Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    July 4, 2026

    কেউ কেউ কথা রাখে – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    July 4, 2026

    জোনাকির রঙ – সায়ক আমান

    July 4, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কেউ কেউ কথা রাখে – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন এক পাতা গল্প311 Mins Read0
    ⤷

    কেউ কেউ কথা রাখে – ১

    অধ্যায় ১

    দশ-পনেরো মিনিট পায়চারি করেও দরজাটা দিয়ে ঢুকতে পারিনি। ওখানে যাবার আগে বুঝতে পারিনি এরকম দ্বিধায় পড়ে যাবো, আর সেটা ঠিক দরজার সামনে এসেই। জানি না কেন, তবে নিশ্চিতভাবেই সময় এখানে বিরাট ভূমিকা রেখেছে। সবাই বলে সময় সবকিছু সারিয়ে তোলে, কিন্তু ঐদিন মনে হচ্ছিলো সময় শুধু সারিয়েই তোলে না, জড়তা আর দ্বিধার স্তুপও বাড়িয়ে দেয়। ঐ মুহূর্তে আমি সেই স্তুপের তলে তলিয়ে গেছিলাম।

    জ্ঞান হবার পর থেকেই জানি সাহসিদের মধ্যে আমি পড়ি না, কিন্তু সামান্য একটি খোলা দরজা দিয়ে ঢোকার মতো সাহস নিশ্চয় আমার আছে, তাই এরকম দ্বিধাগ্রস্ত হয়ে রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকার কোনো মানেই ছিলো না, তারপরও সেই খোলা দরজাটি কোনো দূর্গের বিশাল আর ভারি ফটকের মতোই পথরোধ করে দাঁড়িয়ে ছিলো আমার সামনে। ভাগ্য ভালো, সমস্ত দ্বিধা আর সংকোচ থেকে নিষ্কৃতি পেয়েছিলাম অপরিচিত একজনের হস্তক্ষেপে। লেখালেখি করে যে টুকটাক পরিচিতি পেয়েছি সেটা আবারও টের পেলাম।

    ঐ খোলা দরজা দিয়ে এক যুবক বেরিয়ে আসার সময় আমাকে দেখে থমকে দাঁড়ায়। আগ বাড়িয়ে জানায় সে আমার বইয়ের একজন পাঠক। ভক্তদের সাথে এরকম আকস্মিক দেখা-সাক্ষাতের অভিজ্ঞতা আমার জন্য অপ্রত্যাশিত কোনো ঘটনা নয়। তাদের আচরণ, কথাবার্তা, উচ্ছাসের সাথে আমি পরিচিত।

    করমর্দন করতে করতেই পঁচিশ-ছাব্বিশ বছরের ঐ যুবক অনেক কিছু বললো, তারপর যখন জানতে পারলো আমি কেন এখানে দাঁড়িয়ে আছি সঙ্গে সঙ্গে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিলো সে। কার সাথে দেখা করতে যাচ্ছি আমি?-তার সঙ্গত প্রশ্নের জবাবে সেই নামটি উচ্চারণ করলাম যে নামটি আমার হৃদয়ের গহীনে দীর্ঘস্থায়ী আস্তানা গেঁড়ে আছে দুই যুগ ধরে।

    খুবই আন্তরিকভাবে আমাকে লিফট পর্যন্ত পৌঁছে দিলো সেই তরুণ, সেই সাথে কতো তলায় যেতে হবে সেটাও বলে দিলো। এমনকি লিফটে করে আমাকে নির্দিষ্ট সেই অফিসে পৌঁছে দেবার আগ্রহও দেখিয়েছিলো তবে আমি তাকে ধন্যবাদ জানিয়ে বিরত করি।

    লিফটের ইন্ডিকেটরের দিকে এক দৃষ্টিতে চেয়ে থেকে ভাবছিলাম সময় আর কী করতে পারে! সারিয়ে তোলে। দ্বিধার স্তুপ তৈরি করে। ভুলিয়ে দেয়। বিস্মৃত করে দেয়?

    সময় আসলে সব কিছুই করে। আমরা নিতান্তই সময়ের সন্তান!

    আমার বামহাতে একটি চামড়ার ব্যাগ। একদলা কাগজ ছাড়া ওর ভেতরে কিছু নেই। অথচ ব্যাগটাকে বেশ ভারি বলে মনে হচ্ছিলো। লিফটের ভেতরে একটু পর পর ডান-বাম করছিলাম কিন্তু হাত বদলের এই খেলায় তেমন ফল পাচ্ছিলাম না। আমার নাজুক হৃদপিণ্ডটা লাফাচ্ছিলো অনেকটা প্রথমবার প্রেমে পড়ার মতো অনুভূতিতে!

    লিফটের দরজা খোলার আগে আরেকটা প্রশ্ন আমার দ্বিধার স্তুপ ভারাক্রান্ত করে তুললো : ও কি আমাকে চিনতে পারবে?

    লিফটের দরজা খুলে গেলে বুক ভরে দম নিয়ে বের হলাম আমি। খুব বেশি খুঁজতে হলো না, কয়েক পা এগোতেই চোখে পড়লো একটি দরজায় সুন্দর করে ইংরেজিতে লেখা নামফলকটির দিকে। খুব বেশিদিন হয়নি লেখা হয়েছে ওটা। এখনও এর কালি চকচক করছে। টের পেলাম আবারো আমার মধ্যে দ্বিধা এসে ভর করেছে, কিন্তু এই দরজার সামনে এসে দ্বিধার হাতে ক্রীড়নক হতে রাজি নই, তাই অনেকটা যন্ত্রের মতো দরজায় নক্ করলাম।

    আলতো করে পর পর তিনটি টোকা।

    ভেতর থেকে এক তরুণ দরজা খুলে সপ্রশ্ন দৃষ্টিতে চেয়ে রইলো। আমি কোনো কিছু বলছি না দেখে সে নিজেই জানতে চাইলো কি চাই। তাকে জানালাম এখানে আসার উদ্দেশ্য।

    “আপনার কি অ্যাপয়েন্টমেন্ট আছে?”

    “না,” ছোট্ট করে বললাম যুবককে। “আমি তার পূর্বপরিচিত। ব্যক্তিগত একটা কাজে এসেছি।”

    “তাহলে সোজা বামদিকে চলে যান। উনি বাইরের অফিসেই আছেন।”

    আমি একটা প্যাসেজ দিয়ে চলে এলাম বিরাট বড় ঘরে। তিন-চারটা ডেস্ক, কয়েকজন লোক, কম্পিউটার আর কাগজপত্রের সমাহার। কাজে ডুবে থাকা লোকগুলো আমার উপস্থিতি টেরই পেলো না, যে যার মতো কাজ করে যাচ্ছে। আমি হাতের ব্যাগটা নিয়ে অযাচিত অতিথির মতো দাঁড়িয়ে রইলাম কয়েক মুহূর্ত, তারপরই দৃষ্টি আটকে গেলো ঘরের বামদিকের এককোণে।

    সেগুন কাঠের বিশাল একটি ডেস্ক, অভিজাত ভঙ্গিতে এক নারী দখল করে আছে। রিডিংগ্লাসের ভেতর দিয়ে গভীর মনোযোগের সাথে হাতেধরা একটি কাগজ পড়ছে সে। তার পরিপাটি করে গুছিয়ে রাখা চুল, মেনিকিউর করা নখ, ঠোঁটে হালকা গোলাপি লিপস্টিক, চোখে চিকন করে দেয়া কাজল আর কানের দুল দুই যুগ আগের একটি ছবির মতোই স্থির হয়ে আছে! যেন বুড়ো আঙুল দেখিয়ে ভেংচি কাটছে বয়সটাকে।

    টের পেলাম দম বন্ধ হয়ে আসছে, আর আমি তার দিকে নিষ্পলক চেয়ে আছি।

    বামহাতে কাগজটা ধরে রেখেছে সে, ডানহাতে একটি কলম। সেই কলমটি আলতো করে ফাঁক হয়ে থাকা ঠোঁটে মৃদু টোকা মারছে, ঠিক যেন

    তার পেছনে, দেয়ালে টাঙানো অ্যান্টিক ঘড়িটার টিকটিক ছন্দের তালে তালে। তারপর হঠাৎ করে কারো উপস্থিতি টের পেয়ে তার হাতের কলমটি স্থির হয়ে গেলো। রিডিংগ্লাসের উপর দিয়ে দৃষ্টি হানলো আমার দিকে। তার ভুরু আর কপালের কুচকে যাওয়া দেখতে পেলাম, আরো দেখতে পেলাম তার চোখের পাপড়িগুলো।

    চোখাচোখির মুহূর্তটায় আমি কেমন অভিব্যক্তি দিয়েছিলাম জানি না, সম্ভবত তারও নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে গেছিলো। নিজের অভিজাত ব্যক্তিত্বকে পুণরুদ্ধার করে খুব ধীরে হাতের কাগজটা নামিয়ে রাখলো সে, সেই সাথে কলমটি। তারপর চোখেমুখে বিস্ময় নিয়ে আস্তে করে চেয়ার ছেড়ে উঠে দাঁড়াতেই আমার সমস্ত দ্বিধা, জড়তা তিরোহিত হলো।

    আমাকে চিনতে পেরেছে।

    *

    কফি আমর পছন্দের নয়, আমি চায়ের মানুষ, তবে অনেকদিন পর কফির পেয়ালায় চুমুক দিতে মোটেও খারাপ লাগেনি।

    একটা বয়সে এসে মানুষ অতীতে ফিরে যেতে চায় বার বার, আর আমি তো সেখানেই বসবাস করছি দীর্ঘদিন থেকে!

    “তোমাকে দেখেই কিন্তু চিনতে পেরেছি।” কফির কাপে চুমুক না দিয়েই বললো সে।

    আমরা বসেছি তার প্রাইভেট চেম্বারে। একটু আগে এক কর্মচারি এসে দু-কাপ কফি দিয়ে গেছে। সেই কফি খেতে খেতে আলাপ করছি এখন।

    কথাটা যদি সৌজন্যতা-ভদ্রতা না-হয়ে থাকে তাহলে অবাক করার মতোই বটে। আমার মতো স্বল্প পরিচিত একজন মানুষকে দীর্ঘদিন পর দেখে চেনার কথা নয়।

    “আমার ভাগ্য…” আস্তে করে বললাম মুচকি হেসে।

    প্রচ্ছন্ন এই টিটকারিটা আমলে না নিয়ে তার ঠোঁটজোড়া নড়ে উঠলো। “যদিও তুমি অনেকটাই বদলে গেছো।”

    “হুম,” আবারও হাসলাম। “ডিপ্লোমেটিক হবার দরকার নেই। বলো, বুড়ো হয়ে গেছি।”

    “আমাদের বয়স তো আর কম হলো না,” চাপা দীর্ঘশ্বাস ফেলে কফিতে সতর্ক চুমুক দিলো সে।

    “তোমার বেলায় এটা বলার কোনো উপায় নেই। তুমি এখনও পয়ত্রিশে আটকে আছো।”

    ভুরু নাচিয়ে মুচকি হাসলো সে। “আগে তো তোমার মেয়ে পটানোর স্বভাব ছিলো না…এই বয়সে এসে শিখে গেছো দেখছি।”

    হেসে মাথা দোলালাম কেবল।

    “গত বছর আগে পঞ্চাশতম জন্মদিন সেলিব্রেট করেছি।”

    “আমি জানতাম মেয়েরা তাদের বয়সের কথা বলে না… মানে, সত্যিকারের বয়স।”

    “বুড়ি হয়ে গেলে বলে।”

    হা-হা করে হেসে উঠলাম আমি।

    “তোমার কতো হলো?”

    “বাহান্ন পেরিয়ে গেছি চার মাস আগে, অবশ্য দেখতে ষাটের মতো লাগে।”

    ঠিক দুই যুগ আগের মতোই মোহনীয় কণ্ঠে বলে উঠলো সে, “অতোটা লাগে না, তবে শরীরের যত্ন নাও না সেটা বোঝা যায়।”

    এ কথার কোনো জবাব না দিয়ে নিঃশব্দে হেসে গেলাম। “আমি যে ঢাকায়…কার কাছ থেকে জানলে?”

    “বিখ্যাত মানুষের খবর পত্রিকায় হরহামেশাই পাওয়া যায়।”

    কথাটা সত্যি। গত মাসের শেষের দিকে একটি ইংরেজি জাতীয় দৈনিকে তার এবং সদ্য প্রতিষ্ঠিত সংস্থা আর প্রধানের উপরে ইন্টারভিউ ছাপা হয়েছিলো। ওটা পড়ার পরই আমি জানতে পারি সে এখন ঢাকায়। আইনজীবি হিসেবে তার পেশাটা আমাকে বেশ অবাক করেছিলো। দুই যুগ আগে তার মুখ থেকে কখনও এরকম কিছুর কথা শুনিনি। অবশ্য, খুব বেশি কথাও শোনা হয়নি তার মুখ থেকে। যাই হোক, এরপরই দেখা করার সিদ্ধান্ত নেই।

    মুচকি হেসে মাথা দুলিয়ে গেলো সে। “তোমার চেয়ে বেশি বিখ্যাত নিশ্চয় হইনি এখনও?”

    “আমি যেকোনো উঠতি অভিনেতার চেয়েও কম বিখ্যাত। একটু খোলামেলা পোজ দেয়া মডেল আর উঠতি গায়ক-নায়করাও আমার চেয়ে বেশি জনপ্রিয়। এখনও যারা বই পড়ে তাদের কেউ কেউ আমার লেখার পাঠক…এই যা।”

    মুচকি হাসলো সে। “আমি স্টেট্সে থাকার সময়েই শুনেছিলাম তুমি বেশ বিখ্যাত লেখক হয়ে উঠেছো কিন্তু ওখানে থেকে তোমার কোনো বই জোগাড় করতে পারিনি,” একটু থেমে আবার বললো, “অবশ্য আমি এখন বই-টই খুব একটা পড়িও না…আই মিন, সময় পাই না।”

    বই পড়ার সময় পায় না-এ কথাটাও আমাকে বিশ্বাস করতে হলো, কারণ ঐ সময়। সে-ই সবকিছুর নিয়ন্ত্রক। সবকিছু বদলে দেয়ার ক্ষমতা রাখে। আর আমি সেটা অনেক আগে থেকেই বুঝতে পেরেছিলাম।

    “পত্রিকায় যখন দেখলাম তুমি একজন ল-ইয়ার তখন খুব অবাক হয়েছিলাম,” বললাম তাকে।

    “হুম,” সায় দিলো। “স্টেট্সে গিয়ে সিদ্ধান্তটা নিয়েছিলাম,” একটু থেমে আবার বললো, “ওখানে তো সবাই কাজ করে…আমিও সিদ্ধান্ত নিলাম জব করবো। কিন্তু ওড জব করার কোন ইচ্ছে ছিলো না। আবার ক্রেডিট ট্রান্সফার করারও ব্যবস্থা ছিলো না তখন। তাই নতুন করে গ্র্যাজুয়েশন করতে হলো।”

    “আইনের উপরে কেন করলে? ইংরেজি সাহিত্যের ছাত্রি ছিলে…ল পড়ার ইচ্ছে হলো কেন?”

    একটু হাসলো সে। “আমি আসলে সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগছিলাম। সেজন্যে এখানে অনার্স শেষ করেও মাস্টার্স করিনি। কিন্তু ওখানে গিয়ে মনে হলো, এটাই করবো। মানুষ ন্যায়বিচার পাবে আর আমি তাতে সামান্য ভূমিকা রাখতে পারবো।”

    চুপচাপ তার কথা শুনে গেলাম। আমার মন বললো, তার এমন সিদ্ধান্তের পেছনে দুই যুগ আগের ঘটনাটির নিশ্চয় বড় কোন ভূমিকা রেখেছে।

    “কি ভাবছো?”

    “কিছু না।”

    সে একটু চুপ করে থেকে আবার বললো, “তুমি এসেছো বলে আমি অনেক খুশি হয়েছি। থ্যাঙ্ক ইউ ভেরি মাচ।”

    আমি নিঃশব্দই রইলাম।

    “দেশে ফিরে আসার পর আমার উচিত ছিলো তোমার সাথে যোগাযোগ করা, কিন্তু এটা স্ট্যাবলিশ করতে গিয়ে এতো ব্যস্ত হয়ে পড়লাম…” সে তার নতুন অফিসটির দিকে ইঙ্গিত করলো।

    “আমি কিন্তু আশা করিনি তুমি আমাকে খুঁজে বের করবে…দেখা করবে,” অবশেষে বললাম। “তাছাড়া দেশে ফিরে এসেছো খুব বেশিদিন হয়নি। কতো দিন হলো? তিন মাস?”

    “উমম…প্রায় চারমাস।”

    মাথা নেড়ে সায় দিলাম। “তুমি অবশ্য চেষ্টা করলেও আমাকে খুঁজে পেতে কি-না সন্দেহ।

    ভুরু আর চোখজোড়া কেমন তরঙ্গায়িত করে বলে উঠলো সে। “কেন, তোমার পাবলিশারের কাছ থেকে অ্যাড্রেস আর কন্ট্যাক্ট নাম্বার কালেক্ট করতাম?”

    বুঝতে পারলাম, কথা না-বলে তার দিকে চেয়ে আছি। সঙ্গে সঙ্গে নিজেকে ফিরে পাবার চেষ্টা করলাম। “সে তোমাকে ওসব দিতো না।”

    “কেন?”

    “আমার নিষেধ আছে।” এবার বোকার মতো হেসে ফেললাম। “আমি একটু একা থাকতে পছন্দ করি, লোকজন-হৈ-হল্লা ভালো লাগে না।”

    নীচের ঠোঁট কামড়ে ধরলো। কোনো কথা বলতে গিয়ে সঙ্কোচে ভুগছে। গভীর করে দম নিয়ে বললো সে, “বিয়ে করোনি কেন?” তার অভিব্যক্তি দেখে মনে হলো এজন্যে নিজেকে দায়ি মনে করছে।

    কাঁধ তুললাম। “জানি না।” যদিও খুব বলতে ইচ্ছে করছিলো, তোমার মতো কাউকে পাইনি বলে!

    “গুণমুগ্ধ ফিমেল-ফ্যানদের সাথে প্রেমও করো নি?” মুখ টিপে রহস্য করে বললো সে। “শুনেছি, লেখকদের সাথে ফিমেল ফ্যানদের প্রেম-ট্রেম হয়ে থাকে।”

    মুচকি হাসলাম। “কী জানি। আমার সাথে তো সে-রকম কিছু হয়নি।”

    “নাকি বলতে চাইছো না?”

    “কয়েকজনের সাথে বেশ কথা-টথা হতো। তবে প্রেম?” মাথা দোলালাম। “না, সে-রকম কিছু হয়নি।”

    “এখন হয় না?”

    “কি?”

    “কথা-টথা?”

    কপাল চুলকে আত্মসমপর্ণের ভঙ্গি করলাম। “হয়… দুয়েকজনের সাথে…মাঝেমধ্যে।”

    “থাক, এসব তোমাদের লেখক-ভক্তের সিক্রেট ব্যাপার, আমাকে বলতে হবে না।”

    “বাঁচালে।”

    হা-হা-হা করে হেসে উঠলো রামজিয়া শেরিন।

    “আমি যে বিয়ে করিনি এটা কি তুমি ওখানে থাকতেই জেনেছিলে?” প্রসঙ্গ বদলে জিজ্ঞেস করলাম।

    মাথা নেড়ে জবাব দিলো সে। “না। দেশে আসার পর জেনেছি আমাদের অফিসের এক ছেলের কাছ থেকে। ও তোমার বই পড়ে। ওয়ান অব ইউর ডাই-হার্ড ফ্যান্স।”

    “ও।” সম্ভবত এই ছেলেটার সাথেই একটু আগে নীচে দেখা হয়েছিলো। কয়েক মুহূর্ত কেটে গেলো অযাচিত নীরবতায়। সম্ভবত আমাদের দু- জনের বলার মতো আর কোনো কথা নেই কিংবা অনেক বেশি কথা জমে আছে দীর্ঘদিন থেকে, সেগুলো বের হতে গিয়ে হুড়োহুড়ি করছে, এক ধরণের জট লেগে গেছে। পানিভর্তি বোতলের খোলামুখ আচমকা নীচু করে ধরলে যেমনটি হয়।

    “তোমার হাতে ওটা কি?”

    তার প্রশ্নে নীরবতা ভাঙলো। হঠাৎ করেই আবিষ্কার করলাম এখানে আসার আসল কারণটি। “ও, এটা…একটা বই।”

    “কার, তোমার?” আগ্রহি হয়ে উঠলো সে, অনেকটা চপলা কিশোরির মতো।

    “হুম।”

    “আমার জন্যে এনেছো?”

    মাথা নেড়ে সায় দিলাম

    “ওয়াও।”

    খুশি এবং বিস্ময় দুটোই দেখা গেলো তার চোখেমুখে, তবে আমার মনে হলো না এর মধ্যে কোন কৃত্রিমতা আছে।

    “নতুন বই?”

    “হুম।” ঢোক গিললাম আমি। বুঝতে পারলাম না কী বলবো। “এটা এখনও প্রকাশিত হয়নি।”

    “তুমি তোমার আনপাবলিশ বই নিয়ে এসেছো আমার জন্য?”

    আলতো করে মাথা নেড়ে সায় দিলাম।

    “ওয়াও…গ্রেট!”

    “সত্যি বলতে বইটা তোমাকে গিফট করার জন্য আনিনি।”

    তার চোখেমুখে কৌতুহল। “সরি টু সে…আই ডিডেন্ট গেট ইট… বুঝতে পারছি না?”

    আর কোনো কথা না বলে চামড়ার ব্যাগ থেকে পাণ্ডুলিপিটা বের করে তার দিকে বাড়িয়ে দিলাম। প্রচণ্ড আগ্রহ আর বিস্ময় তাকে যেন জমিয়ে দিয়েছে। আস্তে করে হাত বাড়িয়ে পাণ্ডুলিপিটা তুলে নিলো।

    আমি লেখক মানুষ, লিখে অনেক কিছুই বলতে পারি কিন্তু কথায় তেমন পারদর্শি নই। আমার সামনে যে বসে আছে তাকে মানুষটিকে অতো কিছু ব্যাখ্যা করার চেয়ে লেখাটা দেখিয়ে দেয়াই ভালো।

    কয়েক মুহূর্ত এ-ফোর সাইজের কাগজের স্তুপটা হাতে ধরে প্রথম পৃষ্ঠায় চোখ বুলিয়ে নিলো তারপর ডেস্কের উপর ওটা রেখে গলায় ঝুলিয়ে রাখা রিডিংগ্লাসটা আবারো চাপালো নাকের উপরে। বইটির শিরোনাম পড়ে গেলো বেশ কিছুক্ষণ ধরে। “কেউ কথা রাখে নি?!” অস্ফুটস্বরে উচ্চারণ করলো সে। রিডিংগ্লাসের উপর দিয়ে আহত দৃষ্টিতে তাকালো আমার দিকে। যেন বইয়ের শিরোনামটি তাকে সারসরি অভিযুক্ত করছে!

    আমি কিছু বলছি না দেখে আবারও নজর দিলো পাণ্ডুলিপির দিকে। আলতো করে প্রথম পৃষ্ঠাটি উল্টে দিলো। আমি দেখলাম তার কাজল দেয়া চোখের মণি দুটো নড়াচড়া করছে দ্রুত। কয়েক মুহূর্ত পর রিডিংগ্লাসের উপর দিয়ে আমার দিকে তাকালো। আমি কিছুই বললাম না। বুঝতে পারছি তার মনে কি প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে।

    “এটা কি…মিলির খুনটা নিয়ে?”

    ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleজোনাকির রঙ – সায়ক আমান
    Next Article বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    Related Articles

    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    দ্য দা ভিঞ্চি কোড – ড্যান ব্রাউন

    November 15, 2025
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    অরিজিন – ড্যান ব্রাউন

    November 15, 2025
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    রবীন্দ্রনাথ এখানে কখনও খেতে আসেননি – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    November 15, 2025
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    নেমেসিস (বেগ-বাস্টার্ড – ১) – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    November 15, 2025
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    কন্ট্রাক্ট (বেগ-বাস্টার্ড ২) – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    November 15, 2025
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    নেক্সাস (বেগ-বাস্টার্ড ৩) – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    November 15, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    July 4, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    July 4, 2026
    Our Picks

    বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    July 4, 2026

    কেউ কেউ কথা রাখে – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    July 4, 2026

    জোনাকির রঙ – সায়ক আমান

    July 4, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }