Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    প্লেটোর রিপাবলিক – সরদার ফজলুল করিম

    May 14, 2026

    বৃশ্চিক – পিয়া সরকার

    May 14, 2026

    সংস্কৃতির ভাঙা সেতু – আখতারুজ্জামান ইলিয়াস

    May 14, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সংস্কৃতির ভাঙা সেতু – আখতারুজ্জামান ইলিয়াস

    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস এক পাতা গল্প286 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    বাংলা ছোটগল্প কি মরে যাচ্ছে?

    বুর্জোয়া সমাজব্যবস্থায় উৎপন্ন ‘ব্যক্তি’র বিশেষ কোনো সমস্যা কী সংকটকে কেন্দ্রবিন্দু করে তাকে তীক্ষ্ণভাবে দেখার জন্য ছোটগল্পের চর্চা হয়ে আসছে আজ দেড়শো বছর ধরে। “ছোটগল্প মরে যাচ্ছে …. এই চরম জবাবটি শুনে মনে হতে পরে, ঐ সমাজ-ব্যবস্থা ও তার হাল মুমূর্ষু অবস্থায় এসে পৌঁছেছে। যেমন সামন্তব্যবস্থার অবসানের সঙ্গে মহাকাব্যকে বিদায় নিতে হয়েছে। অথচ মানুষের বীরত্ব ও মহত্ত্ব, দয়া ও নিষ্ঠুরতা, করুণা ও হিংস্রতা, ক্ষমা ও ঈর্ষা, ক্রোধ ও ভালোবাসা এবং ভোগ ও ত্যাগের সর্বোচ্চ রূপের প্রকাশের মধ্যে সেই সময়ের মূল্যবোধ ও বিশ্বাসকে পরম গৌরব দেওয়া হয়েছে মহাকাব্যেই। দিন যায়, অন্য যুগের পাঠকের কাছে মানুষের এই দেবত্ব লোপ পেলেও সে মহত্তর গৌরব নিয়ে উদ্ভাসিত হয়। মহাকাব্যের গৌরব বাড়ে। কিন্তু অন্যদিনে এসে মানুষকে প্রকাশ করার জন্য এই প্রকরণটিকে শিল্পী আর ব্যবহার করতে পারেন না, নতুন সমাজে মানুষ আর অতিমানব নয়, সে নিছক ব্যক্তিমাত্র। বুর্জোয়া সমাজব্যবস্থায় ব্যক্তির উত্থানের সঙ্গে তার প্রকাশের স্বার্থে, বিকাশের তাগিদেও বটে, জন্ম হয় উপন্যাসের। প্রথম দিকের শ্রেষ্ঠ উপন্যাসগুলোতে সমাজের নতুন মানুষ ‘ব্যক্তি’কে গৌরব দেওয়ার উদ্যোগ স্পষ্ট, কিন্তু পুঁজিবাদী সমাজ কাঠামোর কারণেই ব্যক্তিস্বাধীনতা যখন ব্যক্তিস্বাতন্ত্রের পিচ্ছিল পথ ধরে বন্দি হল ব্যক্তিসর্বস্বতার স্যাঁতসেঁতে কোটরে তখন এই মাধ্যমটিই তার ক্ষয় ও রোগ শনাক্ত করার দায়িত্ব তুলে নেয় নিজের ঘাড়ে। আজ রোগ ও ক্ষয়ের শনাক্তকরণের সঙ্গে আরও খানাতল্লাশি চালিয়ে ব্যক্তির মানুষে উন্নীত হওয়ার সুপ্ত শক্তির অন্বেষণে নিয়োজিত হয়েছে উপন্যাসই। আর ছোটগল্প তো তার জন্মলগ্ন থেকেই বুর্জোয়া সমাজব্যবস্থায় ব্যক্তির রোগ ও ক্ষয়কে তীক্ষ্ণভাবে নির্ণয় করে আসছে। এই সমাজব্যবস্থার একটি ফসল হয়েও ছোটগল্প এই ব্যবস্থার শ্রীচরণে তার সিঁদুরচর্চিত মুহুধানি কোনোদিনই ঠেকিয়ে রাখেনি যে এর মহাপ্রয়াণ ঘটলে তাকেও সহমরণে যেতে হবে। তা ছাড়া, এই বুর্জোয়া শোষণ ও ছলাকলার আশু-অবসানের কোনো লক্ষণ তো দেখা যাচ্ছে না।

    তবে হ্যাঁ, ছোটগল্পের একটা সংকট চলছে বটে। বাংলা ভাষায় বেশকিছু শ্ৰেষ্ঠ ছোটগল্প লেখা হয়েছে বলেই এই সংকটটি চোখে পড়ে বেশি। রবীন্দ্রনাথ তো ছিলেনই, তাঁর পরেও আন্তর্জাতিক মানের গল্প লিখেছেন বেশ কয়েকজন কথাসাহিত্যিক। তাঁদের বেশির ভাগই মারা গেছেন, জীবিতদের বেশির ভাগই হয় কলম গুটিয়ে রেখেছেন নয়তো মনোযোগ দিয়েছেন অন্য মাধ্যমে। প্রকাশকদের নজরও উপন্যাসের দিকে, গল্পের বই ছাপলে তাদের নাকি লোকসান। প্রতিষ্ঠিত পত্রিকাগুলোর বিশেষ সংখ্যা মানে হাফ ডজন হাফ ডজন উপন্যাস, ছোটগল্পের পাত্তা সেখানেও নেই। এখন লোকে নাকি গল্প পড়তে চায় না, ঘরে বসে ভিসিআরে গল্প দেখে। কিন্তু তা হলে উপন্যাস বিক্রি হয় কী করে? গড়পড়তা উপন্যাস আর গড়পড়তা ভিসিআরের ছবির মধ্যে তফাতটা কোথায়? জনপ্রিয় উপন্যাস হলেই সেটাকে তরল বলে উড়িয়ে দেওয়ার মানে হয় না, লেখকের উদ্দেশ্য বা মতলব যা-ই থাক, নিজের সমস্যাকে কোনো-না-কোনোভাবে শনাক্ত হতে না-দেখলে পাঠক একটি বইয়ের অনুরাগী হবে কেন? আর শিল্পমানে উন্নত উপন্যাস পৃথিবী জুড়ে যত লেখা হচ্ছে ঐ মাপের ছোটগল্পের পরিমাণ সে-তুলনায় নগণ্য। ছোটগল্পের প্রকাশ কিন্তু আগেও খুব একটা ছিল না, উপন্যাসের তুলনায় ছোটগল্পের পাঠক বরাবরই কম। তবু আগে ছোটগল্প লেখা হয়েছে এখন অনেক কম হচ্ছে। মনে হয় এই সংকটের কারণটা খুঁজতে হবে ছোটগল্পের ভেতরেই।

    কোনো একটি সমস্যাকে কেন্দ্রবিন্দু করে একরৈখিক আলোর মধ্যে তাকে যথাযথভাবে নির্দিষ্ট করার শর্তটি পালন করা সৃজনশীল লেখকের পক্ষে দিনদিন কঠিন হয়ে পড়ছে। একটি মানুষকে একটিমাত্র অনুভূতি বা সমস্যা দিয়ে চিহ্নিত করা এখন অসম্ভব। লেখকের কলম থেকে বেরুতে-না-বেরুতে এখনকার চরিত্র বেয়াড়া হয়ে যায়, একটি সমস্যার গয়না তাকে পরিয়ে দেওয়ার জন্য লেখক হাত তুললে সে তা ছুড়ে ফেলে দিয়ে গায়ে তুলে নেয় হাজার সংকটের কাঁটা। লেখকের গলা শুকিয়ে আসে, একটি সমস্যার কথা তুলে ধরার জন্য। এত সংকটের ব্যাখ্যা করার সুযোগ এখানে কোথায়? অর্জুনের মতো নজরে পড়া চাই পাখির মাথাটুকু, লক্ষ্যভেদ করতে হবে সরাসরি, আশপাশে তাকালে তীর ঐ বিন্দুটিতে পৌঁছবে কী করে? লেখক তখন থেমে পড়েন, গলার সঙ্গে শুকোয় তাঁর কলম। কারণ, ছোটগল্পের শাসন তিনি যতই মানুন, এটাও তো তিনি জানেন যে তাঁর চরিত্রটির উৎস যে-সমাজ তা একটি সচল ব্যবস্থা, সেখানে ভাংচুর চলছে এবং তার রদবদল ঘটছে অবিশ্বাস্য রকম তীব্র গতিতে। পরিবর্তনের লক্ষ্য হল শোষণপ্রক্রিয়াকে আরও শক্ত ও স্থায়ী করা। এর প্রধান হাতিয়ার হল রাষ্ট্র, রাষ্ট্র ক্রমেই স্ফীতকায় হচ্ছে। মানুষের ন্যূনতম কল্যাণের লক্ষ্যে পদক্ষেপ না নিলেও রাষ্ট্র হস্তক্ষেপ করে চলেছে তার জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে। সুস্পষ্ট কোনো কৃষিনীতি সে নেবে না, কিন্তু সারের দাম বাড়িয়ে চাষির মাথায় বাড়ি মারবে নির্দ্বিধায়; পাটের দামের ওপর নিয়ন্ত্রণ শিথিল করে চাষিকে সে সর্বস্বান্ত করে ছাড়ে। বন্যার পর, দুর্ভিক্ষের সময় জমি থেকে উৎখাত হয়ে নিরন্ন গ্রামবাসী বিচ্যুত হয় নিজের পেশা থেকে, কিন্তু নতুন পেশা খুঁজে নিতে রাষ্ট্র তাকে সাহায্য করবে না। ব্যক্তিস্বাধীনতার ডঙ্কা বাজিয়ে যে-ব্যবস্থার উদ্ভব, সেখানে ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্য বলেও কি কিছু অবশিষ্ট আছে? দম্পতির শোবার ঘরে উকি দিয়ে রাষ্ট্র হুকুম ছাড়ে, ছেলে হোক মেয়ে হোক দুটি সন্তানের বেশি যেন পয়দা কোরো না। কিন্তু ছেলেমেয়েদের শিক্ষা, চিকিৎসা ও খাদ্যের দায়িত্ব নিতে তার প্রবল অনীহা। গণতন্ত্রের প্রতিষ্ঠা করতে কোটি কোটি টাকা খরচ করে নির্বাচনের মচ্ছব চলে, সেখানে ব্যবস্থা এমনই মজবুত যে কোটিপতি ছাড়া কারও ক্ষমতা নেই যে নির্বাচিত হয়। দফায় দফায় গণআন্দোলনে নিম্নবিত্ত শ্রমজীবী প্রাণ দেয়, রাষ্ট্রের মালিক পালটায়, ফায়দা লোটে কোটিপতিরা। রাষ্ট্রের মাহাত্ম্যপ্রচারের জন্য গ্রামে পর্যন্ত টেলিভিশন পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। ইউনিয়ন কাউন্সিল অফিসে চাষাভুষারা বসে বসে টেলিভিশনের পর্দায় আমেরিকানদের সাম্প্রতিক জীবনযাপন দেখে, সেখানকার মেয়েপুরুষ সব তীব্র গতিতে গাড়ি চালায়, রকেট ছোড়ে, তাদের একটি প্রধান চরিত্রের নাম কম্পিউটার, তার কীর্তিকলাপও বিস্তারিত দেখা যায়। বাড়ি ফিরে ঐ চাষি পায়খানা করে ডোবার ধারে, ঐ ডোবার পানি সে খায় অঞ্জলি ভরে, টেলিভিশনে মস্ত করিডোরওয়ালা হাসপাতাল দেখে মুগ্ধ চাষি বৌছেলেমেয়ের অসুখ হলে হাঁস-মুরগি বেচে উপজেলা হেলথ কমপ্লেক্স পর্যন্ত পৌঁছে শোনে যে ডাক্তারসাহেব কাল ঢাকা গেছে, ডাক্তারসাহেব থাকলে শোনে যে এখানে ওষুধ নেই। তখন তার গতি পানি-পড়া-দেওয়া ইমাম সাহেব। রবীন্দ্রনাথের সময় বাংলার গ্রাম এই-ই ছিল, তাঁর আগে বঙ্কিমচন্দ্র বঙ্গদেশের কৃষকের যে-বিবরণ লিখে গেছেন, তাতে এই একই পরিচয় পাই। পরে শরৎচন্দ্র কৃষকের ছবি আঁকেন, তাতেও তেমন হেরফের কই? তারাশঙ্কর, মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়, এমনকী সেদিনের সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ যে চাষিকে দেখেছিলেন সেও এদেরই আত্মীয়। কিন্তু একটা বড় তফাত রয়েছে। যন্ত্রের সঙ্গে তাদের যোগাযোগ ছিল রেলগাড়ি আর টেলিগ্রাফের তার দেখা পর্যন্ত, বড়জোর রেলগাড়িতে চড়ার ভাগ্য কারও কারও হয়ে থাকবে। আধুনিক প্রযুক্তির সঙ্গে তাদের পরিচয় ঘটেছে আরও পরে। বাংলাদেশের নিভৃত গ্রামের বিদ্রহীন চাষি বিবিসি শোনে, টেলিভিশন দেখে, জমিতে শ্যালো মেশিনের প্রয়োগ সম্বন্ধেও সব জানে। কিন্তু প্রযুক্তির ব্যবহার তার জীবনে আর সম্ভব হয় না। টেলিভিশনের ছবি তার কাছে রূপকথার বেশি কিছু নয়। রূপকথা বরং অল্পক্ষণের জন্য হলেও তার কল্পনাকে রঙিন করতে পারত, একটা গল্প দেখার সুখ সে পেত। গান আর গাথার মতো রূপকথা শোনাও তার সংস্কৃতিচর্চার অংশ। পক্ষীরাজ তো কল্পনার ঘোড়া, এর ওপর সেও যেমন চড়তে পারে না, গ্রামের জোতদার মহাজনও তাকে নাগালের ভেতর পাবে না। কিন্তু টেলিভিশনে দেখা-জীবন তো কেউ-কেউ ঠিকই ভোগ করে। ঢাকা শহরের কেউ-কেউ এর ভাগ পায় বইকী। তাদের মধ্যে তার চেনাজানা মানুষও আছে। এই দুই দশকে শ্রেণীর মেরুকরণ এত হয়েছে যে গ্রামের জোতদারের কী সচ্ছল কৃষকের বেপরোয়া ছেলেটি ঢাকায় গিয়ে কী করে কী করে অনেক টাকার মালিক হয়ে বসেছে, সে নাকি এবেলা ওবেলা সিঙ্গাপুর-হংকং করে। চাষিরা নিজেদের কাছে তাই আরও ছোট হয়ে গেছে। তবে কি ঐ জীবনযাপন করতে তার আগ্রহ হয় না? না, হয় না। তাদের ভাগ্য পরিবর্তনের স্পৃহাকে সংকল্পে রূপ দিতে পারে যে-রাজনীতি তার অভাব আজ বড় প্রকট। রাজনীতি আজ ছিনতাই করে নিয়েছে কোটিপতির দল। এদের পিছে পিছে ঘোরাই এখন নিম্নবিত্ত মানুষের প্রধান রাজনৈতিক তৎপরতা। এখনকার প্রধান দাবি হল রিলিফ চাই। এনজিওতে দেশ ছেয়ে গেল, নিরন্ন মানুষের প্রতি তাদের উপদেশ : তোমরা নিজের পায়ে দাঁড়াও। কী করে?—না, মুরগি পোষো, ঝুড়ি বানাও, কাঁথা সেলাই করো। ভাইসব, তোমাদের সম্পদ নেই, সম্বল নেই, মুরগি পুষে, ডিম বেচে, ঝুড়ি বেচে তোমরা স্বাবলম্বী হও। কারণ, সম্পদ যারা হাইজ্যাক করে নিয়ে গেছে তা তাদের দখলেই থাকবে, ওদিকে চোখ দিও না। রাষ্ট্রক্ষমতা লুটেরা কোটিপতিদের হাতে, তাদের হাতেই ওটা নিরাপদে থাকবে, ওদিকে হাত দিতে চেষ্টা কোরো না। তাদের মানুষ হয়ে বাঁচবার আকাঙ্ক্ষা, অধিকার আদায়ের স্পৃহা এবং অন্যায় সমাজব্যবস্থা উৎখাত করার সংকল্প চিরকালের জন্য বিনাশ করার আয়োজন চলছে। নিম্নবিত্ত শ্রমজীবী তাই ছোট থেকে আরও ছোট হয়, এই মানুষটির সংস্কৃতির বিকাশ তো দূরের কথা, তার আগের অনেক অভ্যাস পর্যন্ত লুপ্ত হয়, কিন্তু নতুন সংস্কৃতির স্পন্দন সে কোথাও অনুভব করে না।

    এখন এই লোকটিকে নিয়ে গল্প লিখতে গেলে কি ‘ছোট প্রাণ ছোট কথা’র আদর্শ দিয়ে কাজ হবে? তার একটি সমস্যা ধরতে গেলেই তো হাজারটা বিষয় এসে পড়ে, কোনোটা থেকে আরগুলো আলাদা নয়। একজন চাষির প্রেম করা কী বৌকে তালাক দেওয়া, তার জমি থেকে উচ্ছেদ হওয়া কী ভূমিহীনে পরিণত হওয়া তার ছেলের বাড়ি থেকে বেরিয়ে শহরের দিকে রওনা হওয়া এবং সেখান থেকে সৌদি আরব যাওয়ার উচ্চাকাঙ্ক্ষায় টাউটের পাল্লায় পড়া, তরুণ চাষির প্রেমিকার মুখে অ্যাসিড ছুঁড়ে মারা—এসবের সঙ্গে সারের ওপর ভরতুকি তুলে নেওয়া কিংবা জাতীয় পরিষদের ইলেকশনে তিন কোটিপতির ইলেকশন ক্যাম্পেনে টাকার খেল দেখানো কিংবা এনজিওর কার্যক্রমের সরাসরি বা পরোক্ষ সম্পর্ক থাকা এমনকিছু বিচিত্র নয়। ছোটগল্প লিখতে গিয়ে কোন ব্যাপারটা আনব আর কোনটা আনব না, সমস্যাকে তুলে ধরতে গেলে কতদূর পর্যন্ত যেতে পারি, ছোটগল্পের সীমারেখা কোথায়—এসব প্রশ্ন কি ছোটগল্প লেখাকে জটিল কাজ করে তুলছে না?

    মধ্যবিত্ত, নিম্নবিত্ত কী উচ্চমধ্যবিত্তের চরিত্র অনুসরণ করা কঠিন। নিম্নমধ্যবিত্ত এবং মধ্যবিত্ত আর বাপ-দাদার শ্রেণীতে পড়ে থাকতে চায় না, সবারই টার্গেট বড়লোক হওয়া। যে যে পেশায় থাকুক-না, ওর মধ্যেই পয়সা বানাবার ফন্দিফিকির বার করার তালে থাকে। এখন মধ্যবিত্তের সংস্কার বলি, মূল্যবোধ বলি কিংবা মূল্যবোধ বলে চালানো সংস্কার, অথবা অভ্যাস, রেওয়াজ, আদবকায়দা, বেয়াদবি বেতমিজি—এগুলো মোটামুটি সবারই কমবেশি জানা। খারাপ লেখকও জানেন ভালো লেখকও জানেন। কিন্তু যে লোকটি মানুষ হয়েছে নিম্নমধ্যবিত্তের ঘরে, কী মধ্যবিত্তের সংস্কার যার রক্তে, সে যখন শয়নে স্বপনে পশ লিভিংয়ের ধান্দায় থাকে তখন সে বড় দুর্বোধ্য মানুষে পরিণত হয়। আবার চুরিচামারি করে, ঘুষ খেয়ে অজস্র মানুষের গলায় লালফিতার ফাঁস পরিয়ে, স্টেনগান মেশিনগান বা রাখোয়াজির দাপটে, এমনকী বিদ্যা বেচেও কয়েক বছরে যারা উচ্চবিত্তের প্রাসাদে প্রবেশ করেছে এবং তারপর সারাজীবনের অভ্যাস, সংস্কার, রেওয়াজ, প্রথা সব পালটে ‘উইথ রেট্রোস্পেকটিভ এফেক্ট” বুর্জোয়া হওয়ার সাধনায় ব্যস্ত বরং বলি ব্যতিব্যস্ত, ছোটগল্পে তাদের যথাযথ শনাক্ত করা কি কম কঠিন কাজ! ভণ্ডামি মধ্যবিত্তের স্বভাবের অংশ বহু আগে তেকেই। কিন্তু ভণ্ডামির ভেতরেও যে সামঞ্জস্য থাকে, এখন তাও খুঁজে পাওয়া ভার। বাঙালি জাতীয়তাবাদের মহাচ্যাম্পিয়ন, বাংলার ‘ব’ বলতে প্রাণ আনচান করে ওঠে, চোখের জলে বুক ভাসায় এমন অনেকের ছেলেমেয়ে জন্ম থেকে থাকে বাইরে, বাংলা ভাষা বলতেও পারে না। রাজনীতি থেকে সর্বক্ষেত্রে বিসমিল্লাহর বুলি হাঁকায় এমন অনেক সাচ্চা মুসলমানের মক্কা হল আমেরিকা, ছেলেমেয়েদের আমেরিকা পাঠিয়ে তাদের গ্রিন কার্ড, ব্লু কার্ড না রেড কার্ড করার রঙিন খোয়াবে তারা বিভোর। আমেরিকায় ছেলেমেয়েরা যে-জীবনযাপন করে তা কি কোনো দিক থেকে ইসলামি? পিরসাহেবের হুজরায় গিয়ে আল্লার করুণা পাবার জন্য কেঁদে জারজার হয়ে হুজুর পাকের তবাররক নিয়ে সেই বিরিয়ানি খায় হইছি সহযোগে এবং নগদ টাকার সঙ্গে সেই পবিত্র হুইস্কি নিবেদন করে আমলাদের সেবায় টেন্ডার পাবার উদ্দেশে—এই উচ্চাকাঙ্ক্ষী মধ্যবিত্ত কোন আধ্যাত্মিক সাধনায় নিয়োজিত?

    শহুরে উচ্চমধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্ত প্রযুক্তির সুযোগ যা পাচ্ছে পাশ্চাত্যের দেশগুলোর তুলনায় তা অনেক ক্ষেত্রেই কম নয়। প্রযুক্তি আসছে, কিন্তু বিজ্ঞানচর্চার বালাই নেই। জীবনে বিজ্ঞান পড়েনি এমনসব বিদ্যাদিগ্‌গজরা টেলিভিশনে ডারউইনের তত্ত্ব নিয়ে বিরূপ ঠাট্টা করার স্পর্ধা দেখায়। এমনকী বিজ্ঞানের আনুষ্ঠানিক শিক্ষা পাওয়া পণ্ডিতেরা সরকারি মাধ্যমগুলোতে প্রচার করে যে, বিজ্ঞানীদের যাবতীয় কথা পবিত্র ধর্মগ্রন্থেই নিহিত রয়েছে, বিজ্ঞানীদের কর্ম সব ঐসব বই থেকে চুরি করে সম্পন্ন করা হয়। পাকিস্তানের নরখাদক সেনাবাহিনীর গোলামরা গাড়ি হাঁকিয়ে দেশের এ-রাত ও রাত ঘোরে, ফ্রিজের কোকাকোলায় চুমুক দিতে দিতে মাইকে ঘেউঘেউ করে, সাম্যবাদের বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা হল শয়তানের কারসাজি। আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে মানুষের মধ্যে বিজ্ঞানমনস্কতার প্রসার ঠেকিয়ে রাখার চেষ্টা চলে। টেলিভিশন আর ভিসিআরের কল্যাণে এখন ঘরে-ঘরে আমেরিকা। কিন্তু কাজের প্রতি ওদের মনোযোগ ও দায়িত্ববোধ কি আমাদের ভদ্রলোকদের কিছুমাত্র প্রভাবিত করেছে? রাস্তায় কেউ কি ট্রাফিক আইন মানে? বিজ্ঞানচর্চায় আগ্রহ বাড়ে? স্বাস্থ্যসম্মত জীবনযাপনে উৎসাহী হয়। যা এসেছে তা হল আগ্নেয় অস্ত্রের যথেচ্ছ ব্যবহারের কৌশল রপ্ত করা। বিজ্ঞানচর্চা বাদ দিয়ে প্রযুক্তির ব্যবহারের ফল ভয়াবহ, এর ফল হল নিদারুণ সাংস্কৃতিক শূন্যতা এবং অপসংস্কৃতির প্রসার। কোন সাংস্কৃতিক পরিবেশে তরুণদের মনে এই ধারণা বদ্ধমূল হয় যে, এই দেশ বসবাসের অযোগ্য? কোটি কোটি টাকা খরচ করে রাষ্ট্রদখলের যুদ্ধে যারা নামে তারা কি এইসব তরুণের হাতাশা মোচন করার কোনো কর্মসূচি নেয়? গণতন্ত্রের প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে কোটি কোটি টাকা অপচয় করা যায়, কিন্তু টাকার অভাবে বিপুলসংখ্যক সরকারি পদ বছরের পর বছর শূন্য পড়ে থাকে। রাষ্ট্রেরই-বা ক্ষমতা কতটা? রাষ্ট্রেরও বাপ আছে, রাষ্ট্র কি ইচ্ছা করলেই মানুষের কর্মসংস্থান করতে পারে? তার বাপ কি তাকে সুবিধামতো কলকারখানা তৈরি করতে দেবে? সারের ওপর ভরতুকি কি সে ইচ্ছা করলেই অব্যাহত রাখতে পারে? কর্মীদের বেতন নির্ধারণ করতে পারে? রাষ্ট্রের কোমরে বাঁধা দড়ির প্রান্তটি যে-সাম্রজ্যবাদী শক্তির হাতে তাকে লক্ষ্য করাও তো ছোটগল্প-লেখকের দায়িত্বের মধ্যেই পড়ে। বাঙালি বনাম বাংলাদেশি যুদ্ধে প্রাণ দেয় ইউনিভার্সিটির ছেলে, ইউনিভার্সিটিতে তালা ঝোলে আর গ্রামে পাটের দাম না-পেয়ে পার্টে আগুন জ্বালিয়ে দেয় বৃদ্ধ চাষি। সেই রিক্ত চাষির গালে কার হাতের থাপ্পড়ের দাগ? কার হাত? মায়ের গয়না বেচে যে-তরুণ পাড়ি দিয়েছে জার্মানি কী আমেরিকায় সে তো আর ফেরে না। তার মায়ের নিঃসঙ্গতাকে কি শুধু মায়ের ভালোবাসা বলে গৌরব দেওয়ার জন্য গদগদচিত্তে লেখক ছোটগল্প লিখবে? কর্মসংস্থান করতে না পেরে যে-যুবক দিনদিন অস্থির হয়ে উঠছে, নিজের গ্লানিবোধকে চাপা দিতে হয়ে উঠছে বেপরোয়া, অসহিষ্ণু এবং বেয়াদব, তার ছিনতাইকারী হয়ে ওঠা, কিছুদিনের মধ্যে এই পেশায় তার সহকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষে লিপ্ত হওয়া, একটির পর একটি গোষ্ঠী পালটানো এবং এ থেকে সবাইকে অবিশ্বাস করার প্রবণতার ভয়াবহ শিকারে পরিণত হওয়া এবং শেষ পর্যন্ত মাদকাসক্ত হয়ে অনুভূতিহীন, স্পৃহাবঞ্চিত নিম্নস্তরের প্রাণী হয়ে মৃত্যুর জন্য অপেক্ষা করা—এই লোকটিকে পরিচিত করানো তো বটেই, এমনকী শুধু উপস্থাপন করতেও কত বিচিত্র বিষয়কেই না মনে রাখতে হয়। বলা যায় যে, এসবের উৎস হল অভাব, অভাব তো আমাদের পুরনো সঙ্গী। কিন্তু তা কি আগে কখনোই এরকম ব্যাপক, গভীর এবং সর্বোপরি জটিল প্রক্রিয়ার ভেতর আবর্তিত হয়েছে? আমাদের অভাব এখন পুঁজিবাদী ব্যক্তির সম্পদ। আমাদের অভাবমোচনের মহান দায়িত্ব পালনের এরকম সুযোগ আগে কোনোদিন তারা পায়নি। এই উদ্দেশ্যে তারা অবাধে এখন যেখানে-সেখানে ঢোকে, তারাই আমাদের প্রভু, তাদের নিপুণ কার্যক্রমে তাদের প্রভুত্ব মেনে নিতে সব দ্বিধাদ্বন্দ্বই আমরা ঝেড়ে ফেলছি। তাদের দরাজ হাতে আমাদের দায়ভার তুলে দেওয়ার জন্য আমরা উদগ্রীব। ফলে অভাবমোচনের জন্য মানুষের সমবেত স্পৃহাকে বিনাশ করার আয়োজনে তারা অনেকটাই সফল। অভাব হয়ে ওঠে মানুষের কাছে নিয়তি। সমাধানের স্পৃহা না-থাকলে সমস্যাকে সমস্যা বলে বিবেচনা করা যায় না। নিরাময় করতে চাই বলেই রোগকে রোগ বলি, নইলে সর্দি থেকে শুরু করে ক্যান্সার এইডস পর্যন্ত যাবতীয় ব্যাধিকে দাড়িগোঁফ গজানো আর চুল পাকা আর দাঁত পড়ার মতো শারীরিক নিয়ম বলে মেনে নিতাম। সমস্যা-উত্তরণের সংকল্পের জায়গায় এখন সমস্যাকে এড়িয়ে যাওয়ার প্রবণতাই প্রধান। এর ওপর চলছে সমাজতন্ত্রকে হেয় প্রতিপন্ন করার সাম্রাজ্যবাদী তৎপরতা, যা কিনা অভাব থেকে মুক্তির স্পৃহাকে দমন করা এবং মানুষ হয়ে বাঁচবার সংকল্পকে মুচড়ে দেওয়ার চক্রান্তের একটি অংশ। মানুষের শাসিত স্পৃহা ও দমিত সংকল্পকে আবর্জনার ভেতর থেকে খুঁজে বার করে আনার দায়িত্বও বর্তায় কথাসাহিত্যিকের ঘাড়ে।

    সমাজের প্রবল ভাংচুর, সমাজব্যবস্থায় নতুন নতুন শক্তি ও উপাদানের সংযোগ প্রভৃতির ফলে মানুষের গভীর ভেতরের রদবদলের পর্যবেক্ষণ ও অনুসন্ধানের কাজে নিয়োজিত ছোটগল্পের শরীরেও পরিবর্তন ঘটতে বাধ্য। উপন্যাসে এই পরিবর্তনটি আসছে লেখকের প্রয়োজনেই। কাহিনী ফাঁদা আর চরিত্র উপস্থাপন এখন উপন্যাসের জন্য যথেষ্ট নয়, কেবল ধারাবাহিকতা রক্ষা করলেই গল্পের সমস্ত দায়িত্ব পালন করা হয় বলে এখন আর কেউ মনে করে না। গল্প ভেঙে উপন্যাসের মধ্যেই আরেকটি গল্প তৈরি হচ্ছে, আবার একই গল্প লেখকের কয়েকটি ছোটগল্পে আসছে নানা মাত্রায়, নানা ভঙ্গিতে। একই চরিত্র একই নামে বা ভিন্ন নামে লেখকের কয়েকটি ছোটগল্পে আসতে পারে, তাতেও না কুলালে এ-চরিত্র আসন করে নিচ্ছে লেখকের উপন্যাসে। ‘ছোট প্রাণ, ছোট কথা’ বলে এখন কিছু আছে কি? ‘ছোট দুঃখ’ কোনটি? প্রতিটি ছোট দুঃখের ভেতর চোখ দিলে দেখা যায় তার মন্ত প্রেক্ষাপট, তার জটিল চেহারা এবং তার কুটিল উৎস। ছোটগল্পের হৃৎপিণ্ডে যে-প্রবল ধাক্কা আসছে তা থেকে তার শরীর কি রেহাই পাবে?

    ব্যক্তির একটি আপাত-সামান্য ও আপাত-ছোট সংকটকে পাঠকের সামনে পেশ করতে হাজির করতে হচ্ছে আপাত-অপ্রাসঙ্গিক একটি সাহায্যসংস্থার রিপোর্টের অংশ। খবরের কাগজের ভাষা এমনকী একটি কাটিং নিহত সন্তানের মায়ের উদ্বিগ্ন শোকের প্রেক্ষাপট বোঝাতে সাহায্য করতে পারে। গার্মেন্টসে নিয়োজিত তরুণীর গ্লানিবোধ নিয়ে আসার লক্ষ্যে লেখক বিজ্ঞাপনের একটি লাইন তুলে দিতে পারেন। খরায় ধুঁকতে থাকা চাষের জমিকে প্রধান চরিত্র করে প্রকাশিত হতে পারে শুধু সেখানকার সমাজ নয়, শহরের একটি বেয়াদব মাস্তানের অসহায় অবস্থা। সরকারি প্রজ্ঞাপনের আকারে উপস্থাপন করা যায় মুষ্টিমেয় বিত্তবানের সম্পদ কুক্ষিগত করার লালসাকে। কোথাও খুব পরিচিত কবিতার একটি পক্তি এমন বেঁকেচুরে এসে পড়ে যে মূল কবিতাকে আর চেনা যায় না, এই বিকৃত কবিতার লাইন হাতকাটা কোনো শ্রমিকের পায়ে ঝিঁঝি ধরাকে যথাযথ প্রেক্ষিতে তুলে ধরার জন্য হয়তো বিশেষভাবে দরকারি। একটা শ্যালো মেশিনের কলকবজার মিস্ত্রিসুলভ বর্ণনায় উন্মোচিত হয় একটা গোটা এলাকার মানুষের হতাশ হৃদয়। একজন খ্যাতনামা রাজনীতিবিদ কী বুদ্ধিজীবীর কোনো পরিচিত কর্মকাণ্ডের বিশ্বস্ত বিবরণের সঙ্গে সঙ্গে তাঁর স্বভাবের গভীর ভেতরকার কোনো বৈশিষ্ট্য বোঝাতে লেখক তাঁকে করতে পারেন ফ্যান্টাসির চরিত্র, এতেও একই সঙ্গে প্রকাশিত হতে পারে নামহীন গোত্রহীন হাজার মানুষের বিশেষ কোনো সংকট।

    ছোটগল্পে এই পরিবর্তন যে ঘটছে না তা নয়; কিন্তু তা তেমন চোখে পড়ে না। তার প্রধান কারণ এই যে, প্রতিষ্ঠিত লেখকদের ভূমিকা এই ব্যাপারে গৌণ। তাঁদের মধ্যে সৎ ও ক্ষমতাবানরা কিছুদিন আগে সামাজিক ধসের ভেতর থেকে হাড্ডিমাংস জোড়া দিয়ে মানুষকে উপস্থিত করেছিলেন পাঠকের সামনে, সাম্প্রতিক সময়কে উন্মোচন করার স্বার্থেই যে এই মাধ্যমটিকে গড়েপিটে নেওয়া দরকার তা নিশ্চয়ই হাড়ে হাড়ে বোঝেন তাঁরা। তা হলে তাঁরা গল্প লেখেন না কেন? খ্যাতি লেখককে প্রেরণা হয়ত খানিকটা দেয়, তবে খ্যাতি তাকে আরও বেশি সতর্ক করে রাখে খ্যাতি নিরাপদ রাখার কাজে। নিজের ব্যবহৃত, পরিচিত ও পরীক্ষিত রীতিটি তাঁর বড় পোষমানা, এর বাইরে যেতে তাঁর বাধোবাধো ঠেকে। কিংবা নিজের রেওয়াজ ভাঙতে তাঁর মায়া হয়। তাই ছোটগল্পের জন্য ভরসা করতে হয় লিটল ম্যাগাজিনের ওপর। প্রচলিত রীতির বাইরে লেখেন বলেই লিটল ম্যাগাজিনের লেখকদের দরকার হয় নিজেদের পত্রিকা বার করার। বাংলাদেশে এবং পশ্চিম বাংলায় ছোটগল্পের ছিমছাম তনুখানি অনুপস্থিত, সাম্প্রতিক মানুষকে তুলে ধরার তাগিদে নিটোল গপ্পো ঝেড়ে তাঁরা তৈরি করছেন নানা সংকটের কাঁটায় ক্ষতবিক্ষত ছোটগল্পের খরখরে নতুন শরীর। এইসব লেখকদের অনেকেই অল্পদিনে ঝরে পড়বেন, সমালোচকদের প্রশংসা পাবার লোভ অনেকেই সামলাতে না পেরে চলতে শুরু করবেন ছোটগল্পের সনাতন পথে। হাতে গোনা যায় এমন কয়েকজনও যদি মানুষের এখনকার প্রবল ধাক্কা খাওয়াকে উপযুক্ত শরীরে উপস্থাপনের দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখেন তো তাতেও ছোটগল্পের মুমূর্ষু শরীরে প্রাণসঞ্চার সম্ভব। এঁরা তো বটেই, এমনকী যাঁরা ঝরে পড়বেন বা সমালোচকদের পিঠ চাপড়ানোর কাছে আত্মসমর্পণ করবেন, তাঁদের অল্পদিনের তৎপরতাও ভবিষ্যতের লেখকদের যেমন অনুপ্রাণিত করবে, তেমনি বিরল সততাসম্পন্ন মুষ্টিমেয় অগ্রজ লেখকও এঁদের কাজ দেখে পা ঝেড়ে উঠতে পারেন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleস্বর্ণমুকুট – গোপেন্দ্র বসু
    Next Article বৃশ্চিক – পিয়া সরকার
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    প্লেটোর রিপাবলিক – সরদার ফজলুল করিম

    May 14, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    প্লেটোর রিপাবলিক – সরদার ফজলুল করিম

    May 14, 2026
    Our Picks

    প্লেটোর রিপাবলিক – সরদার ফজলুল করিম

    May 14, 2026

    বৃশ্চিক – পিয়া সরকার

    May 14, 2026

    সংস্কৃতির ভাঙা সেতু – আখতারুজ্জামান ইলিয়াস

    May 14, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }