Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    প্লেটোর রিপাবলিক – সরদার ফজলুল করিম

    May 14, 2026

    বৃশ্চিক – পিয়া সরকার

    May 14, 2026

    সংস্কৃতির ভাঙা সেতু – আখতারুজ্জামান ইলিয়াস

    May 14, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সংস্কৃতির ভাঙা সেতু – আখতারুজ্জামান ইলিয়াস

    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস এক পাতা গল্প286 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    স্মৃতির শহরে কবির জাগরণ

    বাচ্চু তুমি, বাচ্চু তুই, চলে যাও, চলে যা সেখানে
    ছেচল্লিশ মাহুতটুলীর খোলা ছাদে। আমি ব্যস্ত, বড়ো ব্যস্ত,
    এখন তোমার সঙ্গে, তোর সঙ্গে বাক্যালাপ করার মতন
    একটুও সময় নেই।

    দুঃসময়ের মুখোমুখি : শামুসর রাহমান।

    .

    কিন্তু হাজার ব্যস্ততার মধ্যেও বাচ্চুকে এড়ানো যায় না, শামসুর রাহমানের রচনায় সে নানাভাবে উঁকি দেয়। স্মৃতির শহর প্রধানত তারই কথা, শামসুর রাহমানের শৈশব ও বাল্যকালের স্মৃতিচারণ। নিজের ছেলেবেলার জন্য তাঁর তীব্র নস্টালজিয়া এবং তাঁর জন্ম ও বড় হয়ে ওঠার শহরের প্রতি অপ্রতিরোধ্য টান এই বই লিখতে তাঁকে একরকম বাধ্য করেছে। বইটির প্রায় শুরুতেই সেই সময়কার ঢাকার রাস্তা ও সরু অলিগলি, ঘোড়ার গাড়ি, ঘোড়া এবং ঘাসবিচালির গন্ধ ছড়ানো আস্তাবল আর রৌদ্রহাওয়ায় ঝিকিয়ে ওঠা-চাবুকের সানুরাগ উল্লেখ পাঠককে জানিয়ে দেয় যে আমাদের এই শহরের সঙ্গে কবির সম্পর্ক কেবল মিষ্টি মিষ্টি প্রেমের নয়। অনেকদিনের গভীর সাহচর্য ও তীব্র ভালোবাসা প্রিয়জন সম্পর্কে স্নিগ্ধ ও ঝাঁঝালো কথাবার্তা বলতে তাঁকে নিঃসংকোচ করে তুলেছে।

    শামসুর রাহমানের আবেগ খুব প্রবল ও টেকসই। মাহুতটুলির গলিতে প্রতিদিন সন্ধ্যায় যে-লোকটি ল্যাম্পোস্টে আলো জ্বালাত আজ অর্ধ শতাব্দী পার করে দিয়েও তাঁর মনে সে একই দীপ্তিতে জ্বলছে। ‘সর্বাঙ্গে আঁধার মেখে’ যখন ‘চিবুক ঠেকিয়ে হাতে তিনি ‘প্রাত্যহিকের খাটি কতোটা তার হিসাব মেলান, ‘জীবনের পাঠশালা’ থেকে পালানো চিন্তায় তিনি যখন নিস্তেজ, তখন আলো দেখার স্পৃহার তিনি সেই বাতিওয়ালাকে কামনা করেন তাঁর কবিতায়। (‘শৈশবের বাতি জ্বলা আমাকে’ : বিধ্বস্ত নীলিমা)। আর স্মৃতির শহর বইতে বাতিওয়ালা উপস্থিত হয়েছে নিজের গৌরবে। একটি মইয়ের ধাপে দাঁড়িয়ে সে আলো জ্বালাচ্ছে, তার মুখমণ্ডল এখন একটি আলোর প্রদীপ। আস্তাবলের হাড়জিরজিরে ঘোড়া ও ঘোড়ার সহিস শামসুর রাহমানের কবিতায় আসে সময়বদলের কথা বলতে। (‘জনৈক সহিসের ছেলে বলছে’ : বিধ্বস্ত নীলিমা’)। আর স্মৃতির শহর-এ এসে দেখি যে সাত রওজার সেই ঘোড়াগুলো এবং তাদের সঙ্গী হাড্ডিসার লোকটি হয়ে উঠেছে হিরো। কবির কোনো বক্তব্য প্রকাশ করার জন্য তারা কেবল বাহনমাত্র নয়, এখানে আলোচ্য চরিত্র তারা, বিষয়বস্তুও তারাই। মাহুতটুলির পিঠেওয়ালি বুড়ি, আর্মানিটোলা স্কুলের মাঠ, বাড়ির ছাদে দাঁড়িয়ে মেঘমালার রঙিন চলচ্চিত্র দেখা, গভীর রাত্রে নিস্তব্ধ গলিতে আলিজান ব্যাপারির খড়মের আওয়াজ, তারা মসজিদের গায়ে সূর্যের বিদায় নেওয়ার আয়োজন, মসজিদে এফতার খাওয়ার জন্য তীব্র ইচ্ছা—এসব তিনি আজও অনুভব করতে পারেন শৈশবকালের স্পন্দন দিয়ে। তাঁদের বাড়িতে কলের জলের ব্যবস্থা হওয়ায় ভিত্তির আসা-যাওয়া বন্ধ হয়ে যায়-এ কি আজকের কথা? কিন্তু ভিত্তির জন্য বিরহকষ্ট তাঁর এখন পর্যন্ত টাটকাই রয়ে গেছে। তাঁর করোটি, তাঁর পাঁজর জুড়ে শৈশবকাল যেমন বাস্তু আসন পেতে বসেছে কার সাধ্য তাকে এতটুকু টলায়?

    শামসুর রাহমানের কবিতার জায়গাজমির অনেকটা জুড়ে থাকে ঢাকা শহর। তিনি ঢাকার লোক, এখানেই বড় হয়েছেন, কিন্তু শহরকে তিনি দেখেন কখনো ‘প্রবাসী কিংবা প্রণয়ীর চোখে। এর কোনোকিছুই তাঁর চোখে একঘেয়ে হয় না, প্রবাসীর কৌতূহল এবং প্রেমিকের উৎকণ্ঠায় এই শহরকে নতুন নতুন পরতে উন্মোচন করেন তিনি। আমাদের এই বহুকালের শহরটি তার এঁদো বস্তি, জৈষ্ঠে পোড়া ও শ্রাবণে ভেজা ঠেলাগাড়ি, জনসভা, মিছিল, পার্ক, ল্যাম্পোষ্ট, ফুটপাথ—সব, সবই তাঁর কবিতায় ঘোরতরভাবে উপস্থিত। জীবনের স্তরে স্তরে প্রবেশ করতে, তার পাতালের কালি কুড়িয়ে আনতে, তার সকল রহস্যময়তা খুলে দেখার জন্য বারবার তিনি মাধ্যম করেছেন এই শহরকে। স্মৃতির শহর কিন্তু ঢাকাকে তাঁর বক্তব্যপ্রকাশের একটি মাধ্যম হিসাবে ব্যবহৃত হয়নি, ঢাকা এখানে উত্তীর্ণ হয়েছে সম্পূর্ণ বিষয়বস্তুতে, ঢাকাই তাঁর বক্তব্য।

    তবে ঢাকা এখানে সত্যি স্মৃতির শহর, এই শহরের শিরা-উপশিরায় বয়ে চলেছে তাঁর শৈশব। শামসুর রাহমানের কবিতায় রঙিন ও সুদূর শৈশবকাল এসে কঠিন বর্তমানকে করে তোলে কালো ও অবাঞ্ছিত। এই দ্রুতশ্বাস-সময়ে শৈশবের স্মৃতি বিব্রতকর। এগারো বছরের বাচ্চুকে দেখে তিনি অস্বস্তি বোধ করেন। তাকে এড়াবার জন্য তাঁকে কত ফন্সিই-না করতে হয়। আর স্মৃতির শহর বইতে? গোটা বইয়ের প্রাসাদ জুড়ে গলি, উপগলি, রাস্তা, রাস্তার মোড়, পার্ক, স্কুলের মাঠ, মসজিদ, পুকুর, জনসভা, মিছিল—সব জায়গায় শ্রীমান বাচ্চুর একচ্ছত্র দাপট, এখানে সে রাজাধিরাজ। মাহুতটুলি লেন, পগোজ স্কুলের সিঁড়ি ও ক্লাসরুম, অরুণ, সুনীল, সূর্যকিশোর, আশরাফ, হোসেনি দালান, মহরম ও জন্মাষ্টমীর মিছিল—এরা হল এই মহারাজার সহচর সহচরী। এদের জন্য শামসুর রাহমানের মমতাবোধ অসাধারণ, এই ভালোবাসার কোনো তুলনা নেই। স্মৃতির শহর বইতে এই ভালোবাসার প্রকাশ ঘটেছে বেদনার মধ্যে। এদের সঙ্গে শৈশবকালের যোগাযোগটি তাঁর ছিঁড়ে গেছে। এই বিচ্ছেদ তাঁকে এমনভাবে আহত করে যে, দুঃখ ও বিষাদে তিনি একেবারে ভেঙে পড়েন।

    সেইসঙ্গে ভেঙে পড়ে তাঁর লেখার গাঁথুনি, চিড় খায় রচনার ঋজু শরীরে। ছেলেবেলার জন্য এবং এই শহরের সেই সময়ের জন্য কাঁচা আবেগ শামসুর রাহমানকে এমনভাবে আচ্ছন্ন করে যে, বেদনা বা সুখের সঙ্গে যে ন্যূনতম দূরত্ব ব্যক্তিগত আবেগকে সর্বজনীনতা দান করে, যা না-হলে আর পাঁচজনের পক্ষে তা অনুভব করা যায় না, এই বইতে তার অভাব লক্ষ করি। বেদনা বা ভালোবাসা —যা-ই বলি না কেন—পাঠককে যদি স্পর্শ করতে হয় তো প্রকাশের জন্য আপাত-নির্লিপ্ততা অপরিহার্য। কোনো অভিজ্ঞতা বা কল্পনা-এই আপাত-নির্লিপ্ত বিবরণ থেকেই পাঠক সে সম্বন্ধে লেখকের আবেগকে ঠিক ঠাহর করতে পারে। কিন্তু সেই অভিজ্ঞতা কী কল্পনা থেকে জাত বেদনা কী আনন্দপ্রকাশের সময় লেখক অশ্রু গোপন করতে না-পারলে তার আবেদন অনেকটাই নষ্ট হতে বাধ্য। দুঃখে ভারাক্রান্ত শামসুর রাহমান তাঁর বেদনার কথা বলতে কোথাও কোথাও একই কষ্টের পুনরুক্তি করেন। যেমন, আর্মানিটোলার পুরনো গির্জার ওখানে সূর্যকিশোরদের বাড়ির পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় দেশত্যাগী বন্ধুর জন্য তাঁর বেদনার কথা নানাভাবে বলতে বলতে বোধটাকে তিনি ভোঁতা করে ফেলেন। হোসেনি দালান তাঁর বুকে যে ভিজে ও ঠাণ্ডা হাহাকার জাগিয়ে তোলে তা বড় বেশি স্যাঁতসেঁতে। এখানে গেলে তাঁর কান্না কান্না লাগত এগিয়ে-পড়া বর্ণনার কল্যাণে এটা আমাদের কাছে একটি অপ্রয়োজনীয় তথ্যের বেশি কোনো মর্যাদা পায় না।

    সরস্বতীর পায়ের কাছে রাজহাঁস দেখে তাঁর নিহত পরমপ্রিয় হাসছোড়ার কথা মনে পড়লে পাঠকমাত্রেই অভিভূত হয়ে পড়ে। কিন্তু হাঁসঘোড়ার কথা বলতে বলতে তাঁর রচনাও কান্নায় ভেঙে পড়বে কেন? গোশতের লাল সুরুয়াই তো তাঁর কষ্ট বোঝবার জন্য যথেষ্ট, সেখানে সেই কষ্টের সানুরাগ বিবরণ প্রায় বিলাপে পরিণত হয়েছে, ফলে অনুভূতির তীক্ষ্ণতা হারিয়ে গেছে। শামসুর রাহমানের একটি কবিতায় এই প্রসঙ্গটি এসেছে অনেক তীক্ষ্ণ হয়ে :

    ক্ষুধার্ত প্রহরে
    একদিন সহসা তার পালকবিহীন
    কতিপয় লালচে ভগ্নাংশ
    খাবার টেবিলে এলো ভয়ানক বিবমিষা জাগিয়ে আমার।

    ছেলেবেলা থেকেই : এক ধরনের অহংকার।

    .

    কাচের দোকানে ঝুঁকে বসে ছবি আঁকত যে নঈম মিয়া তার সঙ্গে তাঁর অভিজ্ঞতার বিবরণ খুব আকর্ষণীয়। শ্যাওলা-পড়া-দেওয়ালের মতো তার খোঁচা-খোঁচা দাড়িওয়ালা-গালের কথা পড়ি, তার কাশির কথা পড়ি আর লোকটিকে মন দিয়ে দেখতে পাই। কিন্তু প্রসঙ্গটির শেষভাগে এসে লেখক যখন বারবার বলেন, তাকে তিনি ভুলতে পারেননি, কিছুতেই ভুলতে পারছেন না, তখন বিষয়টি নেতিয়ে পড়ে এবং পাঠক তাকে ভুলতে পারবে না এরকম নিশ্চয়তা দেওয়া মুশকিল হয়ে পড়ে। স্মৃতির শহর প্রায়ই এরকম তরল ভাবালুতায় গড়িয়ে পড়ে, ফলে লেখকের সুখ ও বেদনায় সাড়া দেওয়া পাঠকের পক্ষে কঠিন। আবার এই একই কারণে ঢাকা শহরের একটি বিশেষ সময়কে জানবার সুযোগও এই বইটি দিতে পারে না।

    কিন্তু শামসুর রাহমানের এই লেখাটি যে অসংলগ্ন বা তাঁর স্মৃতিমালা এলোমেলো তা কিন্তু নয়। বরং এই বইতে একটি সতর্ক স্কিম পাঠকের দৃষ্টি এড়ায় না। ব্যাঙ্গমা-ব্যাঙ্গমীর সঙ্গে গল্প বলা থেকে এর শুরু, গল্প বলা সাঙ্গ হলে ব্যাঙ্গমা দম্পতির উড়ে যাওয়ার মধ্যে লেখার ইতি। বিভিন্ন চরিত্র ও ঘটনা, দৃশ্য, অভিজ্ঞতা সবই খুব স্পষ্ট, পরস্পরের এলাকা ডিঙিয়ে যাবার স্মৃতিচারণসুলভ প্রবণতা এদের কম। কিন্তু এই আঁটোসাঁটো কাঠামোর ভেতর বুনট বড় শিথিল। আবেগের ভাবালুতাময় প্রকাশ তো আছেই, এ ছাড়া শামসুর রাহমানের গদ্যও এই শিথিল বিন্যাসের একটি প্রধান কারণ।

    শামসুর রাহমানের কবিতায় কথ্য গদ্যরীতির ব্যবহার যে সফল এ সম্বন্ধে প্রায় সবাই নিঃসন্দেহ। কথ্যভঙ্গি তাঁর কবিতাকে লাবণ্যময় ও স্বচ্ছন্দ করে। আবার পাশাপাশি তাঁর গদ্যে কাব্যের প্রভাবও বেশ স্পষ্ট। এই প্রভাব বেশির ভাগ সময়েই ভালো হয়নি। বাক্যগঠনে তিনি সাধারণ কথ্যরীতির কাঠামোটি ঠিক না রেখে প্রায়ই কবিতার ভঙ্গি নিয়ে আসেন। গদ্য তখন অস্বাভাবিক এবং কখনো কখনো অস্বস্তিকর হয়ে ওঠে। থিবসের কবি পিন্ডারের প্রসঙ্গে তিনি লেখেন ‘ঐ বাড়িতে বসে কত্ত কবিতা লিখেছেন তিনি, ঘুঙুরের মতো বাজিয়েছেন শব্দকে’। এই বাক্যে কবিতার প্রভাব খুব চোখে পড়ে, কিন্তু এতে কাব্যময়তার সৃষ্টি হয় না, বাক্য বরং এলিয়ে পড়েছে এবং পিভারের কাব্যচর্চার ব্যাপারটি গুরুত্ব হারিয়ে ফেলেছে।

    ‘যেতাম নতুন কাপড় পরে আব্বার সঙ্গে ঈদের নামাজ পড়তে। সারি সারি লোক দাঁড়িয়ে পড়তো খোদার দরবারে, সবাই একসঙ্গে ঝুঁকে সেজদা দিতো মসজিদের ঠাণ্ডা মেঝেতে। -নাক, কপাল, হাতের তালু আর পায়ের পাতা সেই ঠাণ্ডায় আদর খেতো কিছুক্ষণ। সুরা মুখস্থ করানো হয়েছিলো আমাকে। বেশ কয়েকটা সূরা জানা ছিলো আমার।’ উদ্ধৃত অংশের একটি বাক্যও কথ্য বাংলার রীতিতে লেখা হয়নি। রচনার একঘেয়েমি এড়াতে কিংবা বিশেষ কোনো কথার ওপর জোর দিতে মাঝে মাঝে এরকম বাক্য লেখা দরকার হয় বইকী। কিন্তু অনুচ্ছেদ জুড়ে বাক্যের এরকম বিন্যাস একটানা করে গেলে গদ্যের গঠন কি দুর্বল হয়ে পড়ে না?

    কয়েক জায়গায় শিশু-পাঠকদের সঙ্গে সহজ যোগাযোগ স্থাপনের জন্য শামসুর রাহমান বিশেষ ধরনের শব্দ ব্যবহার করেছেন। এই প্রচেষ্টা কিন্তু সব জায়গায় সফল হয়নি। যেমন, ‘মজাদার শব্দ করে ঘোড়া ছুটতো দিগ্বিদিক’—এখানে ‘মজাদার’ কথাটি ঘোড়া ও বাক্য উভয়ের গতি শ্লথ করে দিয়েছে। কিংবা ‘তখন আমাদের এই চমৎকার দুনিয়ায় বেঁচে ছিলেন আলেকজান্ডার’—এই বাক্যে ‘চমৎকার দুনিয়া’ শুনতে বেশ স্মার্ট, কিন্তু এখানে এর প্রয়োগ কি সমর্থনযোগ্য? ওয়াল্ট ডিজনির জগৎকে চমৎকার দুনিয়া বলতে পারি, কিন্তু আমাদের জীবনযাপনের একমাত্র এবং প্রথম ও শেষ অবলম্বন পৃথিবীর প্রতি গভীর ভালোবাসা বোঝাবার জন্য এখানে ‘চমৎকার’ কথাটি কি একটু. জিল নয়?

    ‘শিউরে উঠেছিলাম। শিউরে উঠেছিলাম আমি, আমরা’। দুর্ভিক্ষপীড়িত মানুষ দেখে বিচলিত হওয়ার কথা বোঝাবার জন্য এই বাক্য লিখিত হয়েছে। কিন্তু দ্বিতীয় বাক্যটি যেমন নাটকীয়, তেমনি বড় সাজানো মনে হয়। একটি বালক যেন কথা না-বলে ডায়ালগ ছাড়ছে। একটি ক্ষুব্ধ ও শিহরিত বালকের যন্ত্রণা প্রকাশ করা এই বাক্যের সাধ্যের বাইরে।

    ‘বেড়ালের মত পা ফেলে আসতো সন্ধেগুলো। এই বাক্য দিয়ে শুরু হয়েছে মাহুতটুলির গলিতে সন্ধ্যাগমের দৃশ্যের বর্ণনা। অনুচ্ছেদের শুরুতেই এরকম একটি ব্যতিক্রমি বাক্য ও উপমায় পাঠকের খটকা লাগে। এই বাক্যের জন্য একটু প্রস্তুতি দরকার, নইলে এতে সায় দেওয়া কঠিন। গদ্যরচনায় ব্যবহৃত হয় বিষয়কে পাঠকের কাছে স্পষ্ট করার লক্ষ্যে। গদ্যের স্বচ্ছন্দ গতিতে উপমা কখনো বিঘ্নের সৃষ্টি করে না। কিন্তু স্মৃতির শহর-এ উপমার একমাত্র ভূমিকা হল বাক্যের সৌন্দর্যবৃদ্ধি। এই অলংকার যেন ভার হয়ে বসেছে বাক্যের শরীরে, বাক্য তাই কখনো কখনো ভারে নুয়ে পড়ে, এগুতে পারে না। এক এক জায়গায় এমন হয়েছে যে স্মৃতিচারণা করতে করতে স্বপ্নাচ্ছন্ন একটি পরিবেশ হয়েছে, এমন সময় উপমা এসে পাথরের মতো চেপে বসেছে পাঠকের ওপর। যেমন, স্কুলের বন্ধুদের সম্বন্ধে বলতে বলতে একটি মেজাজ তৈরি হয়ে আসছিল, সেই মুহূর্তে ‘নামগুলো যেমন মাণিকের আলো দিয়ে গড়া’ এই বাক্য মেজাজটিকে ছিঁড়ে ফেলে। ছেলেবেলার বন্ধুদের জন্য কষ্টবোধের প্রকাশ কিন্তু তাঁর কবিতায় অনেক স্বচ্ছন্দ, এখানে উপমা স্বাভাবিক, উপমা ব্যবহারের জন্য জায়গাটি যেন তৈরি করাই ছিল।

    অরুন, সুনীল, সুবিমল, সূর্যকিশোর, তাহের,
    শিশির, আশরাফ আজ কয়েকটি নাম, শুধু নাম,
    মাঝে মধ্যে জোনাকির মতো জ্বলে আর নেভে।

    ছেলেবেলা থেকেই : এক ধরনের অহংকার।

    .

    এখানে উপমাটি অর্থবহ, প্রয়োজনীয় ও তাৎপর্যময়। চিত্তে এইসব বন্ধুরা এখন উজ্জ্বলভাবে অবস্থান করে, কিন্তু তাঁর বর্তমানকালের জীবনযাপনে এদের কোনো ভূমিকা নেই—এই কথাটি কিন্তু অনুভব করা যায় উপমাটির জন্যই। সর্বোপরি এই উপমা কবিতার শরীরের সুসঙ্গত ও অবিচ্ছেদ্য অংশ। কিন্তু স্মৃতির শহর-এর ঐ অংশে উপমাটি অপরিহার্যতা অর্জন করতে পারেনি। স্মৃতির শহর রচনার সচেতন পরিকল্পনার পরিচয় আরও পাই ঢাকা শহরের রাজনৈতিক ও সামাজিক তৎপরতা সম্বন্ধে একটু আভাস দেওয়ার প্রয়াসে। শায়েস্তা বার আমলে টাকায় আট মন চালের কথার পরেই ১৯৪৩ সালের দুর্ভিক্ষের বিবরণ পাঠককে গভীরভাবে স্পর্শ করে। মধ্যবিত্ত পরিবারে প্রধান খাদ্যের তালিকায় আটার রুটির অন্তর্ভুক্তির কথা, দুর্ভিক্ষপীড়িত মানুষের শহরে আসা এবং মানুষের দুর্বিষহ ক্ষুধার কথা সফলভাবে বলা হয়েছে।

    লোকপরম্পরায় শুনে বা ইতিহাস পড়ে আমাদের জন্মের বহুকাল আগেকার ঘটনা আমাদের ব্যক্তিগত স্মৃতির অন্তরঙ্গতা অর্জন করে। শামসুর রাহমানের স্পর্শকাতর বুকে ঐতিহাসিক ঘটনা, ঐতিহাসিক ব্যক্তি ও ব্যক্তিত্ব, ঐতিহাসিক বস্তু প্রভৃতি স্থায়ী চিহ্ন রেখে যায়। লালবাগ কেল্লার প্রসঙ্গ এমন স্বচ্ছন্দ ও স্বতঃস্ফূর্তভাবে এসেছে যে, এই ঐতিহাসিক প্রাসাদটির জন্য পাঠকও হৃদয়ে উত্তাপ অনুভব করে। বড় কাটরার কথাও উল্লেখযোগ্য। নির্মাণের কালে এই অট্টালিকাকে কেন্দ্র করে মুঘল যুবরাজের স্বপ্ন ও সাধ এবং এর এখনকার হতশ্রী চেহারার কথা পাশাপাশি থাকায় দালানটি জড় পদার্থের অতিরিক্ত ব্যঞ্জনা লাভ করেছে।

    ১৯৪৭ সালে দেশবিভাগের আগে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা ঢাকায় প্রায় বাৎসরিক অনুষ্ঠানে পরিণত হয়েছিল। দাঙ্গা এই বইতে যথাযথ গুরুত্ব পেয়েছে এবং এর বিরুদ্ধে লেখকের ক্ষোভও বেশ সোচ্চার। ধর্মান্ধ মৌলবাদ ও সাম্প্রদায়িকতাকে প্রতিহত করার জন্য শামসুর রাহমান বরাবরই উচ্চকণ্ঠ, স্মৃতির শহর থেকে জানতে পারি, শৈশব থেকেই তিনি এই অমানবিক ও পাশবিক শক্তিকে একেবারেই সহ্য করতে পারতেন না। তবে একটি কিন্তু আছে। এখানে বিষয়টি এসেছে বিবৃতির ভেতর। তা না-হয়ে এটা যদি তাঁর অভিজ্ঞতার মধ্যে আসে তো তাঁর স্মৃতিচারণের সঙ্গে যেমন খাপ খায় তেমনই পাঠককে আর একটু স্পর্শ করতে পারে।

    স্বাধীনতা আন্দোলনের কথা এই বইতে লেখা হয়েছে একটু পাঠ্যপুস্তকীয় রীতিতে। হয়তো এই কারণেই প্রসঙ্গটিকে মূল প্রবাহের বাইরের ব্যাপার বলে মনে হয়। আবার এর উপসংহারে ‘একবার বিদায় দে মা’ গানটির উল্লেখ আকস্মিক এবং অতিনাটকীয় বলে বেমানান। আমাদের স্বাধীনতা আন্দোলন শামসুর রাহমানের কবিতার একটি অত্যন্ত পরিচিত প্রসঙ্গ। মুক্তিযুদ্ধের ওপর লেখা তাঁর কয়েকটি কবিতা মানুষের মুখে-মুখে ফেরে। মুক্তিযুদ্ধ তাঁর কবিস্বভাবের অবিচ্ছেদ্য অংশ। এখানে কিন্তু সেই স্বতঃস্ফূর্ততার অভাব লক্ষ করি।

    এই বইতে ‘সিপাহী বিদ্রোহ’ বরং উপস্থিত হয়েছে অনেক তীব্রতা নিয়ে। ঐ সময় দেশবাসীর রক্তের সঙ্গে বেইমানি করে খাজা আবদুল গনির নবাব খেতাব লাভ করার ছোট ইতিহাসটি বইটির মূল্যবান অংশ। ঢাকা শহরের আদি অধিবাসীদের ওপর ঢাকার কাগজি নবাবদের দাপট ও শোষণ নিয়ে তিনি এখানে একটু আলোকপাত করতে পারতেন। এঁদের সম্বন্ধে এই বইয়ে তেমন কিছুই বলা হয়নি। ঢাকার আদি বাসিন্দাদের অসাধারণ কৌতুকবোধ, তাঁদের সহৃদয় আতিথেয়তা এবং গল্প বলার অপূর্ব আকর্ষণীয় ভঙ্গি—এসব কি লেখকের স্মৃতিচারণে থাকবার কথা নয়?

    শেষ অধ্যায়টিতে শামসুর রাহমানের কাব্যচর্চার প্রস্তুতির কথা পাই, এইজন্য তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ছেলেবেলার তাঁর প্রিয় বই সম্বন্ধে কিছু তথ্য এখানেই প্রথমে পাওয়া গেল। তাঁর প্রিয় পাঠাগার, পাঠাগার গড়ে ওঠার গল্প, পাঠাগারে তাঁর আসা-যাওয়া প্রভৃতি বিবরণ শামসুর রাহমান এবং ঢাকা শহর সম্বন্ধে উৎসাহী সবাইকে আকর্ষণ করবে। দুবছরের বোন নেহারের মৃত্যুতে লেখা গদ্যরচনাটি — তা যতই কাঁচা হোক সংযোজিত হলে কবি হিসেবে তাঁর গড়ে ওঠার একটি স্তরের পরিচয় পাওয়া যেত। বইটি এখানে শেষ হলেই ভালো হত। অন্তত বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের প্রতি তাঁর আশৈশব ভালোবাসা ঘোষণা করা কি আদৌ প্রয়োজনীয় বলে তিনি বিবেচনা করেন? বিশেষ করে তাঁর কবিতা লেখার সঙ্গে এই ঘোষণা প্রাসঙ্গিক হয় কী করে? মাতৃভাষার প্রতি অনুরাগই কি মানুষের কবিতা লেখার প্রধান উৎস? যাঁরা সাহিত্যচর্চা করেন না মাতৃভাষার প্রতি তাঁদের ভালোবাসা কি কোনো অংশে কম? এই তিন লাইনের স্তবকটি একটি তরল নাটকের তৈরি করেছে এবং এতে পেশাদার রাজনীতিবিদদের জেল থেকে বেরিয়ে কিংবা মন্ত্রী হিসাবে শপথগ্রহণ করে শহীদ মিনার পরিদর্শনের কথা মনে করিয়ে দেয়।

    স্মৃতির শহর বইয়ের প্রধান আকর্ষণ শামসুর রাহমান নিজে। ১০৮ পৃষ্ঠার বইতে তাঁর কাব্যচর্চার কথা কোথাও উচ্চকণ্ঠে ঘোষিত হয়নি, কয়েকটি জায়গায় কেবল বিনীত উল্লেখ পাওয়া যায়। কিন্তু তাঁর ছেলেবেলার স্বভাবে ফুটনোনুখ একজন কবিকে অনুভব করি। বইটির সব জায়গায় লাজুক ছেলেকে দেখি, সে যা দেখে তাতেই তার অগাধ কৌতূহল। আবার নতুন কিছু ঘটলেই খুশিতে সে হৈচৈ করে ওঠে তা নয়; বরং লুপ্ত জিনিসের জন্য, প্রবাহিত সময়ের জন্য, পরিত্যক্ত কোনো কোনো প্রথার জন্য মনটা তার ভার হয়ে থাকে। সবই সে অনুভব করে মমতা ও বেদনা নিয়ে। মানুষের সুখে সে যতটা চাঙা হয়ে ওঠে তার চেয়ে অনেক বেশি ভেঙে পড়ে মানুষের দুঃখ-দুর্দশায়। এখানে রাস্তায়, গলিতে, ফুটপাথে, পার্কে, মসজিদে, স্কুলে, মিছিলে, মিটিঙে একটি বালককে আমরা কবি হয়ে উঠতে দেখি। এ-বই একটি বালকের কবি হয়ে ওঠার চালচিত্র, একজন কবির উন্মোচনের গল্প।

    তাঁর স্মৃতির শহর ঢাকার কাছে তাঁর ঋণ অপরিশোধ্য, সেই কারণে আমরাও এই শহরের কাছে ঋণী। তাঁর কবিস্বভাবের অনেকটাই তৈরি করেছে এই শহর, এই শহরের স্বভাব তাঁকে প্রতিনিয়ত নাড়া দিয়ে চলেছে। ঘটনার আবেগে উদ্বেলিত আবার একই সঙ্গে ঘটনাসমূহের প্রতি উদাসীনতা তাঁকে কখনো আকৃষ্ট করে, কখনো আঘাত দেয়। কাব্যচর্চার অপেক্ষাকৃত পরবর্তী পর্যায়ে শামসুর রাহমানের একটি প্রধান প্রবণতা হল নানারকম স্বৈরাচার ও নির্যাতনের বিরুদ্ধে মানুষের সংঘবদ্ধ প্রতিরোধকে রূপ দেওয়া। এখানেও কিন্তু ঢাকা শহরের ভূমিকা মোটেও গৌণ নয়, দেশ যখন জ্বলে ওঠে লেলিহান শিখায় তার উত্তাপ প্রবলভাবে অনুভব করা যায় ঢাকা শহরেই। মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংকল্প ঘোষণা করে রাজপথে, মিছিলে ছুটতে ছুটতে যে-কিশোর ঠ্যাঙাড়ে বাহিনীর বন্দুকের সামনে বুক পেতে শুষে নেয় বন্দুকের শক্তিকে তার শক্তির ওজন মেলে শামসুর রাহমানের কবিতায়। আসাদের রক্তমাখা শার্ট তাঁর কবিতায় ওড়ে বিদ্রোহের লাল পতাকা হয়ে। মৌলানা ভাসানীর সফেদ পাঞ্জাবি শান্তির নিশান নয়, বরং তাঁর বল্লমের মতো হাত বারবার ঝলসে ওঠে, পল্টনের মাঠে দাঁড়িয়ে তিনি বিচূর্ণিত দক্ষিণ বাঙলার শবাকীর্ণ উপকূলের বার্তা দেন ক্রুদ্ধ কণ্ঠে। ১৯৭১ সালের ঢাকা কেবল একটি অবরুদ্ধ নগরী নয়, শামসুর রাহমানের কবিতায় তা শত্রুনিধনের সংকল্পে দৃঢ়চিত্ত সাহসী মানুষের জনপদ। স্বাধীনতার পর থেকেই স্বৈরাচারের নতুন চেহারাও তাঁর চোখ এড়িয়ে থাকতে পারেনি। সাম্প্রতিক কাল পর্যন্ত স্বৈরাচার প্রতিরোধে ঢাকা শহরে মানুষের আন্দোলন ও উত্থান তাঁকে উত্তেজিত করে আসছে, অনুপ্রাণিত করে আসছে স্বৈরাচারী সরকারের নির্যাতন ও রাজনৈতিক নেতৃত্বের নানারকম হিসাবনিকাশে। আন্দোলন স্তিমিত হলে এই ঢাকা শহরই হয়ে পড়ে সবচেয়ে নিস্তেজ। শামসুর রাহমানের কবিতায় ঢাকা নগরীর উত্তেজনা, সংকল্প, উত্থান এবং পাশাপাশি এর ক্লান্তি ও হতাশা ধরা পড়ে সবচেয়ে স্পষ্ট চেহারা নিয়ে। ঢাকা শহরের নিশ্বাসপ্রশ্বাস তাঁর কবিতায় অনুসৃত হয় নির্ভুল গতিতে। এই শহরের সঙ্গে তিনি হেঁটে চলেছেন ছায়ার মতো। স্মৃতির শহর-এ প্রকাশিত তাঁর শৈশবকালেও এর আভাস মেলে, মাঝে মাঝে আভাও দেখা যায়।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleস্বর্ণমুকুট – গোপেন্দ্র বসু
    Next Article বৃশ্চিক – পিয়া সরকার
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    প্লেটোর রিপাবলিক – সরদার ফজলুল করিম

    May 14, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    প্লেটোর রিপাবলিক – সরদার ফজলুল করিম

    May 14, 2026
    Our Picks

    প্লেটোর রিপাবলিক – সরদার ফজলুল করিম

    May 14, 2026

    বৃশ্চিক – পিয়া সরকার

    May 14, 2026

    সংস্কৃতির ভাঙা সেতু – আখতারুজ্জামান ইলিয়াস

    May 14, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }