Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026

    পঁচিশটি গল্প – শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026

    সেরা ৪৫ – সায়ক আমান

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সেরা ৪৫ – সায়ক আমান

    সায়ক আমান এক পাতা গল্প1001 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    শর্টকাট

    লাল জামা কালো প্যান্ট পরে, এক কাঁধে কাপড়ের ব্যাগ নিয়ে, চুল ব্যাকব্রাশ করে বাড়ি থেকে বেরতেই দীপুর মনে হল কাজটা বোকামো হয়ে যাচ্ছে৷ ফুটপাথ থেকে দশটাকা দিয়ে কেনা চটি-বইয়ের উপর এতটা বিশ্বাস না করলেই ভালো হত৷ বিশেষ করে বইয়ের লেখকের নামটা মোটেই সুবিধের নয়—বিশ্লেষণ কর৷ ছদ্মনাম কি না কে জানে৷ তবে তার লেখা পুস্তিকাটির নাম শর্টকাট৷ দৈন!rদন জীবনের নানারকম সমস্যা সমাধানের শর্টকাট উপায় বাতলে দেওয়া আছে তাতে৷

    এমনিতে রাস্তাঘাটে কোথাও বইপত্র দেখলে দাঁড়িয়ে পড়া দীপুর স্বভাব৷ কালও ট্রেন থেকে নেমে ম্যাগাজিন কিনবে বলে দোকানের সামনে গিয়ে দাঁড়িয়েছিল৷ এমন সময় চোখে পড়ল ছোটোছোটো রংচঙে বইয়ের ফাঁকে অনুজ্জ্বল পুরোনো বইখানা৷ কেমন যেন মায়া লাগল দীপুর৷ রং উঠে গেছে বলে কারও চোখ পড়ে না তাতে৷ নীচু হয়ে বইটা হাতে নিয়ে উলটেপালটে দেখেছিল দীপু৷ ‘বিশ্লেষণ কর’ ভদ্রলোক নাকি একসময়কার নাম করা মনোবিজ্ঞানী৷ মানুষের কনসাস আর সাবকনসাস মনের যাবতীয় খুঁটিনাটি নাকি তার হাতের মুঠোয়৷ সেই জ্ঞান আর অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়েই জনসাধারণের উদ্দেশে বইটা লিখেছেন তিনি৷

    অন্তত গোটা কুড়ি পরিচ্ছেদে ভাগ করা আছে বইটা—‘ভূতের ভয় ছাড়ানোর উপায়৷’ ‘কাজের চাপেও মাথা ঠান্ডা রাখার উপায়’, এমনকি রাস্তাঘাটে হিসি পেলে কী করে শুধু মনের জোরে সেটাকে চেপে রাখতে হবে তারও উপায় বলা আছে৷ সূচিপত্রটা ভালো করে দেখতে দেখতে একটা জায়গায় চোখ আটকে গেল দীপুর, ‘পছন্দের মানুষকে নিজের ভালোবাসার কথা জানানোর উপায়৷’

    সাতাশ নম্বর পাতা থেকে শুরু হচ্ছে সেটা৷ সেই পাতাটা খুলতেই দেখল ব্যাপারটা নিয়ে দীর্ঘ প্রবন্ধ লিখেছেন বিশ্লেষণ কর৷ বলেছেন—ব্যাপারটা আমরা যতটা সহজ ভাবি ততটা সহজ নয়৷ এগোতে হবে ধীরে ধীরে৷ একটু একটু করে তার অবচেতন মনের ভিতর ঢুকে পড়তে হবে৷ এমনভাবে ঘাঁটি গেড়ে বসতে হবে যে না বলার উপায় আর থাকবে না তার৷ অবশ্য ভদ্রলোক শুধু বিশ্লেষণ করেই খান্ত হননি৷ কীভাবে মনে ভিতরে ঢুকে পড়তে হবে তার অন্তত শখানেক শর্টকাটও বলে দিয়েছেন৷ সেগুলো অক্ষরে অক্ষরে ফলো করলে ফিল্মের হিরোইন থেকে ইংল্যান্ডের রানি পর্যন্ত হ্যাঁ বলতে বাধ্য৷

    দীপুর অবশ্য ফিল্মের নায়ক-নায়িকাদের উপর কোনও ঝোঁক নেই৷ বইটার গায়ে দাম লেখা ছিল কুড়ি টাকা৷ তবে পুরোনো বই বলে দশটাকাতেই দিয়ে দিল দোকানদার৷ সেদিন বইটা পকেটে ঢুকিয়েই বাড়ি এসেছিল দীপু৷ রাতের আগে খুলেও দেখেনি৷ ঘুমাতে যাবার আগে হিয়া একটা মেসেজ করেছিল, সেটা দেখেই আবার বইটার কথা মনে পড়ে গেল তার৷ তড়াক করে বিছানা থেকে উঠে খুলে ফেলল সাতাশ নম্বর পাতা৷ প্রায় এক নিঃশ্বাসে প্রথম থেকে শেষ অবধি খুঁটিয়ে পড়ে ফেলল৷ সত্যি কি কাজে দেবে বইটা? যদি হিতে বিপরীত হয়?

    অবশ্য সেটা জানার একটা সহজ উপায় আছে৷ বইয়ের আঠেরো পাতায় ভূতের ভয় কমানোর উপায় লেখা আছে৷ দরজা জানলা বন্ধ করে ঘরের আলো নিভিয়ে ল্যাপটপে ভূতের সিনেমা চালিয়ে দিল সে৷

    এমনিতে দীপু ভূতে খুব একটা ভয় পায় না কিন্তু কিছুদিন আগেই পাশের বাড়ির ভাড়াটে দাদু মারা গেছেন৷ এই ক-দিনে নাকি বেশ কয়েকবার বাড়ির আশপাশে দেখাও গেছে তাঁকে৷ সেই ভেবেই গা’টা ছমছম করছিল সারাদিন, তার উপরে ভূতের সিনেমা৷ খানিকটা ভয়ই লাগল তার৷

    বইতে লেখা আছে যে ভূতের ভয় তাড়ানোর একমাত্র উপায় হল আরও বেশি করে ভয়ের মুখোমুখি দাঁড়ানো৷ যে ব্যাপারটা এখনও আমাদের কাছে অজ্ঞাত একমাত্র সেটাকেই ভয় পাই আমরা৷ আমাদের অবচেতন মনই ভয়ের মূর্তি তৈরি করে, আর সচেতন মন সেই মূর্তিকে ভয় পায়৷ ব্যাপারটা ভেবে দেখতে ভয়টা খানিকটা কমল দীপুর৷

    বইতে লেখা আছে রাতে একা শুয়ে ভয় পেলে চাদর দিয়ে মুখ ঢাকা না দিতে৷ তাতে নাকি ভয় আরও জমাট বাঁধতে থাকে৷ ঘরের চারপাশে কিছুক্ষণ পায়চারি করল সে৷ নাঃ ভয়টা সত্যি কেটে গেছে৷ মনটা খুশি হয়ে উঠল দীপুর৷ একটা উপায় কাজ করেছে যখন তার মানে বাকিগুলোও কাজ করার সম্ভাবনা আছে৷ আরও ভালো করে সাতাশ নম্বর পাতা থেকে পড়া শুরু করল সে৷ কী করে হিয়ার মনের ভিতরে আস্তানা গাড়তে হবে সেটা গুছিয়ে জানা দরকার৷ সম্ভব হলে কাল থেকেই তাঁবু খাটানো শুরু হয়ে যাবে৷

    মনে মনে দীপু ভাবল ব্যাপারটা অনেকটা এক মাসের ক্রাস কোর্সের মতো৷ একমাস খাটাখাটনি তারপর সার্টিফিকেট৷ আনন্দের চোটে হিয়ার মেসেজটা দেখতেই ভুলে গেছিল সে, এতক্ষণে মোবাইলটা টেনে নিয়ে ইনবক্সটা খুলতেই সেটা চোখে পড়ল, ‘তোর ফিজিক্স বইটা আমার কাছে রয়ে গেছে৷ কাল নিয়ে নিস৷’

    সত্যি আজ সারাদিন বইটার কথা মনেই পড়েনি তার৷ ভেবেছিল রাতে একটু পড়াশোনা করবে, কিন্তু বিশ্লেষণ করের বইটা যে সত্যি কাজ করছে সেটা বোঝার পর থেকে অন্য কোন বইতে আপাতত মন বসবে না তার৷ ল্যাপটপটা বন্ধ করে আবার শুয়ে পড়ল সে৷ ঘুম কিন্তু এল না৷ এমন একখানা দুর্দান্ত কাজের বই লোকচক্ষুর আড়ালে কতদিন পড়ে ছিল কে জানে…

    কিন্তু ঘুম যে আসছে না, এ কী ফ্যাসাদ হল? বিরক্ত হতে গিয়েও হল না দীপু, মনে পড়ল বইটারই এক জায়গায় লেখা ছিল, অনিদ্রা কাটানোর উপায়৷ আলো জ্বেলে আবার বইয়ের উপর হুমড়ি খেয়ে পড়ল সে৷

    আজ রাস্তায় বেরতেই কিন্তু লাল জামা আর কালো প্যান্ট কেমন যেন বেখাপ্পা মনে হল দীপুর৷ তাছাড়া এতদিন সে দু-কাঁধে ব্যাগ নিত৷ আজ টেনে টুনে পুরোনো তেরচা ব্যাগটা ঝুলিয়েছে কাঁধে৷ ব্যাকব্রাশ করেছে বলে কপালে একটু বেশি পরিমাণে হাওয়া লাগছে তার৷ কীরকম যেন অস্বস্তি হচ্ছে৷ তবে বিশ্লেষণ কর শর্টকাটে পরিষ্কার লিখেছেন যে তাঁর এই সমস্ত টোটকা প্রথম প্রথম অস্বস্তিকর মনে হলেও পরে গিয়ে সুফল দেবে৷

    মোড়ের মাথায় দাঁড়িয়ে মুখ তুলে দেখার চেষ্টা করল দীপু৷ হিয়াকে এখনও দেখা যাচ্ছে না৷ এমনিতেই লেট করে মেয়েটা৷

    রাস্তায় মোটামুটি লোকজনের ভিড়৷ সকাল দশটার কাছাকাছি-অফিসটাইম৷ গোটা রাস্তা জুড়ে বাস, রিক্সা, অটো আর দু-একখানা প্রাইভেট গাড়ির মেলা বসেছে৷ যে যার ইচ্ছামতো হর্ন দিচ্ছে৷ বেশিক্ষণ এখানে দাঁড়িয়ে থাকলে এমনিতেই মাথা ধরে যায়৷

    রাস্তা থেকে একটু সরে এল দীপু৷ ঘড়ির দিকে তাকাল একবার৷ পকেট থেকে ফোনটা বের করল৷ কললিস্টে গিয়ে হিয়ার নম্বরটা ডায়াল করতে গিয়েও থেমে গেল৷ বইতে ফোন করা নিয়েও কিছু একটা নির্দেশ দেওয়া ছিল৷ রাতে পড়েছিল, কিন্তু সকালে ঘুম থেকে উঠে ভুলে গেছে৷ ব্যাগের পিছনের চেন থেকে বই বের করে ঊনতিরিশ পাতা খুলে জায়গাটা দেখে নিল সে৷ বড়োবড়ো অক্ষরে লেখা আছে, ‘ছেলেদের গলার আওয়াজ হবে ভারী ও ব্যক্তিত্বপূর্ণ৷ ফচকে ও অপরিণতভাব ফুটে ওঠা উচিত নয়৷’

    ভারী গলাটা একবার প্যাকটিস করে নিয়ে আবার নম্বরটা ডায়াল করল সে৷ বার পাঁচেক রিং হওয়ার পর ওপাশ থেকে গলা শোনা গেল, ‘এই যে এসে গেছি প্রায়৷’

    ‘কতদূর আছিস?’ মোটা গলাটা রাখার চেষ্টা করল দীপু৷ বাড়াবাড়ি হচ্ছে কি?

    ‘এই তো রিকশায়৷’

    ‘রোজ এত দেরি করিস কেন বলতো?’

    ‘রাগ করিস না ভাই আমার৷ আসছি তো৷’

    ‘হু আয় তাড়াতাড়ি৷’

    ফোনটা রাখতে যাচ্ছিল দীপু, আঙুল ছোঁয়ানোর আগেই ওপাশ থেকে আবার গলা শোনা গেল, ‘তোর ঠান্ডা লেগেছে নাকি?’

    ‘অ্যাঁ? কই না তো৷’

    ‘তাহলে গলা ভারী হয়ে গেছে কেন?’

    সঙ্গে সঙ্গে কোনও উত্তর মাথায় এল না দীপুর৷ একটু আমতা আমতা করে বলল, ‘বেশি ঘুমিয়ে৷ তুই আয় তাড়াতাড়ি৷’

    ফোনটা রেখে এদিক ওদিক একটু ঘুরে বেড়াল দীপু৷ রিকশায় আছে বলেছে মানে এখনও বাড়ি থেকে বেরোয়নি৷ সিগারেটের দোকান দেখে একখানা সিগারেট কিনল৷ তারপর চারপাশ দেখে সেটা ঠোঁটের ডগায় রেখে আগুন ধরাতে যাবে, এমন সময় খানিক দূরে রিকশার প্যাক প্যাক শুনে সেদিকে তাকিয়েই হিয়াকে দেখতে পেল সে৷

    ‘ধুর ব্যাঙ৷ দশটাকা নষ্ট৷’

    সিগারেটটা ফেলে দিয়ে খানিকটা এগিয়ে এল সে৷ দীপুকে দেখেই থমকে দাঁড়িয়েছে৷ রিক্সাওয়ালাকে টাকা দিতে দিতে সে বলল, ‘ব্যাপার কী রে? এসব কী পরেছিস?’

    ইতিমধ্যেই দীপুর অস্বস্তিটা বাড়তে শুরু করেছে৷ তাও সেটা মুখে আসতে দিল না সে, ‘ভাবলাম অন্যরকম কিছু করে দেখি৷’

    হিয়া তাকে উপর থেকে নীচ অবধি দেখতে দেখতে বলল, ‘তা বলে এমন বিনোদ খান্নার মতো চুল আঁচড়েছিস কেন? কী বিচ্ছিরি লাগছে৷’

    ‘বিচ্ছিরি লাগছে?’

    হিয়া নিজেই হাত দিয়ে দীপুর চুল নামিয়ে দিল৷ তারপর ভেজা হাতটা জামায় মুছতে মুছতে বলল, ‘কার্টুন মনে হচ্ছে৷’

    মনে মনে বেশ রাগ হল দীপুর৷ বিশ্লেষণ করের টিপস শুরুতেই তাকে গাড্ডায় ফেলেছে৷ রাস্তার ধারের বইকে বিশ্বাস না করলেই বোধহয় ভালো হত৷

    ‘তোর হাতে মিনিট কুড়ি টাইম হবে?’

    ‘আবার মিনিট কুড়ি, এমনিতেই স্যার খেপে আছে আমার উপর৷’

    ‘খেপে আছে কেন?’

    ‘সে অনেক কারণ৷’

    ‘তার মানে যাবি না?’

    ‘তা তো বলিনি৷ কিন্তু কোথায়?’

    ‘এই বাজার অবধি গেলেই হবে৷ তুলি কিনব৷’

    ‘বেশ৷ চল৷’

    বাসরাস্তা থেকে খানিকটা দূর দিয়ে হাঁটতে শুরু করল দু-জনে৷ হিয়ার চেহারাটা ছোটোখাটো৷ ফ্যাকাসে রক্তহীন মুখ, রোগাটে৷ সরু ফ্রেমের একখানা চশমা পরে সে৷ এই মুহূর্তে তার এক হাতে রুমাল৷ সেটা দিয়ে থেকে থেকে মুখটা মুছে নিচ্ছে৷ রাস্তা দিয়ে গমগমে ছুটে চলা বাসের ধুলো উড়ে আসছে ওদের দিকে৷ প্যান্টটা মোটেই ফিট হয়নি দীপুর৷ একটু হাঁটতেই মনে হচ্ছে পায়ের উপর চেপে বসেছে সেটা৷

    ‘তোর বইটা নিয়ে নে৷ আমার ব্যাগে আছে৷’

    মনে মনে কী যেন ভাবছিলু দীপু, কথাটা শুনে হিয়ার দিকে তাকিয়ে বলল, ‘অ্যাঁ? কী বই?’

    ‘কাল মেসেজ পাঠালাম যে, ফিজিক্স বইটা আমার কাছে৷’

    ‘ও থাক এখন৷ কোচিংয়ে গিয়ে নেব৷ আমার ব্যাগ এমনিতেই ভারী৷’

    ‘কাল রাতে কী করছিলি বলতো? একটা রিপ্লাই অবধি দিলি না৷’

    ‘একটা বই পড়ছিলাম৷’

    হিয়া কিছু একটা জিজ্ঞেস করতে যাচ্ছিল৷ এমন সময় তার মোবাইলটা বেজে উঠল৷ সেটা পকেট থেকে বের করে রিসিভ করল হিয়া৷ তারপর দ্রুত পায়ে খানিকটা এগিয়ে গেল৷ দীপু মনে মনে ভাবতে লাগল এইরকম অবস্থায় কী নির্দেশ দেওয়া ছিল বইটায়৷ ‘মেয়েটিকে অবচেতন মনে এটা বুঝিয়ে দিন যে সে আপনার কাছে অপরিহার্য নয়৷ যদি তা না বোঝাতে পারেন তাহলে আপনার গুরুত্ব কমবে বই বাড়বে না৷’

    ব্যাপারটা ভেবে দেখল দীপু৷ কথাটা খারাপ নয়৷ যেটা আমরা নিশ্চিত বলে ধরে নিই সেটার প্রতি বিশেষ কোন টান জন্মায় না৷ ভাবতে ভাবতে কয়েক সেকেন্ড হাঁটার পর দীপু দেখল এতক্ষণে ফোন রেখে দিয়েছে হিয়া৷ সে তাড়াতাড়ি তার পাশে গিয়ে একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলল, ‘ভাবছি কাল থেকে আর তোর সঙ্গে যাব না৷’

    ‘কেন?’

    উত্তরটা আগে থেকেই সে ভেবে রেখেছিল, ‘এই যে এত দেরি করিয়ে দিস৷’ হিয়া দু-সেকেন্ড চুপ করে থেকে বলল, ‘ঠিকই বলেছিস৷ আমার জন্য স্যারের কাছে ঝাড় খাস তুই৷’

    আর কিছু উত্তর দিল না দীপু৷ বিশ্লেষণ করের কথা শুনে এখনও অবধি খারাপ বই ভালো কিছু হয়নি৷ এভাবেই যদি চলতে থাকে তাহলে কাল থেকে হিয়ার সঙ্গেও দেখাও বন্ধ হয়ে যাবে৷

    নিজেকে বড্ড বোকা মনে হল দীপুর৷ একটা চটি বইয়ের কথা শুনেই গোলমাল হয়ে গেল৷ এখনও ব্যাগের পিছনের চেনে রাখা আছে সেটা৷ কাল রাতে শর্টকাটগুলো প্রায় মুখস্থ হয়ে গেছিল৷ আজ কিন্তু মাঝেমাঝেই গুলিয়ে যাচ্ছে পয়েন্টগুলো৷

    ‘কী বই পড়ছিলিস বললি না তো৷’

    মনে মনে বইটার কথা ভাবতে ভাবতে হিয়ার কথা খেয়ালই করেনি দীপু৷ এখন মুখ তুলে বলল, ‘কী?’

    ‘কিছু একটা হয়েছে তোর আজ৷ কী বই পড়ছিলি?’

    ‘ওই একটা গল্পের বই৷’

    ‘কী গল্পের বই?’

    বিশ্লেষণ করের বইতে লেখা ছিল মেয়েরা ভালো ইংরাজি জানা ছেলেদের পছন্দ করে৷ এদিকে দীপু চিরকালই ইংরাজিতে কাঁচা৷ সে বেশ বুঝতে পারল এইমুহূর্তে একটা ইংরাজি বইয়ের নাম বলা উচিত, কিন্তু শত চেষ্টা করেও কোনও বইয়ের নাম মনে পড়ল না তার৷ খুব ক্ষীণ একটা গল্প মনে পড়ল বটে৷ তবে সেটা মায়ের কাছে শোনা৷ কস্মিনকালেও বইটা নিজে খুলে দেখেনি৷

    ‘গালিভার ট্রাভেলস৷’

    ‘সেই লিলিপুটদের গল্পটা না? আমিও পড়েছিলাম কিন্তু মানে পড়ছে না৷ কার লেখা যেন৷’

    মনে মনে প্রমাদ গুনল দীপু৷ কপাল ঘামে ভিজে উঠল তার৷ গল্পের বইটার নাম যে ঠিক ঠিক বলতে পেরেছে এই ঢের, তার উপর আবার লেখক৷ প্রথম দিনই ইংরেজি কপচানোটা কাঁচা কাজ হয়ে গেছে৷ আজ বাড়ি গিয়েই আরটিক্যাল প্রিপোজিশন থেকে শুরু করতে হবে৷ কিন্তু এখন কী হবে? দুরুদুরু বুকে সেকেন্ড গুনতে লাগল সে৷

    ‘এ বাবা! তোর শরীর খারাপ লাগছে নাকি? এত ঘামছিস কেন?’

    ‘তা খানিকটা লাগছে…’ দীপু পকেট থেকে রুমাল বের করল৷ হিয়া সেটা দেখে অবাক হয়ে বলল, ‘একী রে! তুই নিজের রুমাল ইউজ করছিস কবে থেকে? এতদিন তো আমারটা দিয়ে চালাতিস৷’

    ঘাম মুছতে মুছতে দীপু বলল, ‘এক রুমাল দু-জন ইউজ করলে তাদের ঝগড়া হয়৷’

    ‘সে তো এমনিও হয়৷’

    রুমালটা ভাঁজ করে আবার পকেটে ঢুকিয়ে হাঁটতে লাগল দীপু, হিয়াকে চিন্তিত দেখাল, ‘এমন বই পড়লি যে শরীর খারাপ করে গেল! অবশ্য কেমিস্ট্রি বইটা পড়লে আমারও করে বটে-কিন্তু তুই তো বলছিস গল্পের বই৷’

    দীপু আর উত্তর দিল না৷ শখানেক শর্টকাট একসঙ্গে মনে রাখা সম্ভব নয়৷ বিশেষ করে ইংরেজিতে হোঁচট খাবার পর থেকে তার সব মেমোরি একে অপরের ঘাড়ের উপর পড়ে ঘোঁট পাকিয়ে রয়েছে৷ আর একবার বইটা খুলে ঝালিয়ে নেওয়া দরকার৷ কিন্তু হিয়া সামনে থাকলে সেটা করাও যাবে না৷

    মিনিট দশেক হাঁটার পর বাজারের সামনে এসে দাঁড়াল দু-জনে৷ বেশ বড়োসড়ো বাজার৷ চাইলে এখানে ডাইনোসরের ডিম থেকে বাঘের দুধ অবধি সবকিছুই পাওয়া যায়৷ পড়াশোনার জিনিসপত্রের জায়গাটা অবশ্য ছোটো৷ সেদিকেই এগিয়ে গেল দু-জনে৷

    একবার ঘড়িতে সময় দেখে নিল দীপু৷ ইতিমধ্যে দেরি হয়ে গেছে৷ হোক গে, কাল থেকে তো একাই যাবে, আর দেরি হবে না৷ একটা বইখাতার দোকানের দিকে এগিয়ে গেল হিয়া৷ সঙ্গে সঙ্গে দীপুর চোখে পড়ল দোকানটার ঠিক পাশের ছোটো চট পেতে একটা লোক ফুল বিক্রি করছে৷ নানারকম ফুল, বেশিরভাগের নামই দীপু জানে না৷ তার মধ্যে লাল গোলাপও চোখে পড়ল৷

    বিশ্লেষণ করের বইতে গোলাপ নিয়ে প্রায় এক পাতা লেখা আছে— কখন দেওয়া যেতে পারে, কীভাবে দেওয়া যেতে পারে এবং দেওয়ার সময় ঠিক কী ধরনের ভাবভঙ্গি মুখে থাকবে—সব কিছু৷

    দীপুর মনে হল একখানা গোলাপ এখন কিনে নিলেই ভালো হত৷ কিন্তু হিয়ার সামনে সেটা করতে গেলেও প্রশ্নের মুখে পড়তে হবে৷ ব্যাপারটা মাথা থেকে সরিয়ে চারপাশে তাকাল সে৷ তাদের ঠিক উলটোদিকেই একটা পাবলিক টয়লেট আছে৷ সেটা চোখে পড়তেই একটা বুদ্ধি খেলে গেল দীপুর মাথায়৷ সে হিয়ার কাঁধে একটা টোকা দিয়ে বলল, ‘তুই তুলি কেন৷ আমি একটু বাথরুম করে আসি৷’

    ‘আচ্ছা যা৷ দেরি করিস না৷’

    ‘করব না৷’

    বাথরুমের দরজা বন্ধ করেই ব্যাগ থেকে বইটা বের করে ফেলল সে৷ দ্রুত চলে গেল সাতাশ পাতায়৷ চোখ বুলিয়ে শর্টকাটগুলো ঝালিয়ে নিতে লাগল৷ ইতিমধ্যেই একটা ভুল করে ফেলেছে৷ বইতে বলছে আপনারা যদি রাস্তার ডানদিক দিয়ে হাঁটেন তবে মেয়েটি থাকবে আপনার ডানদিকে৷ আর বাঁদিক দিয়ে হাঁটলে বাঁদিকে৷ দীপু ভেবে দেখল এতটা রাস্তা বাঁদিক দিয়েই হেঁটে এসেছে তারা, হিয়া ছিল তার ডানদিকে৷

    মাথা নাড়তে নাড়তে সে পরের পাতা ওলটাল৷ উপরের দিকে লেখা আছে, ‘মেয়েটি আপনাকে পছন্দ করে কি না তা জানার উপায়…’

    মন দিয়ে জায়গাটা পড়তে লাগল দীপু,

    ‘মেয়েটিকে বলুন একটি কাল্পনিক প্রজাপতির কথা ভাবতে৷ তারপর বলুন সেই প্রজাপতিতে রং করতে৷ যদি দেখেন প্রজাপতির রং সে বলছে লাল তবে নিশ্চিত হোন সে আপনাকেই পছন্দ করে৷ নীল হলে বন্ধু, হলুদ হলে ভালো বন্ধু, কমলা, সবুজ ও অন্যান্য উজ্জ্বল রং হলে আপনাকে সে কাছের মানুষ বলে মনে করে৷ যদি কালো হয় তবে মেয়েটির আশা ত্যাগ করাই বাঞ্ছনীয়৷’

    মনে মনে দীপু ভাবল ব্যাপারটা কাজে দিতে পারে৷ আর কিছু না হোক একটা ফয়সালা অন্তত হবে৷ পয়েন্টগুলো আর একবার ঝালিয়ে নিয়ে সে বাথরুম থেকে বেরিয়ে এল৷ হিয়ার তুলি কেনা হয়ে গেছে৷ উদগ্রীব হয়ে অপেক্ষা করছিল সে৷ দীপু বেরিয়ে আসতেই পা চালাতে চালাতে বলল, ‘বড্ড দেরি হয়ে গেল রে, আসলে তুলিটা আজ খুব আর্জেন্ট ছিল৷’

    বাজার থেকে বেরনোর আগে ফুলগুলোর দিকে আর একবার দেখে নিল দীপু৷ বিশেষ করে লাল গোলাপগুলো৷ আজকের দিনটা খুব একটা ভালো যাচ্ছে না৷ অন্তত শর্টকাট এখনও কোনও ফল দেখায়নি৷ ব্যাজার মুখে সে হিয়ার ডানপাশে গিয়ে হাঁটতে লাগল৷

    বাজার থেকে স্যারের বাড়ি মিনিট দশেকের রাস্তা৷ অর্ধেকটা সময় চুপচাপই কেটে গেল৷ মাঝে এক দু-বার হিয়া জিজ্ঞেস করেছে তার শরীর ঠিক লাগছে কি না৷ দীপু মাথা নেড়ে জানিয়েছে আগের থেকে খানিকটা সুস্থ লাগছে৷ বাড়ির সামনে এসে হিয়া একটু থমকে দাঁড়িয়ে বলল, ‘তুই আগে যা৷ আমি তোর পরে ঢুকলে তোর উপর ঝাড় কম পড়বে৷’

    ‘না থাক৷ দু-জনেই খাব যখন, ভাগ করে খাব৷’

    হিয়া মাথা নাড়িয়ে সিঁড়ি দিয়ে উঠতে লাগল৷ তিনতলায় স্যারের কোচিং৷ দোতলার সিঁড়ি উঠে এসে কী যেন ভেবে দীপু বলল, ‘আচ্ছা একটা কথা বল তো৷’

    ‘কী কথা?’ হিয়া অল্প হাঁপাতে হাঁপাতে বলল৷

    ‘ধর তোকে যদি বলি একটা প্রজাপতি কল্পনা করতে?’

    দীপুর দিকে এগিয়ে এল হিয়া৷ তারপর ভুরু কুঁচকে ভালো করে মুখের দিকে তাকিয়ে বলল, ‘তোর আজ কী ব্যাপার বল তো? শরীর খারাপ না মাথাটা গেছে?’

    ‘কেন?’

    ‘লাল নীল জামা পরছিস, রুমাল নিচ্ছিস, ইংরেজি উপন্যাস পড়ছিস, আবার এখন বলছিস প্রজাপতি ভাবতে!’

    ‘আহা যা বলেছি কর না৷’ দীপু বিরক্ত হয়ে বলে৷

    ‘আচ্ছা নে, ভাবলাম৷’

    ‘এবার ওটায় রং কর৷’

    ‘যে কোনও রং?’

    ‘হ্যাঁ৷’

    ‘বেশ৷ তাও করলাম৷’

    দীপু মনে মনে কিছু হিসেব করে নিয়ে বলল, ‘কী রং করলি?’

    ‘আলাবামা ক্রিমসন৷’

    ‘অ্যাঁ?’

    ‘অ্যাঁ কী? আলাবামা ক্রিমসন৷’

    দীপুর মনে হল এর থেকে গল্পের বইয়ের নামটা সহজে তার মুখে এসেছিল৷ ‘সেটা আবার কী রং?’

    ‘হয় একরকমের৷ আমার আঁকার বই থাকলে দেখিয়ে দিতাম৷’

    দীপুর মনে হল এর থেকে সরাসরি কালো বলে দিলে ভালো হত৷ অন্তত কিছু একটা ফয়সালা হত৷ বিশ্লেষণ কর মনোবিজ্ঞানে পিএইচডি করলেও রং নিয়ে বেশিদূর এগতে পারেনি৷ হতাশ হয়ে সে ঘরের দরজার দিকে পা বাড়াল৷

    ‘ভুলে গেলি তো? এক্ষুনি আবার ঝাড় খাবি৷’ পিছন থেকে বলল হিয়া৷

    ‘কী?’

    ‘ফিজিক্স বইটা৷ কাল থেকে খুলিসনি সেটা স্যারের বুঝতে একটুও দেরি হবে না৷’

    ‘ও হ্যাঁ৷ কই দে৷’

    ‘আমার ব্যাগের পিছনের চেনে আছে৷ নিয়ে নে৷’

    হিয়ার পিছনে এসে ব্যাগের চেনটা খুলে ফেলল দীপু৷ বেশ কয়েকটা মোটাসোটা বই প্রথমেই চোখে পড়ল৷ নিজের ফিজিক্স বইটা টেনে বের করতেই অদ্ভুত একটা জিনিসে চোখ আটকে গেল দীপুর৷ এতগুলো ভারী বইয়ের ফাঁকে একটা পাতলা চটি বই৷ নিঃশব্দে সেটা একটু উপরে তুলতেই বইটা চিনতে পারল দীপু—শর্টকাট, লেখক বিশ্লেষণ কর৷ কিন্তু এ বইটা হিয়ার কাছে… মুহূর্তে সমস্ত ব্যাপারটা পরিষ্কার হয়ে গেল তার কাছে৷ একই বইয়ের আর একটা কপি হিয়ার কাছেও ছিল৷ তবে কি বইয়ের সব ক-টা পয়েন্ট হিয়া আগে থেকেই জানত? এতক্ষণ কি তবে… বইটা রেখে দিয়ে দীপু ব্যাগের চেনটা আবার আটকে দিল৷ হিয়া মাথা নীচু করে দ্রুত তার হাতে কিছু একটা গুঁজে দিয়ে দরজার পাল্লা ঠেলে ভিতরে ঢুকে গেল৷ ঘটনার আকস্মিকতায় চমকে গেছিল দীপু৷ এতটা রাস্তা তবে সবই জানত মেয়েটা? ইস… কী বিশ্রীভাবে বোকা হয়েছে সে৷ লজ্জায় দীপুর মুখ লাল হয়ে উঠল৷ হঠাৎ হিয়ার হাতে গুঁজে দিয়ে যাওয়া জিনিসটার কথা মনে পড়ল তার৷ খবরের কাগজে মোড়া লম্বাটে কিছু একটা৷ মোড়কটা ধীরে ধীরে খুলে ফেলতেই দীপুর মুখের লাল রংটা আরও গাঢ় হয়ে উঠল৷ একটা সদ্য কেনা তাজা টকটকে লাল গোলাপ৷ হাসি মুখে গোলাপটা ব্যাগের ভিতরে ঢুকিয়ে চটি বইটা বের করে আনল সে৷ তারপর বারান্দার জানলা গলিয়ে সেটা ছুঁড়ে ফেলে দিল নীচে…

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleস্যার, আমি খুন করেছি – প্রচেত গুপ্ত
    Next Article পঁচিশটি গল্প – শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়

    Related Articles

    সায়ক আমান

    মৃত পেঁচাদের গান – সায়ক আমান

    May 15, 2026
    সায়ক আমান

    তালদিঘিতে ভাসিয়ে দেব – সায়ক আমান

    March 23, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Our Picks

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026

    পঁচিশটি গল্প – শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026

    সেরা ৪৫ – সায়ক আমান

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }