Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    কাঞ্চন-মূল্য – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    April 23, 2026

    শূন্য পথের মল্লিকা – স্মরণজিৎ চক্রবর্তী

    April 23, 2026

    মরণের আগে ও পরে – ইমাম গাজ্জালী (অনুবাদ : মাওলানা শাহ ওয়ালীউল্লাহ)

    April 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ভৌতিক অলৌকিক – অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী

    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী এক পাতা গল্প189 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ঠিক বিচার – অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী

    ঠিক বিচার

    ‘একে চিনতে পারছ?’

    একটু ঝিমুনির ভাব এসেছিল অম্লানের। হঠাৎ প্রশ্ন শুনে ঝিমুনি কেটে গেল। হাত দেড়েক দূরেই একটা লোক দাঁড়িয়ে। গোঁফ-দাড়িহীন মুখ। কাটা কাটা নাক-চোখ। অম্লানকে চুপ করে থাকতে দেখে লোকটা বলে উঠল, ‘শরীর কেমন লাগছে?’

    ‘ঠিক আছে।’ অম্লান চারদিকে একবার তাকিয়ে নেয়। ও শুয়ে আছে একটা খাটের উপরে। খাটের চারদিক কাচ দিয়ে ঘেরা। ঘরটা বেশ বড়ো, গোল মতো। কনকনে ঠান্ডা। ঘরের মধ্যে তিনটে লোক। যে লোকটা প্রশ্ন করছে তার গায়ে গাঢ় নীল রঙের পোশাক। পোশাকটা এত জ্বলজ্বল করছে যে চোখে লাগে। আগে কোনোদিন দেখেছে বলে মনে হয় না। অন্য দুজন একটু দূরে দাঁড়িয়ে নিজেদের মধ্যে আস্তে আস্তে কথা বলছে।

    ‘আমার—আমার কী হয়েছে?

    লোকগুলো চুপ করে থাকে। ওদের চোখের দৃষ্টিতে, মুখের ভাবে এতটাই কাঠিন্য যে দ্বিতীয়বার প্রশ্ন করতে দ্বিধা করে অম্লান। মাথা উঁচু করে নিজের শরীরটা দেখার চেষ্টা করে, কিন্তু পারে না। গলা থেকে পা অবধি সাদা কাপড়ে ঢাকা। পুরো শরীর অবশ। পা-টাকে একটু নড়ানোর চেষ্টা করে। কিন্তু পায়ে যেন কোনও সাড় নেই। একটা অদ্ভুত আতঙ্ক ওকে গ্রাস করে। ওর কি তাহলে সিরিয়াস কিছু হয়েছে? প্যারালিসিস? বাড়ির সবাই কোথায়? মিনু, বুবলু ওরা কি জানে? এরাই বা কারা? ওকে কি কিডন্যাপ করা হয়েছে?

    ‘কী একে চিনতে পারছ?’ লোকটা আবার প্রশ্ন করে গম্ভীর গলায়।

    অম্লান চুপ করে থাকে। জিভটাও অসাড় লাগে।

    পিছনের লোক দুটো সামনের লোকটার কাছে এগিয়ে আসে। ফিশফিশ করে নিজেদের মধ্যে কী একটা আলোচনা করে। সামনের লোকটা খানিকবাদে অম্লানকে বলে, ‘ঠিক আছে। একটু সময় নাও। আমরা পাঁচ মিনিট বাদে আসছি।’

    লোকগুলোকে বেরিয়ে যেতে দেখে অম্লান ক্ষীণকণ্ঠে বলে ওঠে, ‘আচ্ছা, একটু বলবেন আমার কী হয়েছে? আমি এখানে এলাম কী করে?’

    যে লোকটা প্রশ্ন করছিল, সে হাত তুলে একটু ধৈর্য ধরতে ইঙ্গিত করে। তারপর ঘর থেকে বেরিয়ে যায়। তা-ও ভালো। একটু একা থাকার সুযোগ, একটু চিন্তা করার সুযোগ পাওয়া গেছে। শুয়ে শুয়ে মাথা ঘুরিয়ে যতটা দেখা যায়, ঘরটা দেখার চেষ্টা করল অম্লান। অদ্ভুত ঘরটা। কিছু নেই ঘরটাতে। একদম ফাঁকা। এমনকী এয়ারকন্ডিশনারেরও কোনো আউটলেট পর্যন্ত দেখতে পেল না। ঘরে যথেষ্ট জোরালো আলো, অথচ কোথা থেকে যে আলো আসছে তা দেখতে পেল না। দেওয়ালগুলোর রং আস্তে আস্তে বদলাচ্ছে। হলদে থেকে সাদা, তারপর কমলা, ফের সাদা। শেষ কী হয়েছিল মাথা ঠান্ডা করে তা ভাবার চেষ্টা করে অম্লান। মন্টে কার্লো—মানে, যেখানে ফর্মুলা ওয়ান কার রেসিং হয়। সেই মন্টে কার্লো থেকেই ফিরছিল অম্লান। স্পষ্ট মনে পড়ছে। মন্টে কার্লোর বিখ্যাত ক্যাসিনো ‘লে ক্যাসিনো ডে মন্টে কার্লো’-তে বেশ খানিকক্ষণ কাটিয়েছিল। সামান্য টাকা বাজি করে পনেরো ইউরো মতো লাভই করেছিল। তারপর বাসে করে লার্গেটো বিচ। বিচটা ছোট, পাথুরে। বিচ থেকে নানান রকম নুড়ি কুড়িয়েছিল বুবলুর জন্য, সেটাও মনে পড়ল। সেখান থেকে বাসে চড়ে, সরু গলি দিয়ে সামান্য হেঁটে রাজার বাড়ি। সেখানে ক্যাফেতে চিকেন পানিনি আর ক্যাপুচিনো খেয়ে ফের সমুদ্রের ধার। এখানে বেশ খানিকক্ষণ কাটিয়েছিল। সমুদ্রের এখানটাতে বিচ নেই। শুধু সারি সারি ইয়ট রাখা। প্রচুর দামি দামি প্রাইভেট ইয়ট। মন্টে কার্লো বড়োলোকেদের জায়গা। এই নৌকো নিয়েই তাঁরা বেরিয়ে পড়েন মাঝেমধ্যে ভূমধ্যসাগরে। আরও খানিকক্ষণ এরকম সমুদ্রের ধারে কাটিয়ে সেখান থেকে হেঁটে মন্টে কার্লো স্টেশন। সেখানে কোনও টিকিট কাউন্টার দেখতে না পেয়ে একজনকে জিগ্যেস করেছিল। সে লোকটা ছিল ফ্রেঞ্চ। বিন্দুমাত্র ইংরেজি বোঝে না। তবে খুব হেল্পফুল। একটা মেশিনের সামনে অম্লানকে নিয়ে গিয়ে দেখিয়ে দিয়েছিল কীভাবে টিকিট কাটতে হয়। কোথায় যাবে, কখন যাবে, কী ক্লাসে যাবে—ফার্স্ট ক্লাসে না সেকেন্ড ক্লাসে—এসব সিলেকশনগুলো পরপর করে নিজে নিজেই টিকিট কাটা যায় এখানে। এভাবেই মন্টে কার্লো থেকে ভেন্টিমিগলিয়া-র টিকিট কেটেছিল অম্লান। ভেন্টিমিগলিয়া হল ইটালি আর ফ্রান্সের বর্ডার।

    অম্লানকে যেতে হত ইটালির জেনেভায়। তাই ট্রেন চেঞ্জ করে আবার ভেন্টিমিগলিয়া থেকে জেনেভার ট্রেন ধরতে হত।

    এতটা পর্যন্ত ভেবে চিন্তায় বাধা এল। দরজা ফের খুলছে। লোকগুলো ঘরে ঢুকছে। নীল জামার হাতে সেই ছবি। পিছনে বাকি দুজন।

    ‘একে চিনতে পারছ?’—ফের একই প্রশ্ন। ছবিটা এবার অম্লানের মুখের সামনে তুলে ধরে লোকটা। কেয়ারফুলি লক্ষ করে অম্লান। দেখেছে বলে তো মনে হয় না। লম্বা মতো মুখ। মোটা ভুরু। ফরসার দিকে রং। মাথার চুল ছোট করে ছাঁটা। চোখ ছোট। হিংস্র চাউনি। কানের পাশে লম্বা জুলপি। দু-গালে অজস্র দাগ। মুখটা দেখলেই মনে হয় অন্যদিকে তাকাই।

    ‘ভালো করে দেখো!’—লোকটা শাসানির সুরে বলে ওঠে।

    ‘নাহ, দেখিনি।’

    ‘শিয়োর?’

    ‘হ্যাঁ, শিয়োর।’

    শিয়োর বলল বটে, তবে লোকের মুখ খুব একটা মনে থাকে না অম্লানের। প্রায়শই হয়, যখন কেউ এসে বলে, কেমন আছ অম্লানদা? কবে ফিরলে?’—অম্লান দিব্যি কথা চালিয়ে যায়। শেষে দেখা যায় যে ওর সঙ্গে যে আলাপ করছে সে অম্লানের নাড়িনক্ষত্র জানে, অথচ অম্লান কিছুই মনে করতে পারে না।

    ‘এ কে?’

    লোকটার হাতে একই ডিজিটাল ফ্রেমে আরেকজনের ছবি! দেখে আফ্রিকান মনে হয়, রং যদিও ফরসার দিকে। চুলটা খোঁচা খোঁচা করে কাটা। এক চিলতে দাড়ি। মোটা নাক। কুতকুতে চোখ।

    ‘হ্যাঁ, একে চিনি।’

    ‘কোথায় দেখেছ?’

    ‘ট্রেনে। আমরা একই কেবিনে বসেছিলাম। এর সঙ্গে আরও দুজন ছিল।’

    ‘এরা?’

    লোকটা চট করে পরের ছবিতে চলে যায়। একটা মেয়ে। সোনালি চুল। কাটা কাটা নাক-চোখ। চোখের মণি বাদামি। পাতলা গোলাপি ঠোঁট। বেশ ভালো দেখতে। এর রং বেশ ফরসা।

    হ্যাঁ, এও ছিল একই কামরাতে। পরনে ছিল জিনস প্যান্ট, কালো টি-শার্ট, লেদারের জ্যাকেট। হিলওয়ালা লেদারের গামবুট ছিল পায়ে। আরেকটা ছেলে ছিল এদের সঙ্গে। ছোটখাটো চেহারার।’

    ‘এ কি?’ লোকটা আরেকটা ছবি দেখায়।

    ‘না, এ নয়।’

    ‘এ?’ পরের ছবিতে চলে যায় লোকটা। ফরসা মতো মুখ। চওড়া কপাল। ঠোঁটের পাশে কালো আঁচিল। ঘাড় অব্দি লম্বা চুল।

    হ্যাঁ, হ্যাঁ, এ-ই ছিল।’

    ‘তা তোমরা যাচ্ছিলে কোথায়?’

    ‘আমি যাচ্ছিলাম ভেন্টিমিগলিয়া থেকে জেনেভা-ব্রিগনোলে। এরা ভেন্টিমিগলিয়াতে একসঙ্গে উঠেছিল। তবে কোথায় যাচ্ছিল তা বলতে পারব না। ট্রেন তো মিলান অব্দি যাচ্ছিল। তা জেনেভা অব্দি…’

    বলতে গিয়েও অম্লান থেমে যায়। আর যে কিছুই মনে পড়ছে না। জেনেভাতে ও নিজেই কি নেমেছিল? লেভান্টে, স্যাডোনা, এই স্টেশনগুলো পেরিয়ে গিয়েছিল মনে আছে। ইটালির রিভিয়েরা এলাকা। রেললাইনের একদিকে সমুদ্র, অন্যদিকে পাহাড়। সমুদ্রের পাশ দিয়ে ট্রেন চলছিল টানেলের মধ্যে দিয়ে লুকোচুরি খেলতে খেলতে। সমুদ্রের ধারের আলোর সারি মাঝেমধ্যে টানেলের অন্ধকারে ঢেকে যাচ্ছিল। অন্ধকারে বাইরের প্ল্যাটফর্মগুলো ভালো করে দেখা যাচ্ছিল না। তবু এ স্টেশনগুলো চোখে পড়ছিল। অ্যানাউন্সমেন্টও হয়েছিল। ওরা কেবিনের আলোটাও নিভিয়ে দিয়েছিল। সেলফোনে একটা অন্য ধরনের গান চলছিল। আফ্রিকার মনে হয়। কিন্তু তারপর? অ্যাবসলিউটলি ব্ল্যাঙ্ক!

    ‘ওরা কী ভাষায় কথা বলছিল?’

    ‘ইটলিয়ান নয়। বোধহয় আফ্রিকার কোনো ভাষায়। মরোক্কান কি অ্যারাবিক হবে হয়তো।’

    ‘কেন মরোক্কান ভাষা তুমি জানো বুঝি?’

    ‘না, মরোক্কান ভাষা জানি না। তবে ইটালিয়ান ভাষা খানিকটা জানি। অন্তত এটুকু বলতে পারি যে, ওরা ইটালিয়ান ভাষায় কথা বলছিল না। অ্যারাবিক ভাষা বলেই মনে হল।’

    ‘তা ইটালিয়ান ভাষা জানলে কী করে?’

    ‘আমি গত দেড় মাস তো ইটালিতেই ছিলাম। তাই অন্তত বেসিক কয়েকটা কথা শিখে গেছি। ‘চাও’, ‘পরন্তো’, ‘বেনে’, ‘অ্যারেবিদার্চি, বোঞ্জোরনো’—এসব কথা ঘুরে ফিরে ওরা বলে। এরকম কোনো শব্দ ওরা সেদিন ব্যবহার করেনি।’

    ‘ইটালিয়ান নয় তা বুঝলাম, কিন্তু ওরা যে মরোক্কান তা বুঝলে কী করে?’

    অম্লান বুঝতে পারল যে পুলিশি জেরা চলছে। প্রত্যেকটা কথা খেয়াল করে বলতে হবে। মরোক্কান বলাটা ভুল হয়েছে। ওদের মরোক্কান ভাবার কোনো কারণই নেই। নেহাতই ও শুনেছিল যে, আফ্রিকার মরোক্কো এলাকার লোকেরা ফরসা হয়। আর এটুকুও জানে যে, ইটালির এই এলাকাতে অনেক মরোক্কান থাকে।

    অম্লানকে চুপ করে থাকতে দেখে লোকটা আবার প্রশ্ন করে ওঠে, ‘তুমি ওদের আগে চিনতে?’

    ‘না।’

    ‘ঠিক করে ভেবে দেখো। ওদেরকে আগে কোথাও দেখেছিলে কি?’

    ‘না।’

    আমরা যদি বলি যে তুমি ওদেরকে আগে থেকেই চিনতে। যদি প্রমাণ দেখাই?’ একটু চুপ থেকে লোকটা ফের বলে ওঠে, ‘কয়েকদিন আগে ইটালির সিনকোয়াতেরার মরেস্যোতে ওদের সঙ্গে তোমার দেখা হয়েছিল। ট্রেন স্টেশনের পাশে একটা ক্যাফেতে তোমরা বসেছিলে।’

    হ্যাঁ, আমি গিয়েছিলাম বটে, কিন্তু সত্যিই ওদের খেয়াল করিনি! ট্রেনে যখন দেখেছিলাম, তখন একই কেবিনে ওদের সঙ্গে থাকতে আমার একটু অস্বস্তিও হচ্ছিল।’ একটু থেমে ভেবে নিয়ে অম্লান বলে ওঠে, ‘আমি ওদের দেখে অন্য একটা কেবিনে গিয়ে বসি। পরে সে কেবিনে আগের থেকে রিজার্ভ করা লোক ওঠায় আবার আমার সিটে ফিরে আসি। ওদের কথাবার্তা-ব্যবহারে কেমন যেন উগ্রতা ছিল। যেমন, আমাকে না জিগ্যেস করে কেবিনের আলো নিভিয়ে দিল। জোরে জোরে নিজেদের মধ্যে কথা বলছিল। ফোনে গান চালিয়ে দিল। কেবিনের ওপর দিকে একটা র‌্যাক ছিল। ওটা ধরে টানাটানি করছিল’…একটু থেমে অম্লান আবার বলে ওঠে, ‘তা ওরা কি কোনো গন্ডগোল করেছে?’

    কোনো উত্তর না দিয়ে লোকটা ফের প্রশ্ন করে, ‘তারপর কী হয়েছিল মনে পড়ে?

    অম্লান চুপ করে থাকে।

    ‘মনে পড়ছে না? নাকি বলবে না?’

    ‘নাহ, আমার আর কিছুই মনে পড়ছে না।’

    পিছনের একটা লোক এগিয়ে আসে, ‘রোমে, ভ্যাটিকান সিটিতে যাওয়ার কথাও মনে পড়ছে না?’—বলে আঙুল দিয়ে সামনের দেওয়ালের দিকে নির্দেশ করে। দেওয়ালটাতেও একটা ছবি ফুটে ওঠে।

    এ কী! এ তো অম্লান। ওর পাশে ট্রেনের সেই মেয়েটা।

    অম্লানের মুখ থেকে বিস্ময়সূচক শব্দ বেরিয়ে আসে।

    ওরা একটা বড়ো চত্বরে দাঁড়িয়ে আছে। সামনে-পিছনে অগুনতি মাথা। ছবিটা যে ভ্যাটিকানের সেন্ট পিটার স্কোয়ারের, তা বুঝতে সময় লাগল না অম্লানের। কিন্তু এখানে ও কী করে গেল, তাও ওই মেয়েটার সঙ্গে।

    ‘কী পুরো ভিডিয়োটা দেখাব? নাকি তার আগেই কিছু বলবে?’

    ‘না, এটার কথা তো কিছুই মনে পড়ছে না। এটা কবের ঘটনা? ওই ট্রেনে ওদের সঙ্গে দেখা হবার পরে?’

    ‘ডেভিড, ওর ব্রেন ম্যাপিং দেখো তো!’

    সামনের নীল জামা লোকটা কার উদ্দেশে কথাটা বলল বোঝা গেল না। ঘরের দুজন লোকের রি-অ্যাকশন দেখে মনে হল, ডেভিড অন্য কেউ, ঘরের বাইরে কোথাও আছে।

    লোকটা আবার অম্লানকে উদ্দেশ্য করে বলে উঠল, ‘তোমার প্রত্যেকটা কথা সত্যি না মিথ্যে আমরা কিন্তু সঙ্গে সঙ্গে বুঝে যাচ্ছি। তোমার ব্রেন ম্যাপিং চালু আছে, মিথ্যে বলার ফল যে ভালো হবে না, তা না বললেও চলবে।’ একটু থেমে ফের নীল জামা বলে ওঠে, ভ্যাটিকান সিটিতে যাওয়ার প্ল্যানটা কি তোমার ছিল?’

    ‘আমার কিছুই মনে পড়ছে না!’

    ‘প্রশ্নের ঠিক উত্তর দাও। সঙ্গের ওই মেয়েটার নাম কী ছিল?’

    ‘জানি না।’

    ‘তোমরা কি কোনো বিশেষ গ্রুপের সঙ্গে যুক্ত ছিলে?’

    ‘না। আচ্ছা, ঘটনাটা কী হয়েছিল তা একটুও না বললে আমি বলব কী করে? আমার সত্যিই কিছু মনে নেই।’

    লোকটা দ্রুত হাতের তালুতে রাখা মনিটরে ব্রেন ম্যাপিং যন্ত্রের রেজাল্ট দেখে নিল। রেজাল্ট সব পজিটিভ। অম্লান মিথ্যে বলছে না। একটু অবাক হয়ে পাশের লোক দুটোর সঙ্গে কী কথা বলে নিল।

    ‘সেদিন তোমরা পোপের বক্তৃতার সময়ে পোপকে হত্যা করেছিলে। দিনটা ছিল ২৫ ডিসেম্বর। যথারীতি হাজার হাজার লোকের জমায়েত হয়েছিল সেন্ট পিটার স্কোয়ারে, চার্চের সামনে। দশটার সময় পোপ বলতে শুরু করেন, আর ঠিক পাঁচ মিনিট বাদে তোমরা ওঁকে হত্যা করো।’

    হতবাক হয়ে খানিকক্ষণ চুপ করে থাকে অম্লান। কোনোরকমে বলে ওঠে, ‘আ-আমি তো কিছুই বুঝতে পারছি না। আমি হঠাৎ পোপকে হত্যা করতে যাব কেন? আমি তো জেনিভা এসেছিলাম আমার ব্যবসার কাজে। আর পাঁচদিন বাদেই ফিরে যাওয়ার কথা। ইনফ্যাক্ট ২৫ ডিসেম্বরেই আমার ভারতে ফেরার কথা!’ একটু থেমে অম্লান বলে ওঠে, ‘এই ঘটনার কথা কি আমার বাড়িতে জানে?’

    নীল জামা এতক্ষণে নিজের নাম বলে, ‘আমার নাম সাইমন। এ ঘটনার কথা তোমার বাড়ির লোক কেন, সারা পৃথিবীর লোক জানে।’

    ‘আমি আমার বাড়ির লোকেদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে চাই। আমি সঠিক বিচার চাই! আমাকে অহেতুক ফাঁসানো হচ্ছে। আমি আমার লিগ্যাল রিপ্রেজেন্টেটিভ চাই!’

    ‘সেটা বোধহয় একটু দেরি হয়ে গেছে।’ সাইমন কুটিল হেসে বলে, ‘তবে তোমার বাড়ির লোকেদের অনুরোধেই এ কেস রি-ওপেন করা হয়েছে। ওদের ধারণা তোমাকে এ কাজ করতে বাধ্য করা হয়েছে। তুমি নিরপরাধ। সারা পৃথিবী আজ তোমাকে অপরাধী বলে জানলেও ওরা তা মানতে নারাজ।’

    ‘কিন্তু আমি যে কাজই করিনি, তার জন্য।…’

    লোকটা অম্লানকে থামিয়ে দেয়। আবার দেওয়ালে ছবি ফুটে ওঠে আঙুলের নির্দেশে। ওই একই স্কোয়ার। অম্লানকে আর সঙ্গের মেয়েটাকে দেখা যাচ্ছে। ওরা এখন একদম সামনের সারিতে। পোপ খানিকটা দূরে সেন্ট পিটার চার্চের সামনে উঁচু জায়গায় দাঁড়িয়ে কিছু বলছেন। চারদিকের বড়ো বড়ো মনিটারে পোপকে দেখা যাচ্ছে। হঠাৎ অম্লানকে দেখা গেল সামনের দিকে ছুটে এগিয়ে যেতে। কয়েকজন সিকিয়োরিটি গার্ড অম্লানকে ধরতে ছুটে এল। অম্লান তাদের এড়িয়ে দ্রুত পোপের জন্য ঘিরে রাখা জায়গায় চলে এল। দুজন সিকিয়োরিটি অম্লানকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়ল। কিন্তু তার আগেই একটা বিশাল বিস্ফোরণ। অম্লানকে ঘিরে একটা ধোঁয়ার বলয়। সেন্ট পিটার চার্চের স্তম্ভগুলোসুদ্ধ কেঁপে উঠেছে। পোপের জন্য তৈরি ঘেরা জায়গাটা ভেঙে পড়েছে।

    সাইমন বলে ওঠে, ‘বুঝতেই পারছ, তুমিই হলে সুইসাইড বম্বার। সন্দেহ নেই যে তুমিই পোপের হত্যাকারী। শুধু যে পোপকেই তুমি হত্যা করেছিলে তাই-ই নয়। সেদিন কয়েকশো সাধারণ লোক এ ঘটনায় মারা যায়। এই ঘটনার জন্য নানান দেশে অশান্তি ছড়িয়ে পড়েছিল। ধর্মযুদ্ধ লেগে গিয়েছিল। লক্ষ লক্ষ লোক তাতে মারা যায়। আমরা তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিলাম। অল থ্যাংকস টু ইউ।’

    অম্লান অবাক হয়ে বলে ওঠে, ‘আমি তাহলে বেঁচে আছি কীভাবে?’

    সাইমন মুচকি হেসে বলে ওঠে, ‘দেড়শো বছর কেটে গেছে। শুধু ঘটনাটা কী ঘটেছিল, তুমি সত্যিই যুক্ত ছিলে কিনা, তা জানতে তোমাকে খানিকক্ষণের জন্য বাঁচিয়ে তোলা হয়েছে। এ প্রযুক্তি আগে আমাদের কাছে ছিল না। এখন শুধু তোমার ব্রেন চালু আছে। তোমার পরিবার কখনোই তোমাকে দোষী হিসেবে বিশ্বাস করতে চায়নি। এমনকি এই ছবি দেখার পরেও তাদের ধারণা ছিল তোমাকে বাধ্য করা হয়েছে।’

    একটু থেমে সাইমন নরম গলায় ফের বলে, ‘এখন আমরাও বিশ্বাস করি যে তুমি আসলে দোষী নও। তোমাকে বাধ্য করা হয়েছিল।’

    কান্নায় অম্লানের গলা বুজে আসে, ‘কিন্তু আমাকে ওরা এ কাজ করতে বাধ্য করল কীভাবে? আমার তো শুধু ওই ট্রেনের পথটাই মনে পড়ছে। তারপরে কী হয়েছে তা কিছুতেই মনে পড়ছে না। আর পুরো ব্যাপারটাই মনে হচ্ছে যেন কালকের ঘটনা।’—একটু থেমে ফের ধরা গলায় অম্লান বলে ওঠে, ‘বুবলুর জ্বর হয়েছিল। ইন্ডিয়াতে তখন রাত একটা। আমি ফোনে কথা বলছিলাম। তারপর—তারপর আর মনে নেই।’

    ‘তোমাকে ওরা ব্যবহার করেছিল। কারও ব্রেনে চিপ বসিয়ে দূর থেকে তাকে কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যায় তা আমরা জানতে পারি এ ঘটনার বছর পাঁচেক বাদে। কিন্তু যখন এর বিচার হয় তখন আমরা তা ভাবতেও পারিনি। আসল দোষীরা ছাড়া পেয়ে যায়। এখন তো বিজ্ঞান আরও অনেক এগিয়ে গেছে। আমাদের ধারণা ওরকমই কিছু তোমার সঙ্গে করা হয়েছিল। তোমাকে ওরা দূর থেকে কন্ট্রোল করছিল। অপরাধ জগতের সঙ্গে তোমার কোনো যোগাযোগ ছিল না বলেই ওরা তোমাকে ব্যবহার করেছিল। যাতে আগে থেকে কেউ টের না পায়। যখন তোমার বিচার হয়, তখন এসব প্রযুক্তি সম্বন্ধে আমাদের কোনো ধারণাই ছিল না। তাই সবার ধারণা হয় যে তুমিই ষড়যন্ত্রের সঙ্গে যুক্ত ছিলে।’

    আচ্ছা, মিনু, বুবলু—ওরা ভালো…?’ প্রশ্নটা করতে গিয়ে থেমে যায় অম্লান। দেড়শো বছর আগের কথা। কে আর ওদের খবর রেখেছে?

    ‘আমি তোমারই বংশধর। তোমার ছেলে আমার ঠাকুরদা ছিলেন। তাই তো আমি এ কেসটার দায়িত্ব নিয়েছিলাম। আশা করি, আমরা এভিডেন্স থেকে তোমাকে নির্দোষ প্রমাণ করতে পারব। সারা পৃথিবী আর তোমাকে দোষ দেবে না, ঘৃণার চোখে দেখবে না। তোমাকে আর কৃত্রিমভাবে বাঁচিয়ে রেখে আমরা কষ্ট দেব না। বিদায় দাদামশাই।’

    অম্লানের চোখের সামনে বুবলুর হাসিভরা মুখটা ভেসে ওঠে। স্পষ্ট যেন ওর ডাক শুনতে পায়। এ যেন ঠিক কালকের ঘটনা। তারপর বুবলুর মুখটা মিলিয়ে যায় অন্ধকারে। টানেলের থেকেও ঘন অন্ধকারে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleহাউ টু টক টু এ্যানিওয়ান – লেইল লোনডেস
    Next Article বিদ্বান বনাম বিদুষী – প্রীতম বসু
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কাঞ্চন-মূল্য – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    April 23, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কাঞ্চন-মূল্য – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    April 23, 2026
    Our Picks

    কাঞ্চন-মূল্য – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    April 23, 2026

    শূন্য পথের মল্লিকা – স্মরণজিৎ চক্রবর্তী

    April 23, 2026

    মরণের আগে ও পরে – ইমাম গাজ্জালী (অনুবাদ : মাওলানা শাহ ওয়ালীউল্লাহ)

    April 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }