Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    প্লেটোর রিপাবলিক – সরদার ফজলুল করিম

    May 14, 2026

    বৃশ্চিক – পিয়া সরকার

    May 14, 2026

    সংস্কৃতির ভাঙা সেতু – আখতারুজ্জামান ইলিয়াস

    May 14, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সংস্কৃতির ভাঙা সেতু – আখতারুজ্জামান ইলিয়াস

    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস এক পাতা গল্প286 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    মারিবার হ’লো তার সাধ

    কাল রাতে—ফাল্গুনের রাতের আঁধারে
    যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ
    মরিবার হ’লে তার সাধ…

    আটবছর আগে একদিন (।)

    জীবনানন্দ দাশ

    .

    না, ফাল্গুনের এখন ঢের দেরি। বসন্তকালের রাত্রি অন্ধকার নয়, তখন ঘোরতর বিকাল। জ্যৈষ্ঠমাসের শেষ দিন যতক্ষণ পারে চড়া রোদ ঝেড়েছে আকাশ জুড়ে। পবিত্র ঈদের

    একদিন পর কোরবানির পবিত্রতর গোরুখাসির রক্ত দীননাথ সেন রোডের এখানে ওখানে শুকিয়ে কালচে হয়ে এসেছে, নিহত জীবজন্তুর বর্জ্য ছড়ানো রয়েছে সতীশ সরকার রোডের আগাগোড়া, তার গন্ধে চারদিকে দম বন্ধ করা গরম বাতাস। এরই মধ্যে তিনতলা বাড়ির ছোট ফ্ল্যাটে লোহার দরজা ও কাচের জানলা আটকে দিয়ে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে নিজের গলাটা টাইট করে বেঁধে সটান ঝুলে পড়লেন কায়েস আহমেদ। বাইরে তখন অন্ধকারে শেষ নিশ্বাসটা টেনে নেওয়ার সুযোগ কায়েস নিলেন না।

    কায়েস আহমেদের আত্মহত্যার খবর এতদিনে সারা দেশে প্রচারিত হয়ে গেছে। তবে কায়েস জনপ্রিয় লেখক ছিলেন না, তাঁর পরিচিতিও কম, তাঁকে নিয়ে চারদিকে খুব একটা উচ্ছ্বাস হওয়ার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। কায়েস আহমেদের আগ্রহী পাঠকদের বেশির ভাগই সব নতুন লেখক। নিজেরা লেখেন, কষ্টেসৃষ্টে পয়সা জোগাড় করে পত্রিকা বার করেন এবং প্রতিষ্ঠিত লেখকদের উপেক্ষা গ্রাহ্য না করে সাহিত্যচর্চা অব্যাহত রাখেন, কায়েসের এই আকস্মিক মৃত্যুতে একটু শূন্যতা বোধ করবেন তাঁরা। তাঁর মতো উদ্বেগ ও অস্বস্তি নিয়ে, যন্ত্রণা ও সততা নিয়ে সাহিত্যচর্চা করেন কেবল নতুন লেখকরা। প্রতিষ্ঠা ও খ্যাতি পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বেশির ভাগ লেখকের কাছে লেখাটা হল অভ্যাস মাত্র-চাকরিবাকরি আর ব্যবসাবাণিজ্য আর দেশপ্রেমের ঠেলা সামলাতে এনজিও বানিয়ে মালপানি কামাবার সঙ্গে তখন এর কোনো ফারাক থাকে না। তখন লেখায় নিজের সুখ আর বেদনা জানান দেওয়াটা হয়ে দাঁড়ায় তেল মারা আর পরচর্চার শামিল। লেখক হিসাবে সেই সামাজিক দাপট কায়েসের শেষ পর্যন্ত জোটেনি। তাই, কেবল মানুষের খুঁত ধরে আর দুর্বলতা চটকে সাহিত্যসৃষ্টির নামে পরচর্চা করার কাজটি তাঁর স্বভাবের বাইরেই রয়ে গেল। আবার ‘এই দুনিয়ার সকল ভালো/আসল ভালো নকল ভালো … এই ভেজাল সুখে গদগদ হয়ে ঘরবাড়ি, পাড়া, গ্রাম, সমাজ, দেশ, পৃথিবী, ইহকাল ও পরকাল সবকিছুতেই তৃপ্তির উদ্গার শুনিয়ে মধ্যবিত্ত পাঠকদের তেল মারার কাজেও তিনি নিয়োজিত হননি।

    কায়েস আহমেদ সবসময় ছিলেন নতুন লেখক। জীবনের শেষ পর্যন্ত তিনি লিখে গেছেন নতুন লেখকের প্রেরণা ও কষ্ট এবং নতুন লেখকের আকাঙ্ক্ষা ও সংকল্প নিয়ে। যা দেখতেন তা-ই তাঁর কাছে নতুন। চারপাশের সবকিছুই তাঁর খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখা চাই। তাঁর দেখা তো স্রেফ অবলোকন নয়, এই দেখার প্রতিশব্দ হল পর্যবেক্ষণ। তাও হল না, অভিধান যা-ই বলুক, তাঁর দেখা মানে অনুসন্ধান। তাঁর জিজ্ঞাসার আর শেষ ছিল না, যতবার দেখেছেন ততবারই শুরু করেছেন ফের শুরু থেকে। তাই মেধা ও শক্তির অমিত সম্ভাবনা তিনি যা দেখিয়ে গেছেন তার বিকাশ ঘটিয়ে যাননি। অথচ কায়েস তো অল্পদিন লেখেননি, রোগা রোগা ৪টে বই বেরিয়েছে, কিন্তু হলে কী হবে সবগুলো বই থেকেও নিটোল একটি কায়েস আহমেদকে শনাক্ত করা কঠিন। তাঁর লেখা কেবলি কাঁপছে, কোথাও তাঁকে থামতে দেখি না। থিতু হয়ে নিজের অনুসন্ধানকে ধীরেসুস্থে বলবেন— সেই সময় তাঁর কই? প্রথম বইতেই দেখি, গল্প বলার, জমিয়ে গল্প বলার একটি রীতি তিনি প্রায় রপ্ত করে ফেলেছেন। আভাস পাওয়া যায় এই রীতিটিই দাঁড়িয়ে যাবে একটি পরিণত ভঙ্গিতে, পাঠককে সেঁটে রাখার জাদু তিনি ঠিক আয়ত্ত করে ফেলবেন। কিন্তু না, একটি রীতিতে মকশো করার লেখক তিনি নন। পরের বইতেই নিজের রীতিকে, রপ্ত কিংবা প্রায়-রপ্ত রীতিকে, অবলীলায় ঠেলে কায়েস পা বাড়িয়েছেন নতুন রাস্তার দিকে। তাঁর এইসব কাণ্ড কিন্তু আঙ্গিক নিয়ে পরীক্ষা করার উদ্দেশ্যে নয়, মানুষের গভীর ভেতরটাকে খুঁড়ে দেখার তাগিদেই একটির পর একটি রাস্তায় তাঁর ক্লান্তিহীন পদসঞ্চার। তাঁর পায়ের নিচে অবিরাম ভূমিকম্প, এই পথেই তাঁর ছুটে চলা। একটি পথ পাড়ি দিয়ে তিনি আর পেছনে ফিরে তাকান না। আবার শান্ত, সন্তুষ্ট ও নিস্তরঙ্গ সমতলও তাঁকে কখনো কাছে টানে না। যা সাধারণ, যা নিরাপদ, যা আয়ত্তের ভেতর তার দিকে কায়েসের ঝোঁক নেই। চারটি বই তাই তাঁর নতুন, একটির থেকে আরেকটি যত-না উত্তরণ তার চেয়ে অনেক বেশি আলাদা।

    কোনো ব্যাপারেই নিশ্চিন্ত থাকা কায়েস আহমেদের ধাতে ছিল না, নিশ্চিত জীবনযাপনের সম্ভাবনাকে পর্যন্ত বিনাশ করতে তাঁর জুড়ি পাওয়া ভার। প্রাতিষ্ঠানিক লেখাপড়ার ব্যাপার জানি – বাংলায় অনার্স নিয়ে ভরতি হবার পর খুব ভালো ফল করার সব লক্ষণই তিনি দেখিয়েছিলেন। তা সত্ত্বেও কিংবা বলা যায় ঐ কারণেই বছর ঘুরতে-না-ঘুরতে ইউনিভার্সিটি ছেড়ে দিলেন। দেশভাগের পর বাবামায়ের কোলে করে এখানে চলে আসেন, তিনি একটু বড় হতে বাবামাতাই গ্রামে ফিরে গেলেন। তিনি কিন্তু গেলেন না, জুবিলি স্কুলে পড়তেন, রয়ে গেলেন মামার সঙ্গে। ঐটুকু ছেলে, বাবামায়ের সঙ্গে থাকার নিরাপত্তা অনায়াসে প্রত্যাখ্যান করলেন। মামার সঙ্গে একটি পারিবারিক পরিবেশে বাস করার ছেলেও তিনি নন, স্কুলের দরজা পেরিয়েই থাকতে লাগলেন একা, সম্পূর্ণ একা, চললেন নিজের রোজগারে। সকাল সন্ধা প্রাইভেট টুইশনি করে নিজের খাওয়া-পরা ও লেখাপড়ার খরচ চালিয়েছেন, কারও কাছে কখনো হাত পাতেননি। ইউনিভার্সিটি ছাড়ার পর থেকে কিছুদিন সাংবাদিকতা করেছিলেন, স্বাধীনতার পরও একটি দৈনিকে যোগ দিয়েছিলেন। কিন্তু কোনো কাগজেই তাঁর ভালো লাগেনি। কোনো জায়গাতেই আপোস করার মানুষ তিনি নন। পেশা হিসাবে কায়েসের প্রিয় ছিল শিক্ষকতা। ১৯৮০ সালে ঢাকার একটি প্রথম শ্রেণীর স্কুল তাঁকে যেচে চাকরি দেয়। নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষক ছিলেন, ছেলেমেয়েরাও তাঁকে খুব ভালবাসত, সহকর্মীদের সম্মানও পেয়েছিলেন। ডিগ্রির অভাবে সেখানে কর্মচ্যুত হওয়ার ভয় ছিল বইকী। বন্ধুদের অনুরোধেও ডিগ্রি পরীক্ষা দিতে বসলেন না। অনিশ্চিত অবস্থাই তাঁর কাম্য, একটু উদ্বেগ না-থাকলে তিনি বাঁচবেন কী করে? শেষ কয়েক বছর আর্থিক অনটন ছিল নিদারুণ। কিন্তু স্কুলে কাজ নেওয়ার পর হাজার চাপ সত্ত্বেও প্রাইভেট টুইশানি করলেন না।

    ১৯৬৯ সালে কায়েসের বাবার মৃত্যু হল তাঁদের গ্রামে। ঐ সময় বাড়ি যাওয়ার জন্য অনেক চেষ্টা করেন। কিন্তু পার্সপোর্ট করতে গিয়ে দেখা গেল তিনি যে পাকিস্তানের নাগরিক তার কোনো প্রমাণ নেই কেঁচো খুঁড়তে সাপ বেরোবার দশা। যেতে পারলেন না। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে গেলেন, ঐ বছর বেশ অনেকটা সময় কাটিয়েছেন নিজের গ্রামে মায়ের সঙ্গে। মনে হয়, একটু বড় হওয়ার পর থেকে ঐ কয়েকটা দিন তিনি শীতল ছায়ায় কাটিয়েছেন। কিন্তু মায়ের ভালোবাসার ছায়ায় থাকা তাঁর কি পোষায়? যুদ্ধ শেষ হওয়ার পরপরই কায়েস ঢাকায় ফিরে এলেন, নিজের গ্রামে আর কোনোদিন যাননি। বড়তাজপুর গ্রামে তাঁদের পুরনো নোনাধরা বাড়ির খিড়কির দুয়ারে শেফালি গাছের নিচে মোড়া পেতে বসে ছেলের জন্য পথের দিকে তাকিয়ে থাকতে থাকতে মায়ের চোখে ছানি পড়ে গেল। এই দৃশ্যটা মনে হলেই কায়েস বড্ড অস্থির হয়ে পড়তেন। কিন্তু এই অস্থিরতা ও উদ্বেগ তিনি বরং মেনে নেবেন, কিন্তু গ্রামে গিয়ে কটা দিন মায়ের আঁচলের নিচে থেকে চোখজোড়া ভরে ঘুমিয়ে আসার চিন্তাও তাঁর স্বভাবের বাইরে।

    কায়েসের বাড়ি পশ্চিম বাংলার হুগলি জেলার বড়তাজপুর গ্রামে, তিনি ঐ গ্রামের বিখ্যাত শেখ পরিবারের ছেলে। বিশিষ্ট লেখক এস. ওয়াজেদ আলীর তিনি ঘনিষ্ঠ আত্মীয়। আত্মীয়দের মধ্যে ঢাকায় যাঁরা সুপ্রতিষ্ঠিত, নানা ক্ষেত্রে যাঁরা বিশিষ্ট, তাঁদের সঙ্গে তাঁর কিছুমাত্র যোগাযোগ ছিল না। একজন বয়স্ক ভদ্রমহিলা কায়েসের একটি লেখায় কয়েকটি চরিত্রে নিজের ঘনিষ্ঠ আত্মীয়স্বজনের আভাস পেয়ে নিশ্চিত হয়েছিলেন যে, এর লেখক তাঁদের বড়তাজপুর গ্রামের এমনকী তাঁদের পরিবারেরই কেউ না-হয়ে যায় না। অভিভূত হয়ে তিনি লেখকের খোঁজ করেছিলেন। কী করে কী করে কায়েস তা জানতেও পারেন। কিন্তু তিনি সাড়া দেননি। কেন? কাউকে এড়িয়ে চলার মানুষ তো তিনি নন! তবে? নিজের গ্রামে, পরিত্যক্ত গ্রামে, ছেলেবেলাকে নস্টালজিয়ার ভেতর সমীচীন মনে করেছেন। তাকে হাতের নাগালে এনে সেখানে আশ্রয় নেওয়া মানেই তো সব বেদনার অবসান। সেইসব খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে রক্তাক্ত হওয়ার শিহরন বরং তাঁকে নতুন নতুন অনুভূতির সন্ধান দিতে পারে। নিজের এখনকার সত্তার মতো নিজের একালে ও নিজের সেকালে খোঁড়াখুঁড়ি করা হল তাঁর অনুসন্ধানের পদ্ধতি। মানুষ নিয়ে যে-জিজ্ঞাসা তাঁকে এক লেখা থেকে আরেক লেখায়, এক রীতি থেকে আরেক রীতিতে তাড়িয়ে নিয়ে বেড়াল তার জবাব খোঁজার জন্য নিজেকে উলটেপালটে দেখলেও তিনি পেছপা হননি। কায়েসের বিয়ে করার সিদ্ধান্তটা সম্পূর্ণভাবে তাঁর নিজের। আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে যোগাযোগ তো ছিলই না, সবচেয়ে অন্তরঙ্গ বন্ধুদের কথাতেও কর্ণপাত করলেন না। এখানে জিজ্ঞাসা এসেছে বিশ্বাসের চেহারা নিয়ে, তা হল এই : প্রেম দিয়ে স্ত্রীর দুরারোগ্য মানসিক ব্যাধি নিরাময় করতে পারবে না কেন? প্রায় দশটি বছর ধরে স্ত্রীর সেবা করলেন, ভালোবেসে গেলেন কিশোর প্রেমিকের মতো, যত্ন করলেন মায়ের হাত দিয়ে, আগলে রাখলেন বাপের চোখ দিয়ে। কিন্তু স্ত্রীর ঝাপসা, অস্পষ্ট ও দুর্বোধ্য যন্ত্রণা ও সুখ তিনি শেষ পর্যন্ত স্পর্শ করতে পারলেন না, হৃদয় ও বিজ্ঞানের শোচনীয় ব্যর্থতার একটু দমে গিয়েছিলেন বইকী! কিন্তু এই ভয়ংকর ও ভয়াবহ অভিজ্ঞতার মধ্যেও কায়েস তাঁর জিজ্ঞাসার জবাব খুঁজেই গেছেন।

    কারও কাছে কায়েস কোনো অভিযোগ করেননি, করুণা নিতে তাঁর ঘৃণা হত, সহানুভূতি তাঁর কাছে করুণারই ছদ্মবেশমাত্র। জীবনকে বোঝার জন্য, মানুষের রহস্য জানার জন্য যে-অনুসন্ধান-প্রক্রিয়া চালান তার প্রধান মিডিয়াম ছিলেন তিনি নিজে। এজন্য চড়া দামও দিতে হয়েছে তাঁকে। আর্থিক অনটন, উত্তেজনা ও উদ্বেগ—সবই বহন করতে হয়েছে একা একা। শেষ মুহূর্তে যা করলেন তারও প্রস্তুতি ও সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সম্পূর্ণ নিজে। আত্মহত্যার মধ্যে কায়েস কী জানতে চাইলেন? মানুষের জীবনের রহস্য খুঁজতে খুঁজতে নিজের জীবনভর অনুসন্ধানের চরম জবাবটি পাওয়ার জন্যই কি মরিবার হল তাঁর সাধ? মানুষের রহস্যময়তা ভেদ করতে না-পেরে, তিনি কি পরম জিজ্ঞাসাটি ছুড়ে দিলেন প্রকৃতির দিকে? কায়েসের কোনো সাধ আর সাধ থাকে না, তাঁর সব সাধই রূপ নেয় সংকল্পে। তাঁর সংকল্প আর জিজ্ঞাসা পরস্পরের সঙ্গে অচ্ছেদ্য। কায়েস আহমেদের আত্মহত্যা কি তাঁর অনন্ত জিজ্ঞাসা অব্যাহত রাখার শেষ সংকল্প?

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleস্বর্ণমুকুট – গোপেন্দ্র বসু
    Next Article বৃশ্চিক – পিয়া সরকার
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    প্লেটোর রিপাবলিক – সরদার ফজলুল করিম

    May 14, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    প্লেটোর রিপাবলিক – সরদার ফজলুল করিম

    May 14, 2026
    Our Picks

    প্লেটোর রিপাবলিক – সরদার ফজলুল করিম

    May 14, 2026

    বৃশ্চিক – পিয়া সরকার

    May 14, 2026

    সংস্কৃতির ভাঙা সেতু – আখতারুজ্জামান ইলিয়াস

    May 14, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }