Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    প্লেটোর রিপাবলিক – সরদার ফজলুল করিম

    May 14, 2026

    বৃশ্চিক – পিয়া সরকার

    May 14, 2026

    সংস্কৃতির ভাঙা সেতু – আখতারুজ্জামান ইলিয়াস

    May 14, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সংস্কৃতির ভাঙা সেতু – আখতারুজ্জামান ইলিয়াস

    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস এক পাতা গল্প286 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    আসহাবউদ্দীন আহমদের ক্রোধ ও কৌতুক

    সীমাহীন রাগ ও ক্ষোভ নিয়ে বাঁশ সমাচার লিখেছি। লেখাটি যদি তোমাদের কাছে হিউমারাস বলে মনে হয় তাহলে বুঝতে হবে যে, আমাদের মনের ঘর থেকে বের হবার সময় আমার রাগ রঙীন শাড়ী পরে রাগিনী সেজে তোমাদের কাছে হাজির হয়েছে আর তোমাদের চিত্তবিনোদন করেছে।

    শানে নজুল : বাঁশ সমাচার। আসহাবউদ্দীন আহমদ।

    .

    আসহাবউদ্দীন আহমদের যাবতীয় রচনার উদ্দেশ্য একটিই— তা হল আমাদের সমাজব্যবস্থার ওপর তাঁর সীমাহীন অনাস্থা ও ক্রোধের প্রকাশ ঘটানো। এই সমাজ-কাঠামো যে-রাষ্ট্রের জন্ম দেয়, যে-মুৎসুদ্দি বুর্জোয়াদের অবাধে লুটপাট করার অধিকারকে গণতন্ত্র বলে ঘোষণা করে কেবল অস্ত্রের খেলা দেখিয়ে বিদেশি মুরুব্বিদের জোরে দেশবাসীকে পায়ের নিচে রাখার ইন্ধন জোগায়, এমন শিক্ষাব্যবস্থা চালু করে যা ছেলেমেয়েদের বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠ শ্রমজীবী মানুষের রক্তের আত্মীয়তা অস্বীকার করতে শেখায়, সম্পদের ঘোরতর অন্যায় ও ঘৃণ্য বিভাজনব্যবস্থার তৈরি করে—কোনোকিছুই তাঁর রাগী চোখের লাল সংকেত এড়াতে পারে না। তাঁর লক্ষ্য সমাজব্যবস্থাকে আক্রমণ করা, এজন্য তিনি সমাজবাস্তবতা তুলে ধরার দায়িত্বে নিয়োজিত।

    তাই মরিচ, পেঁয়াজ, তেল, নুন, শুঁটকি মাছ এবং কাঠ, খড়, বাঁশ থেকে কালি, কলম, কাগজের উত্তরোত্তর মূল্যবৃদ্ধি এবং এর পাশাপাশি উগ্র জাতীয়তাবাদের দংশন, সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠার নামে লুটেরা বুর্জোয়াদের লেজুড়বৃত্তি, ধর্মের নিশান উড়িয়ে ব্যাপক নরহত্যা ও নারীধর্ষণ — যা-কিছু মানুষের জীবনকে দুর্বিষহ করে তোলে—সবই তাঁর লেখার উপাদান। উপাদান না বলে প্রসঙ্গ বলাই ঠিক, এর কোনোটি তাঁর রচনায় একাগ্র মনোযোগ পায় না, এর কোনোটিকেই বিস্তারিত হওয়ার সুযোগ তিনি দেন না বললেই চলে, বক্তব্যপ্রকাশের জন্য যখন যেটা দরকার তা-ই নিয়ে কথা বলতে তিনি ভালোবাসেন। তিনি প্রসঙ্গ থেকে প্রসঙ্গান্তরে যান; একটি প্রসঙ্গের নিটোল পরিসমাপ্তি ঘটাবার আগেই নিজের বক্তব্যকে স্পষ্ট করার অস্থির তাগিদে যত তাড়াতাড়ি পারেন আরেকটি প্রসঙ্গের অবতারণা ঘটানো তাঁর রচনার প্রধান লক্ষণ বলে শনাক্ত করা যায়। সমাজব্যবস্থাকে আঘাত করার এই পদ্ধতি লেখক হিসাবে তাঁকে বৈশিষ্ট্য অর্পণ করেছে।

    যে-কোনো শিল্পীর কাজেই কোনো-না-কোনোভাবে সমাজবাস্তবতার প্রতিফলন ঘটে। যে-কলাকৈবল্যবাদী কবি সমাজবিমুখ বলে পরিচিত হওয়ার উৎসাহে কেবল প্রকরণ নিয়েও কালোয়াতি করেন, তাঁর ছন্দোবদ্ধ চরণসমূহে একটু খোঁড়াখুঁড়ি করলেই সমকালীন মানুষের অস্থিরতা, হতাশা ও আকাঙ্ক্ষার স্পন্দন অনুভব করা যাবে। মানুষকে বাদ দিয়ে যিনি কেবল প্রকৃতির রূপ দেখতে মগ্ন, তিনিও মানুষের দীর্ঘদিনের যৌথ সৌন্দর্যচর্চার সামান্য একটুখানি প্রকাশ করে থাকেন। প্রকৃতি নিজে নিজে তেমন সুন্দর নয়, মানুষই তাকে তিলে তিলে সুন্দর করে গড়ে তুলেছে। সমাজবিচ্ছিন্ন হয়ে কাজটি করা তার পক্ষে সম্ভব নয়, বৈরী প্রকৃতির সঙ্গে যুদ্ধ করা, নির্লিপ্ত প্রকৃতিতে নিজের সুবিধায় ব্যবহার করা এবং এর মধ্যে সৌন্দর্য খুঁজে বার করা কোনো বিচ্ছিন্ন কাও নয়। তবে আধুনিককালে শিল্পের মাধ্যমগুলোতে যাতায়াত অনেক প্রত্যক্ষ এবং স্পষ্ট, তাই মানুষের দৈনন্দিন জীবনাপন সেখানে ইচ্ছাপূরণের কোনো কেচ্ছা না হয়ে সমাজবাস্তবতার ছবি হয়ে প্রকাশিত হয়।

    কথাসাহিত্য ব্যক্তির মধ্য দিয়ে সমাজের ভেতরের অবস্থাটিকে, সামানে নিয়ে এসে পাঠককে বাস্তবের মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দেয়। উপন্যাস কী গল্পে কী নাটকে এই বাস্তবতা প্রতিফলনের আধার হল চরিত্র, সংলাপ, ঘটনা, স্বপ্ন এবং সর্বোপরি কাহিনীর বিন্যাস। নিটোল কাহিনী নিশ্চয়ই খুব জরুরি নয় : ছিমছাম গল্প বরং জীবনের প্রকৃত চেহারাটি খুলে ধরার চেয়ে তাকে আড়াল করে রাখার কাজেই লিপ্ত থাকে বেশি। তবে কাহিনীর একটি ধারাবাহিক বিন্যাস ছাড়া কোনোরকম বাস্তবতাই সোজা হয়ে দাঁড়াতে পারে না, মানে দাঁড়াবার কাঠামো পায় না। এই বিন্যাস যে কালানুক্রমিক হতে হবে কিংবা নির্দিষ্ট ছকে বাঁধা থাকবে এর কোনো মানে নেই, কিন্তু যতই একান-ওকাল বা এদেশ-ওদেশ করুক, মোটা একটি দাগের ভেতর লেখককে থাকতেই হয়, ঘরের ভেতর হাঁসফাঁস করলে লেখক মাঠে আসতে পারেন, কিন্তু মাঠের মাটি শক্ত হওয়া চাই, চোরাবালিতে পা ডুবে গেলে পাঠক দাঁড়াবে কোথায়? চোখে দেখা না গেলেও বাস্তবতার হাজার উপাদান থাকলেও তা শেষ পর্যন্ত হয় অদৃশ্য শূন্যতায় উড়াল দেয়, নইলে মাটিতে মুখ থুবড়ে পড়ে।

    আসহাবউদ্দীন আহমদ তাঁর বক্তব্যপ্রকাশের জন্য কথাসাহিত্যের প্রতিষ্ঠিত কোনো মাধ্যমের কাছে হাত পাতেননি। টুকরো টুকরো ঘটনাকে কাহিনীর বিন্যাসে তিনি গাঁথেন না, সিকোয়েন্সের আড়ালে থেকে কোনো ছবিকে সামনে ঠেলে দিতে তাঁর ঘোরতর আপত্তি, কোনো চরিত্রকে নিজের মুখপাত্র হিসাবে নিয়োগের অভ্যাসও তাঁর নেই, তিনি নিজেই নিজের কথা বলেন। বর্তমান সমাজকাঠামোর ওপর তিনি কেবল ক্রুব্ধ নন, এই কাঠামো ভেঙে ফেলার জন্য তিনি সংকল্পবদ্ধ—এই লক্ষ্যে দীর্ঘকাল ধরে তিনি রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। তাঁর সংকল্প বাস্তবায়নের পথ হল সমাজতন্ত্রের প্রতিষ্ঠা—এই সত্যটি বিশ্বাস করে একই সঙ্গে রাজনীতি ও সাহিত্যচর্চায় নিয়োজিত হয়েছেন, সাংগঠনিক কাজ করতে করতে এবং লিখতে লিখতে এই বিশ্বাস তাঁর গভীর উপলব্ধিতে পরিণত হয়েছে। দীর্ঘদিনের সংগ্রাম তাঁকে ক্লান্ত করতে পারেনি, দলের ভাঙচুর তাঁর বিশ্বাসে চিড় ধরাতে পারেনি। তাঁর অনেক সহকর্মীর মতো নিরাপদ ও নিশ্চিন্ত জীবনযাপনের দিকে তিনি আসক্ত হননি, স্ট্যাটেজির ছদ্মবেশে রংবেরঙের আপোসের তত্ত্ব তাঁকে আকৃষ্ট করতে ব্যর্থ হয়েছে। লেখক হিসাবেও অনেকের মতো নিজের বিশ্বাসকে শিথিল করে পাঠকের তরল মনোরঞ্জনে লিপ্ত হবার পথ তিনি পরিহার করে এসেছেন। বরং, রাজনৈতিক তৎপরতা ও সাহিত্যচর্চার ফলে সমাজের প্রকৃত চিত্রটি তাঁর কাছে দিনদিন স্পষ্ট ও স্বচ্ছ হয়ে উঠেছে। সমাজব্যবস্থার ভেতরের ফাঁকি ও শয়তানি, নৈরাজ্য ও অসামঞ্জস্য, শোষণ ও নির্যাতন এবং প্রতারণা ও বঞ্চনা তাঁর ক্রোধকে বরং আরও উসকে দিয়েছে, তিনি আরও তৎপর হয়ে উঠেছেন। ক্রোধ তাঁকে অস্থির করে তুলেছে, এতটাই অস্থির যে তা প্রকাশের লক্ষ্যে কাহিনীবিন্যাসের কোনো প্রক্রিয়া-অনুশীলন কিংবা নির্মাণের ধৈর্য তাঁর নেই। মনে হয়, এজন্যই কোনো প্রকরণের ভেতর খাপ খাওয়াবার চেষ্টা থেকে তিনি সবসময়েই বিরত ছিলেন।

    আসহাবউদ্দীন আহমদ গল্প লেখেন না, বলা যায়, গল্প করেন। সাহিত্যচর্চার শুরু থেকেই তিনি পাঠককে শ্রোতা হিসাবে গণ্য করে আসছেন। শ্রোতাদের সবাই তাঁর চেনাজানা, বলতে গেলে, পাড়ার লোক, কোনো নির্ধারিত সাহিত্যিক মাধ্যমের আড়ালে না—গিয়ে তাদের সঙ্গে তিনি সরাসরি কথা বলেন। মূল লক্ষ্যটি ঠিক থাকে, যে-কোনো প্রসঙ্গ আসতে পারে, নিজেদের দৈনন্দিন জীবনযাপনের ঝামেলা, অসুবিধা, দুর্ঘটনা থেকে বিপদ, সমস্যা ও সংকট সবকিছু নিয়েই তিনি অবিরাম কথা বলে চলেন।

    আসহাবউদ্দীন আহমদ রম্যরচনা লেখেন না। রম্যরচনা যাঁরা লেখেন তাঁদের প্রধান লক্ষ্য ভালো কথা বলা এবং কায়দা করে কথা বলা। সোজা ও সাদামাটা কথাও তাঁরা এমন ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে রঙ করে বলেন যে, তার যে-কোনো জায়গা কোনো আসরে জুত করে চালিয়ে দেওয়ার আশায় কেউ-কেউ মুখস্থ করে রাখে। আসহাবউদ্দীন চাল মারা কথা বলেন না, কিংবা মিষ্টি মিষ্টি করে বানোয়াটি কথা লিখে জনপ্রিয়তা কামাই করা তাঁর কাজ নয়। তাঁর স্পষ্ট রাজনৈতিক বক্তব্য রয়েছে, তাঁর যাবতীয় রচনাই এই বক্তব্য প্রকাশের জন্যই রচিত। কথার ভঙ্গিও তাঁর অনেকটা রাজনৈতিক কর্মীর মতো, উচ্চশিক্ষিত বিশিষ্ট ব্যক্তি হওয়া সত্ত্বেও এবং লেখায় সাহিত্য, সমাজতন্ত্র ও দর্শনপাঠের গভীর অভিজ্ঞতার ছাপ থাকলেও তাঁর ব্যক্তিত্ব ও বিদ্যা কোথাও কাঁটার মতো বেঁধে না। মনে হয়, তিনি লোকালয় থেকে লোকালয় ঘুরে বেড়াচ্ছেন, মঞ্জুর কলোনির মাথার বেঞ্চে চায়ের পেয়ালা হাতে, কোর্টের পেছনে ঝুলকালিধোয়ায় অন্ধকার খাবার দোকানে, মাঠের পাশে আইলে হাঁটু ভেঙে বসে, বিকালবেলা ভাঙাচোরা প্রাইমারি স্কুলের সামনে একচিলতে মাঠে হা-ডু-ডু খেলা দেখতে দেখতে, রেজিস্ট্রি অফিসের সামনে পানির দামে জমি বিক্রি করতে আসা বন্যা বা খরাপীড়িত চাষাভুষাদের জটলায়, যেখানে সুযোগ পাচ্ছেন কথা বলে চলেছেন, মুখে যেভাবে আসে সেভাবেই বলে যান, প্রকরণের আশ্রয় নেওয়ার দিকে পরোয়া করেন না। শুধু একটি বিষয়ে তিনি স্থির ও অবিচল, একটিমাত্র লক্ষ্যের দিকে তিনি সচেতন, তা হল কথার মধ্য দিয়ে সমাজবাস্তবতাকে তুলে ধরা।

    কোনো পরিচিত কাঠামোর ভেতর না গিয়েও আসহাবউদ্দীন পাঠককে যে আকৃষ্ট করতে পারেন তার প্রধান কারণ তাঁর কৌতুক ও ব্যঙ্গ এবং হাস্যরস। তাঁর রচনা আগাগোড়া কৌতুক ও ব্যঙ্গরসে পূর্ণ। তাঁর কথা বলার ভঙ্গির মধ্যেই হাস্যরস, প্রায় যাবতীয় কথাই তিনি হাসতে হাসতে বলতে পারেন, পাঠকও তাঁর সব কথা শোনে হাসতে হাসতে। যে-কোনো প্রসঙ্গই তাঁর ঠাট্টা এড়াতে পারে না, যা তাঁর অনুমোদন পায় না তা নিয়ে তিনি ঠাট্টা করেন, যা তাঁর কাছে বিরক্তিকর তাও ঠাট্টার বিষয়, আবার যে-ব্যবস্থা তাঁকে ক্রুদ্ধ করে তোলে সেই ক্রোধপ্রকাশের উপায়ও তাঁর হাস্যরস। খুব নামকরা জনপ্রিয় রাজনীতিবিদের আচরণ তিনি এমন কৌতুকের সঙ্গে তুলে ধরেন যে, নেতার সমস্ত মাহাত্ম্য মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। তাঁদের নাম বা উপাধি বা বংশগত পদবির সঙ্গে তাঁদের আচরণের সঙ্গতি বা অসঙ্গতি নিয়ে শব্দের পান তৈরি করে বা বিশেষ রাজ্যের বিন্যাস ঘটিয়ে এমনভাবে কথা বলেন যে, কেবল তাঁদের নিজেদের আচরণ এবং উক্তির অসারতা প্রকট হয়ে ধরা পড়ে। ক্ষমতাহীন হোক আর ক্ষমতার বাইরে হোক—দেশের রাজনীতি যারা নিয়ন্ত্রণ করেন—সেইসব নেতার উক্তি যেগুলো বাণী বলে প্রচারিত, আসহাবউদ্দীনের ঠাট্টার তোড়ে সেগুলো বাচালতা বলে প্রমাণিত হয়। এইসব নেতার ব্যক্তিগত দোষত্রুটি ও দুর্বলতাও তাঁর আক্রমণ থেকে রেহাই পায় না, এই আক্রমণের মাধ্যম কিন্তু কৌতুক। রাষ্ট্র, সরকার, প্রতিষ্ঠান-ব্যবস্থা, পদ্ধতি এসব তো আছেই, এমনকী প্রসঙ্গ এলে, নিজেকে নিয়েও ঠাট্টা করতে তিনি এতটুকু দ্বিধা করেন না। এই ঠাট্টা কখনো কখনো উপহাসের ধার ঘেঁষে চলে। এটা কম কথা নয়, এটা বড় শিল্পীরই লক্ষণ, নিজেকে আর-একজন লোক হিসাবে দেখতে পারলেই নিজেকে এরকম উপহাস করা যায়। নিজেকে দেখার সময় লেখক পরিণত হন আর একটি মানুষে, তা হলেই নিজেকে নিয়ে ব্যঙ্গ করার শক্তি জোটে। বিজ্ঞানমনস্ক নিরাসক্ত দৃষ্টি শিল্পীকে এই বিরল স্বভাব অর্জনে সাহায্য করতে পারে।

    আসাহাবউদ্দীনের লেখায় কিন্তু এই নির্লিপ্ত স্বভাব ও নিরাসক্ত দৃষ্টি অনুপস্থিত। এই স্বভাব ও এই দৃষ্টি অর্জন করা তাঁর উদ্দেশ্যও ছিল না, নিজের আবেগ ও প্রবণতাকে সরাসরি সামনে নিয়ে আসার অভ্যাস তিনি কখনোই বর্জন করেননি। তাঁর লেখা পড়লে রাজনৈতিক জীবন তো বটেই, তাঁর দৈনন্দিন তৎপরতা, প্রতিদিনের খুঁটিনাটি, আত্মীয়স্বজন, আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক সবই বেশ খোলাখুলি জানা যায়। স্থির ও সুস্পষ্ট রাজনৈতিক আদর্শ থাকায় এইসব প্রত্যেকটি প্রসঙ্গই তাঁর তত্ত্ব বা পর্যবেক্ষণকে প্রমাণের অস্ত্র হিসাবে গণ্য হয়। কিন্তু যে বিন্যাসের বলে এগুলো একটি অভিন্ন পটভূমি ও প্রেক্ষিত তৈরি করতে পারে তার অভাবে পাঠকের মধ্যে সামগ্রিক কোনো আবেদন সৃষ্টি না-করে কেবল একটুখানি সাড়া তুলেই হারিয়ে যায়। এটা শিল্পসৃষ্টির জন্য অনুকূল নয়। সমাজবাস্তবতার টুকরো টুকরো ছবি পাঠককে যদি বাস্তবের বিপজ্জনক অবস্থার মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দিতে না পারে তো লেখকের পক্ষে লক্ষ্যভেদ করা অসম্ভব। আসহাবউদ্দীন আহমদের লেখায় এমনসব প্রসঙ্গ হঠাৎই এসে একটুখানি নাড়া দিয়ে উধাও হয়ে যায় যে, আফশোস হয় আরেকটু মনোযোগ এর প্রাপ্য ছিল, আরেকটু মনোযোগ গেলে তাঁর তত্ত্ব বা পর্যবেক্ষণের পক্ষে একটি দৃষ্টান্ত হয়েই এর অবসান ঘটত না, বরং পাঠকের অনেক গভীর ভেতরে আবেদন সৃষ্টি করে লেখকের বক্তব্য উপলব্ধি করতে তাঁকে সাহায্য করত। একটি উদাহরণ দেওয়া যায়। লেখার অনেক জায়গায় আসহাবউদ্দীন আহমদ তাঁর আত্মগোপন করে থাকার কথা বলেছেন। যে-আদর্শ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে তিনি রাজনীতি করেন তা কোনো সরকারের অনুমোদন পায়নি। এই বয়সে দেশত্যাগ না করেও তাঁকে তিন-তিনটি রাষ্ট্রের নাগরিক হতে হয়েছে, এই তিন রাষ্ট্রে মেলা সরকারের উত্থানপতন ঘটেছে, রাষ্ট্রবদল ও সরকার-পরিবর্তনে কখনো কখনো রক্তপাতও কম হয়নি, কিন্তু লেখক ও তাঁর দলের রাজনীতি, প্রতিটি রাষ্ট্রের প্রতিটি সরকারের অবাধ শোষণ ও নির্যাতনের পথে অন্তরায় বিবেচিত হওয়ায় তা সমূলে বিনাশের লক্ষ্যে তাদের কার্যক্রম প্রায় অভিন্ন। তাই, যে সরকারই ক্ষমতায় থাকুক, লেখকের নামে হুলিয়া থাকতই। আত্মগোপন করে থাকার কোনো একসময়ে এক-একটি বাড়িতে বসে তিনি সন্ধ্যা হওয়ার জন্য অপেক্ষা করছিলেন। সারাদিন তাঁকে লুকিয়ে থাকতে হয়, বেরুলে পুলিশ বা দালালজাতীয় কেউ শনাক্ত করে ফেলতে পারে। এদিকে বাইরে না বেরুলে কাজ করবেন কী করে? অন্ধকার গাঢ় না হলে বেরুতে পারেন না, ঘরে বসে অধীর আগ্রহে তিনি অন্ধকারের জন্য অপেক্ষা করেন। ‘অন্ধকারের জন্য এই প্রতীক্ষা’ একটি তাৎপর্যময় শিল্পকর্মের অংশে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনাকে তিনি আকস্মিকভাবে হেঁটে ফেলেন। মানুষের জীবনে অন্ধকার ঘোচবার দায়িত্ব ঘাড়ে নিয়েছেন বলেই একজন রাজনৈতিক কর্মীকে একলা ঘরে বসে অন্ধকারের জন্য প্রতীক্ষা করতে হচ্ছে—’এই আঁধার আলোর অধিক’ পাঠককে এই উপলব্ধি পাইয়ে দেওয়ার কোনো তাগিদ তিনি অনুভব করেন না বলেই অন্য প্রসঙ্গে চলে যান।

    আসহাবউদ্দীনের লেখায় প্রায়ই এই অস্থিরচিত্ত বিক্ষিপ্ত বিচরণ লক্ষ করা যায়। কোনো প্রসঙ্গই তাঁর লেখায় বেশি মনোযোগ পায় না। তাই শক্ত রাজনৈতিক বিশ্বাস ও সংখ্যায়িত মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতা থাকা সত্ত্বেও বেশির ভাগ প্রসঙ্গকে সংক্ষিপ্ত স্কেচের আকারে তিনি পরিবেশন করেন, যথোচিত রক্তমাংস পাওয়ার আগেই সেগুলোকে তিনি ত্যাগ করেন। ফলে তাঁর শিল্পচর্চার উৎস সমাজব্যবস্থার ওপর প্রবলরকম ক্রোধ শিখা হয়ে জ্বলে ওঠবার সুযোগ পায় না। তাঁর ক্রোধের প্রকাশ কৌতুক ও ঠাট্টায়, কিন্তু হাসির গল্প লেখা তো তাঁর লক্ষ্য নয়, পাঠককে হাসতে হাসতে তার জন্য অবাঞ্ছিত ও অনভিপ্রেত অবস্থানের দিকে আঙুল দেখিয়ে তাকে রুখে দাঁড়াতে সাহায্য করা আসহাবউদ্দীনের দার্শনিক ভাবনা ও রাজনৈতিক তৎপরতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। তিনি বিশ্বাস করেন, শ্রেণীসংগ্রাম ছাড়া মানুষের সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবনযাপনের অধিকার আদায় করা কোনোদিন সম্ভব নয়। তিনি জানেন, বিপ্লব কোনো শৌখিন এমব্রয়ডারি করা নয় কিংবা এসো ভাই একটুখানি বিপ্লব করি এই গান ধরে স্ফীতকায় বুর্জোয়া দলের পায়াভারি করা মানে বিপ্লবকে ঠেকিয়ে রাখার কারসাজি। তিনি দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে যে-রাজনৈতিক তৎপরতার সঙ্গে জড়িত তার প্রধান উদ্দেশ্যই ছিল বিপ্লবের পক্ষে মানুষের অসন্তোষ ও ক্ষোভকে ক্রোধে প্রজ্বলিত করা। লেখাতেও তিনি সবকিছু নিয়ে কৌতুক করেন নিজের ক্রোধ প্রকাশ করার জন্যই।

    কিন্তু, এই কৌতুক আসহাবউদ্দীনের লেখায় প্রায় এতটা তরল হয়ে পড়ে যে ক্রোধের চেহারা চেনা প্রায় কঠিন। হাসতে হাসতে পাঠক যদি এলিয়ে পড়ে তো তাকে সোজা করে দাঁড় করানোটা কি সহজ কাজ? কিংবা কোনো রাজনীতির অসার বা প্রতিক্রিয়াশীল বা লুটপাটের পদ্ধতি প্রতিপন্ন করার কাজ যদি কয়েকজন অসৎ, কপট ও দালান নেতাদের ব্যক্তিগত আচরণ নিয়ে ব্যঙ্গ কৌতুক করার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে তো পাঠক ঐসব নেতাকে ধিক্কার দিয়েই ক্ষান্ত হবে, ঐ রাজনীতিকে প্রতিহত করতে রুদ্র হয়ে উঠবেন না। এই কারণে তাঁর ক্রোধ খুব দৃঢ় ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত হলেও এবং ব্যঙ্গ কৌতুক তাঁর রচনাকে সমৃদ্ধ করলেও আসহাবউদ্দীনের শিল্পচর্চার লক্ষ্য কতটা অর্জিত হয়েছে এ নিয়ে সন্দেহ থাকে বইকী।

    আসহাবউদ্দীন আমাদের চিরতরুণ লেখকদের অন্যতম। সত্তর পেরিয়েও তিনি স্মৃতিচারণ করতে শুরু করেননি, এখনও তাঁর চোখ সামনের দিকে। সমকালীন সংকটে তিনি উদ্বিগ্ন, ভবিষ্যৎকে সংকটমুক্ত করার পথ অনুসন্ধানে তাঁর মনোযোগ নিরঙ্কুশ। ব্যঙ্গ কৌতুক তাঁর বক্তব্য প্রকাশের হাতিয়ার, তাঁর বল ও উদ্যম থেকে নিঃসন্দেহ হতে পারি : এই হাতিয়ারে কোনোদিন মরচে পড়বে না। তাই তাঁর কাছে সঙ্গতভাবেই এই দাবি করা যায় : কেবল হাস্যরসে আপ্লুত না-করে তাঁর এই হাতিয়ার মানুষের ক্ষোভকে ক্রোধে প্রজ্বলিত করে তুলুক।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleস্বর্ণমুকুট – গোপেন্দ্র বসু
    Next Article বৃশ্চিক – পিয়া সরকার
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    প্লেটোর রিপাবলিক – সরদার ফজলুল করিম

    May 14, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    প্লেটোর রিপাবলিক – সরদার ফজলুল করিম

    May 14, 2026
    Our Picks

    প্লেটোর রিপাবলিক – সরদার ফজলুল করিম

    May 14, 2026

    বৃশ্চিক – পিয়া সরকার

    May 14, 2026

    সংস্কৃতির ভাঙা সেতু – আখতারুজ্জামান ইলিয়াস

    May 14, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }