Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026

    পঁচিশটি গল্প – শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026

    সেরা ৪৫ – সায়ক আমান

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সেরা ৪৫ – সায়ক আমান

    সায়ক আমান এক পাতা গল্প1001 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ডানাওয়ালা মানুষ

    ছাদে রাখা চৌকো বাক্সটায় কিছুদিন হল, কয়েকটা পায়রা আনাগোনা শুরু করেছে৷ এমনি এমনি করেনি৷ রোজ দুপুরে খাওয়াদাওয়ার পর মায়ের কাছে থেকে চাল ধার করে ছাদে গিয়ে ছড়িয়ে আসে টুকু৷ প্রথম দু’দিন এমনিই পড়ে ছিল চালের দানা৷ কারও দেখা মেলেনি৷ তিন দিনের দিন টক-টকর ডাক শুনেই চমকে উঠেছিল টুকু৷ সাদার উপর খয়েরি ছোপ দেখেই মনটা নেচে উঠেছিল তার৷ এতটাই খুশি হয়েছিল যে একতলা থেকে নিনিকে ঘুমচোখে টেনে এনেছিল পায়রা দেখাতে৷

    ভরদুপুরে দিদির এমন পাগলামি দেখে বেশ বিরক্ত হয়েছিল নিনি৷ অবশ্য মুখে কিছু বলেনি৷ টলোমলো পায়ে নীচে গিয়ে আবার শুয়ে পড়েছিল বিছানায়৷

    টুকুর উৎসাহে কিন্তু ভাটা পড়েনি৷ স্কুল থাকলে সকালেই ছাদে এসে দানা ছড়িয়ে যায় ও, না থাকলে গোটা দুপুরটা ছাদেই কাটায়৷ দিনে দিনে পায়রার সংখ্যাও বেড়েছে৷ আপাতত সব মিলিয়ে গোটা আটেক৷ তার মধ্যে দুটো আবার নিতান্তই শিশু৷ উড়তে শেখেনি এখনও৷

    পুজোর ছুটি৷ আজও ছাদে এসে চাল ছড়াচ্ছিল টুকু৷ পাশেই বসে গুনগুন করে কী একটা গান গাইছিল নিনি৷ পাশে ইতিহাস বইটাও পড়ে আছে৷ সেটা একবারও খুলে দেখেনি ও৷ চাল ছড়াতে ছড়াতে তাকে আড়চোখে একবার দেখে নেয় টুকু, ‘তুই নাকি ছাদে এসে ইতিহাস পড়বি!’

    ‘পড়েছি তো,’ অন্যমনস্কভাবে উত্তর দেয় নিনি৷

    ‘কই দে দেখি, পড়া ধরি৷’

    বইয়ের উপর একটা হাত রেখেও তুলে নেয় সে৷ বলে, ‘তোর ছোটো পায়রাগুলো উড়তে শেখেনি এখনও?’

    ‘উহুঁ…’

    ‘কেন?’

    ‘মনে হয় তোর মতো ফাঁকিবাজ৷ মন দিয়ে প্যাকটিস করেনি৷’

    কথাটা শুনে নিনির মুখ লাল হয়ে ওঠে, ‘আমি ফাঁকিবাজ?’

    ‘তবে নয়তো কী? বইটা খুলে অবধি দেখলি না একবারও৷’

    ‘আমাকে কেউ উড়তে শেখালে তক্ষুনি শিখে যেতাম৷ ইতিহাস বড্ড বিচ্ছিরি৷’

    টুকু ঠোঁটের কোনা দিয়ে হাসে৷ উত্তর দেয় না৷ বাটির সবটুকুনি চাল ছড়িয়ে দিয়ে বোনের পাশে এসে বসে পড়ে সে৷ তারপর জামার হাতায় মুখ মুছতে মুছতে বলে, ‘জানিস নিনি, আমি যখন ছোটো ছিলাম তখন মা বলত, একসময় মানুষেরও নাকি ডানা ছিল৷’

    ‘আমি তো শুনেছিলাম, ল্যাজ ছিল৷’

    ‘মা ওরকমই, নিজের ইচ্ছামতো গল্পকে ঘুরিয়ে দেয়৷ বলত, মায়ের কথা শুনে চললে একসময় নাকি আমারও ডানা গজাবে৷’

    নিনি মাথাটা একটু নাড়িয়ে বলল, ‘ওসব তোকে দিয়ে কথা শুনিয়ে নেওয়ার জন্যে৷’

    ‘সে তো এখন বুঝি৷ তখন মনে হত, সত্যি গজাবে৷ রোজ সকালে উঠে আয়নায় পিঠ দেখতাম৷’

    টুকুর চোখ দুটো একটু একটু করে দূর প্রান্তে হারিয়ে গিয়েছে৷ কয়েকটা চালের দানা তার পায়ের কাছে পড়ে ছিল৷ একটা ছোটো পায়রা উৎসুক মুখে সেগুলো খুঁটিয়ে দেখে ঠোকর মারে৷ তারপর টুকুর পায়ের উপর ঠোঁট ঘষতে থাকে৷

    ‘তোকে আর ভয় পায় না ওরা৷’

    দিদির মুখের দিকে তাকিয়ে বলে ওঠে নিনি৷ কথাটা কানে যেতে সংবিৎ ফেরে টুকুর৷ সে একগাল হেসে পায়রাটাকে দু-হাতে ধরে ফ্যালে৷ বলে, ‘তোকেও পায় না মনে হয়৷ ধরে দেখবি?’

    ভয়ে হাত সরিয়ে নেয় নিনি, ‘যাঃ৷ গায়ে হাত দিলে মা বকবে৷’

    ‘হুঃ, মায়ের কথা মেনে উলটে যাচ্ছিস যেন৷’

    ‘তোর থেকে বেশি শুনি৷’

    টুকু ঝগড়াটাকে আর এগোতে দেয় না৷ ওর ভাবুক চোখ আবার দিগন্তে স্থির হয়েছে৷ একমনে কী যেন ভাবতে ভাবতে উদাস গলায় বলে, ‘কিছুদিন যেন মায়ের কী হয়েছে… আগের মতো কথায় কথায় বকা দেয় না আর৷’

    নিনি মাথা নাড়ায়, ‘বাবারও৷ আগের মতো কথা বলে না৷ কী হয়েছে বল তো?’

    ‘আমিও জানি না৷ মাঝে-মাঝে বুঝতে পারি, দরজা বন্ধ করে ঝগড়া করে৷’

    টুকু চোখ বড়োবড়ো করে বলে, ‘তুই মায়ের ঘরে আড়ি পাতিস? দাঁড়া, বলব আজ মা-কে৷’

    ‘ওহো৷ আর তুই পাতিস না যেন৷’ ঝাঁজিয়ে ওঠে নিনি৷

    ‘একদম না৷’

    ‘তাহলে জানলি কী করে, ঝগড়াটা মায়ের ঘরে হয় না বাবার ঘরে হয়?’ কথাটা বলে উঠে পড়ে নিনি৷ ছাদের দরজা দিয়ে নীচে চলে আসে৷

    সিঁড়িটা পেরোতেই সুনন্দার ঘর৷ সেটার লাগোয়া বারান্দায় এসে দাঁড়ায় ও৷ একটুক্ষণ পরে টুকুও নীচে নেমে আসে৷ ও কিন্তু বারান্দায় দাঁড়ায় না৷ নিজের ঘরে ঢুকে দরজা বন্ধ করে দেয়৷ তারপর ধীরপায়ে এসে দাঁড়ায় আয়নাটার সামনে৷ চুলটা আঁচড়ে নেয়৷ সযত্নে দ্যাখে মুখটা৷ হঠাৎ কী মনে হতে পিছন ঘুরে দাঁড়ায়৷ পিঠের কাছ থেকে জামাটা সরিয়ে ভালো করে দেখার চেষ্টা করে৷ উৎসুক চোখ দুটো মুহূর্তে নিবে আসে৷ দরজার ছিটকিনিটা নামিয়ে দিয়ে বিছানার উপর চিত হয়ে শুয়ে পড়ে সে৷

    দুপুরে ঘুম ভাঙতে সুনন্দা দেখেন, বিছানার উপরেই বসে আছে নিনি৷ গম্ভীর মুখ করে সুনন্দার কপালে হাত রেখে কী যেন বুঝতে চাইছে ও৷ কেমন ঠান্ডা-ঠান্ডা লাগে সুনন্দার৷ অর্থাৎ জ্বর এসেছে৷

    ‘তোর দিদি কোথায় রে?’ প্রশ্নটা শুনে হাত সরিয়ে নেয় নিনি৷ মুখ ফিরিয়ে বলে, ‘পাশের ঘরে গিয়ে দরজা দিয়েছে৷’

    সুনন্দা পাশ ফিরে শুতে শুতে বলেন, ‘তোদের নিয়ে যে আমি কী করি৷ একটাও কথা শুনতে চাস না৷’

    ‘আচ্ছা, দিদিকে তুমি বলেছিলে মানুষেরও ডানা গজায়?’

    ‘বলেছিলাম নাকি? কী জানি, মনে নেই৷’

    ‘আমাকে তো বলোনি৷’

    ঠোঁটের ফাঁক দিয়ে একটুখানি হাসেন সুনন্দা, ‘কেন, তুই কী করবি ডানা দিয়ে?’

    ‘উড়ে বেড়াব৷ আবার কী?’

    ‘সে তো এরোপ্লেনে চেপেও আকাশে ওড়া যায়৷’

    নিনি আর কিছু বলে না৷ নিজের একটা ডানা থাকা আর এরোপ্লেনে চেপে উড়ে বেড়ানোর তফাতটা মা-কে বোঝানো যাবে না৷ মুখ নামিয়ে বেশ কিছুক্ষণ বসে থাকে৷ তারপর হঠাৎ কী মনে পড়তে বলে ওঠে, ‘জানো তো মা, দিদি খুব হিংসুটে৷’

    ‘কেন রে? কী করেছে তোর সঙ্গে?’

    ‘কী আবার৷ ওয়াটার কালারটা চাইলাম৷ কিছুতেই দিতে চাইল না৷ বলল, আমি নাকি আজেবাজে ছবি এঁকে রং নষ্ট করব৷’

    ‘এ বাবা! এটা কিন্তু ঠিক করেনি৷ একবার দিতেই পারত৷’

    নিনি রাগতস্বরে বলে, ‘হুঃ, নিজে যে কী হাতি-ঘোড়া আঁকে, আমার জানা আছে৷’

    সুনন্দা হাসতে হাসতে বলেন, ‘আচ্ছা, তুই এত রাগ করিস কেন বল তো?’

    কথাটা ভালো লাগে না নিনির৷ রাগের যথেষ্ট কারণ আছে৷ এই অক্টোবরে ওর দশ বছর বয়স হতে চলল, এক অঙ্কের সংখ্যা থেকে বেড়ে দুই অঙ্ক৷ অথচ সবাই তাকে ছোটো ভাবে৷ ওর ভাগ্যে একসঙ্গে পাঁচটার বেশি ফুচকা বরাদ্দ নয়৷ অথচ দিদি গপগপিয়ে খায়৷ বাবা বলেছে, মাধ্যমিক পাশ করলে মোবাইল ফোনও কিনে দেওয়া হবে টুকুকে৷ অবশ্য মোবাইল ফোনের ব্যাপারে অতটা আগ্রহ নেই ওর৷ খালি জলরংটার উপর লোভ আছে৷ মোটা দশ নম্বর তুলিটার ছুঁচোলো মুখটা একটুখানি মুচড়ে দিলে কী সুন্দর বিকেলের সূর্য আঁকা যায়৷ তারপর সরু তুলি দিয়ে সেই সূর্যের নীচে কয়েকটা সারবাঁধা ডানামেলা পাখি৷

    হাত দিয়ে ঠেলে জানলার পাল্লাটা খুলে দেয় নিনি৷ মনে মনে ভাবা ছবিটার মতো করেই বিকেল নামছে৷ শুধু পড়ন্ত আলোর রেণুমাখা পাখিগুলোর দেখা নেই৷ আচ্ছা, যদি সত্যিই পাখির বদলে কয়েকটা ডানাওয়ালা মানুষ উড়ে যেত আকাশের গা বেয়ে… তাদের উড়ন্ত ডানা চুঁইয়ে বিকেল নামত পৃথিবীর মাটিতে? আচমকা জানলাটা বন্ধ করে দেয় নিনি৷ নাঃ এসব ভাবনা আর মাথায় আসতে দিলে চলবে না৷ তার এখন এক অঙ্কের না, দুই অঙ্কের বয়স৷

    ‘এই আহাম্মক… মায়ের জ্বর হয়েছে আর আমাকে ডাকিসনি?’

    টুকুর ডাকে সংবিৎ ফেরে নিনির৷ পিছন ফিরে তাকিয়ে দেখতে পায় দিদিকে৷ তারপর মুখ নামিয়ে নিয়ে বলে, ‘তখন তো অতটা ছিল না৷ আর মা ঘুমোচ্ছিল৷’

    ‘তাতে কী? আমি তো ঘুমোচ্ছিলাম না৷’

    ‘তোর ঘরের দরজা বন্ধ ছিল৷’

    ‘ঠেলা দিতে কী হয়?’

    টুকু এগিয়ে এসে হালকা ঠেলা দেয় মা-কে, ‘মা… ও মা…’

    ঘুমের ঘোরে আলতো চোখ খোলেন সুনন্দা, ‘ওঃ তুই৷ বোন কই?’

    ‘জানলার কাছে৷ ওষুধ খেয়েছ?’

    সুনন্দা উত্তর দেন না৷ গভীর ঘুমে ঢলে পড়েন৷ আবার ঠেলা দেয় টুকু, ‘আরে, মাথাটা তো ধুয়ে নাও অন্তত৷’

    ‘ধুর, ওসব লাগবে না৷ আমার পা-টা টিপে দে তো রে৷’

    টেবিলের উপর রাখা থার্মোমিটারটা তুলতে তুলতে নিনির দিকে তাকিয়ে ধমক দেয় টুকু, ‘এই গর্দভটা৷ এখনও হাঁ করে দাঁড়িয়ে আছিস? দে, মায়ের পা টিপে দে৷’

    বাক্যব্যয় করে না নিনি৷ বিছানার একপ্রান্তে বসে পা টিপতে থাকে৷ নিশ্বাসের গভীরে অস্পষ্ট কয়েকটা শব্দ শোনা যায়, ‘হুঁ:, ডানা গজানোর বেলায় ও, আর পা টেপার বেলায় আমি৷’

    ‘কী? কী বললি রে?’ আবার গর্জে ওঠে টুকু৷

    ‘কিছু না৷’

    থার্মোমিটারটাকে ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে দেখে আঁতকে ওঠে টুকু, ‘সর্বনাশ! একশো তিন জ্বর! ওষুধ কোথায় আছে?’

    ‘ড্রয়ারে৷’

    এবার আর বলতে হয় না নিনিকে, সে নিজেই বিছানা থেকে নেমে দৌড় দেয় ওষুধ আনতে৷ সুনন্দা আবার চোখ বন্ধ করে বলেন, ‘বোনটার সঙ্গে ওরকম করিস কেন?’

    ‘কী করলাম আমি?’ অবাক হয়ে যায় টুকু৷

    ‘একদিন যদি দিতিস জলরংটা, কী ক্ষতি হত?’

    ‘কেন দেব?’ ঝাঁজিয়ে ওঠে টুকু, ‘ও আমার কথা কি ভাবে?’

    ‘ভাবে না?’

    ‘না৷’

    ‘হু… তবে তুই যে রোজ দুপুরে পায়রার গায়ে হাত দিস, সেটা এখনও বলে দেয়নি কেন আমায়?’

    কথাটা শেষ হতেই ঘরে ঢোকে নিনি৷ ওষুধটা মায়ের মাথার কাছে রেখে আবার বিছানার উপর এসে বসে পড়ে৷ টুকু আড়চোখে একবার ওর দিকে তাকিয়ে বিড়বিড় করে কী যেন বলে ওষুধটা হাতে তুলে নেয়৷

    সন্ধেবেলা বাড়ি ফিরে একটু থমকে দাঁড়ায় পরমেশ৷ মেয়েদের ঘরে গিয়ে একবার উঁকি দিয়ে দেখে আসে৷ পড়াশোনা করছে দু-জনেই৷ অথবা সিঁড়ির কাছে বাবার পায়ের আওয়াজ পেয়ে তড়িঘড়ি পড়াশোনায় মন দিয়েছে৷ ওদের চোখ দুটোর দিকে একবার ভালো করে তাকায় সে৷ তারপর মুখ নামিয়ে নেয়৷ ধীরপায়ে এগিয়ে আসে পাশের ঘরে৷

    আলতো করে ভেজানো ছিল দরজাটা৷ একটু চাপ দিতেই খুলে যায়৷ ভিতরটা অন্ধকার৷ অথচ জানলা দিয়ে আসা চাঁদের ক্ষীণ আলোয় বোঝা যায়, একটা মানুষ শুয়ে আছে বিছানার উপরে৷ হাতের ব্যাগটা মাটিতে নামিয়ে রেখে দরজাটা বন্ধ করে দেয় পরমেশ৷ ছিটকিনি তুলে দিয়ে নিঃশব্দে বিছানার একপ্রান্তে এসে বসে পড়ে৷ সে জানে, সুনন্দা নিঃসাড়ে শুয়ে থাকলেও ঘুমোয়নি৷ একটা হাত ওর মাথায় রাখে, নীচুস্বরে বলে, ‘তুমি আজও বলতে পারোনি ওদের?’

    অন্ধকারেই মাথা দোলায় সুনন্দা৷ ওর এলোমেলো চুলে রুপোলি আলো মাকড়সার জালের মতো ফুটে রয়েছে৷ সেদিকে তাকিয়েই কিছুক্ষণ চুপ করে থাকে পরমেশ৷ ওর বুক বেয়ে একটা দীর্ঘনিশ্বাস বেরিয়ে আসে, ‘এভাবে হবে না৷ আমাদের আরও শক্ত হতে হবে৷’

    ‘আর কত শক্ত হব বলো তো?’

    ‘জানি না৷’

    ‘আচ্ছা তুমিও তো বলতে পারো৷’

    ‘পারি,’ মাথা দোলায় পরমেশ, ‘কিন্তু এসব কথা তোমার মুখ থেকে শুনলে হয়তো আঘাত কম পাবে৷’

    ‘আমি পারব না৷’ সুনন্দার গলার স্বর কঠিন হয়ে আসে৷ হাতের উপর ভর দিয়ে কোনওরকমে বিছানার উপরে উঠে বসে, ‘একবার ভেবে দেখেছ ওদের বয়স কত৷ একজন দশ আর একজন তেরো৷’

    বিছানা থেকে উঠে পড়ে পরমেশ৷ জামার পকেট থেকে সিগারেট বের করতে করতে বলে, ‘যাক গে, কাগজপত্র সব রেডি করতে হবে৷ কয়েকটা সইসাবুদ বাকি৷ আমিও আর বেশি দিন এখানে আসতে পারব না৷’

    ‘বেশ৷ তোমার যা ইচ্ছা৷ যেখানে সই করতে হবে বোলো, করে দেব৷’

    ‘হুঁ…’

    কয়েকটা নিঃশব্দ মুহূর্ত কেটে যায়৷ জামাকাপড় বদলে ঘরের বাইরে বেরিয়ে আসে পরমেশ৷ সারা দুপুর রোদ খেয়ে বারান্দাটা এখনও তেতে আছে৷ গরমের দিন; তা-ও একটুও বৃষ্টি হচ্ছে না৷ টুকুর ফিনফিনে গলায় পড়ার শব্দ ভেসে আসছে৷ মোঘল সাম্রাজ্য, আকবরের ধর্মনীতি, ঔরঙ্গজেব, জিজিয়া কর—ক্লাস সেভেনে পড়ে মেয়েটা৷ পরমেশের নিজের ছোটোবেলায় ক্লাস সেভেনে এত কিছু পড়তে হত না৷ থাকলে সে নিজে পাশ করতে পারত না৷

    একটা সিগারেট ধরাতে গিয়েও থেমে গেল ও৷ মেয়ে দুটো কি আর কিছুদিন পর থেকেই ঘৃণা করবে ওকে?

    ঘরের দরজা ঠেলে ভিতরে ঢুকে এল পরমেশ৷ একটা বালিশে আড় হয়ে মাথার নীচে একটা হাত রেখে কিছু লিখছে নিনি৷ টুকু একটু দূরে বসে দুলে দুলে পড়ছে৷ নিনির খাতায় উঁকি দেয় পরমেশ, জিগ্যেস করে, ‘হোমওয়ার্ক আর কতটা বাকি?’

    ‘হয়ে গেছে৷’ নীচুস্বরে জবাব দেয় নিনি৷

    ‘বেশ৷ তাহলে আজ আর পড়তে হবে না৷ মায়ের শরীর ভালো নেই, মায়ের কাছে যাও৷’

    খুশি হয়ে বই বন্ধ করে উঠে পড়ে নিনি৷ তারপর বিছানা থেকে নেমে ঘরের বাইরে বেরিয়ে যায়৷ ঘরের আলোটা নিভিয়ে দেয় পরমেশ৷ এতক্ষণে অবাক হয়ে গিয়েছে টুকু৷ খানিকটা যেন ভয়ও লাগছে ওর৷ আজ দুপুরে তো অন্যায় কিছু করেনি সে৷ পায়রার গায়ে হাত দিয়েছে, সেটা মা তো আগেই জানতে পেরেছে৷ আজ তাহলে কীসের জন্য বকা খেতে চলেছে? বুক দুরুদুরু করতে লাগল ওর৷

    ‘তোর জন্মদিনটা কবে যেন?’

    ‘আঠেরোই জুন৷’

    ‘এসেই তো গেল৷ কত হবে যেন৷’

    ‘চোদ্দো৷’

    ‘বাঃ, বেশ তো বড়ো হয়ে গেলি দেখতে দেখতে৷’

    টুকু আর কিছু উত্তর দেয় না৷ একইভাবে ঠায় বসে থাকে৷ পরমেশ আর-একটু ওর কাছে সরে আসে৷ বলে, ‘বড়ো হয়েছিস যখন তোকেই আগে বলি কথাটা৷ তুই না হয় বোনকে বলে দিস৷’

    দূরে বাড়িগুলোতে সন্ধের শাঁখ বাজতে শুরু করেছে৷ কাঠের জানলার ভিতর থেকে ঘুণপোকার টকটক আওয়াজ হচ্ছে৷ কয়েকটা নিস্তব্ধ মুহূর্তের দখল নিল ওরা৷

    ‘আমি আর এ বাড়িতে থাকব না৷’

    ‘কেন? অন্য বাড়ি কিনবে?’

    মাথা নাড়ে পরমেশ, ‘তোমরা থাকবে৷ আমি থাকব না৷’

    ‘ও৷’

    ‘শুধু মায়ের সঙ্গে থাকতে অসুবিধা হবে না তো?’

    ‘না৷’

    ‘বোনের খেয়াল রাখতে পারবি তো?’

    আর কোনও কথা নেই৷ নানারকম উত্তর সাজিয়ে রেখেছিল পরমেশ কিন্তু তার কোনওটাই আর মুখে আনা গেল না৷ টুকু কী যে বুঝেছে, সেটাও বোঝা যাচ্ছে না৷ অথচ কথাটা একবার পাড়া গিয়েছে যখন পুরোটা বুঝিয়ে দেওয়াই ভালো৷

    ‘আমি কী বলতে চাইছি, বুঝতে পেরেছিস?’

    উপরে-নীচে মাথা নাড়ে টুকু৷ ওর মাথায় একবার হাত বুলিয়ে পরমেশ উঠে দাঁড়ায়৷ কীরকম একটা অস্বস্তি গ্রাস করছে ওকে৷ কিছু কথা যেন বলা হল না৷ বলা ভীষণ দরকার…

    দরজার কাছে গিয়ে থমকে দাঁড়ায় ও৷ পিছন ঘুরে বলে, ‘যেটা বললাম, মনে থাকবে তো? বোনকে কিন্তু তুই বোঝাবি৷’ কথাটা বলে আর দাঁড়ায় না সে৷ দ্রুতপায়ে বেরিয়ে যায় ঘর থেকে৷

    টুকু বিছানা ছেড়ে উঠে দাঁড়ায়৷ মাথার ভিতরটা কেমন যেন ভোঁ ভোঁ করছে ওর৷ পা দুটো দুর্বল হয়ে আসছে৷ মনে হচ্ছে, এখুনি টলে পড়ে যাবে৷ কোনওরকমে মনটা শান্ত করে দরজা খুলে বাইরে বেরিয়ে এল ও৷

    বাইরেটা এখন ফাঁকা৷ একতলায় নিজের ঘরে ফিরে গিয়েছে পরমেশ৷ পাশের ঘরের আলোটা এখনও নেবানো৷ সেখানেই ঢুকে আসে টুকু৷ অন্ধকার ঘরের জানলায় দাঁড়িয়ে আছে সুনন্দা৷ নিনিকে ঘরে দেখতে পাওয়া গেল না৷ ধীরপায়ে মায়ের ঠিক পিছনে এসে দাঁড়ায় টুকু৷ নীচু গলায় জিগ্যেস করে, ‘জ্বর কমেছে তোমার?’

    সুনন্দা চমকে ফিরে তাকিয়ে মেয়েকে দেখতে পেয়ে একটা হাত বাড়িয়ে ওকে কাছে টেনে নেন, ‘এর মধ্যেই পড়া হয়ে গেল তোর?’

    মাথা নাড়াল টুকু৷ তারপর হাত বাড়িয়ে জানলার একটা গ্রিল ধরে দাঁড়াল৷ তার মুখ চোখ ভাবলেশহীন৷ মায়ের মুখের দিকে এতক্ষণে একবারও তাকায়নি৷ আকাশে গোল চাঁদটা জানলার এক কোণ ছেড়ে প্রায় বেরিয়ে যাবার উপক্রম করেছে৷ টেবিলে রাখা ঘড়ির কাঁটার খচখচ শব্দ৷ এইসব আজ খুব বেশি করে কানে আসছে ওর৷

    ‘বাবা কিছু বলেছে তোকে?’ টুকুর মুখের দিকে তাকিয়ে কিছু একটা আঁচ করতে পারেন সুনন্দা৷ মাথা দোলায় ছোট্ট মেয়েটা৷ ওর মাথার সামনের এলোমেলো চুল মুখ ঢেকে দিয়েছে৷ এক হাতে সেটা সরিয়ে দেয় সুনন্দা, ‘যা বলেছে, সব বুঝতে পেরেছিস তো?’

    টুকু নিঃশব্দে মাথা দোলায়৷ বাইরের আলো-আঁধারি মাখা আকাশের দিকে তাকিয়ে কী যেন খুঁজছে সে৷

    ‘আর আমাকে কিছু জিগ্যেস করার নেই তোর?’ মেয়েকে কাছে টেনে জিগ্যেস করে সুনন্দা৷

    একটুক্ষণ চুপ করে থাকে টুকু৷ কথাটা বলা উচিত হবে কি না ভেবে নেয়৷ শেষে প্রায় অস্পষ্ট গলায় উচ্চারণ করে, ‘তুমি আমাকে মিথ্যে বলেছিলে মা?’

    ‘কী মিথ্যে?’

    ‘মানুষের কোনওদিন সত্যিকারের ডানা গজায় না?’

    কথাটা শেষ করেই আচমকা ঘর ছেড়ে দৌড় দেয় সে৷ ওর দুরন্ত পায়ের আওয়াজ সিঁড়ির উপর দিয়ে প্রতিধ্বনিত হতে থাকে সুনন্দার কানে…

    পরদিন সকালে ঘনঘন বাজ পড়া আর জানলায় বৃষ্টির শব্দে ঘুম ভাঙল টুকুর৷ ঘড়ির দিকে তাকিয়ে দেখল, সাড়ে আটটা বাজতে চলেছে৷ অথচ মনে হচ্ছে যেন বিকেল হয়ে গেছে৷ বিছানা থেকে নেমে বাইরে বেরিয়ে এল ও৷ প্রথমে মায়ের ঘরে উঁকি দিল৷ ঘর ফাঁকা৷ একতলা থেকে দেখে এল সেখানেও কেউ নেই৷ কীরকম যেন ভয় লাগল ওর৷ বাড়ির সবাই আচমকা গেল কোথায়? সিঁড়ির কাছটায় দাঁড়িয়ে উঁচু গলায় ডাক দিল সে, ‘মা… নিনি… এই নিনি…’

    বৃষ্টির ঝমঝম শব্দ ছাড়া আর কোনও প্রত্যুত্তর শোনা গেল না৷ রাতে নিনি মায়ের কাছেই শুয়েছিল৷ আজ সকালে উঠে কি তাহলে সবাই মিলে বেরিয়েছে কোথাও? ওকে না জানিয়েই?

    আর-একটু সিঁড়ির দিকে এগিয়ে এল টুকু৷ বৃষ্টির জল সিঁড়ির ধাপ বেয়ে দোতলার মেঝেতে এসে নেমেছে৷ কী আশ্চর্য! এত সকালে ছাদের দরজা খুলল কে? এক-পা এক-পা করে সিঁড়ি দিয়ে উঠে এল টুকু৷

    হ্যাঁ, যা ভেবেছিল তা-ই৷ ছাদের দরজার ঠিক নীচে পা মুড়ে বসে বৃষ্টির ফোঁটার দিকে তাকিয়ে আছে নিনি৷ ওর গায়ে এখনও রাতের জামা৷ চুলটা পর্যন্ত আঁচড়ানো নেই৷ নিনির পিঠে একটা হাত রাখল টুকু, বলল, ‘কী রে! এখানে বসে? ছাট লাগছে তো৷’

    উত্তর দেয় না নিনি৷ যেন শুনতেই পায়নি৷ ভালো করে তাকিয়ে টুকু বুঝতে পারে, বৃষ্টির ছাদের ভিতর কয়েক ফোঁটা জলের ধারা নিনির গাল বেয়ে নামছে৷ কিছু একটা আঁচ করতে পারে টুকু৷ ক্রমশ ওর হাত পিঠ থেকে মাথায় উঠে আসে৷

    ‘মা কোথায় গেছে জানিস?’ জিগ্যেস করে টুকু৷

    নিনি মাথা দোলায়৷ একহাতে চোখের জল মোছার চেষ্টা করে৷ টুকু বসে পড়ে ওর পাশটায়৷

    ‘তোকে মা কিছু বলেছে তার মানে?’

    আচমকা যেন বিদ্যুৎ তরঙ্গ খেলে যায় দশ বছরের মেয়েটার সমস্ত শরীর জুড়ে৷ দিদির হাতটা একঝটকায় সরিয়ে দিয়ে উঠে দাঁড়ায় সে৷ নিমেষে ছুটে যায় কুয়াশার মতো ঝমঝমে বৃষ্টির বুক লক্ষ্য করে৷ চমকে উঠে দাঁড়ায় টুকু৷ ছাদের ভিতর পা বাড়াতেই সারা শরীর ভিজে যায় ওর৷

    ‘নিনি… আরে, কোথায় যাচ্ছিস…’

    আর-একটু এগিয়ে আসতে মিহি কান্নার শব্দ শুনতে পায় টুকু৷ বৃষ্টির আওয়াজে প্রায় ঢেকে গিয়েছে; তা-ও শোনা যায়৷ অসহায় যন্ত্রণাময় কান্নায় ভেসে যাচ্ছে নিনির কচি মুখটা৷

    ওর সামনে এসে দাঁড়ায় টুকু৷ ছাদের একদিকের পাঁচিল ধরে দাঁড়ায় দু-জনে৷ কারও মুখে কথা ফোটে না৷ আস্তে আস্তে বোনের দিকে একটু এগিয়ে যায় টুকু৷ একবার ইতস্তত করে৷ তারপর আচমকাই দুহাতে কাছে টেনে নেয় ওকে৷ নিনির হাতদুটো এতক্ষণ মুখ ঢেকে ছিল এবার মুখ থেকে সরে তারা টুকুর গলা জড়িয়ে ধরে৷ কম্পিত বুকটা ছটফট করতে থাকে টুকুর দু-হাতের মাঝে৷

    ‘শোন-না… আরে শোন-না৷’ ফিসফিস করে উচ্চারণ করে টুকু৷

    ‘শুনছিস? … ওই…’

    ‘কী?’ কান্নার ফাঁকে কোনওরকমে শব্দটা বেরিয়ে আসে নিনির গলা থেকে৷

    ‘আমার ওয়াটার কালারটা দিয়ে দেব তোকে৷’

    ‘কেন? চাই না আমার… কিচ্ছু চাই না৷’

    টুকু আর কিছু বলে না৷ আরও জোরে বোনকে বুকে চেপে ধরে সে৷ আর ঠিক তখনই অদ্ভুত একটা ব্যাপার চোখে পড়ে ওর৷ পায়রার খোপের ছোটো দরজাটা খোলা৷ বৃষ্টির জল ছাদের মেঝেতে আছাড় খেয়ে ছিটকে যাচ্ছে সেদিকে৷ দরজার কাছটায় একটা বড়ো পায়রা ছোটো পায়রা দুটোকে ডানার নীচে নিয়ে জবুথুবু হয়ে বসে আছে৷ ছিটকে-আসা জল একটুও লাগছে না ছোটো পায়রা দুটোর গায়ে৷ বড়ো পায়রাটার দুটো মোলায়েম অথচ দৃঢ় ডানা ঢেকে রেখেছে ওদের৷

    টুকুর মনে হল, পাখির ডানা কেবল ওড়ার জন্য হয় না৷ প্রবল বৃষ্টির মাঝে বড়ো পাখির ডানা আশ্রয় দিতে পারে ছোটো পাখিকে৷ তেমনি করে মানুষও পারে৷ তেমন মানুষদেরও ডানা থাকে৷ মা মিথ্যে বলেনি তার মানে…

    দু-হাতে বোনকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরে সে৷

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleস্যার, আমি খুন করেছি – প্রচেত গুপ্ত
    Next Article পঁচিশটি গল্প – শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়

    Related Articles

    সায়ক আমান

    মৃত পেঁচাদের গান – সায়ক আমান

    May 15, 2026
    সায়ক আমান

    তালদিঘিতে ভাসিয়ে দেব – সায়ক আমান

    March 23, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Our Picks

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026

    পঁচিশটি গল্প – শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026

    সেরা ৪৫ – সায়ক আমান

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }