Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    কাঞ্চন-মূল্য – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    April 23, 2026

    শূন্য পথের মল্লিকা – স্মরণজিৎ চক্রবর্তী

    April 23, 2026

    মরণের আগে ও পরে – ইমাম গাজ্জালী (অনুবাদ : মাওলানা শাহ ওয়ালীউল্লাহ)

    April 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ভৌতিক অলৌকিক – অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী

    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী এক পাতা গল্প189 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    আধঘণ্টার অভিনয় – অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী

    আধঘণ্টার অভিনয়

    শীতের রাত। পুরোনো গাড়ি। ইস্টারস্টেটের রাস্তায় গাড়ি খারাপ হলে হয়রানির একশেষ। যতক্ষণ দিনের আলো থাকে একে অন্যের বিপদে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয়, কিন্তু সূর্য গাছের আড়ালে মুখ লুকোলেই রাস্তার চেহারা অন্যরকম হয়ে যায়। তখন রাস্তার ধারে বিপদসঙ্কেত জ্বালানো অকেজো গাড়ির যাত্রীদের দিকে আর কেউ ভুলেও তাকায় না। কে জানে গাড়ির মধ্যে বন্দুক হাতে হয়তো কোন আততায়ী বসে আছে!

    তা এসব ভেবেই স্টেট হাইওয়ে ফরটি সিক্স দিয়ে সিনসিনাটি রওনা হয়েছিলাম।

    গা ছমছম রাস্তা। মাঝে মাঝে উলটোদিক থেকে গাড়িগুলো ঝড়ের বেগে এসে হেড লাইটের আলো ছড়িয়ে কোথায় মিলিয়ে যাচ্ছে। দুধারে পাতা হারানো ম্যাপল, হথহর্ন আর অ্যাশ গাছের মিছিল।

    এসব দেখতে দেখতে যাচ্ছি, এমন সময় যে জিনিসটা নিয়ে সবথেকে ভয় ছিল সেটাই হল। টায়ার বার্স্ট। অন্য কোনও বাড়তি টায়ারও গাড়িতে নেই।

    বাইরে এসে দেখি রাস্তায় শিশিভাঙা কাচের টুকরো চারদিকে ছড়িয়ে রয়েছে। রাস্তার ধারে গাড়ি দাঁড় করিয়ে মিনিট দশেক অপেক্ষা করলাম। ঠান্ডাটা ক্রমে ক্রমে আরও অসহনীয় হয়ে উঠছে। খানকয়েক গাড়িও গেল সামনে দিয়ে। কিন্তু হাত দেখাতেও কেউই দাঁড়াল না।

    না:, অন্য কোনও উপায় দেখতে হবে। দূরে অবশ্য একটা বাড়ি দেখা যাচ্ছে। ঘরে আলো জ্বলছে। হাঁটা পথে মিনিট দশেক হবে। ওখানে গিয়ে ফোন করে অটোমোবাইল অ্যাসোসিয়েশনে সাহায্য চাওয়া যায়।

    এখানকার লোকেরা এরকম দূরে নিরালায় থাকতে ভালোবাসে। ওখান থেকে যতদূর দেখা যায় তাতে দ্বিতীয় কোনও বাড়ি চোখে পড়ল না। কাছাকাছি বড় শহর কমপক্ষে তিরিশ মাইল দূরে। কীভাবে যে এরা একা একা শহর থেকে এতদূরে থাকে—সেটাই মাঝে মাঝে ভাবি।

    গাছগাছালির মধ্যে দিয়ে এক চিলতে পথ চলে গেছে। তা ধরে হাঁটতে থাকলাম। বাড়ির দরজার সামনে যেতেই বাইরের আলোগুলো জ্বলে উঠল। সেনসর লাগানো আছে। বেশিরভাগ বাড়িতেই নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকে। এটা তারই একটা অংশ। কী ধরনের অভ্যর্থনা অপেক্ষা করছে কে জানে!

    বেল বাজিয়ে সতর্ক হয়ে দরজা খোলার অপেক্ষায় থাকলাম। কতধরনের লোকই তো আছে! ঘরের ভেতর থেকে একবার খসখস আওয়াজ পেলাম।

    মিনিট পাঁচেক বাদে দরজা খুললো। দরজা খুললেন এক বৃদ্ধা। দেখে ষাটের বেশি বয়স বলে মনে হয়। নীল ড্রেসিংগাউন পরা। আমার দিকে কীরকম অবাক দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইলেন। কী ব্যাপার পাগল নাকি? বেশভূষাতে অন্তত সেরকম মনে হয় না। বিস্ফারিত দৃষ্টিতে আমার দিকে খানিকক্ষণ তাকিয়ে থেকে আমার হাত দুটো জড়িয়ে ধরলেন।

    —বঁসোয়া ম্যাদমোজায়েল।

    ফ্রেঞ্চে অভ্যর্থনা। পরের কথাগুলো অবশ্য ইংরেজিতেই বললেন। আমি আমার গাড়ি খারাপ হওয়ার কথা জানালাম। বললাম ফোন করে অ্যামেরিকান অটোমোবাইল অ্যাসোসিয়েশনে জানানোর জন্য এসেছি।

    বৃদ্ধা আমাকে চেয়ারে বসতে বলে মৃদুস্বরে বলে উঠলেন,—ফোন করার আগে আমি সামান্য কিছু কথা আপনাকে জানাতে চাই। আমার কথা হয়তো আপনার খানিকটা অদ্ভুত লাগবে। বিশ্বাস হবে না। সত্যি কথা বলতে কি, আমি আপনাকে দেখে আমার চোখকেও বিশ্বাস করতে পারছিলাম না। আপনাকে দেখতে অবিকল আমার মেয়ে ক্লদিয়ার মতো। ক্লদিয়া মারা গেছে—তা প্রায় কুড়ি বছর হলো। বাইশ বছরে মারা যায়। ক্যান্সারে। আজ যখন দরজা খুলে আপনাকে দেখলাম, মনে হল ঠিক সেই ক্লদিয়াই চোখের সামনে দাঁড়িয়ে আছে।

    বৃদ্ধার চোখ কথা বলতে বলতে ছলছল করে উঠল।

    আমাকে ফোনটা দেখিয়ে দিয়ে উনি ফের বলে উঠলেন,—আমার একটা একান্ত অনুরোধ আছে। ফোন করার পর কিছুটা সময় যদি আমাদের এখানে কাটিয়ে যান, তাহলে খুব ভালো হয়। আমি জানি এটা নিতান্তই অন্যায় অনুরোধ। কিন্তু ঈশ্বরের ইচ্ছেতেই আজকের এই বিশেষ দিনে আপনি আমাদের কাছে এসেছেন।

    আমি বলতে যাচ্ছিলাম যে আমার কাল সকালেই একটা বিশেষ কাজ আছে, গাড়ির সমস্যা মিটে গেলেই আমাকে ফিরতে হবে। কিন্তু তার আগেই উনি দ্রুত পায়ে লিভিং রুম থেকে বেরিয়ে ভেতরের ঘরে ঢুকে গেলেন।

    একটু পরে একটা ছবির ফ্রেম হাতে নিয়ে ঘরে ফিরলেন। ক্লদিয়ার ছবি। আমার হাতে ছবিটা দিলেন। ছবিটার দিকে তাকিয়ে আমার কথা বন্ধ হয়ে গেল। এ তো আমারই ছবি। পুরোনো মরচে পড়া ফ্রেমে বাঁধানো। এরকমও হতে পারে? অবিকল আমার মতো দেখতে।

    আমাকে চেয়ারে বসতে বলে ভদ্রমহিলা ভেতরের ঘরের দিকে ফের এগিয়ে গেলেন। ভেতরের ঘর থেকে ওনার কান্না শুনতে পেলাম। কারও সঙ্গে কথা বলছেন। অন্যজনের কথা আরো মৃদুস্বরে। ফ্রেঞ্চে কথা চলছে।

    মিনিট পাঁচেক বাদে উনি ফিরে এলেন। চোখের জলকে লুকোনোর ব্যর্থ চেষ্টা করতে করতে বলে উঠলেন,—ও-ঘরে আমার অসুস্থ স্বামী। বেশ কিছুদিন ধরে শয্যাশায়ী। তবে গত দশ দিন উনি খুবই অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। ডাক্তার হসপিটালে পাঠাতে বলেছিল। পাঠাইনি। যা হবে এ বাড়িতেই হোক। আজকে ওঁর অবস্থা আমার মোটেই সুবিধের মনে হচ্ছে না।

    —তা আমি কি কোনওভাবে সাহায্য করতে পারি?

    —হ্যাঁ, ঈশ্বর বোধহয় ওনার শেষ ইচ্ছেটা পূর্ণ করতেই আপনাকে এখানে পাঠিয়েছেন। তাই তো আপনাকে আটকে রেখেছি। আপনি কি ফ্রেঞ্চ জানেন?

    —হ্যাঁ, ভালোই জানি।

    —অপূর্ব। আপনাকে আমার মেয়ের অভিনয় করতে হবে। মাত্র কয়েক ঘণ্টার জন্যে।

    অভিনয়? কেন?

    —তাহলে একটু গোড়া থেকেই বলি। আজ থেকে কুড়ি বছর আগের কথা। আমার স্বামী ড: দানিয়েল ছিলেন বিখ্যাত চিকিৎসাবিজ্ঞানী। ক্যান্সারের ওপর ওঁর গবেষণা সারা পৃথিবীর বিজ্ঞানমহলে আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল। কিন্তু কী ভাগ্য! আমাদেরই একমাত্র মেয়ে ক্লদিয়ার ক্যান্সার হল। লাংস ক্যান্সার। কী করে হল কে জানে—অমন ফুটফুটে মেয়েটার। তবে শুরুতেই ধরা পড়েছিল। চিকিৎসা চলছিল। বাইরে থেকে কিছু বোঝা যেত না।

    সে রাতটার কথা আমার এখনও স্পষ্ট মনে আছে। দানিয়েল রাত ন’টা নাগাদ ল্যাবরেটরি থেকে বাড়ি ফিরল। বেশ উত্তেজিত। এসেই ক্লদিয়া কোথায় জিগ্যেস করল। ক্লদিয়া তখন গরমের ছুটিতে বাড়িতেই ছিল। দানিয়েল বলল আমাদের সঙ্গে কিছু জরুরি কথা বলতে চায়। তিনজনে একসঙ্গে বসলাম। দু-চারটে মামুলি কথার পর দানিয়েল হঠাৎ বললো ক্লদিয়ার ওপর ওর সদ্য আবিষ্কৃত ক্যান্সারের ওষুধ প্রয়োগ করতে চায়। এতে নাকি ক্লদিয়ার ক্যান্সার চিরদিনের মতো সেরে যাবে।

    আমি জিগ্যেস করলাম, এতে কোনও খারাপ প্রতিক্রিয়া হবে না তো?

    দানিয়েল হেসে উড়িয়ে দিল। ও বরাবরই এরকম চূড়ান্ত আত্মবিশ্বাসী। ক্লদিয়ারও বাবার ওপর অগাধ বিশ্বাস। অবশ্য ওর বাবাকে আমি কখনও মিথ্যে বড়াই করতে দেখিনি।

    খাবার পরে রাত দশটা নাগাদ দানিয়েল কতকগুলো ইনজেকশান দিল ক্লদিয়ার হাতে। বলল আপতত জ্ঞান হারালেও দু-ঘণ্টা পরে ক্লদিয়ার জ্ঞান ফিরে আসবে। কিন্তু জ্ঞান আর ফেরেনি। ওর আজও বদ্ধমূল ধারণা ক্লদিয়ার জ্ঞান ফিরবে।

    মেয়ের মৃত্যুর পর থেকে ও কীরকম যেন হয়ে যায়। গবেষণা, ইউনিভার্সিটির চাকরি সব ছেড়ে দেয়। ওই ঘটনার পর ক্লদিয়ার মৃতদেহের পাশে পাগলের মতো বসে ছিল কয়েকদিন। কফিনেও দিতে দেয়নি। কয়েকদিন বাদে ক্লদিয়াকে সমাধিস্থ করা হয়। যদ্দিন দানিয়েল চলতে ফিরতে পারত ততদিন রোজ ও সমাধির পাশে বসে থাকত। বলতো ক্লদিয়া ঘুমিয়ে আছে, যে-কোনও সময় জেগে উঠবে।

    এখন দানিয়েল চলতে পারে না। ডাক্তারেরা বলে দারুণ মানসিক আঘাতে ও এক দুরারোগ্য রোগের শিকার হয়েছে। ওর ব্রেনসেলগুলো দ্রুত শুকিয়ে যাচ্ছে। আমাকে আজকাল খাইয়ে দিতে হয়। কথা বলতেও ওর খুব কষ্ট হয়। তারই মধ্যে ও বলে যায়, ‘ও আসবে, ও আসবে।’ খানিক আগে কলিং বেল শুনে গিয়ে দেখি ওই অবস্থাতেও বলছে ‘ক্লদিয়া কিনা দেখো তো’?…পারবেন—কয়েক ঘণ্টার জন্যে আমাদের মেয়ের অভিনয় করতে? আমি চাই শান্তিতে ওর মৃত্যু হোক।…হাতে আর বেশি সময় নেই—পারবেন?

    হ্যাঁ, চেষ্টা করব। তবে এটা কি সম্ভব হবে?

    —আপনার কোন অসুবিধে হবে না। আমি আপনাকে সাহায্য করব। মিনিট পাঁচেক পরে আসবেন ওই ঘরে।

    ভদ্রমহিলার কথামতো মিনিট পাঁচেক বাদে ভেতরের ঘরের সামনে এসে দাঁড়ালাম। পরদা সরিয়ে ঘরে ঢুকলাম। ঘরে হালকা একটা নাইটল্যাম্প জ্বলছে। ভদ্রমহিলা সোফায় বসে আছেন। দানিয়েল খাটে শুয়ে আছেন মনে হল। পরদা সরিয়ে ঘরে ঢুকতেই দানিয়েল ক্ষীণ স্বরে বলে উঠলেন,—বারবারা দেখো তো কে? ক্লদিয়া না?

    —না, না, ক্লদিয়া কী করে আসবে? তুমি শুধু শুধু ফের ওরকম বলে চলেছ। জানোই তো ক্লদিয়া কোনওদিন ফিরে আসবে না।

    কে বলল আসবে না? এতদিন ও ঘুমিয়ে ছিল। ঘুম ভাঙতেই ও এসেছে। ক্লদিয়া, কাছে আয় মা। কতদিন দেখিনি—দানিয়েল বলে ওঠে।

    ভদ্রমহিলা ভালোই অভিনয় করতে জানেন। এবার উঠে কিরকম অবাক হবার ভান করে দরজার দিকে এগিয়ে এলেন। তারপর আমার থুতনির নিচে হাত দিয়ে মুখটা ওপরের দিকে তুললেন। দু-তিন মিনিট নিষ্পলকে তাকিয়ে থেকে বলে উঠলেন,—ক্লদিয়া। আরে এ তো ক্লদিয়াই। আমি কি স্বপ্ন দেখছি?

    বৃদ্ধা কাঁদতে শুরু করলেন। আমার গালে দু-হাত বোলাতে থাকলেন। আর চোখের দিকে মুগ্ধ দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইলেন। চোখের দু’কোণ বেয়ে নামা জলের ধারা দেখে আমিও বোধহয় ভুলে গেলাম যে এটা অভিনয়। মনে হল আমিই ক্লদিয়া। ওই চোখের জলেই লুকিয়ে আছে আমার আসল পরিচয়। ‘মা’ বলে জড়িয়ে ধরলাম। বৃদ্ধা তখন আমার সারা গালে চুমু খেতে খেতে বলে চলেছেন,—কতদিন, কতদিন তোকে দেখিনি। দ্যাখ, তোর জন্য অপেক্ষা করে করে তোর বাবার কী অবস্থা।

    আমার হাত ধরে নিয়ে গিয়ে ভদ্রমহিলা একটা চেয়ারে বসালেন। দানিয়েল যে খাটে শুয়ে আছেন তার সঙ্গেই লাগানো। ভদ্রমহিলা দানিয়েলের হাত দুটো ধরে আমার মাথায় ঠেকালেন।

    বলো, ক্লদিয়াকে কিছু বলো। সারাক্ষণ তো ক্লদিয়া, ক্লদিয়া করো। —ভদ্রমহিলা দানিয়েলকে উদ্দেশ্য করে বলে উঠলেন।

    দানিয়েলকে বলতে শুনলাম,—বলেছিলাম না ও আসবে। ও আমাদের ছেড়ে থাকতেই পারে না। আয়, কাছে আয়। আর তো তোমার কোনও দু:খ নেই বারবারা। আমারও নেই। তোমার মেয়েকে সুস্থ অবস্থায় তোমার কাছে ফের নিয়ে এসেছি।

    দানিয়েলের কাছে এগিয়ে যেতেই ওঁর হাতদুটো শিথিল হয়ে খাটের উপর পড়ে গেল। ভদ্রমহিলা চেঁচিয়ে উঠলেন,—দানিয়েল। দানিয়েল।

    দানিয়েলের কোনও সাড়া নেই। হয়তো শেষ নিশ্বাসটুকু আটকে রেখেছিলেন মেয়েকে দেখার জন্য।

    বারবারার কান্না আর থামে না। বেশ খানিকবাদে শান্ত হলে ওনাকে বোঝালাম যে উনি শান্তিতে মারা গেছেন। ওনার আর কোনও আক্ষেপ নেই। বুঝতেই পারেননি যে আমি ওনার মেয়ে নই।

    ভদ্রমহিলার জলে ভেজা চোখদুটো দেখলাম আনন্দে কেমন জ্বলে উঠল। মুখে একটা পরিতৃপ্তির হাসির রেখাও ফুটে উঠল।

    সে রাতটা ওখানেই থেকে সকালের দিকে বিদায় নিলাম। ভদ্রমহিলা যাওয়ার সময় কপালে চুমু খেয়ে বললেন,—তুমি আমার মেয়ের মতো। তোমার ঋণ আমি কোনওদিন শোধ করতে পারব না। যখনই সময় পাবে চলে আসবে।

    অটোমোবাইল অ্যাসোসিয়েশন থেকে সাহায্যও এসে গিয়েছিল। সিনসিনাটি পৌঁছে গেলাম সকাল দশটা নাগাদ। এখনও একা থাকলে ওই রাতের অভিজ্ঞতা মনে উঁকি মারে।

    এতটা একটানা বলে অনিলিখা জলের গেলাসে চুমুক মারল। প্রায় আধঘণ্টা বলে যাওয়ার পর।

    তা এটুকু বিরতিও সাগ্নিকের পছন্দ হয়নি। ও বলে ওঠে,—তা ওই বৃদ্ধার সঙ্গে আর কোনওদিন যোগযোগ হয়নি তোমার?

    —এখনও ঘটনাই তো শেষ হয়নি। আসল কথাটা তো আমি এখনও বলিনি।

    আমরা নড়ে-চড়ে বসলাম,—আসল কথা মানে?

    —ঘর থেকে বেরোনোর সময় ফ্রেমে বাঁধানো ছবিটার দিকে চোখ পড়েছিল। ক্লদিয়ার গায়ে লাল শার্ট। অর্থাৎ ছবিতে ক্লদিয়ার পরা জামাটা আর আমার পরা জামাটা হুবহু এক। এরকম হতে পারে যে চেহারা অবিকল এক, কিন্তু জামা এক হয় কী করে?

    —তাই তো?

    —এক হতে পারে যদি ওটা ক্লদিয়ার ছবি না হয়ে আমারই ছবি হয়। নিশ্চয়ই দরজার বাইরে কোনও ক্যামেরা রাখা ছিল যাতে তোলা ছবি সঙ্গে সঙ্গে প্রিন্ট হয়ে যায়। আর সে ছবিই সঙ্গে সঙ্গে রাখা হয়েছিল পুরোনো ওই ফ্রেমটাতে। কিন্তু এসব কী জন্যে? আরেকটু ভাবতে খেয়াল হল। দানিয়েলের হাতটা অত ঠান্ডা লেগেছিল কেন? মৃত্যু তৎক্ষণাৎ হলে তো শরীর গরম থাকার কথা। আর তাছাড়া রাস্তাতে কাচের টুকরো এল কী করে? পুরো ঘটনাটার জটিলতা আমার কাছে জলের মতো পরিষ্কার হয়ে গেল।

    কীরকম? কিছুই তো বোঝা গেল না। বৃদ্ধ কথা বলতে বলতে মারা গেলেন তোমার সামনে, আর তুমি বলছ উনি আগেই মারা গেছলেন।—বিশ্বজিৎদা বলে ওঠে।

    —ঠিক তাই। দানিয়েল মারা গেছিলেন আমি যাওয়ার অন্তত দশঘণ্টা আগে। আত্মগ্লানি থেকে মৃত্যুর সময়ও উনি রেহাই পাননি। ওঁর একমাত্র মেয়ের মৃত্যুর কারণ যে উনি নিজে। ভাবতে পারো কী অসহনীয় সে বেদনা! ওঁর ধারণা ছিল মেয়ে মরেনি, ঘুমিয়ে আছে। কোনও বুদ্ধিমান লোকের পক্ষে এরকম ধারণা থাকা উচিত নয় জানি, কিন্তু মনকে শান্ত করতেই হয়তো দানিয়েল ওই ধারণাকে আঁকড়ে ধরেছিলেন। তাই দিনের পর দিন ক্লদিয়ার পথ চেয়ে বসে থাকতেন।

    বারবারা জানতেন যে তাঁর মেয়ে কখনোই ফিরবে না। কিন্তু মেয়ের বেঁচে থাকার ধারণাটাকে এমনভাবে আঁকড়ে ধরেছিলেন দানিয়েল যে তাঁর এই ভুল ধারণা ভাঙা বারবারার পক্ষে সম্ভব হয়নি, বা ভাঙতে চানওনি।

    শেষ পর্যন্ত মৃত্যুর অন্ধকার একদিন ঘনিয়ে এল দানিয়েলের ওপর। সেটাই ছিল মানসিক দিক দিয়ে বিপর্যস্ত বারবারার ওপর সবথেকে বড় আঘাত। বারবারার মনে হল কোনওভাবে কি তাঁর স্বামীর শেষ বিশ্বাসটাকে ঠিক প্রমাণ করতে পারেন না! সেটাই হয়তো ওঁর স্বামীর আত্মাকে শান্তি দেবে। গ্লানিমুক্ত করবে। আর তাই এই অভিনয়।

    দানিয়েলের গলায় কথা বলেছিলেন বারবারা নিজেই। রাস্তায় কাচ ছড়িয়ে গাড়ি খারাপ করে বাইরের লোককে ঘরে ডেকে এনেছিলেন উনিই। জানতেন ওই এলাকায় গাড়ি খারাপ হলে ফোন করতে ওঁর বাড়িতেই আসতে হবে। বাইরের আগন্তুকের ছবি দরজায় লাগানো ক্যামেরার মাধ্যমে তুলে ফ্রেমে রাখার পরিকল্পনাও বারবারার মস্তিষ্কপ্রসূত। ঠিক নিজের সন্তানের মতো দেখতে বললে যে কারুর মনে ওঁর প্রতি সহানুভূতি জাগবে, আর ওঁর পরিকল্পনা মতো অভিনয় করতেও রাজি হবে।

    কিন্তু তবু প্রশ্ন থেকে যায় এত কিছু কীসের জন্যে? এক মৃত আত্মার শান্তির উদ্দেশ্যে? নাকি ক্রমাগত দু:খের আঘাতে ভেঙে পড়া এক বৃদ্ধার মস্তিষ্কবিকৃতিরই এ এক লক্ষণ? (বছর খানেক বাদে ওই রাস্তা দিয়ে একবার যেতে হয়েছিল। রাস্তার ধারে গাড়ি দাঁড় করিয়ে ওই বৃদ্ধার খোঁজ করেছিলাম। সেই বাড়িটা তখনও ছিল। গাছ-আগাছায় বাড়ির চারদিক ঢেকে গিয়েছিল। আর কোনও আলো জ্বলছিল না।)

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleহাউ টু টক টু এ্যানিওয়ান – লেইল লোনডেস
    Next Article বিদ্বান বনাম বিদুষী – প্রীতম বসু
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কাঞ্চন-মূল্য – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    April 23, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কাঞ্চন-মূল্য – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    April 23, 2026
    Our Picks

    কাঞ্চন-মূল্য – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    April 23, 2026

    শূন্য পথের মল্লিকা – স্মরণজিৎ চক্রবর্তী

    April 23, 2026

    মরণের আগে ও পরে – ইমাম গাজ্জালী (অনুবাদ : মাওলানা শাহ ওয়ালীউল্লাহ)

    April 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }