Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026

    শ্মশানকোকিলের ডাক – সৌভিক চক্রবর্তী

    May 1, 2026

    এসো না অসময়ে – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    হযরত ওমর – আবদুল মওদুদ

    লেখক এক পাতা গল্প288 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ইরাক-আরব বিজয় (দ্বিতীয় পর্যায়)

    রণ-হুঙ্কারে কাদিসিয়ার প্রান্তর মুহুর্মুহু প্রকম্পিত হয়ে উঠতে লাগলো।

    পারসিক সিপাহসালার সৈন্যদের আদেশ দিলেন, অবিলম্বে যুদ্ধার্থে প্রস্তুত হতে। তিনি নিজেও বর্মে-চর্মে সুসজ্জিত হয়ে অশ্বারোহণ করে বলদৃপ্ত কণ্ঠে বললেন, এবার সারা আরবকে ধুলিসাৎ করে দেব। পার্শ্ববর্তী একজন সৈন্য বললো, নিশ্চয়ই, ঈশ্বরের ইচ্ছা হলে। রুস্তম ধমক দিয়ে বললেন, যদি ঈশ্বরের ইচ্ছা না থাকে তবুও আমার ইচ্ছা পূর্ণ হবেই।

    রুস্তম ছিলেন অমিততেজা বীর ও ঝানু রণকৌশলী। তিনি বিশেষ কৌশল করে নিজের সৈন্য-বিন্যাস করেন। তেরটি পরপর সুসজ্জিত শ্রেণীতে তাঁর বাহিনী বিভক্ত হয়। কেন্দ্রব্যুহ্যের পিছনেই ছিল রণনিপুণ হস্তীযুথ এবং তার পিছনে ছিল অশ্বারোহীর দল। দক্ষিণ ও বাম বাহুর পিছনে ছিল বিরাট মাতঙ্গযুথ। যুদ্ধ-কেন্দ্র থেকে রাজধানী পর্যন্ত সমস্ত পথে সংবাদবাহীর দল ছিল নিয়োজিত, যাতে যুদ্ধের গতি প্রতি মুহূর্তেই মাদায়েনে বিবৃত হয়।

    সা’দ অসুস্থতাহেতু কাদিসিয়ার যুদ্ধক্ষেত্রের ঠিক পিছনে অবস্থিত একটি প্রাসাদে শয্যাগত থেকে যুদ্ধের গতিবিধি নিয়ন্ত্রিত করতেন। উপরের এক উন্মুক্ত প্রকোষ্ঠ থেকে সারা যুদ্ধক্ষেত্র তাঁর দৃশ্যপথে সহজে লক্ষিত হতো এবং খালিদ-বিন-আরফতাকে সৈন্য-চালনার ভার দিয়ে নিজে পদে পদে নির্দেশ পাঠিয়ে কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করতেন।

    সৈন্যদল যুদ্ধার্থে প্রস্তুত হলে আরবের বিখ্যাত কবি ও বক্তাগণ তাঁদের যুদ্ধোন্মাদনা জাগিয়ে তুললেন। সমগ্র বাহিনী তাঁদের কবিতা ও ওজস্বিনী বক্তৃতায় মোহিনী যাদুমন্ত্রে দুলতে লাগলো। তারপর সিপাহসালার সা’দের ‘আল্লাহু আকবর’ তকবীর-ধ্বনির সঙ্গে প্রকৃত যুদ্ধ শুরু হয়ে গেল। দুই পক্ষের দুই বিশাল বাহিনী ঝাঁপিয়ে পড়লো ‘জীবন-মৃত্যু মিশেছে যেথায় মত্ত ফেনিল স্রোতে।’ জীবন নেওয়া-দেওয়ার এই বীভৎস লীলায় সারা রণভূমি কেঁপে উঠলো।

    প্রথম দিনের যুদ্ধে, পারসিকরা হস্তীযুথ দিয়ে মুসলিমদের অত্যন্ত ব্যতিব্যস্ত করে তুললো। এই কালোমেঘের মতো বিরাটদেহীদের দেখেই আরবী অশ্বগুলি পিছু হটতে থাকে। বাহিলাহ্ নামক মশহূর আরবী অশ্বারোহীর দলকে এভাবে বেকায়দা অবস্থায় পড়তে দেখে সা’দ আসাদ-গোত্রের পদাতিকদের নির্দেশ দেন, তাঁদের সাহায্য করতে। আসাদ-গোত্রের সৈন্যরা বীরবিক্রমে হস্তীযুথের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ায় পারসিকরা হস্তী দিয়ে তাদেরকে নিঃশেষ করতে চেষ্টা করলো। তখন বানু-বংশের তীরন্দাজরা মুহুর্মুহু তীরবৃষ্টি করে মাতঙ্গ-বাহিনীকে পশ্চাতে হটিয়ে দিল। এভাবে কাদিসিয়ার রণাঙ্গনে প্রথম দিনের যুদ্ধ শেষ হয়।

    এখানে একটি কাহিনী উল্লেখযোগ্য। সা’দ উপরতলায় শয্যাগত থেকে নিম্নে যুদ্ধরত বাহিনীকে প্রতি মুহূর্তে নির্দেশ দান করছেন, পাশে পত্নী সাল্‌মা বসে যুদ্ধ দেখছেন। এই সামার পূর্ব স্বামী ছিলেন মুসান্না, তাঁর মৃত্যুর পর সা’দ সালমাকে নিকাহ করেন। এক ভয়ঙ্কর যুদ্ধদৃশ্যে উত্তেজনার মুহূর্তে সালমা চিৎকার করে ওঠেন, কী আফসোস্! আজ মুসান্না এখানে নেই! এ কথায় মর্মবিদ্ধ হয়ে সা’দ সালমার গালে এক চপেটাঘাত করে বললেন, মুসান্না এখানে থাকলে আর কী করতে পারতো? সাল্‌মা শ্লেষমাখা কণ্ঠে চিৎকার করে উঠলেন, কী আশ্চর্য! কাপুরুষেরও আত্মমর্যাদাজ্ঞান থাকে!

    দ্বিতীয় দিন যুদ্ধারম্ভের পূর্বে সিরিয়ার দিগন্তে কালো ধূলিমেঘ দেখা গেল। পরে জানা গেল, সিরিয়া থেকে আবুওবায়দাহ্-প্রেরিত সাহায্য বাহিনী উপস্থিত হয়েছে। ইরাক-অভিযানের পরিকল্পনার সময়েই ওমর আবুওবায়দাকে নির্দেশ দিয়েছিলেন, সিরিয়ায় ইরাক থেকে যে বাহিনী পাঠানো হয়েছিল, অবিলম্বে সে দলটিকে সা’দের সাহায্যার্থে প্রেরণ করতে। এ বাহিনীতে ছিল ছয় হাজার সৈন্য, এবং কাকা’ বিন – আমরুর মতো নির্ভীক তেজোদৃপ্ত সেনানায়ক। কাকা’র নবাগত বাহিনী-বিন্যাস পারসিকদের মনে ভীতির সঞ্চার করে। তিনি রণাঙ্গনে অবতীর্ণ হয়েই পারসিক বীরপুঙ্গবদের দ্বন্দ্বযুদ্ধে আহ্বান করেন। তাঁর আহ্বানে বানশাহ্ বিপক্ষদল থেকে ময়দানে অবতীর্ণ হন। তাঁকে দেখেই কাকা’র স্মৃতিতে সেতুবন্ধের যুদ্ধে আবুওবায়দা শহীদ হওয়ার দৃশ্য উদিত হলো। তিনি চিৎকার করে উঠলেন, ওই আসে আবুওবায়দার হন্তারক। সাবধান, সে যেন পলায়ন করতে না পারে। তারপর নাঙ্গা তলোয়ার হাতে নিয়ে কাকা’ বাৰ্মানকে আক্রমণ করলেন এবং শীঘ্রই তাঁকে শমন- ভবনে প্রেরণ করলেন। এইরূপ দ্বন্দ্ব যুদ্ধে সিস্তানের শাহ্ শহরবর্জ, হামদানের শাজচে-মেহের নিহত হন। অতঃপর সাধারণভাবে যুদ্ধ আরম্ভ হয়ে যায়। যুদ্ধ যখন তীব্র বেগে চলছিল, তখন ওমর প্রেরিত কয়েকটি উৎকৃষ্ট শ্রেণীর অশ্ব ও কিছু নয়া অস্ত্র উপস্থিত হয়। এগুলি শ্রেষ্ঠ যোদ্ধাদের মধ্যে বিতরিত হয়।

    যুদ্ধের দ্বিতীয় দিনেও একটি গৌরবমণ্ডিত কাহিনী আছে। আবু মহ্‌জন্ নামক মশহূর যোদ্ধা ও কবি এই সময় সা’দ কর্তৃক পানাভ্যাসের দরুন শৃঙ্খলিত অবস্থায় নিচে বন্দী ছিলেন। যুদ্ধ যখন প্রচণ্ড বেগে চলছিল, তখন তিনি খাঁচায় বদ্ধ সিংহের মতো গর্জন করতে থাকেন। সামা তাঁকে কারণ জিজ্ঞাসা করলে তিনি জওয়াব দেন, যুদ্ধে সবাই বীরত্ব দেখাচ্ছে, আর আমি নিষ্ক্রিয় ও শৃঙ্খলিত হয়ে পড়ে আছি। আমায় যদি মুক্ত করে দেন ও সা’দের বল্‌কা নামীয় অশ্বটি দেন তাহলে আমিও এ জেহাদে শরীক হতে পারি। সালমা অস্বীকার করেন। তখন কবি আবু মন্ কবিতায় বিষাদ মাখা সুরে নিজের দুঃখ ব্যক্ত করতে থাকেন। কবিতায় বিষাদ সুর নারী হৃদয় স্পর্শ করলো। সাল্‌মা নিজ হস্তে কবিকে শৃঙ্খলমুক্ত করেন। তখনই আবু মন্ বলকায় সওয়ার হয়ে যুদ্ধক্ষেত্রে অবতীর্ণ হন ও ভীমবেগে যুদ্ধ করতে থাকেন। তাঁর সুনিপুণ অস্ত্র চালনায় শত্রুপক্ষ কাহিল হয়ে পড়ে। যুদ্ধক্ষেত্রে গুঞ্জনধ্বনি ওঠে, কে এই নবাগত বীর? সা’দও আশ্চর্য হয়ে ভাবতে থাকেন, আক্রমণের ভঙ্গিমা তো আবু মনের। কিন্তু সে তো শৃঙ্খলিত। দিবাগত যুদ্ধশেষে আবু মন ফিরে এসে নিজেই শৃঙ্খল পরলেন। তখন সাল্‌মা স্বামী সা’দকে আবু মর্জনের কাহিনী বলেন। সা’দ বলেন। সা’দ আনন্দে উৎফুল্ল হয়ে নিজের হাতে আবু মর্জনের শৃঙ্খল মোচন করেন ও বলেন, মাশাআল্লাহ! ইসলামে তার এতো অনুরাগ, তাকে আমি শাস্তি দিতে পারি নে। আবু মনও শপথ করলেন, ‘কভু না করিব মদিরা পান।’

    খাসা ছিলেন আরবের শ্রেষ্ঠ মহিলা কবি ও আরবী ভাষার শ্রেষ্ঠ মর্সিয়া লেখিকা। তিনিও এ যুদ্ধে চার পুত্র নিয়ে শরীক হয়েছিলেন। এই দিনের যুদ্ধে এই মহীয়সী মহিলা পুত্রদেরকে যে ভাষায় সম্বোধন করে যুদ্ধে প্রেরণ করেন, বীরমাতা হিসেবে সর্বকালের ইতিহাস তা স্মরণ করবে। তাঁর চার পুত্রই দিনের যুদ্ধে শহীদ হয়।

    এদিন পারসিকদের হতাহতদের সংখ্যা ছিল দশ হাজার এবং মুসলিম পক্ষে ছিল দুই হাজার। ইয়েদি প্রতি মুহূর্তেই যুদ্ধের গতি সম্বন্ধে খবর রাখতেন। প্রতি দিনই তিনি নয়া সাহায্যবাহিনী প্রেরণ করতেন।

    তৃতীয় দিনের যুদ্ধে কাকা নয়া কৌশল অবলম্বন করেন। সিরিয়া থেকে আরও সাতশো সুশিক্ষিত অশ্বারোহী সৈন্য হিশামের অধিনায়কত্বে এইদিন উপস্থিত হয়। হিশাম তাদেরকে সম্বোধন করে বলেন : তোমাদেরই ভ্রাতৃগণ সিরিয়া জয় করেছে, আল্লাহ প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, পারস্য তোমাদের হাতেই বিজিত হবে। এ দিনেও হস্তিযুথ মুসলিম বাহিনীকে বারবার ছত্রভঙ্গ করতে থাকে। অবস্থা সঙ্গীন দেখে তিনি সালাম ও দুখাম্ নামক দুজন পারসিক মুসলিমের উপদেশ গ্রহণ করেন। তাঁরা উপদেশ দেন, এই দুর্দান্ত বিরাটদেহী পশুগুলোকে শায়েস্তা করার একমাত্র উপায়, তাদের শুন্ড কেটে ফেলা ও চক্ষু নষ্ট করে দেওয়া। আবইয়াদ ও আজ়ান নামীয় দুটি হস্তী ছিল মাতঙ্গবাহিনীর সরদার। সা’দ কাকা’, হাম্‌মাল ও রাবিলকে ডেকে পরামর্শ দিলেন মাতঙ্গ-বাহিনীকে শায়েস্তা করতে। কাকা’ অশ্বারোহী সৈন্য দিয়ে হস্তিযুথকে বেষ্টন করেন এবং আসিমকে সঙ্গে নিয়ে বর্ণাহাতে আবইয়াদকে সুদক্ষ হাতে অন্ধ করে দেন এবং শুন্ডটাকে কেটে ফেলেন। রাবিল ও হাম্মাল আজরাবের ভাগ্য সমানভাবেই নির্ধারণ করেন। তখন বাকী হস্তিসমূহ ময়দান থেকে পলায়ন করে এবং নিমিষেই কালো মেঘের দল পরিষ্কার হয়ে যায়।

    অতঃপর হাতাহাতি যুদ্ধ শুরু হয়ে গেল। তখন শুধু শব্দ শোনা গেল, অস্ত্রে অস্ত্রে ভীম পরিচয়, আহতের ক্রন্দন ও মুমূর্ষুর আর্তনাদ। যে শব্দ ও কোলাহলে আকাশ- বাতাস ভরে গেল, পায়ের নিচেও ঘন ঘন প্রকম্পিত হতে লাগলো। পারসিক বাহিনী সুশৃঙ্খলভাবে যুদ্ধ করতে লাগলো অনড় ও দুর্ভেদ্য পর্বতমালার মতো। সম্মুখে বর্শাধারী অশ্বারোহী, তার পশ্চাতে ভীম তরবারিধারী পদাতিক, তারও পশ্চাতে মুহুর্মুহু নিক্ষেপকারী তীরন্দাজগণ-এভাবে মুসলিম বাহিনীও সুসজ্জিত হয়ে ঘনঘন ‘তাকবীর’-ধ্বনিতে বিপক্ষ-মনে ভীতি সঞ্চার করতে লাগলো। কিন্তু কোন পক্ষই সূচাগ্র স্থান ত্যাগ করে না, এতোটুকু পশ্চাৎপদ হয় না। একটি পারসিক সেনাদল ছিল আপাদমস্তক ঘন- নিবন্ধ বর্মাবৃত, অস্ত্রাঘাত করলে শুধুই শব্দ-তরঙ্গ উত্থিত হয়। তখন হামিদাহ্ গোত্র- প্রধান ভীষণ বল প্রয়োগে বর্ষা নিক্ষেপ করেন এবং সেটি এক পারসিক সেনার তলপেট বিদ্ধ করে যায়। তাঁর দৃষ্টান্তে গোত্রীয় অপরাপর মুসলিমরা সমগ্র পারসিক দলটিকে বর্শাঘাতে নিপাত করে।

    যুদ্ধ সারারাত ধরে চলতে থাকে। তবুও বিজয়-সুন্দরী কোন পক্ষকেই কৃপা করে না। শেষে কাকা’ এক চরম আক্রমণে ভাগ্যনির্ণয়ের চেষ্টা করেন। তিনি একদল বাছাই করা সৈন্য নিয়ে সিপাহসালার রুস্তমের উপর ভীমবেগে ঝাঁপিয়ে পড়েন। তখন অন্যান্য গোত্র-প্রধানও অনুচরদের সাহস দিতে লাগলেন, এ জীবন-মরণ খেলায় আল্লাহ্র রাহে প্রাণ দিতে তোমরাও পশ্চাৎপদ হয়ো না। সমগ্র মুসলিম বাহিনী যেন এক দুর্ভেদ্য ব্যুহ করে রুস্তমকে ঘিরে ফেললো। ফিরজান ও হরমুজান তাঁকে সাহায্য করতে চেষ্টা করেও কোথায় ছিটকে পড়লেন। স্বর্ণসিংহাসনে বসে রুস্তম তখন যুদ্ধের নির্দেশ দিচ্ছিলেন সহসা চারদিকে আরব সৈন্য দেখে তিনি বীরের মতো হুঙ্কার দিয়ে নিচে লাফ দিলেন ও অতুল বিক্রমে অস্ত্র চালাতে লাগলেন; কিন্তু একা এতোগুলি বীরকেশরীর সঙ্গে যুদ্ধ করা বৃথা দেখে পলায়নপর হলেন। হিলাল নামক এক পদাতিক আরবসৈন্য তাঁর পশ্চাদ্ধাবন করেন। সম্মুখে একটা ছোট্ট নদী দেখে তিনি পানিতে ঝাঁপ দিলেন। কিন্তু হিলাল তাঁর অনুসরণ করে পা দু’টি ধরে জড়িয়ে ধরেন এবং তীরে টেনে এনে নিহত করে ফেলেন। অতঃপর হিলাল রুস্তমের শূন্য সিংহাসনে লাফ দিয়ে উঠে চিৎকার দেন, ‘আমি রুস্তমকে নিহত করেছি। এই চিৎকারধ্বনি পারসিক বাহিনীর অন্তরে গভীর আতঙ্ক সৃষ্টি করে। তারা সভয়ে দেখলো, সিংহাসনে একজন মুসলিম সেনা সমাসীন। অমনি চক্ষে বিভীষিকা দেখে তার ছত্রভঙ্গ হয়ে পলয়ন করতে লাগলো। মুসলিমরা তাদের পশ্চাদ্ধাবন করে হাজারে হাজারে নিহত করে ফেললো। শারীয়ার, ইনল-হারবদ, ফরখান আয়াজন, খসরু, শান্‌ম প্রভৃতি পারসিক সেনানায়ক বৃথাই চেষ্টা করলেন শেষ পর্যন্ত লড়তে। একে একে তাঁরা নিহত হন। কেবল হরমুজান্, আওয়াদ ও কারান্ কোনক্রমে পলায়ন করে প্রাণরক্ষা করলেন। মুসলিম পক্ষে প্রায় ছয় হাজার শহীদ হয়। পারসিকদের নিহত সংখ্যা কারও কারও মতে লক্ষেরও বেশি ছিল।

    কাদিসীয়ার যুদ্ধ তিনদিন ও একরাত্রি স্থায়ী হয়। এই যুদ্ধের সঠিক তারিখ সম্বন্ধে ঐতিহাসিকরা একমত নন। ইবনে খলদুন বলেন, কাদিসিয়ার যুদ্ধ হয় হিজরীতে। কিন্তু কেউ কেউ বলেন, ১৫ হিজরীতে, কারও মতে ১৬ হিজরীতে। আবুল ফরাদ বলেন, এ যুদ্ধ হয় ১৫ই হিজরীতে। ঘটনা পরম্পরা বিবেচনায় কাদিসিয়ার যুদ্ধ ১৫ হিজরীতে হওয়াই সম্ভব। এ যুদ্ধ হয় ইয়ারমুকের ও দামেশকের যুদ্ধের পর। ইরাক অভিযানের প্রথম পর্যায়ে আবুওবায়েদ মুসান্নার সাহায্যর্থে উপস্থিত হন সিরিয়া থেকে। তার পর নমারক, জসর বা সেতুবন্ধের যুদ্ধ হয়, সেখানে আবুওবায়েদ নিহত হন। তার পর অনুষ্ঠিত হয় বুয়ায়েবের যুদ্ধ। এই যুদ্ধের পর সা’দ বিন-ওক্কাস সিপাহসালার নিযুক্ত হন। তাঁর অগ্রগতি ছিল ধীরে-মন্থর এবং প্রায় তিন মাসে তিনি সালাবায় অবস্থান করেন। পরে কাদিসিয়ায় উপস্থিত হয়ে সন্ধির প্রস্তাব দিতেও প্রায় দুমাস আড়াই মাস কেটে যায়। এসব চিন্তা করে কাদিসিয়ার যুদ্ধ ১৫ হিজরীতে হওয়াই সমীচীন মত।

    কাদিসিয়ার যুদ্ধ নিঃসন্দেহে বিশ্ব-ইতিহাসের এক চূড়ান্ত যুগসন্ধির নির্ণায়ক। বহু শতাব্দীর বহু ঐতিহ্যের ধারক পারস্য সাম্রাজ্যের উপর এখানেই শেষ যবনিকা নেমে আসে। আর নয়া শক্তিমত্ত, আরব জাতির ‘পশ্চিমে হিস্পানি শেষ, পূর্বে সিন্ধু হিন্দুদেশ পর্যন্ত সুবিশাল ভূখণ্ডে বিস্তৃত এক নতুন সাম্রাজ্যের গোড়াপত্তন হয়। অজ্ঞাত, অখ্যাত মরুচর আরব জাতি বহির্বিশ্বে সগৌরবে আত্মপ্রকাশ করে এবং নিঃসন্দেহে সমকালীন বিশ্বসভায় আসন লাভ করে।

    কাদিসিয়ার যুদ্ধবার্তা শ্রবণের জন্যে আরবের ঘরে ঘরে প্রতিটি মানুষ উন্মুখ থাকতো, দিনের পর দিন অধীর আগ্রহে প্রতীক্ষা করতো। কারণ এ যুদ্ধ ছিল নিঃসন্দেহে সমগ্র আরব জাতির তথা নয়া মুসলিম জাতির জীবনমরণ সমস্যা, তাদের উত্থান- পতনের চূড়ান্ত নির্ণায়ক। কিন্তু তাদের সকলের চেয়ে উদ্গ্রীব ছিলেন, খোদ খলিফা ওমর। কাদিসিয়ার অভিযানের প্রথম থেকেই তিনি তার অগ্রগতির সংবাদ রাখতেন এবং সুদূর মদিনা থেকেই তার গতি নিয়ন্ত্রিত করেন। সাক্ষাতযুদ্ধ শুরু হওয়ার পর প্রতিদিন, তিনি মদিনা থেকে বাইরে যেয়ে সংবাদবাহকের জন্যে অধীর আগ্রহে সারাদিন প্রতীক্ষা করতেন।

    সা’দ যুদ্ধজয়ের পরই বিজয়বার্তা এবং সংবাদ বিশদ করে দূত পাঠিয়েছিলেন। একদিন ওমর মদিনার বাইরে এমনই সংবাদের অপেক্ষারত ছিলেন, এমন সময় তাঁর লক্ষ্য পথে একজন উট-চালক উদয় হয়। ওমর দ্রুতগতিতে তার নিকট যেয়ে জিজ্ঞাসা করেন, সে কাদিসিয়া থেকে আসছে কি-না। জানা গেল সে সা’দের পত্রবাহক। ওমরের জিজ্ঞাসায় সে বললেন, ইসলামের জয়লাভ হয়েছে। উষ্ট্রচালক দ্রুতগতিতে যায়, ওমর তার পাশে পাশে দৌড়াতে দৌড়াতে প্রশ্ন করতে করতে যান। শহরের কাছকাছি হলে বহু লোক উপস্থিত হয় ও তাঁকে আমীরুল মুমেনীন বলে সম্বোধন করতে থাকে। তখন উট-পালক সা’দ বিন-আমিলাহ্ ভয়ে সঙ্কোচে এতোটুকু হয়ে আরয করে, আল্লাহ্ আপনার উপর কৃপাবর্ষণ করুন! কেন পরিচয় দিলেন না যে, আপনি আমীরুল মুমেনীন? ওমর পরম আনন্দ-ঘন কণ্ঠে বললেন, কেন ভাই, কোনও দোষ হয় নি। তার পর সা’দের পত্রখানি নিয়ে ওমর মদিনাবাসীদের এক বিরাট মজলিশে পাঠ করলেন, এবং নাতিদীর্ঘ শুকরগুজারীর বক্তৃতা দিয়ে বললেন, হে মুসলিমগণ! আমি কোনও শাহা শাহ্ নই, তোমাদের গোলাম করাও আমার উদ্দেশ্য নয়। আমি নিজেই আল্লাহ্র দীনাতিদীন গোলাম, যদিও খেলাফতের দায়িত্ব আমার ঘাড়ে পড়েছে। আমি তখনই নিজেকে ধন্য মনে করবো, যখন তোমাদের নিরাপত্তা ও পরম শান্তিতে নিদ্রা যাওয়ার ব্যবস্থা করতে পারবো। কিন্তু আমি নিজেকে চরম হতভাগ্য মনে করবো, যখন আমর উদ্দেশ্য হবে তোমাদেরকে আমার মুখ চেয়ে বসিয়ে রাখার এবং আমার দরওয়াজায় প্রহরী বসানোর। আমার উদ্দেশ্য হচ্ছে, তোমাদেরকে কথার চেয়ে কাজের দ্বারা শিক্ষা দেওয়া।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআইরিন – পিয়ের লেমেইত
    Next Article আমার বোকা শৈশব – আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ

    Related Articles

    আশাপূর্ণা দেবী

    সমুদ্র কন্যা – আশাপূর্ণা দেবী

    April 24, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    আমাদের মহাভারত – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    March 20, 2026
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Our Picks

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026

    শ্মশানকোকিলের ডাক – সৌভিক চক্রবর্তী

    May 1, 2026

    এসো না অসময়ে – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }