Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026

    শ্মশানকোকিলের ডাক – সৌভিক চক্রবর্তী

    May 1, 2026

    এসো না অসময়ে – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    হযরত ওমর – আবদুল মওদুদ

    লেখক এক পাতা গল্প288 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ওমর-কাহিনীগুচ্ছ

    ইংরেজীতে একটি প্রবচন আছে: দৃষ্টান্ত উপদেশের চেয়ে অনেক শ্রেয়। অর্থাৎ কথায় বড় না হয়ে কাজে বড় হওয়াই ঢের ভাল।

    বস্তুত ইসলামের এটি একটি মহৎ শিক্ষা। ইসলামের উদ্‌গাতা রসূলুল্লাহ্ একটি কাহিনী থেকেই এ শিক্ষার বাস্তব পরিচয় বিশদ হয়েছে। একদিন একজন সাহাবা রসূলুল্লাহ্র নিকট একটি বালককে হাযির করে আরয করলেন: এর মধু খাওয়ার ভীষণ লোভ, একে হিদায়েত করুন। হযরত কিছুক্ষণ চুপ করে থেকে বললেন, ছেলেটিকে তিন দিন বাদে নিয়ে এসো। তিনদিন বাদে ছেলেটিকে হাযির করা হলে রসূলুল্লাহ্ ছেলেটিকে স্নেহভরে মিষ্ট কথায় বোঝালেন, মধু খাওয়ার লোভ ত্যাগ করা উচিত। ছেলেটি উপদেশ পালন করলো। জনৈক সাহাবা এই সময় নিয়ে উপদেশ দেওয়ার কারণ কি জানতে উৎসুক হলে হযরত স্মিত হাস্যে বলেছিলেন: আমারও মধু খাওয়ায় লোভ ছিল। সময় নিয়ে নিজে মধু খাওয়ার প্রবৃত্তি জয় করে ছেলেটিকে উপদেশ দিতে পেরেছি। এ-সব তুচ্ছ ঘটনার মধ্য দিয়ে মহৎ শিক্ষার কি সব উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত রসূলুল্লাহ্ রেখে গেছেন আমাদের জন্যে! ‘আপনি আচরি ধর্ম পরে শিখাইব-এ নীতি তিনি পালন করে গেছেন সারা জীবন ধরে অক্ষরে অক্ষরে, মর্মে মর্মে।

    রসূলুল্লাহ্র জীবন্ত প্রতিচ্ছায়া ছিলেন তাঁর সাহাবা বা সাক্ষাৎ শিষ্যগণ। আবার তাঁদের মধ্যে উজ্জ্বলতম রত্ন ছিলেন চারজন-আবুবকর, ওমর, ওসমান, আলী। এঁদেরকে হযরতের প্রতিবিম্ব বলা চলে। সৌরজগতের চন্দ্রগ্রহণে উপগ্রহগুলি যেমন সূর্যের চারপাশে অবস্থান করে এবং সৌরকিরণে প্রতিফলিত হয়ে উজ্জ্বল রূপ ধারণ করে, সে রকম এই চারজন সাহাবা-শ্রেষ্ঠ হযরতের জীবনাদর্শের পূর্ণালোকে লালিত হয়ে তাঁর শিক্ষা, বাণী ও আদর্শকে বাস্তবায়িত করেছিলেন। এজন্যে এদের জীবনধারা আলোচনা করলে হযরতের জীবনচিত্রের চিত্রণ দেখি, এঁদের কর্মধারার মধ্যে হযরতের শিক্ষা ও বাণীর পরিচয় লাভ করি, তাঁদের মধ্যেই রসূলুল্লাহ্ উপস্থিতি অনুভব করি।

    ওমর রসূলের যোগ্য প্রতিনিধি ছিলেন এই অর্থে যে, তিনি রসূলের কদম মুবারকের অনুসরণ করতে চেষ্টা করেছেন জীবনের প্রতি পদক্ষেপে। তার দৃষ্টান্ত পাই ওমরের প্রতিটি কর্মে। তাঁর কর্মজীবন আলোচনাকালে বহু কাহিনীর দৃষ্টান্ত দিয়ে তার প্রকৃত পরিচয় দিতে চেষ্টা করা হয়েছে, তাঁর বাস্তব জীবনের নানাদিকে আলোকপাত করা হয়েছে। এখানে আরও কাহিনী বিবৃত করা যেতে পারে, তাঁর কর্মজীবনের নানা দিকে আলোকপাত করার জন্যে। এগুলি সন্ধানী আলোর মতো তাঁর জীবন ও কর্মধারাকে দ্যুতিময় করে তুলেছে তাঁর অন্তর-বাহির আমাদের নিকট আরও পরিচ্ছন্ন ও স্বচ্ছ হয়ে উঠেছে। নিঃসন্দেহে আসল মানুষটির পরিচয় মেলে এই কাহিনীগুলির মাধ্যমে:

    ।।১।।

    একবার এক বেদুঈন ওমরের নিকট নালিশ করে একজন কর্মচারীর অত্যাচারের বিরুদ্ধে। ওমর তাকে সাক্ষী হাযির করতে বললে সে অক্ষমতা জানায়। তখন, ওমর সহসা রাগান্বিত হয়ে তাকে বেত্রাঘাত করে দূর করে দেন। পরে গোপনে সংবাদ নিয়ে ওমর নিঃসন্দেহ হন, বেদুঈনের অভিযোগ সত্য। তখনই তিনি অভিযোগের প্রতিকার করেন। কিন্তু বেদুঈনকে অনুরোধ করেন, তাকে অহেতুক বেত্রাঘাত করার দরুন তাঁকেও বেত্রাঘাত করে প্রতিশোধ নিতে। বেদুঈন সসম্ভ্রমে প্রত্যাখ্যান করেন। তখন অনুতপ্ত ওমর আল্লাহ্র নিকট প্রার্থনা জানান :

    হে খাত্তাব-নন্দন! তুমি অধম ছিলে, আল্লাহ্ তোমায় উর্ধ্বে
    তুলেছেন। তুমি বিভ্রান্ত ছিলে, আল্লাহ্ তোমায় সঠিক পথে
    চালনা করেছেন। তুমি দুর্বল ছিলে, আল্লাহ তোমায় সবল
    করেছেন। তার পর তোমায় নিজ কওমের উপর শাসনভার
    দিয়েছেন! কিন্তু তাদেরই একজন যখন তোমার সাহায্য
    ভিক্ষা করলো, তাকে তুমি আঘাতই দিয়েছ! এখন আল্লাহর
    সামনে উপস্থিত হয়ে তুমি কি কৈফিয়ৎ দিবে?

    ।।২।।

    একবার যুদ্ধক্ষেত্র থেকে বহু মালে-গণিমাত মদীনায় উপস্থিত হয়। এ খবর পেয়ে ওমর-তনয়া ও ওম্মুল-মুমেনীন বিবি হাস্সা পিতৃসমক্ষে উপস্থিত হয়ে প্রার্থনা করলেন: আমীরুল মুমেনীন! আমি আপনার কন্যা, আমায় মালে গনিমাতের অংশ দিন। ওমর উত্তর দিলেন: বৎসে! আমার সম্পত্তিতেই শুধু তোমার হক আছে। কিন্তু মালে গনিমাত সর্বসাধারণের সম্পত্তি। আমি তো তোমার কথায় কর্তব্য ভুলতে পারি নে। হাসা লজ্জা পেয়ে সরে পড়েন।

    ।।৩।।

    সিরিয়া বিজয়ের পর প্রাচ্য দেশীয় রাজা বাদশাদের সঙ্গে মুসলিমদের পত্রাদি বিনিময় হতে থাকে। একবার ওমর-পত্নী ওম্মে-কুলসুম কয়েক শিশি ভর্তি সুগন্ধি উপহার পাঠান এক সম্রাট-মহিষীকে এবং প্রতিদানে সব শিশিভর্তি মুক্তা আসে। ওমর এ খবর পেয়ে স্ত্রীকে বলেন, এ উপহার রাষ্ট্রীয় কারণে সরকারী কর্মচারী মারফত এসেছে, অতএব এসব মুক্তা বায়তুল মালে যাবে। তবে সুগন্ধির মূল্য হিসেবে কিছু খেসারত দেওয়া যেতে পারে।

    ।।৪।।

    একবার খলিফাতুল মুসলেমীন ওমর অসুখে পড়েন। সকলেই উপদেশ দিল, মধু খেতে। কিন্তু বায়তুল-মালে প্রচুর মধু থাকলেও ওমরের গৃহে এক ফোঁটা মধু নেই। অথচ সাধারণের অনুমতি ব্যতীত খলিফা মধু নিতে পারেন না। জুমার দিন পর্যন্ত অপেক্ষা করা হলো এবং জনসাধারণ মসজিদে উপস্থিত হলে প্রার্থনা করা হলো, অসুস্থ খলিফার জন্যে কিছু মধু বরাদ্দ করতে। জনগণের সম্পত্তিতে খলিফার কোন অধিকার নেই, তিনি শুধু প্রহরীমাত্র, এর চেয়ে উৎকৃষ্ট দৃষ্টান্ত আর কি হতে পারে?

    ।।৫।।

    যিয়াদ-বিন্ হাদি ছিলেন ইরাকের প্রধান শুল্ক-কর্মচারী। তিনি এক খ্রিস্টানের একটি ঘোড়ার কুড়ি হাজার দিরহাম মূল্য ধরে এক হাজার দিরহাম শুল্ক চেয়ে বসলেন। ঘোড়ার মালিক একহাজার দিরহাম বাদ দিয়ে উনিশ হাজার নিয়ে চলে যায়। কিছু দিন পরে খ্রিস্টান মালিক সে পথ দিয়ে যাবার সময়ে আবার তার নিকট শুল্ক দাবী করা হলো। তখন মালিক অনন্যোপায় হয়ে ওমরের নিকট নালিশ করে। খলিফা বললেন, ভয় নেই। খ্রিস্টান যিয়াদের নিকট যেয়ে মা’সুল দিয়ে ঘোড়াটি ফেরৎ চাইলে, তাকে জানানো হয়, বিনা মাসুলেই খলিফা ঘোড়া ফেরৎ দিতে ফরমান জারী করেছেন, কারণ একই পণ্যদ্রব্যের বছরে দুবার মা’সুল লাগে না। কিছুদিন পর ওমর যখন কা’বাগৃহে খুৎবা দিচ্ছিলেন, তখন এক খ্রিস্টান তাঁর নিকট শুল্ক বিষয়ে একই নালিশ জানায়। ওমর তৎক্ষণাৎ বলেন, একই পণ্যের দুবার মাসুল লাগে না। তখন খ্রিস্টানটি জানায় সে-ই পূর্বে এ বিষয়ে নালিশ করেছিল। ওমর তখন বলেন: আমিও সেই মুসলিম, যে তোমার ক্ষতির প্রতিকার করেছিল।

    ।।৬।।

    সিরিয়া ভ্রমণ শেষ করে ওমর মদীনায় ফিরছেন। পথে মরু-প্রান্তরে একটি তাঁবু সম্মুখে পড়ে। তখনই উট থেকে নেমে ওমর তাঁবুর নিকট গিয়ে দেখলেন, একটি অসহায়া বৃদ্ধা মূর্তিমান হতাশার মতো বসে আছে। খলিফার মনে দয়ার উদ্রেক হলো। তিনি বললেন, ওমরকে তোমার অবস্থা জানাও না কেন? বৃদ্ধা উত্তর দিলে: শুনেছি, ওমর সিরিয়া থেকে ফিরছে। কিন্তু আল্লাহ্ অভিশাপ তার উপর, সে আমায় এক দিরহামও সাহায্য পাঠায় নি। ওমর বললেন: এতো দূর বিয়াবান্ থেকে তোমার খবর ওমরের নিকট কি করে পৌঁছাবে? বৃদ্ধা পুনরায় অভিশাপ দিয়ে বলে: তবে সে খলিফা হয়েছে কেন? প্রত্যেক বাসিন্দার খবরাখবর যদি রাখতে না পারে, তার খলিফা সাজা কেন? ওমর অশ্রুবিগলিত কণ্ঠে বললেন: মা, ঠিকই বলেছ, ওমর মহা অপরাধী।

    ।।৭।।

    একবার একদল যাত্রী মদীনার উপকণ্ঠ আস্তানা ফেলে। ওমর নিজেই রাত্রি জেগে তাদের খবরদারী করতে থাকেন। একটি তাঁবুতে দেখলেন, একটি মেয়ের কোলে এক কচি শিশু অনবরত রোদন করছে, কিন্তু মেয়েটি কিছুতেই স্তন্য দিচ্ছে না। ওমর ধমক দিয়ে শিশুকে শান্ত করতে বললেন। কিছুক্ষণ পর আবার সেদিক যেতে যেতে ওমর দেখলেন, শিশুটি সমানে রোদন করছে। ওমর কড়া ধমক দিয়ে বললেন, এমন নিষ্ঠুর মা আর দেখিনি। মেয়েটি তখন রাগান্বিত হয়ে বললে: যা জান না, তা নিয়ে ঝাল দেখি ও না। ওমর ফরমান জারী করেছে, দুধ না ছাড়া পর্যন্ত শিশুরা বায়তুল-মাল থেকে ভাতা পাবে না। তাই আমি জোর করে একে দুধ ছাড়াচ্ছি, আর তাই এতো চেঁচাচ্ছে। ওমরের তো চক্ষুস্থির। তাঁর তীব্র অনুশোচনা হলো, এভাবে না জানি কতো শিশু অকালে প্রাণ হারিয়েছে। তিনি সেদিনই ফরমান জারী করেন, জন্মাবার দিন থেকেই প্রত্যেক শিশু বায়তুল-মাল থেকে ভাতা পাবে এবং বয়োবৃদ্ধির সঙ্গে ভাতাও বৃদ্ধি পাবে।

    ।। ৮।।

    ওমরের ভৃত্য আসলাম এই কাহিনী বলেছেন। এক রাত্রে ওমরের সঙ্গে আসলাম শহর-পরিক্রমায় বের হয়েছেন। যখন তাঁরা মদীনা থেকে তিন মাইল দূরে সরার নামক স্থানে উপস্থিত তখন লক্ষ্য করেন একটি রমণী চুলায় একটি ডেকচি জ্বাল দিচ্ছে, আর চার পাশে কয়েকটি অপোগণ্ড শিশু রোদন করছে। ওমর নিকটে যেয়ে কারণ জিজ্ঞাসা করলেন। রমণীটি আর্তস্বরে বললে, ঘরে এক কণা খাবার নেই, অথচ ক্ষুধার জ্বালায় শিশুরা রোদন করছে। এজন্যে তাদের ভুলাবার উদ্দেশ্যে ডেকচিতে শুধু পানি জ্বাল দেওয়া হচ্ছে। শিশুরা রোদন করতে করতে ক্লান্ত হয়ে ঘুমিয়ে পড়বে। এ কথা শুনেই ওমরের বুকে মোচর দিয়ে উঠলো। তিনি পাগলের মতো শহরের দিকে দৌড় দিলেন এবং বায়তুল-মাল থেকে আটা, ঘি, খেজুর প্রভৃতি খাদ্য বস্তুতে ছালা বোঝাই করে আসলামকে অনুরোধ করলেন, তাঁর পিঠে বোঝা তুলে দিতে। আসলাম সবিনয়ে আর করলেন, তিনিই বোঝা বহন করবেন। কিন্তু ওমর বললেন: ভালো কথা কিন্তু রোয- কিয়ামতে আমার বোঝা বইতে তো তুমি থাকবে না; তখন আমার কি হবে? ছোট হোক বড় হোক জুলুমের বোঝা বওয়ার চেয়ে লোহার পর্বতের ভারী বোঝা বহন করা ঢের সহজ। অতঃপর ওমর নিজেই ছালা পিঠে বয়ে তাঁবুতে উপস্থিত হলেন। রমণী রুটি তৈরি করতে লাগলো, ওমর নিজে সেঁকতে লাগলেন। খাবার প্রস্তুত হলে শিশুরা মহানন্দে উদর পূর্তি করলো, ওমর গভীর তৃপ্তিভরে দেখতে লাগলেন। রমণীটি তাঁকে ধন্যবাদ দিয়ে বললে: আল্লাহ্ তোমায় কৃপা করুন! সত্যি কথা বলতে তুমিই ওমরের চেয়ে খলিফা হওয়ার উপযুক্ত। ওমর খুশী হয়ে আসলামকে বললেন : বাচ্চাদেরকে ভুখা দেখে আমার মনে হয়েছিল, যেন পাহাড় ভেঙে আমার পিঠে পড়েছে। এখন মনে হচ্ছে, সে পাহাড় আমার উপর থেকে সরে গেছে।

    ।।৯।।

    এক রাত্রে ওমর একাকী টহল দিতে দিতে শহর থেকে অনেক দূর চলে গেলেন। সহসা তাঁর সামনে একটি তাঁবু পড়লো তিনি লক্ষ্য করলেন, একজন বেদুঈন বড় বিষণ্ণ হয়ে একাকী বাইরে বসে আছে। তিনি বেদুঈনটির নিকট যেয়ে আলাপ আরম্ভ করলেন। সহসা তাঁবুর ভিতর থেকে নারীর আর্তকণ্ঠ শ্রুত হলো। ওমর ব্যস্ত হয়ে কারণ জিজ্ঞাসা করলে বেদুঈন ক্ষুণ্ণ কণ্ঠে বললে, তার স্ত্রীর প্রসব বেদনা উপস্থিত হয়েছে। অথচ সাহায্য করতে কোন ও দ্বিতীয় স্ত্রীলোক নেই। ওমর আর কথা না বলে তৎক্ষণাৎ গৃহে উপস্থিত হলেন এবং বিবি ওম্মে কুলসুমকে বললেন, প্রসূতির সমস্ত সরঞ্জাম নিয়ে তখনই তার সঙ্গে যেতে। তাঁবুতে উপস্থিত হয়ে ওমর বেদুঈনের অনুমতি নিয়ে ওম্মে কুলসুমকে ভিতরে প্রেরণ করলেন ও নিজে কিছু খাবার নিয়ে বেদুঈনকে সঙ্গে করে আহারে প্রবৃত্ত হলেন। কিছুক্ষণ পরে ওম্মে কুলসুম বের হয়ে বললেন: আমীরুল মুমেনীন! আপনার বন্ধুকে সুসংবাদ দিন, একটি পুত্র হয়েছে। ‘আমীরুল মু’মেনীন’ সম্বোধন শুনেই তো বেদুঈনের চক্ষু ছানাবড়া! সে সঙ্গে সঙ্গে সালাম জানিয়ে সসম্ভ্রমে এক পাশে দাঁড়ালো। কিন্তু ওমর বললেন: কিছু মনে করো না ভাই! আমি স্ত্রীকে নিয়ে বাড়ী যাচ্ছি, কাল তুমি দরবারে দেখা করো, শিশুর একটা ভাতার ব্যবস্থা করে দেব।

    ।। ১০।।

    আবদুর-রহমান-বিন্-আউফ বলেছেন: এক রাত্রে ওমর সহসা আমার নিকট উপস্থিত হলেন। আমি আরজ করলেম, তাঁর এতো কষ্ট করার দরকার ছিল না, আমায় ডাকলেই হাযির হতেম। কিন্তু ওমর বললেন: ওসব কথা থাক। একদল যাত্রী শহরের উপকণ্ঠে তাঁবু ফেলেছে। তারা নিশ্চয়ই ক্লান্ত। চলো আমরা দুজনে তাদের কাজ করে দিই ও সারারাত পাহারা দিই। তাঁর সনিবন্ধ অনুরোধে আমরা সারারাত পাহারা দিয়েছি।

    ।। ১১।।

    আহনাফ্-বিন-কায়েস একবার ওমরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গেছেন। তাঁর সঙ্গে রয়েছে কয়েকজন গণ্যমান্য মাতবর। মসজিদে খলিফাকে না পেয়ে তাঁরা ওমরের খোঁজে বের হলেন এবং শহর-প্রান্তে দেখলেন, খোদ্ খলিফা কোমরে কাপড় গুঁজে ছুটাছুটি করছেন তাঁদেরকে দেখতে পেয়েই ওমর জোরে হাঁক দিলেন: আহনাফ্! দৌড়ে এসো, বায়তুল-মালের একটা উট ছুটে পালিয়েছে, ওটাকে ধরতে হবে। জানো তো কত এতিমের অংশ রয়েছে এই উটটিতে। একজন মাতবর বললেন: তার জন্যে খোদ্ আমীরুল মু’মেনীন দৌড়াদৌড়ি করছেন কেন? একজন গোলাম পাঠালেই চলতো। স্মিতহাস্যে ওমর উত্তর দিলেন; আমার চেয়ে বড় গোলাম আর কে আছে?

    ।।১২।।

    একদা ওমর লক্ষ্য করেন একজন বৃদ্ধ খ্রিস্টান দুর্বল শরীর নিয়ে দ্বারে দ্বারে ভিক্ষা করছে। ওমর তাকে ডেকে জিজ্ঞাসা করলেন, এমন দুর্বল শরীরে সে ভিক্ষা করছে কেন? বৃদ্ধ উত্তর দিলে, তার উপর জিয়া কর ধার্য করা হয়েছে, অথচ তার সামর্থ্য নেই; এজন্যে ভিক্ষা করতে বাধ্য হয়েছে। ওমর তাকে সঙ্গে করে নিজ গৃহে আনলেন ও কিছু অর্থ দিয়ে বিদায় করলেন। সঙ্গে সঙ্গে বায়তুল মালের খাজাঞ্চীকে নির্দেশ দিলেন এ রকম অক্ষম লোকদের বায়তুল মাল থেকে ভরণ-পোষণ করা কর্তব্য। এই সঙ্গে কোরআনের বাণী ‘সাদকা দুঃখী ও অভাবগ্রস্তদের প্রাপ্য’ উদ্ধৃত করে এই ফরমান দেন: আল্লাহ্র নামে বলছি, এটা কখনই উচিত নয় যে, আমরা জনগণের যৌবনকালের উপকার লাভ করবো, কিন্তু বৃদ্ধাবস্থায় তাদের পথে ফেলে দেবো।

    ।। ১৩।।

    একবার এক বেদুঈন ওমরের নিকট এসে উক্তি করে: হে ওমর! বেহেশতের আনন্দই পরমানন্দ। আমার মেয়েদের ও তাদের মাকে বস্ত্র দান কর। আল্লাহ্র দোহাই! বস্ত্র দান করো! ওমর বললেন, যদি না দিই, তা হলে কি হবে? বেদুঈন বললে: তাহলে রোয-কিয়ামতে আমার জন্যে তোমার জওয়াবদিহি করতে হবে। তখন তুমি লা- জওয়াব হয়ে যাবে, আর তার পর তোমার গতি হবে বেহেশতে না হয়ে দোজখে। এ কথাই শুনেই ওমর এরূপ ক্রন্দন করতে থাকেন যে তাঁর দাঁড়ি বেয়ে অশ্রু ঝরতে থাকে। তখন তাঁর নিকট কিছুই না থাকায় গায়ের বস্ত্রখানিই খুলে নিয়ে বেদুঈনকে দান করলেন।

    ।।১৪।।

    এক গভীর রাত্রিতে টহল দিয়ে ফিরছেন। সহসা নারীকণ্ঠে এই করুণগীতি শ্রুত হলো :

    ঘোর রজনী দীর্ঘ রজনী ঘিরিছে মোরে;
    প্রিয় নাই পাশে, একাকী নয়ন ঝুয়ে!

    ওমর সংবাদ নিয়ে জানলেন, যুবতীর স্বামী যুদ্ধে গেছে, বহুদিন ঘরে ফেরে নি। রমণীর বিরহ-ব্যথা ওমরের মর্মে আঘাত করলো। তিনি চিন্তা করলেন, এভাবে কতো বিরহিণীকে তিনি যাতনা দিয়ে অভিশাপ কুড়িয়েছেন। কন্যা হাসাকে জিজ্ঞাসা করলেন, নারী কতোদিন স্বামীর বিরহ সহ্য করতে পারে? ওম্মুল-মুমেনীন উত্তর দিলেন, বড় জোর চার মাস। পরদিন প্রাতেই ওমর ফরমান জারী করলেন, কোনও যোদ্ধাকে চার মাসের বেশি গৃহ-সুখে বঞ্চিত করা যাবে না।

    ।। ১৫।।

    সাইদ্-বিন্-য়ারবু ছিলেন অন্যতম সাহাবা। বৃদ্ধ হয়ে তিনি দৃষ্টিশক্তি হারিয়ে ফেলেন। একদিন ওমর তাঁকে জিজ্ঞাসা করলেন, জুমার নামাযে তিনি শরীক হন না কেন? সাঈদ বললেন, তিনি অন্ধ হয়ে পড়েছেন, একা পথে হাঁটতে পারেন না, তাঁর কোন সঙ্গী-সহায়ও নেই। তখন তখনই ওমর এক জন ভৃত্য নিযুক্ত করলেন, সাঈদকে সাহায্য করতে।

    ।। ১৬।।

    একদিন ওমর কয়েকজ ব্যক্তিকে ভোজ দিয়েছিলেন। তিনি লক্ষ্য করলেন, এক ব্যক্তি বাম হাত দিয়ে মুখে খাবার তুলছে। ওমর তাকে উপদেশ দিলেন, ডান হাত দিয়ে আহার করতে। লোকটি বললে, ইয়ারমুকের যুদ্ধে তার ডান হাত কাটা গেছে। তখনই ওমরের অন্তর সমবেদনায় ভরে গেল, তিনি তার নিকট বসে নিজের হাতে তাকে খাবার তুলে দিতে লাগলেন। তার গোসল করতে, কাপড় পরতে কতো অসুবিধা হয় তা বিবেচনা করলেন এবং সেই দিনই তার সেবা করার জন্যে একজন ভৃত্য নিযুক্ত করলেন।

    ।।১৭।।

    একদিন ওমর এক বিরাট জনসভায় বক্তৃতা দিচ্ছেন। চারদিকে বিশালজনতা নীরবে তাঁর বক্তৃতা শুনছে। এক সময়ে উচ্চকণ্ঠে তিনি জনতাকে প্রশ্ন করলেন : বন্ধুগণ, আমি যদি বিপথে চলি, যদি দুনিয়াবী লোভে পড়ে যাই, তা হলে তোমরা কি করবে? তখনই এক ব্যক্তি মাথা তুলে দাঁড়ালো এবং তরবারি উঁচিয়ে তুলে উচ্চস্বরে বললে, তা হলে ওমর! তোমার মাথা কেটে ফেলবো। লোকটির সাহস পরীক্ষা করার উদ্দেশ্যে ওমর ধমক দিয়ে বললেন: তুমি এ কথা খলিফাকে বলছো? লোকটি নির্ভীক কণ্ঠে বললে, হাঁ ওমর, আমি তোমাকেই বলছি। দুহাত উর্ধ্বে তুলে ওমর আল্লাহ্ শুকরগুজারী করে বললেন: আল্লাহ! আমি কী ভাগ্যবান! আমি যদি বিপথে চলি, তা হলে আমায় সঠিক পথে চালাবার লোকের অভাব হবে না।

    ।।১৮।।

    এক জুমার দিনে ওমর খুত্বা দিতে উঠে দাঁড়িয়েছেন। তখনই উপস্থিত মুসল্লীদের মধ্যে একজন দাঁড়িয়ে প্রতিবাদ জানালো : হে ওমর! প্রথমে আমার প্রশ্নের জওয়াব দিন, তার পর আপনার কথা শুনবো। তখনই ওমর মিম্বার থেকে নেমে বললেন: বল, কি তোমার প্রশ্ন? সে বললে: আমরা মালে-গনিমাত থেকে যে এক এক টুকরো কাপড় পেয়েছি, তা তো কুর্তা হয় না, অথচ আপনার গায়ের বড় কুর্তা বানিয়েছেন। আপনি কোথা থেকে এই কাপড় পেলেন? খলিফা পুত্র আবদুল্লাহকে ডেকে বললেন: তুমি এর কৈফিয়ত দাও। তিনি বললেন: আমি আমার অংশ পিতাকে দান করেছি, তাই দুটুকরো কাপড়ে কুর্তা তৈরি হয়েছে। তখন লোকটি বলল, আমীরুল মু’মেনীন! এবার আপনার খুত্বা শুনবো। খলিফা স্মিতকণ্ঠে বললেন: আল্লাহ! আমি কি ভাগ্যবান! আমারও কৈফিয়ত তলব করতে কারও সঙ্কোচ-ভয় হয় না।

    ।।১৯।।

    একদা ওমর মদীনার পথে যাচ্ছিলেন। এমন সময় একজন সাধারণ লোক তাঁর পথ রোধ করে বললে: ওহে ওমর! তোমার কি আল্লাহ্ ভয় নেই? তুমি বুঝি ভেবেছ যে, তোমার আমলাদের জন্যে কতকগুলি হুকুমনামা পাঠিয়ে দিয়েই তুমি আল্লাহ্র গযব থেকে ত্রাণ পেয়ে যাবে?

    ওমর ভীত হয়ে জিজ্ঞাসা করলেন: কেন, কি হয়েছে?

    লোকটি বললে: তুমি কি খবর রাখো, তোমার নিযুক্ত মিসরের শাসক আইয়ায- বিন্-ঘনম মিহি কাপড়ের শৌখিন পোশাক পরে এবং ফটকে একজন দ্বারী রাখে?

    ওমর সেদিনই মিসরে দূত হিসেবে পাঠালেন মুহম্মদ-বিন্-মস্লামাকে এই নির্দেশ দিয়ে, তিনি আইয়াযকে যে-অবস্থায় পাবেন, সে অবস্থাতেই খলিফার সম্মুখে উপস্থিত করবেন। দূত মিসরে উপস্থিত হয়ে দেখলেন, আইয়াযের বিরুদ্ধে অভিযোগ যথার্থ। তাঁর দেহে মিহি কাপড়ের পোশাক আছে, একজন দ্বারীও ফটকে নিযুক্ত আছে। আইয়াযকে সেই অবস্থায় মদীনায় উপস্থিত করা হলো। ওমর এক নযর তাঁকে দেখেই হুকুম দিলেন, তাঁর পোশাক খুলে নিয়ে কোরা পশমের পোশাক পরিয়ে দিতে এবং এক পাল মেষ দিয়ে আদেশ দিলেন: যাও এবার বনজঙ্গলে মেষ চরাও গে।

    আইয়ায বিনা প্রতিবাদে হুকুম তামিল করতে প্রস্তুত হলেন। কিন্তু নিজের অদৃষ্টকে ধিক্কার দিয়ে বারবার আক্ষেপ করতে লাগলেন; এর চেয়ে মরণও ভালো ছিল।

    ওমর তো শুনে বললেন: এ কাজ করতে তোমার লজ্জা পাওয়ার কথা নয়। তোমার পিতা আজীবন মেষের রাখালি করে গেছে, আর এজন্যেই তার নাম হয়েছিল ঘনম্।

    আইয়ায অনুতপ্ত হয়ে ক্ষমা চাইলেন। তার পর এই চরম শাস্তি শিরোধার্য করে তিনি নীরবে আজীবন মেষের রাখালি করে গেছেন।

    ।।২০।।

    পরমজ্ঞানী সালমান ফারসীকে ওমর একবার জিজ্ঞাসা করলেন: আমি সম্রাট না খলিফা?

    সাল্‌মান উত্তর দিলেন: আপনি যদি মুসলিমদের জমির উপর এক দেরহাম কিংবা তার বেশি বা তার চেয়েও কম কর ধার্য করে থাকেন এবং তা শারীয়ার বিধানের বিপরীতে ব্যয় করে থাকেন, তাহলে আপনি সম্রাট, খলিফা নন।

    ওমর এ কথা শুনে অঝোরে অশ্রুপাত করতে করতে প্রার্থনা জানালেন: হে আল্লাহ! আমায় সঠিক পথে চালনা করো!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআইরিন – পিয়ের লেমেইত
    Next Article আমার বোকা শৈশব – আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ

    Related Articles

    আশাপূর্ণা দেবী

    সমুদ্র কন্যা – আশাপূর্ণা দেবী

    April 24, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    আমাদের মহাভারত – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    March 20, 2026
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Our Picks

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026

    শ্মশানকোকিলের ডাক – সৌভিক চক্রবর্তী

    May 1, 2026

    এসো না অসময়ে – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }