের? সবকিছুতেই তো ওরা জয়ন্তর ওপর নির্ভর করে। কিছুই জানে না।

    ‘আরে জয়ন্ত না?’ পরিচিত গলাটা শুনে চমকে ঘুরে তাকায় জয়ন্ত। তীর্থ। তীর্থ এখানে? দমবন্ধ হওয়া পরিবেশে এক ঝলক হাওয়া।

    ‘তুই, তুই এখানে?’

    ‘আমি কানাডা থেকে ছুটিতে ফিরছি। ছ’ঘণ্টা পরে কানেক্টিং, ফ্লাইট।’

    ‘তা কী করিস কানাডায়?’

    ‘ব্যবসা।’

    ‘কীসের?’

    ‘গারমেন্টস এক্সপোর্ট-ইমপোর্ট। বেশ ভালোই জমে গেছে। তা সে কথা ছাড়। কতদিন পরে দেখা। সেই স্কুলের পরে। তা কতবছর হল? চব্বিশ-পঁচিশ বছর হবে, তাই তো?’

    ‘ঠিক সাতাশ বছর। মাধ্যমিকের রেজাল্ট বেরোনোর পর তোর মা আমাকে রান্না করে খাইয়েছিলেন। মাসিমা এখন কেমন আছেন রে?’

    ‘মা নেই। চারবছর হল।’ তীর্থর গলায় একটু ব্যথার সুর। একটু থেমে ফের বলে ওঠে, ‘শোন, আমার সুটকেসটা এখানে থাকল। একটু চোখ রাখিস। আমি একটু বাথরুম ঘুরে আসি।’ তীর্থ দ্রুত পায়ে ওয়াশরুমের দিকে এগিয়ে যায়। ওর শরীরটা আড়ালে মিলিয়ে যেতে না যেতে জয়ন্তর আবার লোকটার কথা মনে পড়ে যায়। আর ক’মিনিট বাকি? লোকটা আর আগের জায়গায় নেই। উত্তেজিত হয়ে আগে-পিছনে দেখতে থাকে জয়ন্ত। নাহ! লাউঞ্জের এদিকটায় অন্তত নেই।

    আবোল-তাবোল দুশ্চিন্তা মাথায় আসে। প্লেন ক্র্যাশ? এখানেই কোনও টেররিস্ট অ্যাটাক? তীর্থকেই একটু খুলে বলা যাক। অবশ্য কী করে বোঝাবে? যে-কেউ শুনে তো পাগল বলবে। তিরিশ বছরের আগের তীর্থ তো আজ অনেকটাই অপরিচিত। উত্তেজনায় এক কাপ ক্যাপুচিনো নিয়ে চট করে আবার ফিরে আসে জয়ন্ত। ধুর, নিকুচি করেছে। বাজে স্বপ্নের মতো চিন্তাটাকে ভুলে যাওয়ার চেষ্টা করে জয়ন্ত। পুরোটাই তো আজগুবি। গিয়েই কোনও সাইকিয়াট্রিস্টকে দেখাতে হবে। জোর করে একটু হাসার চেষ্টা করে।

    অদ্ভুত! তীর্থ এত দেরি করছে কেন? ওকে বলতে পারলে একটু হালকা হওয়া যেত। কী যেন বলছিল লোকটা? ওর ছেলে রন্টু নাকি নামি সায়েন্টিস্ট। মনে মনে মুচকি হাসে জয়ন্ত। সারাক্ষণ কার্টুন দেখছে। আর ধৈর্য যা—সায়েন্টিস্ট! লোকটা আরও বলছিল—রন্টু নাকি অদ্ভুত ধরনের। কারুর সঙ্গে মিশতে ভয় পায়। আর সেই প্রসঙ্গেই নাকি জয়ন্তর কথা ওই লোকটাকে বলেছিল। কোনও মাথামুণ্ডুই খুঁজে পায় না জয়ন্ত। ওর মারা যাওয়ার সঙ্গে রন্টুর ওরকম স্বভাবের লিংক কোথায়? কী হতে পারে?

    আচ্ছা, তীর্থ এত দেরি করছে কেন? উঠে ওয়াশরুমের দিকে যায় জয়ন্ত। নাহ, এখানে তো নেই। তা হলে কি শাওয়ার রুমে স্নান করতে ঢুকেছে? শাওয়ার লিস্টের নামের মধ্যে তীর্থর নাম খোঁজে জয়ন্ত। নাহ, তাতেও তীর্থর নাম নেই। ঘড়ির দিকে নজর পড়ে। আর ঠিক একমিনিট বাকি।

    বুকের ভেতর ধুকপুকুনির আওয়াজটা যেন নিজেই টের পায়। হঠাৎ কী খেয়াল হতে জয়ন্ত ছুটে ওর বসার জায়গার কাছে আসে। তীর্থর লাল স্যামসোনাইটের ট্রলিব্যাগটা একবার আড়চোখে দেখে নিয়ে, শুধু নিজের ব্যাগটা নিয়ে জোর পায়ে লাউঞ্জ থেকে বেরিয়ে আসে। প্রায় ছুটতে থাকে জয়ন্ত। এয়ারপোর্টে মাঝেমধ্যেই এরকম কাউকে না কাউকে ছুটতে দেখা যায়। তাই জয়ন্তর ছোটাটা তেমন অস্বাভাবিক কিছু নয়। কিন্তু বেশিদূর নয়। একটা বিশাল বিস্ফোরণের আওয়াজ শোনে। আওয়াজটা এসেছে লাউঞ্জের দিক থেকে।

    ২

    একমাস পরের ঘটনা। সকালের কাগজে তীর্থর ছবি। মিউনিখ এয়ারপোর্টে বিস্ফোরণের কারণে তীর্থকে ধরেছে জার্মান পুলিশ। শুধু একটা নয়, সেদিন এয়ারপোর্টের তিনটে জায়গায় বিস্ফোরণে মারা গেছে টোটাল আটজন। আহত শতাধিক। জয়ন্ত জানে নিহতের সংখ্যাটা আরও একজন বেশি হত। শুধু ওই লোকটার জন্যেই ও বেঁচে গেছে। শেষ মুহূর্তে জয়ন্ত বুঝতে পারে। লোকটা বলেছিল, ‘রন্টু কারোর সঙ্গে মিশতে ভয় পায়।’ কেন? সে ধাঁধার উত্তর পেয়ে গেছে জয়ন্ত। জয়ন্ত তার ছেলেবেলার বন্ধুর সঙ্গে দেখা হওয়ার জন্যই মারা গিয়েছিল। সেটাই হতে যাচ্ছিল, যদি না ঠিক এক মিনিট আগে সন্দেহ হত তীর্থের উপরে। কতজনেই তো বন্ধু হয়, কিন্তু আমরা ভালোভাবে চিনি তাদের কতজনকে? আর এই ঘটনার জন্যই রন্টু কারোর সঙ্গে মিশতে ভয় পায়। নাহ, পায় তো আর বলা যাবে না। বলা যায় ভয় পেত।

    রন্টু খাটের উপর বসে হট হুইলের গাড়ি নিয়ে খেলছে। ওর আর জয়তী দুজনেরই মন খারাপ। আগের ভালো দামি প্রাইভেট স্কুল ছাড়িয়ে ওকে পাড়ার এক সাধারণ স্কুলে ভরতি করেছে জয়ন্ত। তাতে না আছে লন টেনিস খেলার জায়গা, না সুইমিং পুল। একদম সাধারণ স্কুল। নাম কিশোর ভারতী।

    কেন করেছে? তা জয়ন্তই জানে। যদি বোলে সত্যিই টাইমট্রাভেল করে থাকে, তাহলে রন্টু সায়েন্টিস্ট না হলে সে তো ভারী বিপদে পড়ে যাবে। বোলে সেদিন স্পষ্ট বলেছিল যে রন্টু পড়েছে কিশোর ভারতী স্কুলে।

    ভবিষ্যৎ আর পালটানোর ইচ্ছে নেই জয়ন্তর।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleহাউ টু টক টু এ্যানিওয়ান – লেইল লোনডেস
    Next Article বিদ্বান বনাম বিদুষী – প্রীতম বসু
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কাঞ্চন-মূল্য – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    April 23, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কাঞ্চন-মূল্য – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    April 23, 2026
    Our Picks

    কাঞ্চন-মূল্য – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    April 23, 2026

    শূন্য পথের মল্লিকা – স্মরণজিৎ চক্রবর্তী

    April 23, 2026

    মরণের আগে ও পরে – ইমাম গাজ্জালী (অনুবাদ : মাওলানা শাহ ওয়ালীউল্লাহ)

    April 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }