Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    পঁচিশটি গল্প – শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026

    সেরা ৪৫ – সায়ক আমান

    May 16, 2026

    স্যার, আমি খুন করেছি – প্রচেত গুপ্ত

    May 15, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সেরা ৪৫ – সায়ক আমান

    সায়ক আমান এক পাতা গল্প1001 Mins Read0
    ⤷

    ফাঁদ

    [ We’re all in our private traps, clamped in them,

    and none of us can ever GET OUT. ]

    –Norman Bates– Psycho

    দু’হাতে বৃষ্টির চাদর সরাতে সরাতে যখন বাড়িটার সামনে এসে পৌঁছালাম তখন আপাদমস্তক ভিজে গেছি৷ এমনকি পিঠের ব্যাগটা পর্যন্ত৷ পিছনের রাস্তাটায় এখন আর গাড়িঘোড়ার দেখা নেই৷ এমনকি রাস্তাটাই চোখে পড়ছে না ভালো করে৷ বেশ বিরক্ত লাগল আমার৷ আশপাশে অন্য বাড়িও আছে বটে কিন্তু সেগুলো বেশ খানিকটা দূরে৷ হাতটা মুখের সামনে এনে আমি ঘড়ি দেখার চেষ্টা করলাম৷ নাঃ, সেটাও জলে ঢেকে গেছে প্রায়৷ নেহাত ওয়াটারপ্রুফ বলে এখনও সেকেন্ডের কাঁটাটা ঘুরে চলেছে খচখচ করে৷

    আমি সামনের দোতলা বাড়িটার দিকে তাকালাম৷ মোটামুটি পুরনোই বলা চলে৷ উপরের কার্নিস থেকে সরলরেখায় জল পড়ে চলেছে৷ সেই জলেই একতলার চৌকাঠ ডুবে রয়েছে৷ ধীরপায়ে সেদিকেই এগিয়ে গেলাম৷ বাড়িটার পাশেই একটা লম্বা লাইটপোস্ট৷ তার আলোয় দরজার উপর নামটা চোখে পড়ল৷ — মহাদেব ঘোষ৷ চারপাশে খুঁজেও কলিংবেল চোখে পড়ল না৷ অগত্যা দরজার উপর আঙুল দিয়ে টোকা দিলাম৷

    বৃষ্টিটা এতক্ষণে আরও জোরে ঝাঁপিয়ে এসেছে৷ ফলে আওয়াজটা নিজের কানেই পৌঁছাল না৷ অগত্যা হাত মুঠো করে জোরে ধাক্কা দিলাম কয়েকবার৷ বেশিক্ষণ এই বৃষ্টিতে ভিজলে অবধারিত নিউমোনিয়া৷

    মিনিট তিনেক পরে সামনের কাঠের দরজাটা মৃদু শব্দ করে খুলে গেল৷ আমি তাকিয়ে দেখলাম মাঝবয়সী এক ভদ্রলোক দাঁড়িয়ে আছেন ওপারে৷ তাঁর মাথা জোড়া প্রশস্ত টাক৷ পরনে একটা সাদা পাজামা আর কবজি অবধি ঢাকা ফুলশার্ট৷ লোকটার মুখটা বেশ সাদামাটা৷ ইনি সম্ভবত মহাদেব ঘোষ৷ মনে জোর পেলাম৷ মুখের সামনে থেকে হাত দিয়ে জল সরাতে সরাতে বললাম, ‘কিছু মনে করবেন না, রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিলাম, এমন বৃষ্টি শুরু হল…’

    ‘ছাতি নেই?’ আমার কথা শেষ হওয়ার আগেই বলে উঠলেন ভদ্রলোক৷ থতমত খেয়ে একটু থেমে গিয়ে বললাম, ‘আসলে যখন আমি বেরিয়েছি তখন ঝাঁঝালো রোদ ছিল৷ তাই আর খেয়াল ছিল না৷’

    ‘তা বললে পরে হয়? ছাতি ছাড়া বর্ষাকালে বেড়ানোটাই একটা বোকামো৷ কী হবে এবার?’

    আর কিছু না বলে দাঁড়িয়ে থাকলেন তিনি৷ আমার কেমন অস্বস্তি লাগল৷ ভদ্রলোক হলে এতক্ষণে ভিতরে আসতে বলত— অন্তত তিনি একাই থাকেন যখন৷ আমতা আমতা করে বললাম, ‘সামনে তো কিছু চোখেও পড়ছে না৷ বৃষ্টিটা কমা অবধি…’

    ‘কমা অবধি এখানে থাকবেন, তাই তো?’

    আমি মাথা নাড়লাম৷ সরু জলের ধারা এখনও পিঠে এসে পড়ছে৷ চারপাশ থেকে ঠান্ডা হাওয়ার ঝাপটা এসে ঢুকে পড়ছে জামার ভিতরে৷ কয়েক সেকেন্ড কী যেন ভেবে নিয়ে ভদ্রলোক বললেন, ‘মুখ দেখে তো ষন্ডাগুন্ডা বলে মনে হয় না৷ আসুন ভিতরে৷’

    মনটা খিঁচড়ে গেছিল৷ লোকটার ব্যবহার ভারি অদ্ভুত৷ অবশ্য তাঁকে ছাড়া আমার গতিও নেই এখন৷ টেবিলের উপর থেকে একটা কাপড় তুলে আমার হাতে দিতে দিতে ভদ্রলোক দরজা বন্ধ করলেন৷ তারপর ঘুরে দাঁড়িয়ে বললেন, ‘যাবেন কোথায়?’ লক্ষ করলাম লোকটার হাতে একটা টিভির রিমোট৷

    ‘আট নম্বর মুরলী পাল রোড৷’

    ‘সে তো অনেক দূর৷ এতক্ষণে গাড়িঘোড়াও বন্ধ হয়ে গেছে৷’

    আমি মাথা মুছতে মুছতে করুণ মুখে হাসলাম৷ ঘরটা মাঝারি সাইজের৷ আগেকার দিনের বাড়িতে একতলায় একটা বড়োসড়ো ড্রয়িংরুম থাকত৷ এঘরটাও অনেকটা সেইরকম৷ তবে জিনিসপত্র তেমন কিছু নেই বললেই চলে৷ বুঝলাম মহাদেব ঘোষ বেশিরভাগ সময়টা দোতলাতেই কাটান৷ লোকজনও বিশেষ আসে না তার কাছে৷ দীর্ঘদিন একা থাকতে থাকতেই হয়তো লোকাচার প্রায় ভুলেই গেছেন৷ আমি কাপড়টা আবার টেবিলের উপর রাখতে রাখতে বললাম, ‘আপনাকে প্রায় জোর করেই বিপদে ফেললাম৷’

    ‘হ্যাঁ তা একরকম ফেলেছেন বইকি৷’ তিনি ব্যাজার মুখ করে বললেন৷ দিনতিনেক যা গরম পড়েছে ভেবেছিলাম আজ রাতটা একটু মন দিয়ে লেখাপড়া করব৷ তা আর হবে না বোধহয়৷’

    ‘এ বাবা৷ আমি একটু পরেই চলে যাব… আর আপনি আপনার পড়াশোনা…’

    ‘যাবেন কোথায়?’

    ‘অ্যাঁ?’

    ‘মানে কীভাবে যাবেন? সাঁতার ছাড়া তো উপায় দেখছি না৷’

    আমি আর উত্তর দিলাম না, পিঠ থেকে ব্যাগটা খুলে ভেজা কাপড়ের উপরে রেখে দিলাম৷ মহাদেব চেয়ারে বসতে বসতে বললেন, ‘বিনয় জিনিসটার কোনও সায়েন্টিফিক ভ্যালু নেই জানেন তো৷ এমনকি সাইকোলজিক্যালি যদি দেখেন…’

    আমি ধীরেধীরে উল্টোদিকের চেয়ারে এসে বসে পড়লাম৷ বুঝলাম তিনি নিজে থেকে প্রায় কোনও ভদ্রতাই করবেন না৷ পকেট থেকে মোবাইলটা বের করে একবার দেখে নিলাম৷ দুটো মিসড কল৷ ফোনটা যে এখনও চলছে এই আমার সৌভাগ্য৷

    ঘরের ভিতরে একখানা মোমবাতি জ্বলছে৷ চতুর্দিকটা ঢেকে আছে হলুদ আলোয়৷ অথচ দোতলার সিঁড়িতে সাদা টিউবলাইটের আলো এসে পড়েছে৷ অর্থাৎ লোডশেডিং হয়নি৷ আশ্চর্য! একতলায় কি একটা বাল্বও লাগাননি ভদ্রলোক? সামনের চেয়ারটায় বসে এখনও কী যেন বলে চলেছেন তিনি, আমি এবার মন দেওয়ার চেষ্টা করলাম, ‘এই সবই হল ইমোশান৷ আর ইমোশান মানেই হল মানুষের দুর্বলতা৷ এই দেখুন আপনাকে বৃষ্টিতে ভিজতে দেখে আমার মায়া হল, আমিও আপনাকে ভিতরে ডেকে নিলাম, এবার ধরুন আপনি হলেন জেলপালানো দাগি খুনে৷ আপনি আমার গলা কেটে খুন করে ঘরে যা আছে নিয়ে চম্পট দিলেন…’

    আমার একবার বলতে ইচ্ছা করল যে আপনার ঘরে আছেটাই বা কী, যে নিয়ে পালাব৷ কিন্তু শেষ মুহূর্তে সামলে নিয়ে বললাম, ‘বুঝতে পারছি আপনি বিরক্ত হচ্ছেন… আসলে আমি ভাবলাম আপনি একা থাকেন…’

    ‘তাই খুনটা করা সহজ হবে…’

    ‘এ বাবা! না না…’

    ‘আরে জানি জানি সব… তা দাগি আসামি নও যখন তখন তুমি কর কী?’

    এতক্ষণে আমার ভিতরের অস্বস্তিটা একটু কমল৷ হেসে বললাম, ‘এই একটুআধটু লিখি-টিকি…’

    ‘মানে সাহিত্য! ছ্যাছ্যা… এর থেকে তো জেলপালানো আসামি হলে নিশ্চিন্ত হতাম৷’

    আমি আবার থতমত খেয়ে বললাম, ‘কেন বলুন তো?’

    ‘কেন আবার কী? এই যে এত গাদাগুচ্ছের মানুষ ইচ্ছা হলেই গল্প, কবিতা, নাটক এইসব লিখে ফেলছে, কাগজপত্রে ছাপছে, আর লোকে সময় নষ্ট করে পড়ছে, তাতে কার কী লাভটা হচ্ছে বলতে পার?’

    আমি অবাক হয়ে বললাম, ‘এতে লাভ-লোকসানের কী আছে৷’

    ‘নেই? একটা গোটা জাতি খালি কবিতা লিখতে লিখতে ফুঁকে গেল, জগদীশ চন্দ সত্যেন বোস যাদের রক্তে তারা মুখে রং মেখে মঞ্চে উঠে নাটক করছে! নাটক৷

    আমার বেশ মজা লাগল, সোজা হয়ে বসে বললাম, ‘তা আপনি এসব লেখেননি কোনওদিন?’

    ভদ্রলোক বিমর্ষভাবে মাথা নামালেন, ‘তা লিখেছি এককালে, কিন্তু তখন আমি নেহাতই ছোট৷ তখনও ঠিকভুলের জ্ঞান হয়নি৷’

    ‘তারপর?’

    মহাদেব ঘোষ আমার কথার উত্তর দিতে যাচ্ছিলেন৷ কিন্তু থেমে গেলেন৷ বাড়ির কোন এক প্রান্ত থেকে অদ্ভুত একটা শব্দ আসছে৷ যেন বড়ো চেহারার কোনও কুকুর আর্ত স্বরে ডেকে উঠেছে৷ আশ্চর্য, এ বাড়িতে যে কুকুর আছে সে কথা তো আগে বলেননি ভদ্রলোক৷ বার দুয়েক হয়ে থেমে গেল শব্দটা৷ কেমন যেন খটকা লাগল আমার৷ মহাদেববাবুর মুখেও ধীরে ধীরে কেমন যেন একটা ভয়ের রেখা ফুটে উঠছে, সেদিকে তাকিয়ে বললাম, ‘আপনি কুকুর পোষেন নাকি?’

    ‘কই… না তো… ওটা মনে হয় পাশের বাড়ির…’

    ‘পাশের বাড়ি! সে তো অনেকটা দূরে৷ এতদূর থেকে কুকুরের ডাক এত জোরে শোনা যাচ্ছে?’

    ‘কী জানি৷ বড় চেহারার কুকুর হয়তো৷’

    ‘আপনি আগে শোনেননি?’

    ‘না৷’

    বেশ বুঝতে পারলাম কিছু একটা আড়াল করতে চাইছেন ভদ্রলোক৷ আমি আর বেশি উৎসাহ দেখালাম না৷ কুকুরে যে আমি খুব একটা ভয় পাই তা নয়, কিন্তু আওয়াজ শুনে যে জাতের কুকুর মনে হল তাতে তাকে সামনে দেখলে সেই সাহস কতক্ষণ থাকবে সন্দেহ৷ মহাদেব উঠে পড়লেন৷ দু-পা এগিয়ে টেবিলের কাছে গিয়ে একটা জলের বোতল তুলে নিয়ে খানিকটা জল খেলেন৷ তারপর ঢাকনা আটকে বললেন, ‘তুমি ডার্ক ম্যাটার সম্পর্কে জানেন কিছু?’

    কুকুরের ব্যাপারটাই ঘুরছিল আমার মাথায়৷ মাথা তুলে বললাম, ‘কিসের সম্পর্কে?’

    ‘ডার্ক ম্যাটার বা কৃষ্ণবস্তু৷’

    ‘নামটা শুনেছি, কিন্তু ব্যাপারটা ঠিক…’

    ‘বোঝার চেষ্টা করনি, তাই তো?’

    আমি উত্তর দিলাম না৷ ভদ্রলোক এবার একটা একপেশে হাসি হেসে মাথা নাড়তে নাড়তে বললেন, ‘তা না জানাটা আর দোষের কী বলুন৷ তোমার মতো মানুষদের সেকথা না জানলেও চলবে৷ অথচ আমি আমার গোটা জীবনটা ওই ডার্ক ম্যাটারের পিছনে দৌড়েই কাটিয়ে দিয়েছি৷’

    ‘বলেন কী! আপনি বিজ্ঞানী?’ আমি অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলাম৷

    ‘তা বলতে পার৷ তবে পেশাদার বিজ্ঞানী আমি নই৷ যখন যে ভূত মাথায় চাপে তখন সেটা নিয়ে আমি মেতে উঠি৷ একসময় দেদার গল্প কবিতা লিখতাম, সেটা গিয়ে জ্যোতিষচর্চার দিকে ঝুঁকলাম, কিছুদিন পড়াশোনা করতেই বুঝলাম ওসব স্রেফ গাঁজাখুরি, তবে পড়াশোনা যে একেবারে বৃথা গেল তা নয়, জ্যোতির্বিদ্যা সম্পর্কে লেখা বেশ কিছু ম্যাগাজিন তখন প্রতি সপ্তাহে আমার বাড়ি আসত৷ তাতেই একদিন ডার্ক ম্যাটার নিয়ে একটা আর্টিকেল চোখে পড়ল৷ ব্যস, আমাকেও এক নতুন ভূতে পেয়ে বসল৷ তখন বয়স কম, পয়সাকড়িরও অভাব ছিল না৷ আমি গবেষণা শুরু করলাম৷ ছোটোখাটো কিছু ইনস্টিটিউট থেকে ডাকও পড়ল৷ মোটা মাইনের চাকরি৷ যদিও এইসব আমাকে কোনওদিনই টানেনি৷ নিভৃতে বছর বারো গবেষণা করার পর একটা আস্ত পেপার লিখে ফেললাম৷’

    ‘বাবা! বলেন কী! তারপর?’

    মহাদেব ঘোষ চেয়ারের পিছন দিকে পিঠ এলিয়ে দিতে দিতে বললেন, ‘তারপর আমি কী করতে পারি বলে তোমার মনে হয়?’

    ‘যদি সত্যিকারের গবেষণাপত্র হয় তবে পিয়ার রিভিউ করিয়েছেন৷’

    ‘নাঃ ওইটাই আমি করাইনি৷ আমি গবেষণা করেছিলাম নিজের কৌতূহলে৷ লোক জানাজানি করে আমার কী লাভ?’

    আমি অবাক হয়ে গেছিলাম৷ খানিক ভেবে নিয়ে বললাম, ‘কিন্তু গবেষণা যখন করেইছেন তখন কাগজপত্র বাইরে আনতে আপনার তো ক্ষতি কিছু নেই৷ বিশেষ করে মানুষের যদি তাতে উপকার হয়…’

    ‘ডার্ক ম্যাটার কি ওষুধপত্র, যে মানুষের উপকার হবে? আর আমি অত লোকজন পছন্দও করি না৷’

    আমি মাথা নামিয়ে নিলাম৷ বুঝলাম লোকটার মাথায় কিছু একটা গন্ডগোল আছে, নাহলে এত কিছু নিয়ে পড়াশোনা করতে করতে একেবারেই খারাপ হয়ে গেছে মাথাটা৷ ভালো করে তাকিয়ে দেখলাম তাঁর চোখ দুটো এখন সিলিং ফ্যানের দিকে স্থির হয়ে গেছে৷ বাইরে থেকে এখনও ক্রমাগত বৃষ্টির আওয়াজ ভেসে আসছে৷ মোমের শিখাটা থেকে থেকে কেঁপে উঠছে৷

    ‘আচ্ছা এই ডার্ক ম্যাটার জিনিসটা ঠিক কী বলুন তো?’

    মহাদেব ঘোষ আমার দিকে তাকিয়ে হাসলেন৷ তারপর মাথা নামিয়ে বললেন, ‘যাক, এতক্ষণে একটা দরকারি প্রশ্ন জিজ্ঞেস করেছ৷ শুনে নাও, তোমার কোনও সায়েন্স ফিকশনের গল্পে কাজে লেগে যেতে পারে৷’

    কথাটা বলে উঠে পড়লেন ভদ্রলোক৷ মনে হল এতদিন পরে কেউ এই নিয়ে প্রশ্ন করায় খুশিই হয়েছেন৷ হঠাৎ আমার মনে হল আবার সেই কুকুরের ডাকটা শোনা যাচ্ছে৷ এবার আগের থেকে আরও বেশি স্পষ্ট৷ ডাকটা যে এবাড়িরই দোতলা থেকে আসছে সে ব্যাপারে এখন আর সন্দেহ নেই৷ সেটা চাপা দেওয়ার জন্যেই অনেকটা জোরগলাতেই বলতে লাগলেন ভদ্রলোক, ‘১৯৩৩ সালে ফ্রিজ টুইকি নামে এক বিজ্ঞানী কমানক্ষত্রপুঞ্জ নিয়ে গবেষণা করছিলেন৷ বলাবাহুল্য অতদিন আগে মহাকাশ গবেষণা মুখের কথা ছিল না৷ সবথেকে বড়োকথা, বিশ্বজুড়ে বিজ্ঞানীরা তখন যুদ্ধাস্ত্র তৈরি নিয়ে মেতেছেন, আকাশের দিকে চোখ দেওয়ার সময় নেই কারও৷ তো এরমাঝে এই টুইকি কমানক্ষত্রপুঞ্জের ভর মাপতে গিয়ে একটা আজব ব্যাপার লক্ষ করেন৷ কোনও নক্ষত্রপুঞ্জে তারাগুলো একসাথে দলবেঁধে থাকে তাদের অভিকর্ষ বলের জন্যে৷ যে নক্ষত্রপুঞ্জে যত বেশি তারা আছে, তাদের একসাথে থাকার প্রবণতাও তত বেশি৷ তো টুইক দেখলেন কমানক্ষত্রপুঞ্জের যা ভর, তাতে তারাগুলোর কাছাকাছি থাকার কথাই নয়৷ তারাগুলোর মোট ভর যদি আরও চারশোগুণ বেশি হয় তাহলেই তারা কাছাকাছি থাকতে পারবে৷ টুইক পড়লেন চিন্তায়৷ তাহলে কি নক্ষত্রপুঞ্জের ভিতরে আরও কিছু আছে যা আমাদের দেখাশোনার বাইরে? এর উত্তর টুইক দিতে পারেননি, তবে তাঁর গবেষণা আরও কিছু বিজ্ঞানীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে, তাঁরা হিসেব করে থ হয়ে যান৷ মহাবিশ্বের যা কিছু আমরা দেখতে পাই তার পরিমাণ মাত্র ফাইভ পারসেন্ট, এবং তার পাঁচগুণেরও বেশি, অর্থাৎ টোয়েন্টিসেভেন পারসেন্ট ডার্ক ম্যাটার৷’

    আমি কিছুক্ষণ চুপ করে বসে রইলাম৷ মহাদেব ঘোষ এখন টেবিলে ভর দিয়ে দাঁড়িয়ে আমার পিছনের দেওয়ালের দিকে তাকিয়ে আছেন৷ চোখ দেখে মনে হল দেওয়ালের গায়ে অদৃশ্য কিছু দেখার চেষ্টা করছেন৷ কুকুরের ডাকটা এতক্ষণে থেমে গেছে৷ মিনিটকয়েক নিস্তব্ধে কেটে গেল৷ আমি নড়েচড়ে বসে বললাম,

    ‘তো গবেষণার কাগজপত্র এখনও আপনার কাছেই আছে?’

    ‘হ্যাঁ৷ ফেলে তো দিতে পারি না৷’ উদাস গলায় বললেন তিনি৷ তারপর মন দিয়ে কী যেন ভাবতে ভাবতে বললেন, ‘তুমি একটু বসো, আমি উপর থেকে আসছি৷’

    মহাদেব ঘোষ সিঁড়ি দিয়ে উপরে চলে যেতে আমি একটা দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে পকেট থেকে ফোনটা বের করলাম৷ এতক্ষণে মিসড কলের সংখ্যা বেড়েছে৷ চারপাশে একবার তাকিয়ে নিয়ে আমি রিংব্যাক করলাম৷

    ‘পেলে কিছু?’

    ‘এখনও পাইনি, তবে আছে জানতে পেরেছি৷’

    ‘একতলায় নেই৷ যেভাবেই হোক দোতলায় যাবার চেষ্টা কর৷’

    ‘দেখছি৷ মনে হয় অসুবিধা হবে না৷’

    ‘খুব সাবধান৷ লোকটা যতটা সহজ মনে হয় ততটা নয়৷’

    ‘বুঝতে পারছি৷ মনে হয় একটা কুকুর পুষেছে৷’

    ‘বল কী! কাগজপত্র গার্ড দেওয়ার জন্য কুকুর!’

    সিঁড়ির কাছে পায়ের আওয়াজ হতে আমি ফোনটা কেটে দিলাম৷ অনর্থক খানিক নাড়াচাড়া করে পকেটে ঢুকিয়ে নিলাম৷ মহাদেব ঘোষ আমার পিছনে এসে দাঁড়িয়েছে এতক্ষণে, জিজ্ঞেস করলেন, ‘আপনার সোফায় শুয়ে ঘুম হয় তো?’

    আমি উঠে দাঁড়িয়ে তার দিকে তাকিয়ে অমায়িক হেসে বললাম, ‘আমার তো একতলার মেঝেতেই ভালো ঘুম হবে৷’

    ‘এই বৃষ্টির দিনে মেঝেতে শোয়া আর রাস্তায় শোয়া একই ব্যাপার৷ তাছাড়া ব্যাপারটা স্বাস্থ্যকরও নয়৷ উপরে আসুন৷’

    আমি আর আপত্তি করলাম না৷ যেভাবেই হোক উপরে আমাকে যেতেই হবে৷ অন্তত যেঘরে তাঁর কাগজপত্র থাকে সেই ঘরটা কিছুক্ষণের জন্য দরকার আমার৷ সিঁড়িতে পা রেখে জিজ্ঞেস করলাম, ‘আচ্ছা আপনি বললেন একটা না একটা নেশা সবসময়ই আপনার মাথায় চেপে থাকে৷ ডার্ক ম্যাটার নিয়ে আপাতত গবেষণা করছেন না মনে হয়৷ এখন তাহলে কী?’

    আমার সামনে কয়েকটা ধাপ এগিয়ে গেছিলেন মহাদেব ঘোষ৷ গম্ভীর গলায় উত্তর দিলেন, ‘ট্র্যাপ৷ বা বাংলায় বললে, ফাঁদ৷’

    উপরটা নিচতলার থেকে বেশ খানিকটা আলাদা৷ লম্বা প্যাসেজের একদিকে লাইন দিয়ে তিনটে ঘর৷ তার প্রথম দুটো খোলা, একেবারে শেষেরটা বন্ধ৷ খোলা ঘরদুটোর মধ্যে একটা বোধহয় রান্নাঘর, আর একটা শোয়ার৷ বন্ধ ঘরটার দিকে আমি একবার তাকিয়ে নিলাম৷ বড়োসড়ো একটা তালা ঝুলছে সেটার গায়ে৷ ঘরের দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে আমি বললাম, ‘হঠাৎ ফাঁদ নিয়ে এত আগ্রহ?’

    ‘আগ্রহ হওয়ার মতোই জিনিস৷ এককালে কত বুদ্ধি খাটিয়ে কত ভাবনাচিন্তা করে যে এইসব ফাঁদ বানানো হত তা নিজের চোখে না দেখলে বিশ্বাস হয় না৷’

    আমি অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলাম, ‘আপনি দেখেছেন নাকি সেসব?’

    ‘কিছু দেখেছি৷ তবে বেশিরভাগই পড়ে জেনেছি৷’

    ‘মানে আপনি জঙ্গলেও গেছেন?’

    ‘কেন? জঙ্গলে যাব কেন?’

    ‘না মানে পশুজন্তু ধরার ফাঁদ তো জঙ্গলেই দেখা যায়৷’

    মহাদেব ঘোষের মুখে কেন জানি না একটা মুচকি হাসি খেলে গেল, ঘরের দিকে এগোতে এগোতে তিনি বললেন, ‘পশুজন্তু ধরার ফাঁদে কোনও আগ্রহ নেই আমার৷ আমি মানুষ ধরার ফাঁদের কথা বলছি৷’

    ‘মানুষ ধরার ফাঁদ! কী রকম?’

    মহাদেব ঘোষ ঘরে ঢুকে লম্বা সোফার উপর বসতে বসতে বললেন, ‘তা আছে নানারকম৷ তার মধ্যে আমার সব থেকে বেশি ভালো লাগে ফটোবম্ব ট্র্যাপ৷’

    ‘সেটা কী জিনিস?’

    প্রশ্নটা করেই বুঝলাম আবার একটা বড়োসড়ো বক্তৃতা দিতে চলেছেন ভদ্রলোক৷ আমি চারপাশটা একবার ভালো করে দেখে নিলাম৷ ঘরে আসবাবপত্র বলতে প্রায় কিছু নেই৷ যে সোফার উপর বসে আছি সেটাতেই হয়তো কাটাতে হবে আজকের রাতটা৷ অন্তত যতক্ষণ না ভদ্রলোক ঘুমিয়ে পড়ছেন ততক্ষণ এঘরেই থাকতে হবে৷ তিনি ঘুমিয়ে পড়লে শুরু হবে আমার কাজ৷ মাস্টার কি আবার সাথেই আছে৷ ফলে তালা খোলাটা অসুবিধার কিছু হবে না৷ একঘণ্টার মধ্যে কাজ হাসিল করে আর দাঁড়াব না এখানে৷ সকালে উঠে ভদ্রলোক…

    ‘এ ফাঁদটা তৈরি করেছিল জার্মান সেনারা৷’ ভদ্রলোক বলতে শুরু করেছেন৷ আমি সেইদিকে মন দিলাম, ‘মানে কিছু জার্মান সেনা তাদের বদরাগী অফিসারদের উপর বেজায় খাপ্পা ছিল৷ কারণে-অকারণে অফিসারদের কাছে নানাভাবে লাঞ্ছিত হত তারা৷ এদিকে সেনাবাহিনীর কঠোর নিয়ম, করারও কিছু নেই৷ ফলে এক দল সেনা মাথা খাটিয়ে এক অদ্ভুত প্ল্যান বের করল৷ যাতে সাপও মরবে, লাঠিও ভাঙবে না৷ যুদ্ধ চলাকালীন কিছু বড়সড় বিল্ডিং সেনাবাহিনী দখল করে রাখত৷ সেখানে দেওয়ালের গায়ে কিছু পায়াভারী অফিসারদের ছবি টাঙানো থাকত দেওয়ালে৷ তো একদল বিপ্লবী সেনা রাতের অন্ধকারে সেই ছবি সরিয়ে দেওয়ালে গর্ত করে তার তলায় বোমা ফিট করে আবার ছবি দিয়ে ঢাকা দিয়ে দিত জায়গাটা৷ শুধু ঢাকা দেওয়ার সময় ছবিটা একটুখানি চোখে পড়ার মতো তেরচা করে লাগাত৷ বোমাটা এমন ভাবে ফিট করা হত যে তেরচা ছবিটা কেউ সোজা করতে গেলেই ফেটে যাবে বোমাটা৷ যাকে বলে বুবি ট্র্যাপ৷ এবার মজাটা হল সাধারণ খাপ্পা সৈন্যরা সেনা অফিসারের বাঁকানো ছবি সোজা করতে যাবে না৷ সেটা করবে একমাত্র অফিসারের বাধ্য পা চাটা মোসায়েবরা, বা অফিসার নিজে৷ আর সাথে সাথে বোমাটাও বার্স্ট করবে৷’

    ঘটনাটা শুনতে শুনতে আমি হাঁ হয়ে গেছিলাম৷ ধীরে ধীরে বললাম, ‘অর্থাৎ অফিসার নিজের অজান্তেই নিজের মৃত্যু ডেকে আনবেন৷’

    ‘একজ্যাক্টলি৷ আর সেটাই হল ভালো হিউম্যান ট্র্যাপের বৈশিষ্ট্য৷ তেমন আরও কিছু বুদ্ধিদীপ্ত ট্র্যাপ আছে… তবে আজ আমার খুব ঘুম পাচ্ছে৷’

    হাতদুটো দু’পাশে ছড়িয়ে মহাদেব ঘোষ উঠে পড়লেন৷ আমি মোবাইলটা বের করে একবার সময় দেখে নিলাম৷ রাত প্রায় সাড়ে এগারোটার কাছাকাছি৷ ঘরের পাখাটা এখন বন্ধ৷ খোলা জানলা দিয়ে আলগা বৃষ্টির ছাট এসে ঢুকছে ঘরে৷ জানলার নিচটা ভিজে রয়েছে৷ আমি মুখ তুলে বললাম, ‘ওইদিকের ঘরটা বন্ধ দেখলাম, খোলেন না নাকি?’

    ‘ওটা আমার লেখাপড়ার ঘর৷ দরকার না পড়লে যাই না ওঘরে৷’

    ‘আপনার কাগজপত্র সব ওখানেই থাকে?’

    ‘আমার গবেষণাপত্রের কথা বলছ?’

    আমি একটু আমতা আমতা করে বললাম, ‘শুধু তা কেন, সব মিলিয়েই বলেছি৷ তবে ওটা দেখতেই বেশি ইচ্ছা করছে৷’

    একটু আগের সেই বিদঘুটে হাসিটা আবার হেসে ঘোষ বললেন, ‘ওসব দেখে কী লাভ তোমার? সায়েন্সের লোক হলে তাও…’

    ‘তা অবশ্য ঠিক৷’

    আমি মাথা নামিয়ে নিতে ধীরে ধীরে ঘর থেকে বেরিয়ে গেলেন মহাদেব ঘোষ৷ যাওয়ার আগে বলে গেলেন যে রাতে কোনও দরকার পড়লে যেন তাঁকে না ডাকি৷ একবার ঘুম ভেঙে গেলে আর ঘুম আসতে চায় না তার৷ আমি মাথা নেড়ে জানিয়ে দিলাম যে তেমন হল অসুবিধা হওয়ার সম্ভাবনা নেই৷

    পাশের ঘর থেকে দরজা বন্ধ হওয়ার শব্দ আসতে আমিও ভেজিয়ে দিলাম দরজাটা৷ তারপর আবার পকেট থেকে বের করলাম মোবাইল ফোনটা, নম্বরটা কল লিস্টেই ছিল, রিডায়াল করতে ওপাশ থেকে গলা শোনা গেল—

    ‘কত দূর এগোলে?’

    ‘আশা করছি আজ রাতেই হয়ে যাবে৷’

    ‘ঘরটা দেখেছ?’

    ‘নাঃ৷ তবে তালা দেখে মনে হল খুলতে অসুবিধা হবে না৷’

    ‘সে ব্যাপারে তোমার উপর বিশ্বাস আছে আমার৷ জাস্ট বি কুইক অ্যান্ড বি কোয়াইট৷ আর হয়ে গেলে একটা ফোন কর৷’

    ফোনটা কেটে দিয়ে পাশে রেখে দিলাম সেটা৷ পায়ের কাছ থেকে ব্যাগটা টেনে নিয়ে ভিতরের জিনিসপত্রে একবার চোখ বুলিয়ে নিলাম৷ ছোট টর্চটা বের করে রাখলাম৷ অন্তত ঘণ্টাখানেক কিছু করার নেই আমার৷ ততক্ষন একচোট ঘুমিয়ে নিলে মন্দ হত না৷ কিন্তু মাঝরাতে সে ঘুম না ভাঙলেই সমস্যা৷ আচ্ছা সত্যি কি গবেষণার কাগজপত্র হাতে পেলে বিজ্ঞানের কিছু লাভ হবে? ডার্ক ম্যাটার বলে যদি কিছু থেকেও থাকে তাহলে সেসব আমার ধারণার বাইরে৷ ঝড় জলের মধ্যে এতটা রিস্ক নিয়ে কাগজগুলো হাতাতে হচ্ছে খালি পয়সার লোভে৷ অবশ্য এ কাজে বিপদের আশঙ্কা কম৷ কথাটা ভাবতেই কুকুরের ডাকটার কথা মনে পড়ে গেল আমার৷ সত্যি কি ওঘরে কুকুর পুষে রেখেছেন মহাদেব ঘোষ? সাধারণ কোনও কুকুর হলে আমার ভয়ের তেমন কারণ নেই, কিন্তু কুকুরদের ঘুম খুব পাতলা৷ আমি ঘরে ঢুকলে সে যদি চেঁচামেচি শুরু করে তাহলে আর রক্ষে থাকবে না৷

    বেশ কিছুক্ষণ সেইভাবে শুয়ে থাকতে থাকতে তন্দ্রা এসে গেছিল, এমন সময় মোবাইলটা কেঁপে উঠতে ঘুমটা ভেঙে গেল৷ থতমত খেয়ে উঠে বসেই আমি ঘড়ির দিকে তাকালাম, নাঃ বেশিক্ষণ ঘুমাইনি৷ রাত দেড়টা বাজছে৷ এতক্ষনে হয়তো ঘুমিয়ে পড়েছেন ভদ্রলোক৷ এখন কাঁপছে ফোনটা, আমি সেটা কানে লাগিয়ে বিরক্ত গলায় বললাম, ‘এতবার ফোন করলে অসুবিধা হয় খুব৷’

    ‘একটা জিনিস কনফার্ম করার জন্য ফোন করলাম৷’

    ‘কী জিনিস?’

    ‘বুড়ো আদৌ কোনও কুকুর পোষেনি৷’

    ‘তাহলে ডাক শুনলাম যে৷’

    ‘বলতে পারব না৷ কিন্তু আমাদের ইনফরমার জানাচ্ছে ও বাড়িতে কোনও কুকুর নেই৷’

    ‘তাহলে কী আছে?’

    ‘বুঝতে পারছি না৷ তবে ভয় পাওয়ার মতো কিছু আছে বলে মনে হয় না৷ গো অ্যাহেড৷’

    সোফা থেকে উঠে পড়ে আমি ধীরে ধীরে এগিয়ে গেলাম দরজার দিকে৷ পিঠে ব্যাগ নিলাম, হাতে নিলাম টর্চটা৷ তারপর বিড়ালের মতো দরজা খুলে বাইরে বেরিয়ে এলাম৷ প্যাসেজটা আপাতত অন্ধকারে ঢেকে আছে৷ কোনও সাড়াশব্দ নেই৷ মহাদেব ঘোষের ঘরের দরজা ভিতর থেকে বন্ধ৷ তার তলা দিয়ে আলো ঢুকছে না৷ ভদ্রলোক নাকি আপাতত ফাঁদ নিয়ে মেতেছেন৷ এইরকম খ্যাপাটে লোকের মাথায় কখন যে কী খেয়াল চাপে তা আগে থেকে কেই বা জানতে পেরেছে? পকেট থেকে মাস্টার কিটা বের করে আমি ঘরের দরজার সামনে গিয়ে দাঁড়ালাম৷ চাবিটা তালার ভিতর ঢোকাতেই একটু আগের শোনা সেই কুকুরের ডাকটার কথা মনে পড়ে গেল আমার৷ কুকুর যদি ওখানে নাই থাকে তাহলে আছেটা কী?

    দরজার উপরে একবার কান রাখলাম আমি, নাঃ কোনও সাড়াশব্দ পাওয়া যাচ্ছে না৷ মনের জোরে ভর করেই চাবিটা ঘুরিয়ে দিলাম৷ খচ করে একটা শব্দ করে খুলে গেল তালাটা৷ আমি দু’সেকেন্ড দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করলাম, পাশের ঘর অবধি যাওয়ার কথা নয় শব্দটার, তাও সাবধানের মার নেই৷ ধীরে ধীরে কাঠের দরজা ঠেলে আমি ভিতরে ঢুকে এলাম৷

    ঘরের ভিতরটা বাইরের ল্যাম্পপোস্টের আলোতে ঢেকে আছে৷ কুকুর বা বড়োজাতের কোনও প্রাণীই চোখে পড়ল না৷ জানলাটা খোলা৷ একটা কথা ভেবে কেমন যেন খটকা লাগল আমার৷ ঘরের মেঝে ভিজে নেই, অর্থাৎ বৃষ্টি হওয়ার সময় বন্ধ ছিল জানলাটা৷ ঘণ্টাখানেক হল বৃষ্টি থেমেছে৷ তারপরেই কেউ এসে জানলা খুলেছে৷ তবে কি মহাদেব ঘোষ এখনও ঘুমাননি? দরজার দিকে আর একবার তাকালাম আমি৷ আগের মতোই অন্ধকার জমাট বেঁধে আছে সেখানে৷ ব্যাপারটা মন থেকে সরিয়ে আমি ঘরের ভিতরটা ভালো করে খুঁজতে লাগলাম৷ ছোটোখাটো দু’একটা পড়ার টেবিল চোখে পড়ছে৷ তার উপরে কিছু কাগজপত্র আছে বটে কিন্তু সেসব দরকারি কাগজ বলে মনে হল না৷ জানলার ধার ঘেঁষে দুটো কাঠের আলমারি আছে, সেগুলোর দিকেই এগিয়ে গেলাম আমি৷ আমি যা খুঁজছি সেটা এখানে থাকার সম্ভাবনাই বেশি৷ আলমারির দরজা ভেজানো ছিল৷ সেটা টেনে খুলতেই হতাশ হলাম৷ কিছু পুরনো জামাকাপড় ভিড় করে রাখা আছে৷ দু’একটা মেয়েদের জামাকাপড়ও রাখা আছে তার ভিতর৷ একসময় যে ভদ্রলোক সংসার করারও চেষ্টা করেছিলেন তা বোঝা যায়৷ আমি একটু হেসে পাশের আলমারিটার দিকে সরে এলাম৷ দেখে বোঝা যায় আগের থেকে এ আলমারিটা বেশ ব্যবহার করেন তিনি৷ হাতল ধরে টানতে এটাও খুলে গেল৷ অন্ধকারের ভিতরেও অবাক হয়ে দেখলাম রাশিরাশি ফাইল সাজানো আছে তার ভিতরে৷ সব মিলিয়ে অন্তত শ-দুয়েকের কম হবে না৷ নিচের দিকের ফাইলগুলোয় ধুলো পড়ে গেছে৷ তার ভিতর থেকেই একটা টেনে নিলাম আমি৷ বাইরের দড়ি খুলে ভিতরে উঁকি দিয়ে আবার হতাশ হলাম৷ কাঁচা হাতে আঁকা কিছু পোর্ট্রেট আছে সেখানে৷ নিচে আঁকিয়ের নাম সই করা আছে— এম ঘোষ৷ এই উত্তেজনার মুহূর্তেও ভারি অবাক লাগল আমার৷ এককালে সাহিত্যে করেছেন, ছবি এঁকেছেন, রীতিমতো বিজ্ঞানচর্চা করেছেন, অথচ কোনও কিছু নিয়েই বেশিদিন থেমে থাকেননি৷ ফলে একসময় গিয়ে সব কাগজপত্রই স্থান পেয়েছে এই আলামারিতে, ছবির পাশের ফাইলগুলোতে কিছু কবিতা আর সাহিত্যচর্চার নিদর্শন৷ সেগুলো আবার আগের মতো রেখে দিয়ে আমি উপরের আলমারির দিকে হাত বাড়াতে যাব এমন সময় একটা চেনা ডাক কানে আসতেই আমার বুকের রক্ত ঠান্ডা হয়ে গেল৷ কাঁপা কাঁপা পায়ে পিছন ঘুরে দাঁড়াতেই আমি অবাক হয়ে গেলাম৷ কী আশ্চর্য! সমস্ত ঘরে আমি ছাড়া অন্য কোনও প্রাণী নেই৷ আওয়াজটা তবে আসছে কোথা থেকে?

    মিনিটখানেক সেইরকম স্তম্ভিত হয়েই দাঁড়িয়েছিলাম, এমন সময় দরজার দিক থেকে আর একটা গলা ভেসে এল, ‘তুমি যা খুঁজছ তা এই ঘরে নেই৷’

    সেদিকে তাকিয়ে দেখলাম দরজার গায়ে একটা ইঞ্চিতিনেক পাল্লা সরে গেছে, আমার টর্চের আলোয় মহাদেব ঘোষের মুখের মাঝখানটা স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে সেখানে৷ খচ করে একটা আওয়াজ হতে বুঝলাম বাইরে থেকে ঘরের তালা বন্ধ করে দিয়েছেন ভদ্রলোক৷

    ‘আপনি… আপনি… ঘুমিয়ে পড়েছিলেন…’

    এবার চাপা হাসির শব্দ শোনা গেল, ‘শিকারের গল্প পড়নি? সেই যে গাছের নিচে টোপ দিয়ে শিকারি সারারাত মাথায় বসে অপেক্ষা করে কখন বাঘ ফাঁদে পড়বে৷’

    মহাদেব ঘোষের চোখ দুটো উজ্জ্বল হয়ে জ্বলছে৷ প্রচণ্ড অস্বস্তি শুরু হয়েছে আমার৷ টর্চ নামিয়ে নিলাম৷

    ‘যাই হোক, বাঘের কথায় মনে পড়ল৷ বাঘের ডাক শুনেছ কখন? কাছ থেকে?’

    কথাটা শেষ হতেই ঘরের ভিতর একটা তীব্র চিৎকার ছড়িয়ে পড়ল, বাঘের ডাক৷ আমি ভয়ে পিছিয়ে এসেছিলাম— কিন্তু এতক্ষণ শব্দের উৎসটা চিনতে পেরেছি আমি৷ ঘরের ভিতরেই কোথাও লুকানো স্পিকার থেকে আসছে শব্দগুলো৷ কিন্তু সেগুলো চলছেই বা… মুহূর্তে মনে পড়ে গেল, রিমোট কন্ট্রোল৷ ঘরে ঢোকামাত্র মহাদেব ঘোষের হাতে রিমোট কন্ট্রোল দেখেছিলাম, কিন্তু একতলায় একটাও টিভি দেখিনি৷

    ‘আসলে একটা ভাল ফাঁদের বৈশিষ্ট্য কী জান? শিকার নিজেই একটু একটু করে এগিয়ে এসে ধরা পড়বে৷ কখনও লোভে, আবার কখনও মোহে, তুমি অবশ্য আমার গবেষণা টাকার জন্য চুরি করছ না নিজের নামে চালাতে চাইছ, তা আমি জানি না৷ কিন্তু এটুকু বলতে পারি এঘরে সেসব কিছু নেই৷’

    ‘আপনি মিথ্যে বলছেন৷’

    আমি মাথা নিচু করেই বললাম৷ কথাটা হয়তো ভাল করে খেয়াল করেননি মহাদেব ঘোষ, তিনি পাল্লায় কান রেখে বললেন, ‘কী বললে?’

    ‘বললাম এখন আপনি মিথ্যে বলছেন, কাগজ আপনার এঘরেই আছে৷’

    ‘ও, তাই নাকি? কী করে বুঝলে?’

    ‘আমার মন বলছে যে আলমারি পুরনো জামাকাপড় রেখেছেন তার ভিতরেই আছে কাগজগুলো৷ জামাকাপড়গুলো আপনার বিগত জীবনের স্মৃতি বহন করছে, কাগজগুলোও তাই৷ সেগুলো সাধারণ কাগজের সাথে রাখবেন বলে মনে হয় না৷’

    আবার সেই চাপা হাসির শব্দটা শোনা গেল, ‘আগেই বলেছিলাম ইমোশান জিনিসটা আখেরে মানুষকে ডোবায়৷ বেশ, এত নিজের উপর বিশ্বাস যখন আজ রাতটা এই ফাঁদে আটকা পড়ে ঘরময় খুঁজে দেখ৷ যদি পাও তো সে কাগজ তোমার৷’

    আমি আর কিছু বললাম না৷ খানিকক্ষণ পড়ে ওপাশ থেকে আবার কথা শোনা গেল, ‘আমি ভোর ঠিক সাড়ে ছ’টায় ঘুম থেকে উঠি৷ কাল সকালে উঠতে একটু দেরি হবে হয়তো৷ ঘুম ভাঙার পর আমি তোমায় দরজা খুলে দেব৷ ততক্ষণ সময় আছে তোমার হাতে৷ খুঁজে বের কর৷’

    টর্চটা দরজার দিকে ফেলতে আর তাঁকে দেখতে পেলাম না আমি৷ আমাকে চ্যালেঞ্জটা করেই দরজা থেকে সরে গেছেন তিনি৷ আমি ধীরপায়ে এগিয়ে এসে পড়ার টেবিলে বসে পড়লাম৷ দ্রুত কতগুলো ভাবনা আসছে মাথায়৷ সবার আগে এঘরের আলোটা জ্বালা দরকার৷ বেশি খোঁজাখুঁজির দরকার আছে বলে মনে হয় না৷ পকেট থেকে পেন বের করে টেবিলের উপরে রাখলাম আমি৷ তারপর ধীরে ধীরে এগিয়ে গেলাম আলমারিগুলোর দিকে…

    সকালে মুরগির ডাকে যখন ঘুম ভাঙল তখন ঘরটা সূর্যের আলোয় ভরে গেছে৷ বলা বাহুল্য মুরগির ডাকটা আসছে লুকানো স্পিকার থেকে৷ মোবাইলের ঘড়িতে দেখলাম আটটা বেজেছে৷ রাতে কাজকম্ম শেষ করে পাঁচটার সময় ঘুমিয়েছি এটুকু মনে আছে৷ টেবিল থেকে উঠেই প্রথমে চোখ পড়ল আমার ব্যাগটার দিকে৷ এখনও আগের মতোই রাখা আছে সেটা৷ অর্থাৎ কারও হাত পড়েনি৷ ঘরের দরজা কিন্তু খোলা৷ ব্যাগটা হাতে নিয়ে সিঁড়ি দিয়ে নেমে এলাম আমি৷ নামতেই মহাদেব ঘোষকে চোখে পড়ল৷ কাল রাতে আমি যে সোফাটায় বসেছিলাম সেটাতেই বসে চায়ে চুমুক দিচ্ছেন৷ আমাকে দেখেই তাঁর মুখে অমায়িক হাসি খেলে গেল—

    ‘সকালে গেছিলাম তোমার ঘরে, ভাবলাম কাল রাতে অনেক ধকল গেছে, সকাল সকাল ডেকে লাভ নেই৷’

    ‘তা ধকল গেছে বটে৷ অনর্থক খুড়োর কলের পিছনে ছুটলাম৷’

    আমার দিকে চায়ের কাপ এগিয়ে দিতে দিতে তিনি বললেন, ‘আমি কিন্তু আগেই বলেছিলাম কিছু পাবে না৷ তোমার একগুঁয়েমি৷’

    আমি চায়ে চুমুক দিতে দিতে ভুরু কুঁচকে বললাম, ‘ও ঘরে যে কাগজগুলো নেই তা আমি কাল রাতেই বুঝেছি৷ আচ্ছা সত্যি করে বলুন তো কী করেছেন সেগুলোর?’

    মহাদেব ঘোষ এবার একটা করুণ হাসি হেসে বললেন, ‘সেসব অনেকদিন আগেই বিদায় করে দিয়েছি৷ কুড়ি বছর মহাকাশের পিছনে দৌড়াতে গিয়ে সংসার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছি৷ ভাবলাম যেক-টা দিন বেঁচে আছি আর ওসব নিয়ে ভাবব না৷ উলটে বাড়িতে উটকো লোক এলে তাকে থিসিসের লোভ দেখিয়ে ফাঁদে ফেলতেই আনন্দ বেশি৷’

    ‘যেমন কাল রাতে আমাকে ফেললেন৷’

    ‘আমি কিন্তু ফেলিনি৷ তুমি নিজেই গিয়ে ধরা দিয়েছ৷’

    ‘তা বটে৷’

    আমি মন দিয়ে চায়ে চুমুক দিতে লাগলাম৷ ঘরের ভিতরটা বেশ ঠান্ডা হয়ে আছে৷ কাল রাতের দিকে আবার বৃষ্টি শুরু হয়েছিল৷ রাতে জানলা বন্ধ করেই ঘুমিয়ে পড়েছিলাম৷

    ‘ভেবে দেখলাম তোমারও উদ্দেশ্য সাধু ছিল না৷ আমারও নয়, শোধবোধ হয়ে গেল, কী বল?’

    আমি চা-টা শেষ করে মুখ তুলে বললাম, ‘আচ্ছা মহাদেববাবু, আপনার মতে একটা ভালো ফাঁদের বৈশিষ্ট্য কী?’

    ‘ওই যে কাল রাতে বললাম, শিকার নিজের ইচ্ছায় এসে ধরা দেবে৷’

    ‘উঁহুঁ, আমার মনে হয় একটা ভালো ফাঁদে শিকার বুঝতেও পারবে না সে ফাঁদে পড়েছে৷’

    ‘যাঃ, তা আবার হয় নাকি?’

    ‘কী জানি…’

    চায়ের কাপটা রেখে আমি উঠে পড়লাম৷ ব্যাগটা দু’কাঁধে নিতে নিতে বললাম, ‘আজ চলি তাহলে৷’

    ‘হ্যাঁ সেই ভালো৷ নিজের উপরেই বিশ্বাস হয় না আমার৷ কখন কী ফাঁদে ফেলে দিই৷’

    আমি একগাল হেসে দরজা দিয়ে বাইরে বেরিয়ে এলাম৷ রাস্তাটা গোড়ালি অবধি জলে ঢেকে আছে৷ চলতে গেলে ছপছপ করে আওয়াজ হচ্ছে৷ পাশ দিয়ে মাঝেমধ্যে দু-একটা সাইকেল জল কাটিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে, সেই জলের ঢেউ এসে লাগছে আমার পায়ে৷ সেইভাবে খানিকটা এগোতে মনে হল মোবাইলটা কেঁপে উঠছে৷ সেটা কোনমতে পকেট থেকে বের করে দেখলাম ফোন আসছে৷ রিসিভ করে বললাম—

    ‘বলুন৷’

    ‘পেলে ওগুলো?’

    আমি চারপাশটা একবার দেখে নিয়ে নিচু গলায় বললাম’—

    ‘হুম, পেয়েছি৷’

    ‘জানতাম, তোমাকে কাজ দেওয়া মানে করেই ছাড়বে৷ কত পাতা?’

    ‘শ-দুয়েক হবে৷ কাল সারারাত টুকতে গিয়ে আমার হাত এখনও অবশ হয়ে আছে৷

    ‘কী নিয়ে লেখা?’

    ‘মেনলি সামাজিক৷ তার মধ্যে প্রেম, চাওয়া-পাওয়া, সম্পর্কের টানাটানি এইসবও আছে৷ এটুকু বলতে পারি আপনার কাটতি কম হবে না৷

    ‘সে আর বলতে৷ মহাদেব ঘোষের উপন্যাস বলে কথা৷ পুজোসংখ্যাটা জমে যাবে৷’

    ‘সে জমান৷ আমি আধঘণ্টার মধ্যে যাচ্ছি, টাকাটা রেডি রাখুন৷’

    ফোনটা রেখে দিয়ে পকেটে ঢুকিয়ে নিলাম আমি৷ তারপর আবার জল কাটিয়ে হাঁটতে লাগলাম…

    ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleস্যার, আমি খুন করেছি – প্রচেত গুপ্ত
    Next Article পঁচিশটি গল্প – শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়

    Related Articles

    সায়ক আমান

    মৃত পেঁচাদের গান – সায়ক আমান

    May 15, 2026
    সায়ক আমান

    তালদিঘিতে ভাসিয়ে দেব – সায়ক আমান

    March 23, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    পঁচিশটি গল্প – শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    পঁচিশটি গল্প – শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Our Picks

    পঁচিশটি গল্প – শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026

    সেরা ৪৫ – সায়ক আমান

    May 16, 2026

    স্যার, আমি খুন করেছি – প্রচেত গুপ্ত

    May 15, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }