Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026

    শ্মশানকোকিলের ডাক – সৌভিক চক্রবর্তী

    May 1, 2026

    এসো না অসময়ে – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    হযরত ওমর – আবদুল মওদুদ

    লেখক এক পাতা গল্প288 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    খেলাফতের প্রতিষ্ঠায়

    রসূলে-আকরমের ওফাতের পর ওমরের মনে যে প্রশ্নটি প্রবল হয়ে উঠেছিল তা হচ্ছে : মুসলিমদের ভাগ্যে কি হবে?

    বস্তুত আঁ-হযরতের উত্তরাধিকার নিয়ে যে প্রশ্ন প্রবল হয়ে ওঠে, তার সমাধান সহজ ছিল না। তাঁর কোনও পুত্র-সন্তান জীবিত ছিল না। সন্ততিদের মধ্যে একমাত্র জীবিত ছিলেন ফাতেমা-জোহরা, আলীর সহধর্মিণী। উত্তরাধিকারের কোনও বাঁধা পদ্ধতি ছিল না; এবং আঁ-হযরতও এ-সম্বন্ধে কোনও সুস্পষ্ট নির্দেশ দিয়ে যান নি। আরবের রীতি ছিল গোত্রীয় রীতি-সাধারণ গোত্রীয় সরদার বা শেখ নির্বাচিত হতেন বয়োজ্যেষ্ঠ হওয়ার কিংবা উপযুক্ততার গুণে। মদিনার আনসারগণ আরবের অন্য গোত্রসমূহ থেকে ভিন্ন প্রকৃতির ছিলেন না, এজন্যে তাঁরা এ-প্রথার চিন্তা করতে পারেন নি। তাঁরাই সর্বপ্রথমে উপলব্ধি করেন, এই উত্তরাধিকারী বা নতুন নেতার নির্বাচন কতোখানি গুরুত্বপূর্ণ ও অর্থপূর্ণ হবে। এ-জন্যে আঁ-হযরতের ওফাত সম্বন্ধে নিশ্চিত সংবাদ ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে এ-বিষয়ে অসম্ভব তৎপরতা বৃদ্ধি পায়। বলা বাহুল্য, আনসারগণই তৎপর হন নি, আরও দাবীদার উপস্থিত হন। কিন্তু এই অধ্যায়ের সবচেয়ে বেদনাদায়ক ও লজ্জাকর দিক এই যে, রসূলে আকরমের নশ্বর দেহ সমাহিত করার সব ব্যবস্থা রইলো উপেক্ষিত, আর যাঁরা তাঁর জীবদ্দশায় তাঁর প্রতি ভক্তিতে, প্রীতিতে ও আনুগত্যে ছিলেন উচ্চকণ্ঠে, তাঁরাই অতি-ব্যগ্র হয়ে উঠলেন, যাতে রাষ্ট্রপ্রধানের আসন তাঁদের হস্তচ্যুত না হয়ে যায়।

    খেলাফতের প্রশ্নে মদিনাবাসী মুসলিমরা এই তিনটি সুস্পষ্ট দলে বিভক্ত হয়ে পড়ে : প্রথম, আনসারগণ। তাঁরা মদিনার আদি অধিবাসী, রসূলে আকরমের সাহায্যকারী এবং ইসলামের নতুন আশ্রয়দাতা। তাঁরা প্রকাশ্যেই দাবী করেন, তাঁদের সাহায্য ব্যতীত ইসলাম ভীষণভাবে বাধাপ্রাপ্ত হতো, অতএব তাঁদের মধ্য থেকেও মুসলিমদের খলিফা নির্বাচিত হওয়া উচিত। ওবায়দাহ্ ছিলেন তাঁদের নেতা।

    দ্বিতীয়, মুহাজেরীন। তাঁদের দাবীর যৌক্তিকতা এই যে, তাঁরা আঁ-হযরতের গোত্রীয়, ইসলামে প্রথম-দীক্ষিত ও হযরতের সুখে দুঃখে সমভাগী হিসেবে জন্মভূমি ত্যাগ করে মদিনায় আগত। তাঁরাই ছিলেন আঁ-হযরতের নিকটতম সাহাবা। ওমর আবুবকর প্রমুখ ছিলেন তাঁদের নেতৃস্থানীয়।

    তৃতীয়, বানু-হাশিম গোত্র, যাঁদের মুখপাত্র ছিলেন বিবি ফাতেমার স্বামী আলী। তাঁদেরকে বলা যায়, জন্ম-স্বত্বদাবীর, কারণ তাঁদের বিশ্বাসই ছিল যে, আঁ-হযরতের চাচাতো ভাই এবং একমাত্র জীবিত জামাতা হিসেবে তিনিই খেলাফতের যোগ্যতম দাবীদার। তাঁরা আরও বিশ্বাস করতেন যে, আলীর খেলাফতের দাবী ইলাহী স্বত্বাধিকার, কারণ রসূলের উত্তরাধিকারের মতো মহৎ অধিকার মানুষের ইচ্ছাধীন হতে পারে না।

    সমসাময়িক বিবরণী থেকে নিঃসন্দেহে প্রমাণিত যে, রসূলে আকরমের ওফাতের অব্যবহিত পরেই আনসারগণ সাকিফাহ্-বানু-সাঈদায় সমবেত হন ও নিজেদের মধ্য থেকে খলিফা নির্বাচনের বিষয় আলোচনা করতে থাকেন। লোক-মুখে এ সংবাদ পেয়েই ওমর আবুবকরকে সঙ্গে নিয়ে সেখানে উপস্থিত হন। আলী ও ফাতেমার গৃহে বানু- হাশিম গোত্রের সভায় উপস্থিত হন। এ-সম্বন্ধে সহীহ্ বোখারী থেকে ওমরের উক্তি বিশেষ স্মরণীয়।

    আমাদের ভাগ্যে এরূপ পরিস্থিতির উদ্ভব হয়। আঁ-হযরতের ওফাতের পর আনসাররা একটি পৃথক জোটে বিভক্ত হয়ে যান এবং সাকিফাহ্-বানু-সাঈদায় একত্র হয়ে আমাদের বিপক্ষতা করতে থাকেন। অন্যদিকে আলী, জুবায়ের ও তাঁদের অনুগামীরাও আমাদের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে যান। তখন অবস্থা এই যে, মুহাজেরীন আবুবকরের অধীনে একত্র হন।

    ওমরের এ ভাষণ দেওয়া হয়েছিল পরবর্তীকালে এক বিশাল জনতার সম্মুখে, যেখানে বহুশত বিশিষ্ট সাহাবা উপস্থিত ছিলেন। কিন্তু এ উক্তির কোনও প্রতিবাদ ওঠে নি। অতএব এরূপ অনুমান সমীচীন হবে না যে, এ উক্তি বাস্তব ঘটনার বিপরীত ছিল।

    এখন বিবেচ্য এই যে, এরূপ বিভিন্ন জোটে বিভক্ত মুসলিমদের শেষ পরিণতি কী হতে পারতো?

    হযরতের ওফাতের সময় মদিনায় বহু দুষ্কৃতমনা মুনাফেক ছিল, যারা শুধু ইসলামের প্রতিষ্ঠাতার মৃত্যুর অপেক্ষায় ছিল, তার উপর মৃত্যুবাণ হানতে। এরূপ কঠিন সময়ে শোকাচ্ছন্ন হওয়ার চেয়ে বেশি দরকার হয়ে উঠেছিল, ঝটিতি খলিফা মনোনীত করে ফেলে এবং অবস্থা আয়ত্তে আনয়ন করে শৃঙ্খলা স্থাপন করা। আনসারগণ সঙ্গোপনে নিজেদের মধ্যে খেলাফতের প্রশ্ন আলোচনা করে পরিস্থিতি আরও জটিল করে তুলেছিলেন। অথচ এ কথা সর্বজনবিদিত যে, কোরায়েশরা তাঁদের চক্ষে হেয় আনসারদের কর্তৃত্ব কখনই মাথা পেতে নিতেন না। তাছাড়া সারা আরবের কোনও গোত্রও আনসারদের প্রাধান্য স্বীকার করতো না। সাকিফায় আবুবকরের একটি উক্তি থেকেই এ-মতের পোষকতা মিলে : আরবদের অধিবাসীরা কখনও এরূপ মনোনয়নে স্বীকৃত হবে না, অন্তত যতদিন কোরায়েশরা জীবিত থাকবে।

    এই সঙ্কটমুহূর্তে ওমরের কৃতিত্ব হচ্ছে কালের ঝুঁটি ধরে ঘটনাস্রোতের গতিরোধ করা এবং বিন্দুমাত্র সময় অপব্যয় না করে আবুবকরের হাতে হাত রেখে বায়আত বা বশ্যতা স্বীকার করা। তাঁর এ সিদ্ধান্তের পিছনে বলিষ্ঠ যুক্তিও ছিল: দাবীদারদের মধ্যে আবুবকর ছিলেন বয়োজ্যেষ্ঠ, সবচেয়ে ব্যক্তিত্বশালী এবং সর্বাপেক্ষা শ্রদ্ধেয় ও গ্রহণযোগ্য ব্যক্তি।

    ওমর বায়আত কালে বলেছিলেন: আবুবকর! হযরত কি নির্দেশ দেন নি যে, আপনি মুসলিমদের নামাযে ইমামতি করবেন? আপনি খলিফায়ে রসূল এবং আমি আপনার হাতে বায়আত করছি এই কারণে যে, আপনি আমাদের সকলের চেয়ে রসূলের প্রিয়বন্ধু ছিলেন।

    এমন অকাট্য ও অন্তরস্পর্শী যুক্তির পর আর মতভেদ থাকতে পারে? স্বয়ং আবু ওবায়দাহ্ সঙ্গে সঙ্গে হাত বাড়িয়ে আবুবকরের হাতে বায়আত করলেন। আনসারদের ঐক্য ভেঙ্গে গেল এবং ওবায়দাহ্ ব্যতীত সকলেই আবুবকরের বশ্যতা স্বীকার করলো। তখন সকলে মসজিদে নববীতে উপস্থিত হলেন। সেখানে ওসমান আবদুর রহমান ইনে আউফ আবুবকরের বশ্যতা স্বীকার করলেন। তারপর বিশ্বনবীর পবিত্র দেহাবশেষ সমাহিত করার সুব্যবস্থা করা হয়।

    পরদিন আবুবকর মসজিদে-নববীতে উপস্থিত হলে উপস্থিত জনগণকে ওমর এক মর্মস্পর্শী বক্তৃতা দান করেন ও বলেন : ‘আল্লাহ্ তোমাদের কর্মসূত্র এমন এক ব্যক্তির হাতে তুলে দিয়েছেন, যিনি আমাদের সবার উত্তম। তিনি রসূলুল্লাহ্ প্রিয়বন্ধু, আর যখন দুজনে গুহায় আশ্রয় গ্রহণ করেছিলেন, তখনও ছিলেন প্রিয়সঙ্গী। অতএব, তোমরা সকলেই তাঁর হাতে বায়আত করো।’ তখন সকলেই দণ্ডায়মান হয় এবং সকিফাহ্-বানু- সাঈদার পর দ্বিতীয়বার সর্বসাধারণের বশ্যতা গ্রহণ পর্ব সমাধা হয়।

    একমাত্র ভিন্নমত পোষণকারী জোট রয়ে গেলেন বানু-হাশিম ও তাঁদের নেতা আলী। বানু হাশিম আলী ব্যতীত অন্য কোন ও ব্যক্তির নিকট নতি স্বীকার করতে স্বীকৃত হন নি। যতদিন বিবি ফাতেমা জীবিত ছিলেন ততদিন আলী বায়আত করেন নি। সহীহ্-বুখারীর খয়বর যুদ্ধের অধ্যায়ে একটি উক্তি আছে যে, আবুবকরের নির্বাচনের ছয়মাস পরে বিবি ফাতেমা জোহরার ওফাত হলে পর আলী আবুবকরের নিকট বায়আত গ্রহণ করবার উদ্দেশ্যে সাক্ষাৎ প্রার্থনা করেন। কিন্তু আলী একথাও বলে পাঠান যে আবুবকর একাকী আসবেন, কারণ ওমরের উপস্থিতি তাঁর পছন্দ নয়।

    আলী ইবনে-আবিতালিব এবং বানু-হাশিম যে উপযুক্ত আবুবকরের বায়আত করেন নি, তার কারণ নির্দেশে ওমরের রূঢ় ব্যবহার ও অতি ব্যগ্রতা হেতু আলীর বিরক্তি সৃষ্টি হওয়ার দিকে অনেকে ইঙ্গিত করেছেন। এর সত্যতা একেবারে অস্বীকৃত না হলেও আসল কারণটি কি ছিল, তা নির্ণয় করা শক্ত। তবে ইতিহাসের সাক্ষ্যে এ-কথা নিঃসন্দেহে বলা যায় না যে, আলী ও বানু-হাশিম অন্য মুসলিমদের মতো নির্দ্বিধায়, একসঙ্গে আবুবকরের বায়আত কবুল করেছিলেন। প্রকৃত কারণ এই যে, রসুল-নন্দিনী ফাতেমা জোহরা জীবনের শেষদিন পর্যন্ত আবুবকরের প্রতি বিমুখ ছিলেন। আবুবকর তাঁকে পিতৃসম্পদ থেকে বঞ্চিত করেছিলেন, এ জন্যেই তাঁর বিরাগ সৃষ্টি হয়েছিল? কিংবা তিনি স্বামী আলীকে খেলাফতের প্রশ্নে আবুবকরের চেয়ে যোগ্যতর মনে করতেন? এসব প্রশ্নের জওয়াবে যথেষ্ট মতভেদ আছে, কিন্তু একথা নিঃসন্দেহে প্রমাণিত যে, ওমর আবুবকরের সঙ্গে এ সিদ্ধান্তে একমত ছিলেন যে, নবীর উত্তরাধিকার সদকাহ্, যার কেউ ব্যক্তিগত উত্তরাধিকারী হতে পারে না। আর ওমরের এ সিদ্ধান্তই ফাতেমা জোহরার সমূহ বিরাগের কারণ হয়। এখানে প্রশ্ন ওঠে যে, ফাতেমা জোহরার এই বিরাগই কি আলীর বায়আতে অস্বীকৃতি এবং ওমরের তাঁদের প্রতি অসন্তোষের সৃষ্টি করেছিল, যার দরুন ওমর নিজের হাতেই খলিফা নির্বাচনের বিষয়টি একান্তভাবে গ্রহণ করেছিলেন? আসল কারণ যাই হোক, এর পরিণতিতে ইসলামের ইতিহাসে এক বেদনাদায়ক অপ্রীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে, যার দুরপনের প্রভাব আজও দূরীভূত হয় নি। এবং যার কম বেশি প্রকাশ আজও শীয়া ও আলী পন্থীদের ব্যবহারে সুস্পষ্ট। তাঁরা ওমরকে শুধু অশ্রদ্ধাই করেন না, বরং বিরাগযুক্ত বিরূপ দৃষ্টিতেই দেখে থাকেন।

    একথা অনস্বীকার্য যে, ওমরের প্রকৃতিই ছিল উগ্র ও কোপন স্বভাবের। এবং এই সংকট মুহূর্তে ফাতেমা জোহরার গৃহ বানু-হাশিমের যড়যন্ত্রের কেন্দ্রস্থলে পরিণত হওয়া তিনি বরদাশত করতে পারেন নি। এ-জন্যে এ বিষয়ে তাঁর ব্যবহারে রূঢ়তা ও অতি- ব্যগ্রতা নবী-নন্দিনীর চক্ষে অসহ্য হয়ে উঠেছিল। তবু এ-কথা অস্বীকার করা চলে না যে, ওমরের আচরণে কোমলতা না থাকলেও পরিস্থিতি উপলব্ধিতে ও ঘটনাস্রোত বিশ্লেষণে তাঁর এতটুকু ভুল হয় নি, দৃষ্টি বিভ্রান্তি হয় নি এবং দৃঢ়তার অভাব হয় নি। এ-জন্যেই যড়যন্ত্রের অঙ্কুরেই বিনাশ সাধন সম্ভব হয়েছিল। যদি বানু-হাশিমের ষড়যন্ত্র ও কুমন্ত্রণা উপেক্ষা করা হতো, তাহলে পরিস্থিতি এরূপ ভীষণ ঘোরালো হয়ে উঠতো, যার দরুন ইসলামী ভ্রাতৃত্বের, ঐক্যের ও শৃঙ্খলার মূলেই কুঠারাঘাত করা হতো এবং তার ফলে তখনই এমন অন্তর্বিপ্লব আরম্ভ হয়ে যেতো, যা আলী ও মাবিয়ার মধ্যে পঁচিশ বছর পরেই অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

    এ সব কার্যকলাপ নিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গিতে বিশ্লেষণ করিলে সহজেই প্রতীয়মান হয়, খেলাফতের প্রতিষ্ঠায় ওমরের ভূমিকা ও কৃতিত্ব কী পরিমাণের ছিল।

    আবুবকরের খেলাফত দুবছর তিন মাস স্থায়ী ছিল। তাঁর ওফাত হয় তের হিজরীর জয়াদিউস্-সানি মাসের তেইশ তারিখে (২২শে আগস্ট, ৬৩৪ খ্রি.)। বলা বাহুল্য যে, তাঁর আমলে অনুষ্ঠিত প্রত্যেকটি কর্মে ওমরের ভূমিকা ছিল সক্রিয় এবং ওমরের উপদেশের গুরুত্বও ছিল তাঁর চক্ষে অনেকখানি। এ সবের বিস্তৃত পরিচয় মিলবে আবুবকর সিদ্দীকের জীবনীতে এবং এখানে সে-সবের উল্লেখ পুনরুক্তি হবে বিবেচনায় বর্জন করা গেল। কেবল একটি মাত্র ঘটনার উল্লেখ করে তার ইঙ্গিত মাত্র দেওয়া যেতে পারে।

    খলিফা নির্বাচিত হওয়ার পরদিন আবুবকর বাজারে তাঁর দোকানে যাচ্ছিলেন। পথে ওমরের সঙ্গে দেখা। ওমর জিজ্ঞাসা করলেন: আপনি কোথায় চলেছেন? আবুবকর জওয়াব দিলেন: কেন, বাজারে, নিজের দোকানে। ওমর বললেন: আপনি যদি দোকানে বসে থাকেন, তবে দেশের শাসন চালাবেন কী করে? আবুবকর বললেন: কিন্তু আমার ঘর-সংসার চলবে কী করে?

    ওমর চিন্তা করলেন সত্যিই তো খলিফার অন্য-সংস্থান না হলে দেশের শাসন চলবে কি করে! তখনই তিনি প্রধান সাহাবাদের মজলিশ ডেকে স্থির করে ফেললেন, একজন মানুষের দৈনিক যা খরচ লাগে, সেই পরিমাণ হিসেবে আবুবকরের সংসারে বায়তুল-মাল থেকে রোজ বরাদ্দ দেওয়া হবে। কিন্তু তিনি সংসারের অন্য কোনও কাজ- কারবার করতে পারবেন না। এভাবে খলিফার বরাদ্দ স্থির হয় ওমরের মধ্যস্থতায়। এখানে আর একটি কাহিনীর উল্লেখ করে আবুবকরের ন্যায়নিষ্ঠার পরিচয় দেওয়া অপ্রাসঙ্গিক হবে না। উপরোক্ত বরাদ্দমতে আবুবকরের সংসার চলতে লাগলো। একদিন তাঁকে হালুয়া খেতে দেওয়া হলো। তিনি স্ত্রীকে জিজ্ঞাসা করলেন: হালুয়া কে সওগাত পাঠিয়েছে? স্ত্রী বললেন: কেউ পাঠায় নি। আমি দৈনিক বরাদ্দ থেকে কিছু বাঁচিয়ে হালুয়া তৈরি করেছি। আবুবকর শঙ্কিত হয়ে জানতে চাইলেন, উদ্বৃত্তের পরিমাণ কতো স্ত্রী পরিমাণ জানালে ধর্মভীরু আবুবকর তখনই বায়তুল-মালের রক্ষককে নির্দেশ দিলেন, সে পরিমাণ বরাদ্দ কম দিতে।

    বহুদিনের ঘনিষ্ঠ সহকর্মী হিসেবে আবুবকরের মনে দৃঢ় বিশ্বাস জন্মেছিল যে, তাঁর পরে খেলাফতের গুরুভার দায়িত্বগ্রহণের যোগ্যতা রয়েছে একমাত্র ওমরেরই। তবু জীবন-সন্ধ্যা যখন ঘনিয়ে এল তখন আবুবকর একবার লোকমত যাচাই করতে চাইলেন। তিনি স্থির সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছিলেন যে নিজেই উত্তরাধিকারী মনোনীত করে যাবেন। আঁ-হযরতের ওফাতের পর খেলাফতের প্রশ্ন নিয়ে আনসারদের জোট পাকানো এবং সকিফাহ্-বনি সাঈদার কার্যক্রম তাঁর চোখে ভেসে উঠলো। পুনরায় যদি তাঁর মৃত্যুর পর এই প্রশ্ন নিয়ে মতভেদের সৃষ্টি হয় তাহলে তার সমাধান নিশ্চয়ই সহজ হবে না। এবার এ প্রশ্নের সমাধান আনসার-মুহাজেরদের মধ্যেই সীমিত থাকবে না। ইরাক ও সিরিয়ার যুদ্ধরত মুজাহিদের মধ্যেও মতভেদ ছড়িয়ে পড়িবে; এবং তারা ইতিমধ্যেই ইরান ও রোম-সম্রাটের শক্তির স্বাদ পেয়েছে। এবার যদি একই প্রশ্ন পুনরায় প্রবল হয়ে ওঠে, তা হলে সারা আরবে তা বিস্তৃত হয়ে পড়বে এবং তার ফলে আরদ্ধ সকল কর্মই পণ্ড হয়ে যাবে। কিন্তু তিনি কাউকে উত্তরাধিকারী মনোনীত করে গেলে এবং মুসলিমগণ তাঁকে স্বীকার করে নিলে বিষয়টার সহজ সমাধান হয়ে যাবে। তিনি আরও চিন্তা করছিলেন: রসুলুল্লাহ নিজের খলিফা মনোনীত করে যান নি। তার কারণ এই ছিল, পাছে জনগণ ভেবে বসে যে, এরূপ মনোনয়ন ওহী রব্বানীর সমর্থিত ছিল এবং সে খলিফা হতেন খলিফাতুল্লাহ নামাঙ্কিত। কিন্তু আবুবকর যদি কাউকে নিজের খলিফা মনোনীত করেন, তাহলে এরূপ সংশয় সৃষ্টির অবকাশ থাকে না, অথচ মুসলিমরাও মতবিরোধের শিকার হয় না। অন্যদিকে ইসলামী এলাকা বিস্তৃতির কাজও পূর্ণবিক্রমে চলতে থাকে। কিন্তু ওমরেরই খলিফা হওয়া এবং সমগ্র জনগণের তাতে সম্মতি থাকাও একান্ত দরকার। যদি জনগণকে ওমরের খেলাফতীতে একমত করানো যায়, তাহলে আল্লাহ্ দৃষ্টিতেও ইসলামের উন্নতি ও সাফল্যের হেতু হবে।

    এ সব ভেবে-চিন্তে আবুবকর প্রথমে আবদুর রহমান ইবনে আউফকে এবং ওমরের মনোনয়ন সম্বন্ধে তাঁর মতামত চাইলেন। আবদুর রহমান বললেন, আপনার ওমর সম্বন্ধে যা ধারণা, ওমর তারও অনেক উচ্চে কিন্তু মেজাজ বড়ো উগ্র। আবুবকর বললেন, আমার কোমল প্রকৃতির পরিপূর্ণতার্থেই তার এই উগ্রতা। কিন্তু দায়িত্ব ঘাড়ে পড়লেই উগ্রতা প্রশমিত হয়ে যাবে। আমি বিশেষ ঘনিষ্ঠভাবেই তাকে পরীক্ষা করে দেখেছি, আমি যখন রাগান্বিত হয়েছি, সে তখন নরম হতে চেষ্টা করেছে, আর আমি নরম হলে সে উগ্র হয়েছে।

    তারপর ওসমানকে ডাকানো হয় এবং তাঁর অভিমত চাওয়া হয়। ওসমান বললেন, আল্লাহ্ উত্তম জানেন। আমার যতদূর ধারণা, তাঁর বাইরের চেয়ে ভিতরটা অতি উত্তম এবং আমরা কেউ তাঁর সমকক্ষ নই। ওসমান চলে গেলে সঈদ-ইবনে জায়েদ, আসাদ ইবনে-হুজায়ের এবং আরও আনসারী ও মুহাজেরীনকে ডেকে মত চাওয়া হয়। অন্য সাহাবাগণ যখন আবুকরের এ অভিপ্রায় অবগত হয় তখন তারা আশঙ্কা করেন যে, ওমর খলিফা হলে তাঁর রুঢ় ও কোপন স্বভাব মুসলিমদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করবে। অতএব তাঁকে ইচ্ছা থেকে বিরত করতে হবে। এরূপ চিন্তা করে তাঁরা আবুবকরের সমীপে উপস্থিত হন। তাঁদের মধ্যে তালহা নিজের ভীতি প্রকাশ করে বললেন: আপনি যথেষ্ট জানেন, আপনার জীবদ্দশাতেই ওমর কী রকম রূঢ়ভাবে আমাদের সঙ্গে ব্যবহার করেন। আল্লাহ্ জানেন, খেলাফতের দায়িত্ব হাতে পেলে তিনি আমাদের প্রতি কিরূপ ব্যবহার করবেন। আপনি তো আমাদেরকে চিরকালের জন্যে ছেড়ে যাচ্ছেন, অথচ আমাদের ভাগ্য এমন একজন লোকের হাতে ছেড়ে দিচ্ছেন, যে কঠোর হাতেই আমাদের উপর শাসন চালাবে। আপনি আল্লাহ্র নিকট আমাদের সম্বন্ধে কী জবাবদিহি করবেন?

    আবুবকর কিঞ্চিৎ উষ্ণভাবেই জওয়াব দিলেন: আমায় আল্লাহ্র ভয় দেখাচ্ছো? জেনে রাখো, আমি আল্লাহকে বলবো, আমি আপনার বান্দাদেরকে এমন একজনের হেফাজতে রেখে এসেছি যে, সবার শ্রেষ্ঠ।

    এ কথা বলেই ওমর ওসমানকে তলব করলেন এবং ওসিওনামা লিখতে নির্দেশ দিলেন। ভূমিকাটুকু বলে দেওয়ার পরই আবুবকর মূর্ছিত হলেন। ওসমান কিন্তু লিখেই চললেন: আমি এতদ্বারা ওমরকে খলিফা নিযুক্ত করলেম। মূর্ছাভঙ্গের পর আবুবকর ওসমানকে নির্দেশ দিলেন, লিখিত অংশ পড়ে শোনাতে। সবটুকু শোনা শেষ হলেই আবুবকর বলে উঠলেন: আল্লাহু আকবর! আল্লাহ্ তোমায় পুরস্কৃত করবেন।

    অতঃপর ওসিওনামাখানি একজন অনুচরের হাতে দিয়ে আবুবকর নির্দেশ দিলেন, সমবেত জনগণকে উচ্চস্বরে পড়ে শোনাতে। তারপর তিনি অলিন্দে উঠে জনগণকে সম্বোধন করলেন: আমি আমার কোনও আত্মীয় স্বজনকে খলিফা নিযুক্ত করি নি, আমি ওমরকে নিযুক্ত করেছি। তোমরা এ বন্দোবস্ত পছন্দ কর? জনগণ একবাক্যে প্রত্যুত্তর করলো: আমরা আপনার বাণী শুনেছি আপনার নির্দেশ শিরোধার্য করছি।

    আবুবকর মহাপ্রশান্তি অনুভব করলেন। তারপর ওমরকে উপদেশ দান করলেন, ইরাক ও সিরিয়ার যুদ্ধ পূর্ণ উদ্যমে চালিয়ে যেতে। আরও স্মরণ করিয়ে দিলেন, খলিফাতুল-মুসলেমীন হিসাবে কোন্ কোন্ কর্তব্যের মধ্য দিয়ে আল্লাহ্ সন্ধান মিলে। আল্লাহ্ সর্বদাই আসেন করুণাধারায়। তিনি রুদ্র আলোকেও আসেন, যাতে মানুষ তাঁর কথা ভুলে না যায় এবং তার পক্ষে যা বৈধ নয়, তার জন্যে লালায়িত না হয়। এ-ভাবেই সে অদৃশ্য সবকিছুর মধ্যে মৃত্যুকে সবচেয়ে শ্রষ্ঠ বন্ধু মনে করে।

    ওমর খেলাফতের গুরুদায়িত্ব অনুভব করে অভিভূত হয়ে পড়লেন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআইরিন – পিয়ের লেমেইত
    Next Article আমার বোকা শৈশব – আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ

    Related Articles

    আশাপূর্ণা দেবী

    সমুদ্র কন্যা – আশাপূর্ণা দেবী

    April 24, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    আমাদের মহাভারত – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    March 20, 2026
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Our Picks

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026

    শ্মশানকোকিলের ডাক – সৌভিক চক্রবর্তী

    May 1, 2026

    এসো না অসময়ে – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }