Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    কাঞ্চন-মূল্য – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    April 23, 2026

    শূন্য পথের মল্লিকা – স্মরণজিৎ চক্রবর্তী

    April 23, 2026

    মরণের আগে ও পরে – ইমাম গাজ্জালী (অনুবাদ : মাওলানা শাহ ওয়ালীউল্লাহ)

    April 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ভৌতিক অলৌকিক – অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী

    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী এক পাতা গল্প189 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    দিনটা খুব ইন্টারেস্টিং – অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী

    দিনটা খুব ইন্টারেস্টিং

    জ্যোতিষ জিনিসটাতে কোনোদিনই বিশ্বাস নেই সৌম্যর। জ্যোতিষ মানেই যে বুজরুকি এ ব্যাপারে ও পুরোপুরি নিশ্চিত। তাই পঞ্চগনি শহরের টেবলটপের মতো সুন্দর একটা জায়গাতে গাড়ি থেকে নামতেই যখন এক জ্যোতিষী গোছের লোক এগিয়ে এল—তার ওপর সৌম্য যে প্রচণ্ড বিরক্ত হবে তাতে আর আশ্চর্য কী! লোকটাকে পাশ কাটিয়ে যথাসম্ভব দ্রুতগতিতে এগিয়ে গেল সৌম্য।

    ‘আপকা ভবিষ্যৎ বহোতি ইন্টারেস্টিং হ্যায়। মেরে সে শুন লিজিয়ে,’ পিছন থেকে কথাটা কানে এল সৌম্যর। স্ত্রী আর দুই ছেলেকে নিয়ে বেড়াতে এসেছে—তা এখানেও এদের হাত থেকে নিষ্কৃতি নেই। বিরক্ত করে ছাড়ছে। সামনের দিকে তাকাতেই বিরক্তিটা উধাও হয়ে গেল। পাহাড়ের উপরে বিশাল বড় মাঠের মতো সমতল এলাকা। টেবলটপের মতো। এর ওপরেই ওরা দাঁড়িয়ে আছে। দূরে আরও কয়েকটা পাহাড়ের ওপরে এরকমই ন্যাড়া সমতল দেখা যাচ্ছে। দুদিকে গভীর খাঁজ সটান নেমে গেছে। অন্যদিকে পাহাড়ের ঢাল গিয়ে মিশেছে পঞ্চগনি শহরে। এত দূর থেকেই দেখা যাচ্ছে চার্চ, একটা ভারী সুন্দর স্কুল— স্কুলবাড়িটার লাগোয়া বিশাল মাঠ, একটা মন্দিরও। খানিক আগে একপশলা বৃষ্টি হয়েছে। তাই আকাশ বেশ পরিষ্কার। গরমটা কমে গেছে। গাছের পাতায় রোদের অলঙ্কার। সবুজে ঝলমল করছে দূরের পাহাড়।

    ‘স্যার, আপকে বারেমে সবকুছ পতা হ্যায়। শুন লিজিয়ে,’ সৌম্যকে রীতিমতো ধাওয়া করেছে লোকটা। ফের অগ্রাহ্য করে সৌম্য এগোতে থাকে।

    অনেক লোক, তবে দার্জিলিং-কালিম্পং-এর মতো ভিড় নেই। বাচ্চাদের ঘোড়া চড়ানোর জন্য বারবার অনুরোধ আসছে। ছেলেদেরকে ঘোড়ায় তুলে দিয়ে বেশ কায়দা করে নিজেও ঘোড়ার পাশে দাঁড়িয়ে বেশ কিছু ছবি তুলল সৌম্য। পুরো জায়গাটার ধার দিয়ে গোল করে একবার ঘুরে এল ঘোড়া। পাত্তা না পেয়ে ওই জ্যোতিষী গোছের লোকটা ইতিমধ্যে উধাও হয়েছে।

    আরো মিনিট পনেরো ঘোরাঘুরির পর গাড়িতে উঠতে যাবে—আবার সেই জ্যোতিষী। ‘বহোৎ কুছ বোলনা বাকি হ্যায় স্যার। কালকা দিন আপকে লিয়ে বহোৎ-হি ইন্টারেস্টিং হোগা।’

    ‘যাও তো ভাই, ওসব বুজরুকিতে আমি বিশ্বাস করি না।’ বিরক্ত হয়ে প্রায় চেঁচিয়ে বলে উঠল সৌম্য। লোকটা বাংলা বুঝল কি বুঝল না কে জানে! কিন্তু সৌম্য যে প্রচণ্ড বিরক্ত এটা অন্তত বোঝাতে পেরেছে আর কি! পঞ্চগনি, মহাবালেশ্বর হয়ে ওরা যখন পুণেতে পৌঁছল তখন অনেক রাত হয়ে গেছে।

    পরদিন বিকেলে পুণে থেকে কলকাতায় ফেরার ট্রেন। দশদিন বেড়ানোর পর কলকাতায় ফেরা। পরদিন প্রায় একঘন্টা আগে স্টেশনে পৌঁছে গেল সৌম্য। আধঘণ্টা আগে ট্রেনও এসে গেল প্ল্যাটফর্মে। ওরা উঠে পড়ল ট্রেনে। এসি টু-টায়ার। সিটগুলো ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পড়েছে। স্ত্রী আর ছেলেদের সিট এক জায়গায় হলেও সৌম্যর সিট বেশ খানিকটা দূরে, তবে একই কোচে।

    ওদেরকে বসিয়ে মালপত্র গুছিয়ে রেখে খানিকবাদে নিজের সিটে এসে বসল সৌম্য। সাইডের সিট। একজন মাঝবয়সি ভদ্রলোক সিটের অন্যপ্রান্তে বসে আছে। দেখে ইউরোপীয়ান বলে মনে হয়। মাথায় ঝাঁকড়া সোনালি চুল, লম্বা জুলফি, বাদামি চোখ, গোঁফ নেই। রোগা-পাতলা চেহারা। একবার সৌম্যর দিকে তাকিয়ে মাথা ঝুঁকিয়ে হাসল বলে মনে হল। সেটা যখন খেয়াল হল সৌম্যর একটু দেরিই হয়ে গেছে। ফিরতি অভিবাদনটা করা হল না। উলটোদিকে বসে আছে একটা বড় মাড়োয়ারি ফ্যামিলি। তাদের সঙ্গে একবার কথা বলার চেষ্টা করল সৌম্য। যদি বউ আর ছেলেদের সিটগুলো এদের সঙ্গে পালটানো যায়। বৃথা চেষ্টা। এরা বেশ গুছিয়ে-গাছিয়ে, চারদিকে নানান রকম খাবার-দাবার ছড়িয়ে, ল্যাপটপে হিন্দি ফিল্মি গান চালিয়ে বসে আছে। সৌম্য ব্যর্থ হয়ে ফিরে এল।

    সিটে ফিরে এসে হিন্দুস্থান টাইমসের পুণে এডিশনটা নিয়ে পড়তে শুরু করল সৌম্য। বাইরে এখনো ভালোই আলো আছে। এদিকের প্রকৃতি বেশ রুক্ষ। ছোট ছোট টিলা-পাহাড়, ছোট ছোট গাছ-আগাছা। বাংলার মাঠ-প্রান্তরের মতো সবুজের সমারোহ নেই। পাশে বসা লোকটা মাথার কাছের আলো জ্বেলে একটা লাল ডায়েরি হাতে নিয়ে পড়ছে, বেশ গোপনীয়তার সঙ্গে। ওটা কি বই? নাহ, ওপরে কিছু লেখা নেই। তাহলে ডায়েরিই হবে। কিন্তু তাতে সাল-টাল কিছুই লেখা নেই। লোকটার সঙ্গে একবার চোখাচোখি হল। টের পেয়ে লোকটা ডায়েরিটা যেন আরেকটু সাবধানে আঁকড়ে ধরল। একটু লজ্জা পেয়ে আবার খবরের কাগজের দিকে চোখ ফেরাল সৌম্য। বাইরের দেশের লোক কী ভাবল কে জানে? নিশ্চয়ই একটু সতর্ক হয়েই থাকে ওরা—ভারত সম্বন্ধে নানান ধরনের খবর তো রটেই।

    এই ক’দিন পুণে, বম্বে, গোয়া, পঞ্চগনি-মহাবালেশ্বর-মাথেরন এসব নানান জায়গায় ঘুরতে গিয়ে কোনো কিছুই খোঁজখবর রাখা হয়নি। গোগ্রাসে তাই খবরগুলো পড়ছিল। হঠাৎ টিকিট চেকার এসে হাজির হওয়ায় বাধ্য হয়ে কাগজটা নামিয়ে টিকিটটা বের করল সৌম্য। ভদ্রলোক বাঙালি।

    কোনওভাবে কি আমার ফ্যামিলির সিটগুলোর কাছাকাছি একটা সিট পাওয়া যেতে পারে? ওরা একেবারে অন্যপ্রান্তে।’

    ‘সে আপনাকে প্যাসেঞ্জারদের সঙ্গে কথা বলে দেখতে হবে। আমি বলতে পারব না। এই একটা সিটেই শুধু লোক নেই। বাকি সবই তো ভরতি।’ বলে ভদ্রলোক সৌম্যর ওপরের বাঙ্কের দিকে নির্দেশ করলেন।

    ‘আরে! এখানে তো এই খানিক আগেও একজন লোক ছিল। এখানে বসেছিল। আমি ভাবলাম ওপরের সিটটা ওরই। বিদেশি—এই এক্ষুনি ছিল।’

    চেকার একটু অবাক হয়ে সৌম্যর দিকে তাকাল। নাহ, কেউ তো নেই। কোনো লাগেজও নেই।

    সত্যিই, ওর নিজের ছোট ল্যাপটপের ব্যাগটা ছাড়া আর কোনো ব্যাগই নেই এখানে। চোখের ভুল? না না, তা নিশ্চয়ই নয়। নির্ঘাত কেউ ভুল কোচে উঠেছিল। পরে ঠিক জায়গায় চলে গেছে। তাও ভালো। আর কেউ না উঠলে বড়ো ছেলে শান্তনুকে এখানে ডেকে নেওয়া যাবে। একটু চেসও খেলা যাবে। সিটের ওপর পা তুলে বেশ আরাম করে কাগজটা খুলে বসল সৌম্য।

    পাটা ছড়িয়ে বসতে গিয়েই মনে হল কোনো একটা বই-এর ওপর পা দিয়ে বসেছে। কাগজটা সরিয়ে তাকাল সৌম্য। ডান পায়ের তলায় একটা লাল ডায়েরি—যেটা ওই লোকটা পড়ছিল। ফেলে গেল নাকি? নিছক কৌতূহলে ডায়েরিটা হাতে তুলে নিল সৌম্য। ডায়েরি ঠিক নয়—নোটবুক। কিন্তু মজার কথা হল কোনো পাতাতে কিছু লেখা নেই। দুই মলাটের মাঝে শুধু লাইনটানা ফাঁকা পাতা—এক বিন্দু পেনের দাগও পড়েনি কোথাও। আশ্চর্য! তাহলে লোকটা পড়ছিলটা কী?

    ডায়েরিটা পায়ের কাছে নামিয়ে রাখতে গিয়ে আবার থমকে গেল সৌম্য। পায়ের কাছের আলোটা জ্বলছে। তার তলায় ডায়েরিটা ধরতেই ডায়েরির ওপরে একটা সংখ্যা দেখা যাচ্ছে। রোমান হরফে ১৮০৪, আরে কী কো-ইন্সিডেন্স! ওটাই তো সৌম্যর জন্মদিন, ১৮ এপ্রিল। একবার এপাশ-ওপাশ তাকিয়ে নিল সৌম্য। নাহ, কেউ লক্ষ করছে না। উলটোদিকের যাত্রীরা পর্দা টেনে দিয়েছে, আর বেশ একটা লারেলাপ্পা হিন্দি গান শোনা যাচ্ছে ওদিক থেকে। তার সঙ্গে তারস্বরে গান জুড়েছে একটি মেয়ে।

    অর্থাৎ নিশ্চিন্তে আবার ডায়েরিটা দেখা যায়। টুক করে নিজের দিকের পরদা টেনে নিয়ে আলোর নীচে ডায়েরিটা ধরল সৌম্য। স্পষ্ট ১৮০৪ লেখা ওপরে। ডায়েরির প্রথম পাতা আর ফাঁকা নেই।

    তাতে ইংরেজিতে বড় বড় করে শুধু একটা লাইন লেখা, ‘তুমি কি নিজেকে ভুলে গেছ?’ অবাক হয়ে পাতা ওলটাল সৌম্য—পরের পাতা। আবার একটা লাইন—’তুমি আমাদেরই একজন সৌম্য।’

    এসির ঠান্ডা যেন আরো বেশি টের পাচ্ছে সৌম্য। একী, ওর নাম কেন ডায়েরিতে! পরের পাতা—আবার এক লাইন—’ওরা মানুষ, তুমি মানুষ নও।’ তার পরের পাতায় অনেক ছোট অক্ষরে অনেকগুলো লাইন—’তুমি আমাদের এক্সপেরিমেন্টের অংশ। আমরা জানতে চেয়েছিলাম যে এ-গ্রহ আমাদের বাসযোগ্য কিনা। এমনিতে অবশ্যই নয়। তাই আমরা আমাদের জিনে সামান্য পরিবর্তন এনে তোমাকে তৈরি করেছিলাম। তারপর নিয়ে এসেছিলাম এখানে। তা এক্সপেরিমেন্ট সফল। আমাদের জিনে সামান্য চেঞ্জ। ব্যস, আমরা এখানে বহাল তবিয়তে থাকতে পারব তোমার মতো। এখানে এত অক্সিজেনে দমবন্ধ হয়ে যাবে না।’

    পরের পাতায় আর কিছু না দেখে ডায়েরিটা আবার উলটে-পালটে দেখল সৌম্য। নাহ, আর কিছু নেই।

    ভয়ে গলা শুকিয়ে কাঠ হয়ে গেছে। এসব ভূতুড়ে কথার মানে কী? লেখাটা কি ঠিক? ও কি সত্যিই পৃথিবীর লোক না? সৌম্য কোনওকালেই পা মুড়ে বাবু হয়ে বসতে পারে না। অথচ একপায়ে দিব্যি আধঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকতে পারে। এটা কি সাধারণ মানুষ কোনওদিন করতে পারে?

    ‘তোমার ভাবনা ঠিক। তুমি অনেকদিক দিয়েই অন্যরকম,’ চমকে ওঠে সৌম্য। এত মন দিয়ে ডায়েরির পাতা ওলটাচ্ছিল যে খেয়ালই করেনি, কখন আবার সেই লোকটা পায়ের কাছে এসে বসেছে।

    ‘এই যে তুমি জিভ দিয়ে নাকের ডগা ছুঁতে পারো, ডানহাতের আঙুল দিয়ে পিঠের যে-কোনও অংশ ছুঁতে পারো, কিংবা লোকে আয়নায় কোনও লেখা যেরকম উলটোভাবে দেখে ঠিক সেরকমভাবে যে-কোনও কিছু লিখে ফেলতে পারো—সেগুলো কি সাধারণ মানুষের পক্ষে সম্ভব? কখনোই নয়। এই যে ভয় পেলে তোমার মাথার চুল খাড়া হয়ে যায়, শরীরের চামড়া হলদেটে হয়ে যায়, এই যে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে ঘুমিয়ে পড়া, এগুলোও মানুষের পক্ষে সম্ভব নয়।’

    সবই সত্যি। লোকটা স্পষ্ট বাংলায় মৃদু স্বরে বলে যাচ্ছে। নেহাৎ লাজুক বলে এ কথাগুলো কখনও কাউকে বলতে পারেনি সৌম্য। এ লোকটার তো কোনোভাবেই জানার কথা নয়। তাহলে কি ওকে পৃথিবী ছেড়ে নিজের গ্রহে ফেরাতেই এসেছে লোকটা?

    লোকটা বোধহয় থটরিডার। সঙ্গে সঙ্গে বলে উঠল—’না, তোমাকে পৃথিবী ছেড়ে যেতে হবে না, তুমি এখানেই থাকবে, আমাদের একমাত্র প্রতিনিধি হিসাবে। আমাদের গ্রহ আর বাসযোগ্য নেই।’

    সেকী! তাহলে তোমরা!’

    ‘আমরাও আর নেই। একটা সময়ে আমাদের গ্রহ মিল্কি ওয়ে গ্যালাক্সির সব থেকে উন্নত গ্রহ ছিল। তোমরা এখন যেমন, তার থেকেও কয়েক হাজার গুণ এগিয়ে ছিল, কিন্তু আমরা নিজেরাই নিজেদের ধ্বংস করে ফেললাম।’

    ‘কী করে?’

    ‘জলের অভাবে। বেহিসাবী হয়ে আমাদের গ্রহের সব জল আমরা শেষ করে ফেলেছিলাম। যে সামান্য জলটুকু পড়েছিল তা নিয়ে নিজেদের মধ্যে যুদ্ধবিগ্রহ শুরু হল। সে ভীষণ নিউক্লিয়ার ওয়ার। পরমাণু যুদ্ধ যখন থামল, তখন জলও নেই—প্রাণও নেই,’ লোকটা চুপ করে রইল মিনিট দুয়েক। তারপর বলে উঠল—’আর তাই তো তোমাকে সাবধান করতে এসেছি। তোমরাও যদি জলের ব্যাপারে সচেতন না হও, তোমাদেরও অবস্থা একই হতে চলেছে। আজ থেকে কুড়ি বছরের মধ্যে তোমাদের সব পানীয় জল শেষ হয়ে আসবে। জলের স্তর অনেক নেমে যাবে। চাষবাসের জন্যও কোনও জল অবশিষ্ট থাকবে না। আজ যেখানে ধানজমি দেখছ, সেখানে কাল থাকবে মরুভূমি। সামান্য যেটুকু জল থাকবে তা নিয়ে বাড়িতে বাড়িতে ঝগড়া হবে। রাজ্যে রাজ্যে নদীর জল ভাগাভাগি নিয়ে মারামারি হবে। দেশে দেশে যুদ্ধ হবে। যেসব দেশ খুব ধনী—তারাই কোনওমতে চালাতে পারবে। তা সেও বা কদ্দিন!’

    ‘তা আমি কী করব?’

    ‘সবাইকে বলো জল বাঁচাতে। যারা জল নষ্ট করবে তাদেরকে বোঝাবে। তুমি নিজেই তো প্রচুর জল নষ্ট করো।’ দেড়ঘণ্টা ধরে গান গেয়ে স্নান করো। গানটাও ভালো করো না। কলটাও ঠিকমতো বন্ধ করো না।’

    একটু লজ্জা পেল সৌম্য—’কিন্তু আমি, আমার কথা লোকে শুনবে কেন?’

    ‘হয়তো একদিনে শুনবে না, কিন্তু যখন দেখবে যে তুমি জল নষ্ট করো না, তোমার কথার মধ্যে যুক্তি আছে—তখন আস্তে আস্তে শুনবে। একজন-দুজন থেকে হাজার। হাজার থেকে লক্ষ লোক। তুমিই পারবে সে পরিবর্তন আনতে। তোমার হাত ধরেই পৃথিবী বাঁচবে।’

    ‘তা এটা বলতেই তুমি এসেছ এখানে?’

    ‘উ:হুঁ, আরেকটা কথা ছিল—অত গুরুত্বপূর্ণ নয়। পৃথিবীকে নিয়ে নয়, তোমাকে নিয়ে। তুমি উঠে গিয়ে উলটোদিকের চেনটা টেনে ট্রেন থামাও। সামনে রেলের লাইনে মাইন পোঁতা আছে। ব্লাস্টে ট্রেন উড়ে যাবে। আমরা চাই না আমাদের শেষ প্রতিনিধি আর তার পরিবার শেষে এক অ্যাক্সিডেন্টে হারিয়ে যাক।’

    সৌম্য অবাক হয়ে কয়েক সেকেন্ড বসে রইল। লোকটা ফের বলে উঠল—’কী বিশ্বাস হচ্ছে না? আর কিন্তু ঠিক এক মিনিট বাকি।’

    নাহ, লোকটার কথা অবিশ্বাস করার মতো নয়। এত কিছু যখন ঠিকঠাক বলেছে। লাফিয়ে উঠে পরদা সরিয়ে সৌম্য উলটোদিকে চলে গেল। বাঁ-দিকের উপরের বাঙ্কের একটু ওপরে চেনটা। চারদিকের সবাইকে হতবাক করে দিয়ে লাল হ্যান্ডেল ধরে মারল এক টান।

    ‘আরে ক্যা হুয়া—ক্যা হুয়া’ কাকের মতো চিৎকার করে উঠল বিশাল ভুঁড়িওয়ালা মাড়োয়ারি ভদ্রলোক।

    কোনও উত্তর না দিয়ে সৌম্য গট গট করে এসি কোচের বাইরের প্যাসেজে বেরিয়ে এল। সাধারণত এখানে সবসময় ট্রেনের একজন অ্যাটেন্ড্যান্ট থাকে, এখন নেই। খানিকক্ষণের মধ্যেই নিশ্চয়ই ট্রেনের লোকজন চলে আসবে। জিগ্যেস করবে কেন চেন টানা হয়েছে। কেন ট্রেন থামানো হয়েছে। তখনই কারণটা বলা যাবে। আপাতত এখানেই অপেক্ষা করা যাক।

    বেসিনে একটা বিশাল চেহারার মাস্তান টাইপের লোক হাত ধুচ্ছে। ধোয়ার পর দিব্যি কলটা খুলে রেখেই চলে যাচ্ছিল। সৌম্য তাকে আটকাল—’ভাই জল নষ্ট করতে নেই,’ বলে কলটা বন্ধ করে দিল। লোকটা ঠিক সহজে বোঝার মতো লোক নয়। জোর দেখানোর জন্যেই আবার ফিরে এল। কলটা জোর করে খুলতে গেল। কিন্তু এবার মজাটা হল। কলের জলটা নীচের দিকে না নেমে সোজা ওর জামার দিকে ছুটে এল। লোকটা ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে কোনওরকমে কল বন্ধ করল। কী ভাবল কে জানে! জোরে ঘুঁষি পাকিয়ে সৌম্যকে মারতে এল।

    ওই একটা ঘুঁষি সৌম্যর রোগাপাতলা চেহারায় পড়লে আর দেখতে হত না। কিন্তু পড়ল না, কারণ ঘুঁষিটা সৌম্যর মাথার ওপর দিয়ে চলে গেছে আর গিয়ে পড়েছে ট্রেনের বাথরুমের দরজায়। সৌম্য হঠাৎ উচ্চতায় প্রায় একফুট ছোট হয়ে গেছে।

    ‘উহু’, বলে লোকটা ওখানেই বসে পড়ে বাঁহাত দিয়ে ডানহাতটা চেপে ধরে কাতরাতে লাগল।

    ব্যাপারটাতে সৌম্য যতটুকু অবাক হয়েছিল, তার থেকেও অবাক হল, যখন দেখল যে ও আবার আস্তে আস্তে লম্বা হতে শুরু করেছে। এক মিনিটের মধ্যেই আবার আগের উচ্চতায় ফিরে এল সৌম্য।

    ট্রেনের ওই বিদেশি সহযাত্রী এতক্ষণে আবার সশরীরে এসে উপস্থিত। সৌম্যর পাশেই এসে দাঁড়িয়েছে। বলল—’এক্ষুনি লোকজন এসে পড়বে। বলে দিও ঠিক কুড়ি মিটার দূরে রেললাইনে মাইন পোঁতা। ওরা ঠিক খুঁজে পাবে। কী করে জানলে জিগ্যেস করলে আমার কথা বলো।’

    ‘আপনার কী পরিচয় দেব? কে বিশ্বাস করবে আমার কথা?’

    ‘হু, তা ঠিক, বলো ভূত। অ্যালিয়েন বললে—অন্য গ্রহ থেকে এসেছি বললে কেউ বিশ্বাস করবে না। ভূত বললে বিশ্বাস করবে। আর তা ছাড়া’, বলে বসে থাকা মাস্তান লোকটার কাঁদো কাঁদো মুখের দিকে তাকিয়ে বলল, ‘অ্যাই, আমি যে ভূত সে ব্যাপারে সাক্ষ্য দিতে পারবি?’

    কোনও সাড়া না পেয়ে ফের বলে উঠল, ‘তোর গোঁফটা ভারী বিচ্ছিরি। কীরকম গা ঘিনঘিন করছে,’ বলে মুখের সামনে হাত নাড়তেই গোঁফ ভ্যানিশ হয়ে গেল।

    সাধের গোঁফ হারিয়ে আর এসব ভূতের কীর্তি দেখে লোকটা ইতিমধ্যে ভেউ ভেউ করে কাঁদতে শুরু করেছে।

    ‘নাহ, গোঁফ সরানোটা ঠিক হয়নি। তোর মাথায় এত ঝাঁকড়া চুল এর সঙ্গে মানাচ্ছে না। চুলটা না থাকলে মানাতেও পারে,’ বলে মাথার দু-ইঞ্চি ওপর দিয়ে আরেকবার হাত বোলাল। মুহূর্তে লোকটার কায়দা করা চুল উধাও। চকচকে ন্যাড়া মাথা।

    ‘বাহ, এবার বেশ লাগছে। ভুরু না থাকলে আরও ভালো লাগবে।’ বলে কোনও কথা বলার সুযোগ না দিয়ে আরেকবার মুখের সামনে হাত নাড়াল। এবার ভুরুও উধাও।

    লোকটা এবার জ্ঞান হারিয়ে ট্রেনের মেঝেতে পড়ে গেল। দীর্ঘশ্বাস ফেলে অ্যালিয়েনটা বলল, ‘দেখলে এখন কেমন ফুটফুটে লাগছে একে। ওখানে আমার একটা সেলুন ছিল।’ অ্যালিয়েনটা এবার সৌম্যর দিকে এগিয়ে এসে বলল, ‘ওই সে সাক্ষীও পেয়ে গেলে! বলবে যে ভূত এসে তোমাকে ট্রেন থামাতে বলেছে। পৃথিবীর লোকেরা অ্যালিয়েন না মানলেও ভূতকে বেশ মান্যিগণ্যি করে। আর তা ছাড়া অ্যালিয়েন বললে প্রচুর হইচই শুরু হয়ে যাবে। তুমিও ধরা পড়ে যেতে পারো।’

    ‘কিন্তু আপনি তো অ্যালিয়েন—ভূত নন!’

    ‘অ্যালিয়েনও বটে, ভূতও বটে। অ্যালিয়েনরা মরলে কি আর ভূত হয় না, শুধু মানুষ মরলেই ভূত হয়? কত কমন সেন্সের অভাব দেখো। ভূত হলে তবেই তো এ গ্রহ থেকে ও গ্রহে যাওয়া এত সোজা—জলভাত হয়ে যায়, তাই না!’

    ‘কিন্তু—’

    ‘বললাম না? আমাদের গ্রহ আর নেই। গ্রহের সবাই মারা গেছে। আমিই বা বেঁচে থাকব কী করে? আমি হলাম অ্যালিয়েন মরে ভূত, বুঝলে?’

    একটু থেমে ফের বলে উঠল, ‘আর জলের কথাটা জলে ফেলো না।’ বলে লোকটা সৌম্যর হাঁ-করা মুখের হাঁ-টা আরেকটু বাড়িয়ে দরজার মধ্যে মিলিয়ে গেল।

    নাহ, এবার থেকে জ্যোতিষে বিশ্বাস করবে সৌম্য। আজকের দিনটা অন্য কোনও দিনের মতোই না। খুবই ইন্টারেস্টিং।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleহাউ টু টক টু এ্যানিওয়ান – লেইল লোনডেস
    Next Article বিদ্বান বনাম বিদুষী – প্রীতম বসু
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কাঞ্চন-মূল্য – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    April 23, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কাঞ্চন-মূল্য – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    April 23, 2026
    Our Picks

    কাঞ্চন-মূল্য – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    April 23, 2026

    শূন্য পথের মল্লিকা – স্মরণজিৎ চক্রবর্তী

    April 23, 2026

    মরণের আগে ও পরে – ইমাম গাজ্জালী (অনুবাদ : মাওলানা শাহ ওয়ালীউল্লাহ)

    April 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }