Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026

    শ্মশানকোকিলের ডাক – সৌভিক চক্রবর্তী

    May 1, 2026

    এসো না অসময়ে – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    হযরত ওমর – আবদুল মওদুদ

    লেখক এক পাতা গল্প288 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ইরাক-আরব বিজয় (শেষ পর্যায়)

    ওদিকে সারা আরব যখন বিজয়োল্লাসে উন্মত্ত, তখন এদিকে ইরাকের ঘরে ঘরে বিষাদ ও হতাশার গাঢ় ছায়া নেমে এসেছে। যারা পারসিকদের সঙ্গে স্বেচ্ছায় যোগ দিয়েছিল, তারা ঘরবাড়ি ছেড়ে পলায়নপর হয়েছে। কিন্তু যারা ইচ্ছার বিরুদ্ধে মুসলিমদের বিপক্ষতা করেছিল, তারা সা’দের নিকট আশ্রয় ভিক্ষা করলো। সা’দ নির্দেশ চেয়ে পাঠালেন খলিফার নিকট। ওমর এ সম্বন্ধে সাহাবাদের অভিমত চাইলেন। সকলেরই অভিন্ন মত হলো, আশ্রয় প্রার্থীকে বিনাশর্তে আশ্রয় দান করতে হবে। সা’দ অভয় ও আশ্রয় দানের সাধারণ ঘোষণা দিলেন। তখন স্থানীয় বাসিন্দারা আবার গৃহাগমন করতে লাগলো। আবার স্বচ্ছন্দ জীবনযাত্রা হলো, সকলেই নিজ নিজ সাংসারিক কর্মে ব্যাপৃত হলো। শান্তিও ফিরে এলো।

    পারসিক সৈন্যের অবশিষ্টাংশ কাদিসিয়া প্রান্তর থেকে পলায়ন করে বাবল দুর্গে আশ্রয় গ্রহণ করে। এখানে তারা ফিরুজানের নেতৃত্বে শক্তি সঞ্চয় করে মুসলিমদের বাধা দিতে প্রস্তুত হয়। সা’দ পনেরো হিজরীর শেষের দিকে (৬৩৭ খ্রি.) বাবলের দিকে অগ্রসর হন। পথে বারস নামক স্থানে পারসিক সেনানায়ক বাসিরি বাধা দিতে চেষ্টা করে, কিন্তু পরাজিত হয়ে বাবল দুর্গে পলায়ন করে। বারসের সরদার বাস্তাম পথের নদী ও জলনালীগুলির উপর কয়েকটি সেতু নির্মাণ করে মুসলিম সেনার পারাপার সুগম করে দেন। বাবলে উভয় পক্ষে যুদ্ধ হয়। কিন্তু পারসিকদের তখন মনোবল নিঃশেষ হয়ে গেছে। হরমুজান, মেহরান প্রভৃতি প্রথিতযশা বীরও তাদের মনোবল ফিরিয়ে আনতে অক্ষম হন। মুসলিম সেনা উপস্থিত হলেই পারসিকরা পলায়ন করে এবং কুথার বিখ্যাত দুর্গে আশ্রয় লাভ করে। এখানে শাহরিয়ার নামক সেনানায়কের অধীনে তারা একত্রিত হয় সা’দ বাবলে ছাউনি ফেলে জুহুরাকে আদেশ দিলেন সম্মুখে অগ্রসর হতে। জুরাহ্ কুথায় উপস্থিত হলে শাহরিয়ার শ্রেষ্ঠতম আরবী-বীরকে দ্বন্দ্বযুদ্ধে আহ্বান করেন। জুাহ্ তামিম গোত্রের গোলাম নাবিলকে পাঠিয়ে বললেন, আমার এই গোলামই আপনাকে শায়েস্তা করতে যথেষ্ট। নাবিল প্রথমে শাহরিয়ার কর্তৃক ভূমিসাৎ হয়েও শাহরিয়ারকে পরাজিত ও নিহত করেন। তারপর শারিয়ারের স্বর্ণখচিত বহুমূল্য পরিচ্ছদ নাবিল উপস্থিত করেন সা’দের সম্মুখে। সা’দ নাবিলকে নির্দেশ দিলেন শাহরিয়ারের পরিচ্ছদ পরিধান করতে। নাবিল সে পরিচ্ছদ পরিধান করলে সা’দ উপস্থিত সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করলেন এই চিরসত্যের প্রতি-জগৎ কী মায়াময় ও ভাগ্য কি চঞ্চল!

    কুথার ঐতিহাসিক গুরুত্ব হচ্ছে, নমরুদ কর্তৃক হযরত ইব্রাহিমকে বন্দী রাখার কথিত জিন্দাখানা এখানে অবস্থিত। এটি এখনও ঐতিহাসিক স্মৃতি চিহ্ন হিসাবে সংরক্ষিত। সা’দ উপস্থিত হয়ে হযরত ইব্রাহিমের উদ্দেশ্যে যিয়ারত করেন।

    কুথার কিছু দূরেই বাহরাহশের নামে শহর অবস্থিত। এখানে একদল রাজকীয় অশ্বারোহী ছিল, যাদের দৈনন্দিন কর্ম ছিল, পারসিক সম্রাটের নামে শপথ গ্রহণ করে তাঁর অবিনশ্বরতায় বিশ্বাস করা। এখানে কিা পারসিক শাহানশাহের একটি আদুরে সিংহ ছিল, তাই শহরটির নাম বাহরাহশের। সা’দ সেনাবাহিনী নিয়ে সেখানে উপস্থিত হলে সিংহটি লক্ষ দিয়ে তাঁর সেনাদলের কেন্দ্রস্থলে ঝাঁপিয়ে পড়ে। কিন্তু সম্মুখরক্ষীদলের নায়ক ও সা’দের ভ্রাতুষ্পুত্র হিশাম তরবারির এক কোপেই তার ভবলীলা সাঙ্গ করেন। সা’দ নগরটি অবরোধ করেন। শহরজাদ সাধারণ বাসিন্দাদের জন্যে প্রাণ ভিক্ষা করেন। স্থানীয় সকল সরদারই জিয়া দিতে স্বীকৃত হয় ও মুসলিমদের আনুগত্য সহজে মেনে নেয়। কিন্তু শহরটি প্রায় দু’মাস ধরে অবরোধের প্রতিরোধ করে। শেষে জুাহ্ জীবন বিপন্ন করে শহরে প্রবেশ করেন এবং মারাত্মকভাবে শরাহত হয়েও সেনানায়ক শহরবাজকে নিহত করেন। তখন পারসিক সৈন্যরা পলায়ন করে ও শহরবাসীরা শান্তির নিশান উড়িয়ে দেয়।

    শহর বাহরাহশের ও রাজধানী মাদায়েনের মধ্যে উত্তাল-তরঙ্গ বিক্ষুব্ধ দজলা নদী প্রবাহিত। সা’দ নদী পারে এসে দেখলেন, পারসিকরা সব সেতু ধ্বংস করে দিয়েছে। তবুও তিনি নদী পার হতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ হয়ে বাহিনীকে নির্দেশ দিলেন: ভাইসব! দুশমনরা শেষ উপায় হিসেবে নদীর অপর পারে আশ্রয় নিয়েছে। কিন্তু আর একবার জয় লাভ করে সব বাধা দূর করবো। তিনি অশ্বসহ তরঙ্গক্ষুব্ধ দজলায় ঝাঁপিয়ে পড়লেন, সাঁতার কেটে নদী পার হতে। স্রোতাবর্তে নদী ফুলে ফুঁসে গর্জে উঠছে। কিন্তু কিছুমাত্র ভীত না হয়ে সমগ্র মুসলিম বাহিনী নদী-বুকে ঝাঁপিয়ে পড়লো এবং পাদানীতে পাদানী লাগিয়ে হাতে হাত জড়িয়ে সকলে মহানন্দে সাঁতার কেটে চলতে লাগলো, যেন কোনও আনন্দ- মেলায় যোগ দিতে যাচ্ছে। অপর তীরে দণ্ডায়মান পারসিকরা এ দৃশ্য দেখে আতঙ্কে চিৎকার করে উঠলো: ওরা জীন! ওরা জীন! এবং দিশাহারা হয়ে ছুটে পালাতে লাগলো। নয়া সিপাহসালার খারাজাদ একদল সৈন্য নিয়ে মুসলিমদের বাধা দিতে প্রাণপণ চেষ্টা করলেন, কিন্তু তাদের সে প্রচেষ্টা স্রোতাবেগে তৃণখণ্ডের মতো ভেসে গেল। মুসলিমরা অক্ষতদেহে তীরে উপস্থিত হলো।

    দজলা নদী-তটেই রাজধানী মাদায়েনের অবস্থান। কোন অতীতকালে পারস্যের কিসরা অর্থাৎ সম্রাট ইরাক জয় করে দজলার তীর পর্যন্ত অধিকার করে নিয়েছিলেন এবং সালুকিয়ার সম্মুখে অবস্থিত টেসিফনে বিজয় নিশান তুলেছিলেন। তার পর টেসিফন ও সালুকিয়া সংযুক্ত করে নয়া রাজধানী মাদায়েনের গোড়াপত্তন হয়। বহুবার রোমকরা মাদায়েনের উপর হামলা চালিয়েছে কিন্তু আশ্চর্য কৌশলে সুরক্ষিত হওয়ায় তার কিছুমাত্র ক্ষতি হয় নি। পরে শোভাসম্পদ দিনে দিনে বর্ধিত হয়েছে এবং সমকালীন বিশ্বের কেন্দ্র ভূমিতে পরিণত হয়েছে। মাদায়েনের মহিমাকীর্তনে মানব-কণ্ঠ যতো মুখর হয়েছে রোম বা কনস্টান্টিনোপলের ভাগ্যে তা হয় নি। প্রাচ্যখণ্ডের সুখ ও স্বাচ্ছন্দ্য, শোভা ও সম্পদের মায়াপুরী হিসেবে মাদায়েনের নাম সারা বিশ্বে কীর্তিত হতো। তার নাগরিকত্ব অর্জন সম্মান ও মর্যাদার প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হতো। এই মাদায়েনে অবস্থিত শাহী বালাখানা পৃথিবীর বিস্ময় হিসেবে কীর্তিত হতো। কিসরা নওশেরওয়া ৫৫০ খ্রিস্টাব্দে তার ভিত্তি স্থাপন করেন এবং তৎকালীন শ্রেষ্ঠ রোমক ও গ্রীক স্থপতিদের নিয়োগ করেন তার নির্মাণকার্যে। শ্বেতবর্ণের প্রাসাদখানি জ্যোৎস্নার প্রতিফলন বহুদূর পর্যন্ত যেন স্বপ্নপুরীর বিস্তারিত পক্ষের মতো প্রতিভাত হতো।

    এই স্বপনপুরীতে বসে শাহানশাহু ইয়েদগির্দ যখন কাদিসিয়ার পরাজয়-বার্তা শ্রবণ করেন, তখন শোকে ও দুঃখে মুহ্যবান হয়ে পড়েন। দিনের পর দিন ধরে তিনি মরুচর অজ্ঞাত অখ্যাত আরববাসীদেরকে ধ্বংস করবার যে নয়নরঞ্জন ছবির কল্পনা করতেন, উন্মাদ নিয়তি সব মুছে দিল। অনন্যোপায় হয়ে তখনই তিনি সম্রাজ্ঞীদেরকে, শাহ্জাদা ও শাহজাদীদেরকে মহামূল্য মণিমাণিক্য ও অর্থসম্পদ যতোদূর সম্ভব সমস্ত দিয়ে নিরাপদ স্থান হুলওয়ানে পাঠিয়ে দিয়েছিলেন। তাঁর দেখাদেখি আমীর ওমরাহ্ ও অন্যান্য শ্রেষ্ঠীও ধনিক নাগরিকরাও মাদায়েন ত্যাগ করেছিলেন। মুসলিমরা যখন দজলা পার হয়ে রাজধানীতে প্রবেশমুখী হলো তখন ইয়েদগিদও হুলওয়ানে পলায়ন করেন। বিজয়ী-বেশে সা’দ রাজধানীতে প্রবেশ করে দেখেন নগর প্রায় জনশূন্য সর্বত্র গভীর নীরবতা বিরাজ করছে। রাজধানীর এমন রিক্ত, শ্রীভ্রষ্ট, শোকাচ্ছন্ন, নির্বাক, নীরব, স্তম্ভিত ও বিষাদময়ী সজ্জা সাদের অন্তর স্পর্শ করলো। তিনি আবেগ-মিশ্রিত কণ্ঠে ধীরে- ধীরে কোরআনের এই মহাবাণী উচ্চারণ করলেন:

    তারা ফেলে গেছে বহু বাগিচা, ফোয়ারা, বিহারভূমি, কুঞ্জকানন ও ধনসম্পদ, এককালে তারা এসব উপভোগ করতো। এমনি করে আমরা পরবর্তী কওমকে সেসবের উত্তরাধিকারী করি। কই, তাদের জন্যে আসমান কাঁদে নি, জমিনও না; এবং তাদেরকে আশ্রয়ও দেয় নি।

    সা’দ কিার শুভ্র প্রাসাদে মিম্বার স্থাপন করে আট রাকাত নফল নামায পড়লেন এবং সেটিকে মসজিদে রূপান্তরিত করলেন। লক্ষণীয় যে সা’দ আঁ-হযরতের একজন সাহাবা হওয়া সত্ত্বেও প্রাসাদের অভ্যন্তরে যতো মূর্তি ছিল, দেওয়ালে যত চিত্র বিচিত্ৰ কারুকার্য সমন্বিত নকশাদি ছিল এবং বহু বছরের সঞ্চিত মহামূল্য জিনিসপত্র ছিল, সেসব অক্ষত অবস্থায় যথাযথ স্থানে রাখার নির্দেশ দিয়েছিলেন। শুধু হুকুম দিয়েছিলেন যে, আরবীরা হিরাহ্ ও ইরাকের অন্যান্য শহর ও বস্তি থেকে নিজেদের পরিবার পরিজনকে আনয়ন করে মাদায়েন নগর পুনরায় আবাদ করবে। শহরের গৃহগুলি মুসলিমদের মধ্যে বণ্টন করে দেওয়া হয়।

    সা’দ আদেশ দিলেন শাহী বালাখানায় যতো সামগ্রী ও ধন-সম্পদ আছে সমস্ত একত্রিত করতে। স্তূপাকারভাবে জমে উঠলো স্বর্ণমুদ্রার রাশি, স্বর্ণের তাল, হীরা, মণি- মাণিক্য এবং সুদুর্লভ প্রস্তরখচিত অজস্র রত্নালঙ্কার। কায়ানী বংশ থেকে নওশেরওয়া পর্যন্ত কিসরাদের ব্যক্তিগত বহুমূল্য পোশাক পরিচ্ছদ রত্নখচিত তরবারাদি, রত্নখচিত শিরস্ত্রাণ প্রভৃতি নয়ন-মন বিভ্রান্তিকর সামগ্রীও একত্রিত হলো। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল একটি বিশুদ্ধ স্বর্ণজাত অশ্ব, যার জীন ছিল রূপার এবং চক্ষু, কর্ণ ইত্যাদি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ ছিল বহুমূল্য দ্যুতিময় হীরা ও মণি-মাণিক্য খচিত। আর ছিল একটি রূপার উষ্ট্রী, যার জীন ছিল স্বর্ণ নির্মিত এবং অঙ্গপ্রত্যঙ্গ ছিল সুদুর্লভ হীরা জহরত-খচিত কিন্তু এসবের চেয়েও নয়ন-বিমোহন ও আশ্চর্য ছিল একখানি গালিচা, যারনাম ছিল ‘বাহার’ বা বসন্ত। বসন্তকাল শেষ হলে ও চির-বসন্তের আনন্দময় পরিবেশে পাহারার-উৎসবের জন্যে এখানি ব্যবহৃত হতো। ধন-সম্পদ ও কারুশিল্পের চরম নিদর্শন হিসেবে ‘বাহার’ কীর্তিত হতো। তার জমিন ছিল স্বর্ণতন্তু-মিশ্রিত রেশমের এবং বসন্তের সওয়াত তাজা ফুল ও সবুজপত্র-শোভিত বৃক্ষসমূহ ছিল রঙ-বেরঙের হীরা, মুক্তা, চুনি-পান্নার। গালিচাখানি বিস্তৃত হলে বসন্তের শোভায় নয়ন-মন বিভ্রান্ত হতো। আরব ঐতিহাসিকগণ এসব লুণ্ঠিত মালামালের মূল্য নিরুপণে একে অপরকে ছাড়িয়ে গেছেন। তাঁদের হিসাব মতে মোট দাম ছিল নয় লক্ষ কোটি দিরহাম্।

    এসব কোটি কোটি মুদ্রার সামগ্রী স্তূপীকৃত হলো মুসলিমদের উৎসাহে ‘মালে- গণিমাত’ বা লুণ্ঠিত দ্রব্য হিসেবে। তাদের আদর্শ সাধুতা ও নির্লোভের দৃষ্টান্তে সা’দ মুগ্ধ হয়ে বারবার আল্লাহর শুকরগুজারী করেন। ইসলামের বিধান মতো এই মালে- গনিমাতের পাঁচভাগের চারভাগ মুসলিম বাহিনীর মধ্যে বন্টিত হয়। ষাট হাজার সৈন্যের প্রত্যেকে বার হাজার স্বর্ণমুদ্রা পায়, তাছাড়া পায় হীরা, মণি-মুক্তা ও সুদুর্লভ বস্ত্র ও পরিচ্ছদের সুনির্দিষ্ট হিস্যা এক-পঞ্চমাংশ মদিনায় প্রেরিত হয়। ‘বাহার’ গালিচাসহ অন্যান্য সুদুর্লভ স্মারক দ্রব্যও মদিনায় প্রেরিত হয়।

    মদিনাবাসীরা এই ধন-সম্পদের স্তূপ দেখে বিস্ময়ে হতবাক হয়ে যান। ওমর সা’দের পত্রে মাদায়েন দখলের পূর্ণ বিবরণ ও মালে গনিমাতের নির্ভুল হিসাব পেয়েছিলেন, কিন্তু চর্মচক্ষে স্তূপীকৃত ধনসম্পদ দেখে এবং মুসলিম সৈন্যদের সাধুতা ও বিশ্বস্ততার প্রকৃষ্ট পরিচয় পেয়ে আশ্চর্য হয়ে বলেন, যারা এসব বহুমূল্য সামগ্রী নির্লোভ হয়ে মদিনায় পাঠিয়েছে, তাদের বিশ্বস্ততা তুলনাহীন। আলী একথা শুনে বলেন: আপনার অঞ্চল পবিত্র, এজন্যে আপনার প্রজাকুলের অঞ্চলও পবিত্র। আপনার মন সরল না হলে তাদের মনও সরল হতে পারে না। ওমর মদিনার প্রত্যেককে এসব সামগ্রী চাক্ষুষ দেখে নয়ন-মন তৃপ্তির ব্যবস্থা করেন। সারাকা নামক এক সুদেহী যুবককে ডাকিয়ে কিার পরিচ্ছদ ও অস্ত্রাদি পরিয়ে সকলকে দেখান ও বলেন, ভাগ্যের কী কঠোর পরিবর্তন। সারাকা! তোর দেহে কিার পোশাক উঠবে ও তোর জাতের এসব ভোগের ভাগ্য হবে, কখনও স্বপ্নেও ভেবেছিলি? কিসরা নওশেরওয়ার পরিচ্ছদ ছিল সবচেয়ে মহার্ঘ ও নয়ন-বিভ্রমকারী, এক এক সময়ে এক এক ধরনের। মুহাল্লাম নামক আর একটি যুবক ছিল সবচেয়ে কান্তি-সুন্দর। তাকে ডাকিয়েও এসব পরিচ্ছদ পর পর পরানো হয়। তার পর ওমর উপরের দিকে মাথা তুলে ক্ষুব্ধ কণ্ঠে বলেন: হে আল্লাহ! এসব ধনরত্ন তুমি রসূলকে দাও নি, কারণ তিনি ছিলেন আমার চেয়েও তোমার প্রিয় বন্ধু। আবুবকরকেও দাও নি, কারণ তিনি ছিলেন আমার চেয়েও তোমার প্রিয় বান্দা। কিন্তু এখন আমায় এসব দিয়ে তুমি কি আমায় পরীক্ষা করছো?

    ওমর মদিনাবাসীদের মধ্যে এসব ধনরত্ন ও সামগ্রী বন্টন করে দিলেন। যারা যুদ্ধে মারা গেছে তাদের আত্মীয়দেরকে পৃথক ভাগ দেওয়া হয়। সমস্যা ওঠে, গালিচাটি কি করা যায়? বেশি লোকের অভিমত হলো, স্মারকচিহ্ন হিসেবে সংরক্ষিত হোক। আলী ইবনে-আবু তালেব বলেন, আপনার জ্ঞান ও সদুদ্দেশ্যে কারও এতটুকু সন্দেহ নাই। আপনি যে হোক সামগ্রী কাউকে দান করতে পারেন, সে খেতে পারে কিংবা পরতে পারে। আজ এটি সংরক্ষিত হলে কাল কেউ আত্মসাৎ করতে পারে, যদিও তার কোনও স্বত্ব বা দাবী থাকুক বা না থাকুক। ওমর এ যুক্তি মেনে নিয়ে হুকুম দেন, গালিচাটি কেটে খণ্ড খণ্ড করে সকলকে বিলিয়ে দিতে। আলীর ভাগে যে খণ্ডটি পড়ে তার দাম উঠে বিশ হাজার মুদ্রা। আধুনিক পাশ্চাত্য ঐতিহাসিকগণ এ কর্মটিকে শিল্প হত্যার চরম বর্বরতা হিসেবে কটাক্ষ করেন। কিন্তু তাঁরা ভুলে যান, যুগে যুগে রুচি এবং শিল্প- জ্ঞানের পরিবর্তন হয়। আরও পরিবর্তন হয় পার্থিব সামগ্রীর প্রতি অনীহা ও উপেক্ষার মান।

    জালুলার যুদ্ধ ছিল ইরাক বিজয়ের চরম আঘাত। শহরটি বর্তমান বাগদাদের নিকট অবস্থিত। মাদায়েন রাজধানীর পতনের পর পারসিকরা শেষ চেষ্টা করে মুসলিমদের অগ্রগতি রোধ করতে এবং একা বাহিনী সমবেত করে চূড়ান্ত ভাগ্য পরীক্ষার্থে প্রস্তুত হয়। রুস্তমের ভাই,খারজাদ হন নয়াবাহিনীর সিপাহসালার। তিনি শহরটির চারদিকে পরিখা খনন করে পথসমূহের উপর ‘গোকুরু’ নামক লোহার বহুমুখবিশিষ্ট কন্টক ছড়িয়ে দেন। সা’দ পারসিকদের এই নয়া প্রস্তুতির সংবাদ ওমরের গোচরীভূত করেন। ওমর নির্দেশ দেন, বারো হাজার সৈন্যসহ হাশিম-বিন-ওবাকে জালুলা দখল করতে পাঠাতে। কাকা’, মুসির, আমর বিন-মালিক ও আমর বিন মাররাহ হাশিমের সহগামী হন। ষোল হিজরীতে (৬৩৭ খ্রি.) জালুলার অবরোধ আরম্ভ হয় ও কয়েক মাস ধরে চলে। পারসিকরা বারে বারে হঠাৎ বহির্গত হয়ে হামলা চালাতে থাকে এবং এভাবে প্ৰায় আশিবার সংঘাত বাধে। কিন্তু প্রত্যেকবারেই মুসলিমরা জয়ী হয়। শহরে প্রচুর রসদ মজুদ ছিল, আর ছিল হাজার হাজার সৈন্য। এজন্যে পারসিকরা সহজে দমিত হয় না। শেষে এক দিন পারসিকরা মরণপণে সংগ্রাম শুরু করে। সেদিন সহসা প্রচণ্ড বালুঝড় উঠে চারদিক অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়ে পড়ে। পারসিকরা তার দরুন বেশ নাজেহাল হয় এবং তাদের অসংখ্য সৈন্য পরিখায় পতিত হয়ে মৃত্যু আলিঙ্গন করে। মুসলিমরাও সুযোগ বুঝে তীব্র আক্রমণ চালায়। হাশিম ও কাকা’র প্রচণ্ড আক্রমণে পারসিকরা একেবারে মনোবল হারিয়ে ফেলে এবং ছত্রভঙ্গ হয়ে চারদিকে পলায়ন করতে থাকে। মুসলিমরা তাদের নির্বিচারে হত্যা করে। যুদ্ধশেষে দেখা গেল পারসিকদের নিহতের সংখ্যা লক্ষের কাছাকাছি। লুণ্ঠিত মালামালের মূল্য নির্ধারিত হয় তিন কোটি দিরহামেরও উপর।

    সা’দ জালুলা বিজয়ের সংবাদ মদিনায় পাঠান জিয়াদের মারফত। মালেগনিমাতের এক-পঞ্চমাংশও যথারীতি প্রেরিত হয়। জিয়াদ বিশেষ বাগ্মিতা দেখিয়ে যুদ্ধের বিশদ বর্ণনা দান করেন। ওমর মুগ্ধ হয়ে তাঁর প্রশংসায় বলেছিলেন, প্রকৃত বাগ্মিতা একেই বলে। সেদিন লুণ্ঠিত ধনদৌলত বণ্টিত না হওয়ায় মসজিদের আঙ্গিনায় স্তূপীকৃত করা হয় এবং আবদুর রহমান বিনআউফ ও আবদুল্লাহ বিন আরকাম সারারাত্রি প্রহরায় নিযুক্ত থাকেন। প্রত্যুষে এসব ধন-রত্নের বিচিত্র দৃশ্যে অভিভূত হয়ে ওমর অশ্রুপাত করতে থাকেন। কারণ জিজ্ঞাসায় তিনি বলেন: ধন-দৌলত সঞ্চিত হলে তার পিছনে পিছনে হিংসা ও দ্বেষও সঞ্চিত হয়।

    হুলওয়ান দুর্গে বসে ইয়েদি এই চরম পরাজয় কাহিনী শ্রবণ করেন। তখনই তিনি খসরু শানমকে দুর্গরক্ষার ভার দিয়ে স্ত্রী-পরিজনসহ ভগ্নহৃদয়ে রায় শহরাভিমুখে প্রস্থান করেন। সা’দ জালুলায় অবস্থান করে কাকা কে পাঠান হুলওয়ান দখল করতে। কাকা’ কসর-শিরীন পর্যন্ত উপস্থিত হলে খসরু-শানম তাঁকে বাধা দেন। কিন্তু সামান্য যুদ্ধেই পারসিকরা পরাজিত হয়ে পলায়ন করে। কাকা হুলওয়ানে উপস্থিত হয়ে সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করেন। স্থানীয় প্রধানরা উপস্থিত হয়ে জিয়া কর দিতে স্বীকার করেন এবং ইসলামের আশ্রয় ভিক্ষা করেন।

    অতঃপর সর্বত্র শান্তি ও শৃঙ্খলা নেমে আসে। হুলওয়ান অধিকৃত হওয়ায় ইরাক- আরবের সীমান্ত পর্যন্ত মুসলিমদের করতলগত হয় এবং বিজয়ের এ অধ্যায়েরও শেষ হয়।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআইরিন – পিয়ের লেমেইত
    Next Article আমার বোকা শৈশব – আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ

    Related Articles

    আশাপূর্ণা দেবী

    সমুদ্র কন্যা – আশাপূর্ণা দেবী

    April 24, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    আমাদের মহাভারত – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    March 20, 2026
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Our Picks

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026

    শ্মশানকোকিলের ডাক – সৌভিক চক্রবর্তী

    May 1, 2026

    এসো না অসময়ে – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }