Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    প্লেটোর রিপাবলিক – সরদার ফজলুল করিম

    May 14, 2026

    বৃশ্চিক – পিয়া সরকার

    May 14, 2026

    সংস্কৃতির ভাঙা সেতু – আখতারুজ্জামান ইলিয়াস

    May 14, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সংস্কৃতির ভাঙা সেতু – আখতারুজ্জামান ইলিয়াস

    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস এক পাতা গল্প286 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    সায়েবদের গান্ধি

    ১ কোটি ৭০ লক্ষ ডলার ব্যয়ে নির্মিত এবং ১ কোটি ২০ লক্ষ ডলারে বিজ্ঞাপিত স্যার অ্যাটেনবরো পরিচালিত গান্ধি নিউইয়র্ক চলচ্চিত্র সমালোকপের বিচারে ১৯৮২ সালের সর্বশ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র বলে পুরস্কৃত হয়েছে। বিভিন্ন দেশে ছবিটির জন্য প্রচুর দর্শকের আগ্রহ লক্ষ করা যাচ্ছে। মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধি পৃথিবীর সর্বকালের একজন বিরল ব্যক্তিত্ব, চার দশকেরও বেশি সময় জুড়ে ভারতীয় উপমহাদেশের ইতিহাসসৃষ্টিতে তিনি বিশিষ্ট ভূমিকা পালন করে গেছেন। এর মধ্যে কখনো কখনো এখানকার বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষকে তিনি মোহাচ্ছন্ন করে রেখেছিলেন। কোনো সিনেমায় প্রদর্শিত না হলেও বাংলাদেশেও গান্ধি অনেকের মনোযোগ আকর্ষণ করেছে এবং ভি.সি.আর.-এর কল্যাণে অনেকে ছবিটি দেখেছেন এবং এর ওপর কয়েকটি মন্তব্যও প্রকাশিত হয়েছে।

    বর্তমান শতাব্দীর প্রথম ও দ্বিতীয় দশকে আইনজীবী হিসাবে গান্ধি দক্ষিণ আফ্রিকায় থাকাকালে সেখানকার প্রবাসী ভারতীয়দের স্বার্থ সংরক্ষণ আন্দোলন পরিচালনা থেকে শুরু করে ১৯১৪ সালে তাঁর ভারত-প্রত্যাবর্তন এবং এখানে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক সংস্কারমূলক ও ‘আধ্যাত্মিক’ তৎপরতার পর ১৯৪৮ সালে আততায়ীর হাতে নিহত হওয়া পর্যন্ত অর্ধ-শতাব্দীকাল সময় হল গান্ধি চলচ্চিত্রের পটভূমি। এই সুদীর্ঘ সময়ে আমাদের উপমহাদেশের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য রাজনৈতিক তৎপরতা পরিলক্ষিত হয়। এই সমস্ত তৎপরতার প্রত্যেকটির সঙ্গে তিনি জড়িত। অনেক আন্দোলন পরিচালিত হয়েছে তাঁর নেতৃেত্বে, কোনো কোনো আন্দোলনের তিনি বিরোধিতা করেন। কোনো কোনো আন্দোলন সম্পর্কে তিনি নীরব, আবার কোনো-কোনোটি এড়িয়ে গেছেন। নীরব থেকে বা এড়িয়ে গিয়েও গান্ধি তাঁর ভূমিকা পালন করে গেছেন। এই সময়কালে কেবল শৌচাগারে ছাড়া তাঁর একান্ত ব্যক্তিগত কোনো জীবন নেই। তাঁর খাওয়াদাওয়া, পোশাক, চলাফেরা-জীবনযাপনের সর্বাংশে গান্ধি অপরিহার্যভাবে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। তাঁর জীবনী নিয়ে সৃষ্ট যে-কোনো শিল্পমাধ্যমের ভিত্তি তাই রাজনৈতিক এবং এর বিচারও রাজনৈতিকভাবে হওয়া দরকার।

    অ্যাটেনবরোর প্রধান বিবেচনা গান্ধির অহিংসা। হিংসা বা ক্রোধ বা ভালোবাসা বা ভয়ের মতো অহিংসাও একটি মানবিক প্রবৃত্তি। অহিংসা একটি রাজনৈতিক মতবাদ বা দার্শনিক সিদ্ধান্ত হতে পারে না। অহিংসাকে এমনকী আধ্যাত্মিক উপলব্ধি বলে চালানোটাও অসম্ভব কাও। গান্ধির বহুকাল আগে কপিলাবস্তুর যুবরাজ সিদ্ধার্থ অহিংসার বাণী প্রচার করেন, কিন্তু অহিংসা তাঁর চূড়ান্ত লক্ষ্য ছিল না। অহিংসা ছিল নির্বাণলাভের জন্য অনুসরণীয় পথ। অ্যাটেনবরো অহিংসাকে মনে করেন গান্ধির প্রধান লক্ষ্য বলে। ছবির প্রথম দিকেই দেখি, দক্ষিণ আফ্রিকায় ভারতীয়দের ওপর শ্বেতকায় শাসকদের নিপীড়নের প্রতিবাদে গান্ধি অহিংসা পদ্ধতিতে প্রতিরোধ গড়ে তোলার আয়োজন করেছেন। কিন্তু, সেখানে তিনি কতটা সফল হলেন তার কোনো পরিচয় এই ছবিতে নেই। অহিংসা ব্যাপারটি সম্বন্ধে স্পষ্ট ধারণা দেওয়া অ্যাটেনবরোর পক্ষে অসম্ভব, এ সম্বন্ধে স্বচ্ছ ধারণাও তাঁর নেই। এ-সম্বন্ধে গান্ধির নিজেরই সামঞ্জস্যপূর্ণ ধারণা কী আচরণের পরিচয় পাওয়া যায় না। দক্ষিণ আফ্রিকায় অহিংসা আন্দোলন পরিচালনা করার সঙ্গে সঙ্গে গান্ধি আর-কিছু তৎপরতার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। অ্যাটেনবরো সযত্নে সেসব এড়িয়ে গেছেন। দক্ষিণ আফ্রিকার বুয়র জাতির বিদ্রোহদমনের জন্য ইংরেজ শাসকদের আক্রমণকালে গান্ধি ইউনিয়ন জ্যাক সমুন্নত রাখার জন্য ইংরেজদের সরাসরি সহায়তা করেন। এই আক্রমণ কি অহিংস ছিল? আরেকটি আফ্রিকান জাতি জুলুদের সঙ্গে ইংরেজদের সংঘর্ষের সময় ইংরেজ সৈন্যদের সাহায্য করার উদ্দেশ্যে তিনি অ্যাম্বুলেন্স কোর গঠন করেন। এমনকী প্রথম মহাযুদ্ধ শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ইংরেজ সৈন্যদের সেবা করার জন্য গান্ধি একটি সেবামূলক প্রতিষ্ঠান পর্যন্ত গঠনের উদ্যোগ নিয়েছিলেন। কিন্তু, ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর কর্মকর্তারা বিদেশি বেসামরিক নাগরিকের সেবা গ্রহণ করতে অস্বীকার করায় যুদ্ধ শুরু হওয়ার চার মাস পর গান্ধি দেশে প্রত্যাবর্তন করেন। দক্ষিণ আফ্রিকার জীবনে গান্ধি সাম্রাজ্যবাদের পক্ষে সরাসরি সেবা করতে উৎসাহী ছিলেন এবং তাদের হিংসাত্মক কার্যকলাপে সাহায্য করতেও তাঁর বাধেনি।

    গান্ধি ভারতে ফেরার আগেই তাঁর খ্যাতি এখানে পৌঁছে গেছে। দক্ষিণ আফ্রিকায় তাঁর ভূমিকা সম্বন্ধে নানারকম খবর এসেছে, সেখানকার প্রবাসী ভারতীয়দের পক্ষে এখানে জনমতসৃষ্টির কাজ চলছে এবং ভাইসরয় লর্ড হার্ডিঞ্জ পর্যন্ত প্রবাসী ভারতীয়দের জন্য তাঁর সহানুভূতির কথা ঘোষণা করেছেন। আফ্রিকায় ইংরেজদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ আন্দোলনে গান্ধিকে যতটা দৃঢ়চিত্ত ও সংকল্পবদ্ধ দেখানো হয় তা বিশ্বাস করা খুব কঠিন। তা-ই যদি হত তা হলে হার্ডিঞ্জ সাহেব তাঁর পরিচালিত আন্দোলনের প্রতি সহানুভূতি জানাবেন কেন? তবে এটা ঠিক, ভারতীয়দের অনেকেই তাঁর দেশে ফেরায় বিশেষ উৎসাহিত বোধ করেছিলেন।

    ভারতে ফিরে এসে গান্ধি স্বাধীনতাকামী ভারতীয়দের হতাশ করেন। প্রথমদিকে তাঁকে নানা প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। এইসব সংবর্ধনাসভার যাঁরা খুব উৎসাহের সঙ্গে যোগ দিয়েছিলেন তাঁদের একজন ইন্দুলাল যাজ্ঞিক। গুজরাট সভার সাধারণ সম্পাদক হিসাবে ঐ সংগঠনের পক্ষ থেকে তিনি নিজেও একটি সংবর্ধনার আয়োজন করেন। Gandhi as I Know Him বইতে যাজ্ঞিক জানান, প্রত্যেকটি সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে স্বাধীনতাকামী যুবকদের বক্তৃতার জবাবে গান্ধি কোনোরকম রাজনৈতিক বক্তব্য প্রকাশ করেননি। এমনকী দক্ষিণ আফ্রিকায় ভারতীয়দের ওপর নিপীড়ন বা তার প্রতিকারের জন্য আন্দোলন সম্বন্ধেও তিনি সম্পূর্ণ নীরব ছিলেন।

    গান্ধি ছবিতে দেখি, রাজনীতিতে সরাসরি প্রবেশের আগে গান্ধি বেরিয়ে পড়েন ভারত-দর্শনে। অত্যন্ত অল্প সময়ের মধ্যে গান্ধির স্বদেশ-দর্শন ছবির দর্শকদেরও ভারতের বিচিত্র নিসর্গের সঙ্গে একটুখানি পরিচিত করে বইকী! গান্ধি নিজেও ভারতীয়, এবং ভারতীয়দের সমস্যায় উত্তেজিত হয়েই তাঁর রাজনীতিতে উদ্বুদ্ধ হওয়ার কথা। রাজনীতি করতে করতে দেশবাসীর সমস্যা তাঁর কাছে স্পষ্ট থেকে স্পষ্টতর হবে এবং তাঁর রাজনীতিও সুনির্দিষ্ট পথে অগ্রসর হবে—এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু ছবি দেখে মনে হয় সদ্য-অর্জিত ভারত-প্রেমে গদগদ তরলমতি কোনো সায়েবের মতো গান্ধি ভারত-পরিচিতিলাভের জন্য হিচহাইকে বেরিয়েছিন। রাজনীতি যে স্বতঃস্ফূর্ত একটি প্রক্রিয়া — ছবির প্রথমদিকেই এই সত্যটিতে অস্বীকার করা হয়েছে।

    স্বতঃস্ফূর্ততা, সামঞ্জস্য ও সততার অভাব সবচেয়ে বেশি দেখা যায় অহিংসার বক্তব্য প্রচারের মধ্যে। অসহযোগ আন্দোলনের ঘটনায় গান্ধি খুব বিচলিত হয়ে পড়েন। আন্দোলনের একটি পর্যায়ে মানুষ জঙ্গি হয়ে ওঠে এবং চৌরিচোরায় জনতার আক্রমণে পুলিশ নিহত হয়। দেশবাসী তাঁর অহিংসা নীতি থেকে বিচ্যুত হয়েছে—এই আক্ষেপ করে গান্ধি জনতার আন্দোলন প্রত্যাহার করে নেন। এই ঘটনাটিকে দেখানো হয়েছে সমগ্র ভারতবাসীর হিংসা-প্রবৃত্তির অমানবিক প্রকাশ বলে। সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত সংগ্রাম এইভাবে চিহ্নিত হয় গুণ্ডামি হিসাবে। আবার অন্যদিকে জালিয়ানওয়ালাবাগের বীভৎস হত্যাকাণ্ডের বিশ্বস্ত প্রতিফলন সত্ত্বেও এই সিদ্ধান্তে আসা হয় যে, ঘটনাটি একটি মাথাগরম ইংরেজ সেনাপ্রধানের হঠকারিতা ছাড়া আর কিছুই নয়। ১৯১৯ সালে পাঞ্জাবে সামরিক শাসনের বীভৎস কার্যকলাপ হল সাম্রাজ্যবাদী তৎপরতার অবিচ্ছেদ্য অংশ। লাহোরে কার্টু-আদেশ লঙ্ঘনকারী নাগরিকদের ওপর গুলি চালানো হয়, দিন-দুপুরে দোকানপাট লুট করা হয়। গুজরানওয়ালার বিক্ষোভরত নিরস্ত্র মানুষের ওপর রীতিমতো বোমাবর্ষণ করা হয়েছিল এবং এই হত্যাযজ্ঞের নায়ক সেনাবাহিনীর মেজর কার্বি খুব বাহাদুরির সঙ্গে তাঁর তৎপরতার কথা ঘোষণা করেন। জালিয়ানওয়ালাবাগ পাঞ্জাবে সামরিক শাসনের নিপীড়নের চূড়ান্ত পরিণতি। অথচ অ্যাটেনবরোর ছবিতে জালিয়ানওয়ালাবাগের কসাই জেনারেল ডায়ারের ওপর ব্যক্তিগতভাবে সব দোষ চাপানো হয় এবং ইংরেজ বিচারকরা পর্যন্ত তাকে একটি মনস্তাত্ত্বিক সমস্যা বলে উপস্থাপিত করার সূক্ষ্ম প্রচেষ্টা চালান। সাম্রাজ্যবাদকে এইভাবে রেহাই দেওয়ার কায়দা কিন্তু দর্শকের চোখ থেকে রেহাই পায় না। তবে এই ব্যাপারে গান্ধি স্বয়ং নানাভাবে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন। কিন্তু, ঘটনাটি যে একজন বদমাইশ ইংরেজের কাণ্ড নয়, সাম্রাজ্যবাদী তৎপরতার অংশবিশেষ—এই সত্যটি স্বীকার করার জন্য গান্ধি প্রস্তুত ছিলেন কি না সন্দেহ। জালিয়ানওয়ালাবাগের প্রতিবাদে রবীন্দ্রনাথ নাইট উপাধি বর্জন করেন। কাইজার-ই-হিন্দ উপাধিটি কিন্তু গান্ধি তখনও আঁকড়ে ছিলেন এবং ১৯২১ সালে অসহযোগ আন্দোলনের সময় সরকারি উপাধি বর্জনের জন্য কংগ্রেসের সিদ্ধান্ত ঘোষণার আগে পর্যন্ত এটাকে তিনি সগৌরবে বহন করে গেছেন।

    অহিংসার গোঁজামিল ও অসামঞ্জস্যের জন্য অ্যাটেনবরোকে সদাসর্বদা সতর্ক থাকতে হয়। তাই ভারতীয় রাজনীতির যেসব ঘটনা গান্ধির অহিংসার সঙ্গে খাপ খায় না সেগুলো এড়ানো হয়েছে। এমনকী গান্ধির এই উদ্ভট ও সাম্রাজ্যবাদতোষণ পদ্ধতির কাছে যাঁরা মাথা নত করেননি এমনসব ব্যক্তিত্বকে ছবি থেকে ছেঁটে ফেলার জন্য অ্যাটেনবরো দ্বিধা করেন না। নানারকম রাজনৈতিক দুর্বলতা সত্ত্বেও সন্ত্রাসবাদ আন্দোলন আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামে বিশেষ অবদান রাখতে সক্ষম হয়েছে। গান্ধি ছবি দেখে তা বোঝা অসম্ভব। ১৯৪৬ সালে বম্বের নৌ-বিদ্রোহের আভাসমাত্র নেই। এমনকী ১৯৪২ সালের ‘ভারত ছাড়ো’ আন্দোলন গান্ধি যার প্রধান নেতাদের একজন—তারও চিহ্নমাত্র অনুপস্থিত

    কংগ্রেসের সর্বোচ্চ পর্যায়ের নেতাদের মধ্যে গান্ধির আপোসমুখী নীতির জোর বিরোধিতা করেন সুভাষচন্দ্র বসু। জালিয়ানওয়ালাবাগ অসহযোগ প্রভৃতির কয়েক বৎসর পরেও ভারতের পূর্ণ স্বাধীনতার জন্য আন্দোলনের বিরোধিতা করার ব্যাপারে গান্ধি তাঁর জেদ অব্যাহত রাখেন। ১৯২৯ সালে পূর্ণ স্বাধীনতা দাবির উত্থাপকদের মধ্যে জওয়াহরলাল নেহরুকে গান্ধি নিজের পক্ষে পটাতে পারলেও সুভাষচন্দ্র বসু স্বাধীনতার পক্ষে অবিচল থাকেন। স্বাধীনতার পক্ষে জওয়াহরলালের অনেক বিপ্লবী উক্তি সত্ত্বেও গান্ধি বুঝতে পারেন, জওয়াহরলালকে নিজের কবজায় নিয়ে আসা তাঁর পক্ষে কঠিন কাজ নয়। একথা মানতেই হয় যে, সুভাষচন্দ্র বসুর রাজনীতিতে স্ববিরোধিতা ছিল। কিন্তু, ইংরেজ সাম্রাজ্যবাদ বিরোধিতার ক্ষেত্রে তাঁর অনমনীয় দৃঢ়তা গান্ধি মর্মে মর্মে অনুভব করেছিলেন। ভারতীয় রাজনীতি থেকে তাঁকে হুটাবার জন্য গান্ধি তাই উদ্গ্রীব হয়ে পড়েন। একই কারণে অ্যাটেনবরোও সুভাষচন্দ্র বসুকে সম্পূর্ণ বাদ দিয়ে ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলন চিত্রায়িত করার সংকল্প নেন। অহিংসা নীতি যদি সৎ ও স্বতঃস্ফূর্ত হত এবং এর যদি কোনোরকম দার্শনিক ভিত্তি থাকত, তবে সুভাষচন্দ্র বসুকে উপস্থিত করে তাঁর জঙ্গি মনোভাবের বিরুদ্ধে অ্যাটেনবরো অহিংসাকে প্রতিষ্ঠিত করার উদ্যোগ নিতেন।

    মওলানা আবুল কালাম আজাদের লেখা বই এবং তাঁর সম্বন্ধে তাঁর সহকর্মীদের লেখা পড়ে বোঝা যায় তিনি বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বের অধিকারী ছিলেন। গান্ধির সঙ্গে বহু বিষয়ে তাঁর মতবিরোধ ঘটেছে, নিজের মতামত ও বিশ্বাসের পক্ষে দলীয় সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করার জন্য তিনি অনেক দূর পর্যন্ত চেষ্টা করতেন। কিন্তু অ্যাটেনবরোর কল্যাণে এই ছবিতে তিনি নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করেন। বল্লভভাই প্যাটেলও প্রায়ই আসেন। তাঁরও কিছু করার নেই। ভারতের প্রতিক্রিয়াশীল ও সাম্প্রদায়িক শক্তির তিনি একজন পাত্তাব্যক্তি। কিন্তু এই ছবিতে মাঝে মাঝে ভাঁড়ামো করার মধ্যে তাঁর ভূমিকা সীমাবদ্ধ।

    জওয়াহরলাল নেহরু চাবি দেওয়া-পুতুলের মতো গান্ধির করতালুতে হাস্যকরভাবে নাচেন। রাজনৈতিক জীবনে প্রথম থেকে স্বাধীনতা, মুক্তি, সাম্য, সমাজতন্ত্র, বিশ্বভ্রাতৃত্ব, নিপীড়িত মানুষের ঐক্য প্রভৃতি উরধ্বনি শব্দের পৌনঃপুনিক ব্যবহারে তিনি সিদ্ধির পরিচয় দেন। তাঁর বক্তৃতা, চিঠিপত্র এবং রচনায় তাঁর যে-মানসিক গঠন ফুটে ওঠে তাতে মনে হয় ঐসব বিষয়ে জওয়াহরলাল রোমান্টিক আকর্ষণ বোধ করতেন। কিন্তু, নিজের প্রচারিত মতের পক্ষে সিদ্ধান্ত নেওয়ার শক্তি তিনি জীবনেও অর্জন করতে পারেননি। তাঁর সিদ্ধান্ত ও তৎপরতার সঙ্গে তাঁর ঘোষিত মতামত ও চিন্তাভাবনার মিল নেই। দেশি ও বিদেশি সাম্রাজ্যবাদ-বিরোধী ও প্রগতিশীল ব্যক্তি ও সংস্থাসমূহ তাঁর কাছে যেমন অনেক আশা করেছিলেন, হতাশ হয়েছেন ঠিক তেমনই। নিজের চিন্তাভাবনা ও মতবাদের পক্ষে সিদ্ধান্ত নিতে ব্যর্থ এবং সদাসর্বদা দোদুল্যমানচিত্ত ভারতীয় রাজনীতির হ্যামলেট এই নেতা গান্ধির অভিভাবকত্ব, শাসন ও পৃষ্ঠপোষকতার কাছে সম্পূর্ণ আত্মসমর্পণ করেন। জওয়াহরলালের এই হ্যামলেটির দ্বিধা ও অস্থিরতা প্রতিফলিত হলে ছবিতে তাঁর ঘনঘন আসা-যাওয়াটা তৎপর্যময় হত। অহিংসার পরম স্পর্শে প্রগতিশীল চিন্তাভাবনার বেদনা থেকে জওয়াহরলাল মুক্তি পান—জওয়াহরলালের এরকম একটি পরিণতির সাহায্যে অহিংসাকে পাকাপোক্তভাবে স্থাপন করার কোনোরকম উদ্যোগ অ্যাটেনবরোর ছবিতে অনুপস্থিত। এর কারণ হল যে, অহিংসার প্রচারক হলেও অহিংসা ব্যাপারটি তাঁর কাছে শেষ পর্যন্ত ধোঁয়াটে ও অস্পষ্ট। গান্ধির আমলেও জিনিসটা ফাঁপাই ছিল, শিল্পমাধ্যমে অবয়ব দেওয়ার মতো উপযুক্ত তার ও শক্তি তার মধ্যে খুঁজে বার করা অসম্ভব। এই ছবিতে জওয়াহরলালের প্রধান কাজ মাঝে মাঝে গান্ধিকে অনশন ভাঙার জন্য কাকুতিমিনতি করা। ছবিতে তিনি প্রায়ই আসেন, কিন্তু উল্লেখযোগ্য কোনো ভূমিকাই তিনি কিছুমাত্র পালন করেন না।

    ব্যক্তিত্বের পরিচয় বরং পাওয়া যায় মোহাম্মদ আলি জিন্নাহ্র মধ্যে। জিন্নাহকে ভিলেন করবার দিকে অ্যাটেনবরোর দুর্বল ও অপরিণত শিল্পীসুলভ প্রবণতা প্রথম থেকে ধরা পড়ে। জিন্নাহ্র রাজনীতি আজ সম্পূর্ণ ভুল বলে প্রমাণিত হয়েছে। কিন্তু, ভারতীয় উপমহাদেশের রাজনীতিতে তিনি অত্যন্ত উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিত্ব। তাঁর রাজনীতিতে বা কোনো কার্যকলাপের সমালোচনা করতে হলে রাজনৈতিক উপায়েই করা দরকার। কোনো যুক্তিতর্কের ধারেকাছে না-গিয়ে জিন্নাহকে তৈরি করা হয়েছে রগচটা ও শয়তান ধরনের এক চরিত্রে। এটা করে অ্যাটেনবরো শিল্পী হিসাবে দুর্বলতা ও চরম অপরিণতির পরিচয় দেন। তবে গান্ধির বিরোধিতায় সোচ্চার হওয়ার ফলে এর মধ্যেই জিন্নাহর স্বাতন্ত্র্য ও ব্যক্তিত্ব প্রকাশিত হয়েছে।

    পাকিস্তানের পক্ষে মোহাম্মদ আলি জিন্নাহর এবং এর বিরুদ্ধে গান্ধি ও তাঁর অনুরাগীদের যুক্তিসমূহ অতি সরলীকৃত। পাকিস্তান মেনে না নিলে গৃহযুদ্ধ শুরু হবে— জিন্নাহর এই হুমকিতে গান্ধি একেবারে থতমত খান এবং পাকিস্তান মেনে নেন। এইসব দেখেশুনে সন্দেহ হয়, অ্যাটেনবরো আমাদের স্বাধীনতা আন্দোলন নিয়ে ইয়ার্কি করতে নেমেছেন। তিনি কি জানেন না যে দেশ জুড়ে দাঙ্গাহাঙ্গামা শুরু করা হয় অনেক আগেই; তা যে-প্রকট রূপ ধারণ করে তাকে গৃহযুদ্ধ ছাড়া আর কী বলব? আর পাকিস্তান কি গৃহযুদ্ধ এড়াতে পারল? দাঙ্গাহাঙ্গামা অব্যাহত রইল, অসংখ্য মানুষকে নিজেদের ভিটে থেকে উচ্ছেদ করা হল। এর ওপর নতুন উপসর্গ হল পাকিস্তান ও ভারতের মধ্যে নিয়মিত বিরোধ। গান্ধির অহিংসা ভারতীয়দের দাঙ্গা রোধ করতে ব্যর্থ হয়েছে। অহিংসা ব্যবহৃত হয়েছে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে মানুষের সংগ্রামী চেতনাকে ঠাণ্ডা করে দেওয়ার কাজে। ভারতীয়দের ঐক্যের জন্যে সদিচ্ছা সত্ত্বেও গান্ধি এখানে অহিংসার প্রয়োগ করতে ব্যর্থ হয়েছেন।

    জীবদ্দশায় গান্ধি ব্যবহৃত হন সাম্রাজ্যবাদীদের দ্বারা। অহিংসার নামে, আধ্যাত্মিক যুক্তি উদ্বোধনের নামে দেশবাসীদের তিনি সংগ্রামবিমুখ করে রাখার তৎপরতা চালিয়ে গেছেন। বিজ্ঞানচর্চার প্রয়োজনীয়তাকে অস্বীকার করে তিনি তাঁর দেশবাসীকে পশ্চাৎপদ করে রাখেন। দেশের গ্রামগুলোকে স্বাবলম্বী করার জন্য গান্ধি চরকার প্রচলন করেছিলেন। কিন্তু এর অর্থনৈতিক কাঠামো কী কিংবা কোন অর্থনৈতিক ব্যবস্থার মধ্যে চরকা কী ভূমিকা পালন করবে—এ-সম্বন্ধে গান্ধি কিছুই বলতে পারেননি। কাপড় বোনা আমাদের দেশে নতুন জিনিস নয়। মোটা কাপড় থেকে শুরু করে ঢাকার মসলিন বা জামদানি বা মুর্শিদাবাদ-রাজশাহীর সিল্ক বোনার ইতিহাস হাজার বছরের। কিন্তু এর দ্বারা সাধারণ মানুষের ভাগ্যের কিছুমাত্র পরিবর্তন ঘটেনি। চরকা যে মানুষের অর্থনৈতিক বা সামাজিক জীবনে কী কাজে আসবে সে সম্বন্ধে গান্ধির স্বচ্ছ কোনো ধারণা ছিল না। তা গান্ধিরই যখন এই অবস্থা, অ্যাটেনবরোর ধারণা তখন কী হতে পারে? গান্ধির চেয়ে পরে এক ধাপ ওপরে উঠে অ্যাটেনবরো চরকার মধ্যে আধ্যাত্মিক সত্যের অনুসন্ধান করেন।

    ভারতের কোটি কোটি নিরন্ন মানুষের সঙ্গে একই সারিতে নেমে আসার জন্য গান্ধি আহারে ও পোশাকে কৃষ্ণতা পালন করেন। এইসব কৃচ্ছ্রতাসাধন ছিল বহুবিজ্ঞাপিত এবং এর জন্য যে-আয়োজন করতে হত তাতে খরচও হত প্রচুর। ‘It takes a great deal of money to keep Bapu in poverty -কংগ্রেস নেত্রী সরোজিনী নাইডুর এই উক্তিতে গান্ধির শৌখিন দারিদ্র্যচর্চার স্বরূপ ধরা পড়ে। তাঁর অহিংসা, তাঁর চরকা, তাঁর দারিদ্র্যচর্চা-সবই নানারকম অসঙ্গতি ও গোঁজামিলে ভরতি। সাম্রাজ্যবাদী শক্তি তাঁর অসঙ্গতি ও অসামঞ্জস্যকে ব্যবহার করে নিজেদের শাসনের পক্ষে। এইরকম রাজনৈতিক স্বভাবের ফলে সমগ্র দেশব্যাপী প্রসারিত গণআন্দোলনকে গান্ধি ধিক্কার দেন আঞ্চলিক বিশৃঙ্খলা বলে এবং দেশের বিশাল জনশক্তির উত্তুঙ্গ প্রবাহ তাঁর কল্যাণে প্রবাহিত হয় সংগ্রামবিমুখ সংস্কারবাদী আন্দোলনে।

    এই গোঁজামিল ও অসঙ্গতি এবং অসামঞ্জস্য ও উদ্ভট চিন্তাভাবনার বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ করা অ্যাটেনবরোর সাধ্যের বাইরে। সেরকম ইচ্ছাও তাঁর নেই। বরং ভারতীয় স্বাধীনতা আন্দোলনের বিশাল ও ব্যাপক পটভূমির দিকে চোখ মেলেও তাঁর ক্ষীণদৃষ্টির জন্য আন্দোলনের মূল সত্য, মূল শক্তি ও সামগ্রিক রূপ তাঁর চোখের আড়ালে রয়ে যায়। খণ্ডিত ও টুকরো টুকরো পটভূমিতে বিদঘুটে তত্ত্বগুলো প্রতিষ্ঠার জন্য তিনি মহা জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজন চালান। এই ছবিতে তাই বস্তুনিষ্ঠতার অভাব খুব প্রকট।

    গান্ধিজীবনকে শিল্পসম্মতভাবে প্রকাশ করতে অ্যাটেনবরো ব্যর্থ হয়েছেন। একটি শিল্পকর্মে যে-বিষয় অবলম্বন করে কোন বক্তব্য প্রকাশিত হবে তার সঙ্গে শিল্পীর গভীর পরিচয় থাকা অপরিহার্য। এমনকী শিল্পীর নির্লিপ্ততা আয়ত্ত করতে হলেও সংশ্লিষ্ট বিষয়ের সঙ্গে গভীর সংলগ্নতা অর্জন করতে হয়। কিন্তু, ভারতীয় উপমহাদেশের মানুষ, তাদের জীবনযাপন, তাদের বিশ্বাস ও সংশয়, তাদের সংঘাত ও সংগ্রাম, তাদের বঞ্চনা ও বেদনা সম্বন্ধে মনগড়া ও উদ্ভট ধারণা প্রয়োগ করার কাজে ব্যস্ত থাকায়, বরং বলা যায়, ব্যতিব্যস্ত থাকায় ছবিতে গান্ধি ব্যক্তিত্বের স্বাভাবিক ও স্বতঃস্ফূর্ত বিকাশ ঘটেনি। ক্যামেরা ও অভিনয়ের অপূর্ব দক্ষতা সত্ত্বেও ছবিটি দর্শকের মনে গভীর ব্যঞ্জনা সৃষ্টি করতে কিংবা নতুন করে দেশ ও নিজেকে উপলব্ধি করাতে ব্যর্থ হয়। কলাকৌশলগত নৈপুণ্য সত্ত্বেও শিল্পকর্ম হিসাবে গান্ধিকে উঁচু আসন দেওয়া যায় না।

    ভারতে চলচ্চিত্র নির্মাণের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক মানের প্রতিভাবান শিল্পী থাকা সত্ত্বেও গান্ধির জীবন-রূপায়ণের দায়িত্ব অ্যাটেনবরোকে দেওয়া হল কেন? এর জবাব খুব সোজা। এই উপমহাদেশের শোষক-শক্তি খুব প্রাচীনকাল থেকেই অত্যন্ত চতুর এবং সংগঠিত। বর্ণে বর্ণে ভাগ করে সাম্প্রদায়িক চেতনাকে উসকে দিয়ে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠ নিম্নবিত্ত মানুষকে সংগঠিত হওয়া থেকে বিরত রাখার প্রচেষ্টা এদের অনেকদিনের। শোষণের বিরুদ্ধে নিম্নবিত্ত শোষিত মানুষ যখনই মাথা তুলে দাঁড়ায় তখন খুব কৌশল করে এরা সামনে চলে আসে এবং নানারকম মুখরোচক বুঝি প্রচার করে তাদের সংগ্রাম বিনাশ করে। গান্ধিকে ইংরেজরা নিজেদের অবস্থানকে দীর্ঘস্থায়ী করার জন্য ব্যবহার করেছেন এটা ঠিক। সঙ্গে সঙ্গে একথাও বলতে হয়, গান্ধিও নিজেকে ব্যবহৃত হওয়ার সুযোগ দিয়েছেন কেবল ইংরেজদের প্রতি গদগদচিত্ত হয়ে নয়, তাঁর দেশি শোষকশক্তিকে চিরায়ু করাই ছিল প্রধান সাধনা।

    ইংরেজরা বিদায় নেওয়ার পর শোষাকশক্তি বরং আরও নতুন উদ্যমে নিজেদের প্রতিষ্ঠাকে সুদৃঢ় করার উদ্যোগ নিয়েছে। একই সঙ্গে মানুষের প্রতিরোধ স্পৃহাও বেড়েই চলেছে। ভারতের কোনো কোনো এলাকায় কেবল বিক্ষোভ নয়, প্রতিষ্ঠিত সরকার ও প্রাতিষ্ঠানিক শক্তির বিরুদ্ধে বিদ্রোহ পর্যন্ত হয়ে চলেছে। সরকারকে কখনো কখনো মুষ্টি শিথিল করতে হয়েছে এমনকী কোথাও কোথাও অপেক্ষাকৃত আপাত-প্রগতিশীল দলকে সরকারগঠনে বাধা দিতে পারেনি। এমনকী সরকার ও শোষক-শক্তি ‘সমাজতন্ত্র’ ‘সাম্যবাদ’ প্রভৃতি বুলি কপচাতেও পেছপা হয় না। কিন্তু শোষণের যারা শিকার তাদের পক্ষে এইসব মিথ্যাচারকে শনাক্ত করা কঠিন নয়। কোনটা দুধ আর কোনটা পিটুলিগোলা তা বোঝার জন্য মানুষের জিভই যথেষ্ট, এজন্য পুষ্টিবিজ্ঞান নিয়ে পড়াশোনা করতে হয় না। ভারত সরকার তাই শুধু ‘প্রগতিশীল’ বুলি আউড়িয়ে পার পায় না। তাদের মূল কৌশলগুলোকে তাই পাশাপাশি চালু রাখা দরকার। ধর্ম, আধ্যাত্মিক শক্তি, অহিংসার মহিমা, শ্রেণীনিরপেক্ষ প্রেম-শোষণের পুরনো হাতিয়ারগুলো শানানো শুরু হয়। জওয়াহরলাল নেহরু ঘোরতর সংশয়বাদী হওয়া সত্ত্বেও যদি গান্ধির আধ্যাত্মিক মহিমার কাছে মাথা নত করতে পারেন তো তাঁর উত্তরসূরিরা সমাজতন্ত্রের বাণী প্রচার করেও গান্ধির একই মাহাত্ম্যকে প্রচার করতে পারবেন না কেন? জীবিত গান্ধিকে শোষকশক্তি ব্যবহার করে ইংরেজদের সাহায্যে। মৃত গান্ধিকে নিজেদের কাজে লাগাবার জন্য ইংরেজ কেন, যে-কোনো সাম্রাজ্যবাদী শক্তির সাহায্য নিতে তারা পেছপা হবে না।

    এখন অ্যাটেনবরো ধরনের কলাকুশলীকে তাদের খুব দরকার। গান্ধির ওপর ভর করে মানুষের শোষণযুক্ত হবার সংগ্রামস্পৃহা দমন করার জন্য এরকম কূটকৌশলের আশ্রয় নিতে যে-কোনো দেশের সৎ ও প্রতিভাবান শিল্পীর ইতিহাসবোধ, শিল্পবোধ, মর্যাদাবোধ এমনকী সাংস্কৃতিক রুচিতে বাধত। মানুষের প্রতিরোধ ক্ষমতাকে জব্দ করাই ভারতের নতুন সায়েবদের প্রধান দায়িত্ব। তখন সায়েবদের সহায়ক শক্তি হিসাবে গান্ধিকে চাগিয়ে তুলতে পারলে এই সায়েবদের বরং সুবিধা। অ্যাটেনবরোর কাছে ধরনা না-দিয়ে তাদের তাই উপায় কী?

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleস্বর্ণমুকুট – গোপেন্দ্র বসু
    Next Article বৃশ্চিক – পিয়া সরকার
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    প্লেটোর রিপাবলিক – সরদার ফজলুল করিম

    May 14, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    প্লেটোর রিপাবলিক – সরদার ফজলুল করিম

    May 14, 2026
    Our Picks

    প্লেটোর রিপাবলিক – সরদার ফজলুল করিম

    May 14, 2026

    বৃশ্চিক – পিয়া সরকার

    May 14, 2026

    সংস্কৃতির ভাঙা সেতু – আখতারুজ্জামান ইলিয়াস

    May 14, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }