Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    কাঞ্চন-মূল্য – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    April 23, 2026

    শূন্য পথের মল্লিকা – স্মরণজিৎ চক্রবর্তী

    April 23, 2026

    মরণের আগে ও পরে – ইমাম গাজ্জালী (অনুবাদ : মাওলানা শাহ ওয়ালীউল্লাহ)

    April 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ভৌতিক অলৌকিক – অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী

    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী এক পাতা গল্প189 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ভূত মানেই চান্স – অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী

    ভূত মানেই চান্স

    ‘ভুত মানেই চান্স। প্রাোবাবিলিটি।’

    ‘হ্যাঁ, তা ঠিক। ভূত দেখা চান্সই বটে। চেনাজানার মধ্যে কেউ দেখেছে বলে তো শুনিনি।’

    ‘শুধু দেখা নয়, ভূত হওয়াটাও চান্সেরই ব্যাপার।’

    ‘মানে?’ প্রশ্নটা করে অবাক হয়ে তাকালাম। কখন যে উটকো একটা লোক আমাদের আড্ডায় এসে যোগ দিয়েছে তা খেয়ালই করিনি। আর দিব্যি কনফিডেন্সের সঙ্গে ভূত নিয়ে পাণ্ডিত্যও ফলাতে শুরু করেছে। কিংশুকের পাশের চেয়ারে বসে একটা পায়ের উপর পা তুলে অন্ধকার জানালার দিয়ে তাকিয়ে লোকটা গম্ভীর স্বরে ফের বলে ওঠে, ‘মানুষ মরে কখন ভূত হয় বলতে পারো?’

    সোমনাথ আমার দিকে নির্দেশ করে বলে উঠল, ‘তুমিই বলো। ভূত নিয়ে তুমি তো ভালোই ব্যবসা চালাচ্ছ।’ আমি যে মাঝে মাঝে ভূতের গল্প লিখি তারই দিকে ইঙ্গিত। কথাটা খানিকটা ঠিক তো বটেই।

    বলে উঠি, ‘অপঘাতে মৃত্যু—অ্যাক্সিডেন্ট—তাতেই ভূত হওয়ার চান্স বেশি। তাই না!’

    ‘ঠিকই বলেছ,’ বলে লোকটা আমার দিকে ফিরে ফের বলে উঠল, ‘তা ভূত দেখেছ নাকি কখনও?’

    ‘না, সে সৌভাগ্য আর হল কোথায়? ভূত নিয়ে গল্পই লিখে চলেছি। অথচ সামনাসামনি ভূত দেখার সৌভাগ্য হয়ে ওঠেনি আজ পর্যন্ত। তা আপনি কোথা থেকে?’

    ‘এই আমিও তোমাদের মতোই বেড়াতে এসেছি। রেগুলার এখানে আসি, আসতেই হয়।’ বলে দীর্ঘশ্বাস ফেলল লোকটা।

    এতক্ষণে ভালো করে তাকালাম লোকটার দিকে। মাঝারি বয়স। মুখটা পুরো গোল। ওজন বেশ খানিকটা বেশির দিকে। গলা আর মুখের নীচের অংশ আলাদা করা যায় না, প্রায় জুড়ে গেছে। চওড়া গোঁফ, চোখে চশমা। ভুঁড়িটা সামনের দিকে ঠেলে দিয়ে বেশ আয়েস করে চেয়ারে বসেছে। দেখলেই বোঝা যায় দু-একটা কথা বলে উঠে যেতে লোকটা আসেনি।

    গায়ে পড়ে আলাপ করতে আসা লোকজনদের আমার কেন জানি না একদম সহ্য হয় না। বলা নেই, কওয়া নেই হঠাৎ আমাদের আড্ডায় এসে যোগ দিয়েছে। চিনি না, শুনি না—কোত্থেকে এসে হাজির।

    অফিসের ন’জন মিলে গতকাল আমরা উড়িষ্যার কুলডিহা ফরেস্টে এসেছি। এটা শিমলিপালের লাগোয়া জঙ্গল। বালাসোর থেকে আড়াই ঘণ্টার পথ। এসে উঠেছি কুলডিহা ফরেস্ট বাংলোয়। বেশ রিমোট এই জায়গাটা। বেশি ট্যুরিস্টের উপদ্রবও নেই। সারাদিন ঘুরে বেড়াবার পরে সন্ধেবেলা আমরা সবাই মিলে মোমবাতির আলোয় আড্ডা মারছিলাম। বাইরে তারাখচিত আকাশের নীচে ঘুমন্ত জঙ্গল। অন্ধকারে মিশে যাওয়া শাল-সেগুন-জাম গাছের আবছা অবয়ব। আড্ডার বিষয় ভূত—সন্ধের পর জঙ্গলে বেরোনো বারণ। তাই ঘরেই আড্ডা। এরকম পরিবেশে ভূতের গল্পই বেশি জমে। সকলের অনুরোধে আমারই লেখা একটা ভূতের গল্প বলব বলব করছি, এমন সময় কোত্থেকে যে এই ভদ্রলোক এসে উদয় হলেন কে জানে!

    টেবিলে রাখা চৌকো করে কাটা আলুভাজা একমুঠো তুলে নিয়ে লোকটা বলল, ‘তা তোমরা সব এলে কোত্থেকে?’

    বললাম, ‘কলকাতা’।

    ‘জঙ্গল কেমন লাগছে?’

    পৌলোমী বলল, ‘বেশ ভালো, আজ সকালে এখানেই হাতির পাল দেখেছিলাম। অবশ্য তারপর সারাদিন জঙ্গল চষে বেড়িয়েও একটা ঈগল ছাড়া কিছু চোখে পড়েনি। আর এই বিকেলে এখানে ঢোকার ঠিক আগে একদল বাইসন দেখলাম।’

    কিংশুক বাধা দিল, ‘কেন? কাল তো আমরা হরিণও দেখলাম। বিকেলে বাংলোর চারদিকের পরিখার বাইরে একটা ময়ূরও দেখেছি, মনে নেই?’ কিংশুক বলতে থাকে ‘এখন শুধু বাকি রয়েছে ভালুকটাই। আজ জঙ্গলে অনেকটা পথ হাঁটলাম। শুকনো পাতার উপর দিয়ে মসমস করে হাঁটতে বেশ লাগছিল। আর এদিকটা বেশ পাহাড়ি, চড়াই—উতরাই পথ। ভালোই পরিশ্রম হয়েছে। বেশ কয়েকটা উই-এর ঢিবি আর ভালুকের পায়ের ছাপও দেখতে পেলাম। কিন্তু ব্যস, ওই পর্যন্তই। শীতের এই সময়টাতে তো ওরা বেশি বেরোয় না!’

    ‘তাহলে ভালুক আর ভূত এই দুটো হলেই লিস্ট কমপ্টি। ঠিক কি না?’ লোকটা আবার ফোড়ন কাটল।

    গোঁফের ফাঁকে একটু চোরা হেসে ফের বলল, ‘তোমাদের একটা গল্প শোনাই। চার বছর আগের কথা। আজকেরই দিনে আমরা চারজন এখানে বসে আড্ডা মারছিলাম—সেই রাতের কথা বলি।’

    একটু থেমে আবার লোকটা বলল, ‘ভদ্র-চৌধুরী-ইকুয়েশনের নাম শুনেছ?’

    আমরা চুপ করে রইলাম। ওরকম কিছু কস্মিনকালেও শুনিনি। নিতান্ত অবজ্ঞাভরে আমাদের দিকে একবার চোখ বুলিয়ে টেবিলের ওপরে রাখা সিগারেটের প্যাকেটটা থেকে একটা সিগারেট নিয়ে ধরিয়ে লোকটা আবার বলল, ‘শেয়ার মার্কেটে কোন শেয়ার পরের একসপ্তাহে কতটা উঠতে বা নামতে পারে সেটা এই ইকুয়েশনটা বলে দিতে পারত। স্ট্যাটিস্টিক্যাল মডেল। একেবারে নির্ভুল। তা সে যাকগে। মোদ্দা কথা, ফরমুলাটা জানলে যে-কেউ রাতারাতি কোটিপতি হয়ে যেতে পারে। কারণ ওটা খুব সহজে কম্পিউটারে ক্যালকুলেট করে নেওয়া যেত। আর সেই অনুযায়ী শেয়ারে ফাটকা খেলা যেত।’

    ‘আপনি জানেন ফরমুলা?’ তমাল আগ্রহে লোকটার দিকে সরে এসে বলল।

    ‘নাহ, আগেও শুনিনি, পরেও শুনিনি। প্রয়োজনও হয়নি। শুধু ওইদিনই শুনলাম। কারণ ওই মনীশ ভদ্র আর অসীম চৌধুরী দুজনই ছিল ওইদিনে। আরেকটা লোকও ছিল ওদের সঙ্গে, তার নাম জানি না। দেখেও মনে হচ্ছিল গুন্ডা টাইপের।’

    ‘তা, আপনি ওদের আগে চিনতেন?’

    ‘না, এখানেই আলাপ। তার কয়েকঘণ্টা আগে। খাওয়ার সময়। ভাবলাম একা এসেছি—এদের সঙ্গে একটু আড্ডা মারা যাবে। সেদিনও এরকম মোমবাতির আলোয় বসে গল্প করছিলাম। মনীশ আর অসীম নিজেদের মধ্যে শেয়ার মার্কেট নিয়ে আলোচনা করছিল। কীভাবে লাস্ট কয়েকমাসে শুধু ওই ফরমুলা দিয়ে কোটি কোটি টাকা ওদের লাভ হয়েছে—তারই আলোচনা। ওদেরই আবিষ্কার, এমনিতে হয়তো খোলাখুলি এসব বলত না। কিন্তু পানীয় একটু বেশি পড়েছিল পেটে—তারই সুবাদে ওরা বাইরের লোকের সামনেও সব বলে যাচ্ছিল আর খানিকটা জোর করে হাসছিল মাঝে মধ্যে।

    ‘আমার মনে হচ্ছিল মুখে মিষ্টি মিষ্টি কথা বললেও মনীশ আর অসীমের সম্পর্ক অতটা ভালো নয়। যত রাত হচ্ছিল পানীয়ের মাত্রার সঙ্গে সঙ্গে ওদের সম্পর্কের আসল দিকটা ফুটে উঠছিল। বুঝলাম ওরা একে অপরকে একদম বিশ্বাস করে না। আবিষ্কারটা করেছে দুজনে মিলে, কিন্তু লাভটা দুজনেই একা একশোভাগ চায়।

    ‘অন্য লোকটা কিন্তু সজাগ হয়ে বসে ছিল। কথা বলছিল না। মনে হল অসীমের পার্সোনাল সেক্রেটারি জাতীয় কেউ হবে। গল্প করতে করতে অনেক রাত হয়ে গেল। শেয়ার থেকে রাজনীতি, রাজনীতি থেকে জঙ্গল, জঙ্গল থেকে আমেরিকা-ইরান এরকম বেশ কয়েকটা টপিক হয়ে ঘড়ির কাঁটা তখন ন’টা পেরিয়েছে। আর আমরা রাতের খাবারের কথা ভাবছি—ঠিক তখনই হঠাৎ বাইরে থেকে এক দমকা হাওয়া এল। মোমবাতির আলোটাকে ছিনিয়ে নিয়ে চলে গেল হাওয়াটা। এক মুহূর্তেই ঘরের মধ্যে নিকষ কালো অন্ধকার। জানালার বাইরের অন্ধকারটা যেন ঘরেও হানা দিয়েছে। হঠাৎ খেয়াল হল আমার হাতঘড়িটা পাশের ঘরে রেখে এসেছি। দামি ঘড়ি—ও ঘরের লাগোয়া বারান্দার দিকের দরজাটাও খোলা রয়েছে। কেউ চুরি করবে না তো অন্ধকারের সুযোগ নিয়ে? ওটা এখনই সরানো দরকার। ভেবে যেই উঠে দাঁড়িয়েছি—হঠাৎ জঙ্গলের নিস্তব্ধতা চিরে খুব জোরে গুলির আওয়াজ। পরে বুঝেছিলাম যে অন্য গুন্ডাটাইপের লোকটা গুলি করেছিল মনীশবাবুকে।’

    ‘সে কী!’ আমরা একসঙ্গে বলে উঠলাম।

    ভদ্রলোক পাশে কিংশুকের চেয়ারটার দিকে আঙুল দেখিয়ে বলে উঠল, ‘এখানে বসেছিল মনীশ।’ তারপর আমার দিকে লক্ষ্য করে একটু থেমে আবার বলে উঠল, ‘আর তুমি যেখানে বসে আছো, সেখানে ছিল ওই খুনি লোকটা। বুঝতেই পারছ, মাঝে মোটে তিন হাত দূরত্ব। আমি ছিলাম মনীশের ঠিক পাশে, এই চেয়ারে। ভুল হওয়ার চান্স নেই, অন্ধকার হলেও।’

    ‘তা ওখানেই স্পট ডেড?’ আমি জিগ্যেস করলাম।

    লোকটা শালটা গায়ে আরেকটু জড়িয়ে নিয়ে বলে উঠল, ‘হ্যাঁ, স্পট ডেড, তবে ও নয়।’

    ‘মানে? ওইটুকু ডিসট্যান্স। অন্ধকারে মিস হয়ে গেল?’

    ‘আরে না না। ও ছিল পাকা খুনি। ওর আলোর দরকার হয় না। সবই ভাগ্য বুঝলে? জন্মমৃত্যু সবই ভাগ্য। আমরা ভাবি এক হয় আরেক।’ একটু থেমে লোকটা সিগারেটের শেষ অংশটা টেবিলের ওপরে রাখা অ্যাশট্রেতে ফেলে দিল।

    বাইরে ঘুটঘুট্টি অন্ধকার। দূরে একটা পাখির ডানা ঝটপটানির আওয়াজ পাওয়া যাচ্ছে। আমরা সবাই পাথর হয়ে বসে আছি। মোমবাতির আলোটাই যা একটু ভরসা।

    ভাবা যায়, ঠিক এখানেই চারবছর আগে আজকের দিনে একটা খুন হয়েছিল? লোকটা আবার বলে উঠল, ‘গল্প কিন্তু এখানে শেষ হয়নি। যা বলছিলাম, গুলিটা মনীশের গায়ে লাগেনি। লেগেছিল আমার বুকে। কারণ, মোমবাতির আলো নিভে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমি উঠে ঘড়িটা আনতে যাচ্ছিলাম। হঠাৎ বুকে এসে লাগল গুলিটা। বেঁচে গেল মনীশ।’

    ‘মাই গড। তারপরেও আপনি বেঁচে?’ শাশ্বত বলে ওঠে।

    কথাটা যেন না শুনেই লোকটা বলে চলল, ‘ভাবো তো! কুলডিহাতে আমার আসার কথাই ছিল না। আমি ওদেরকে চিনতাম না, জানতাম না। ওদের সঙ্গে আড্ডায় যোগ দেওয়ারও কোনও কথা ছিল না। নেহাতই পকোড়ার গন্ধে গন্ধে এসে বসেছিলাম। দমকা হাওয়ায় মোমবাতিটা যে হঠাৎ তখনই নিভে যাবে, তা-ই বা কে জানত? আমারও সেই মুহূর্তে না উঠলেই হত। ঘড়িটার আর কত দাম! না উঠলে ওই গুলিটা মনীশের গায়েই লাগত। আমার গায়ে লাগত না। আরও হয়তো চল্লিশ বছর দিব্যি হেসে খেলে কাটিয়ে দিতে পারতাম। পুরোটাই হল চান্স। এজন্যই তো বলছিলাম যে ভূত হওয়াটাই চান্সের ব্যাপার।’

    লোকটা একটু থামল। মুচকি হেসে আমার দিকে তাকাল। আমরা সবাই কাঠ হয়ে বসে আছি।

    সেদিন তখন রাত ক’টা বেজেছিল জানো? রাত ন’টা দশ। আর এখন? এখনও তাই।’

    অট্টহাসি হেসে লোকটা বলে উঠল, ‘কী, মুখ শুকিয়ে গেল?’

    কথা শেষ হতে না হতেই বাইরে থেকে দমকা হাওয়া এল। মোমবাতির শিখা একবার জোরে কেঁপে উঠে নিভে গেল। আর তখনই কান-ফাটানো বন্দুকের আওয়াজ পেলাম। চমকে উঠলাম। লোকটার হাতে একটা রিভলভার। আর তার থেকেই বেরিয়েছে গুলিটা। যা ভয় করছিলাম, লোকটা ভূত না মাথা! নির্ঘাত একটা বড় ক্রিমিনাল।

    তখন হঠাৎই খেয়াল হল—ঘর তো অন্ধকার। কিন্তু আমি দেখতে পাচ্ছি কী করে। ঘরের মধ্যে স্পষ্ট লালচে আলো ছড়িয়ে পড়েছে। সবার ভয়ে আতঙ্কে জড়সড় হয়ে যাওয়া চেহারা দেখতে পাচ্ছি। সবাই যে-যার জায়গায় আড়ষ্ট হয়ে বসে আছে, একজন বাদে। সে কাত হয়ে চেয়ারে এলিয়ে পড়েছে। বুকের কাছে জামাটায় রক্তের ছোপ। আরে! ওখানে তো আমিই বসেছিলাম। ওটা তো আমি!

    লোকটা হেসে আমার দিকে তাকিয়ে বলে উঠল, ‘চলো, যাওয়া যাক। প্রতিবছর এই দিন এইসময় আমি আসি। সেদিনের সেই গুণ্ডা লোকটার চেয়ারে যে বসে তার ওপর প্রতিশোধ নিই। রাগটা একটু কমে। তা আজ তুমিই বসেছিলে। তাও আবার দেখো, ঠিক কুড়ি মিনিট আগে অন্য চেয়ার ছেড়ে এখানে এসে বসলে। কী ভাগ্য! তা, বুঝলে তো? ভূত মানেই চান্স, হি: হি:…’ লোকটা আবার বিশ্রীভাবে হেসে ওঠে।

    ‘চলো, লোকজনের চিৎকার শুরু হওয়ার আগে নিভৃতে যাওয়া যাক। অত চিৎকার কানে লাগে। তোমারও লাগবে আজ থেকে।’ লোকটা উঠে দাঁড়াল। এগিয়ে গেল দরজার দিকে। আমিও ওর পিছু নিলাম।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleহাউ টু টক টু এ্যানিওয়ান – লেইল লোনডেস
    Next Article বিদ্বান বনাম বিদুষী – প্রীতম বসু
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কাঞ্চন-মূল্য – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    April 23, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কাঞ্চন-মূল্য – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    April 23, 2026
    Our Picks

    কাঞ্চন-মূল্য – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    April 23, 2026

    শূন্য পথের মল্লিকা – স্মরণজিৎ চক্রবর্তী

    April 23, 2026

    মরণের আগে ও পরে – ইমাম গাজ্জালী (অনুবাদ : মাওলানা শাহ ওয়ালীউল্লাহ)

    April 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }