Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    নিমফুলের মধু – অমরেন্দ্র চক্রবর্তী

    April 25, 2026

    মন্দ মেয়ের উপাখ্যান – সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার

    April 25, 2026

    প্রফেসর সোম – কৌশিক সামন্ত

    April 25, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মন্দ মেয়ের উপাখ্যান – সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার

    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার এক পাতা গল্প713 Mins Read0
    ⤶

    নিজের সঙ্গে দেখা – তৃণাঞ্জন গঙ্গোপাধ্যায়

    কোনো একটা খারাপ কাজ করতে যাবার আগেই একজন ভালোলোকের সঙ্গে দেখা হয়ে যায় নন্দিতার। ডালহাউসি স্কোয়ারের ফ্যাকাশে আকাশ থেকে নেমে আসা এপ্রিলের ঠাটাপোড়া রোদ সানগ্লাসকে মানছিল না। কোনো রকমে রোদের আঁচ এড়াতে টেলিফোন ভবনের টুকরো ছায়ায় মুখটা লুকিয়ে রেখেছিল। তবুও একটা অদ্ভুত হল্কা যেন কলকাতার বুক থেকে উঠে এসে ঝাপটা মারছিল নন্দিতার মুখে। এ-রকম গরমের মধ্যে রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকাটা অসহ্য। নন্দিতার নরম কপাল পুতির মতো ঘামের বিন্দুতে সন্দীপদার প্রতি শুধু রাগ জমছিল। এতোই যখন তার প্রতি মোহ, অকারণে লজ্জা দেখানোর মানেটা কি! সে বেরিয়ে আসার পরে এক-অফিস লোকজনের সামনে দিয়ে নাকি সন্দীপদার বেরুতে খুব লজ্জা করে। এই ধরনের মানুষেরা চাকরির ক্ষেত্রে কী করে যে ওপরে ওঠে নন্দিতা বুঝতে পারে না। পাঁচ বছর ডালহাউসি পাড়ায় চাকরি করতে এসে বুঝে ফেলেছে চরিত্র নিয়ে মিনমিনে স্বভাব থাকলে আর যাই হোক ওপরে ওঠা কষ্টের। তার অফিস বে-সরকারি। এখানে উন্নতি-অবনতি কোনো সরলরেখা ধরে হয় না। তার এমন কোনও যোগ্যতাও নেই যে অফিস থেকে আলাদা গুরুত্ব দেবে, খাতির করবে। টাইপ আজকাল মাধ্যমিক পরীক্ষা দিয়েই ছেলেমেয়েরা শিখতে শুরু করে। সন্দীপদার ঘরে টাইপ মেসিনের সামনে তার চেয়ারটা ফাঁকা হলে কোম্পানি তার থেকে বেশি স্পিডের কোনো টাইপিস্টকে পাবে এটা নন্দিতা জানে। আর এর সঙ্গে এটাও সে জানে তাকে জুনিয়র টাইপিস্ট থেকে সিনিয়র টাইপিস্ট হয়ে হেড টাইপিস্ট হতে হবে। তখন সে প্রায় পিএ-র স্কেল ছুঁয়ে ফেলবে। এবং ওই জায়গায় পৌঁছনোর জন্যে তার যা যা দরকার সবকিছুই আছে। একত্রিশ বছর পার করেও ডালহাউসির ফুটপাত ধরে সে যখন হেঁটে যায় চারপাশের দ্রুত চলমান জীবনের ওপর থেকে ভেসে আসা গোপন দৃষ্টির দিকে না তাকিয়েও বুঝতে পারে এই পৃথিবী থেকে এখনও অনেক কিছু তার অর্জন করা বাকি আছে, এবং সে অর্জন করে নিতে পারবে। তার কোমরের প্রান্তরেখার রহস্যপূর্ণ শাড়ির ভাঁজ দেখলে বোঝা যায় সে আত্মবিশ্বাসী।

    সন্দীপদার অফিস থেকে পরে বেরনোর ব্যাপারটা তাই নন্দিতা মানতে পারে না। ডালহাউসি পাড়ায় অনেক লেডি অ্যাসিসটেন্টের প্রমোশন কী করে হয় তা তো এ-পাড়ায় চায়ের দোকান স্ন্যাকসবারের লোকেরাও জানে। বরঞ্চ এইভাবে বাসস্টপে একা একা দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকা খুব বাজে। অফিসপাড়ার লোকজনদের নিয়ে তার কোন মাথাব্যথা নেই। আত্মীয়স্বজন বা পাড়া পরিচিত কিংবা পুরোনো বন্ধুবান্ধবদের কেউ যদি দেখে ফেলে! অফিস সামলে একসময় বাড়িতেই তো ফেরা। পাড়া প্রতিবেশীরা তাকে খুব সম্মান করুক এ রকম কোনো আকাঙক্ষা তার নেই। তাদের অনেককেই চোখের গভীর দিয়ে সে চিনেছে। সুযোগ নেই বলেই সন্দীপদা হতে তাদের আপত্তি। কিন্তু তার অফিসের ব্যাপার ব্যক্তিগত জীবনে ঢুকবে কেন! তাহলে কোথায় তার অফিসিয়ালিটি বুদ্ধির দৌড়।

    সন্দীপ এতোসব সমস্যা বোঝে না। কারণ সমস্যাগুলো তার নেই। সে গাড়ি ব্যবহার করে ও চলাফেরা করে অত্যন্ত দ্রুত। মুখে কিছুটা রোদ এসে পড়লেও নন্দিতা একটু পিছনে সরে এল। যাতে বাসস্টপে সামনেই যারা দাঁড়িয়ে আছে হঠাৎ করে ঘাড় ঘোরালেই তাকে যেন দেখে না ফেলে। সামনে দু-তিনজনের ঘাড়ের ইউয়ের ভিতর দিয়ে দেখতে পেল গায়েত্রী এখনো দাঁড়িয়ে। মাঝে মাঝে ওপরে চোখ তুলে বাসের নম্বর দেখছে। মেয়েটা এত ভালো যে চোখে চোখ পড়লেই কথা বলবে। লেখাপড়ায় রীতিমত ভালো ছিল। হায়ার সেকেন্ডারিতে লেটার পেয়েছিল ফিলজফি আর ইতিহাসে। ডিগ্রিতে ভর্তি হয়ে মাস ছয়েক ক্লাস করে সেই যে কোথায় মিলিয়ে গেল কেউ কোনো খোঁজ পেল না। সময় একদিন মানুষকে গল্প করে দেয়। গায়েত্রীর গল্প একদিন অফিস ফেরতা মিনিবাসে মল্লিকা শোনাল। গায়েত্রীর বড়দি-র বিয়ের বছরখানেক বাদে ওর বাবার স্ট্রোক হয়েছিল। হাতপাতাল অবধি নিয়ে যাওয়া যায়নি। ছোটো যে ইলেকট্রিকের দোকানটা ছিল গায়েত্রীর কাকারা নিয়ে নিয়েছে। জামাইবাবুই এখন ওদের সংসার টানে।

    জীবন আসলে ফুটপাতের ফাটলে সামান্য সবুজের মধ্যে ফেলে যাওয়া একটা বীজ। সবরকম অবহেলা সহ্য করেও একদিন শাখাপ্রশাখা ছড়ানো একটা গাছ হয়ে ওঠে। নন্দিতা ভেবেছিল গায়েত্রীর সঙ্গে বোধহয় আর কোনোদিনই দেখা হবে না। ঠিক সেদিনই শ্যামবাজার মোড়ে দেখা হয়ে গেল। ট্রামের জন্য অপেক্ষা করছিল। চোখে চোখ পড়তেই একগাল হাসি। এগিয়ে এসে, কতদিন পর বলতো! কেমন আছিস…, কী করছিস এখন…

    নন্দিতার পাল্টা প্রশ্ন—তুই—

    পাড়ার নার্সারি স্কুলে।

    নার্সারি, অত ভালো রেজাল্ট নিয়ে!

    নন্দিতার বিস্মিত প্রশ্নে গায়েত্রী ঝরাপাতার মতো ঠোঁট দুটোতে প্রাণপণ একটা সবুজের ভাব এনে বলেছিল, এটা যে পাবো তাই-ই ভাবিনি—

    নন্দিতা কোনো উত্তর দিতে পারেনি। কারণ সেই মুহূর্তে এসপ্ল্যানেডের বাস তার কাছে জরুরি ছিল। সন্দীপদার চেয়ারে আগে যিনি বসতেন—রণিতদা, তার ছিল উলটো স্বভাব। অফিস থেকে তার আগেই বেরিয়ে পড়ত। ওয়াটারলু ম্যানসানে সেই অ্যাঙলো ইন্ডিয়ান বুড়োর ঘরে নিয়ে গিয়ে প্রথমদিনেই ঘরের দরজা বন্ধ করে দিয়েছিল মুহূর্তের মধ্যে। সেই ঘরের খাট-বিছানা আলনা আয়না সিলিঙের দিকে তাকালে কেউ বুঝবে না এ-ঘর ভাড়ায় পাওয়া যায়। সেই ঘরে লেগেছিল ঘরের গন্ধ, গৃহস্থলীর ছবি। যেমন নন্দিতার কুঞ্চিত চুলের গভীরে বেড়ে ওঠা সিঁথি থেকে হেঁটে চলার ছন্দে মিশে আছে গার্হস্থ্য। কেউ কি তার অন্তঃপুরে প্রবেশ না করে বলতে পারবে তাকেও এই ঘরের মতো পাওয়া যায় সন্ধ্যের পরে কয়েক ঘন্টার জন্য! ঘর ও নন্দিতা, ইঁট-বালি আর রক্ত মাংস কি তাহলে এক হয়ে গেল! হয়। রক্তকণা কঠিন হয়ে বালুকণা হয় ডালহাউসিতে, কিন্তু তার জন্যে তোমাদের কোনো কষ্ট নেই! সহানুভূতি নেই। আছে শুধু উল্লাস, রসনার তৃপ্তি। কোনোরকম ভূমিকা ছাড়াই ঘরের দরজা বন্ধ করায় রণিতদার ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেছিল নন্দিতা। মনে করে কি! বাজারের আলু-পেঁপে! প্রমোশনের রাস্তাটা মসৃণ রাখার জন্যে যেটুকু দেবার সেটুকু দেবেই। সে আপনার আগে যে এসেছেন তাকে দিয়েছি, আপনার পরে যিনি আসবেন তাকেও দেব। ভাঙার জন্যে যে তৈরি হয়ে এসেছে তাকে ভাঙার জন্যে তৎপর হতে হয় আপনাকে! আপনার নাম মানুষ!

    কিন্তু শেষ পর্যন্ত রণিতদার ওপর থেকে রাগটা চলে গিয়েছিল নন্দিতার। কারণ মানুষটার হ্যাঁঙলাম লাভ ছাড়া আর ক্ষতি করেনি। খুব অল্পদিনের মধ্যে দুটো স্পেশাল ইনক্রিমেন্ট পাইয়ে দিয়েছিলেন। হ্যাঙলামটা না থাকলে হয়ত ব্যাপারটা এত দ্রুত হয়ে উঠত না।

    গায়েত্রীর বাস এখনও আসেনি। নন্দিতা দেখল দূরের দিকে চোখ তুলে বাসের নম্বর দেখার চেষ্টা করছে। সামনেটা এখন অনেক ফাঁকা। দু-চারজন করে বাসে উঠে পড়েছে। এই মুহূর্তে হঠাৎ করে ঘাড় ঘোরালে গায়েত্রী তাকে দেখে ফেলতে পারে। নন্দিতা আরেকটু পিছনে সরে এল। কিন্তু কতটা, আর কতটা সরবে। পিছনে টেলিফোন ভবনের দেয়াল। অরগ্যান্ডির আঁচল ঘামে সেপটে গেছে পিঠের সঙ্গে। গলার ভিতরটা শুকিয়ে কীরকম কাঠ। নন্দিতা বুঝতে পারছিল আর বেশিক্ষণ সে এভাবে দাঁড়িয়ে থাকতে পারবে না। গায়েত্রী প্লিজ, প্লিজ তুই চলে যা, যে বাসের জন্যে দাঁড়িয়ে আছিস সেটা না এলে অন্য কোনো বাসে তুই উঠে পড়, অন্য কোনোদিকে চলে যা, আমি জানি তোর দিক ভুল হবে না, তুই ঠিক তোর জায়গায় পৌঁছে যাবি, না হলে এত ভালো রেজাল্ট করে সামান্য একটা নার্সারি স্কুলের চাকরি নিয়ে সুখে স্বস্তিতে আছিস কী করে! মনে পড়ে শ্যামবাজারে দেখা হওয়ার দিন কী স্বাভাবিক স্বরে তুই তোর চাকরির কথাটা জানিয়ে ছিলিস! আমি হলে পালিয়ে যেতাম, বিশ্বাস কর। চাকরি কেন? আমার থেকে মাত্র একটা গ্রেড ওপরে থাকা অফিসের কোনো লোকজনকে অফিসের বাইরে দেখতে পেলে চোখের দিকে তাকাতে পারি না জানিস! তুই চলে যা গায়েত্রী, দোহাই চলে যা…। বিশাল কোন গাছের নীচে দাঁড়িয়ে ওপরে চোখ তুলে তাকালে দেখবি তখন আকাশ চোখে ধরা দেয় না, সবুজে হারিয়ে যায়, তখন পৃথিবীতে কোনো ফুলের গন্ধ নেই—শুধু মনে হয় একটা মাটির ঢিল হয়ে আছিস—খুব ছোটো, খুব ক্ষুদ্র…আমার এ-রকম কাজের মুহূর্তে তোদের এই চোখের সামনে এসে দাঁড়িয়ে পড়া আমাকে খুন করে ফেলে রে…

    নন্দিতা যখন বুঝতে পারছিল দাঁড়িয়ে থাকা আর সম্ভব নয় তখনই ওল্ডকোর্ট হাউস স্ট্রিটের ওপর দিয়ে এপ্রিলের এই আগুন দুপুরেও এক চিলতে হাওয়া হারিয়ে যাওয়া বসন্তের মতো ছুঁয়ে গেল তার চিবুক। ফুটপাতের ধার ঘেসে গায়েত্রীর সামনে এসে থামল শ্যাওলা রঙের একটা এম এল ভেসপা স্কুটার। সামনে বসা হেলমেট পরা মানুষটিকে খুব চেনা মনে হল নন্দিতার। সন্দীপদার মুখের সঙ্গেই কি মিল আছে। হবে হয়ত। হেলমেট পরা অবস্থায় সমস্ত মানুষকে কেন জানেনা এরকম লাগে। স্কুটারে উঠে বসে গায়েত্রী ভদ্রলোকের কাঁধের ওপর দিয়ে ধরে বসল। মেয়েদের এই আচরণ নন্দিতা জানে, এর নাম নিরাপত্তা, এই জড়িয়ে ধরার নাম অবলম্বন। গায়েত্রী তাহলে এতোদিনে জায়গা খুঁজে পেল। সন্দীপদার গাড়ির হর্নে নন্দিতার খেয়াল ফিরে এল দ্রুতগতির জীবনের মাঝখানে। স্ট্র্যান্ড রোডের মুখে টার্ন নেবার সময় ট্রামলাইনের ওপরে উঠে থাকা একটা পাথরে চাকাটা ঠোক্কর খেয়ে গাড়িটা সামান্য দুলে উঠল। অন্যদিন এ মুহূর্তে নন্দিতার নাকের পাশে একটা বিরক্তির ভাঁজ উঠত, গাড়িতে বসে বসে কলকাতার রাস্তাঘাট নাড়ি নক্ষত্রের মতো সে জেনে ফেলেছে। রাস্তাগুলোর চামরা ফুঁড়ে শুধু পাথর বেরিয়ে আছে সারা শহরে। অথচ রেড রোডে উঠে আসতে জীবন মসৃণ। গঙ্গার ওপর থেকে একটা মৃদু হাওয়া ভেসে আসছিল। আজ অনেকদিন পরে ক্লান্তি আর ঘামে ভিজে যাওয়া গ্লানিময় বুকের নীচে সরু সুতোর মতো একটা সুখ যেন খেলছিল। পরিচিত ভালোলোকেরা যদি জীবনে একটা স্থায়ী সুন্দর জায়গা পেয়ে যায় বিশ্বাস করতে ইচ্ছে করে না। কলকাতার সব রাস্তাতেই ট্রামলাইনের বুক ফুঁড়ে পাথর উঁচু হয়ে আছে, তখন জীবনের একমাত্র সত্য রেড রোড। নন্দিতা উইন্ড স্ক্রিনের মধ্যে দিয়ে অন্যমনস্ক চোখে শ্যাওলা রঙের স্কুটারটাকে খোঁজার চেষ্টা করছিল।

    সন্দীপদা মানুষটা সম্পর্ক নিয়ে খেলতে জানে। অহেতুক আবেগ দেখায় না, নিজেকে সৎ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করে না। যেটা চাওয়ার সেটা সরাসরিই চায়, কিন্তু সেই চাওয়ার মধ্যে কোথাও হামলে পড়া ভাব থাকে না, থাকে একটা সুরবোধ। তাই যেদিন আসতে দেরি হয়, নন্দিতা বাসস্টপে অপেক্ষা করতে করতে আগুন হয়, সেদিন দেরি করার কারণ নিয়ে হাজার গল্প বলার চেষ্টা করে না, একটি বারের জন্যেও প্রমাণ করার চেষ্টা করে না যে সে সত্যি চেষ্টা করেছিল অফিস থেকে তাড়াতাড়ি বেরনোর। সেদিন খুব সঙ্গোপনে নন্দিতা অনুভব করে মানুষটার সম্পর্কের খেলা। সেদিন নন্দিতার তৃষ্ণা পেলে কোল্ডড্রিঙ্কস আসে না। সরভাসা গোলাপজলের গন্ধে ভেজা লস্যির গ্লাস এগিয়ে আসে, কোনো পানের দোকানের সামনে সন্দীপদার গাড়িটা না থেমে ঠিক র্যালিসের সামনে এসে থামে। ক্ষিদে পেলে সেদিন বাবুঘাটের গ্যে-তে মুখোমুখি চেয়ারে বসে না তারা। সেদিন ঝাউতলার এই চাইনিজ রেঁস্তোরায় সন্দীপদা তার হাত দুটো আপনমানুষের মতো তুলে আনে নিজের হাতের গভীরে। এ-রেঁস্তোরায় খাবারের দাম বেশি, সময়ের দাম অনেক। বিল দিয়ে যাওয়ার পরে আধঘন্টা বসে থাকলেও বেয়ারা চোখের সামনে ঘোরাফেরা করে না। ভিড়-ভাট্টার রেঁস্তোরায় কাজের কথাগুলো খুব দ্রুত ও সরাসরি বাক্যে সারতে হয়। নন্দিতা সেই মুহূর্তগুলোতে টুকরো টুকরো হয়ে ভেঙে যায়। সে দেখে আশেপাশের লোকজন দু-চোখ দিয়ে তাকে দেখে। চোখ দিয়ে তারা নন্দিতার চোখ দেখে না, চোখের থেকে তাদের চোখ আরও নীচে নামতে থাকে।

    ঠান্ডা রেঁস্তোরার ভিতর বসেও একসময় উত্তেজনায় টানটান হয়ে গেল নন্দিতা। এখানেও গায়েত্রী। তার বিরুদ্ধে কি কোনো চক্রান্ত শুরু হয়েছে পৃথিবীতে। শ্যাওলা রঙের সবুজ স্কুটারটার স্টার্ট বন্ধ হয়ে গেছে। গায়েত্রী আর ওর সঙ্গের মানুষটি এগিয়ে আসছে। হেলমেট নামিয়ে ফেলেছেন ভদ্রলোক। নন্দিতার যেন দুপুরের থেকেও আরও চেনাচেনা মনে হল মানুষটিকে। গায়েত্রীর দুহাতে দুলছে দুটো দুটো ঢাউস পলিপ্যাক। সপিং করেছে খুব। সন্দীপদা গোয়ায় বেড়াতে যাওয়ার ব্যাপার নিয়ে কি যেন বলছিল। কোন হোটেলে থাকতে চাও? নন্দিতা যেন কিছু শুনতে পাচ্ছিল না। সন্দীপদার কথাগুলো যেন কোনো দূরলোক থেকে ভেসে আসছে। বলতে পারছিল না কোথাও নয়, কোথাও যেতে চাই না, শুধু পালাতে চাই…ভালোমেয়েটা এখানেও ঢুকে পড়েছে…। বাঁচতে চাইলেই বাঁচা যায় না কলকাতায়। ভিড়ভাট্টাহীন কোনো রাস্তায় একজন খুনিমানুষ যদি হেঁটে যায় এই শহরে তবে হয়ত অনেকেরই চোখে পড়বে না। কিন্তু অন্ধকার রেঁস্তোরার এককোণে সঙ্গোপনে বসে থাকা নন্দিতার চোখের ওপরে গায়েত্রীর চোখ গিয়ে পড়ল সঠিক। সঙ্গের ভদ্রলোককে পিছনে রেখে টেবিলের সামনে এসে বলল, তুই!

    নন্দিতা বলল, বোস…

    সঙ্গের ভদ্রলোক পিছনের টেবিলে বসে পড়েছেন। গায়েত্রী হাতের প্যাকেট দুটো ওই টেবিলে নামিয়ে রেখে মানুষটির কানে কানে কী যেন বলে নিল। হাসিটা কিন্তু ঠোঁট থেকে মুছল না।

    নন্দিতার টেবিলে ফিরে এসে বলল, এদিকে? কোথায়?

    একটু অফিসের কাজে এসেছিলাম রে—

    অফিস…! তোদের ইনডাসট্রিয়াল হেভি অ্যাসিড না কিসের যেন কনসার্ন…

    এখন বাড়িতে ব্যবহার করারও তৈরি হচ্ছে, তারই মার্কেট সার্ভে—

    তুই তো অফিস অ্যাসিসটেন্টের কাজ করিস, বাইরের কাজ পারবি…

    কোম্পানি বলছে এ-ব্যাপারেও নাকি আমি এফিসিয়েন্ট, এখন কর্তাদের মর্জি হলে কী করার আছে বল…। নন্দিতা দু-চোখে হাসি রেখে সন্দীপদার দিকে তাকায়।

    গায়েত্রী আঁচল দিয়ে কপালের ঘাম মুছে নেয়, আপনারা মেয়েদের কি মনে করেন বলুন তো, ছাদের নীচে খাটাবেন ছাদের বাইরেও বের করে আনবেন, ঘরে-বাইরে সব এক করে দিলেন…

    নন্দিতা লক্ষ করছিল গায়েত্রীর কথায় সন্দীপদার মুখের স্মার্টনেস হারিয়ে যাচ্ছে। আপ্রাণ সামলে নেবার জন্য বলল, তো তোর কাজের জায়গা তো পাড়ার স্কুল, তুই ঠাটা রোদে টোটো করতে বেরিয়েছিস কী জন্যে!

    আমি বাবা কোনো কাজে নই, একদম বেড়াতে বেরিয়েছি…

    এই গরমের মধ্যে!

    গরম আমার লাগতে পারে, তোমার লাগতে পারে, কিন্তু পল্লবদার নেই, ও কিছুতেই শুনতে চায় না…

    গায়েত্রী কথার মাঝেই পিছনের টেবিলের মানুষটির দিকে আড়চোখে তাকাল। সেই তাকানোয় হাসি ছিল, অথচ নন্দিতা দেখল ভয়।

    ও! তোদের সঙ্গে তো আলাপই করান হয়নি, এই এদিকে এস না…

    ভদ্রলোক উঠে আসার সময় একটা প্যাকেট ফেলে রেখে এসেছিলেন।

    গায়েত্রী হাতের দিকে তাকিয়ে বলল, দিদিরটা আনলে না…

    নন্দিতা কোনো এক অজ্ঞাত ভয়ে যেন কেঁপে উঠল। অথচ ভয়টা সমস্ত শরীরে চালিত হওয়ার আগেই অন্য এক বিস্ময় তাকে থামিয়ে দিল। পল্লব ফেলে আসা প্যাকেটটা নিয়ে এসে টেবিলে বসতেই সন্দীপ বলল, ইউ শোয়াইন! এতোদিন ডুব মেরে ছিলিস কোথায়! তোর জন্যে ক্লাবে জবাবদিহি করতে করতে শালা আমার মুখ ব্যথা হয়ে গেল। বিকাশদা, দত্তদা তোর খোঁজ করে করে মাথা খেয়ে ফেলল….

    নন্দিতা দেখল সন্দীপদা পল্লবের হাতটা মুঠোর মধ্যে চেপে ধরেছে। এতোটা আবেগ মানুষটা সহজে প্রকাশ করে না। নন্দিতা বুঝতে পারছিল সন্দীপদার জীবনের খুব গোপনতম কাজে মানুষটি পাশাপাশি ছিল।

    গায়েত্রী বলল, তোমারো দুজন দুজনকে চেনো! পল্লব কোনো কথা না বলে সরু করে হাসল সন্দীপের চোখে চোখ রেখে।

    সন্দীপ বলল, কি খবর বলতো, ডুব মেরে আছিস কোথায়!

    ডুব মেরে নয় বস, নতুন প্রোজেক্ট, অনেক ঝামেলা। এখন তো কলকাতায় নেই, নীলগঞ্জে…

    নীলগঞ্জে! কবে থেকে!

    মাস খানেক, ইট ভাটা করেছি—

    লোহার ব্যবসা বন্ধ—

    বন্ধ হবে কেন, ওটা যেমন চলছে চলছে… এটা স্টার্ট করলাম।

    তাই বলে ক্লাবের আড্ডায় একদম ফাঁকি….

    ফাঁকি নয় রে, সময় পাচ্ছি না—

    দিব্যি তো দুপুরবেলায় ঘুরতে বেরিয়েছিস, এর বেলায় খুব সময় পাস…

    নন্দিতা দেখল সন্দীপদা কথাগুলো পল্লবকে বললেও চোখ দুটো কৌতূহলে আটকে আছে গায়েত্রীর গলার চেনে।

    পল্লব গায়েত্রীর কানের পাশে উড়ে থাকা দু-একটা চুলের দিকে তাকিয়ে বলল, ওর সঙ্গে তো তোর আলাপ নেই, গায়েত্রী বোস…।

    নন্দিতা ভেবেছিল গায়েত্রীর আলাপ পর্বে আরও দু-একটি কথা থাকবে। গায়েত্রীর সঙ্গে পল্লবের সম্পর্কের একটা নাম আছে। সেটা আসবে। অথচ এল না। সন্দীপ আলাপ করিয়ে দিল নন্দিতাকে। সেই একই ঢঙে। ব্যাপারটা যেন অফিসিয়াল চিঠির গঁদ—সেম টু বি ডেলিভারড অ্যাজ মেনশানড অ্যাভাব…। নন্দিতার বুক থেকে গলার দিকে এক ভরা চৈত্র মাস উঠে আসছিল। ফটফটে আকাশ থেকে হঠাৎ যেন বাজ পড়েছে থিকথিকে সবুজে ভরা এক বিশাল গাছের ওপরে। আর গাছের নীচে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষটি বিস্ময়ে দেখছে দেশলাই কাঠির মতো পুড়তে পুড়তে গাছটা একসময় মানুষটার থেকেও ছোটো হয়ে যাচ্ছে।

    সন্দীপ বলল, একদিন আগে থেকে সময় করে আমার বারাসাতের বাগান বাড়িতে চলে আয়, বউকে নিয়ে অনেকবার বাড়িতে আসতে বলেছি, আসিসনি, ওখানে চলে আয়, সারাদিন থাকা যাবে, বাড়িতে আসার থেকে অনেক বেশি চার্মিং, গায়েত্রীর দিকে চোখ ফিরিয়ে বলল, আপনারও নেমতন্ন রইল…

    পল্লব গার্লিক প্রণের টুকরো মুখে ফেলে বলল, নেমতন্ন থাকলে কী হবে? অতো দূর যাওয়া সম্ভব, তাও কলকাতায় থাকলে নয় হত…

    কেন! অসুবিধার কী আছে, স্কুটারে চলে আসবি, রাজারহাট হয়ে ভি আই পি রোডে উঠবি, এয়ারপোর্ট দু-নম্বর গেট হয়ে যশোর রোড ধরে শাঁ…

    শেষ শব্দটায় যেন আলোর থেকেও বেশি গতি ছিল। সন্দীপের ঠোঁট কাঁপল। পারলে ওদের আজ এখনই বারাসাত নিয়ে যায়। নন্দিতার ভিতর অস্থিরতায় মুচড়ে উঠছিল।

    পল্লব বলল, তুমি তো শাঁ বলে দিয়েই খালাশ, অতোটা রাস্তা কতো তেল পুড়বে বলতো, এমনিতেই এক, দেড় যায় রোজ…

    সন্দীপ হাসে। এক। দেড়। আমার কত যায় বলতো, অফিস থেকে রোজই বেরই, তারপরে ওকে সল্টলেকে ছাড়তে হয়, সেখান থেকে ব্রহ্মপুর। আমার তো আড়াই-র কমে হয় না…

    নন্দিতা এসব কথায় খুব একটা অবাক হচ্ছিল না। এক অন্তলীন বিস্ময়ে শুধু দেখছিল গায়েত্রীকে। ওর চোখে কোথাও ব্যথার ছায়া নেই। এত সুন্দরভাবে বাঁচতে শিখে গেছে গায়েত্রী। আগে কলকাতার একটা সীমা-পরিসীমা ছিল। লোকে গল্প করে বলত ফ্রি স্কুল স্ট্রিট, দর্জিপাড়ার ঐসব জায়গাগুলো নাকি ভদ্রলোকদের নয়। আজ একটার সঙ্গে আরেকটা ধাক্কা খেয়ে ছিটকে ছাটকে কোথায় যেন চলে যাচ্ছে, সল্টলেক ধাক্কা খেতে খেতে শ্যামবাজারে… শ্যামবাজারটা ব্রহ্মপুরে… ব্রহ্মপুরটা হয়ত বারাসাতে, আবার কোনোদিন হয়ত দেখবে বারাসাতটা শ্যামবাজারে চলে এসেছে…

    খাওয়ার শেষে কাজের তাড়া দিয়ে ওরা চলে গেল। সন্দীপ বাইরে ওদের ছাড়তে গিয়েছিল, ফিরে এসে বলল আমাদের মতো ব্যাপার, কিন্তু পল্লব বুদ্ধি করে এমন জায়গায় শেকড় গেঁড়েছে কেউ কোনোদিন সন্দেহ করবে না, নিজের শালি, গায়েত্রীও নাকি দারুণ রেসপন্স করে, বলেছে বিয়ে করবে না…

    সন্দীপের কথাগুলি এপ্রিল মাস হয়ে বয়ে যাচ্ছিল নন্দিতার শ্রবণের গভীরে। সে বলতে পারছিল না—জানি জানি সব জানি, রেঁস্তোরার ভিতর ঢুকে আসার মুহূর্তেই তো পল্লবকে চিনতে পেরেছি, ওর দিদির বিয়ের ফটো কি কলেজে পড়ার সময় দেখিনি, কিন্তু জানতাম না দূরত্বটা এতো কম, এতো কাছাকাছি এসে গেছে পৃথিবী দুটো… কোথাও দেড় লিটার কোথাও আড়াই…

    ⤶
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপ্রফেসর সোম – কৌশিক সামন্ত
    Next Article নিমফুলের মধু – অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    নিমফুলের মধু – অমরেন্দ্র চক্রবর্তী

    April 25, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    নিমফুলের মধু – অমরেন্দ্র চক্রবর্তী

    April 25, 2026
    Our Picks

    নিমফুলের মধু – অমরেন্দ্র চক্রবর্তী

    April 25, 2026

    মন্দ মেয়ের উপাখ্যান – সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার

    April 25, 2026

    প্রফেসর সোম – কৌশিক সামন্ত

    April 25, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }