Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026

    পঁচিশটি গল্প – শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026

    সেরা ৪৫ – সায়ক আমান

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সেরা ৪৫ – সায়ক আমান

    সায়ক আমান এক পাতা গল্প1001 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    দেবলীনার আশ্চর্য ক্ষমতা

    ‘দেবলীনা মুখার্জি৷’

    ‘প্রেজেন্ট স্যার৷’

    নামের পাশে ‘p’ বসাতে বসাতে একবার চোখ তুলে তাকালেন বিনোদবিহারী৷ চশমার উপর দিয়ে জরিপ করে নিলেন বছর দশেকের মেয়েটাকে৷ চেহারায় তেমন কোনও অসুস্থতার ছাপ নেই৷ চশমাটা আঙুল দিয়ে নাকের আর একটু উপরে ঠেলে দিয়ে বললেন, ‘ছ’দিন অ্যাবসেন্ট… সার্টিফিকেট এনেছ?’

    ‘হ্যাঁ স্যার৷’ ঘাড় নীচু করে জবাব দেয় মেয়েটি৷

    ‘কী হয়েছিল?’

    ‘জ্বর৷’

    বিনোদবিহারী স্কুলমাস্টারি করছেন তা-ও বছর ছত্রিশ হতে চলল৷ কোন ছাত্র সত্যি বলছে আর কে মিথ্যে তা গলার স্বর শুনেই বলে দিতে পারেন৷ আর কিছু না বলে রোলকলটা সেরে নিলেন তিনি৷ বোর্ডে একটা সুদ-কষা করতে দিয়ে বেঞ্চের দিকে এগিয়ে এলেন৷ মেয়েটা এখনও ঠায় সেইভাবে বসে আছে৷ বেঞ্চটার পাশে এসে কয়েক সেকেন্ড স্থির হয়ে থাকেন বিনোদবিহারী৷ তিনি জানেন, এই অবস্থায় যে কোনও ছাত্রছাত্রীরই বুক ঢিপঢিপ করে, কান লাল হয়ে ওঠে৷ স্কুলমাস্টার হওয়ার এই আশ্চর্য সুবিধাটুকু অ্যাডভেঞ্চারের মতো উপভোগ করেন তিনি৷

    ‘উঠে দাঁড়াও৷’ কঠিন গলার স্বর শোনা যায়৷

    বিনা বাক্যব্যয়ে উঠে দাঁড়ায় দেবলীনা৷ তার চোখ এখনও নীচের দিকে৷

    ‘হোমওয়ার্ক করেছ?’

    একটুক্ষণ পরে উত্তর আসে, ‘না স্যার৷’

    ‘কেন? সে তো আজ প্রায় এক হপ্তা আগে দিয়েছি৷’

    আর কোনও কথা বলে না মেয়েটা৷ এতক্ষণে বিনোদবিহারীর কান গরম হতে থাকে৷ পড়াশোনায় গাফিলতি তিনি একদম সহ্য করতে পারেন না৷ যে মেয়ে পাঁচ দিন একটানা জ্বরে ভুগেছে, তার চোখ-মুখ এত উজ্জ্বল হয় কী করে? গলার স্বরেও এতটুকু অসুস্থতার চিহ্ন নেই৷ আজকালকার ডাক্তারগুলো কিছু না দেখেই সার্টিফিকেট লিখে দেয়৷ তাদের উপর রাগেই বোধহয় বিনোদবিহারীর হাতটা দেবলীনার কান লক্ষ্য করে উঠে আসে৷ সঙ্গে সঙ্গে একটা অদ্ভুত ব্যাপার ঘটে যায়৷ কোথা থেকে যেন বিড়বিড় করে কতকগুলো চাপা শব্দ ভেসে আসে৷ ষাট ছুঁইছুঁই বিনোদবিহারীর আচমকাই মনে পড়ে যায় ওঁর নিজের ছেলেবেলার কথা৷ অঙ্কে ফেল করে বাড়ি না ফিরে আম গাছের মাথায় টানা দেড় দিন লুকিয়ে থাকার কথা৷ রাগ কমে গিয়ে হাসি পায় ওঁর৷ মেয়েটার মাথায় আদরের হাত রেখে ফিরে আসতে আসতে নিজেই অবাক হয়ে যান তিনি৷ হঠাৎ ও কথাগুলোই বা কেন মনে পড়ল? বিড়বিড় করে শব্দগুলো হতেই… যা-ই হোক, ভাবনাটা মাথা থেকে সরিয়ে রেখে আঙুল দিয়ে আবার নেমে-আসা চশমাটাকে নাকের উপরে তুলে দিলেন অঙ্কের মাস্টার বিনোদবিহারী৷

    টিফিনের সময় স্কুল থেকে বেরিয়েই দেবলীনাকে চোখে পড়ল মিনুর৷ স্কুলের বাইরেই যে লোকটা চাটাই পেতে বসে কাঁচা আমড়া আর ঘটি গরম বিক্রি করে, তার কাছে দাঁড়িয়ে কী যেন কিনছে৷ মিনু দ্রুতপায়ে সেদিকে এগিয়ে গেল৷ ওকে দেখতে পেয়ে অল্প হাসল দেবলীনা৷ তারপর কাগজের ঠোঙা ওর দিকে এগিয়ে দিয়ে বলল, ‘আমড়া খাবি?’

    ‘কাসুন্দি-মাখানো?’ মিনু জিজ্ঞেস করে৷

    ‘নাঃ৷ সরষে খেতে মানা করেছে ডাক্তার৷’

    ‘তাহলে খাবি না?’

    গুনে গুনে একটা এক টাকা আর দুটো দু-টাকার কয়েন লোকটার হাতে ধরিয়ে দিয়ে সামনে হাঁটতে থাকে দেবলীনা৷ মিনু তার পিছু নেয়৷

    ‘তোর তাহলে সত্যি জ্বর হয়েছিল?’

    ‘হ্যাঁ৷’ আমড়া চিবাতে চিবাতে দেবলীনা বলে৷

    ‘ধুর৷ নিশ্চয়ই বুনিপিসির বাড়ি ঘুরতে গিয়েছিলি৷’

    কথাটা শুনে এক মুহূর্তে থমকে দাঁড়ায় দেবলীনা৷ ঠোঙাটা অন্য হাতে চালান করে ডান হাত দিয়ে চেপে ধরে মিনুর হাতটা৷ হাতের তালুটা তুলে এনে রাখে নিজের কপালে৷ সঙ্গে সঙ্গে মিনুর মনে হয় যেন না বুঝে গরম ভাতের হাঁড়িতে হাত দিয়েছে৷ এক্ষুনি ফোসকা পড়ে যাবে৷ চকিতে ছাড়িয়ে নেয় হাতটা৷

    ‘এ কী! এখনও এত জ্বর তোর!’

    দেবলীনা আর কিছু উত্তর দেয় না৷ আগের মতোই হনহন করে হাঁটতে থাকে৷ মিনুর হাতটা এখনও তেতে আছে৷ যতই জ্বর আসুক না কেন, এত গরম হয় মানুষের কপাল? সে আবার দৌড়ে দেবলীনার পাশে চলে আসে৷

    ‘ডাক্তার কী বলেছে তোকে?’

    ‘তোর অত খবরে কী কাজ?’

    ‘শীত করছে না তোর?’

    ‘না৷’

    ‘মাথা ঘুরছে না?’

    ‘না৷’

    ‘শুধু গা গরম? আর কিছু হচ্ছে না?’

    ‘না৷’

    মিনু এমন কিম্ভূত জ্বরের কথা আগে শোনেনি৷ কী তাড়াতাড়ি হাঁটছে দেবলীনা৷ মাটিতে যেন পা পড়ছে না ওর৷ খানিকটা দৌড়েই তাকে ধরতে হচ্ছে৷ এতক্ষণে মাঠের মাঝখানে এসে পড়েছে দু-জনে৷ একটু দূরে স্কুলেরই কতকগুলো ছেলে ইটের উইকেট সাজিয়ে ক্রিকেট খেলছে৷ এতক্ষণ দৌড়োতে দৌড়োতে হাঁফিয়ে গিয়েছিল মিনু, সে পিছন থেকে দেবলীনার জামা টেনে ধরে বলল, ‘দাঁড়া-না ছাতা৷ একটা কথা আছে৷’

    ‘কী কথা?’ আঁটি চুষতে শুরু করেছে দেবলীনা৷

    ‘স্যার যখন তোর কান মলতে যাচ্ছিল, তখন মুখে বিড়বিড় করে কী বলছিলি তুই?’

    কথাটা কানে যেতেই পাথরের মূর্তির মতো স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে পড়ল ও৷ মনে হল, আচমকা কীসের ভয়ে ওর উড়ন্ত পা দুটো আর চলতে চাইছে না৷

    ‘এই কথাটা আর কাকে বলেছিস তুই?’ থমথমে গলায় জিজ্ঞেস করে সে৷

    ‘কাকে আবার বলব?’ এতক্ষণে কিছু একটা রহস্যের গন্ধ পায় মিনু৷ আরও কিছুটা এগিয়ে আসে৷ দু-জনের মুখেই দুপুরের রোদ এসে পড়েছে৷ সারা মাঠ জুড়ে ছড়িয়ে-থাকা ধুলো তাদের ঘামে ভেজা মুখের উপর পুরোনো চাদরের মতো বিছিয়ে রয়েছে৷

    ‘বলব সব,’ আগের মতোই থমথমে গলায় বলে দেবলীনা, ‘কিন্তু তার আগে বল, এসব কথা কাউকে বলবি না৷’

    মিনু ভুরু দুটো একটু কুঁচকে বলল, ‘তা কী করে হয়? প্লুটোকে তো বলতেই হবে…’

    ‘প্লুটো কে?’

    ‘আমার বিড়াল৷ ও কাউকে বলে না৷’

    সাবধানি চোখে আশপাশে তাকায় দেবলীনা৷ ওদের ঠিক সামনেই দাঁড়িয়ে ব্যাট করছে একটা বড়ো ক্লাসের ছেলে৷ তার দিকে একদৃষ্টে তাকিয়ে থাকে কিছুক্ষণ৷ মিনু তার হাত ধরে নাড়া দেয়, ‘কী হল, বল কী বলছিলি?’

    সে কিন্তু একচুলও নড়ে না৷ তার খোলা চোখের পাতার মাঝে মণি দুটো উজ্জ্বল হয়ে জ্বলছে৷ গা-টা আরও গরম হয়ে উঠেছে৷ মিনুর মনে হল, কোথা থেকে যেন হাওয়ার ঝাপটা এসে ওর মুখে লাগছে৷ অদ্ভুত একটা ভয় জড়িয়ে ধরছে৷ তার মাঝেই আবার নীচু গলার সেই শব্দগুলো শোনা গেল, হ্যাঁ! আবার কিছু যেন বলছে দেবলীনা৷ তার বেশির ভাগই বোঝা যায় না৷ একটা অস্পষ্ট শব্দ বারবার কানে আসতে লাগল… স্তাসি… স্তাসি… কী আশ্চর্য! জ্বরের ঘোরে মেয়েটার কি মাথা খারাপ হয়ে গেল? হাতটা ধরে আর-একবার ঝাঁকুনি দিতে গিয়েও থেমে গেল মিনু৷ এর মাঝে অদ্ভুত একটা ঘটনা ঘটে গিয়েছে৷ বল করার জন্য বেশ কিছু দূর থেকে দৌড়ে আসছিল একটা ছেলে৷ অথচ বলটা ছোড়ার ঠিক আগের মুহূর্তে দাঁড়িয়ে পড়েছে সে৷ তার বলসুদ্ধ হাতটা মাথার উপর তোলা৷ একটা পা মাটি থেকে বেশ খানিকটা উঁচুতে৷ যেন অদৃশ্য রিমোট কনট্রোল টিপে কেউ পাথরের মূর্তিতে পরিণত করেছে ওকে৷ বাকি ছেলেগুলো কিছুক্ষণ অবাক হয়ে তাকিয়ে থাকল সেদিকে৷ ছেলেটা যে মজা করছে না তাতে সন্দেহ নেই৷ কারণ কোনও জীবিত মানুষের পক্ষে ওইভাবে দাঁড়িয়ে থাকা সম্ভব নয়৷ একটু পরেই আবার স্বাভাবিক হয়ে মাটিতে আছড়ে পড়ল সে৷ সঙ্গীসাথিরা সবাই একসঙ্গে দৌড়ে গেল ওর দিকে৷

    দেবলীনা দ্রুত কয়েকবার চোখের পাতা ফেলে মিনুর দিকে মুখ ঘুরিয়ে বলল, ‘চল, ছায়ায় গিয়ে বসি৷’

    মিনু কিছু বলল না৷ উত্তেজনায় এখনও ওর পা কাঁপছে৷ ম্যাজিশিয়ানরা মাঝে-মধ্যে হিপনোটাইজ করে মানুষকে দিয়ে ইচ্ছামতো কাজ করিয়ে নিতে পারে৷ কিন্তু দেবলীনা সেটা শিখল কেমন করে? মিনিটখানেক গাছের ছায়ায় বসে বুকের ধুকপুকুনিটা একটু কমে এল মিনুর৷ সে জিজ্ঞেস করল, ‘তুই সত্যি ম্যাজিক শিখেছিস?’

    ‘না তো,’ চোখ বুজে উত্তর দেয় দেবলীনা৷

    ‘তাহলে?’

    ‘কী জানি রে৷ মঙ্গলবার রাতে ছ-মন্দিরের মাঠে একটা উল্কা পড়েছিল না? তো আমি উল্কা দেখব বলে বাবার সঙ্গে মাঠে গিয়েছিলাম৷ ফিরতে ফিরতে খুব জ্বর এল৷ ভীষণ গা গরম৷ উল্কাটা ভালো করে দেখাও হল না৷ ফিরে এলাম৷’

    ‘তারপর?’

    ‘তারপর সারারাত বিছানা থেকে উঠতে পারলাম না৷ জ্বরের ঘোরে ভুল বকছিলাম৷ ডাক্তার বলল, ঠান্ডা লেগে জ্বর এসেছে৷ ওষুধ দিল৷ দু-দিন পরে জ্বরটা সেরেও গেল৷ কিন্তু গা-গরমটা কমল না৷’

    ‘তারপর?’

    ‘রোজ সকালে একটা ওষুধ খেতে হত৷ এত বড়ো ওষুধ যে গিলতেই পারি না৷ সেদিন সকালেও মা জল আর ওষুধ নিয়ে এল৷ দেখেই ভয় লাগল আমার৷ হাত দিয়ে মুখ চেপে বললাম, অত বড়ো ওষুধ আমি খাব না৷ জানতাম কাজ হবে না৷ কিন্তু কী আশ্চর্য জানিস? মা হাসিমুখে ওষুধ নিয়ে চলে গেল৷ প্রথমে ভেবেছিলাম রাগ করে, পরে দেখলাম, মা যেন ভুলেই গিয়েছে কথাটা৷ তারপর থেকেই এরকম হচ্ছে৷’

    ‘কীরকম?’

    ‘ওই যে দেখলি৷ আমি যা বলি, সবাই তা-ই শোনে৷ কী করে হয় তা জানি না৷’

    মিনু কিছুক্ষণ একটানা চুপ করে বসে থাকল৷ অনেক ভেবেও কিছু কিনারা করতে পারল না৷ শেষে গাছের গুঁড়িতে হেলান দিয়ে বসে উদাস মুখে বলল, ‘তার মানে তোর কথা শুনে সবাই চলবে৷ দুপুরবেলা ন্যাড়া ছাদে উঠলে কেউ বকবে না…’

    ‘ঘণ্টা পড়বে এবার৷ উঠে আয়৷’

    দেবলীনার পিছন পিছন মিনুও উঠে এল৷ ওর মাথাটা মাটির দিকে ঝুঁকে আছে৷ কাঁধ নুয়ে পড়েছে৷ পায়ের কাছে পড়ে-থাকা একটা ইটের টুকরোকে লাথি মেরে সরিয়ে দিল৷

    ‘তুই আবার কী ভাবছিস?’

    মুখের উপর এসে-পড়া এলোমেলো চুলগুলো সরাতে সরাতে মিনু বলল, ‘আমড়া সব খেয়ে ফেলেছিস?’

    অল্প হেসে হাতের চাপে চেপটে-যাওয়া কাগজের ঠোঙাটা এগিয়ে দিল দেবলীনা৷

    (দুই)

    সকালে অফিসে যাওয়ার জন্য রেডি হচ্ছিল মহেন্দ্র৷ দরজার কাছে নূপুরের আওয়াজ পেয়ে আঙুলের ফাঁকে আধখাওয়া সিগারেটটা তড়িঘড়ি জানলার বাইরে ফেলে দিল৷ তারপর চুল আঁচড়াতে আঁচড়াতে বলল, ‘আজ ছুটি নাকি?’

    মিনু সোফার উপর ঝাঁপিয়ে উঠে গড়িয়ে পড়ল৷ গুনগুন করে দু-এক কলি গান গাইল৷ সুরটা নিজেরই ভালো লাগল না৷ টেবিলের উপর থেকে বিস্কুটের কৌটোটা তুলে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে দেখল৷ সেটাও ভালো লাগল না৷ আবার গড়িয়ে পড়ে বলল, ‘আজ আমার মনটা ভালো নেই৷’

    ‘বাবা৷ পেট ভালো না থাকলে ছুটি হয় শুনেছি, কিন্তু মন ভালো নেই বলে স্কুল কামাই বাপের কালে শুনিনি৷ তা ভালো নেই কেন?’

    ‘প্লুটোর শরীর ভালো নেই৷ সকাল থেকে যা খাচ্ছে, বমি করে ফেলছে৷’

    ‘আরও মাথায় তোলো বেড়ালকে৷ একে তো চোর, তার উপর পিটপিটে বদমাশ৷’

    মহেন্দ্র প্লুটোকে একেবারে পছন্দ করে না৷ ওর মতে বেড়াল শয়তানের বাহন৷ ডাইনিরাও একখানা করে কালো বিড়াল পুষত৷ সরু গলায় ম্যাও ম্যাও করে মন ভোলালেও এক-একটা হাড়-শয়তান৷ মিনু অবশ্য এসবে তেমন একটা গুরুত্ব দেয় না৷ সে একবার বিছানার উপর ডিগবাজি খাবার চেষ্টা করল৷ কিন্তু তার আগেই মনে পড়ে গেল কালকের কথাটা৷ মহেন্দ্র এতক্ষণে রেডি হয়ে খেতে বসেছে৷ সে জিজ্ঞেস করল, ‘আচ্ছা মহেন্দ্রকাকা, স্তাসি মানে কী বলোতো?’

    ‘মানে হাসিম থাসি? এই তো কোন একটা দেশের প্রেসিডেন্ট হল…’

    ‘আরে ধুর৷ ওসব নয়৷ ধরো, খেলার মাঠে কেউ কাউকে বলল স্তাসি… আর অমনি সে থেমে গেল৷’

    ভাতের উপর ডাল ঢালবে বলে বাটিটা তুলেও নামিয়ে রাখল মহেন্দ্র৷ অবাক চোখে মিনুর মুখের দিকে তাকিয়ে বলল, ‘তোদের স্কুলে গ্রিক পড়ানো হচ্ছে কবে থেকে?’

    ‘জানলে বলো৷ না-হলে আমি চললাম৷’ মিনু বিছানা থেকে নেমে পড়ে দরজার দিকে এগিয়ে যায়৷ মহেন্দ্র তাকে থামিয়ে দিয়ে বলে, ‘ওরে দাঁড়া দাঁড়া, বলছি৷ তোর জ্বালায় তো বিষম খাব দেখছি৷’

    ‘তাহলে বলো৷ এক্ষুনি বলো৷’

    মহেন্দ্র হেসে একটু সামলে নিয়ে বলে, ‘গ্রিক ভাষায় স্তাসি মানে হল থামো বা দাঁড়াও—ওই জাতীয়৷ কিন্তু কথাটা তুই শুনলি কোত্থেকে?’

    মিনু স্থির হয়ে দু-মিনিট ভেবে নিল৷ স্তাসির রহস্য ভেদ করার একটাই উপায়, কিন্তু সেটা করতে গেলে মহেন্দ্রকাকা বুঝে যাবে, সে কিছু একটা দেখেছে৷ দেবলীনাকে দেওয়া কথার খেলাপ করা হবে তাহলে৷ ভেবেচিন্তে সে বলল, ‘একটা গল্পে পড়ছিলাম৷’

    ‘ওঃ! রূপকথার গল্প?’

    ‘হুম…’

    ‘তাহলে গ্রিক রূপকথা৷’

    ‘তা-ই হবে৷ সেখানে একটা বাচ্চা মেয়ে যা বলে, লোকে তা-ই, শোনে৷’

    ‘উঁহুঁ… বাচ্চা মেয়ে নয়৷ দেবী এফ্রোডাইট৷ আর ওই ক্ষমতাটার নাম হল চার্মস্পিক৷’

    ‘সেইটা কী?’

    ‘মানে ওই আর কী… শুধু কথার জাল বিছিয়ে মানুষকে দিয়ে কিছু করিয়ে নেওয়া…’

    ‘আর?’

    মহেন্দ্র হাসে, ‘আমার তো আর বিড়াল নেই, মনও খারাপ হয় না৷ তাই অফিসে যেতে হয় আমাকে৷ তোকে একটা বই দিয়ে যাচ্ছি বরং, পড়ে দেখ৷’

    মহেন্দ্র বুকশেলফ থেকে একখানা মলাটবিহীন জরাজীর্ণ বই বের করে মিনুর দিকে বাড়িয়ে দেয়৷ বলে, ‘আমার ছোটোবেলার বই৷ ছিঁড়িস না আবার৷’

    মিনু বই খুলে পাতা ওলটাতে থাকে৷ শুকনো লেখালেখিতে আগ্রহ নেই৷ ছবি দেখতে থাকে৷ হঠাৎ একটা ছবিতে চোখ আটকে যায়৷ দেবলীনার জ্বরটা যেন কীভাবে হয়েছিল? বইটা আরও কাছে নিয়ে এসে লেখাগুলো পড়ার চেষ্টা করে৷

    (তিন)

    আজ ভূগোল স্যার পরিতোষ বাগচি আসেননি৷ ক্লাসভরতি ছেলেমেয়ের দল যেন ছোটোখাটো একটা মেলা বসিয়েছে৷ একধারে চলছে কাটাকুটির আসর৷ দেওয়ালে অনুপস্থিত পরিতোষ স্যারের মুখ আঁকছে একজন৷ এতসবের মধ্যে মাথা বেঞ্চের উপর রেখে শুয়ে আছে মিনু৷ তার মনটা আজ কালকের থেকেও খারাপ৷ দেবলীনার মতো আশ্চর্য চার্মস্পিকের ক্ষমতা যদি ওরও থাকত তাহলে কী ভালোই না হত৷ মায়ের বকুনি খেতে হত না, বাবাকে দিয়ে নতুন ক-টা গল্পের বই আনিয়ে নিত৷ একটু বুদ্ধি খাটালে হেডস্যারকে বলে স্কুলের সিলেবাস থেকে ভূগোল সাবজেক্টটাই তুলে দেওয়া যেত৷ হতচ্ছাড়ি প্লুটোটা বেড়াল হয়েও ওর কথা শোনে না৷ দু-হাত দিয়ে কান চেপে ধরল ও৷ সঙ্গে সঙ্গে পিঠে কীসের ছোঁয়া লাগতে ফিরে তাকাল৷

    ‘কী রে? কী হয়েছে তোর?’ দেবলীনার গলা৷ মিনু মাথা তুলে একবার দেখে আবার মুখ নামিয়ে নিল, ‘কিছু হয়নি৷ তুই যা এখন৷’

    ‘এদিকে আয়৷ একটা জিনিস দেখাব৷’

    ‘কী জিনিস?’

    ‘আয় না আগে৷’

    হাত ধরে ওকে বেঞ্চের একধারে নিয়ে যায় দেবলীনা৷ তারপর দেওয়ালের উপর সদ্য-আঁকা ছবিটা দেখিয়ে বলে, ‘ওই দেখ৷ পরিতোষ স্যার৷ দিব্যি হয়েছে না?’

    মিনু চাপাস্বরে খিকিখক করে হেসে ওঠে, ‘বাঃ৷ মাকড়সার মতো পা৷ ডাইনোসরের মতো নুলো হাত আর মুখে ওটা বিড়ি? দে তো দেখি পেনসিলটা৷’

    ‘কেন?’

    ‘দে-না বাবা একবার৷’

    মিনুর ছবি আঁকার হাত ভালো নয়, সে এক মিনিট চুপ করে ভেবে ছবিটার পাশেই পেনসিলে লিখতে থাকে,

    পরিতোষ বাগচি/ দিন দিন দেকচি

    তোর মোটা ভুঁড়িখানা ফুলছে৷

    কানে বোবা, মুখে কালা/ নেই বুক, নেই গলা

    কোনওমতে মুন্ডুটা ঝুলছে৷৷

    তারপর দু-পা পিছিয়ে এসে খিলখিল করে হেসে ওঠে দু-জনেই৷ বেশ কিছুক্ষণ হাসাহাসির পর দেবলীনা বলল, ‘চল, গিয়ে বসে পড়ি৷’

    ‘এটা মুছবি না?’

    ‘একটু পরে৷ এখন তো কেউ আসবে না৷’

    বেঞ্চের দিকে সরে আসতে আসতে মিনু কী যেন ভেবে হঠাৎ জিজ্ঞেস করে, ‘আচ্ছা উল্কাটার কত কাছে গিয়েছিলি তুই?’

    ‘খুব কাছে নয়৷ তবে মাটিতে পড়ে অনেকটা গড়িয়ে গিয়েছিল৷ সেই দাগটার উপরে দাঁড়িয়েছিলাম৷’

    ‘হুম…’

    ‘কেন বল তো?’

    মিনু সাবধানি চোখে একবার চারদিকে তাকিয়ে ব্যাগের ভিতরে হাত ঢুকিয়ে দেয়৷ বের করে আনে মহেন্দ্রর দেওয়া মলাটবিহীন রূপকথার বইটা৷ ছবির জায়গাটা সামনে মেলে ধরে বলে, ‘এতে সব লেখা আছে৷ দেখে নে৷’

    ‘আমি এত পড়তে পারি না৷ তুই বল৷’

    মিনুর মুখের বাঁদিকের কোণে একটা চাপা হাসি খেলে যায়৷ মনে মনে কিছু হিসেব কষে নিয়ে সে বলতে থাকে, ‘গ্রিক দেবী এফ… ইয়াফ… কী যেন…’

    বইটার উপর আর-একবার ঝুঁকে পড়ে কিছু দেখে নেয়, ‘হ্যাঁ… এফ্রোডাইট৷ ওর গলার আওয়াজ ছিল এত মিষ্টি যে ও যা বলত, লোকে তা-ই করত৷ অন্য কিছু করার কথা ভাবতও না৷ এই ছিল ওর ক্ষমতা৷ এরকম চলতে চলতে ওর ভক্ত এত বেড়ে গেল যে বড়ো দেবতা অ্যাপোলোর ওকে হিংসা হতে লাগল৷ হিংসায় জ্বলেপুড়ে সে আদেশ দিল যে এফ্রোডাইটকে পুড়িয়ে মারা হবে৷ দুঃখ, কষ্ট আর রাগের মধ্যেও এফ্রোডাইট ঠিক করল, সে প্রতিশোধ নেবে৷ নিজে মরে গেলেও ওর ছেলেমেয়েরা যুদ্ধ করে অ্যাপোলোকে হারিয়ে দেবে৷ পোড়ানোর দিন সে শেষবারের মতো অনুরোধ করে যে ওর শরীরের পোড়া ছাই যেন সারা দুনিয়ায় ছড়িয়ে দেওয়া হয়৷ বুদ্ধিটা অ্যাপোলো বুঝতে পারল না৷ সে তা-ই করল৷ সেই আধপোড়া ছাই আকাশ বেয়ে নেমে আসতে লাগল দিনের পর দিন৷ উল্কার মতো ঝরে পড়তে লাগল৷ সেদিন মাঠে যে উল্কাটা এসে পড়েছিল, সেটা আসলে সেই ছাই৷’

    কথাগুলো শেষ করে একটু দম নিল মিনু৷ ওর গলা শুকিয়ে গেছে৷ দেবলীনার মুখের দিকে একবার আড়চোখে তাকিয়ে নিল ও৷ ওরও চোখ জানলার বাইরে৷ সেদিক থেকে মুখ ফিরিয়ে একবার বইয়ের ছবিগুলো দেখল দেবলীনা দেবী এফ্রোডাইটের সারা শরীর পুড়ছে৷ জ্বলন্ত আগুনের মাঝে ওর পোড়া মুখের এককোণে মিহি একটা হাসি খেলে যাচ্ছে৷ একটা এফ্রোডাইটের আগুন আরও হাজার এফ্রোডাইটের জন্ম দেবে৷ একদিন না একদিন সন্তানদের নিয়ে আবার এখানেই ফিরে আসবে সে৷ মিনু লক্ষ করল, দেবলীনার কপালের ঠিক মাঝখানে একটা ছোট্ট তিল আছে৷ দেবতাদের যেখানে তৃতীয় চোখটা থাকে, ঠিক সেইখানে৷

    কয়েক মিনিট চুপচাপ কেটে গেল৷ ক্লাসের হট্টগোল কখন যে কমে এসেছে তা দু-জনের কেউই বুঝতে পারেনি৷ চটক ভাঙল ভয়ানক একটা চিৎকারে৷ ভয়ার্ত চোখে তাকিয়ে দু-জনে দেখল, ঘরের ঠিক মাঝে হেডস্যার শেখরবাবু দাঁড়িয়ে আছেন৷ আগুনের দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছেন দেওয়ালে আঁকা ছবিটার দিকে৷ একটু আগেই তার পাশে ছড়া লিখেছে মিনু, ‘পরিতোষ বাগচি/ দিনদিন দেখচি…’

    ‘কে? কে করেছে এটা? অপদার্থগুলো৷ স্যারেদের সম্মান করতে শেখোনি, পড়াশোনা করতে এসেছ? ছি৷ সব কবিতা লেখা ছাড়িয়ে দেব আজ৷’

    শেখর সামন্তর চিৎকারটা বোধহয় তিনতলা থেকেও শোনা গিয়েছে৷ গোটা ক্লাস থমথমে৷ মিনু জানে ছবি আঁকার শাস্তিটা বেশি নয়৷ কারণ কার্টুনটা যে স্যারের তা ছবিটা দেখে বোঝা যাচ্ছে না৷ মিনু আর দেবলীনার দিকে বেশ খানিকটা এগিয়ে এলেন হেডস্যার৷ আবার বাজ পড়ার মতো আওয়াজ শোনা গেল৷

    ‘কেউ করেনি? এমনি এমনি উদয় হয়েছে ওটা? বেশ৷ এবার আমি সবার হাতের লেখা মিলিয়ে দেখব৷’

    এতক্ষণে মিনুর বুকে গরম তেলের ফোঁটা পড়তে লাগল৷ ‘র’-এর তলার ফুটকিটাকে একটু বেশিক্ষণ ধরে গোল করে সে৷ মিলিয়ে দেখলে একটুও সন্দেহ থাকবে না ছড়াটা কার লেখা৷ এত ভয়ের মধ্যে আগের মন খারাপটা এসে চেপে ধরল মিনুকে৷ দেবলীনার মতো ক্ষমতা যদি ওরও থাকত তাহলে এক্ষুনি অন্য কাউকে দিয়ে দোষ স্বীকার করিয়ে নিত৷

    ‘মৃন্ময়ী৷ কই, খাতা খোল দেখি৷’ কথাটা বলে শেখর সামন্ত এগিয়ে এলেন মিনুর দিকে৷ কাঁপা-কাঁপা হাতে ব্যাগের ভিতর হাত ঢোকাল ও, কিন্তু থেমে গেল৷ কী যেন ভেবে উঠে দাঁড়িয়েছে দেবলীনা৷ মিনুর একবারের জন্য মনে হল, দেবলীনা মুখে কিছু বললেই হেডস্যারকে আটকে দেওয়া যাবে৷ কিন্তু তাতেই বা কী? এতগুলো মানুষ আছে ঘরে, দেওয়ালের আঁকিবুকি তো আর মুছে দেওয়া যাবে না৷

    ‘ওটা আমি করেছি স্যার৷’ দেবলীনার গলা পাথরের মতো শান্ত৷ মিনুর দিক থেকে চোখ সরিয়ে ওর দিকে দৃষ্টি হানলেন হেডস্যার৷ উপর থেকে নীচ পর্যন্ত একবার জরিপ করে নিলেন৷ গনগনে লাল মুখে কয়েকটা হিংস্র রেখা খেলে গেল৷ ডান হাতটা সজোরে নেমে এল ছোটো মেয়েটার গালে৷

    ‘বেরিয়ে আয় এখানে৷’

    দেবলীনার মুখটা চড় খেয়ে মিনুর দিকে ঘুরে গিয়েছিল৷ মিনু দেখল, সবার আড়ালে ঝকঝকে একটা হাসি খেলা করছে ওর মুখে৷ এমন অদ্ভুত হাসি মিনু আগে কখনও দেখেনি৷ সামনে তাকাতে হাসিটা নিজে থেকেই মিলিয়ে গেল৷ ওর কান ধরে হিড়হিড় করে টেনে নিয়ে গেলেন হেডস্যার৷ অস্পষ্ট গলার স্বরে কাটা-কাটা কয়েকটা শব্দ শোনা গেল, ‘সাত দিন… সাত দিন যেন স্কুলের ধারে-কাছে না দেখি… আর কাল বাবা-মা-কে…’

    মিনুর ভয়ের ভাবটা অনেকক্ষণ কেটে গিয়েছে৷ মনটা খারাপ হয়ে গেল ওর৷ সাত দিন হয়তো দেবলীনার সঙ্গে দ্যাখা হবে না৷ বেঞ্চে তার পাশের জায়গাটা খালি পড়ে থাকবে৷ উফ৷ ওর নিজের যদি ওরকম একটা… কথাটা মাথায় আসতেই এই মন খারাপের মাঝেও একঝলক হাসি খেলে গেল ওর মুখে৷ একটু আগেও তো নিজেই চাইছিল, কেউ ওর হয়ে দোষ স্বীকার করে নিক৷ কেউ বাঁচিয়ে দিক শাস্তির হাত থেকে… বন্ধুত্বের আশ্চর্য ক্ষমতা না থাকলে কি কেউ নিজের ঘাড়ে সব দোষ নিয়ে বাঁচিয়ে দিতে পারে বন্ধুকে?

    জানলা দিয়ে বাইরে তাকাল মিনু৷ একটু একটু করে শীতের বিকেল নামছে৷ স্কুলের বাইরে পিচের রাস্তাটা গিয়ে মিশেছে আকাশের বুকে৷ সেই রাস্তার উপর দিয়ে বাবার হাত ধরে হেঁটে যাচ্ছে দেবলীনা৷ ওর মাথার উপরেই বিকেলের তারাগুলো ফুটে উঠছে একটা একটা করে…

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleস্যার, আমি খুন করেছি – প্রচেত গুপ্ত
    Next Article পঁচিশটি গল্প – শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়

    Related Articles

    সায়ক আমান

    মৃত পেঁচাদের গান – সায়ক আমান

    May 15, 2026
    সায়ক আমান

    তালদিঘিতে ভাসিয়ে দেব – সায়ক আমান

    March 23, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Our Picks

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026

    পঁচিশটি গল্প – শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026

    সেরা ৪৫ – সায়ক আমান

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }