Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    কাঞ্চন-মূল্য – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    April 23, 2026

    শূন্য পথের মল্লিকা – স্মরণজিৎ চক্রবর্তী

    April 23, 2026

    মরণের আগে ও পরে – ইমাম গাজ্জালী (অনুবাদ : মাওলানা শাহ ওয়ালীউল্লাহ)

    April 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ভৌতিক অলৌকিক – অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী

    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী এক পাতা গল্প189 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    পিছনে হাঁটা – অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী

    পিছনে হাঁটা

    শুনুন আপনারা—আমি আজকে এমন একটা জিনিস দেখাতে চলেছি, যা আমার আগে কেউ কোনওদিন দেখায়নি, আর কেউ দেখাবেও না। আমিও এই শো আর দ্বিতীয়বার করব না। আজকেই প্রথম, আজকেই শেষ। ঠিক যেমন বলেছিলাম—

    বিখ্যাত ম্যাজিশিয়ান স্টিভ সদর্পে বলে উঠলেন।

    মুহূর্তে লন্ডনের বিখ্যাত প্রেক্ষাগৃহে কানাঘুষো শুরু হয়ে গেল। এবারই কি শুরু হতে চলেছে স্টিভের সেই বহু প্রতীক্ষিত ম্যাজিক—’পিছনে হাঁটা’!

    এরই প্রত্যাশায় লন্ডনের মানুষ আজ এই প্রেক্ষাগৃহে ঝাঁপিয়ে পড়েছে। চড়া দামে একমাস আগে সব টিকিট বিক্রি হয়ে গেছে। ম্যাজিশিয়ান স্টিভ-এর সব ম্যাজিকই প্রায় অসাধারণ। আর যেখানে স্বয়ং স্টিভই যখন বলেন তিনি যা দেখাতে চলেছেন, তা উনি আর দ্বিতীয়বার দেখাবেন না—তা প্রত্যাশার পারদকে কোথায় নিয়ে যায়, তা বলার দরকার পড়ে না।

    আস্তে আস্তে গুঞ্জন থেমে গেল। স্টিভ একটা ঘড়ি টেবিলের উপর এনে রাখলেন। ছোট ঘড়ি। দূর থেকে স্পষ্ট দেখা না গেলেও ঘড়িটা যে একটু অন্যরকম তা বোঝা যাচ্ছে।

    স্টিভ ঘড়িটা হাতে তুলে নিয়ে বলে উঠলেন, আমার এ ঘড়িটা সামান্য ডিফেক্টিভ। ডিফেক্টটা কিরকম তা একটু পরে আপনারা বুঝবেন। আমি এতে এখন থেকে পনেরো মিনিট বাদে একটা অ্যালার্ম দিলাম। এই পনেরো মিনিট আমরা অন্য একটা ম্যাজিক দেখব। শুধু সময়টা দেখে নিন। এখন সন্ধে ছ’টা। কি, সন্ধে ছ’টা তো?

    হল জুড়ে প্রবল সাড়া এল, হ্যাঁ ছ’টা।

    ওকে, লেট দ্য ম্যাজিক বিগিন নাউ। স্টিভের পরনে সাদা প্যান্ট। কালো বো টাই। স্টিভ টাইটা খুলে উপরের দিকে ছুড়ে দিলেন। সেটা একটা পায়রা হয়ে হলের মধ্যে দু-তিন মিনিট ধরে উড়ে কোথায় উধাও হয়ে গেল। হাততালিতে হলঘরে এখন কান পাতা দায়। তবে স্টিভের পক্ষে সবই সম্ভব। এ ধরনের ম্যাজিক তো অন্যান্য ম্যাজিশিয়ানরাও করে দেখাতে পারে। কিন্তু যে স্টিভ ম্যাজিক করে জাহাজ ভ্যানিশ করে দিতে পারেন, কাগজের প্রথম পাতায় তিনদিন পর কী কী থাকবে বলে দিতে পারেন আগে থেকে, তাঁর কাছে এটা কিছুই নয়। স্টিভ এবার একের পর এক তাসের ম্যাজিক দেখাতে থাকেন। বিভোর দর্শকের আর হুঁশ থাকে না। তার মাঝেই হঠাৎ পাশের টেবিলে রাখা ঘড়িটাতে তীব্র আওয়াজ করে অ্যালার্ম বেজে ওঠে। হাতের তাসটাকে টেবিলে রেখে স্টিভ এগিয়ে যান ঘড়িটার দিকে।

    ডানহাতে ঘড়িটা ওপরের দিকে তুলে বলে ওঠেন, ঘড়িতে অ্যালার্ম যখন দিয়েছিলাম তখন বেজেছিল ছ’টা। অ্যালার্ম দিয়েছিলাম ছ’টা পনেরোয়। অথচ এখন এ ঘড়িতে সময়টা দেখুন, ক’টা বলুন তো? ফের নিজেই বলেন, পাঁচটা। আর আপনাদের ঘড়িতে?

    পরীক্ষার রেজাল্টের অ্যানাউন্সমেন্টের সময় যেমন সব নিয়ম অনেক সময় ভেঙে যায়, ঠিক তেমনই হলের মধ্যে মুহূর্তে চূড়ান্ত বিশৃঙ্খলা শুরু হয়ে গেল। হলের অভিজাত দর্শকরা বিস্ময়ে শিশুর মতো চিৎকার করে উঠল। প্রত্যেকের ঘড়িতে পাঁচটা। বিকেল পাঁচটা।

    মাথা থেকে টুপিটা খুলে হাতে নিলেন স্টিভ। মাথা ঝুঁকিয়ে বলে উঠলেন, আমরা অ্যালার্ম দেওয়ার সময় থেকে একঘণ্টা পিছনে চলে গেছি। এখন সময় হল পাঁচটা। আপনারা কত সহজে বাড়তি কিছু সময় পেয়ে গেলেন, তাই না?

    দর্শকরা এতক্ষণে সম্বিৎ ফিরে পেল। হাততালি চলতেই থাকে—বহুক্ষণ। সবাই উঠে দাঁড়িয়ে স্টিভকে অভিবাদন জানাতে থাকে। অ্যালার্মটা তখনও বেজে চলেছে।

    হ্যাঁ, অ্যালার্মটা এখনও বেজে যাচ্ছে। ধড়মড়িয়ে বিছানার উপর উঠে বসে অতীন। বেডসাইড টেবিলে ঘড়িটা। কী ভয়ানক স্বপ্ন! মনে হচ্ছে সব যেন সত্যি। ঘুমন্ত চোখে হাত বাড়িয়ে অ্যালার্ম বন্ধ করতে গিয়ে চমকে উঠল অতীন। এ ঘড়িতেও পাঁচটাই বাজে।

    অ্যালার্ম বন্ধ করে বেশ খানিকক্ষণ হতবাক হয়ে বসে থাকে অতীন। এ কি সম্ভব! ওর স্পষ্ট মনে আছে। ছ’টায় শুয়েছিল সাতটায় অ্যালার্ম দিয়ে।

    নাহ, গত কয়েকদিনের পরিশ্রমের জন্যই বোধহয় মাথার ঠিক নেই। তারপরে অসময়ে দিবানিদ্রা। উঠে জানলা দিয়ে রাস্তার দিকে তাকাল অতীন। বাইরে এখনও দিনের আলো। রবিবার বিকেল, তাই লোকের দেখা নেই।

    হঠাৎ একটা লাল টয়োটা গাড়ি সামনের রাস্তা দিয়ে গিয়ে বাঁদিকে বাঁক নিয়েই উলটোদিক থেকে আসা অন্য একটা গাড়িকে জায়গা দিতে গিয়ে জোরে ব্রেক কষল। চমকে উঠল অতীন। ঠিক, হ্যাঁ ঠিক এই ঘটনাটাই অতীন দেখেছিল ঘুমোতে যাওয়ার আগে। আর ঠিক এর পর পরই দুটো স্কুলের ছেলে সাদা শার্ট, নীল প্যান্ট পরে ব্যাডমিন্টন র‌্যাকেট হাতে সামনের ফুটপাথ দিয়ে হেঁটে গিয়েছিল। হলও তাই। ছেলে দুটো সামনের রাস্তা দিয়ে এসে ডানদিকে বাঁক নিয়ে অতীনের বাড়ির সামনে দিয়ে হেঁটে গেল।

    এটা কি স্বপ্ন! এই ২০১৪ সালে ওয়েলস-এর বুকেও এরকম সম্ভব? অতীন ফিরে এসে ঘড়িটা হাতে তুলে নিল। ৬ ইঞ্চি বাই ৪ ইঞ্চি চৌকো আকৃতির কাঠের ঘড়ি। উপরে চারটে সুইচ। তার মধ্যে একটা অ্যালার্মের জন্য। কাঠের উপর নানা কারুকার্য করা। বেশ বড় সাদা ডায়াল। এখন এরকম ঘড়ি দেখতে পাওয়া যায় না। তিনমাস হল ওয়েলস-এর এই ছোট শহর কার্লিয়নে এসেছে অতীন। একটা পাঁচ ঘরের বড় বাড়ি ভাড়া নিয়ে এখানেই একা থাকে। গতকাল বাড়ির স্টোররুম পরিষ্কার করতে গিয়ে একটা দেরাজের মধ্যে ঘড়িটাকে দেখতে পায়। দেখেই আগ্রহ হয়। এই প্রথমবার ওটাতে অ্যালার্ম দিয়েছিল আজ।

    ছুটির দিন। তাহলেও নানান কাজ আছে। এখানে রান্নাবান্না, ঘর পরিষ্কার, বাগানের দেখাশোনা—এ সব কিছুই অতীনকেই সামলাতে হয়। তাই ঘড়ির পিছনে আর সময় নষ্ট না করে অন্য কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়ে অতীন। নিশ্চয়ই এসব মনের ভুল। হয়তো গাড়িটাও স্বপ্নের মধ্যেই দেখেছিল। কে বলতে পারে!

    সব কাজ শেষ করতে ন’টা বাজল। বাইরে লোক চলাচল নেই বললেই চলে। ডিনার শেষ করে পড়ার টেবিলে একটা বই নিয়ে পড়তে বসেছিল অতীন। হঠাৎ কী খেয়াল হতে উঠে দাঁড়ায়। ঘড়ির কাছে গিয়ে অ্যালার্ম দিলে সাড়ে ন’টায়। একবার টেস্ট করে দেখা দরকার সন্দেহটা নেহাত অমূলক কিনা। ফের টেবিলে এসে বসল অতীন। বই পড়তে পড়তে মাঝে-মধ্যেই আড়চোখে তাকাতে থাকে ঘড়িটার দিকে। ন’টা পাঁচ-দশ-পনেরো, তারপর হাতের বইটায় এতটাই নিমগ্ন হয়ে পড়ল যে বাকি সময়টা আর খেয়াল রাখতে পারেনি। হঠাৎ অ্যালার্মের শব্দে হুঁশ ফেরে। ঘড়িটা হাতে নিয়েই শিহরণ হল অতীনের। রাত আটটা। অর্থাৎ ঘড়িটা ফের ফিরে গেছে অ্যালার্ম দেওয়ার একঘণ্টা আগে।

    নিশ্চিত হওয়ার জন্য টেবিল ল্যাম্পের আলোর তলায় ঘড়িটাকে ধরল অতীন। হ্যাঁ আটটাই। পাশে দামি হাতঘড়িটাও রাখা ছিল। সেটাতেও একই সময়। তাহলে কি ঠিক পাঁচ মিনিট বাদে ও স্বাতীর ফোনটা পাবে, ঠিক যেরকম এসেছিল! মোবাইলের দিকে একদৃষ্টিতে তাকিয়ে বসে রইল অতীন। সব যেন কীরকম গুলিয়ে যাচ্ছে। ওর বুদ্ধি-বিবেচনা বোধ সব যেন হেরে যাচ্ছে একটা ভূতুড়ে ঘড়ির কাছে।

    ঠিক আটটা পাঁচেই ফোনটা এল স্বাতীর। সেই এক কথা। শোনো, বুবু ফের বায়না করছে। তোমাকে অনেকদিন দেখেনি। সমানে ‘কবে আসবে’ ‘কবে আসবে’ করছে। নাও, ওকে বোঝাও।

    সেকী! অনেক রাত হয়ে গেছে তো ওখানে! এখনও জেগে আছে? দাও ওকে দাও…বুবু সোনা, কেমন আছ?

    বাবা তুমি কবে আসবে? তুমি বলেছিলে আমার সঙ্গে ফুটবল ম্যাচ খেলবে, পাহাড়ে বেড়াতে নিয়ে যাবে।

    সোনা, আর তো কয়েক মাসের ব্যাপার। দেখতে দেখতে ছ-সাত মাস কেটে যাবে। তারপর যাব। তুমিও ততদিনে আর একটু বড় হয়ে যাবে।

    না বাবা, তোমাকে খুব তাড়াতাড়ি আসতে হবে।

    না সোনা, তা হয় না। এখানে অফিসের কাজে এসেছি। বললেই কি আর যাওয়া যায়? দাও, মাকে দাও ফোনটা।

    স্বাতীর সঙ্গে আরও কিছুক্ষণ কথা বলে অতীন।

    ফোনটা ছাড়ার পর উত্তেজনায় এক গ্লাস জল ঢকঢক করে শেষ করল অতীন। তাহলে কি সত্যিই যখন ইচ্ছে একঘণ্টা পিছিয়ে যাওয়া যায় এ ঘড়ির বদান্যতায়? এরকম কি বাস্তবে সম্ভব?

    একটা নামী স্টিল কোম্পানির হয়ে ওয়েলেসে বহুদিনের জন্য এসেছে অতীন। দেশের বাড়িতে মা, বউ ও ছেলে আছে। কিছু অসুবিধে থাকায় ওদের এখানে আনা সম্ভব হয়নি।

    কলকাতায় থাকলে এ-ঘড়িটা নিয়ে এক্ষুনি অনেকের সঙ্গে আলোচনা করা যেত। এখানে কার সঙ্গেই বা কথা বলা যায়? কিন্তু এ উত্তেজনা নিয়ে বাড়িতে একা বসে থাকাও অসম্ভব। বাড়ির দরজাটা লক করে ঘড়িটা নিয়ে রাস্তায় বেরিয়ে পড়ল অতীন। এ জায়গাটা এখন একদম শুনশান। রেসিডেন্সিয়াল এরিয়া। তাই আশপাশের বাড়িগুলোর আলো নিভে গেছে। টিমটিম করছে রাস্তার হলুদ আলো। আকাশে এখনও সদ্য ডোবা সূর্যের আলোর স্পর্শ। গ্রীষ্মকাল, তাই বেলা অনেক বড়। বাইরের আবহাওয়া বেশ মনোরম। ঝিরঝিরে হাওয়া দিচ্ছে।

    খানিক দূরে একটা পার্ক আছে। বেশ বড় পার্ক। পার্কের চারধারে ঘোরানো হাঁটার রাস্তা। প্রচুর গাছ। মাঝখানে একটা ছোট পুকুরকে ঘিরে অনেক বেঞ্চি পাতা আছে বসার জন্য। একটা বেঞ্চিতে গিয়ে বসল অতীন।

    ঘড়িটাকে অনেক খারাপভাবে ব্যবহার করা যায়। একঘণ্টার মধ্যেই এত কিছু পালটে যায় যে সেটা জানা থাকলে রাতারাতি কোটিপতি হয়ে উঠতে পারে অতীন। আবার এটাকে ভালো কাজেও লাগানো যেতে পারে। এই যেমন কয়েকদিন আগে একটা বড় ট্রেন অ্যাক্সিডেন্ট হয়ে গেল। হয়তো সময়মতো একঘণ্টা পিছিয়ে গেলে ওই অ্যাক্সিডেন্টটা থামানো যেত। অনেক লোকের জীবন বাঁচানো যেত। একঘণ্টা পিছিয়ে গেলে একটা ক্রিকেট বা ফুটবল ম্যাচের রেজাল্টও বদলে দেওয়া যায়। অনেক বড় বড় বিপর্যয় থামিয়ে দেওয়া যায়। উত্তেজনায় ঘামতে শুরু করল অতীন।

    কিন্তু নিজের জীবন পালটে দেওয়া যায় না। কথাটায় চমকে উঠে ঘাড় ঘোরাল অতীন। পাশেই বেঞ্চিতে কখন জানি আরেকজন ইংরেজ ভদ্রলোক এসে বসেছেন। মাঝবয়সি, সৌম্য সুন্দর চেহারা। চোখ-নাক-মুখ তীক্ষ্ণ। পুরোনো দিনের ভারী ফ্রেমের চশমা। কাঁচা-পাকা চুল। সাদা দাড়ি। কালো প্যান্ট, সাদা শার্ট। আশ্চর্য একেই তো স্বপ্নে দেখেছিল অতীন।

    হ্যাঁ, অনেক কিছুই করা যায়। কিন্তু নিজের জীবনে পালটে দেওয়া যায় না।

    কথাটা বলে লোকটা ডানহাতটা অতীনের দিকে বাড়িয়ে দিল করমর্দনের জন্য।

    আমার নাম স্টিভ। একটা সময় ম্যাজিক দেখাতাম। ম্যাজিকই ছিল আমার দিনরাতের স্বপ্ন—সাধনা। বুঝলে যেটাই মনে হত অসম্ভব—সেটাই সম্ভব করার চেষ্টা করতাম। উপায়ও বার করে ফেলতাম। লোকে আমাকে হুডিনির সঙ্গে তুলনা করত। আমার ম্যাজিক শোগুলোর টিকিট একমাস আগে সব বিক্রি হয়ে যেত।

    তা আপনাকেই তো আমি খানিক আগে—বলতে গিয়ে থেমে গেল অতীন। স্বপ্নে দেখেছে বললে নির্ঘাত পাগল ভাববে।

    হ্যাঁ, স্বপ্নে দেখেছিলে, তাই তো? অনেক স্বপ্ন সত্যি হয়, বুঝলে! তা, যা বলছিলাম—আমার ছোট্ট একটা ছেলে ছিল, পিটার। ওর সেদিন প্রবল জ্বর। আর আমার আবার একটা ম্যাজিক শো-এর ট্যুরে ইউরোপ যাওয়ার কথা ছিল। ম্যাজিক শো শেষ করে যখন তিনদিন বাদে ফিরলাম—তখন সব শেষ। পিটার আমাদের ছেড়ে চলে গেছে। এখনকার মতো এত সহজে তখন যোগাযোগ করা যেত না। তাই আমাকে বাড়ি থেকে ওরা খবর পাঠাতে পারেনি।

    আমি খুব ভেঙে পড়েছিলাম। তখনই মনে হল যদি কোনওভাবে অতীতে ফেরা সম্ভব হত। হ্যাঁ, সময়ের পিছন দিকে, যেখানে গেলে পিটারকে ফিরে পাব। আমার ছোট ছোট অনেক ভুল শুধরে নিতে পারব। ওকে আরেকটু সময় দিতে পারব। কিন্তু না, মজাটা দেখো, পারলাম—কিন্তু শুধু একঘণ্টা পিছিয়ে যেতে পারলাম। প্রতি মুহূর্ত যেখানে ছুটে এগিয়ে চলেছে, দুরন্ত গতিতে সব হিসেব উলটেপালটে, সেখানে একঘণ্টা পিছিয়ে কী লাভ! ওই ম্যাজিক ঘড়িটা আমারই তৈরি করা। একবার, শুধু একবারই একটা ম্যাজিক শো করেছিলাম ওই ঘড়িটা দিয়ে। তারপর আর কোনও শো হয়নি, দীর্ঘশ্বাস ফেলল স্টিভ।

    কেন?

    হ্যাঁ, সেকথাই বলছি। তুমি তো শো-এর খানিকটা স্বপ্নেই দেখেছ তাই না? শো-এর পর সে এক হুলস্থুল কাণ্ড। খবর মুহূর্তে চারদিকে ছড়িয়ে পড়েছিল, কারণ এই প্রথম একটা একঘণ্টার শো হয়েছিল যা ছ’টায় শুরু হয়ে ছ’টাতেই শেষ হয়। অর্থাৎ সময়ের কোনও হিসেবই মিলছিল না। আর একটা কারণও অবশ্য ছিল।

    কী সেটা? শুকনো গলায় অতীন বলে ওঠে।

    একটু কেশে গলাটা পরিষ্কার করে নিল স্টিভ। তারপর ফের বলতে শুরু করল, সেদিনের লাস্ট ইভেন্টটা ছিল সাপের সঙ্গে কিছুক্ষণ। আমাকে একটা কাচের বাক্সের মধ্যে শিকল দিয়ে বেঁধে তিনটে বিষাক্ত সাপ ছেড়ে দেওয়া হবে। আমি পাঁচ মিনিট পর বাক্স থেকে বেরিয়ে আসব।

    দর্শকদের সে কী উৎসাহ, কী বলব। তবে তখনও তারা সবাই বিভোর হয়েছিল ওই ঘড়ির ম্যাজিকটাতেই। তাই বাক্সের মধ্যে প্রত্যেকটা বিষাক্ত ছোবলে আমি যখন কেঁপে কেঁপে উঠেছি, চিৎকার করে উঠেছি, তখন তারা বাইরে থেকে দেখে ভেবেছে—ম্যাজিশিয়ান স্টিভের কাছে এ আর কী? নির্ঘাত অভিনয়। বুঝতে পারেনি যে আমি আমার মৃত্যুর অপেক্ষা করছিলাম। তাই আমার নিথর দেহ যখন দশ মিনিট বাদে বাক্স থেকে বের করে আনা হয়েছিল, তখন সবাই, এমনকী আমার সঙ্গী কলাকুশলীরাও ভাবছিল আমি অভিনয় করছি, এই বুঝি ফের উঠে দাঁড়াব। এই বুঝি টুপিটা হাতে নিয়ে সদম্ভে কুর্নিশ করে বলে উঠব, ‘দ্য ওয়ান অ্যান্ড ওনলি ওয়ান—দ্য গ্রেটেস্ট ম্যাজিশিয়ান অফ অল টাইম—স্টিভ।’

    উত্তেজিত হয়ে অতীন উঠে দাঁড়াল এবার।

    মা-মানে—আপনি—তখন মারা গিয়েছিলেন!

    অতীনের কথা গ্রাহ্য না করেই স্টিভ বলতে থাকল, বুঝলে, পিটারের সঙ্গে আগে কখনও পাঁচ মিনিট সময়ও কাটাইনি। পিটারের মার সঙ্গেও না। কথা বলারই সময় পেতাম না। শুধু নিজের নামের মোহে—নিজের ম্যাজিকে মত্ত ছিলাম। আমার নাম যখন ইংল্যান্ড ছেড়ে সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছিল—তখনও বুঝিনি যে পিটার পাঁচ বছরের হয়ে গেছে। আর সবার ভিড়ের মধ্যে আমি কত একা। যখন বুঝলাম, তখন পিটার চলে গেছে। পিটারের মা সেও আমাকে ছেড়ে চলে গেছে। শুধু রয়ে গেছে সময় আর একাকিত্ব।

    শেষ দু-বছর আমি শুধু চেষ্টা করে গেছি কীভাবে আবার সেই দিনগুলোতে ফেরা যায়। সেই দিনগুলোতে যখন পিটার সবে হামাগুড়ি দিতে শিখছিল। আধো আধো কথা বলতে শিখছিল। পারিনি। একঘণ্টা অতীতে গিয়ে আর যাই হোক হারিয়ে যাওয়া মুহূর্তগুলোকে ফিরে পাওয়া যায় না। তাই আমি যা বলছিলাম—ও ঘড়ির মোহে পোড়ো না। আমি বন্ধু, শুধু ঘড়িটা নিয়ে গেলাম। আর দিয়ে গেলাম কিছুটা বাড়তি সময়। ভুল কোরো না।

    বলে ঘড়িটা নিয়ে স্টিভ উঠে দাঁড়াল। তারপর ধীরে-সুস্থে এগিয়ে গেল পার্কের গেটের দিকে। আর তারপরই কীভাবে যেন হঠাৎ করে অন্ধকারে মিলিয়ে গেল।

    স্টি-স্টিভ-ডাকতে গিয়ে গলা থেকে আওয়াজ বেরোল না অতীনের। আর তার মধ্যেই বেজে উঠল পকেটে রাখা ফোনটা। চমকে উঠে ফোনটা ধরল অতীন। স্বাতীর ফোন। হাতঘড়িতে আবার সময় আটটা পাঁচ।

    শোনো, বুবু ফের বায়না করছে, তোমাকে অনেকদিন দেখেনি। সামনে ‘কবে আসবে’ ‘কবে আসবে’ করছে। নাও ওকে বোঝাও।

    সেকী! অনেক রাত হয়ে গেছে তো ওখানে! এখনও জেগে আছে? দাও ওকে দাও…বুবু সোনা, কেমন আছ?

    বাবা তুমি কবে আসবে? তুমি বলেছিলে আমার সঙ্গে ফুটবল ম্যাচ খেলবে, পাহাড়ে বেড়াতে নিয়ে যাবে।

    হ্যাঁ সোনা—পরের সপ্তাহেই যাব।

    পরের সপ্তাহে!

    বুবু ফোনটা ছেড়ে মাকে বলে ওঠে, মা, বাবা বলেছে পরের সপ্তাহেই এখানে আসবে।

    ফের স্বাতীর গলা, কী সব বলছ বলো তো! তুমি বলছিলে আসতে দেরি হবে। তোমার কন্ট্রাক্ট তো দু-বছরের, সে ও এখন তো কয়েকমাস বাকি।

    নাহ, আর দেরি নেই। পরের সপ্তাহেই ফিরব। না হলে ও আমায় পাগল করে দেবে। এখানকার কাজ শেষ, কাল ডিটেলে বলব।

    ফোনটা ছেড়ে অতীন বাড়ির দিকে পা বাড়ায়। প্লেনের ফেরার টিকিটটা খুব তাড়াতাড়ি বুক করে দিতে হবে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleহাউ টু টক টু এ্যানিওয়ান – লেইল লোনডেস
    Next Article বিদ্বান বনাম বিদুষী – প্রীতম বসু
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কাঞ্চন-মূল্য – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    April 23, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কাঞ্চন-মূল্য – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    April 23, 2026
    Our Picks

    কাঞ্চন-মূল্য – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    April 23, 2026

    শূন্য পথের মল্লিকা – স্মরণজিৎ চক্রবর্তী

    April 23, 2026

    মরণের আগে ও পরে – ইমাম গাজ্জালী (অনুবাদ : মাওলানা শাহ ওয়ালীউল্লাহ)

    April 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }