Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026

    পঁচিশটি গল্প – শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026

    সেরা ৪৫ – সায়ক আমান

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সেরা ৪৫ – সায়ক আমান

    সায়ক আমান এক পাতা গল্প1001 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    বিরহিণী

    আজ সকাল থেকেই ক্লাসরুমের ভিতরে একটা রণক্ষেত্র শুরু হয়ছে৷ বাঁকাটেরা সরু মুখওয়ালা ভয়ংকর কতগুলো রেখা গিয়ে বিঁধছে কারও মাথায় কারও বুকে কারও চোখে, তাদের কোনওটা সাইন কোনওটা কস কোনওটা আবার এক বিদঘুটে চেহারার ইকুয়েশন৷ ব্ল্যাকবোর্ডের সামনে উদ্যত চক নিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন উপেন ঘোষ৷ এই লিখছেন এই মুছছেন, স্ট্রেটলাইনকে কেটেকুটে বের করে আনছেন অ্যাকিউট অ্যাঙ্গেল, তাকেও ভেঙে ফেলছেন ভেক্টরে৷ উপরের ফোরস নীচের ফোরস, সেখানেও থেমে থাকছেন না৷ x আর y অ্যাক্সিসেই সীমাবদ্ধ না থেকে প্রায় জোর করে ব্ল্যাকবোর্ড থেকে বের করে আনছেন z অ্যাক্সিসকে৷ প্রথম দশ মিনিট আমিও বোঝার চেষ্টা করেছিলাম, তারপর আর মনকে ব্যস্ত করিনি৷ ব্লাকবোর্ডে আছাড় খেতে খেতে চকটা মাঝে মধ্যেই ক্যাঁচ ক্যাঁচ শব্দ করছে৷ এদিকে আমার অবস্থাও ওই চকটার মতোই৷ পাশে হারু খাতা বাগিয়ে বসেছিল৷ বুঝলাম বোর্ড দেখে খানিকক্ষণ সে কপি করার চেষ্টা করেছিল৷ তারপর হাল ছেড়ে দিয়েছে৷ আমার দিকে ফিরে বলল, ‘মালটা আজ খেপে গেছে৷’

    ‘কেসটা কী বলত?’ আমি নীচু গলায় জিজ্ঞেস করলাম৷ ‘কী জানি৷’ বলে সে ভুরু কুচকে একদৃষ্টে সামনে তাকিয়ে থাকল৷ আমার বিরক্তি লাগল৷ জানলার বাইরের পৃথিবীটা যেন ক্লান্ত দুপুরের রোদ মেখে ঘুমিয়ে আছে৷ রাস্তাঘাট ফাঁকা৷ চারপাশের বাড়িগুলো যেন খাঁ খাঁ করছে৷ রাস্তার ধার ঘেঁষে লম্বা লম্বা গাছের সবুজ পাতায় ঝকঝকে রোদ ঝিমিয়ে রয়ছে৷ সল্টলেকের রাস্তাঘাট এমনিতেই শুনশান, এই নির্জন দুপুরে ফুটপাথে দু-একটা ঘুমন্ত কুকুর ছাড়া জনপ্রাণী চোখে পড়ে না৷ হঠাৎ একটা ব্যাপার আমার চোখে পড়ল৷ আমাদের ক্লাসরুমের জানলা দিয়ে রাস্তার ওপারের একটা অ্যাপার্টমেন্টের খানিকটা অংশ দেখা যায়৷ সেখানে চোখ পড়তে দেখলাম—ফ্ল্যাটের বারান্দায় একটা মেয়ে এসে দাঁড়িয়েছে৷ মুখটা যদিও অন্যদিকে ফিরিয়ে আছে, তবু বোঝা যায় বয়সে আমাদের মতোই হবে৷ বোধহয় ওই ফ্ল্যাটটাতেই থাকে৷ আমি সেদিকে বেশ কিছুক্ষণ তাকিয়ে থাকলাম৷ বারান্দার রেলিঙের উপর একটা কফির কাপ রাখা আছে৷ সেটাকে হাতে তুলে মাঝে মাঝে ঠোঁটে ঠেকাচ্ছে৷ তারপর আবার সেটা রেলিঙের উপর রেখে কী যেন ভাবছে৷ পিঠ বেয়ে খয়েরি চুলের ঢল নেমেছে৷ আমি সেদিকে বেশ কিছুক্ষণ একমনে তাকিয়েছিলাম৷ উপেনবাবুর গলাটা যেন বহুদূর থেকে ভেসে আসছে৷ এমনসময় পেটে খোঁচা লাগল৷ জানলা থেকে মুখ ফিরিয়ে বুঝতে পারলাম, আঙুলটা হারুর৷ মুখে কিছু বলল না সে৷ শুধু ভুরুটা তুলে আমাকে সামনের দিকে দেখিয়ে দিল৷ আমি সেদিকে তাকিয়ে দেখলাম উপেন ঘোষ আমার দিকে বিস্ফারিত নেত্রে তাকিয়ে আছে! এর আগে কী হয়েছে আমি কিছুই জানি না৷ একবার ঢোঁক গিলে বললাম, ‘হ্যাঁ… হ্যাঁ স্যার!’

    ‘আমি কী পড়াচ্ছিলাম?’

    ‘কেন, ভেক্টর স্যার৷’

    ‘হুউ, বাইরে ওরকম হাঁ করে তাকিয়ে ছিলে কেন?’

    আমি আড়চোখে ক্লাসে বাকিদের দিকে তাকালাম৷ আমি যে কেন তাকিয়েছিলাম সেটা আর কেউ দেখেছে কি না জানি না৷ এবারে কিন্তু সবার চোখ জানলা দিয়ে বাইরে চলে গেল৷ আমি দুরু দুরু বুকে সেদিকে তাকিয়ে দেখলাম, বারান্দা ফাঁকা৷ স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেললাম, উপেনবাবু আবার বোর্ডের দিকে ফিরে বললেন, ‘অত প্রকৃতি বিলাসী হলে চলবে? বসো, বসো৷’

    আমি ধীরে ধীরে বসে পড়লাম৷ এবং বসতেই আবার হারুর আঙুলের খোঁচা৷ আমি তার দিকে ফিরে দেখলাম তার চোখদুটো ব্লাকবোর্ডের উপর স্থির৷ সেদিকে তাকিয়েই যেন বিড়বিড় করে কিছু বোঝার চেষ্টা করছে এমন ভাবে বলল, ‘জানলার বাইরে কী দেখছিলি শালা?’

    ‘ওই একটা পাখি৷’ আমি আমতা আমতা করলাম, ‘গাছটায় বসে ছিল৷’ ‘পাখিই বটে৷ তবে গাছে নয়, ব্যালকনিতে দাঁড়িয়ে চা খাচ্ছিল, শা…ল্লা৷’

    হারুর ভালো নাম হরনাথ সোম৷ আমরা এমনিতে ছাত্র হিসেবে খারাপ না, কিন্তু অল্প বয়সে নানা দিকে মাথা দিতে গিয়ে কোনওটাই ঠিকমতো হত না৷ বিশেষ করে ইলেভেনে ওঠার পর থেকে পড়াশোনার জগৎটাকে বড্ড বেশি ম্যাড়ম্যাড়ে লাগে৷ সকাল থেকে চিবিয়ে যাওয়া চিউইংগামের মতো৷ গালভারী সাবজেক্টের বইগুলোর এমন খোদার খাসির মতো চেহারা যে ওগুলো পড়ে নয়, কাগজের দরে বিক্রি করে ভালো আমদানি হয়৷ আরও বড়ো তঞ্চকতা বই-এর আইসক্রিম, চকোলেটের ছবিওয়ালা কভারগুলো৷ দেখলে মনে হয় যেন রান্না শেখার বই৷ হারু অবশ্য মাথা খাটিয়ে এর একটা সমাধান বের করেছে৷ মোটা বইগুলোকে ব্লেড দিয়ে লম্বালম্বি কেটে মোট আটটা খণ্ডে ভেঙে নিয়েছে, তাতে পড়তেও সুবিধা, টুকতেও৷ তবে মাঝখানের কয়েকটা আলগা পাতা সেই ক্ষুদ্র বন্ধনের মোহ কাটিয়ে বিবাগী হয়ছে৷ ফিজিক্সের কোনও শক্ত প্রশ্নের উত্তর জানা না থাকলে সেই উত্তর যে ওই কটা পাতাতেই লেখা ছিল সন্দেহ করে সে হতাশ হয়ে পড়ে৷ যাই হোক মোটকথা বইখাতাকে আমরা একরকম এড়িয়েই চলি৷ তা বলে স্কুলে আসতে খারাপ লাগে না৷ ছুটি হবার পর বেশ কিছুক্ষণ মাঠে ক্রিকেট খেলি৷ তারপর আলো কমে এলে, আমাদের নীল ইউনিফর্ম ধুলোয় ধূসর হয়ে গেলে সারাদিনের ক্লান্তি গায়ে মেখে বাড়ি ফিরি৷

    আজও ছুটির পর মাঠে খেলছিলাম৷ আমি উইকেটকিপার, সাধারণত বল আমি করি না; পারি না তা কিন্তু নয়৷ আসলে উইকেটকিপার আর ব্যাটসম্যানের জায়গাটা বাদ দিয়ে মাঠের বাকি অংশটাকে দুপুরের গনগনে রোদ তাতিয়ে রাখে৷ সে রোদে দৌড়াদৌড়ি করে মাথা গরম করার ইচ্ছা আমার হয় না৷ যাই হোক আজ দাড়ি ব্যাট করছিল, আমি যথারীতি উইকেটের পিছনে৷ ওপাশ থেকে বল করতে আসছে গুলি৷ ম্যাচ টানটান উত্তেজনার মুহূর্তে, এমন সময় কভার থেকে হারু হাঁ হাঁ করে উঠল৷ দাড়ি থতমত খেয়ে জিজ্ঞেস করল, ‘কী হল রে?’

    হারু উত্তর না দিয়ে আমার কাছে এগিয়ে এসে বলল, ‘ব্যাটটা নে৷’

    আমি তার কথার মানে বুঝতে পারলাম না, জিজ্ঞেস করলাম, ‘কেন? দাড়ি তো ব্যাট করছে৷’

    ‘দাড়ি ব্যাট করে কী করে নেবে? উপরে দেখ৷ পাখি৷’

    আমি পিছন ফিরে উপরে তাকিয়ে দেখলাম সেই ব্যালকনিটায় আবার সেই মেয়েটা এসে দাঁড়িয়েছে৷ আগে সে একটা সবুজ রঙের গাউন পরে ছিল এখন একটা পার্পল শার্ট পরে আছে৷ আনমনা হয়ে তাকিয়ে আছে মাঠের দিকে৷ এবার কিন্তু আমি আর বোকার মতো দাঁড়িয়ে থাকলাম না৷ তড়িঘড়ি গিয়ে হারুর হাত থেকে ব্যাটটা নিয়ে বীরদর্পে দাঁড়ালাম উইকেটের সামনে৷ দাড়িও প্রতিবাদ করল না৷ মেয়েটা তো আর সারাবিকেল ব্যালকনিতে দাঁড়িয়ে থাকবে না৷ হারু নীচু গলায় গুলিকে নির্দেশ দিল, ‘ওরে লোলা দে, লোলা৷’ পিছন থেকে দাড়ির নির্দেশ ভেসে এল, ‘ব্যাটটা বাঁহাতে ধর ছাগল, নাহলে চোখে পড়বে না৷’

    আমি সেই অনুযায়ী স্টান্ট নিলাম৷ কিছু একটা করে দেখাতেই হবে৷ এর থেকে ভালো সুযোগ আর পাব না৷ চোখ বুজে মনে মনে দু-বার ভগবানের নাম করলাম৷ ওপাশ থেকে গুলির আলতো বল ভেসে এল, মনে হল আমার চারপাশের ধুলোঢাকা মাঠ মুছে গিয়ে একটা আস্ত স্টেডিয়াম তৈরি হয়ছে৷ শেষ বলে ছয় মেরে ম্যাচ জেতাতে হবে আমাকে৷ বল ধীর গতিতে সামনে আসতে ঠিক করলাম গিলক্রিস্টের মতো কভার ড্রাইভ মারব, বলটা দেখে নিয়ে চোখ বুজে চালালাম ব্যাট৷ কিন্তু একী! ব্যাটে বলের কোনও অনুভুতি পেলাম না৷ বরঞ্চ পিছন থেকে টক করে একটা আওয়াজ আসতে বুঝলাম বল গিয়ে লেগেছে ইটের উইকেটে৷ আমার বুকের ভিতর সমস্ত আশা ওই ইটগুলোর মতোই ভেঙে গড়িয়ে পড়ল৷ পিছন থেকে দাড়ির ভর্ৎসনা কানে এল, ‘তুই মর৷’

    হঠাৎ আমাদের কানে তালা লাগিয়ে দিয়ে হারু চিৎকার করে উঠল, ‘সেঞ্চুরি, গুপ্ত সেঞ্চুরি করেছে!’

    আমি পিছনে তাকিয়ে দেখলাম বল উইকেটে গিয়ে লাগলেও উইকেট ভাঙেনি৷ উপরে তাকাতেই আমার বুকের মধ্যে গরম তরলের ফোঁটা পড়তে লাগল৷ হারুর উন্মত্ত চিৎকারে মেয়েটাও তাকিয়েছে আমার দিকে৷ চোখ সরিয়ে নিলাম৷ চারপাশে তখন হাততালির ঢেউ৷ আমি ধীরে সুস্থে হাতের ব্যাটটা তুলে চারপাশে দেখালাম৷ হাততালি দিতে দিতে হারু আমার দিকে এগিয়ে এসে বলল, ‘আউটটা দেখেনি, চাপ নিস না৷’

    আমি বোকার মতো হাসলাম৷

    দিন কয়েক গেল কিন্তু এর বেশি কিছু এগোয় না৷ বেশিরভাগ দিন মেয়েটা বিকেলে বেরোয় না, দুপুরে কখনও কখনও বারান্দায় এসে দাঁড়ায়৷ সে না থাকলে আমি ব্যালকনিটাই ভালো করে লক্ষ করি৷ বেশি বড়ো নয়৷ আড়াআড়ি দেড় মিটারের মতো হবে৷ দরজার ঠিক পাশেই একটা পুরোনো সাইকেল রাখা আছে৷ রেলিঙের একপাশে একটা ফাঁকা টব৷ উপরে সিমেন্টের ছাউনি, শুধু রেলিংটার উপর রোদ এসে পড়ে৷ ফিজিক্স কেমিস্ট্রি বায়োলজির ফাঁক গলে মনটা ওখানে পড়ে থাকে৷ ছুটি হওয়ার বেল বাজলেই জানি না কেন মনটা খারাপ হয়ে যায়৷ ইলেকট্রিক বেলের আওয়াজটা নির্মম তানপুরার সুরের মতো বাজতে থাকে৷

    আমাদের স্কুলটা দোতলা৷ তবে অনেকটা জায়গা জুড়ে ছড়িয়ে৷ চারপাশ ঘিরে উঁচু লালচে পাঁচিল৷ সেটা শেষ হতেই পিচের চওড়া রাস্তা৷ পাঁচিলের একপাশে একফালি হাঁটার মতো জায়গা৷ তার ধার জুড়ে ছোটো ছোটো গাছের সারি৷ গাছের ফাঁক দিয়ে বিল্ডিংয়ের কাচের জানলা দেখা যায়৷ ছুটির পর ঝাঁকে ঝাঁকে স্টুডেন্ট বাইরে বেরিয়ে এলে স্কাই-ব্লু স্কুলড্রেস, সবুজ গাছ, লাল পাঁচিল আর স্বচ্ছ জানলার রং মিলে এক বর্ণময় জলছবি তৈরি করে৷ স্কুলের ঠিক সামনেই একটা মোটাসোটা চেহারার বিহারী লোক নীল রঙের ঠেলাগাড়ি নিয়ে নানারকম জিনিস বিক্রি করে৷ আমি আর হারু তার কাছ থেকে আমড়া কিনছিলাম৷ হারু হঠাৎ কী ভেবে বলল, ‘তোর কাছে কিছু মালকড়ি হবে?’

    আমি আমড়ার প্যাকেট হাতে নিয়ে বললাম, ‘মালকড়ি? কী হবে?’

    ‘ফিনাইল কিনব৷’

    ‘ফিনাইল কিনবি! তারপর?’

    ‘কাজ আছে৷ তোর শালা অত খবরে কী দরকার, হবে কি না বল৷’

    হারু দিনকতক হল কেমন যেন রহস্যময় হয়ে পড়েছে৷ ফিনাইল দিয়ে ঘরদোর পরিষ্কার করা ছাড়া আর কী কাজ হয় কে জানে৷ সে কাজ করার ছেলে তো হারু নয়৷ আমি আমড়ার প্যাকেট তার হাতে দিয়ে হাঁটতে লাগলাম, সে কী যেন ভেবে বলল, ‘আমার মাথায় একটা আইডিয়া আছে৷ ধর যদি সেলসম্যান সেজে ফিনাইল বেচতে যাই, কেমন হবে?’

    আমি খানিকটা আঁচ করতে পারলাম, সন্দেহের দৃষ্টিতে বললাম, ‘আমাদের পড়াশোনার যা হাল এমনিতেই তাই করতে হবে৷ কোথায় যাবি বেচতে?’

    ‘পাখির বাসায়৷’ বলে সে মুচকি হাসল৷

    ফিনাইল জোগাড় হল বটে, তবে সেটা আমরা বেচতে যাব সেলসম্যান হিসেবে নয়, কে জানে, মেয়েটা যদি আমাদের চিনে থাকে তাহলে মিথ্যেটা ধরা পড়ে যাবে৷ ফিনাইল হাতে বাড়িটার সামনে গিয়ে দাঁড়িয়ে আমার কেমন যেন ভয় লাগল৷ কোনওরকমে সিঁড়ি দিয়ে দোতলায় উঠে এলাম৷ হারু বেশ যত্ন করে ফিনাইলের লেবেল তুলে দিয়েছে, সেগুলো আমার হাত থেকে নিয়ে একটা ক্লিপবোর্ডে লাগানো কাগজ আর কলম আমার হাতে ধরিয়ে দিল৷ বাইরের দরজায় নেমপ্লেট নেই দেখে হতাশ হলাম৷ দরজায় টোকা দিলাম৷ টোকার খটখট আওয়াজটা যেন আমার হৃদস্পন্দনের সঙ্গে কোথায় মিলে গেল৷ পেপারে কী লিখব নিজেই জানি না, জিজ্ঞেস করলাম, ‘যদি ফিনাইল না কিনতে চায়?’

    এমন সময় ভিতর থেকে হেঁড়ে গলায় প্রশ্ন এল, ‘কে?’

    গলাটা শুনেই আমি সিঁড়ি দিয়ে নেমে যাচ্ছিলাম, হারু থামিয়ে দিয়ে বলল, ‘ইয়ে… একটু দরকার ছিল, দরজাটা খুলবেন?’

    কয়েক সেকেন্ড পরে ভিতর থেকে কেউ দরজাটা খুলল, আমি ভয়ে ভয়ে তাকিয়ে দেখলাম একটা দশাসই চেহারার লোক দরজা আগলে ভ্রুকুটি করে দাঁড়িয়ে আছে৷ হারু একগাল হেসে বলল, ‘আমরা আসছি আকাঙ্ক্ষা স্পেশাল চাইল্ড অরগানাইজেশন থেকে৷’

    ‘হ্যাঁ, কী বলুন৷’ লোকটা যেন এবার একটু নরম হল৷

    ‘আসলে আমাদের অরগানাইজেশনের বাচ্চারা এই ফিনাইলগুলো বানিয়েছে, আপনি ফিনাইল ইউজ করেন তো?’

    ‘না না, আমি ওসব ব্যবহার করি না৷’

    আমি ইতিমধ্যে কয়েকবার উঁকি মেরে নিয়েছি৷ জিজ্ঞেস করলাম, ‘ইয়ে… আপনার ফ্যামিলিতেও কেউ করে না?’ সঙ্গে সঙ্গে গোড়ালির কাছে বুটের লাথি খেলাম, হারু বলল, ‘এটা কিন্তু ব্যবহার করে দেখতে পারেন৷ একদম বাড়িতে তৈরি৷’

    লোকটা একটা ফিনাইলের বোতল হাতে নিয়ে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে দেখে বলল, ‘আকাঙ্ক্ষা… কী বললে যেন?’

    ‘চাইড… চাইল্ড…’ হারু তোতলাতে লাগল৷

    আমার এতক্ষণে জিভ শুকোতে শুরু করেছে৷ হারু বোতলের লেবেলটা তুলেছে বটে কিন্তু ছিপির গায়ে এখনও ব্র্যান্ডের নামটা খেয়াল করলেই বোঝা যায়৷

    ‘তোমাদের এই অরগানাইজেশনটা কোথায়?’ লোকটার গলায় সন্দেহের আভাস৷

    ‘কাঁকুড়গাছি৷’ তৎক্ষণাৎ উত্তর৷

    ‘ওহ, না নেব না৷ তিনতলায় দেখুন৷’

    ‘এক গ্লাস জল হবে?’ হারু কিন্তু দমবার পাত্র নয়৷

    ‘হ্যাঁ নিশ্চয়ই, দাঁড়ান৷’

    লোকটা ভিতরে ঢুকে যেতে আমরা আবার ভিতরটা হুমড়ি খেয়ে দেখে নিলাম৷ নাহ, কেউ নেই৷ এমনকি দেওয়ালে একটা ছবিও নেই, বললাম, ‘ধুর, আমাদের লাকটাই খারাপ৷’

    ‘আমাদের নয়, তোর৷’ হারু বলল৷

    ‘হুম… কী আর করবি, অন্য কিছু ভাবতে হবে৷’

    ****

    অন্য কিছু আর ভাবা হয়নি৷ সিলেবাসের বিষম বোঝা পিঠের উপর এসে পড়তে আর দম ফেলার সুযোগ পেতাম না৷ প্রথম শীতের শুকনো ডালপালায় নতুন পাতা এল, ধীরে ধীরে বর্ষাকাল এসে পড়ল৷ ক্লাসরুমের জানলাগুলো বেশিরভাগ সময় বন্ধই থাকে৷ কাচ বেয়ে বৃষ্টির জলের ধারা নামে৷ বাইরের সবুজ গাছপালার একটা আভাস পাওয়া যায়৷ বটানির জটিল মূলের শাখাপ্রশাখার ফাঁক গলে আমার মন চলে যায় জানলার ওপাশে অদৃশ্য বারান্দাটায়৷ হয়তো সেখানে কেউ এসে দাঁড়িয়েছে৷ বৃষ্টির ছাঁটে ভিজছে তার গোটা মুখ৷ দু-হাতের মুঠোয় ভরে জলের ফোঁটাগুলোকে আদর করছে সে৷ ক্লাসরুমের ভিতরের বাতাস গুমোট হয়ে ওঠে৷ বাইরে ঝিরঝিরে বৃষ্টির আওয়াজ যেন কিশোরী মেয়ের নূপুরের মতোই বেজে যায়৷

    বর্ষাকাল বলে ছুটির পরে খেলাটা হয় বটে, তবে মাঠে নয় স্কুলের সামনে বড়ো পিচের রাস্তাটার উপরে৷ এত বড়ো রাস্তা অথচ সারাদুপুরে পাঁচটা কি ছ-টার বেশি গাড়ি পার হয় না৷ আজ আমরা খেলতে যাইনি৷ মাঠের এককোণে বসে দু-জনে সিগারেট খাচ্ছিলাম৷ একটু আগেই মাঠের এককোণ দিয়ে একটা লোক ইডলি নিয়ে পার হচ্ছিল৷ তাকে থামিয়ে ইডলি খেয়েছি৷ এখানে যে বিক্রি হবে লোকটাও ভাবতে পারেনি৷ হারু প্যাকেটে সিগারেট রাখে না৷ একটা খবরের কাগজের ঠোঙায় হরেক কিসিমের সিগারেট থাকে, মানে যখন যেমন অবস্থা যায় সেই অনুযায়ী জমতে থাকে৷ বৃষ্টির আমেজে সে কার্পণ্য করল না৷ একটা ইন্সিগ্নিয়া ধরিয়ে বলল, ‘ধুস শালা, আর ভালো লাগে না৷’

    ‘আমারও৷’ ভালো না লাগার কারণ কী তা আমার জানতে ইচ্ছা করল না৷ ভালো লাগে না এটাই জরুরি৷

    সে গাছের গুঁড়িতে হেলান দিয়ে বলল, ‘এই বেকার মাঠে বসে সিগারেট টানছি, কী আর হল লাইফে?’ বলে সে জ্বলন্ত সিগারেটে আর একটা টান দিল৷ একটু দূরে একটা নীচু গর্তের ভিতর জল জমেছিল, আমি একটা ঢিলকে সেখানে ছুঁড়ে ফেলার চেষ্টা করছিলাম, বললাম, ‘দাড়ির কী খবর রে?’

    ‘কী আর৷ মেয়েবাজি করছে৷’

    মাঠের একধার জুড়ে তখন একটা শান্ত থমথমে ভাব৷ ঝিরঝিরে বৃষ্টির ফোঁটা একটু একটু করে বড়ো হচ্ছে৷ বোধহয় ঝাঁপিয়ে নামবে৷ দূরে লম্বা গাছের ফাঁক দিয়ে ঘোলাটে আকাশটা দেখা যাচ্ছে৷ তার গা জুড়ে দশাসই লাল রঙের ব্রিজ৷ মাঠের একপাশে একটা সিমেন্টের ভাঙাচোরা স্লিপ আছে৷ অন্য সময় স্কুলের বাচ্চাকাচ্চারা তার উপর লাফালাফি করে, এখন ফাঁকা৷ চারপাশে কেউ নেই৷ বৃষ্টির ফোঁটা এবার বেশ জোরে জোরে পড়ছে৷ হারু মুখটা ব্যাজার করে বলল, ‘এখনই নামতে হল, নির্জনে বসে একটু ধূমপান করার উপায় নেই৷’

    আমি তার পিঠে একটা চাপড় মেরে বললাম, ‘চ বে, উঠি৷ জামাকাপড় ভিজলে আবার বাড়িতে খ্যাচখ্যাচ করবে৷’

    হারু উঠে দাঁড়াতে যাচ্ছিল, হঠাৎ কী একটা দেখে থেমে গেল, তারপর গা জালানো বাঁকা হাসিটা হেসে বলল, ‘তুই দৌড়া৷ জামাকাপড় আজ ভিজল বলে৷’

    ‘কেন?’

    হারু উত্তর দিল না, চোখের ইশারায় আমাকে মাঠের উলটো দিকে স্লিপটা দেখিয়ে আবার বসে পড়ল৷ আমি সেদিকে তাকাতেই আমার হাত পা ঠান্ডা হয়ে গেল৷ ব্যালকনির সেই মেয়েটা৷ স্লিপের ঠিক নীচে দাঁড়িয়ে৷ বুঝলাম কোথা থেকে হয়তো ফিরছিল, মাঠ পার হওয়ার সময় বৃষ্টি নামায় কোনওরকমে স্লিপের নীচটায় আশ্রয় নিয়েছে৷

    হারু বলল, ‘আহা রে৷ বেচারির কাছে ছাতা নেই৷’

    ‘হু, তাই তো মনে হচ্ছে৷’

    ‘তোর কাছেও তো নেই৷’

    ‘হাঁ, তো?’

    ‘এই বৃষ্টিতে জামা ভিজিয়ে কেন বাড়িতে ঝাড় খাবি, স্লিপের তলায় দাঁড়ালে তাও খানিকটা বাঁচবে৷’

    আমি স্লিপের দিকে পা বাড়ালাম৷ ততক্ষণে ঝমঝমিয়ে বৃষ্টি নেমেছে৷ গাছের তলা থেকে এগোতেই আমার জামাকাপড় ভিজে গেল৷ মাঠের উপর দিয়ে দৌড়াতে দৌড়াতে আমার নেভিব্লু প্যান্টের নীচের দিকটা ছিটকে আসা কাদায় ঢেকে গেল৷ খুব শীত করছে৷ জলের উপর পা পড়ে ছপছপ আওয়াজ হচ্ছে৷ বৃষ্টির অশ্রান্ত ধারাকে আমি সারা শরীরে মাখতে লাগলাম৷ ষোলোটা বছর তপ্ত রোদে হাঁটার পর সেই যেন আমার জীবনের প্রথম বৃষ্টি৷ কাচের জানলা ভেঙে ভিজে ঘাসের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে কর্দমাক্ত জীবনের প্রথম অধ্যায়৷ ঠান্ডা জলের স্রোত আমার কান গলা বুক বেয়ে নামতে লাগল৷ আমি দ্রুত পা চালিয়ে স্লিপের কাছে পৌঁছে গেলাম৷ মেয়েটা এখনও দাঁড়িয়ে আছে, কিন্তু তাকে আমি ভালো করে দেখতে পেলাম না৷ বৃষ্টির জলে ভিজে আমার চশমাটা অকেজো হয়েছে, সব ঝাপসা দেখছি, সেটা খুললেও একই অবস্থা৷ স্লিপের তলাটায় আলো কম, মেয়েটা আমার দিকে তাকিয়ে আছে কি না বুঝতে পারলাম না৷ তবে আমি ভিজতে ভিজতে এখানে এসে দাঁড়ানোয় হয়তো অবাক হয়ছে৷ আমি ঝাপসা চোখে তাকে একঝলক ভালো করে দেখার চেষ্টা করলাম৷ লম্বা চুলের উপরের দিকটা ভিজে আছে, কপাল বেয়ে জলের ধারা নেমেছে৷ ফরসা মুখের কোল বেয়ে গড়িয়ে পড়ছে গলায়, সদ্যস্নাত ঠোঁটদুটো ঠান্ডায় কেঁপে কেঁপে উঠছে৷ হাতদুটো বুকের কাছে জড়ো করে নীচের দিকে তাকিয়ে দাঁড়িয়ে আছে সে৷ আমি একটু দূরে দাঁড়ালাম৷ কী করব বুঝতে পারছি না৷ হারু থাকলে নিশ্চয়ই একটা আইডিয়া দিতে পারত, নির্বাক নিস্পন্দ কয়েকটা মুহূর্ত কেটে গেল৷ শুধু ঝমঝমে বৃষ্টির আওয়াজ, আমার বুকের কাছটায় কী যেন একটা আটকে আছে৷ আমার স্কাই-ব্লু শার্টটা বুকের উপর লেপটে আছে৷ এর মধ্যে মেয়েটা দু-বার মুখ তুলে আকাশ দেখার চেষ্টা করেছে৷ বৃষ্টিটা কি কমে আসছে? এবার আমার কিছু বলা উচিত৷ কিন্তু কী বলব বুঝতে পারলাম না৷ হঠাৎ মেয়েটা পিছন ফিরে একবার আমার দিকে তাকাল৷ একঝলক, হয়তো ইচ্ছাকৃত নয়, দুটো ভেজা কালো চোখের দৃষ্টি যেন ঠান্ডা হাওয়ার মতো বয়ে গেল আমার শরীর জুড়ে৷ কোথা থেকে একটা অচেনা গন্ধ আসছে৷ সেটা ভিজেমাটির না পারফিউমের বুঝতে পারলাম না৷ আমি চেষ্টা করলে হয়তো কিছু বলতে পারতাম কিন্তু সেই একঝলক শূন্যচোখের চাহনি আমার সমস্ত সাহস আর মনের জোরকে অসাড় করে দিয়ে গেল৷ বাকি সময়টা আমি কাঠের মতো দাঁড়িয়ে রইলাম৷ বৃষ্টিটা ধরে আসতে মেয়েটা ধীরে ধীরে স্লিপের তলা থেকে বেরিয়ে গেল৷ আমি একদৃষ্টে তাকিয়ে থাকলাম তার হেঁটে যাওয়া পথের দিকে, সে চলে যাওয়ার মিনিট খানেক পড়ে হারু দাঁত বের করতে করতে এসে দাঁড়াল, ‘কী রে৷ বললি কথা?’

    ‘হ্যাঁ৷ বললাম তো৷’ আমি তার কাঁধে হাত রাখলাম৷

    ‘কী বললি?’

    ‘নাম জিজ্ঞেস করলাম৷’

    ‘আরিসশলা,… ঠিক রাস্তায় যাচ্ছিস৷ কী নাম?’

    ‘বিরহিণী৷’

    সেদিন সে নামটা কেন মনে এসেছিল জানি না, আজ ভাবলে বুঝি আমার কিশোর মনে সেই অচেনা মেয়েটির স্থান সেই নামেই জায়গা করে নিয়েছিল৷ যেন এক অমোঘ রহস্য তার৷ তাকে স্বপ্নের আড়াল থেকে বাস্তবে টেনে আনলেই মিলিয়ে যাবে সে৷ এক অন্তহীন বিরহে মুখ ফিরিয়ে থাকে চিরকাল৷ দেখা দিতে চায় না৷ জেগে থাকে শুধু কিছু খণ্ড মুহূর্তের জলছবি হয়ে৷ আমার ফেলে আসা স্কুল, সল্টলেকের রাস্তা, জানলার ভেজা কাচ, ধুলোয় ঢাকা মাঠ, নীল স্কুলড্রেস আর প্রথম বৃষ্টির ফোঁটায় কোথাও লুকিয়ে আছে সে, আজও, তাকে ভোলা যায় না৷ সে আমার কৈশোরের ফেলে আসা বিকেলের মুঠোয় ধরা একখণ্ড আলোর মতো৷ নেই, কোনওদিন ছিল না, তবু সে চিরন্তনী৷

    ছয় বছর কেটে গেছে৷ হারুর সঙ্গে আর যোগাযোগ নেই৷ সে কোথায় আছে তাই জানি না ঠিকমতো৷ স্কুল পেরিয়ে কলেজও প্রায় শেষ হতে চলল৷ আমার কৈশোরের মুখটা আর নিজেও চিনতে পারি না৷ কলেজ থেকে ফিরছিলাম একদিন, লেকটাউনে যাওয়ার ছিল, অন্য রাস্তা দিয়েও যাওয়া যেত, ভাবলাম স্কুলের রাস্তা দিয়েই ফিরব৷ হাঁটতে হাঁটতে মাঠের উপর পৌঁছে গেলাম৷ স্কুল বিল্ডিংটা অনেক পালটে গেছে৷ আরও ঝকঝকে হয়েছে চারপাশটা৷ মাঠটাও যেন একটা ছোটোখাটো চিলড্রেনস পার্ক, একধারে সেই লাল স্লিপটা আর নেই৷ মাঠ পেরিয়ে আমি স্কুলের সামনে এসে দাঁড়ালাম৷ উপরে তাকিয়ে ক্লাসরুমগুলো দেখার চেষ্টা করলাম৷ সঙ্গে সঙ্গে চোখ গিয়ে পড়ল উলটোদিকের ব্যালকনিটায়৷ রেলিঙের উপর টবটায় নতুন চারাগাছ গজিয়েছে৷ সাইকেলটা আর নেই৷ শূন্য বারান্দাটা প্রতীক্ষায় খাঁ-খাঁ করছে, ওই স্কুলের জানলার ফাঁক দিয়ে দুটো ক্লান্তিহীন চোখ অধীরে অপেক্ষা করছে ওই ব্যালকনিটার দিকে তাকিয়ে, কে জানে কখন দরজা খুলে বেরিয়ে আসবে সে, একমনে কী ভাববে আকাশের দিকে তাকিয়ে, তার বিরহিণী৷ বিকেল হয় আসছে৷ আমি দ্রুত পা চালালাম৷

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleস্যার, আমি খুন করেছি – প্রচেত গুপ্ত
    Next Article পঁচিশটি গল্প – শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়

    Related Articles

    সায়ক আমান

    মৃত পেঁচাদের গান – সায়ক আমান

    May 15, 2026
    সায়ক আমান

    তালদিঘিতে ভাসিয়ে দেব – সায়ক আমান

    March 23, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Our Picks

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026

    পঁচিশটি গল্প – শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026

    সেরা ৪৫ – সায়ক আমান

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }