Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026

    শ্মশানকোকিলের ডাক – সৌভিক চক্রবর্তী

    May 1, 2026

    এসো না অসময়ে – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    হযরত ওমর – আবদুল মওদুদ

    লেখক এক পাতা গল্প288 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    মিসর বিজয়

    মিসর, সিরিয়া ও হিজাযের মারাত্মক কাছাকাছি থাকায় তার সামরিক কৌশলসুলভ অবস্থিতি, শস্য-উৎপাদিকা মাটির গুণে কনস্ট্যান্টিনোপলের শস্যভাণ্ডার হিসাবে পরিচিত, তার রাজধানী আলেকজান্দ্রিয়ার বাইজান্টাইন নৌশক্তির কেন্দ্রস্থলরূপে খ্যাত এবং উত্তর আফ্রিকার প্রদেশাদ্বাররূপে যুগ যুগ ধরে ব্যবহার-এ সব কারণেই এই নীলনদবাহী উপত্যকাভূমি আরব জাতির দৃষ্টি আকর্ষণ করে তাদের রাজ্যবিস্তৃতির প্রথম যুগেই।

    মিসর বিজয়ের কৃতিত্ব একমাত্র আমর-বিন-আসের প্রাপ্য। যৌবনকালে তিনি বাণিজ্যব্যপদেশে মিসর সফর করেছিলেন, এজন্যে মিশরের ধনসম্পদ, শহর, জনপদ, মায় অলিগলি সমস্তই তাঁর সম্যক চেনাজানা ছিল। তার বিখ্যাত প্রতিদ্বন্দ্বী খালিদের মতোই একটা বৃহৎ জয়ের আশা তাঁকে প্রলুব্ধ করে মিসর অভিযান করতে। আমর একজন কোরায়েশ, এবং যুদ্ধপ্রিয় তীক্ষ্ণ কূটনীতিজ্ঞ ব্যক্তি ছিলেন। পরবর্তীকালে তিনি আমীর মু’আবীয়াকে খেলাফত অধিকার করতে সাহায্য করেন এবং মু’আবীয়া কর্তৃক ‘ইসলামে চার জন আরব রাজনীতি বিশারদের একজন হিসেবে কীর্তিত হন। এ-কথা অনস্বীকার্য যে ঝানু রাজনীতিজ্ঞের মতোই তিনি সুবিধামাফিক ন্যায়-অন্যায়ের পার্থক্য জ্ঞান পরিহার করে চলতেন।

    ওমর যখন জেরুজালেমে সফর করেছিলেন, তখন এই আমর-বিন্-আস্ তাঁর অনুমতি প্রার্থনা করেন, মশহুর ফেরাউনদের দেশে অভিযান করতে। ওমর প্রথমে এ- ঝুঁকি নিতে গর-রাযী হন, কিন্তু আমরের পুনঃ পুনঃ প্রার্থনায় রাষী হন এই শর্তে: যাও, এবং আশা করি জয়ী হও। কিন্তু মিসরের মাটিতে পা ফেলার পূর্বে যদি আমার চিঠি পাও, তা হলে বিনা ওজরে প্রত্যাবর্তন করবে। আদেশ শিরোধার্য করে চার হাজার সৈন্যর এক বাহিনী নিয়ে আমর মিসর অভিযানের অগ্রসর হন। তিনি আরিশ নামক স্থানে উপস্থিত হলেই ওমরের পত্র পান। কিন্তু তখন তিনি মিসরের মাটিতে পদার্পণ করেছেন, এ জন্যে ওমরের নিষেধে ভ্রূক্ষেপ না করে অগ্রসর হন। উল্লেখযোগ্য যে, আমর বাহিনী নিয়ে সমুদ্রোপকূলবর্তী সেই মহাপথ বেয়ে অভিযান করেন, যে পথে পূর্বকালে গিয়েছেন হযরত ইব্রাহীম, ক্যাবিসেস, আলেকজান্দার, অস্তিওকাস এবং পরবর্তীকালে নেপোলিয়ান ও জামাল পাশা।

    আরববাহিনী যে-দুর্গটি আক্রমণ করে, তার নাম ফারমা (জানুয়ারী ৬৪০ খ্রি.) এটি ভূমধ্যসাগরের উপকূলবর্তী জনবহুল নগরী, এবং প্রসিদ্ধ গ্রীক চিকিৎসাবিশারদ গ্যালেন বা জালিনুসের (খ্রিস্টীয় দ্বিতীয় শতক) সমাধিক্ষেত্র ধারণ করে ইতিহাসে অমর হয়ে আছে। একমাস আত্মরক্ষার পর শহরটি আত্মসমর্পণ করে। অতঃপর আমর ফুস্তাতের দিকে অগ্রসর হন এবং পথপাশের বাবিস্ ও অন্যান্য শহর দখল করেন। সেকালে ফুতাত ছিল নীলনদ ও মাক্তম্ পর্বতের মধ্যবর্তী হরিৎ শস্যক্ষেত্র-শোভিত উপত্যকা। এখানে ব্যাবিলন নামে একটি সুরক্ষিত কিল্লা ছিল, এবং রোম সাম্রাজ্যের মিসরীয় রাজপ্রতিনিধির রাজধানী ছিল। আমর এই গুরুত্বপূর্ণ শহরটি অবরোধ করেন। মাকাকিস্ বা সাইরাস ছিলেন তৎকালীন মিসরীয় রাজপ্রতিনিধি। তিনি একদল সুশিক্ষিত রোমবাহিনী নিয়ে আমরকে বাধা দেন। আমর আইন্-শামস নামক প্রান্তরে শিবির স্থাপন করেন ও সাহায্য প্রার্থনা করে মদীনায় দূত পাঠান। শীঘ্রই জুবায়ের-বি- আওয়াম নামক প্রবীণ সাহাবার নেতৃত্বে সাহায্যবাহিনী উপস্থিত হয়। তখন মুসলিম বাহিনীর সংখ্যা দাঁড়ায় দশ হাজার এবং বিপক্ষদলের সৈন্যসংখ্যা ছিল বিশ হাজার; তা ছাড়াও দুর্গস্থিত সৈন্যসংখ্যা ছিল পাঁচ হাজার। প্রথম যুদ্ধেই রোমকবাহিনী বিধ্বস্ত হয়ে যায় এবং তাদের সিপাহসালার থিওডোরাস আলেকজান্দ্রিয়ায় পলায়ন করেন। শাসক সাইরাস ব্যাবিলন দুর্গে আত্মরক্ষা করেন। সাত মাস ধরে অবরোধ চলে কিন্তু দুর্গের পতন হয় না। শেষে সাইরাস মনোবল হারিয়ে সন্ধির প্রস্তাব দেন। আমর তিনটি শর্ত দান করেন: আপনি যদি ইসলাম গ্রহণ করেন, তা হলে আপনি ও আপনার সকল প্ৰজা আমাদের ভ্রাতৃস্থানীয় হবেন। যদি তা স্বীকার করেন, তা হলে জবরদস্তি নেই, তবে আপনাদেরকে জিয়া দান করতে হবে। তখন আমরা আপনাদের কোনও ক্ষতি করবো না, বরং আপনাদেরকে ক্ষমা করতে বাধ্য হবো। আর তাও যদি স্বীকার না করেন, তা হলে যুদ্ধই এ-বিরোধের মীমাংসা করবে।

    বলা বাহুল্য, পক্ষপাতমূলক মানস নিয়ে অমুসলিম লেখকশ্রেণী এই শর্তগুলিকে এরূপ বিকৃত ফর্মুলা বা সূত্রে রূপায়িত করেছেন, ইসলাম: জিয়া: তরবারি। কিন্তু মুসলিমদের ধর্মজ্ঞান কতোখানি প্রবল ছিল, তাদের ন্যায়নিষ্ঠা, তিতিক্ষা ও সাম্যনীতিজ্ঞান কতো সুদৃঢ় ও উচ্চস্তরের ছিল, তার প্রমাণ মেলে সাইরাস কর্তৃক প্রেরিত দূতগণ যখন মুসলিম সিপাহসালারকে অর্থলোভে বশীভূত করার চেষ্টায় বিফল হয়ে প্রত্যাবর্তন করে তাঁকে বলেছিল: আমরা এমন একটি জাতি দেখে এলেম, যাঁদের প্রত্যেকের নিকট জীবনের চেয়ে মরণই বেশি প্রিয়, উচ্চাকাঙ্ক্ষায় তীব্র অনীহা, এবং পার্থিক কোনো কিছুর প্রতি এতোটুকু আকর্ষণ নেই। ধূলি-আসনই তাঁদের শ্রেষ্ঠ আসন এবং জানুর উপরই খাবার রেখে তাঁরা খান। তাঁদের সিপাহসালার তাঁদেরই মতো সমান মর্যাদায় অভিষিক্ত; কে ছোট, কে বড় মোটেই সনাক্ত করা যায় না, প্রভু-দাস কোন সম্পর্ক নেই। এমন জাতির সঙ্গে যুদ্ধে জয়ী হওয়া যায় না।

    যা হোক, দীর্ঘকালেও ব্যাবিলন অধিকার না হওয়ায় জুবায়ের একদিন মরণপণ করে কয়েকজন দুঃসাহসী সৈনিক নিয়ে দুর্গপ্রাকারে আরোহণ করে দুর্গে প্রবেশ করেন ও দ্বার খুলে দেন। দ্বার খোলা পেয়ে বাইরের প্রতীক্ষারত মুসলিম সেনাগণ বন্যার মত দুর্গে প্রবেশ করে। খ্রিস্টানরা দিশেহারা হয়ে পলায়ন করতে থাকে। সাইরাস অন্যন্যোপায় হয়ে সন্ধি করতে বাধ্য হন। সন্ধির শর্তসমূহ নির্ধারণ করতে মুসলিম দলের নেতা হিসেবে ওবায়দাবিন্-সাবিত নামক হাবশীকে দেখে তিনি বিস্ময়ে নির্বাক হয়ে যান। জিয়া দেওয়ার শর্তে সন্ধি স্থাপিত হয়। সাইরাস হিরাক্লিয়াসের নিকট এ- বার্তা প্রেরণ করলে সীজার তাঁকে বিশ্বাসঘাতক বলে দোষারোপ করেন ও বলেন: কপটরা যদি যুদ্ধ করতে না পারে, তা হলে আমার মিসরস্থ অগণিত রোমক-সৈন্য আক্রমণকদের যুদ্ধসাধ মিটিয়ে দেবে। তিনি এক বিশাল বাহিনী পাঠিয়ে দেন আলেকজান্দ্রিয়ায় মুসলিমদের মোকাবেলা করতে। সাইরাসকে নির্বাসনে পাঠানো হয়।

    আর ফুস্তাতে কিছুদিন অবস্থান করার পর আলেকজান্দ্রিয়ার দিকে অগ্রসর হন। আমর ফুস্তাতে নিজের তাঁবু উঠাবার সময় লক্ষ্য করেন একটি কবুতর ইতিমধ্যেই বাসা বেঁধেছে। তিনি তাঁবুটি যথাস্থানে রাখার নির্দেশ দিয়ে বললেন, দেখো যেন নতুন অতিথি গৃহহারা না হয়। পরবর্তীকালে আমর এ স্থলেই ফুস্তাত শহরের পত্তন করেন। যা হোক, ফুস্তাত থেকে নিকিউ শহর অধিকার করে তিনি মিসরের রাজধানী অবরোধ করেন। ইতিমধ্যে আরও একদল সাহায্যবাহিনী উপস্থিত হওয়ায় মুসলিম সৈন্যের সংখ্যা দাঁড়ায় বিশ হাজার।

    এই বিশাল বাহিনী নিয়ে আমর এক প্রত্যুষে মিসরের রাজধানীতে উপস্থিত হন। অসংখ্য সুউচ্চ প্রাসাদ ও দুর্ভেদ্য প্রাকারবেষ্টিত আলেকজান্দ্রিয়া ছিল একরূপ অভেদ্য দুর্গ। তার একদিকে ছিল আমুদ্-অলসওয়ারী নামক সুউচ্চ প্রাসাদ, তার মধ্যে ছিল সেরাপিসের মন্দির ও গ্রন্থাগার; অন্যদিকে ছিল সেন্ট মার্কের গির্জা। কথিত আছে, গির্জাটির পত্তন করেন মিসর সৌন্দর্যের রানী ক্লিওপেট্রা স্বামী জুলিয়াস সীজারের স্মৃতিরক্ষার্থে। আরও পশ্চিমে ছিল দুটি রক্তবর্ণ আওয়ান-গ্রানাইট নির্মিত সুচ, তাও ক্লিওপেট্রার নির্মিত হিসেবে কীর্তিত: আর পশ্চাদ্‌ভূমিতে ছিল বিখ্যাত ‘ফারস্’ যা দিনে সূর্য-রশ্মিতে ও রাতে নিজের আগুনেই চারদিক প্রতিফলিত করে রাখতো এবং পৃথিবীর সপ্তমাশ্চর্য হিসেবে কীর্তিত হতো। এ-অগণ্য প্রাসাদ-শোভিত জনসম্পদময়ী রাজধানীর প্রতি মরুচর আরববাসীরা ততখানি বিস্ময়-বিমুগ্ধ নেত্রে তাকিয়েছিল যেমন আধুনিক গননচুম্বী প্রাসাদরাজি শোভিত নিউইয়র্কের প্রতি আগন্তুকরা তাকিয়ে থাকে। আলেকজান্দ্রিয়ার সৈন্যসংখ্যা ছিল পঞ্চাশ হাজার, তার পিছনে ছিল প্রবল বাইজান্টাইনের দুর্ভেদ্য নৌশক্তি।

    আরব আক্রমকরা সংখ্যা ছিল কম, এবং তাদের অস্ত্রশস্ত্রও ছিল কম। তাদের একটি জাহাজও ছিল না, এবং অবরোধকারী উপযুক্ত যন্ত্রপাতিও ছিল না। এজন্যে সুউচ্চ নগরপ্রাকার ভগ্ন করা তাদের সাধ্যাতীত ছিল। মাসের পর মাস ধরে অবরোধ করেও মুসলিমরা শহরটিকে কাবু করতে পারে না। সাইরাস বন্দীবাস থেকে এসে শহররক্ষার ভার গ্রহণ করেন। দীর্ঘদিনের প্রতিরক্ষায় পর ওমর পত্র দেন আমরকে ভর্ৎসনা করে: বহুদিন মিসরের বিলাস-জীবনে অভ্যস্ত হয়ে তোমরাও খ্রিস্টানদের মতো অকর্মণ্য হয়ে পড়েছ, তা না হলে আজও যুদ্ধজয় হয় না কেন? আমর পত্র পাওয়া মাত্র সমগ্র বাহিনীকে উগ্র বক্তৃতা দিয়ে জেহাদে উদ্বুদ্ধ করবে। তার পর সকলে একযোগে আক্রমণ করবে, সৈন্যাধ্যক্ষদেরকে সম্মুখে রেখে। দেখো, এ-আক্রমণ যেন ব্যর্থ না হয়। আমর তখন সৈন্যদেরকে রণোন্মদনায় জাগিয়ে তুলে ওবায়দাহ্ বিন্ সামিত, জুবায়ের 13 মসলামাহকে বিভিন্ন দলের ভারাপর্ণ করে একযোগে আক্রমণ করেন। সে প্রচণ্ড আক্রমণের বেগ সহ্য করতে অক্ষম হয়ে শহরটি আত্মসমর্পণ করে। সাইরাস সন্ধি ভিক্ষা করেন এবং জিয়া দেওয়ার শর্তে সন্ধিপত্র স্বাক্ষরিত হয় (৮ই নভেম্বর, ৬৪১ খ্রি.) বয়স্ক লোক প্রতি দুই দিনার ও জমির জন্যে নির্দিষ্ট পরিমাণ গম আদায় দেওয়ার শর্ত হয়। রোম সাম্রাজ্যের সর্বাপেক্ষা ধনসম্পদ ও সৌন্দর্যময়ী প্রদেশ আবরদের করতলগত হয়।

    আমর এই বিজয়বার্তা মদীনায় প্রদেশ নিকট নিম্নলিখিতভাবে প্রেরণ করেন: আমি এমন একটি শহর হস্তগত করেছি, যার বিশদ বর্ণনার ভাষা জানি নে। এটুকু মাত্র বলাই যথেষ্ট যে, তার চার হাজার হামামসহ চার হাজার বাগানবাড়ী আছে, চল্লিশ হাজার জিয়া করদাতা ইহুদী আছে, এবং চারশত রাজকীয় বিলাসাগার আছে। বিশ্বত্রাস খলিফা ওমরের নিকট এই মহাবিজয় বার্তা উপস্থিত হলে তিনি আল্লাহ্র দরগাহে শুকরানা নামাজ আদায় করেন, এবং বার্তাবহ মু’আবীয়া-বিন্ খুদায়েজকে আপ্যায়ন করেন যথাসম্বল কয়েকটি শুকনো খোর্মা, এক টুকরা রুটি ও সামান্য জলপাই তেল দিয়ে!

    ফুতাত ও আলেকজান্দ্রিয়া বিজয়ের পর সারা মিসর আমরের পদানত হয়ে পড়ে। কয়েকটি জনবহুল শহরে রোমকদের প্রাধান্য থাকায় আমর কয়েকটি সেনাদল চতুর্দিকে প্রেরণ করেন, সারা প্রদেশভূমে অভিযান চালিয়ে সব বিরুদ্ধ শক্তি নিস্তব্ধ করে দিতে। খারিজাহ্-বিন-হুদায়ফাহ্ দখল করেন ফায়ুম, আমুনীন, আীম বাদাত, মুয়াদ প্রভৃতি অঞ্চল এবং এসব এলাকার অধিবাসীদের জিয়া দিতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হয়। ওমর- বিন্-ওহাব দখল করেন তানিস, দিনিয়াত, তুনা, দামিরাস, শাতা ও কালা, বনাহ ও বহির এবং ওবাহ-বিন্-আমীর সমগ্র নিম্ন মিসরভূমিতে দখল কায়েম করেন।

    আলেকজান্দ্রিয়া বিজয়ের সঙ্গে একটি ঐতিহাসিক মিথ্যাময়ী কাহিনীর প্রচলন দেখা যায়। কাহিনী হচ্ছে, ওমরের আদেশক্রমে আমর শহরের সমস্ত চুল্লিতে ছ’মাস ধরে আলেকজান্দ্রিয়া লাইব্রেরীর হাজার হাজার পুস্তক অগ্নিদগ্ধ করেন। এরূপ গ্রন্থদগ্ধরূপ মহাযজ্ঞের কারণ হিসেবে বলা হয়, ওমর এ কর্মের নির্দেশ দেন এই যুক্তিতে-যদি গ্রন্থসমূহে কোরআনের বিপরীত শিক্ষা থাকে, তা হলে সেসব অপাঠ্যও ধ্বংসযোগ্য এবং যদি কোরআনের সমর্থক শিক্ষা থাকে, তা হলে সেসব ফজুল ও অপ্রয়োজনীয়, অতএব ধ্বংসযোগ্য। বলাবাহুল্য, কল্পকাহিনী হিসেবে তার কিছু আদর থাকলেও ইতিকাহিনী হিসেবে কিছুমাত্র মূল্য নেই। ইতিহাস সাক্ষ্য দেয় যে, জুলিয়াস সীজার কর্তৃক সুবৃহৎ টলেমী গ্রন্থাগারটি খ্রিস্টপূর্ব ৪৮ অব্দে ভস্মীভূত হয়। পরবর্তীকালে এখানেই দ্বিতীয় বৃহৎ কন্যকা-গ্রন্থাগার ৩৮৯ খ্রিস্টাব্দে অগ্নিদগ্ধ করা হয় সীজার থিওডোসীয়াসের এক ফরমান বলে। অতএব আরব অধিকারের সময় আলেকজান্দ্রিয়ায় কোনও গ্রন্থাগারই ছিল না। আর এ-জন্যে কোনও সমসাময়িক ইতিহাসকার আমর কিংবা ওমরের বিরুদ্ধে এমন কোন অভিযোগ করেন নি। ৬২৯ হিজরীতে (১২৩১ খ্রি.) আবদুল লতিফ বাগদাদী সর্বপ্রথম এই অদ্ভট কাহিনী সৃষ্টি করেন, এবং কেন করেন, তাও বোধগম্য নয়। তার পর কাহিনীটি শাখা-প্রশাখায় বিস্তৃত হয়ে চালু হয়ে আসছে অমুসলিম লেখকদের কল্যাণে।

    মিসরের যুদ্ধসমূহে বহু কপট ও রোমক বন্দী হয়েছিল। তাদের প্রতি কিরূপ ব্যবহার করা যেতে পারে, এ বিষয়ে আমর ওমরের নির্দেশ চেয়ে পাঠান। ওমর নির্দেশ দেন: বন্দীদেরকে জানানো হোক, ইসলাম গ্রহণ করার অথবা আপন খ্রিস্টানধর্মে দৃঢ় থাকার অধিকার তাদের রয়েছে। যারা মুসলিম হবে, তারা অন্য মুসলিমদের সমান অধিকার লাভ করবে, আর যারা হবে না, তারা অন্য অমুসলিমদের মতো সমান হারে জিয়া আদায় করবে। এ নির্দেশ পেয়ে আমর সহস্র সহস্র বন্দীকে একত্রিত করেন এবং খ্রিস্টান প্রধানদেরকে আহ্বান করেন। অতঃপর মুসলিমরা ও খ্রিস্টানরা মুখোমুখি আসন গ্রহণ করে এবং বন্দীদেরকে একের পর এক ডেকে জিজ্ঞাসা করা হয়। সে ইসলাম কবুল করবে, না স্বধর্মে নিষ্ঠাবান থাকবে। যখন কোন বন্দী ইসলাম কবুল করার ইচ্ছা জানায়, তখন মুসলিমরা গগনভেদী ‘আল্লাহু আকবার’ আওয়াজ তোলে। আর যখন বন্দী স্বধর্মে থাকার ইচ্ছা জানায়, তখন খ্রিস্টানরা আনন্দে জয়ধ্বনি করে ওঠে। এভাবে সেদিন বন্দীদের ধর্ম বিষয়ে নিষ্ঠার প্রশ্ন নিয়ে মুসলিম ও খ্রিস্টানরা আপন আপন দলভারে উল্লসিত হয়ে ওঠেছিল। বিজিত ও বিজিতার মনোভাব মুছে গিয়েছিল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআইরিন – পিয়ের লেমেইত
    Next Article আমার বোকা শৈশব – আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ

    Related Articles

    আশাপূর্ণা দেবী

    সমুদ্র কন্যা – আশাপূর্ণা দেবী

    April 24, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    আমাদের মহাভারত – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    March 20, 2026
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Our Picks

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026

    শ্মশানকোকিলের ডাক – সৌভিক চক্রবর্তী

    May 1, 2026

    এসো না অসময়ে – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }