Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026

    শ্মশানকোকিলের ডাক – সৌভিক চক্রবর্তী

    May 1, 2026

    এসো না অসময়ে – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    হযরত ওমর – আবদুল মওদুদ

    লেখক এক পাতা গল্প288 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    সেনাবিভাগ

    ইসলাম-পূর্ব যুগে রোমক সাম্রাজ্যে ও পারস্য সাম্রাজ্যে সেনাবিভাগ সুগঠিত ও সুব্যবস্থিত ছিল। সেনানায়কত্ব সাধারণত কুলপ্রথা ও উচ্চ বংশের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকতো এবং জায়গীর প্রথার মতই প্রদত্ত হতো। রণ-প্রভুরা সাম্রাজ্যের বিভিন্ন স্থানে বিশাল ভূ-সম্পত্তির মালিকানা স্বত্ব ভোগ করতেন এবং নির্দিষ্ট সংখ্যক সৈন্য পালন করতেন। যুদ্ধকালে স্ব-স্ব বাহিনীসহ রণক্ষেত্রে সম্রাটের পক্ষে লড়তেন, আবার সুযোগ উপস্থিত হলে বিরুদ্ধেও লড়তেন। এ রকম জায়গীয় প্রথানিষ্ঠ সেনাবাহিনী ব্যারন ও ডিউকদের অধীনে ইউরোপখণ্ডেও বিরাজ করতো। ফরাসী দেশের সেনাবাহিনীর কোন বেতন ছিল না। যুদ্ধকালে লুণ্ঠনই ছিল তাদের একমাত্র আকর্ষণ।

    আরবের ইয়ামেন ও অন্যান্য রাজার কোনও সুগঠিত সেনাবাহিনী ছিল না। ইসলামের প্রথম যুগে সেনা সংগঠনের প্রয়োজন অনুভূত হয় নি, প্রত্যেক মুসলিমই ছিল মুজাহিদ, আল্লাহর রাহে সত্যের সৈনিক। আরব উম্‌মাহ অর্থাৎ সমগ্র জাতি ছিল সক্রিয় সেনাবাহিনীর অন্তর্ভুক্ত। আবুবকরের খেলাফতকালে মালে গনিমাত প্রত্যেককে বন্টন করে দেওয়া হতো। প্রথম বছরে প্রত্যেক মুজাহিদ পায় দশ দিরহাম ও দ্বিতীয় বছরে পায় বিশ দিরহাম। তখনও কোন সৈন্য তালিকা রক্ষিত হতো না, কোনও সমর দফতর সৃষ্টি হয় নি। ওমরের খেলাফতের প্রথম দু বছর একই ব্যবস্থা প্রচলিত ছিল। কিন্তু ১৫ হিজরীতে সমর বিভাগে বৈপ্লবিক পরিবর্তন সাধিত হয়।

    আবু হোরায়রাহ্ বাহরায়েনের শাসনকর্তা নিযুক্ত হওয়ার পর ১৫ হিজরীতে পাঁচ লক্ষ দিরহাম ভূমি কর হিসেবে সংগ্রহ করে মদীনায় আনয়ন করেন। পূর্বে কোনও আরববাসী এরূপ অগাধ অর্থের সংখ্যা শোনেনি। ওমর মজলিস-ই-শুরার’র পরামর্শ চাহিলেন, এই অগাধ অর্থ নিয়ে কী করা যায়। আলী, ওসমান ও অন্যান্য সাহাবা বিভিন্ন মতামত প্রকাশ করেন। ওলিদ বিন হিশাম সিরিয়ার শাসকদের সমর দফতর ও সেনাতালিকার বিষয় ও অর্থ সঞ্চয়ের জন্যে কোষাগারের বিষয় উল্লেখ করেন। তিনি ইরাকের দিওয়ান অর্থাৎ দফতরের কথাও উল্লেখ করেন। তখন এই বিপুল অর্থ নিয়ে খাজাঞ্চিখানা স্থাপিত হয় এবং সৈন্যদের মধ্যে বন্টনের সুবিধার্থে একটি সৈন্য রেজিস্টারী প্রণয়ন ও একটি দিওয়ান বা সমর দফতর প্রতিষ্ঠিত হয়। পরে সাহিব-ই-দিওয়ান নামে সমর-দফতরের প্রধান কর্মচারীর পদ সৃষ্টি হয়। সৈন্য-রেজিষ্টারী আরম্ভ হয় প্রথমে কোরায়েশ ও আনসারদের নিয়ে। পরে প্রত্যেক কবীলা বা গোত্রের জন্যে রেজিস্টারী প্রস্তুত হয়।

    রেজিস্টারীভুক্ত প্রত্যেক পুরুষ যুদ্ধে যোগ দিতে বাধ্য ছিল। তারা দুভাবে বিভক্ত ছিল, যাঁরা সর্বক্ষণ যুদ্ধার্থে প্রস্তুত থাকতো এবং দ্বিতীয় ছিল ‘মাতুআই’ বা রিজার্ভ বাহিনী। রিজার্ভ-বাহিনী বাড়ীতে বাস করতো ও নিজ নিজ পেশায় নিযুক্ত থাকতো, কিন্তু ডাক পড়লেই যুদ্ধে গমন করতে হতো। ২১ হিজরীর মধ্যে সেনাবিভাগ ওমর কর্তৃক সর্বাংশে সুগঠিত ও সুসংবদ্ধ হয়ে ওঠে।

    সেনাবিভাগের সুষ্ঠু প্রশাসনের জন্যে ওমর কয়েকটি সামাজিক কেন্দ্র প্রতিষ্ঠিত করেন ‘জুন্দ্’ নাম দিয়ে। নামটি আজও সেনাবিভাগে তাঁর স্মৃতি বহন করছে। প্রথমে মদীনা, কুফা, বসরা, মসুল, ফুস্তাত, দামেস্ক উবদান ও প্যালেস্টাইনে আটটি জুন্দ্ স্থাপিত হয়। ওমরের সময় মুসলিম অধিকার বিস্তৃত ছিল বেলুচিস্তান পর্যন্ত; কিন্তু জাজিরাহ্, সিরিয়া, ইরাক ও মিসরকেই সাধারণত ‘স্বদেশ’ বলা হতো, আর তার দরুন এ দেশগুলির নিরাপত্তা নিরঙ্কুশ করতে ওমর আটটি জুন্দ স্থাপন করেছিলেন। প্রত্যেক জুন্দে এ-সব ব্যবস্থা অবলম্বন করা হয়। সেনাদের বাসের জন্যে সেনাবারিক নির্মিত হয়। উল্লেখযোগ্য যে, কুফা, বসরা ও ফুস্তাতে (বর্তমান কায়রো) প্রথমে সেনাবারিক ছিল, পরে সেগুলি প্রসিদ্ধ শহর হিসেবে গড়ে ওঠে। দ্বিতীয়ত প্রত্যেক জুন্দ্ েচার হাজার যুদ্ধাশ্বের আস্তাবল নির্মিত হয়। এভাবে বত্রিশ হাজার নিয়মিত যুদ্ধাশ্ব সর্বদা প্রস্তুত থাকতো, অতি স্বল্প সময়ে সমরাঙ্গণে প্রেরণ করার জন্যে। ১৭ হিজরীতে জাজিরায় সহসা বিদ্রোহ উপস্থিত হলে, মুহূর্ত মধ্যে অশ্বারোহী সেনাদল উপস্থিত হয়ে অঙ্কুরেই সে বিদ্রোহ নির্মূল করে। এ-সব যুদ্ধাশ্বের রক্ষণাবেক্ষণ ও শিক্ষার জন্যে বিশেষ যত্ন নেওয়া হতো। মদীনার আস্তাবলগুলি খোদ ওমরের তত্ত্বাবধানে থাকতো। তাঁর খাস্ সেবক হানী চারণভূমির তদারককারী ছিল। উল্লেখযোগ্য যে, মদীনার নিকটবর্তী চারণভূমি সমূহে শুধু যুদ্ধের ঘোড়াই থাকতো না, চল্লিশ হাজার উট ও প্রতিপালিত হতো যুদ্ধের জন্যে। যুদ্ধের ঘোড়াগুলির উরুদেশে ছাপ মেরে দেওয়া হতো ‘জাইশ্-ফি-সাবিলিল্লাহ্র; অর্থাৎ আল্লাহ অশ্ববাহিনী। তৃতীয়ত প্রত্যেক জুন্দে যুদ্ধের নথিপত্র হেফাজতের জন্যে সমর- দিওয়ান থাকতো; এবং চতুর্থত সেনাবাহিনীর রসদ বিভাগের পৃথক গুদাম ছিল এবং সেখান থেকে সমস্ত রসদ সমরক্ষেত্রে সরাসরি চালান হতো।

    এ-সব জুন্দ্ ব্যতীত ওমর প্রত্যেক শহরে ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলে সেনানিবাস স্থাপন করেন, এবং এভাবে সমগ্র মুসলিম অধিকারে আরবজাতিকে ছড়িয়ে বাস করতে বাধ্য করেন। কোন নতুন শহর বা অঞ্চল অধিকার করা হলেই সেখানে একটা সেনানিবাস স্থাপিত হতো। সিরিয়া বিজিত হলে ওমর প্রত্যেক শহরে একদল সৈন্য মোতায়েন করে বিজেতা আবুওবায়দা শক্তি বৃদ্ধি করেন। সিরিয়ার সমুদ্রোপকূলবর্তী স্থানসমূহে-আরবী ভাষায় বিলাদ ই-সাহিলিয়াহ্-সেনাবাহিনীর সহজগতি ছিল এবং তার দরুন রোমক আক্রমণ থেকে নিরাপদ করার উদ্দেশ্যে সমুদ্রোপকূলবর্তী প্রত্যেক গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সমরঘাঁটি স্থাপিত হয় ও উপযুক্ত সংখ্যক সৈন্য মোতায়েন রাখা হয়। এ-সব স্থানে আগুন জ্বালিয়ে শত্রুর গতিবিধি সম্বন্ধে সাবধান করার ব্যবস্থাও অবলম্বন করা হয়। মিসরে আমর-বিন্-আসের অধীনে যে বাহিনী ছিল তার এক-চতুর্থাংশ আলেকজান্দ্রিয়ার প্রতিরক্ষায় নিযুক্ত থাকতো, এক চতুর্থাংশ থাকতো সমুদ্রোপকূলে টহলদারী করতে এবং বাকী সৈন্য সারা মিসরে শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষার হেতু ফুস্তাতে মোতায়েন থাকতো। বসরা ও কুফা অপেক্ষাকৃত নিরাপদ অঞ্চলে অবস্থিত হলেও চল্লিশ হাজার সৈন্য বসরায় অবস্থান করতো এবং তার মধ্যে দশ হাজার সর্বদা প্রস্তুত থাকতো, বহিরাক্রমণে যাত্রা করতে। ইরাকের প্রতিটি পুরাতন পারসি কসেনানিবাস পুননির্মিত হয়, খারিযা ও জাবুকাস্থিত সাতটি সেনানিবাস নতুনভাবে নির্মিত হয়। রায় ও আজরবাইজানের সেনানিবাসে দশ হাজার সৈন্য থাকতো। সারা মুসলিম অধিকৃত অঞ্চলে এ-সব সমরঘাঁটি ও সেনানিবাস স্থাপনের কারণ ছিল দুটি: ইরাকে বহু মারজাবান্ বা সামন্ত ছিলেন, যাঁরা সুযোগ দেখলেই বিদ্রোহ করে নিজেদের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করতে চেষ্টা করতেন, এজন্যে তাঁদেরকে শায়েস্তা করতে হতো আর মুসলিমদের মোটেই নৌশক্তি ছিল না। এজন্যে সিরিয়ার উপকূলভাগ রোমক নৌশক্তির আক্রমণ থেকে রক্ষার হেতু এ সব সমরঘাঁটি শক্তিশালী রাখার প্রয়োজন ছিল।

    সেনানিয়োগ ও সেনাবাহিনী সংগঠনেও ওমর নয়া নীতি প্রবর্তন করেন ও সামরিকশক্তি বৃদ্ধি করেন। প্রথমভাগে আনসার ও মুহাজেরদের মধ্যে সৈন্যবিভাগে নিযুক্তি সীমিত থাকলেও পরে সমগ্র আরববাসীর জন্যে সেনাবিভাগে নিয়োগ উন্মুক্ত করা হয়। মদীনা ও আস্ফানের মধ্যবর্তী আরবরা এবং সুদূর বাহ্রায়েনবাসী আরবরাও সৈন্যবিভাগে নিযুক্ত হয় এবং তালিকাভুক্ত হয়। এমন কি, কুকা, বা, ফুস্তাত্, জাজিরাহ্ প্রভৃতি ভিন্ন দেশবাসী আরবরাও সেনাবিভাগের প্রবেশাধিকার লাভ করে। এভাবে প্রায় আট দশ লাখ আরব-সৈন্য তালিকাভুক্ত হয়। ইবনে সা’দের বয়ান মতে প্রতি বছর ত্রিশ হাজার রংরুট বাহিনী যুদ্ধস্থলে প্রেরিত হতো। তাবারীর বর্ণনা মতে প্রায় একলক্ষ যুদ্ধক্ষম বাসিন্দা কুফায় ছিল এবং তাদের মধ্যে চল্লিশ হাজার স্থায়ী সৈন্য পর্যায়ক্রমে যুদ্ধক্ষেত্রে প্রেরিত হতো। কালক্রমে ওমর সেনাবিভাগ পারসিকদের এবং অন্যান্য বিদেশীদের জন্যেও উন্মুক্ত করে দেন। সায়াহ্, খরো, শাহ্রীয়ার ও আফরুদ্দীন নামক পারসিক সেনানায়কগণ প্রত্যেকে আড়াই হাজার ও আরও একশত পারসিক নায়ক প্রত্যেকে দুই হাজার মুদ্রা বেতনভোগী ছিলেন। তুস্তারের যুদ্ধ সায়ার রণ-কৌশলে জয় করা হয়েছিল। ইয়ামনের পারসিক শাসক বাধানোর সমগ্র পারসিক বাহিনী ইসলাম গ্রহণ করে ও সৈন্য-তালিকাভুক্ত হয়। আনন্দের সঙ্গে এটাও উল্লেখযোগ্য যে, ওমরের সেনাবিভাগে পাক-ভারতীয়রাও প্রবেশেধিকার লাভ করেছিল। পারসিক খসরু ইয়েগির্দের সেনাবিভাগে সিন্ধুর জাঠরা নিয়োজিত ছিল এবং ২০ হিজরীতে সুস্ অধিকৃত হলে জাঠ সৈন্যরাও ইসলাম গ্রহণ করে সৈন্যতালিতাভুক্ত হয়। আরবরা তাদেরকে ‘যাত’ নামাঙ্কিত করেছিল। মুসলিম সেনাবাহীতে রোমক ও গ্রীকরাও ছিল এবং তাদের পাঁচশত সেনা মিসর জয়কালে ইসলামের পতাকাতলে যুদ্ধ করেছিল। রিজার্ভ বাহিনীতে প্রায় দশ হাজার অগ্নিপূজক ছিল এবং তারা মুসলিমদের সমান বৃত্তিলাভ করতো। স্থায়ী বাহিনীতেও তাদের সংখ্যা ন্যূন ছিল না। সংক্ষেপে বলা যায়, উদার ও ন্যায়দর্শী ওমর সেনাবিভাগ সকল দেশের সকল গোত্রের জন্যে উন্মুক্ত করে দিয়েছিলেন, জাতি ও ধর্মের কোন ভেদাভেদ রাখেন নি।

    কোনও রকম ব্যবসা বা কৃষিকাজে লিপ্ত হওয়া আরবসৈন্যদের পক্ষে একেবারে নিষিদ্ধ ছিল। এজন্যে তাদের বেতন বৃদ্ধি করা হয় ও সব রকম প্রয়োজনীয় দ্রব্য ও হাতিয়ার সরবরাহের ব্যবস্থা করা হয়। ওমর সৈন্যদের সর্বনিম্নবেতন বার্ষিক দু থেকে তিনশত মুদ্রায় বৃদ্ধি করেন। কর্মচারীদের বেতন ছিল সাত থেকে দশ হাজার। পূর্বে সেনাদের সন্তানরা মাতৃস্তন্য ত্যাগ করার পর নির্ধারিত বৃত্তি পেত। ওমর তাদের জন্মদিন থেকে বৃত্তির ব্যবস্থা করেন। তা ছাড়া সেনাদের পৃথক ভাতা ছিল। বেতন দেওয়া হতো বছরের প্রথম মাস মহরমের প্রথম ভাগে, ভাতা দেওয়া হতো বসন্তকালে। প্রতি গোত্রের দশজন সৈন্যের অধিনায়ককে আরিফ বলা হতো: এবং আরিফরাই নিজ নিজ অধীনস্থ সৈন্যমধ্যে বেতন বিলি করতো। বেতন ব্যতীত সেনারা একটা নির্দিষ্ট হারে ‘মাউনাহ্’ বা ভাতা লাভ করতো। চাকরীর মেয়াদ অনুসারে পদোন্নতি হতো ও বেতন বৃদ্ধি হতো। বেতন ও ভাতা ব্যতীত মালে-গনিমাতের অংশও সৈন্যদের মধ্যে বন্টন করে দেওয়া হতো এবং এভাবে প্রাপ্যের পরিমাণে কোনও সীমারেখা ছিল না। দৃষ্টান্ত হিসেবে উল্লেখযোগ্য যে, জালুলার যুদ্ধজয়ের পর প্রতিটি অশ্বারোহী সৈন্য দশ হাজার এবং নিহাওন্দের যুদ্ধজয়ের পর ছয় হাজার মুদ্রা প্রাপ্ত হয়। ঐতিহাসিক হিট্টি বলেন, আরব সেনারা পারসিক বা রোমক সেনাদের চেয়ে বেশি বেতন লাভ করতো, তার উপর মালে গনিমাতে ছিল নিশ্চিত লাভ। যুদ্ধ-ব্যবসা শুধু লাভজনক ছিল না, সবচেয়ে মহৎ ও আল্লাহর নিকট প্রিয় ছিল। আরব সৈন্যর শক্তি শুধু সংখ্যাধিক্য উন্নত অস্ত্র-শস্ত্রে বা সংগঠন-নীতিতে ছিল না; উচ্চ নীতি জ্ঞান, অনমনীয় মনোবল এবং ধর্মীয় প্রীতির মধ্যেই তা নিহিত ছিল।

    সৈন্যদের পোশাক কি ছিল তা জানা যায় না। তবে তাদেরকে পারসিকদের পোশাক পড়তে দেওয়া হতো না। ২১ হিজরীতে যখন মিসরে জিম্মীদের উপর জিয়া প্রবর্তিত হয়, তখন সৈন্যবিভাগের জন্যে পোশাকও অন্তর্ভুক্ত হয়, এবং তা ছিল একটি পশমী কোট, একটি লম্বা টুপী বা আমামা, পাজামা ও চামড়ার থলিয়া। প্রত্যেক গোত্রের নিজস্ব নিশান ছিল, এক টুকরা বিশেষ ধরনের কাপড় বর্ণায় গেঁথে গোত্রের বীরশ্রেষ্ঠ তা বহন করতো। পদাতিক বাহিনীর অস্ত্র ছিলো, তীর ধনুক ফিঙ্গা, ঢাল ও তয়োয়ার; খাপে-ঢাকা তলোয়ারখানি ডান কাঁধে ঝুলে থাকতো, পরবর্তীকালে আবিসিনিয়া থেকে ‘হারবাহ’ বা বর্শা আমদানি করা হলে পদাতিকরাও ব্যবহার করতো। অশ্বারোহী বাহিনীর অস্ত্র ছিল ‘রুম্হ বা দীর্ঘ বর্শা; তার ‘খত্তি’ বা দণ্ডটি বাহ্রায়েনের আল্-খাত্ নামক সমুদ্রোপকূলবর্তী স্থানের বাঁশ থেকে নির্মিত হতো। তীর-ধনুকও অশ্বারোহীদের অস্ত্র ছিল। তরবারি স্থানীয় কারখানায় প্রস্তুত হতো, তবে ‘হিন্দী’ নামক উচ্চ শ্রেণীর তরবারী পাক-ভারত উপমহাদেশ থেকে আমদানি করা হতো। আত্মরক্ষার্থে সৈন্যরা ঢাল ও বর্ম ব্যবহার করতো। সৈন্যরা নিজেরাই অশ্ব সংগ্রহ করতো। যাদের বেতন অল্প এবং অবস্থা ভাল হয়, তাদের জন্য সরকার থেকে অশ্ব সরবরাহ করা হতো।

    প্রথম দিকে সৈন্যদের রসদ যোগানোর ব্যবস্থা (কমিসরিয়ট) কিছুই ছিল না। কাদিসিয়ার যুদ্ধে নিযুক্ত সেনাবাহিনী আশপাশের গ্রামগুলি থেকে নিজেরাই খাদ্য-শস্য সংগ্রহ করতো, খলিফা মদিনা থেকে গোশত পাঠাবার ব্যবস্থা করেছিলেন। পরবর্তীকালে জিম্মীরা জিয়ার সঙ্গে মাথাপিছু পঁচিশ সের খাদ্যশস্য আদায় দিত এবং এভাবে সংগৃহীত সব খাদ্যশস্য সেনাবিভাগে চালান যেতো। মিসর থেকে জলপাই তৈল, মধু ও সির্কাও সংগৃহীত হতো এবং সৈন্যরা তা দিয়ে রুটি মেখে খেত। জাজিরাহ্ থেকেও এ-সব সংগ্রহ হতো। পরবর্তীকালে ‘আহরা’ নামক রসদ যোগান দফতর সৃষ্টি হয়। সব রকম খাদ্যদ্রব্য এক স্থানে সঞ্চিত হতো এবং মাসের প্রথম মাথাপিছু এ রকম হারে বন্টন করা হতো-খাদ্যশস্য এক মণ দশ সের, জলপাই তৈল বার সের ও সিকা বার সের। ইয়াকুবী বলেন, পরবর্তীকালে ওমর যখন সিরিয়ায় সফরে যান, তখন সৈন্যদেরকে খোরাকী দেওয়ার পরিবর্তে পাক করা খাবার দেওয়া হতো।

    সৈন্যদের সুস্থ ও কর্মঠ রাখার জন্যে কয়েকটি বিধি-নিয়ম পালন করা হতো। তাদেরকে দৈনিক ঘোড়দৌড়, তীরছোঁড়া, কুস্তিবাজী, সন্তরণ ও খোলা পায়ে হাঁটা প্রভৃতি ব্যায়াম করতে হতো। দৈনিক আধুনিক পন্থার ড্রিল করানোর কোনও নিয়ম ছিল কি-না জানা যায় না। অভিযান পরিকল্পিত হতো। ঋতু পরিবর্তনের দিকে লক্ষ্য রেখে। শীত-প্রধান দেশে গ্রীষ্মকালে এবং গ্রীষ্মপ্রধান দেশে শীতকালে সাধারণ অভিযান করার চেষ্টা করা হতো। ঋতু অনুযায়ী এভাবে চালানোর আরবী নাম ছিল ‘শাতিয়াহ্’ ও ‘সাফিয়াহ্’। ১৭ হিজরীতে মাদায়েন অধিকৃত হওয়ার পর লক্ষ্য করা গেল, সৈন্যদের স্বাস্থ্য ঋতুর কঠোরতার দরুন ভেঙ্গে পড়েছে, তখন ওৎবাহ্ বিন্-খাওয়ানের উপর নির্দেশ হয়, বাহিনী প্রতি বছর বসন্তকালে স্বাস্থ্যপ্রদ স্থানে অপসারণ করতে। উত্তম আবহাওয়ার সঙ্গে উপযুক্ত চারণভূমির দিকেও দৃষ্টি রাখা হতো। মিসরের শাসক আমর- বিন্-আস্ বসন্ত সমাগমে সেনাবাহিনীকে গ্রামাঞ্চলে স্থানান্তরিত করতেন; তখন তারা শিকারে ও আমোদ-প্রমোদ স্বাস্থ্যোন্নতি করতো এবং চারণভূমিতে উট ও ঘোড়াগুলি মোটা হয়ে উঠতো।

    সেনানিবাসে ও সেনাবারিক নির্মাণের সময় আবহাওয়া ও স্বাস্থ্যবিধির দিকে লক্ষ্য রাখা হতো। এজন্যে খোলা উঁচু জায়গা নির্বাচিত হতো ও প্রতিটি গৃহের সম্মুখে প্রশস্ত উঠান রাখা হতো। কুফা, বসরা, ফুস্তাত প্রভৃতি বৃহৎ শহরের সেনানিবাসগুলির প্রশস্ত পথ ছিল। ওমর নিজেই এসবের পরিকল্পনা প্রস্তুত করতেন এবং রাস্তার প্রস্থ ও অবস্থান নির্দেশিত করতেন।

    সৈন্যরা অভিযানে মার্চ করার সময় শুক্রবারে বিশ্রাম করতো। তারা একদিন ও একরাত বিশ্রাম করে শ্রান্তি দূর করতো এবং পোশাক ও অস্ত্র পরিষ্কার করে নিতো। খাদ্যদ্রব্যের ও পানির সহজপ্রাপ্যতা দেখে ছাউনি ফেলা হতো। সা’দ-বিন-ওক্কাসের নিকট প্রেরিত ফরমান থেকে এ-সব নির্দেশের উল্লেখ পাওয়া যায়।

    সৈন্যদের নিয়মিত সময়ের ব্যবধানে ছুটি দেওয়া হতো। দূরবর্তী স্থানে অবস্থিত সেনারা বছরে একবার ছুটি ভোগ করতো। একবার ওমর এক যুবতীকে বিরহের গান গাইতে শুনে জানতে পারেন, তার মুজাহিদ স্বামী বহু দিন ঘরে ফেরে নি। ওমর তখনই সিপাহসালারদের নির্দেশ দেন, কোনও সৈনিকের চারমাসের বেশি গৃহসুখ থেকে বঞ্চিত করা যাবে না।

    ওমর সৈন্যবিভাগে আরও কয়েকটি নতুন নিয়ম প্রবর্তন করেন। প্রত্যেক বাহিনীর সঙ্গে একজন হিসাবরক্ষক, একজন কাজী, কয়েকজন দোভাষী ও চিকিৎসক থাকতেন। কাদিসিয়ার যুদ্ধকালে আবদুর রহমান-বিন্-রাবিয়া কাজী হিসেবে, যিয়াদ-বিন্- আবিসুফিয়ান হিসাব পরীক্ষারূপে এবং হিলালহিজরী দোভাষী হিসেবে অনুগমন করেছিলেন।

    যুদ্ধকালে সৈন্যবিন্যাস করা হতো শ্রেণীবদ্ধরূপে। সৈন্যদের বিভক্ত করা হতো দক্ষিণ, বাপ, সম্মুখ ও পশ্চাৎসারি হিসেবে। প্রত্যেক সারি পৃথকভাবে যুদ্ধ করতো, সমগ্র বাহিনীর কোন নির্দিষ্ট সিপাহসালার থাকতো না প্রথম দিকে। ইয়ারমুকের যুদ্ধের সময় সর্বপ্রথম খালিদ-বিন্-ওলিদ একক সিপাহসালার হিসেবে সেনাবাহিনী সুসংবদ্ধরূপে পরিচালনা করেন। চল্লিশ হাজার সৈন্য ছত্রিশটি অংশে বিভক্ত হলেও খালিদের নেতৃত্বে সুগঠিত হয়ে এক যোগে যুদ্ধদান করেছিল। ওমরের নির্দেশমতে সৈন্যদল এরূপভাবে সারিবদ্ধ হতো : কর্ বা মধ্যভাগ, এটির সঙ্গে সিপাহসালার যুক্ত থাকতেন; মকাদ; দামাহ্ বা সম্মুখদল; মায়ামানাহ্ বা দক্ষিণবাহু; মায়সারাহ্ বা বামবাহু; সাকাহ্ বা পশ্চাদ্দল, তালাইয়াহ্ বা টহলদারীদল, যাদের কাজ ছিল শত্রুপক্ষের গতিবিধির উপর লক্ষ্য রাখা; রিদ্ অর্থাৎ সর্বপশ্চাদ্ দল, যাদের কাজ ছিল সম্মুখের দলগুলিকে শক্তিশালী করা; রাইদ্ অর্থাৎ রসদ যোগানদার; রুকবান্ অর্থাৎ উষ্ট্রবাহিনী; ফরসান্ অর্থাৎ অশ্বারোহী বাহিনী; রাজিল্ অর্থাৎ পদাতিক বাহিনী; রমাত্ অর্থাৎ তীর ধনুকধারী বাহিনী। কিল্লা দখল করতে ও দুর্গপ্রাচীর ভূমিসাৎ করতে প্রস্তরক্ষেপক যন্ত্রের ব্যাপক ব্যবহার করা হতো। ১৬ হিজরীতে বসির দুর্গ আক্রমণকালে ন্যূনপক্ষে কুড়িটি এরূপ যন্ত্রের ব্যবহার করা হয়। দবাবহ্ নামক আর একটি যন্ত্র অবরোধকালে ব্যবহৃত হতো। এটি কাঠের কয়েকটি তালাযুক্ত উঁচু যন্ত্রবিশেষ। চাকায় চালিত যন্ত্রটিতে প্রস্তর নিক্ষেপকারী, প্রাচীর রন্ধ্রকারী ও তীরন্দাজগণ আত্মগোপন করে শত্রুর দুর্গপ্রকারের কোলে উপস্থিত হতে পারতো এবং সহজে দুর্গপ্রাকার বিধ্বস্ত করে দিত। অভিযানকালে সড়ক, সেতু ও অস্থায়ী গৃহ নির্মাণ করবার পৃথক বাহিনী থাকতো। মারিযী বলেন, আলেকজান্দ্রিয়া অভিযানকালে মিসরবাসীরা স্বেচ্ছায় এ-সব কাজের ভার গ্রহণ করে ছিল এবং সারাপথে বাজার বসিয়ে মুসলিমবাহিনীর রসদ যোগাড়ের ব্যবস্থা করেছিল।

    ওমরের খেলাফতকালে গুপ্তচর নিয়োগ ও গোয়েন্দাগিরি উচ্চ পর্যায়ের ছিল। গুপ্তচর হিসেবে ইরাক ও সিরিয়া নও-মুসলিম আরবদিগকে নিযুক্ত করা হতো। তারা বহু বছর এ সব দেশে বাস করে দেশের অবস্থা ও বাশিন্দাদের স্বভাব-প্রকৃতি সম্যক অবগত ছিল এবং সহজেই অগ্নিপূজক অথবা খ্রিস্টানদের বেশ ধরে শত্রুদলে মিশে যেতো এবং শত্রুপক্ষের সৈন্যশক্তি, গতিবিধি প্রভৃতি মূল্যবান সংবাদ সংগ্রহ করতো। ইয়ারমুক, কাদিসিয়া ও তিরকিতের যুদ্ধে এ-সব গুপ্তচর খুবই সাহায্যকারী হয়েছিল। সিরিয়ার বড়ো বড়ো শহরবাসীরা নিজেরাই গুপ্তচর নিয়োগ করতো এবং রোমক সৈন্যবাহিনীর গতিবিধি সম্বন্ধে মুসলিমদেরকে সন্ধান দিতো। প্যালেস্টাইন ও জর্ডানের উত্তরাঞ্চলের সুমারিতান গোত্রীয় ইহুদীরা গুপ্তচর হিসেবে অত্যন্ত পারদর্শী ছিল এবং কাজের পুরস্কার হিসেবে তাদের নিষ্কর ভূমি দান করা হতো।

    ওমরের সেনাবিভাগ-প্রশাসনের একটি উল্লেখযোগ্য বিষয় হচ্ছে সেনাবাহিনীর উপর সর্বদাই সামগ্রিক কর্তৃত্ব স্থাপন; এবং তা এতোখানি চূড়ান্ত ছিল যে, যদিও বিশাল বাহিনী মুসলিম অধিকারের দেশে দেশে অতিদূর অঞ্চল পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল, বহু জাতি ও গোত্রের সংমিশ্রণে গঠিত ছিল, তবুও তাঁর উপস্থিত প্রতিটি সৈন্যঘাঁটিতে অনুভূত হতো এবং তার দরুন সিপাহসালার থেকে সামান্য সৈন্য পর্যন্ত সর্বদাই সন্ত্রস্ত ও শঙ্কিত থাকতো। আর তার কারণ ছিল দুটি: ওমরের সমুদ্রবৎ অসীম মহিমাপূর্ণ ব্যক্তিত্ব ও নিরঙ্কুশ প্রভাব। দ্বিতীয়ত প্রতিটি সেনাদলে ওমরের এমন বিধ্বস্ত সংবাদদাতা ছিল, যার মারফত তিনি প্রতিটি সংবাদ সংগ্রহ করতে সক্ষম হতেন। তাবারী বলেন: প্রত্যেক সেনাদলে ওমরের সংবাদদাতা ও গোয়েন্দা নিযুক্ত থাকতো এবং তারা প্রতিটি সংবাদ খলিফার গোচরে আনতো। তার ভয়ে কেউ কোনও অপরাধ করলে অনতিবিলম্বে খলিফা অবহিত হতেন এবং সঙ্গে সঙ্গে তার প্রতিবিধান করতেন। পারসিকদের সঙ্গে যুদ্ধকালে আমর মাযি-করর্ সেনাপতির সঙ্গে অভদ্র আচরণ করেন। সঙ্গে সঙ্গে তা খলিফার গোচরে আসে এবং মাযি-করর্ এমন কঠিন ভর্ৎসনা লাভ করেন যে, পরবর্তীকালে আর কেউ অবাধ্যতা করার কল্পনাও করতে পারতো না।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআইরিন – পিয়ের লেমেইত
    Next Article আমার বোকা শৈশব – আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ

    Related Articles

    আশাপূর্ণা দেবী

    সমুদ্র কন্যা – আশাপূর্ণা দেবী

    April 24, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    আমাদের মহাভারত – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    March 20, 2026
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Our Picks

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026

    শ্মশানকোকিলের ডাক – সৌভিক চক্রবর্তী

    May 1, 2026

    এসো না অসময়ে – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }