Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026

    শ্মশানকোকিলের ডাক – সৌভিক চক্রবর্তী

    May 1, 2026

    এসো না অসময়ে – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    হযরত ওমর – আবদুল মওদুদ

    লেখক এক পাতা গল্প288 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ইরাক-আযম বিজয় (দ্বিতীয় পর্যায়)

    ওমরের রাজনীতি ছিল বিজয়-অভিযান ইরাক ও সিরিয়া সীমান্তেই রোধ করা এবং আরও অগ্রসর না হওয়া। এভাবে কেবল আরবীভাষীদের নিয়েই এক অখণ্ড আরব রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠা করা। তাঁর এ নীতির পরিচয় মেলে একটি স্মরণীয় উক্তি থেকে মাদায়েনের যুদ্ধের পর সা’দ বিন-ওক্কাস যখন পর্বতমালার অপরদিকে অভিযান করার অনুমতি ভিক্ষা করেন, তখন ওমর আক্ষেপ জানিয়ে বলেছিলেন: যদি আমাদের ও পারসিকদের মধ্যে একটা আগুনের পাহাড় বিদ্যমান থাকতো, তা হলে তারা আমাদের এলাকা আক্রমণ করতে পারতো না, আর আমরাও তাদের এলাকায় হামলা চালাতেম না। আমাদের পক্ষে মরুর সম্পদই যথেষ্ট। আমার নিকট মুসলিমদের নিরাপত্তা মালে- গনিমতের চেয়ে বেশি কাম্য। ওমর এই নীতিই অনুসরণ করতে চেষ্টা করতেন। প্রকৃত সত্য এই যে, ইসলামী রাষ্ট্রনীতির এই ছিল মৌল ভিত্তি। রসূলে আকরমেরও প্রথম ইচ্ছা ছিল, জাজিরাতুল-আরব ও সীমান্ত এতোখানি নিরাপদ ও সবল হয়ে ওঠে যে, পারসিক বা রোম সাম্রাজ্য তার উপর হামলা না চালাতে পারে। তিনি আরও ইচ্ছা করতেন, যেন কিরা ও সীজার এবং মিসর, সিরিয়া ও ইরাকের শাসকরা সংগ্রাম-সংঘাত ব্যতিরেকেই ইসলামের বাণী স্বীকার করে নেয়। আবুবকরেরও এই ছিল প্রথম রাজনীতি। প্রথম খলিফা হিসেবে যখন আঁ-হযরতের নির্দেশ অনুযায়ী রোমকদের সঙ্গে যুদ্ধ করতে ওসামার নেতৃত্বে সিরিয়া সীমান্তে পাঠানো হয়, মুসান্না সায়েবানী যখন ইরাক অভিযানে অগ্রসর হন এবং খালিদ-বিন ওলিদ তাঁর সাহায্যার্থে অগ্রসর হয়ে পারসিকদের উপর জয়লাভ করেন, কিংবা তার পরে সিরিয়ার যখন ইসলামের বিজয়কেতন উড়ানো হয়, তখন আবুবকর বা ওমরের এমন ইচ্ছা ছিল না যে, সিরিয়া বা ইরাকের বহিঃস্থ অঞ্চলে মুসলিম অভিযান চালানো যাবে।

    কিন্তু অনেক সময় ঘটনাচক্রে এমন হয়ে ওঠে এবং পরিবেশ এমন রূপ ধারণ করে, যখন মানুষের ইচ্ছার উপর জোর থাকে না এবং রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা ও অখণ্ডতা রক্ষার্থে রাজনীতির পরিবর্তন অনিবার্য হয়ে পড়ে। ঠিক এমনই পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছিল পারসিকদের আচরণে। তাদের অস্থিরতা ও সমরপ্রবণতা কিছুতেই দমিত হচ্ছিল না। বারে বারে তারা সৈন্য সংগ্রহ করে যুদ্ধ করেছে, বারে বারে তারা মুসলিম-অধ্যুষিত অঞ্চলে বিদ্রোহ-বহ্নি জাগিয়ে তুলেছে। নিহাওন্দের যুদ্ধের পর ওমরের মন এদিকে তীক্ষ্ণভাবে আকৃষ্ট হয়। তিনি সাহাবা শ্রেষ্ঠদের এক বৈঠক আহ্বান করে এর প্রকৃত কারণ সম্বন্ধে তাঁদের পরামর্শ চাইলেন। তাঁরা অভিমত প্রকাশ করেন, যতদিন ইয়েজর্দিকে পারস্যের ভূমি থেকে নিশ্চিহ্ন করা যাবে না, ততদিন এ সব ষড়যন্ত্রের অবসান হবে না। কারণ প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী কায়ানীয়ান সিংহাসনের উত্তরাধিকারী বেঁচে থাকতে পারসিকদের আশা-ভরসা লুপ্ত হতে পারে না।

    ওমর যুক্তির সারবত্তা স্বীকার করেন এবং দৃঢ় সঙ্কল্প করেন, পারস্যের সব প্রদেশেই অভিযান চালিয়ে সমগ্র ইরাক-আযম অধিকার করতে হবে এবং পারসিকদের বিদ্রোহী মনোভাবও একেবারে নিঃশেষ করে দিতে হবে। এ উদ্দেশ্যে তিনি স্বয়ং কতকগুলি ঝাণ্ডা প্রস্তুত করেন এবং এক একটি পারস্যের এক এক প্রদেশের নামাঙ্কিত করে প্রসিদ্ধ সেনানায়কদেরকে সেগুলি দান করেন। খোরাসানের ঝাণ্ডার ভার পেলেন আহনফ-বিন্- কয়েস, সবুর ও আদর্শের প্রদেশের ঝাণ্ডা পেলেন, মাজাশা-বিন্ মাসুদ, ইসতিখারের ঝাণ্ডা পেলেন ওসমান বিন্-আল্ অসল-সাকাফী, ফাসার ঝাণ্ডা পেলেন সাবিয়াহ্ বিহম্-আল্ কিনানী, কিরমানের ঝাণ্ডা পেলেন সুহায়েল বিন-আদি, সিস্তানের ঝাণ্ডা পেলেন আসিস-রিন্-ওমর, মাকরানের ঝাণ্ডা পেলেন হাকামবিন্-ওমর আল্-তাগলাবী এবং আজরবাইজানের ঝাণ্ডার অধিকারী হলেন ওৎবাহ্। একুশ হিজরীর (৬৪১ খ্রি.) মধ্যে এসব সেনানায়ক বাহিনী নিয়ে নিজ নিজ ভারার্পিত প্রদেশাভিমুখে রওয়ানা হন।

    সর্বপ্রথমে আক্রমণ করা হয় ইস্পাহান। আবদুল্লাহ বিন্-আবদুল্লাহ্ ইস্পাহানে উপস্থিত হয়ে দেখেন, প্রদেশকর্তা ইস্তান্দার বিরাট বাহিনী নিয়ে পথরোধ করে আছেন। উভয়পক্ষে যুদ্ধার্থে প্রস্তুত হলে পারসিক বীর শহরবাজ্ জাদুয়াহ্ আবদুল্লাহকে দ্বন্দ্বযুদ্ধে আহ্বান করেন। প্রথম সংঘাতেই জাদুয়াহ নিহত হন এবং প্রদেশরাজ ইস্তানদার ভীত হয়ে সন্ধি করেন। আবদুল্লাহ ইস্পাহান শহরে প্রবেশ করতে চেষ্টা করলে নগরপাল ফাদুফান্ তাঁকে বাধা দিয়ে দ্বন্দ্বযুদ্ধে আহ্বান করে। কিছুক্ষণ দ্বন্দ্ব যুদ্ধ করে ফাদুফান্ প্রতিদ্বন্দ্বীর বীরত্বে মুগ্ধ হয়ে সন্ধি করেন এই শর্তে যে, যারা জিয়া দিয়ে শহর বাস করতে স্বীকৃত হবে, তাদের আশ্রয় দিতে হবে; আর যারা শহর ছেড়ে চলে যেতে চাইবে তাদেরকে যেতে দিতে হবে। আবদুল্লাহ এ শর্ত মেনে নিয়ে সন্ধি স্বাক্ষর করেন।

    ইতিমধ্যে সংবাদ আসে, হামাদানে বিদ্রোহ ঘোষিত হয়েছে। ওমরের আদেশে নুয়াইম বিন-মাক্রান্ বারো হাজার সৈন্য নিয়ে হামাদান অবরোধ করেন। দীর্ঘদিনের অবরোধের পর হামাদান বশ্যতা স্বীকার করে। কিন্তু দাইলাম, রায় ও আজরবাইজানের শাসকরা সম্মিলিতভাবে রোদ্ উপত্যকায় যুদ্ধদান করে। এ যুদ্ধ নিহাওন্দের যুদ্ধের মতোই ভীষণ ও রক্তক্ষয়ী হয়। শেষে সম্মিলিত বাহিনী বিধ্বস্ত হয়ে যায়। ওমর পূর্বেই সম্মিলিত বাহিনীর আক্রমণের সংবাদ পেয়ে অত্যন্ত চিন্তিত ছিলেন। উল্লেখযোগ্য যে, জসর বা সেতুবন্ধের যুদ্ধের পরাজয়বার্তা নিয়ে আরওয়াহ্ নামক যে সংবাদবাহক ওমরের নিকট প্রেরিত হয়েছিলেন, তিনিই এ যুদ্ধের সংবাদ নিয়ে যখন উপস্থিত হন, তখন ওমর আশঙ্কিত হয়ে তাঁর দিকে তাকিয়েছিলেন আরওয়াহ্ বিজয় সংবাদ দান করে তাঁর শঙ্কা দূর করেন।

    ওমর নুয়ায়েমকে নির্দেশ দেন হামাদানে অন্য একজনকে শাসক নিযুক্ত করে রায় প্রদেশের দিকে অগ্রসর হতে। রায়ের শাসনকর্তা ছিলেন বারাম চোবিনের পৌত্র সিয়াওয়াশ। তিনি দিয়াওয়ান্দ, তাবারিস্তান, কাউস্ ও জুর্জানের নিকট সাহায্য ভিক্ষা করে রায় শহরকে সুরক্ষিত করে তোলেন। জেবিন্দি নামক পারসিক প্রধান নুয়ায়েমের সঙ্গে হাত মিলান এবং তার সহায়তায় শহরটি শীঘ্রই অধিকৃত হয়। অতঃপর জেবিন্দিকে রায় অঞ্চলের ভারপ্রাপ্ত শাসক নিযুক্ত করে নুয়ায়েম রায় শহরেই অবস্থান করেন। তাঁর ভাই সুয়াইদ কুমাস দুর্গটি দখল করেন। কুমাস্ অধিকৃত হওয়ায় প্রকৃত প্রস্তাবে সারা ইরাক-আযম মুসলিমদের পদানত হয়।

    ঐতিহাসিক বালাজুরীর মতে হুদায়ফাহ্-বিন-ইয়ামান, নিহাওন্দ থেকে অগ্রসর হয়ে আজরবাইজানের রাজধানী আর্দবেলে উপস্থিত হন। স্থানীয় শাসক নানা স্থান থেকে সৈন্য সংগ্রহ করে হুদায়ফাকে বাধা দান করেন, কিন্তু পরাজিত হয়ে বার্ষিক আট লক্ষ দিরহাম কর দিয়ে সন্ধি করেন। হুদায়ফাহ্ মুকান ও জাবালানি দখল করতে অগ্রসর হলে সারা আজরবাইজানে বিদ্রোহ শুরু হয়। তখন ওমর ওৎবাকে প্রেরণ করেন। ওবা দ্বিতীয়বার আজরবাইজান জয় করেন।

    নুয়ায়েমের ভাই সুয়াইদ কুমাস জয় করে জুর্জানের দিকে অগ্রসর হলে, তথাকার শাসক রুজবান ভীত করে হয়ে জিয়া দিতে স্বীকৃত হন। তাবারিস্থানের শাসক এ সন্ধির কথা অবগত হয়ে আর বাধা না দিয়ে মুসলিমদের সঙ্গে সন্ধি করেন পাঁচলক্ষ দিরহাম শালিয়ানা কর দিতে স্বীকৃত হয়। এদিকে আজরবাইজান অধিকার করে বুকাইর যাব্ শহরে উপস্থিত হন। এখানে একদল সাহায্য-সেনা মদিনা থেকে উপস্থিত হয়। বাবের শাসক ছিলেন একজন অগ্নিপূজক। তিনি মুসলিমদের প্রস্তাব দিলেন, সমগ্র পারস্য মুসলিমদের পদানত হওয়ায় তিনিও সন্ধি করতে রাজী আছেন এই শর্তে যে, জিয়ার পরিবর্তে তিনি প্রয়োজনমত সামরিক সাহায্য দান করবেন। জিয়া কর সামরিক আশ্রয় দানের পরিবর্তেই গ্রহণ করা হতো, এজন্যে তাঁর এ প্রস্তাব সহজেই গৃহীত হয়। অতঃপর মুসলিমরা অগ্রসর হতে থাকে এবং খিজারের রাজধানী বলখারের নিকটবর্তী হয়। কিন্তু মুসলিমরা বায়দা জয় করার পরই ওমরের খেলাফতের অবসান হয়।

    সতেরো হিজরীতে (৬৩৮ খ্রি.) ফারস্ প্রথমে আক্রমণ করা হয়। সা’দ কাদিসিয়ার যুদ্ধে জয়লাভ করলে পর আলা বিন-আল্-হাদরামী বাহ্রায়েন থেকে সমুদ্র; পথে ফারস্ আক্রমণ করেন। আলা ছিলেন সা’দের প্রতিদ্বন্দ্বী, এজন্যে তিনি একটা বিরাট রকম জয় করবার লোভে ওমরের অনুমতি ব্যতিরেকেই এ আক্রমণ আরম্ভ করেছিলেন। ইস্তিখারে মুসলিম সৈন্যরা জাহাজ থেকে অবতরণ করে। খালিদ-বিন্-মুন্নির ছিলেন তাদের নায়ক। স্থানীয় শাসক একটি বিরাট বাহিনী নিয়ে মুসলিমদের গতিরোধ করে। তিনি মুসলিমদের জাহাজগুলি দখল করে তাদের সমুদ্রপথ বন্ধ করে দিলেন। কিন্তু খালিদ কিছুমাত্র শঙ্কিত না হয়ে মুসলিমদের উৎসাহ দিলেন : তোমরা মোটেই ভীত হয়ো না। শত্রুরা আমাদের জাহাজগুলি দখল করে আমাদের কাবু করতে চেয়েছে। কিন্তু তাদের দেশ-সহ আমাদের জাহাজগুলি পুনরায় দখল করে তাদেরকেই কাবু করে ফেললো। তাঁর উত্তেজনায় মুসলিমরা অল্পসংখ্যক হয়েও বীরবিক্রমে যুদ্ধ করে শত্রু সৈন্য বিধ্বস্ত করে দেয়। শত্রুরা জাহাজগুলি ডুবিয়ে দেওয়ায় তারা বস্ত্রা অভিমুখে যাত্রা করে। কিন্তু পারসিকরা সে পথও বন্ধ করে দেয়।

    ওমর এ সংবাদ অবগত হয়ে আলোকে হঠকারিতার জন্যে তিরস্কার করেন, কিন্তু ওবাকে নির্দেশ দেন শীঘ্রই একদল সেনা পাঠিয়ে মুসলিমদের উদ্ধার করতে। আবু সাবরা বারো হাজার সৈন্য নিয়ে ফারদের দিকে অগ্রসর হন ও বিপদগ্রস্ত মুসলিম বাহিনীর সঙ্গে যোগাযোগ করেন। পারসিকরা চারদিক থেকে সৈন্য সংগ্রহ করে এবং ভীষণ যুদ্ধ দান করে। কিন্তু আবু সাবরারই জয় হয়। তার উপর অন্য আদেশ না থাকায় তিনি বসরায় প্রত্যাগমন করেন। নিহাওন্দের যুদ্ধের পর পারস্যের দিকে দিকে যখন মুসলিমরা ছড়িয়ে পড়ে, সামগ্রিক আক্রমণাত্মক উদ্দেশ্যে, তখন ফারস্ প্রদেশেও একদল মুসলিম বাহিনী প্রেরিত হয়। এখানের পারসিকরা তোজ্ শহরে যুদ্ধের জন্য জমায়েত হতে থাকে। কিন্তু মুসলিমদের উপস্থিতিতেই তারা ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। সাবুর, আদর্শের তোজ্ ও ইস্তিখার একের পর এক অধিকৃত হয়। এইরূপ কিরমান অধিকার করতে সুহায়েল প্রেরিত হন। কিরমানের শাসনকর্তা কাও অন্যান্য স্থান থেকে সৈন্য সংগ্রহ করে অতুল বিক্রমে যুদ্ধদান করেন, কিন্তু শেষে পরাজিত ও নিহন হন। মুসলিমরা জির ও সিরজান পর্যন্ত অভিযান চালায়। জির সেকালে একটি প্রধান বাণিজ্য- কেন্দ্র ও সিরাজান প্রধান শহর ছিল। এখানে বহু উট ও মেষ মুসলমানদের দখলে আসে।

    আসিম-বিন-ওমর সিস্তান অধিকার করেন। এখানের অধিবাসীরা যুদ্ধের পর সন্ধি করে এই শর্তে যে, তাদের আবাদী জমিগুলি অক্ষত থাকবে। এই প্রদেশটি অধিকার করার পর সিন্ধু ও বলখের মধ্যবর্তী অঞ্চল মুসলিমদের অধিকার করা সুগম হয়ে যায়। হাকাম মাক্রান্ জয় করতে প্রেরিত হন। তিনি মাকরান নদীতীরে উপস্থিত হয়ে লক্ষ্য করেন, স্থানীয় শাসক রাসল পূর্বেই নদীতীরে যুদ্ধার্থে প্রস্তুত আছেন। মাকরান-বিজয়ের সংবাদবহ সুহর-আবদী ওমরের নিকট এক কবিত্বপূর্ণ ভাষায় মাকরানের ধন সম্পদ ও লোক-চরিত্রের চিত্র তুলে ধরেন। ওমর তা শ্রবণ করে হাস্যসহকারে বলেন, অবস্থার বর্ণনায় কবিত্বের প্রয়োজন কী? সুহর বলেন, যা সত্য, তা বলেছি।

    অতঃপর বিভিন্ন সেনানায়ককে ওমর নির্দেশ পাঠান, আর অগ্রগতির প্রয়োজন নেই। এজন্যে মাকরান ছিল ওমরের শেষ বিজয়চিহ্ন। ঐতিহাসিক বালাজুরী অবশ্য বলেন যে, মুসলিমরা দায়বল ও থানার নিম্ন-অঞ্চল পর্যন্ত অধিকার করেছিল। তাঁর কথা সত্য হলে ধরতে হয় যে, ওমরের আমলে সিন্ধু ও ভারতের দ্বারদেশ পর্যন্ত ইসলাম বিস্তৃত হয়েছিল।

    আহনফ্-বিন্-কয়েস খোরাসান জয় করতে আদিষ্ট হন। তিনি বাইশ হিজরীদের (৬৪৩ খ্রি.) খোরসানের দিকে রওয়ানা হন এবং হিরাতে উপস্থিত হয়ে অঞ্চলটি অধিকার করেন। অতঃপর তিনি মার্ত-শাজাহানের দিকে অগ্রসর হন। এ সময় ফেরার শাহানশাহ্ ইয়েজর্দি মার্ভে অবস্থান করছিলেন। তিনি মুসলিমদের আগমনের বার্তা শুনেই পলায়ন করেন। আহনফ্ তাঁকে তাড়া করে মার্ভওদ্ পর্যন্ত অভিমান করেন। তখন ইয়েজর্দি অনন্যোপায় হয়ে বলখে আশ্রয় গ্রহণ করেন। কিন্তু আহনফ্ বলখেও তাঁকে তাড়া করলে তিনি অনন্যোপায় হয়ে কোনক্রমে নদী পার হয়ে তাতার রাজ্যে প্রবেশ করেন। আহনফ্ নৈশাপুর ও তখারিস্তান পর্যন্ত সমস্ত ভূভাগ জয় করেন এবং ওমরকে সংবাদ পাঠান যে খোরাসান পর্যন্ত সমগ্র ভূভাগ মুসলিমদের পদানত।

    ওমর প্রথম থেকেই অগ্রগতির পক্ষে ছিলেন না এবং সাম্রাজ্যবাদও তার রাজনীতি ছিল না। খোরাসান জয়ের সংবাদ পেয়ে তিনিও বলেছিলেন: আমাদের ও খোরাসানের মধ্যে যদি একটি অগ্নির নদী প্রবাহিত থাকতো! তিনি আহনকে প্রাচ্যের মুক্তা বলে প্রশংসা করেন. কিন্তু নির্দেশ দেন, আরও অগ্রগতি নিষিদ্ধ। মদিনায় যখন খোরাসান বিজয়ের সংবাদ আসে, তখন ওমর সমস্ত মদিনাবাসীকে সম্বোধন করে বলেছিলেন: অগ্নিপূজকদের সাম্রাজ্য আজ খতম হয়ে গেল, আর তারা ইসলামের উপর আঘাত হানতে পারবে না। কিন্তু মনে রেখো! তোমরাও যদি সত্যপথ থেকে ভ্রষ্ট হও, তা হলে আল্লাহ তোমাদেরও হাত থেকে এ রাজশক্তি কেড়ে নিয়ে অন্যকে দান করবেন।

    ভাগ্যাহত ও বিতাড়িত শাহানশাহ্ ইয়েজগির্দের অন্তিমদশার উল্লেখ এখানে নিশ্চয়ই অপ্রাসঙ্গিক হবে না। অসহায়ের মতো তুর্কিস্তানে পলায়ন করলেও তিনি মনে প্রাণে এ আশা পোষণ করতেন, একদিন-না-একদিন পারস্যে মুসলিমদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহের আগুন জ্বলে উঠবে, তখন তাঁর সুযোগ মিলবে মুসলিমদের উপর শেষ প্রতিশোধ গ্রহণ করার। এরূপ দুরাশার বশবর্তী হয়ে তিনি গোপনে পারস্যের আপন পক্ষীয়দের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করতেন। হযরত ওসমানের সময় এ রকম বিদ্রোহের সূচনাও হয়েছিল এবং সুযোগ বুঝে ইয়েজর্দি তুর্কিস্তান থেকে মার্ভে পুনরায় আগমন করেন ও নিজের পক্ষীয়দেরকে একত্রিত করেন। কিন্তু মুসলিমরা শীঘ্রই এ বিদ্রোহ দমন করে ফেলে। তখন ইয়েজগির্দের সঙ্গীর অনুভব করে, অতঃপর আর তাঁর পুনরুত্থানের সম্ভাবনা নেই এবং তাঁর ভাগ্যোদয়ের কল্পনা করাও দুরাশা মাত্র। অতএব তারা একে একে তাঁর সঙ্গ ত্যাগ করলো। নিরুপায় শাহানশাহ্ পুনরায় তুর্কিস্তানে পলায়নের জন্যে প্রস্তুত হলেন। কিন্তু এবার পলায়ন সহজ হলো না। তাঁর সঙ্গীসাথী একজনও নেই এবং মুসলিমরাও পারসিক গুপ্তচর লাগিয়েছিল তাঁকে বন্দী করে ফেলতে। অনন্যোপায় হয়ে তিনি নদীতীরে এক ফলওয়ালার কুটিরে আত্মগোপন করেন এবং সেখানেই নির্মমভাবে নিহত হন। পারসিকরাই তাঁকে নিহত করে লাশ নদীতে ফেলে দেয়। একটি কাহিনী আছে যে, ফলওয়ালা তাঁর শাহী পরিচ্ছদ দেখে লুব্ধ হয় এবং নিদ্রিত অবস্থায় তাঁকে হত্যা করে। তুর্কীরা তাঁর সন্ধানে এসে তাঁকে মৃতাবস্থায় দেখে ফলওয়ালাকে সপরিবারে হত্যা করে ও সকলের লাশ পানিতে ফেলে দেয়। তাঁর মৃত্যুর সঙ্গে একটি অতি পুরাতন ঐতিহ্যবাহী সাম্রাজ্যেরও শেষ হয়ে যায়। এ সাম্রাজ্য প্রায় বারো শতকেরও ঊর্ধ্বকাল প্রাচ্যের এক বিশাল ভূখণ্ডে অতুলনীয় শান-শওকতের সঙ্গে প্রতিষ্ঠিত ছিল এবং ধন- সম্পদে শিল্পে ও সংস্কৃতিতে সমকালীন পৃথিবীতে শীর্ষস্থানীয় ছিল। ইরানের শাহানশাহের পুনরুত্থান হতে সময় লেগেছিল আট শতক কিংবা তারও বেশি।

    এ বিশাল সাম্রাজ্য অধিকার করতে আরব জাতিতে এক দশক ধরে সংগ্রাম সংঘাত চালাতে হয়েছে, মুসলিম বাহিনীকে সিরিয়া বা মিসরের চেয়েও বেশি রক্তক্ষয়ী দুর্মর প্রতিরোধের মোকাবিলা করতে হয়েছে। পারস্য অভিযানে পঁয়ত্রিশ থেকে চল্লিশ হাজার মুসলিম বাহিনীকে অংশ গ্রহণ করতে হয়েছে। পারসিকরা ছিল আর্যজাতি, সেমিটিক নয়। তাদের জাতীয় সত্তা ও সংহতির নিরঙ্কুশ অস্তিত্ব ছিল বহু শতাব্দী ধরে এবং ক্ষাত্রশক্তি এরূপ বলিষ্ঠ ও সুশৃঙ্খল ছিল যে চার শতকেরও অধিককাল রোমক রাজশক্তির বিরুদ্ধে যোগ্য প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে শক্তি পরীক্ষায় তা দুর্মর ও অনমনীয় ছিল। কিন্তু মাত্র আরব জাতির হাতে। পরবর্তী তিন শতকব্যাপী আরব-শাসনাধীনে তাদের মাতৃভাষা ফারসীর স্থানে আরবীর প্রাধান্য ছিল সরকারী ভাষা হিসেবেই নয়; তাদের বিদগ্ধ সমাজের, এমন কি অনেকখানি সাধারণের কথ্যভাষা হিসেবেও। তবে তাদের জাতীয় সত্তার অবলুপ্তি ঘটে নি এবং অধীন জাতি হয়েও তাদের মাতৃভাষা পুনরায় আপন মহিমায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল তিন শো বছরের মধ্যেই। এবং বিশ্বের অমর কাব্য ‘শাহনামা’ তার সার্থক ফলশ্রুতি। ইসলামের কারামাতিয়ান আন্দোলন, যা বহু বছর ধরে খেলাফতের ভিত্তি পর্যন্ত টলমল করে রাখতো, তার উৎপত্তি হয়েছিল পারস্যের মধ্যেই। এবং শীয়া মযহাবের উন্নয়ন ও প্রসারণ এবং মিসরে দুই শতাব্দীব্যাপী রাজগিতে প্রতিষ্ঠিত ফাতেমীয়া বংশের প্রতিষ্ঠাও হয়েছিল এই পারস্যে। পারসিক শিল্প, সাহিত্য, চারুকলা, দর্শন, চিকিৎসাবিদ্যা ও কাব্যপ্রীতি আর জগতের সাধারণ সম্পদ হয়ে ওঠে এবং এ হিসেবে বিজিতরা বিজেতার উপর জয়ী হয়। ইসলাম-জগতের কয়েকটি উজ্জ্বল জ্ঞানী জ্যোতিষ্কের অভ্যুদয়ও হয়েছিল ইরানী মুসলিমদের থেকে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআইরিন – পিয়ের লেমেইত
    Next Article আমার বোকা শৈশব – আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ

    Related Articles

    আশাপূর্ণা দেবী

    সমুদ্র কন্যা – আশাপূর্ণা দেবী

    April 24, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    আমাদের মহাভারত – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    March 20, 2026
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Our Picks

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026

    শ্মশানকোকিলের ডাক – সৌভিক চক্রবর্তী

    May 1, 2026

    এসো না অসময়ে – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }