Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    কাঞ্চন-মূল্য – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    April 23, 2026

    শূন্য পথের মল্লিকা – স্মরণজিৎ চক্রবর্তী

    April 23, 2026

    মরণের আগে ও পরে – ইমাম গাজ্জালী (অনুবাদ : মাওলানা শাহ ওয়ালীউল্লাহ)

    April 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ভৌতিক অলৌকিক – অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী

    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী এক পাতা গল্প189 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কম্পিউটারের অদ্ভুত তিন ভবিষ্যদবাণী – অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী

    কম্পিউটারের অদ্ভুত তিন ভবিষ্যদবাণী

    প্রত্যেক শনিবারের মতো এই শনিবারেও আমরা সবাই জমায়েত হয়েছি। আমাদের শনিবারের আসরে আজ সবার আলোচনা শঙ্করের হাতকে ঘিরে। একটু খুলে বললে ওর হাত দেখাকে ঘিরে। এবারও শঙ্কর ক্লাস সিক্সে ফেল করেছে। এই নিয়ে পরপর দুবার। ওর বাবা প্রথমে শিক্ষক, তারপরে ডাক্তার, সবশেষে এখন গণৎকারের শরণাপন্ন হয়েছেন।

    গণৎকার বলেছেন, আরও বছর তিনেক শঙ্করের এরকম শনির দশা চলবে। অথাৎ আগামী তিনবছর শঙ্করের পক্ষে ক্লাস সিক্সের ওপরে ওঠা মুশকিল। তাই বেশ মুষড়ে পড়েছে শঙ্কর। বিশ্বজিৎ, মিলন, সত্যেনদা, সবিতা সবাই মিলে ওকে ঘিরে বসে ওর হাত নিয়ে গবেষণা করছে।

    মিনিট পাঁচেক বাদে বিশ্বজিৎদা বিজ্ঞের মতো মুখ করে দাড়িতে হাত বোলাতে বোলাতে বলে উঠল,—ঠিকই বলেছে। আরও বছর তিনেক।

    আমরা শঙ্করের করুণ মুখের দিকে তাকিয়ে কীভাবে সান্ত্বনা দেব ভাবছি, ওদিকে দেখি এরকম শোকগম্ভীর পরিবেশে অনিলিখা এককোণে বসে মুচকি মুচকি হেসে যাচ্ছে।

    কী ব্যাপার অনিলিখা? শঙ্করের এই অবস্থা আর তুই হাসছিস? তুই কি হাতদেখায় বিশ্বাস করিস না?—বিশ্বজিৎদা বলে ওঠে।

    অনিলিখা হেসে বলল,—হাত দেখায় বিশ্বাস করি না মানে? আলবত করি। তবে হ্যাঁ, তোমাদের কাণ্ডকারখানা দেখে আমার ফ্র্যাঙ্ক অ্যান্টনির কথা মনে পড়ে গেল।

    —ফ্র্যাঙ্ক অ্যান্টনি! সে কে?

    —ফ্র্যাঙ্ক অ্যান্টনি আমারই সঙ্গে হার্ভাডে ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ত। ওর স্ট্রিম অবশ্য আলাদা ছিল। আমি ছিলাম ইলেকট্রিকাল ইঞ্জিনিয়ারিং-এ আর ও ছিল কম্প্যুটার সায়েন্সে। হার্ভাড-এ কম্প্যুটার সায়েন্স মানে তো বুঝতেই পারছো। সারা পৃথিবীর সবথেকে কৃতি ছাত্ররা ওখানে পড়ার সুযোগ পায়। ফ্র্যাঙ্ক ছিল স্পেনের ছেলে। জীবনে কখনও কোনও পরীক্ষায় দ্বিতীয় হয়নি। স্পেনে স্কুলজীবন শেষ করে স্কুলের শেষ পরীক্ষায় সারা দেশের মধ্যে প্রথম হয়ে হার্ভাডে পড়তে এসেছে। অবশ্য হার্ভাডে ও দ্বিতীয় বা তৃতীয় হত। কারণ এখানে ওর মতো আরও বেশ কয়েকজন এসেছে।

    ওর আরেক পরিচয় ডেরিক অ্যান্টনির ছেলে হিসাবে। ডেরিক অ্যান্টনির নাম নিশ্চয়ই শুনে থাকবে। বিশ্ববিখ্যাত জ্যোতিষী। স্পেনে ওর কাছে হাত দেখাতে বিশ্বের নানাপ্রান্ত থেকে লোক এসে হাজির হয়। অবশ্যই ওনাকে হাত দেখায় যারা, তাদের অধিকাংশই কোটিপতি।

    আমাদের ফাইনাল ইয়ারে একটা প্রাোজেক্ট করতে হত। প্রাোজেক্টের জন্যে দুমাস ছিল। যে যার নিজের মতো প্রাোজেক্ট ঠিক করত। তার দুমাস পরেই ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের শেষ পরীক্ষা। আমার প্রাোজেক্ট ছিল রোবোটিক্সের ওপর। মোটামুটি কার কী প্রাোজেক্ট আমরা সেটা আগেই জেনে গেছলাম। খালি ফ্র্যাঙ্কের প্রাোজেক্টটা কী, তা আমরা কেউ জানতাম না। আমরা বেশিরভাগই প্রাোজেক্টকে অপেক্ষাকৃত হালকাভাবে নিই।

    কিন্তু ওর ক্ষেত্রে অন্যরকম শোনা গেল। ও নাকি দিনরাত ঘরের দরজা বন্ধ করে ওর প্রাোজেক্টের কাজ করে চলেছে। গিয়ে দু-একদিন দেখেছি ঘরে ওর পার্সোনাল কম্প্যুটারে সমানে কাজ করে চলেছে। পাশে রাশি রাশি কাগজ। তার ওপর হরেকরকম হাতের ছাপ। একমাস পরে ওর প্রাোজেক্টটা ঠিক কীসের ওপর, সেটা বুঝলাম। ও এমন একটা সফটওয়্যার তৈরির চেষ্টা করছে, যা নির্ভুলভাবে কারোর অতীত ও ভবিষ্যৎ বলে দিতে পারে।

    আমরা অনেকেই প্রথমদিকে এরকম অদ্ভুত প্রাোজেক্ট নিয়ে হাসিঠাট্টা করতাম। কীই যে অহেতুক সময় নষ্ট করা! কিন্তু দেড়মাস পরে ও একদিন এসে আমাদের কাছে সদর্পে ঘোষণা করল, ওর প্রাোজেক্ট নাকি হান্ড্রেড পার্সেন্ট সাকসেসফুল। এভাবে যে ও সফল হবে, নিজেও আগে আশা করতে পারেনি। ও প্রায় একশো জনের ওপর ওর সফটওয়্যার পরীক্ষা করেছে। প্রত্যেক ক্ষেত্রেই ওর কম্পিউটার নির্ভুলভাবে ওদের অতীত বলে দিয়েছে। শুধু তাই নয়, কয়েকজনের ক্ষেত্রে যা ভবিষ্যদবাণী করেছিল, তাও পুরোপুরি মিলে গেছে।

    কয়েকদিনের মধ্যেই বুঝতে পারলাম ও মিছিমিছি বড়াই করেনি। এর মধ্যেই প্রায় আরো জনা পাঁচশো ওর কম্পিউটারে হাত দেখিয়ে গেছে। তাদের সবারই একমত যে ওর কম্পিউটার হাত দেখায় বিশ্বের সেরা গণৎকারদেরও হার মানায়।

    কিছুদিন বাদে আমিও হাত দেখাতে গেলাম। সঙ্গে ছিল আমার জনাছয়েক বন্ধু। তাদের মধ্যে ইকারি কুরোশাওয়াও ছিল। ইকারি কুরোশাওয়া সম্বন্ধে তোমাদের একটু বলে রাখা দরকার। কুরোশাওয়া জাপানের লোক। ম্যাথামেটিকাল জিনিয়াস। ক্লাস নাইনে পড়ার সময় ও অঙ্কের কিছু অজানা সূত্র আবিষ্কার করেছিল। ক্লাস টুয়েলভে ও কম্পিউটারে কৃত্রিম বুদ্ধির ওপর এমন কিছু কাজ করেছিল যাতে পুরো জাপানে সাড়া পড়ে যায়। হার্ভাডে এসে এই চারবছরেই নিয়মিত পড়াশোনার সঙ্গে সঙ্গে কিছু অসাধারণ গবেষণার মাধ্যমে ও সবার নজর কেড়েছে। হার্ভাডে কম্পিউটার সায়েন্সে এ-পর্যন্ত প্রতিবারই ও প্রথম হয়ে এসেছে। অসাধারণ অধ্যবসায় ও প্রতিভার এক অদ্ভুত সংমিশ্রণ বললেও ওর সম্বন্ধে কম বলা হয়।

    আমরা ফ্র্যাঙ্কের ঘরে গিয়ে দেখি, যথারীতি ওর ঘরে বিশাল জমায়েত। আজকেও এত লোক যে হাত দেখায় বিশ্বাস করে তা না দেখলে বিশ্বাস হত না। আমরাও তাদের দলে সামিল হলাম। ফ্র্যাঙ্ক সবাইকে একটা স্ক্যানারের ওপর হাত রাখতে বলছে। স্ক্যানার হাতের ছাপ তুলে নিয়ে কম্পিউটারে পাঠিয়ে দিচ্ছে। কম্পিউটার মিনিট তিনেক বাদে পাশে রাখা লেসার প্রিন্টারের মাধ্যমে তার অতীত ও ভবিষ্যৎ প্রিন্ট করে দিচ্ছে। একে একে আমরাও হাত দেখালাম।

    আর সেখানেই ঘটনার শুরু। কম্পিউটার সম্ভবত এই প্রথম এমন তিনটে ভবিষ্যদবাণী করল যা বিশ্বাস করা এককথায় অসম্ভব।

    প্রথমটা ছিল আমার সম্বন্ধে। আমার অতীত সম্বন্ধে বলতে যথারীতি কম্পিউটার কোনও ভুল করেনি। ভবিষ্যতে আমি যে নিজের দেশে ফিরব, ফিরে কোন কলেজে অধ্যাপনার সঙ্গে যুক্ত থাকব এসবই কম্পিউটার তখনই বলে দিয়েছিল। আমার জীবনে আটটা ভীষণ বিপদ হবে, কবে কবে হবে তাও জানিয়েছিল। তারমধ্যে চারটে তো ইতিমধ্যেই মিলে গেছে।

    কিন্তু কম্পিউটারের লেখাকে বিশ্বাস করতে পারলাম না, যখন দেখলাম ওতে পরিষ্কার লেখা আছে যে আমি কোটিপতি। এবং আমি নাকি আর মোটে দু-মাস কোটিপতি থাকব। এরপরে এ ব্যাপারে বিশ্বাস না করলেও খানিকটা মজার জন্যই খোঁজখবর নিতে শুরু করলাম। আমার এক কাকা শিকাগোতে বহুদিন আছেন। প্রচুর রোজগার করলেও বিয়ে করেননি। মৃত্যুর পর ওনার সমস্ত সম্পত্তি আমারই পাওয়ার কথা। কিন্তু সেটা নয়। খোঁজ নিয়ে দেখলাম যে আমি কোটিপতি হওয়া তো দূরের কথা, লাখপতিও নই।

    এই পর্যন্ত বলে অনিলিখা মিনিট দুয়েক চুপ করে রইল।

    তাহলে এ গণনাটা মেলেনি?—বিশ্বজিৎদা জিজ্ঞাসা করে উঠল।

    —এ ব্যাপারে কী হয়েছিল সেটা আমি পরে বলব। আপাতত আমি কম্পিউটারের দ্বিতীয় অদ্ভুত ভবিষ্যদবাণী সম্বন্ধে বলি। দ্বিতীয়টা ছিল কুরোশাওয়া সম্বন্ধে। ও নাকি তিনমাসের মধ্যে কোনও একজনকে খুন করবে এবং সেই কারণে ওর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হবে। কুরোশাওয়ার মতো ঠান্ডা মাথার ছেলে কাউকে খুন করবে এটা নেহাত পাগল ছাড়া কেউ বলবে না। আমরা এটাও যথারীতি হেসে উড়িয়ে দিলাম। এক কুরোশাওয়া ছাড়া। কারণ ওর অতীত সম্পূর্ণ নিভুর্লভাবে কম্পিউটার বলে দিয়েছে। তা ছাড়া ও এ-ব্যাপারে সামান্য বিশ্বাসও করে।

    এরপরে কুরোশাওয়াকে যেভাবে ভেঙে পড়তে দেখলাম, তা চোখে না দেখলে বিশ্বাস করা যায় না। রোজ একবার করে ও আসে, আর ফ্র্যাঙ্কের কম্পিউটারে হাত দেখায়। প্রত্যেকবারই দেখা যায় কম্পিউটার সেই একই ভাগ্যগণনা করে বলছে। ওর ঘরে গেলে দেখি, হয় ও হাতের রেখার ওপর বই পড়ছে, নয়তো জানলা দিয়ে বাইরের দিকে তাকিয়ে আছে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা ও ফ্যাল-ফ্যাল করে তাকিয়ে কিসব আকাশপাতাল ভাবে, কে জানে! আমাদের অজস্র আশ্বাসও ওকে শান্ত করতে পারে না। ওর চেহারা ধসে পড়ল। আমরা ডাক্তারের কাছে ছুটলাম। উনি আরেকজন নামি সাইকিয়াট্রিস্টের কাছে ওকে পাঠিয়ে দিলেন। এই ডাক্তারের চিকিৎসাতেও কুরোশাওয়ার মানসিক অবস্থার কোনও উন্নতি হল বলে মনে হয় না। উত্তরোত্তর ওর অবস্থার আরও অবনতি হতে থাকল।

    শেষ পর্যন্ত ওকে কিছুদিনের জন্য দেশে যেতে ডাক্তার পরামর্শ দিলেন। দেশ থেকে একমাস পরে যখন ও ঘুরে এল, তখনও আরও শুকিয়ে গেছে। চোখের তলায় অজস্র কালো আঁচড়। পরিষ্কার ঘুম না হওয়ার চিহ্ন। অথচ আর মাত্র দশদিন বাদে আমাদের শেষ ও সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ সেমিস্টার পরীক্ষা শুরু হচ্ছে। কুরোশাওয়ার পড়াশোনার সঙ্গে কোনও যোগাযোগই নেই। খালি ওই এক চিন্তা। কথাবার্তাও কেমন যেন রুক্ষ হয়ে গেছে। আরও কয়েকদিন পর ওর শরীর এতটাই খারাপ হল যে ওকে হাসপাতালে ভরতি করতে হল। সেমিস্টারের দুটো পরীক্ষা ও দিতে পারল না। যে ছেলের প্রথম হবার কথা ছিল, সে কোনওরকমে পাস করে বেরোল। কী ভাগ্য!

    অনিলিখা দীর্ঘশ্বাস ফেলল।

    কিন্তু ওর ক্ষেত্রেও তো ভাগ্যগণনা মিলল না। তাই না? এ জন্যই হাত দেখাতে নেই।—মিলন বলে ওঠে।

    শঙ্করের মুখে একটু হাসির ভাব ফুটে উঠেছে দেখলাম।

    অনিলিখা বলে ওঠে,—দাঁড়াও, আমাকে শেষ করতে দাও। এবার আমি প্রথমে আমার ভাগ্যগণনা নিয়ে বলি। আমি তো আগেই বলেছি যে অনেক খোঁজখবর নিয়েও কোনও হদিশ করতে পারিনি যে কীভাবে আমি কোটিপতি হলাম। তা, এর বছর চারেক বাদে আমি ভারতে ফিরে আসি। তাও প্রায় মাসছয়েক হতে চলল। দুমাস আগে আমি আমার বাবার ডায়েরি ঘাঁটতে গিয়ে দেখি, একটা লটারির টিকিট। ভুটান বাম্পার লটারি। পুরস্কার মূল্য দেড় কোটি টাকা। বাবাকে জিজ্ঞাসা করতে বাবা বললেন যে, উনি ওটা আমার জন্য জন্মদিন উপলক্ষ্যে কিনেছিলেন। যখন রেজাল্ট বেরোয়, তখন ওই টিকিটটাই খুঁজে পাননি।

    আমি নেহাত কৌতূহলবশে ওই টিকিটের ব্যাপারে ওই লটারির সংগঠকদের সঙ্গে যোগাযোগ করি। জানতে পারি যে আমার অনুমান ঠিক। ওই টিকিটটাই দেড় কোটি টাকার প্রথম পুরস্কার পেয়েছিল। কিন্তু এমনই দুর্ভাগ্য যে আজ আমি আর ওই অর্থমূল্য পাব না। লটারিতে পুরস্কার পাবার দু-মাস পর্যন্ত ওই অর্থমূল্য দাবি করা যায়। অর্থাৎ ওই ভবিষ্যদবাণীর ঠিক দু-মাস পরে অবধি ওই টিকিটের অর্থমূল্য আমি দাবি করতে পারতাম। অর্থাৎ ওই সময় আমি সত্যিই কোটিপতি ছিলাম। ভবিষ্যদবাণী অক্ষরে অক্ষরে ফলে গেল।

    অনিলিখা থামতেই বড় একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলল বিশ্বজিৎদা। যেন ওটা পেলে কোটিপতি অনিলিখা নয়, বিশ্বজিৎদাই হত।

    মিনিট দুয়েক নীরবতার পর অনিলিখা ফের বলে উঠল,—এবার দ্বিতীয় ভবিষ্যদবাণীর প্রসঙ্গে আসা যাক। কুরোশাওয়া কোনওরকমে পাস করল সে তো আগেই বলেছি। ফ্র্যাঙ্ক কম্পিউটার সায়েন্সে গোল্ডমেডেলিস্ট হল। সেই আনন্দে ও একটা পার্টি দিল। তাতে অবশ্য কুরোশাওয়া যেতে পারেনি। কারণ ওর তখন যাওয়ার মতো মন বা শরীরের অবস্থা ছিল না। তা সেদিন পার্টিতে রাত যত বাড়ে ফ্র্যাঙ্কের নেশাও তত বাড়ে।

    রাত যখন বারোটা, ফ্র্যাঙ্ক তখন নেশার মধ্যেই বলে উঠল,—বুঝলে অনিলিখা প্রথম হতে গেলে খালি প্রতিভাবান হলেই চলে না; কূটবুদ্ধিও রাখতে হয়। বুঝলে, ফ্র্যাঙ্ক জীবনে কখনও দ্বিতীয় হতে শেখেনি। তা সেই আমাকে ওই কুরোশাওয়াটা তিন-তিনবার প্রথম না হতে দিয়ে ভেবেছিলটা কী? ইউনিভার্সিটির গোল্ড মেডেলিস্ট ও হবে? সে গুড়ে বালি। এবার আমি কীভাবে এটা ছকেছিলাম, সেটা বুঝিয়ে তোমাকে বলি। প্রথমেই আমার হাত দেখার সফটওয়্যার সম্বন্ধে বলতে হয়। আমি জানতাম, কুরোশাওয়া হাত দেখায় বিশ্বাস করে। তাই ওকে বিভ্রান্ত করার জন্যে সফটওয়্যারের পরিকল্পনা করি। আমি প্রায় হাজারদশেক হাতের ছাপ সংগ্রহ করেছিলাম। তাদের সারাজীবনের যাবতীয় দরকারি তথ্য বাবাই আমাকে দিয়েছিল। আমি সেই তথ্য কম্পিউটারের মেমারিতে ঢোকাই। আমি সফটওয়্যার লিখেছিলাম মূলত ‘প্যাটার্ন রেকগনিশন’-এর ওপর নির্ভর করে।

    অর্থাৎ নতুন কারো হাতের ছাপ পেলে কম্পিউটার দেখত তার প্রত্যেকটা রেখা আগের দশ হাজার হাতের রেখার কোন কোনটার সঙ্গে একরকম বা কাছাকাছি। তারই ওপর নির্ভর করে পুরোনো তথ্যের সাহায্যে অতীত ও ভবিষ্যদবাণী করত। এতে অল্পবিস্তর ভুল হওয়াটা স্বাভাবিক। শুধু কুরোশাওয়ার ক্ষেত্রেই আমি সম্পূর্ণ অন্য উপায় ঠিক করেছিলাম। আমি কুরোশাওয়ার হাতের ছাপ আগেই জোগাড় করেছিলাম। ওর অতীত আমার জানাই ছিল। তার সঙ্গে ওর সম্পর্কে মনগড়া ভবিষ্যৎ লিখে কম্পিউটারের তথ্যশালায় রাখি। এবার কুরোশাওয়া যখনই হাত দেখাতে আমার কাছে আসত, কম্পিউটার হুবহু একইরকম হাতের ছাপ পেয়ে যেত এবং অন্য কোনও তথ্যের ওপর নির্ভর না করে আমার লেখা ভবিষ্যৎ প্রিন্ট করত।

    আমি জানতাম, ও সরলমনে আমার ভবিষ্যদবাণীকেই ঠিক মেনে নেবে। বিশেষত ও যখন দেখবে ওর সম্বন্ধে কম্পিউটার নির্ভুলভাবে অতীত বলে দিয়েছে, তখন ভবিষ্যতের বেলাতেও নির্ভুল হওয়াই স্বাভাবিক। আমি জানতাম ও এসব ভবিষ্যদবাণীর কথা ভেবে পড়াশোনাতে মনোযোগ হারাবে। আর আমি সহজেই আমার কাজ হাসিল করতে পারব। কী সহজ অঙ্ক!

    বলে ফ্র্যাঙ্ক খলখল করে হাসতে থাকল।

    আমার সারা শরীর ফ্র্যাঙ্কের প্রতি ঘেন্নায় শিরশির করে উঠেছিল। তখখুনি আমি পার্টি ছেড়ে বেরিয়ে এসেছিলাম। এর দিনদশেক পরে ওর দ্বিতীয় ভবিষ্যদবাণীও মিলে গেল। কুরোশাওয়া সত্যিই খুন করল। কাকে জানিস?

    ফ্র্যাঙ্ক অ্যান্টনিকে?—আমি বলে উঠলাম।

    —হ্যাঁ, ঠিকই ভেবেছিস। আমার মুখ থেকে সব কিছু শোনার পর কুরোশাওয়া যে এতটা ক্ষিপ্ত হয়ে উঠবে, তা আমিও ভাবতে পারিনি। আমেরিকার দণ্ডবিধি অনুযায়ী কুরোশাওয়ার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়। অবশ্য ওকে বেশিদিন কষ্ট পেতে হয়নি। একবছর আগে জেলেই মারা যায়। তবে মারা যাবার আগে ও আমাদের সবার জন্যে লিখে রেখে গেছে একটা অসাধারণ বই—ম্যাথামেটিক্স বিহাইন্ড পামিস্ট্রি।

    বলে অনিলিখা দীর্ঘশ্বাস ছাড়ল,—যাই এবার উঠি। অনেক রাত হল।

    বিশ্বজিৎদা লাফিয়ে ওঠে,—তুমি তো তৃতীয় অদ্ভুত ভবিষ্যদবাণী সম্বন্ধে কিছুই বললে না?

    অনিলিখা মুচকি হেসে বলে ওঠে,—তৃতীয় ভবিষ্যদবাণীটা ছিল ফ্র্যাঙ্ক অ্যান্টনির নিজের সম্বন্ধেই। কম্পিউটার বলেছিল যে ওর আয়ুরেখা আর মাত্র মাসতিনেক। ওর সফটওয়্যার এক্ষেত্রে কোনও ভুলই করেনি।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleহাউ টু টক টু এ্যানিওয়ান – লেইল লোনডেস
    Next Article বিদ্বান বনাম বিদুষী – প্রীতম বসু
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কাঞ্চন-মূল্য – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    April 23, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কাঞ্চন-মূল্য – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    April 23, 2026
    Our Picks

    কাঞ্চন-মূল্য – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    April 23, 2026

    শূন্য পথের মল্লিকা – স্মরণজিৎ চক্রবর্তী

    April 23, 2026

    মরণের আগে ও পরে – ইমাম গাজ্জালী (অনুবাদ : মাওলানা শাহ ওয়ালীউল্লাহ)

    April 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }