Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026

    শ্মশানকোকিলের ডাক – সৌভিক চক্রবর্তী

    May 1, 2026

    এসো না অসময়ে – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    হযরত ওমর – আবদুল মওদুদ

    লেখক এক পাতা গল্প288 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    রাজ্যজয় ও রাষ্ট্রগঠন

    ওমরের সাড়ে দশ বছর খেলাফৎ আমলে মোট বাইশ লক্ষ একান্ন হাজার ত্রিশ বর্গমাইল ভূ-খণ্ড ইসলামিস্তানের অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল। তার বিস্তৃতি ছিল মক্কাকে কেন্দ্র করে এক হাজার ছত্রিশ মাইল উত্তরে, এক হাজার সাতাশি মাইল পূর্বে এবং চারশো তিরাশি মাইল দক্ষিণে, পশ্চিমে লোহিত সাগরের উপকূল পর্যন্ত বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে। এই ভূখণ্ড সমগ্র ইন্দো-পাকিস্তান উপমহাদেশ ও ইরানের সমষ্টি এলাকার প্রায় সমতুল্য। পশ্চিমে মিসর থেকে শুরু করে সিরিয়া, খোজিস্তান, ইরাক-আরব, ইরাক-আযম, আর্মেনিয়া, আজরবাইজান, ফারস্, কিরমান, খোরাসান, মাকরান ও পূর্ব সীমান্তে বেলুচিস্তানের কিয়দংশ ছিল এই বিশাল ভূখণ্ডের অন্তর্ভুক্ত। আরও উল্লেখযোগ্য যে, এই ভূখণ্ডে তখন পারস্যের কিার ও পূর্ব রোমক রাজ্যের সীজারের দুটি সাম্রাজ্য অবস্থিত ছিল। আর এই সাম্রাজ্য দুটিই ছিল সমকালীন বিদিত পৃথিবীর মধ্যে ধন-সম্পদে, সামরিক শক্তিমত্তায়, কৃষ্টিসভ্যতায় ও শিল্পকলায় শীর্ষস্থানীয়।

    এই বিশাল ভূখণ্ডের এমন বিদ্যুৎগতিতে অধিকার সম্বন্ধে আলোচনাকালে পাশ্চাত্য ঐতিহাসিকগণ বলে থাকেন, পূর্বরোমক সাম্রাজ্যের ও কিরা সাম্রাজ্যের হীনবল ও অন্তিমদশাই হলো আরব-বিজয়ের প্রথম কারণ। আর দ্বিতীয় কারণ হলো, ধর্মীয় বিরোধ-বিক্ষোভহেতু স্থানীয় বাসিন্দাদের বিজেতাগণকে সাদর আহ্বান। পারস্যের মাজদক ও নেস্টরীয় খ্রিস্টান সম্প্রদায় এবং পূর্বরোমক সাম্রাজ্যের বিশেষত মিসরের খ্রিস্টানরা নয়া ‘মনোলিথিক’চার্চের বিরোধী থাকায় এ সব ক্ষুব্ধ ধর্মসম্প্রদায় নিজ নিজ রাজশক্তির বিরুদ্ধভাবাপন্ন ছিল এবং তাঁরাই সক্রিয়ভাবে সাহায্য দান করে নবাগত বিজেতাদেরকে সাদর সম্ভাষণ জানিয়েছিল। তার ফলেই আরব বিজয় অভিযান দ্রুত সাফল্যমণ্ডিত হয়েছিল।

    কারণ দুটিতে কিছুটা সত্য থাকলেও, তাই সবটুকু নয়। আলোচ্য সাম্রাজ্য দুটি উন্নতির শীর্ষবিন্দুতে অধিষ্ঠিত না থাকলেও মোটেই এমন হীনবল ছিল না যে, মরুচর আরবজাতির ন্যায় অর্ধসভ্য ও অনুন্নত শক্তির হাতে ভেঙ্গে চুরমার হওয়ার মতো অন্তঃসারশূন্য ছিল। পারসিকরা ও বাইজান্টাইনরা নিঃসন্দেহে যুদ্ধবিদ্যায় পারদর্শী ছিল। তাদের সমরাস্ত্র সমূহও উন্নত ধরনের ছিল। তাছাড়া তাদের ছিল অসংখ্য লোকবল, অতুলনীয় অর্থবল, প্রচুর রসদ-সম্ভার এবং অসংখ্য সুরক্ষিত কিল্লা ও সমরঘাটি। তাঁদেরকে আক্রমণাত্মক পন্থা অবলম্বন করতে হয় নি, নিজের সুপরিচিত ও সুরক্ষিত পরিবেশে প্রতিরক্ষার ব্যবস্থা সুদৃঢ় করে আত্মরক্ষা করতে হয়েছিল। একথা স্মরণীয় যে, মুসলিমদের পারস্যাভিযানে যসর, বুরায়েব, কাদিসিয়া, জালুলা, মাদায়েন, জাজিরাহ্, খোরাসান, জান্দিসাবুর, নিহাওন্দ, কামুস, আজারবাইজান, ফারস, কিরমান, সিস্তান, মাকরান ও খোরাসানে; সিরিয়া অভিযানকালে আজনা-দায়েন, দামেশক, হাল, হিস্‌, ইয়ারমুক, এমেসা ও সিজারিয়ায় এবং মিসর বিজয়াভিযানে ফারমা, ব্যাবিলন আলেকজান্দ্রিয়া ও অন্যান্য স্থানে প্রতিপক্ষের প্রবল বাধার সম্মুখীন হতে হয়েছিল। বিশেষত কাদিসিয়া, নিহাওন্দ, ইয়ারমুক ও আলেকজান্দ্রিয়ায় সংগ্রামকালে মুসলিমরা ভাগ্যবিপর্যয়েরও সম্মুখীন হয়ে পর্বতপ্রমাণ বাধাবিপত্তি সহ্য করে বিজয়মাল্য লাভ করেছিল। প্রতিটি শহর ও দুর্গ তাদেরকে প্রবল বাধা দিয়েছে, প্রতিটি দেশে ইঞ্চি ইঞ্চি করে অগ্রসর হতে হয়েছে। রোমক বীর জুলিয়াস সীজারের মতো ‘ভেনি ভিদি ভিসি’ অর্থাৎ ‘এলাম, দেখলাম ও জয় করলাম’ সৌভাগ্য তাদের কোনও ক্ষেত্রেই হয় নি। দুটি প্রাচীন ও ঐতিহ্যশালী সাম্রাজ্যের বিরুদ্ধে, একই সঙ্গে আক্রমণাত্মক সংগ্রাম পরিচালনাকালে মুসলিম সেনাবাহিনীর সংখ্যা কোনও সময় একলক্ষেরও উর্ধ্বে ওঠে নি। অথচ ইয়ারমুকের যুদ্ধে বিপক্ষ দলের সৈন্যসংখ্যা ছিল দুই লক্ষের উপর।

    পারস্যের প্রবল প্রতাপ কিসরা পারভেজ আঁ-হযরতের সময় জীবিত ছিলেন এবং কাদিসিয়ার যুদ্ধ হয় চৌদ্দ হিজরীতে অর্থাৎ পারভেজের মৃত্যুর তিন বছরের মধ্যেই। এতো অল্প সময়ে এতো শক্তিশালী সাম্রাজ্য হীনবল হওয়ার কথা নয়, তার অর্থ বল, সৈন্যবল পূর্বের মতোই অক্ষুন্ন ছিল। আর স্থানীয় মাজদক বা খ্রিস্টান সম্প্রদায় কোন সময়ে আরবদের সাহায্য করেছে, এমন তথ্যও ইতিহাসে মেলে না। বরং স্বদেশ রক্ষার্থে তারা রাজশক্তির সঙ্গে হাত মিলিয়ে যুদ্ধ করেছে, এরূপ সাক্ষ্যই পাওয়া যায়।

    অপরদিকে সীজার হিরাক্লিয়াসও ছিলেন প্রবল প্রতাপান্বিত সম্রাট। ৬২৯ খ্রিস্টাব্দে তিনি খ্রিস্টান-জগতের নয়া ত্রাতা ও পূর্বরোমক সাম্রাজ্যের ক্রুশটি উদ্ধার করেন ও বিরাট শান-শওকতের সঙ্গে জেরুজালেমে তার পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেন। তখন তার অখণ্ড প্রতাপ। মুতার যুদ্ধে (৮ হিজরী=৬৩০ খ্রি.) তাঁর অজেয় বাহিনী মুসলিমদের পরাজিত করেছে এবং আরবদের অন্তর্ভেদ করে মদীনা আক্রমণের জন্য হুমকি দেওয়ায় আরবজাতি দুরুদুরু বক্ষে প্রতীক্ষা করেছে। অথচ মাত্র ছয় বছর পরে ইয়ারমুকের যুদ্ধে (১৫ হি.=৬৩৬ খ্রি.) সীজারের বিশ্বত্রাসী বিরাট বাহিনী বিধ্বস্ত হয়ে গেছে সেই আরবজাতির হস্তে এবং হিরাক্লিয়াস্ শশকের মতো বাইজান্টাইনের পথে পলায়ন করেছেন সিরিয়াকে চিরবিদায় জ্ঞাপন করে। এ কি শুধু ভাগ্যের লীলাবৈচিত্র্য, না আরও কোনও বাস্তব কারণঘটিত?

    আমাদের দৃষ্টিতে মুসলিম-বিজয়ের প্রকৃত কারণ ছিল ইসলামের শিক্ষার মহিমা, যার দরুন গোটা আরবজাতি উৎসাহে, সঙ্কল্পে, একগ্রতায়, বীর্যে ও নির্ভীকতায় নয়াভাবে সন্দীপিত হয়েছিল এবং ওমরের ব্যক্তিত্বের বলে এ গুণাবলী সুতীক্ষ্ণ ও সুদৃঢ় হয়েছিল। তার সঙ্গে হয়েছিল একটা নয়া জাতির আত্মচেতনা, প্রাণবন্ত লৌহ-কঠিন মনোবল অত্যুচ্চ সাধুতা ও অপক্ষপাত ন্যায়পরায়ণতা। যখনই একটা নতুন অঞ্চল বিজিত হয়েছে, তার অধিবাসীরা বিজেতা মুসলিমদের অত্যুচ্চ চরিত্রবলে এবং ন্যায়দৃষ্টি ও সহানুভূতিতে মুগ্ধ হয়ে গেছে, আর তাদের অন্তর মন থেকে বিজেতাদের প্রতি বিরূপ মনোভাব নিঃশেষে মুছে গেছে। স্মরণীয় যে ইয়ারমুকের যুদ্ধের প্রাক্কালে মুসলিমরা যখন কয়েকটি অধিকৃত শহর পরিত্যাগ করতে বাধ্য হয়, তখন তারা সমস্ত আদায়কৃত জিয়া ফেরত দিয়েছে এবং খ্রিস্টান অধিবাসীরা মুসলিমদের পুনরাগমনের জন্যে প্রার্থনা জানিয়েছে ও ইহুদীরা তওরাত হাতে নিয়ে প্রতিজ্ঞা করেছে, সীজারকে তারা প্রাণ থাকতে আর গ্রহণ করবে না।

    দ্বিতীয় কারণ ছিল, সিরিয়া ও ইরাক প্রবাসী আরব গোত্রসমূহের মধ্যে জাতীয় ও গোত্রীয় চেতনায় ফল; এজন্যে তারা খ্রিস্টান হয়েও স্বজাতি আরব-বিজেতাদেরকে অন্তর দিয়ে গ্রহণ করেছে এবং প্রায় ক্ষেত্রে ইসলাম গ্রহণ করে মুসলিমদের সঙ্গে হাত মিলিয়েছে। দামেশকের ঘাস্সানী গোত্রীয় আরবরা সিরিয়া বিজয়কালে এবং ইরাকের লামিদ্ গোত্রীয় আরবরা প্রথম সুযোগেই স্বজাতির সঙ্গে মিশে গেছে এবং সীজার ও কিার বিরুদ্ধে সাহায্য করেছে। সিরিয়া অভিযানকালে আরও লক্ষ্য করা গেছে যে, রোমসম্রাটের বিরুদ্ধে প্রজামণ্ডলী বিরূপ ছিল প্রধানত তিনটি কারণে : অসহনীয় করভার, ভূমিদাসত্বের প্রবর্তন এবং ইহুদীদের রোম-চার্চের বিরুদ্ধবাদীদের প্রতি ধর্মীয় জুলুম। মিসরকে বাইজান্টাইন সাম্রাজ্যের শস্যভাণ্ডার হিসেবে বিবেচনা করা হতো এবং কৃষিজাত শস্যের অধিকাংশই শোষণ করে কনস্টান্টিনোপলে চালান করে দেওয়া হতো। এজন্যে প্রজাকুল সীজারের শোষণ নীতির ফলে ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেছিল এবং অন্তর-মনে তাঁর শাসনের ইতি কামনা করতো।

    ওমরের বিজয়সমূহের সঙ্গে আলেকজান্দার, চেঙ্গিস খান, নেবুকাত-নাজার, অমীর তাইমুর, নাদির শাহ্ প্রভৃতি বিশ্ববিজয়ী বীরের বিজয়-কাহিনীর সঙ্গে অনেকে তুলনামূলক আলোচনা করে থাকেন। অবশ্য এ রকম তুলনা কোনক্ষেত্রেই শোভনীয় ও সঙ্গত নয়। তবে তুলনার কথা প্রসঙ্গে এটুকু বলাই যথেষ্ট যে, তাঁদের সকলের বিজিত সাম্রাজ্য কোন্ দিন ধূল্যবলুণ্ঠিত হয়ে গেছে, কিন্তু তের শো বছরের পরেও ওমরের অধিকৃত এলাকাসমূহ এখনও মুসলিম শাসনাধীন আছে। আর ওমরের বিজয়সমূহের কোনও ক্ষেত্রে রক্তাক্ত হিংসার পথ অবলম্বিত হয় নি, কোথাও সামগ্রিকভাবে ধ্বংসাত্মক কার্য বা হত্যাকাণ্ড অনুষ্ঠিত হয় নি। যুদ্ধের পর প্রজাগণের জান-মাল নিরাপদ হয়েছে, এমন কি যুদ্ধের সময় নারী বা শিশু হত্যা, নিরীহ নগরবাসীর হত্যা বা উৎপীড়ন, এমন কি বৃক্ষ ফসলের ক্ষেত ধ্বংস করা হয় নি। প্রত্যেক ক্ষেত্রেই সন্ধির শর্তসমূহ সততার সঙ্গে প্রতিপালিত হয়েছে। এজন্যে ওমরের নামোচ্চারণও এ-সব বিশ্বত্রাস বীরগণের সঙ্গে শোভনীয় নয়। আরও লক্ষণীয় যে, আলেকজান্দার, চেঙ্গিস, তাইমুর প্রভৃতি স্বয়ং যুদ্ধক্ষেত্রে উপস্থিত থেকে যুদ্ধ পরিচালনা করেছেন, নরহত্যাযজ্ঞে সক্রিয় অংশগ্রহণ করেছেন; কিন্তু ওমর কখনও মদীনার বাইরে পদার্পণ করেন নি। অন্যান্য বীর অসংখ্য সশস্ত্র দেহরক্ষীবেষ্টিত হয়ে জনগণ মনে ত্রাস সঞ্চার করে ফিরেছেন। কিন্তু ওমর একজনও দেহরক্ষী বা দ্বাররক্ষী নিযুক্ত করেন নি। এমন কি দু’বার সিরিয়া যাত্রাকালে একটি মাত্র বাহন অনুচর ব্যতীত অন্য কোন সঙ্গী গ্রহণ করার প্রয়োজন অনুভব করেন নি। সাধারণের মধ্যে সমানভাবে মেলামেশা করেই নয়, একাত্ম হয়ে তাদের সঙ্গে মিশে যেয়ে এরূপ বিশাল ভূ-খণ্ডের শাসনদণ্ড পরিচালনার দ্বিতীয় দৃষ্টান্ত বিশ্ব-ইতিহাসে বিরল।

    অথচ ওমর ছিলেন কার্যত বিজয়সমূহের স্বয়ং সিপাহসালার। সামরিক বিভাগের সংগঠন, পরিকল্পনা, শৃঙ্খলাবিধান, নিয়ন্ত্রণ, সমস্তই তাঁর তর্জনী শাসিত ছিল। এমন কি, সৈন্য সংগ্রহ, ছাউনী নির্মাণ, সৈন্যদের কুচকাওয়াজ, সমরঘাঁটি নির্মাণ, অস্ত্রপরীক্ষা ও অনুমোদন, অবরোধ বা আক্রমণের গতি নিয়ন্ত্রণ, সব কিছুই ওমর মদীনার মসজিদের ধূলিশয্যায় বসে কৃতিত্বের সঙ্গে পালন করেন গেছেন। কাদিসিয়ার যুদ্ধকালে তিনি মদীনায় বসে যুদ্ধক্ষেত্রের ম্যাপ ঠিক করেছেন, সৈন্যবিন্যাসের ব্যবস্থা করেছেন, কে কোন দিকের বা কোন বাহুর সৈন্যাধ্যক্ষ হবেন, ও কে কিভাবে সৈন্য চালনা করবেন, তারও নির্দেশ প্রদান করেছেন নিখুঁতভাবে। নিহাওন্দ ও হিমসের যুদ্ধকালে মুসলিমবাহিনী কঠিন সঙ্কট-মুহূর্তের সম্মুখীন হলে ওমরই রণচাতুর্যের নির্দেশ দিয়ে শত্রুপক্ষকে বিধ্বস্ত করার উপায় বিধান করেছেন। সম্মুখসমরে উপস্থিত না হয়েও এ- রকম রণনীতি পারঙ্গমতার উদাহরণ ইতিহাসে সুলভ নয়।

    ওমর একহাতে রাজ্যজয় করেছেন, প্রশাসনিক ব্যবস্থা অবলম্বন করেছেন দক্ষতার সঙ্গে এবং শান্তি শৃঙ্খলা স্থাপনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাপনাও করেছেন সুচারুরূপে। এজন্যে যতগুলি দফতরের প্রয়োজন, সে সবেরও প্রতিষ্ঠা করেছেন এবং সে সবের সুষ্ঠু কার্যনির্বাহের প্রণালীও উদ্ভাবন করেছেন প্রবীণ শাসকের যোগ্যতা নিয়ে। বলা বাহুল্য, মুসলিম রাষ্ট্রের গোড়াপত্তন রসূলে করীমের দ্বারা হলেও প্রশাসনিক দফতরসমূহের সৃষ্টি ওমরের আমলেই হয়েছিল।

    ওমরের রাষ্ট্র-সংগঠনিক ব্যবস্থা এবং রাষ্ট্রীয় শাসন-নীতিসমূহের আলোচনার প্রারম্ভে এ কথা সুস্পষ্ট হওয়া দরকার যে, ইসলামী রাষ্ট্র ছিল পূর্ণ গণতান্ত্রিক, স্বেচ্ছাতান্ত্রিক বা একতান্ত্রিক নয়। আরব-চরিত্রের বৈশিষ্ট্য গণাভিসারী হওয়া, একনায়কত্ব তারা বরদাস্ত করতে পারতো না। এজন্যে ওমরের সম্মুখে রোমক ও পারসিক রাজতান্ত্রিক শাসনের দৃষ্টান্ত থাকলেও তিনি সহজেই গণতান্ত্রিক শাসনের অনুসারী হন। আধুনিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের যে কয়টি মৌল প্রতিষ্ঠান-গণানুমোদিত নিয়মতান্ত্রিক সরকার, গণপরিষদ ও স্বাধীন বিচার বিভাগ-সে-সবের বাস্তব রূপায়ণও হয়েছিল ওমরের হাতে।

    প্রথমেই উল্লেখ করা যায় ‘মজলিস-ই-শুরা’ বা মন্ত্রণাসভার। যখনই শাসনসংক্রান্ত কোনও প্রশ্ন দেখা দিত, তখনই ‘মজলিস-ই-শুরা’র অধিবেশনে ডাকা হতো, এবং খলিফা প্রশ্নটি উপস্থিত করে সকলের স্বাধীন মতামত আহ্বান করতেন। রীতিমতো তর্কবিতর্কের পর সংখ্যাধিক্যের মতানুযায়ী প্রশ্নটির মীমাংসা গৃহীত হতো। এই মজলিসে মুহাজেরীন ও আনসারী প্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকতেন। মজলিসের সদস্যসংখ্যা এবং তাঁদের সকলের নাম না পাওয়া গেলে, লক্ষ্য করা গেছে, ওসমান, আলী, আবদুর রহমান-বিন্-আউফ, মুয়ায-বিন্-জবল, উবায়-বিন্-কাব এবং যায়েদ- বিন্-সাবিত সভ্য হিসেবে বরাবর উপস্থিত থেকেছেন এবং আলোচনায় অংশগ্রহণ করে স্বাধীন মতামত ব্যক্ত করেছেন। মজলিসের অধিবেশনে এভাবে ডাকা হতো: একজন নির্দিষ্ট খতিব থাকতেন, তিনি মদীনাবাসীদেরকে নামাযে আহ্বান করতেন। সকলে উপস্থিত হলে ওমর প্রথমে মসজিদে নববীতে দুরাকাত নামায পড়তেন। তার পর মিম্বারে দাঁড়িয়ে বিষয়টি সকলের সম্মুখে উপস্থিত করতেন। সাধারণ দৈনন্দিন সমস্যাগুলির সমাধান এভাবে করা হতো। কিন্তু কোনও গুরুতর সমস্যা উপস্থিত হলে মুহাজেরীন ও আনসারীদের সাধারণ অধিবেশন ডাকা হতো। উদাহরণস্বরূপ বলা যেতে পারে, ইরাক ও সিরিয়া বিজয়ের পর কয়েকজন সাহাবা দাবী করেন যে, অধিকৃত অঞ্চলের জমি সৈন্যদেরকে ব্যক্তিগত সম্পত্তি হিসেবে বন্টন করে দেওয়া হোক। এ প্রশ্নের মীমাংসা হেতু আনসারী, মুহাজেরীন এবং আউস ও খাজরাজ গোত্রের পাঁচ জন করে নেতৃস্থানীয় ব্যক্তির মজলিস বসে। কয়েকদিন ধরে আলোচনা চলে। তখন ওমর যে বক্তৃতা দেন, তা থেকে খলিফার ক্ষমতা ও অধিকার সম্বন্ধে প্রত্যক্ষ পরিচয় মেলে: আমি আপনাদেরকে আহ্বান করেছি, রাষ্ট্র সম্বন্ধে আমার গুরুভার দায়িত্বের অংশগ্রহণ করতে। কারণ, আমি আপনাদেরই একজন মাত্র এবং আমি চাই নে, আপনারা আমার ইচ্ছার, অনুবর্তী হবেন। একুশ হিজরীতে নিহাওন্দ যুদ্ধের প্রাক্কালে সঙ্কট সম্বন্ধে বিবেচনার জন্যে বৃহৎ মজলিস ডাকা হয়। ওসমান, আলী, তালহা, জুবায়ের, আবদুর রহমান ও অনেকে বক্তৃতা করেন এবং সকলে মত প্রকাশ করেন, খলিফার স্বয়ং যুদ্ধস্থলে যাওয়া উচিত। কিন্তু সংখ্যাধিক্যের মতানুযায়ী স্থির হয়, খলিফার যুদ্ধে যাওয়া উচিত নয়। এই রকম সৈন্যদের বেতন ও ভাতা, দপ্তরের সৃষ্টি বিদেশীদের সঙ্গে অবাধ বাণিজ্য আমদানির মাসুল নির্ণয় প্রভৃতি রাষ্ট্রীয় প্রশ্নের মীমাংসা হতো মজলিস-ই-শুরায়। ওমর একবার পরিষ্কার বলেছিলেন, লা খিলাফাতুন ইল্লা আন মাশুরাতুন্-মন্ত্রণা ব্যতীত খেলাফত নেই।

    মজলিসে-ই-শুরা বা মন্ত্রণাসভা ডাকা হতো রাষ্ট্রীয় কঠিন সমস্যা সমাধানের বিশেষ ক্ষেত্রে। দৈনন্দিন শাসনকার্য নির্বাহ ও অন্যান্য ছোট ছোট বিষয়ের মীমাংসার জন্যে দ্বিতীয় একটি মন্ত্রণাসভা ছিল। এই সভার অধিবেশনে বরাবর মসজিদে-নববীতে বসতো এবং মুহাজেরীন অংশগ্রহণ করতেন। প্রদেশ ও জিলাসমূহ থেকে যে দৈনন্দিন প্রশাসনিক রিপোর্ট আসতো, এ সভায় তা পেশ করা হতো, আলোচিত হতো ও যথানির্দেশ জ্ঞাপন করা হতো। অগ্নিপূজকদের উপর জিয়া প্রবর্তনের মীমাংসা এই সভায় স্থির হয়। ওমর সমাগত সভ্যদের সঙ্গে মসজিদে নামাযের পাটিতে বসেই সেসবের মীমাংসা করে ফেলতেন।

    উপরে মজলিস-ই-শুরা সম্বন্ধে যা বলা হয়েছে, আসলে তা ছিল পরামর্শসভা; আধুনিক পরিষদ (লেজিসলেচার) বলতে যা বোঝায়, তেমন কোনও পরিষদ খুলাফায়ে রাশেদীনের আমলে ছিল না। কিন্তু যখনই কোনও রাষ্ট্রীয়নীতি সংক্রান্ত কোনও গুরুত্বপূর্ণ সমস্যার উদ্ভব হতো, তখনই খলিফা সমাজের নেতৃবৃন্দকে আহ্বান করে তাঁদের পরামর্শ গ্রহণ করতেন। এ কথাও বিশদ হওয়া দরকার যে, যাঁদের সঙ্গে এভাবে পরামর্শ করা হতো, তাঁরা সাধারণ কর্তৃক কিংবা গোত্রীয় হিসেবে এতদুদ্দেশ্যে যথাবিধি নির্বাচিত হতেন না। খলিফার একমাত্র করণীয় ছিল, শ্রেষ্ঠ সাহাবাগণও বিভিন্ন গোষ্ঠী- সরদারগণকে আহ্বান করা এবং এই ছিল তাঁর মজলিস-ই-শুরা। কিন্তু তৎকালীন সমাজ-ব্যবস্থা যতটুকু প্রতিনিধিত্বশীল হওয়া সম্ভব ছিল, মজলিসে ই-শুরা ছিল ততটুকু প্রতিনিধিত্বশীল। উপস্থাপিত বিষয়টির আলোচনার পর ওমর সকলের মতামত চাইতেন, সে পরামর্শের মূল্য বিবেচনা করতেন এবং যা তিনি ঠিক মনে করতেন, সে অনুসারে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতেন— কখনও সংখ্যাগুরুর মত মেনে নিয়ে, কখনও সংখ্যালঘুর মত গ্রহণ করে এবং কখনও উভয়ের মত অগ্রাহ্য করে। রাষ্ট্রের দৈনন্দিন সমস্যাগুলোর সমাধান এভাবেই হতো; কিন্তু ওমরের চক্ষে মজলিসের গুরুত্ব কতোখানি ছিল, তার পরিচয় মেলে ওমরেরই উপরে উল্লেখিত উক্তি থেকে। এখানে আরও উল্লেখযোগ্য যে, সমসাময়িক ইতিহাসে মজলিসের বহু অধিবেশনের যে-সব বিস্তৃত বিবরণী লিপিবদ্ধ দেখা যায়, সে সব থেকে স্বতঃই প্রমাণিত হয় যে, মজলিস-ই-শুরার অধিবেশন খলিফার খেয়াল খুশীর উপর নির্ভরশীল ছিল না।

    মন্ত্রণাসভা ছাড়াও নাগরিকদের অধিকার ছিল প্রশাসনিক বিষয়ে মতামত ব্যক্ত করার। প্রাদেশিক শাসক ও জিলা-শাসকরাও নাগরিকদের অভিমত অনুযায়ী নিযুক্ত হতেন। কোন কোন ক্ষেত্রে এ-সব নিয়োগ নাগরিকদের নির্বাচন মতে হতো। কুফা, বসরা এবং সিরিয়ার রাজস্বসচিব নিয়োগকালে ওমর স্থানীয় নাগরিকদের নির্দেশ দেন, তারা যেন নিজেরাই আপন আপন কর্মচারী নির্বাচন করে তাঁর নিকটে অনুমোদনের জন্যে পাঠিয়ে দেয়। সা’দ বিন্ আবু ওক্কাসের মতো বিশিষ্ট সাহাবা ও পারস্য বিজয়ী বীর কুফার শাসনকর্তা নিযুক্ত হন, কিন্তু প্রজারা তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ করলে তাঁকে বরখাস্ত করা হয়। ওমর নাগরিকদের বক্তৃতার সময় তাদের স্বত্বাধিকার সম্বন্ধে সচেতন করতেন এবং সরকারী কর্মচারীদেরকে নিয়োগের সময় উপদেশলিপি দিয়ে প্রজাদের স্বত্ব ও অধিকার সম্বন্ধে সতর্ক করে দিতেন। সময়ে সময়ে, বিশেষত প্রত্যেক হজের সময় প্রাদেশিক শাসকদের সম্মেলন আহ্বান করে নাগরিকদের অধিকার সম্বন্ধে সতর্ক করতেন এবং সেগুলি যথাযথ পালন করার নির্দেশ দিতেন।

    এরূপ বিশাল ভূ-খণ্ডের রাষ্ট্রনায়ক ওমর গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র সংগঠনের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করে গেছেন, ব্যক্তিগত জীবনে নিজেকে জনগণের সঙ্গে একই সমতলে স্থাপন করে। খলিফা হিসেবে তাঁর কোনও বিশেষ ভাতা বা ব্যয়-বরাদ্দ ছিল না, বিশেষ অধিকার বা ক্ষমতা ছিল না। আইনের চোখে তাঁর ও একজন সাধারণের মধ্যে কোন ভেদাভেদ ছিল না। তাঁর ক্ষমতা ও কার্যকলাপ সাধারণ নাগরিকদের সমালোচনার উর্ধ্বে ছিল না। বহুবার তিনি নিজে খলিফা হিসেবে তাঁর মর্যাদা ও ক্ষমতার সীমা বিশেষভাবে ব্যক্ত করেছেন। দৃষ্টান্ত হিসেবে একটি উক্তি উল্লেখযোগ্য: তোমাদের বায়তুলমালে আমার অধিকার এতিমের সম্পত্তির একজন অছির চেয়ে অধিক নয়। আমি স্বচ্ছল হলে এক কপর্দকও গ্রহণ করতে পারি নে। আমি দরিদ্র হলে সকলের সমান হারে ভাতা নিতে পারি। আমার উপর তোমাদের সকলের হক্ আছে, তোমাদের তা দাবী করা উচিত। তার একটি হলো, আমি অন্যায় ভাবে কর আদায় করতে কিংবা মালে- গনিমাতের অংশগ্রহণ করতে পারি নে। দ্বিতীয়টি হলো, কর বা মালে গনিমাত আমি স্বেচ্ছামতো ব্যয় করতে পারি নে। তৃতীয়টি হলো, আমার কর্তব্য, তোমাদের নিরাপত্তার বিধান করা।

    একবার জনসমক্ষে বক্তৃতাকালে একজন চিৎকার করে ওঠে: ওমর! আল্লাহকে ভয় করো। তাকে স্তব্ধ করার চেষ্টা করা হলে ওমর বলেন : ওকে বলতে দাও। ওরা আমায় সাবধান না করলে ওদের মূল্য কোথায়? ওদের কথা না শুনলে আমি ভুল পথে চলবো। এভাবেই শাসক ও শাসিতের ব্যবধান দূর হয়েছিল। জনগণচিত্ত হয়েছিল ভয়শূন্য, শির উচ্চ ও স্বাধীন বাপ্ৰিয়।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআইরিন – পিয়ের লেমেইত
    Next Article আমার বোকা শৈশব – আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ

    Related Articles

    আশাপূর্ণা দেবী

    সমুদ্র কন্যা – আশাপূর্ণা দেবী

    April 24, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    আমাদের মহাভারত – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    March 20, 2026
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Our Picks

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026

    শ্মশানকোকিলের ডাক – সৌভিক চক্রবর্তী

    May 1, 2026

    এসো না অসময়ে – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }