Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026

    শ্মশানকোকিলের ডাক – সৌভিক চক্রবর্তী

    May 1, 2026

    এসো না অসময়ে – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    হযরত ওমর – আবদুল মওদুদ

    লেখক এক পাতা গল্প288 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    জিম্মীদের অধিকার সংরক্ষণ ও দাসপ্রথা নিয়ন্ত্রণ

    বিজাতি, বিধর্মী ও বিদেশীর প্রতি বিরূপ মনোভাব মানুষের মজ্জাগত স্বভাব। ইসলাম-পূর্ব যুগে এ মনোভাব এতোখানি বিরুদ্ধ ছিল যে তাদের কোন স্বত্ত্বাধিকারই স্বীকৃত হতো না। ইসলাম যখন প্রচারিত হয়, প্রতিবেশী দুটি পরাক্রান্ত সাম্রাজ্য পূর্ব- রোমকে এবং পারস্যে বিজাতি ও বিধর্মীরা শুধু মানুষ নামই ধারণ করতো, তাদের কোন অধিকারই ছিল না এবং সাধারণ তৈজসপত্রের শামিল ধরা হতো। সিরিয়াবাসী খ্রিস্টানরা রোমক প্রভুদের সমধর্মী হয়েও জমিতে স্বত্বাধিকার লাভ করতো না, বরং ভূমিদাসে পরিণত হয়ে সম্পত্তি হস্তান্তরকালে শুধু প্রভু-বদলের ভাগ্য লাভ করতো। ইহুদীদের ভাগ্যও কিছুমাত্র ঈর্ষাজনক ছিল না। পারস্যেও খ্রিস্টান ও ইহুদীরা সমান পর্যায়ভুক্ত ছিল।

    ওমরের খেলাফতকালে এ-সব দেশবাসীর ভাগ্য পরিবর্তন ঘটে এবং মানুষের মর্যাদা-সিক্ত হয়ে তারা সাধারণ নাগরিকের সর্বাধিকার লাভ করে। বিজিত ও বিজেতা, স্বধর্মী ও বিধর্মী এবং স্বদেশী ও বিদেশীর ভেদ-রেখা লুপ্ত হয়। বিজিত দেশগুলির সঙ্গে ওমর যে সব সন্ধি করেছিলেন, সেগুলি থেকে আমাদের এ দাবী সমর্থন মিলে। বলা বাহুল্য, এ সব সন্ধিপত্রের শর্তাবলী এমনই একরূপ হতো যে পরবর্তীকালে প্রথম স্বাক্ষরিত সন্ধিপত্রের বরাত দিয়েই সে সব শর্ত অবিকৃতভাবে গৃহীত হতো। এরূপ আদর্শ-সন্ধি স্বাক্ষরিত হয় জেরুজালেমবাসীদের সঙ্গে এবং স্বয়ং ওমরের বয়ান মতে। সন্ধিপত্রটির আক্ষরিক অনুবাদ এইরূপ:

    এ আশ্রয়দান করছেন আল্লাহ্র বান্দা ওমর, আমীরুল মুমেনীন, আইলিয়ার সমস্ত অধিবাসীকে। এ আশ্রয় দেওয়া হচ্ছে তাদের জানমালের, তাদের গীর্জা ও ক্রশসমূহের, তাদের আতুর ও স্বাস্থ্যবানদের এবং তাদের সমস্ত সমধর্মীর জন্য। তাদের গীর্জাসমূহ বাসগৃহরূপে ব্যবহৃত হবে না, সেগুলি ভূমিসাৎ করা হবে না, কিংবা তাদের কোন অংশের, আঙিনার বা ক্রশসমূহের কোনও ক্ষতি করা হবে না, কিংবা তাদের সম্পত্তিরও হানি করা হবে না। ধর্ম বিষয়ে তাদের উপর কোন জবরদস্তি করা হবে না, কিংবা ধর্মের কারণে কারও কোন ক্ষতি করা হবে না। ইহুদীদিগকে তাদের সঙ্গে আইলিয়াতে বাস করতে বাধ্য করা হবে না। আইলিয়ার অধিবাসীরা অন্যান্য শহরবাসীর মতো জিয়া আদায় দিতে ও রোমকদেরকে বহিষ্কার করতে অঙ্গীকার করছে। যেসব রোমক শহর ত্যাগ করবে তারা নিরাপদ স্থানে উপস্থিত না হওয়া পর্যন্ত তাদের ধনপ্রাণ নিরাপদ, কিন্তু কোন রোমক আইলিয়ার বাসিন্দা হতে ইচ্ছা করলে তার নিরাপত্তা রক্ষা করা হবে এবং সে জিয়া আদায় দিতে বাধ্য হবে। যদি আইলিয়ার কোনও অধিবাসী রোমকদের সহগামী হতে চায় ও সম্পত্তি সঙ্গে নিতে চায়, তাহলে সে তার গির্জা ও ক্রশ নিরাপদ স্থানে স্থাপিত না হওয়া পর্যন্ত নিরাপদ। এতদ্বারা যা কিছু লিখিত হলো, সে-সব আল্লাহ্র দেওয়া অঙ্গীকারে ও তাঁর রসূলের খলিফাদের এবং মুসলিমদের দায়িত্ব দেওয়া গেল, যতক্ষণ তারা ধার্য জিয়া আদায় দেবে। এ দলীলে সাক্ষী রইলেন খালিদ-বিন্‌ – অলিদ, আমর-বিন্-আস্, আব্দুর রহমান-বিন্-আউফ ও মুয়াবীয়া-বিন-আবু সুফিয়ান।

    লিখিত হয় ১৫ হিজরীতে।

    উপরোক্ত ফরমান থেকে ধ্রুব প্রত্যয় হবে, বিধর্মীদের ধন-প্রাণ কতোদূর নিরাপদ ছিল, ধর্মমত কতোখানি স্বাধীন ছিল, ধর্মস্থান ও ধর্মচিহ্ন পর্যন্ত কিভাবে মর্যাদার সঙ্গে রক্ষিত হতো। বস্তুত ধর্মবিশ্বাসে জিম্মীদের পূর্ণ স্বাধীনতা ছিল। তাদের নিজস্ব ধর্মানুষ্ঠান প্রকাশ্যে পালন করার, ঘণ্টা বাজাবার, শোভাযাত্রা করে ক্রশ বহন করার ও ধর্মীয় মেলা বসাবার নিরঙ্কুশ অধিকার ছিল। আলেকজান্দ্রিয়ার যাজক বেন্‌জামিন্ তের বছর ধরে রোমক ভীতিতে দেশে দেশে আত্মগোপন করে ফিরেছেন। ২০ হিজরীতে আমর-বিন্ আস মিসর জয় করলে বেজমিন নির্ভয়ে প্রত্যাবর্তন করেন ও নিজের যাজকতায় অধিষ্ঠিত হন। প্রতিটি সন্ধিপত্রে ধর্মমতে স্বাধীনতা বিশেষভাবে স্বীকৃত হতো। হুদায়ফা কর্তৃক মাহদিনারবাসীদের সঙ্গে সন্ধিতে, জুরজান্ বিজয়ের পর অধিবাসীদের সঙ্গে সন্ধিতে, আজরবাইজন ও মুকানের সন্ধিপত্রে বিশেষ শর্ত ছিল : বানিন্দাদের ধন-প্রাণ এবং ধর্ম ও আইন নিরাপদ এবং কোন পরিবর্তন করা চলবে না। ওমরের ইসলামপ্রীতি ও ইসলাম প্রচারে উৎসাহ তুলনাহীন। কিন্তু তিনিও আপন গোলাম আস্তিকে বারবার খ্রিস্টান ধর্ম ত্যাগ করে মুসলিম হতে উপদেশ দিয়ে হার মেনেছেন ও কোরআনের বাণী উচ্চারণ করে শান্তি খুঁজেছেন : লা ইব্রাহা ফিদ্-দীন-ধর্মে বলপ্রয়োগ নেই। বিজেতা কর্তৃক বিজিতের প্রতি এতোখানি ন্যায়পরায়ণতা ও উদারতার দৃষ্টান্ত জগতেতিহাসে আর দ্বিতীয় নেই।

    জিম্মীদের ধন-প্রাণই শুধু নিরাপদ হয় নি, জিম্মীরা মুসলিমদের সমপর্যায়ের নাগরিক অধিকার লাভ করতো এবং অপরাধক্ষেত্রে কোন ভেদাভেদ করা হতো না। কোনও মুসলিম জিম্মীকে খুন করলে তাকে জীবন দিয়ে শাস্তি নিতে হতো। ইমাম শাফী বলেন, একবার বকর বিন্-ওয়াইল গোত্রের জনৈক ব্যক্তি একজন জিম্মী খ্রিস্টানকে হত্যা করে। ওমর বিচার করেন, খুনীকে মৃত ব্যক্তি ওয়ারীসানের হাতে অর্পণ করা হলে তাকেও হত্যা করা হয়। জিম্মীদের কাউকে জমি থেকে উৎখাত করা হয়নি। তাদের দেয় ভূমিকরের পরিমাণও ছিল সহনীয়। শাসন-বিষয়ে জিম্মীদেরও মতামত গ্রহণ করা হতো এবং তাদের কল্যাণার্থে ব্যবস্থা অবলম্বিত হতো। ইরাকের ভূমিকর ধার্যকরণের সময় স্থানীয় জোতদারদের মদীনায় ডেকে এনে পরামর্শ লওয়া হয়। মিসর-জয়ের পরও এ নীতি অনুসরণ করা হয়েছিল। ধন-প্রাণ নিরাপত্তা বিধানের নির্দেশ কেবল কাগজেই লিপিবদ্ধ থাকে নি। সিরিয়ার জনৈক চাষীর ক্ষেত সেনাবাহিনী নষ্ট করে দিলে ওমর তাকে দশ হাজার দিরহাম ক্ষতিপূরণ দিয়েছিলেন। কাজী ইউসুফ বলেন, ওমর সিরিয়া থেকে প্রত্যাবর্তনকালে একস্থানে লক্ষ্য করেন, কয়েজনকে নির্যাতন করা হচ্ছে। অনুসন্ধানে জানা গেল, তারা জিয়া আদায় না দেওয়ায় শাস্তি দেওয়া হচ্ছে। ওমর তখনই তাদেরকে নিষ্কৃতি দিতে আদেশ দিয়ে বলেন : আল্লাহ্র রসূল বলে গেছেন : ‘মানুষকে আঘাত করো না, যারা মানুষকে যাতনা দেয় রোজহাশরে তাদের যাতনা দেবেন স্বয়ং আল্লাহ্।

    মৃত্যুশয্যায় শায়িত খলিফা ওমর উত্তরাধিকারীকে উপদেশ দানকালেও বলে গেছেন : আমার উত্তরাধিকারীকেও এই ওসিয়ত রইলো, আল্লাহ্ ও তার রসূলের আশ্রয়ে যারা রয়েছে (অর্থাৎ জিম্মী) তাদের সঙ্গে অঙ্গীকার অক্ষরে অক্ষরে প্রতিপালিত হবে। তাদেরকে আক্রমণের হাত থেকে রক্ষা করতে হবে এবং তাদের উপর সাধ্যাতীত ভার কখনো চাপানো হবে না।

    তবু অভিযোগ থেকে যায় : ওমর জিম্মীদের নির্দেশ দিয়েছিলেন, মুসলিমদের পোশাক গ্রহণ না করতে, কোমরবন্ধ ও লম্বা টুপী পরতে, নতুন গীর্জা না তুলতে, মদ ও শূকরের মাংস বিক্রয় না করতে, ঘণ্টা না বাজাতে এবং শোভাযাত্রা করে ক্রশ বহন না করতে। তিনি আরও নির্দেশ দিয়েছিলেন বনী-তগলিব গোত্রকে তাদের সন্তানগণকে খ্রিস্টান ধর্মে দীক্ষিত না করতে। তিনি আরব থেকে ইহুদী ও খ্রিস্টানদেরকে বিতাড়িত করে শুধু মুসলিমদের জন্যেই বাসভূমি নির্দিষ্ট করেছিলেন।

    সমকালীন ইতিহাস থেকে তথ্য মেলে, ওমর এ-সব নির্দেশ দিয়েছিলেন, কিন্তু যে- সব কারণে ও ক্ষেত্রে এসব হুকুম দেওয়া হয়েছিল, সেগুলি বিরুদ্ধবাদীরা হয় ইচ্ছাপূর্বক বিকৃত করেছেন, না হয় গোপন করেছেন। তিনি খ্রিস্টান, ইহুদী ও পারসিকদেরকে নিজ নিজ জাতীয় পোশাক ব্যবহার করতে নির্দেশ দিয়েছিলেন, যেমন দিয়েছিলেন মুসলিমদেরকে দিজের কওমী লেবাসে দেহাবৃত করতে। পারসিকদেরকে কোমরবন্ধ (যুন্নার বা মুর্তিকা বা কাতি) ব্যবহার করতে বলেন তাদের বৈশিষ্ট্য বজায় রাখতে। মুসলিম-প্রধান মহল্লাতে নতুন গীর্জা তোলা, মদ ও শূকর-মাংস প্রকাশ্যে বিক্রয় না করা, ঘণ্টা না বাজানো, শোভাযাত্রা ও বাদ্যাদিসহ ক্রশ বহন নিষিদ্ধ ছিল, ইহুদী বা খ্রিস্টান-প্রধান মহল্লায় এসব অবারিত ও প্রচলিত ছিল। বনি তগলিব গোত্রের যে-সব এতিম ও পরিত্যক্ত সন্তান ছিল, মুসলিম পিতামাতার, তাদেরকেই খ্রিস্টানধর্মে দীক্ষিত করা নিষিদ্ধ ছিল, খ্রিস্টান পিতামাতার সন্তানদের জন্য নয়। খায়বারের ইহুদীদের ও নাজরানের খ্রিস্টানদের মুসলিমবিদ্বেষ, স্বদেশের প্রতি বিশ্বাসঘাতকতা করে রোমকদের সঙ্গে ষড়যন্ত্র করার কাহিনী ইতিহাস-বিশ্রুত। বিশ্ব-নবীর সময় থেকে বারেবারে তারা মুসলিদেরকে হয়রান করেছে, আরবের নিরাপত্তা বিপন্ন করেছে। এ জন্যেই তাদের ইরাক ও সিরিয়ায় স্বধর্মীদের মধ্যেই বসবাস করবার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল এ-সব সুবিধা দান করার ফরমান দিয়ে : সিরিয়া ও ইরাকের যেখানে ইচ্ছা তারা বসবাস করতে পারবে, স্থানীয় কর্তৃপক্ষ তাদের বাসের জায়গা ও চাষের জমি দিতে বাধ্য থাকবে। স্থানীয় মুসলিমরা সব রকম সাহায্য দিয়ে তাদের পুনর্বাসন করবে। দুবছরের জন্যে তাদের জিয়া কর মাফ থাকবে।

    এবার বাকী থাকে জিয়া-করের কথা।

    ইসলামের গোড়া থেকেই পরিষ্কার ভাষায় বলা হয়, জিয়া প্রতিরক্ষার জন্যে নির্ধারিত কর, সামরিক কর্তব্য পালনের পরিবর্তে দেয়। ওমরের খেলাফতকালে এই কর ধার্যের তাৎপর্য আরও বিশদ করা হয়। প্রথমত পারস্য সম্রাট নওশেরওয়ার দৃষ্টান্ত অনুসরণ করে জিয়া বিভিন্ন হারে ধার্য হতো এবং পরিষ্কাররূপে জানানো হতো, নওশেরওয়ার প্রবর্তিত করভার নয়। তিনি আরও পরিষ্কার ঘোষণা করেন, যতক্ষণ প্রতিরক্ষা দায়িত্ব নিরাপদে প্রতিপালিত হবে, যতক্ষণ জিয়া আদায়যোগ্য। দৃষ্টান্ত হিসেবে স্মরণীয় যে, ইয়ারমুকের যুদ্ধ-সঙ্কটকালে যখন সিরিয়ার প্রতিটি শহর থেকে মুসলিম বাহিনী উঠিয়ে নেওয়া হয় এবং দামেষ্ক, হিস্‌ প্রভৃতি শহরের অধিবাসীদের নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন অসম্ভব হয়ে পড়ে, তখন তাদের নিকট থেকে আদায়কৃত সমস্ত জিয়া কর প্রত্যার্পিত হয়। আবার যখন অধিবাসীদের নিকট থেকে সামরিক সাহায্য গ্রহণ করা হতো, জিয়া মাফ হয়ে যেতো এবং একবার সাহায্য গৃহীত হলেই সারা বছরের কর থেকে নিষ্কৃতি দেওয়া হতো। ১৭ হিজরীতে ওমর ইরাকের সিপাহসালারদের নির্দেশ দেন : অশ্বারোহী জিম্মী সেনাদের সাহায্য গ্রহণ করবে ও জিয়া মাফ করে দেবে। ২২ হিজরীতে আজরবাইজানের বিজিত নাগরিকদের সঙ্গে সন্ধিতে এই বিশেষ শর্ত আরোপিত হয় : যারা সেনাবাহিনীতে একবার কাজ করবে, তারা সারা বছরের জিয়া কর থেকে রেহাই পাবে। আরমেনিয়া ও শাহ্রবাজের নাগরিকদের সঙ্গে এই শর্ত ছিল : তারা প্রত্যেক সামরিক অভিযানে যোগ দিতে বাধ্য থাকবে ও শাসকের নির্দেশমতো চলবে এবং তাদেরকে জিয়া কর আদায় দিতে হবে না। জুরজান অধিকৃত হলে তাদের ফরমানে বলা হয় : আমরা তোমাদের নিরাপত্তা করতে বাধ্য এই শর্তে যে, তোমরা সাধ্যমত জিয়া আদায় দেবে, কিন্তু তোমাদের নিকট থেকে সামরিক সাহায্য গ্রহণ করা হলে জিয়া মওকুফ হবে।

    এ-সব ঘোষণা সন্ধিশর্ত ও বাস্তব অনুশীলন দ্বারা নিঃসন্দেহে প্রমাণিত যে জিয়া প্রতিরক্ষা দায়িত্ব পালনের পরিবর্তে আদায়যোগ্য ছিল এবং জিয়া আদায় করা হতো প্রত্যেক সমর্থ ব্যক্তির নিকট থেকে; অন্ধ খঞ্জ প্রভৃতি আতুর ব্যক্তি এ দায় থেকে রেহাই লাভ করতো জিয়া খাতে আদায়কৃত সমস্ত কর সৈন্যদের পোশাক, খোরাক প্রভৃতি সামরিক প্রয়োজনেই ব্যয়িত হতো। জিয়া নগদ অর্থে ও ফসলাদিতে আদায় দিতে হতো। মিসরে জনপ্রতি চার দীনার জিয়া ধার্য ছিল, অর্ধেক নগদ ও অর্ধেক গম, জলপাই তেল, মধু ও সির্কায় আদায় করা হতো। কিন্তু পরবর্তীকালে রসদ বিভাগ প্রতিষ্ঠিত হলে সবটা করই নগদে আদায় করা হতো।

    ওমর দাস-প্রথা রহিত করেন নি এবং যুগের প্রভাব এমনই ছিল যে তাঁর পক্ষে এরূপ করা সম্ভব ছিল না। কিন্তু এ কথা অনস্বীকার্য যে বিবিধ উপায়ে তিনি এ প্রথায় এমন বাধা সৃষ্টি করেছিলেন যার ফলে প্রথাটি নামমাত্রে পর্যবসিত হয়েছিল এবং দাসরা প্রভুর সমমর্যাদায় উন্নীত হয়েছিল। খেলাফতের ভার গ্রহণ করেই ওমর নির্দেশ দেন, যারা আবুবকরের আমলে অনুষ্ঠিত ধর্মত্যাগীদের সঙ্গে যুদ্ধে দাস হয়েছিল তারা স্বাধীন হবে। তিনি এই নিয়ম করেন, কোনও আরব দাস হতে পারে না। যদিও ইমাম আহমদ তাঁর সঙ্গে অমত হয়ে বলেছিলেন আমি ওমরের সঙ্গে একমত নই যে আরব দাস হতে পারে না-তবুও ওমরের এ অনুশাসন বাস্তাবে রূপায়িত হয়েছিল। আরবের অধিবাসীদের সম্বন্ধে ওমর এ নিয়ম প্রয়োগ না করেও বিজিত দেশসমূহে দাস-প্রথা অনেকখানি গর্ব করেছিলেন। ইরাক ও মিসর বৃহৎ দেশ এবং সেনাবাহিনীর জিদ সত্ত্বেও এ দুটি দেশের কোনও অধিবাসীকে দাস করা হয় নি। মিসরের কিছু অধিবাসীকে যুদ্ধে বিরুদ্ধতা করার দরুন দাস হিসাবে আরবের বিভিন্ন অঞ্চলে চালান করা হয়েছিল, কিন্তু ওমর তাদের প্রত্যেককে সংগ্রহ করে মিসরে ফেরত পাঠান ও শাসককে সাবধান করেন : তোমার উচিত কাজ হয় নি।

    বসরা, দামেশ্ক্ হিম্স, হামাদ, আন্তিয়ক প্রভৃতি সিরিয়ার বহু শহরের খ্রিস্টান অধিবাসীরা প্রবল বিরুদ্ধতা করেছিল, কিন্তু তাদের কাউকে দাস করা হয় নি। ফারস্, খোজিস্তান, কিরমান, জাজিরা ও অন্যান্য স্থানের বাসিন্দাদের সঙ্গে বিশেষ শর্ত ছিল যে, তাদের কোনরূপ বিঘ্নিত হবে না। জুন্দিসাবুর, শিরাজ প্রভৃতি স্থানের বাসিন্দাদেরকে পরিষ্কার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয় যে, তাদের কোন ব্যক্তিকে দাস করা যাবে না।

    ওমর আর একটি উত্তম নিয়ম করেন যে, কোনও দাসীর সন্তান হলে সে মুক্তিপ্রাপ্ত হবে। ওমর আরও নির্দেশ দেন ‘মকাতবা’ পদ্ধতিতে দাসগণ মুক্তিলাভের অধিকারী হবে। এটা একটা চুক্তি-যদি কোনও দাস নির্দিষ্ট সময় মধ্যে চুক্তিকৃত মুক্তিপণ আদায় দেয় না তা হলে সে মুক্তি পাবে। কোরআনে একটি বাণী আছে : যদি তারা ভালো হয়, তাদের সঙ্গে চুক্তি কর। ওমর এ থেকেই এরূপ চুক্তি বিধিবদ্ধ করেন। সহীহ্ বুখারীতে উক্তি আছে : সিরিন নামক আনাসের দাস এরূপ চুক্তির প্রস্তাব করলে আনাস অস্বীকার করেন। তখন সিরিন খলিফার নিকট অভিযোগ করে। ওমর আনাসকে বেত্রঘাত করে কোরআনের বিধান পালন করতে নির্দেশ দেন যে, দাসগণকে অতি নিকট আত্মীয় থেকে পৃথক করা চলবে না। অর্থাৎ, স্বামী-স্ত্রীকে, দুই ভাইকে, মাতা-সন্তানকে পৃথক করা বা দাসত্বে রাখা যাবে না।

    ওমর দাসগণের প্রতি যে সহৃদয় ব্যবহার করতেন, তার তুলনা হয় না। বদরের ও অন্যান্য যুদ্ধকালে যারা অংশগ্রহণ করেছিল, তাদেরকে বৃত্তিদানকালে তিনি দাস ও প্রভুকে সমান হারে বৃত্তি দিয়েছিলেন। তিনি প্রাদেশিক শাসকদের নিকট থেকে রিপোর্ট চাইতেন, দাসদের প্রতি সুনজর রাখা হয় কি-না। ওমর নিজে দাসদের সঙ্গে একাসনে বসেছেন, যারা দাসের সঙ্গে আহারে বসতে লজ্জাবোধ করে, তাদের উপর আল্লাহ্ অভিশাপ হোক। একবার একজন দাস নগরবাসীদের নিরাপত্তা দান করেছিল, ওমর এ- প্রতিশ্রুতি মুসলিমের উপর বাধ্যকররূপে গ্রহণ করেছিলেন।

    দাসগণের প্রতি এমন মহৎ ব্যবহারের ফলে তাদের মধ্যে বহু প্রতিভার উন্মেষ হয়েছে, বহু মনীষীর সাক্ষাৎ মেলে। হাদীসের অন্যতম ইমাম ও ফকীহ্ ইকরামা ইমাম মালেকের ওস্তাদ ও হাদিস সাহিত্যের সোনালী শৃঙ্খলরূপে সম্মানিত নাফী দাস ছিলেন এবং ওমরের যুগে প্রখ্যাত হয়েছিলেন। ইবনে খাল্লিকান বলেন, মদীনাবাসীরা দাসী ও তাঁর সন্তানকে অবজ্ঞার চোখে দেখতো, কিন্তু আবুবকরের পৌত্র কাসিম, ওমরের পৌত্র সলিম ও ইমাম জয়নুল আবেদীন দাসীপুত্র হয়েও শিক্ষায় ও চরিত্রবলে শীর্ষস্থানে উঠেছিলেন তখন থেকেই মদীনাবাসীরা দাসদের সঙ্গে সহৃদয় ব্যবহার ও সম্মান করতে শেখে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআইরিন – পিয়ের লেমেইত
    Next Article আমার বোকা শৈশব – আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ

    Related Articles

    আশাপূর্ণা দেবী

    সমুদ্র কন্যা – আশাপূর্ণা দেবী

    April 24, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    আমাদের মহাভারত – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    March 20, 2026
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Our Picks

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026

    শ্মশানকোকিলের ডাক – সৌভিক চক্রবর্তী

    May 1, 2026

    এসো না অসময়ে – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }