Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026

    পঁচিশটি গল্প – শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026

    সেরা ৪৫ – সায়ক আমান

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সেরা ৪৫ – সায়ক আমান

    সায়ক আমান এক পাতা গল্প1001 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    রাত তিনটের পর

    হাত বাড়িয়ে রেডিয়োটা বন্ধ করে পাশ ফিরে শুলাম৷ বিছানার পাশে রাখা হাত ঘড়িটায় রাত ঠিক তিনটে বাজে৷ একটু আগেই ঝড় হয়ে গিয়েছে৷ বৃষ্টি পড়েছে কি না জানি না৷ মাথার কাছের জানলাটায় আম গাছের ছায়াটা দুলে উঠছে বারবার৷ খানিকটা দূরে একটা কুকুর কয়েকবার ডেকে চুপ করে গেল৷ অন্যদিন হলে এসব ভাবনা মাথাতেই আসত না৷ আমার ছোট থেকেই রাত বারোটার আগে ঘুমিয়ে পড়ার অভ্যাস৷ মাঝে মাঝে দু-একটা দিন ছাড়া সে নিয়মের ব্যতিক্রম হয়নি বললেই চলে৷ অথচ দিন-তিনেক হল কিছুতেই আমার ঘুম আসছে না৷ প্রথমদিন ঘুম হয়নি বলে একটা ঘুমের ওষুধও খেয়েছিলাম৷ তাতে কোনও কাজ হয়নি৷ আজ ওষুধের মাত্রাটা বেশি হয়ছে৷ আশা করেছিলাম তাতে কাজ দেবে, তবুও এই রাত তিনটে পর্যন্ত আমি দু-চোখের পাতা এক করতে পারিনি৷

    আমার শরীর খারাপ নেই একেবারেই৷ এই ক-দিনে সেরকম পরিশ্রমও করিনি, শুধু রাতে শুতে এলেই এই সমস্যা৷ ঘুম আসছে না৷ আশ্চর্যের ব্যাপার হল, তাতে আমার সেরকম অসুবিধাও হচ্ছে না৷ রাতে ঘুম না হলে যেরকম চোখ লাল বা মাথা ব্যথা হওয়ার কথা তার বিন্দুমাত্র লক্ষণও নেই৷ এই ক-দিনে কীরকম যেন পরিবর্তন হয়েছে আমার৷ একা থাকার জন্য কি না জানি না, চারপাশ সম্পর্কে আমার ইন্দ্রিয়গুলো বেশি সজাগ হয়ে পড়েছে৷

    একা অবশ্য আমি আগে থাকিনি, তা নয়৷ আগের বছর বসন্ত উৎসবের সময় সুপর্ণা শান্তিনিকেতন চলে যাওয়ায় আমি একাই ছিলাম৷ তখন দিব্যি কেটেছে, দিনে অফিস, রাতে বাড়ি ফিরে খাওয়া-দাওয়া করে লম্বা ঘুম৷ দিনগুলো যে কোথা দিয়ে কেটে যেত খেয়ালই হত না৷ এবার কিন্তু তেমন হচ্ছে না৷

    দিন কতক হল আমার চিকেন পক্স হয়েছে৷ এখনও পুরোদমে শুরু হয়নি তবু বুকে পিঠে মিলিয়ে প্রায় গোটা তিরিশেক ফোঁড়া ইতিমধ্যে গজিয়েছে৷ সুপর্ণার এর আগে পক্স হয়নি, তাই রোগটা শরীরে ঢুকেছে বুঝেই আমি তাকে একরকম জোর করেই বাপের বাড়ি পাঠিয়ে দিয়েছি৷ প্রথমটা গাঁই-গুই করলেও পরে গায়ে ফোঁড়া বেরোনোর ভয়ে কি না জানি না, সে যেতে রাজি হয়ছে৷ তারপর থেকে আমি একা, তার সঙ্গে এই অনিদ্রা৷

    এ তো আচ্ছা জ্বালাতনে পড়া গেল৷ চিরকাল আমি একটু ঘুমকাতুরে, তিনদিন না ঘুমিয়ে কী করে যে সুস্থ আছি সেটাই আশ্চর্যের৷ বিছানা ছেড়ে উঠে পড়লাম৷ ঘুম যখন হবে না, তখন ঘরের আলোটা জ্বালানো যাক৷ আমাদের ঘরটা ছোটখাটো, আসবাবপত্র সেরকম কিছু নেই৷ দুটো মানুষের দিন চলে যাওয়ার মতো যতটা দরকার, তার বেশি কিছু নেই৷ চেয়ার-টেবিল ছাড়া আছে একটা আলমারি, একটা দেরাজ, একটা বিছানা আর একটা পুরোনো স্টিলের বাক্স—লম্বায় প্রায় পাঁচ ফুট, চওড়ায় ফুট দুয়েক৷

    বিয়ের আগে সুপর্ণার বাবার কলকাতায় একটা শাড়ির দোকান ছিল৷ একমাত্র মেয়ের বিয়ে হয়ে যাবার পর সে দোকানটি বেচে দিয়ে তিনি বিধবা বোনের কাছে চলে যান৷ তো এই দোকানের অবশিষ্ট শাড়ি আর গয়নাগাটি তিনি জমা রেখে যান সুপর্ণার কাছে৷ সেগুলো জমা না দান তা আমি বলতে পারি না৷ মোটকথা সেগুলোর স্থান হয়েছে ওই প্রমাণ সাইজের বাক্সের ভিতরে৷ ভিতরে কিছু গয়নাগাটি ও শাড়ি আছে বলে চাবি সুপর্ণা যখের ধনের মতো আগলে রাখে, কখনও কাছ–ছাড়া করে না৷ এই ক-বছরে ওর ভিতরে চোখ দেবার সুযোগ আমার হয়েছে প্রায় বার দশেক৷

    যাই হোক, ও-ছাড়া ঘরে আর আসবাব নেই বললেই চলে৷ কলসি থেকে জল গড়িয়ে নিয়ে একটু গলায় ঢাললাম৷ খানিকটা মাথাতেও দিলাম৷ অস্বস্তিটা কমল৷ আমি একটা দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে আড়মোড়া ভাঙলাম৷ একটু ছাদে গেলে হয়, ঘরের ভিতরটা কেমন যেন গুমোট হয়ে রয়েছে৷ জানলাগুলো খুলে দেওয়া যায়, কিন্তু খোলা জানলার দিকে বারবার চোখ চলে যায় আমার৷ মনে হয়, এই বুঝি কেউ এসে দাঁড়াবে৷ সত্যি বলতে কী এই ভূতের ভয়টা আমার এখনও এই বয়সে পৌঁছেও যায়নি৷

    টেপ রেকর্ডারটা হাতে নিয়ে সিঁড়ি দিয়ে ওপরে চলে এলাম৷ চারপাশ জমাট অন্ধকারে ভরে আছে৷ আকাশে একদম বুড়ো আঙুলের নখের মতো চাঁদ উঠেছে৷ হালকা মায়াবি আলোয় ঢেকে আছে চারপাশটা৷ ফিনফিনে ঠান্ডা একটা হাওয়া দিচ্ছে৷ মনটা বেশ ফুরফুরে হয়ে গেল৷ টেপটা পাঁচিলের উপরে রেখে চালিয়ে দিলাম৷ শীতের হাওয়ায় গাছে গাছে ঘষা লেগে ঝরঝর করে একটা আওয়াজ হচ্ছে৷ তার সঙ্গে রুপোলি জ্যোৎস্না৷ মনে হল, ঘুম না-এসে ভালোই হয়েছে৷ এমন একটা মায়াবি রাত ঘুমিয়ে কাটানো অর্থহীন৷ গান শোনার একটা বাতিক থাকলেও আমার নিজের গানের গলাটা একেবারেই আশাপ্রদ নয়৷ ছোটবেলায় গানের ইস্কুলে কী এক বেয়াদবি করেছিলাম বলে মাস্টার গোপীবাবু বেত্রাঘাত সমেত বিতারণ করেছিলেন৷ তারপর থেকে এখন অবধি শুধু শোনা নিয়েই আছি৷ কারও সামনে গাইবার সাহস হয়নি৷ এখানে অবশ্য কেউ নেই, চারপাশের বাড়িগুলোও অন্ধকার জড়িয়ে ঘুমোচ্ছে৷ আমি আস্তে আস্তে গাইলে কেউ শুনতে পাবে না কিন্তু তা-ও গান গাইবার ভরসা পেলাম না৷ গানের গুঁতোয় ক-টা ভূত এসে যদি উপস্থিত হয়৷ হঠাৎ মনে হল এক কাজ করলে কেমন হয়? টেপ রেকর্ডারটা যখন সঙ্গেই এনেছি, তখন কবিতা রেকর্ড করলে কেমন হয়? তার তো আর বেসুরো হবার জো নেই৷ খাসা আইডিয়া৷ একটা ব্ল্যাঙ্ক ক্যাসেট ঢুকিয়ে রেকর্ডিংয়ের বাটানটা টিপে দিলাম৷

    আমার কবিতা শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই বাড়ির ঠিক নীচ থেকে একটা কুকুর ডেকে উঠল৷ সেটাও বোধহয় রেকর্ড হয়েছে, যা-ই হোক ক্যাসেটটা আবার ব্যাক রিল করে চালিয়ে দিলাম৷ আমার দুর্ভাগ্য সেটা থেকে কবিতা দূরে থাক শোঁ-শোঁ আওয়াজ ছাড়া আর কিছুই বেরল না৷ বিরক্ত হয়ে বন্ধ করে দিলাম৷ কালই সার্ভিস সেন্টারে নিয়ে যেতে হবে৷ নামী কোম্পানির জিনিস হলেও বেশিদিন চলে না৷ ধুর… মনটা খিঁচড়ে গেল৷ আবার নীচে নেমে যাব কি না ভাবছি এমন সময় মনে হল, পাশের বাড়ির ছাদ থেকে দুমদুম করে যেন আওয়াজ আসছে৷ কেউ যেন খালি ছাদের উপর লোহার হাতুড়ি পিটছে৷

    আওয়াজটা সন্দেহজনক৷ কয়েকদিন হল এ পাড়ায় চোরের উপদ্রব হয়েছে৷ জানলা দিয়ে হাতের সামনে কিছু পেলেই তুলে নিচ্ছে৷ তবে এমন অদ্ভুত শব্দ করে কেউ চুরি করবে বলে মনে হয় না৷ আমার একটু কৌতূহল হল৷ আওয়াজটা ছাদ থেকে আসছে তাতে সন্দেহ নেই৷ কিন্তু পুরো ছাদটাই তো আমি হালকা চাঁদের আলোয় দেখতে পাচ্ছি, কোথাও কেউ নেই৷ অন্তত এমন বিকট আওয়াজ করার মতো কেউ নেই৷ ভাবলাম, একবার নিজেই গিয়ে দেখা যাক৷ চুরি ছাড়া অন্য অপরাধ হতে বাধা কোথায়?

    আমাদের ছাদ থেকে পাশের বাড়ির ছাদটা বেশি দূরে নয়৷ মোটামুটি মিটার খানেকের দূরত্ব৷ আমি পাঁচিলের ওপর দাঁড়িয়ে কার্নিসের উপরে নামলাম৷ ব্যাপারটা বোধহয় ঠিক হচ্ছে না৷ রাত-বিরেতে নানারকম শব্দ হতেই পারে, তা ছাড়া নিজের বাড়ির ছাদ হলেও কথা ছিল, আমাকেই আবার কেউ চোর না ভেবে বসে৷ ভেবে দেখলাম নীচে গিয়েও আমার করার কিছু নেই৷ ঘুম তো আসবে না, অগত্যা বিছানার উপর পড়ে থেকে একঘেয়েমি লেগে যাবে৷ তার থেকে এইরকম অ্যাডভেঞ্চার ভালো৷ সামনের দিকে তাকিয়ে অবশ্য একটু দমে গেলাম৷ এ বাড়ি থেকে ও বাড়ির কার্নিসে যেতে হলে বেশ বড়সড় একটা লাফ দিতে হবে৷ কিন্তু সমস্যা সেটা না৷ লাফানোর জন্য আমার শরীরে যে মোমেন্টাম তৈরি হবে, তাতে দেওয়ালে একটা ছোটখাটো ধাক্কা খাব৷ ভারটা যদি কার্নিসের ওপরে না-রাখতে পারি তাহলে সোজা নীচে এসে পড়ব৷ দোতলা থেকে পড়ে হয়তো বেশি চোট লাগবে না, কিন্তু তাতে লোক জেগে যাবার ভয় আছে৷ সাত-পাঁচ না-ভেবে আমি লাফানোই ঠিক করলাম৷ পকেটে ঘরের চাবিটা আছে, পড়ে গেলে আবার সামনে দিয়ে এসে ঘরে ঢুকতে অসুবিধে হবে না৷

    মনে মনে ইষ্টনাম জপ করে আমি লাফ মারলাম৷ যেটা ভয় পাচ্ছিলাম ঠিক সেইটাই হল৷ দেওয়ালে ধাক্কা লেগে আমার শরীরটা বেশ খানিকটা পিছিয়ে এল৷ দেওয়ালের ঠিক গায়েই বেরিয়ে ছিল একটা লোহার রড৷ সেটা ধরে অর্ধেক ঝুলে রইলাম৷ আমার একটা পা কার্নিসে, একটা হাওয়ায়৷ আমি আর একটা হাত দিয়ে রডটা চেপে ধরলাম৷ বাঁ পা-টা এমনভাবে ঝুলছে যে সেটাকে উপরে নিয়ে আসা এক কথায় অসম্ভব৷ অথচ সেটা না-করতে পারলেও চলবে না৷ দেওয়ালে পিঠ দিয়ে আধঝোলা হয়ে থাকতে থাকতে ল্যাম্প পোস্টের আলোটা আমার চোখে পড়ল৷ হলুদ উজ্জ্বল আলো৷ এতক্ষণে অন্ধকারটা চোখ-সওয়া হয়ে গিয়েছে৷ তীব্র আলোটা চোখে পড়তেই আমার মাথা ঝনঝন করে উঠল৷ আমি মুখ অন্যদিকে ঘুরিয়ে নিলাম৷ হঠাৎ মাথায় একটা বুদ্ধি খেলে গেল৷ কার্নিসে যে পাশে আমি ঝুলে আছি তার কাছেই একটা বক্স জানলা৷ মনে হয়, দোতলার ভাড়াটেদের৷ কার্নিস থেকে ডান পা-টাও আমি নীচে নামিয়ে নিলাম৷ দু-হাতে রড ধরে কয়েকবার দোল খেয়ে নিতেই জানালাটা হাতের কাছে চলে এল৷ আমি একটা হাত দিয়ে জানলার গ্রিলটা ধরলাম৷ রীতিমতো অভিজ্ঞ চোরের ন্যায় যখন পাশের বাড়ির ছাদে এসে পৌঁছোলাম তখন আমার শরীরে নানা জায়গায় কাটা-ছড়ার দাগ৷ ছাদে পা রেখে কিন্তু কিছুই দেখতে পেলাম না৷ এদিক-ওদিক তাকাতে চোখ পড়ল ছাদের উলটো দিকের কোনায় কী যেন একটা সাদা মতো জিনিস পড়ে আছে৷ আমি সেদিকে এগিয়ে যেতেই সেটা হঠাৎ এক লাফে জীবন্ত হয়ে উঠে আমার দিকে সরে এল৷ একটা মোটা বিড়াল৷ আরাম করে ছাদে শুয়ে ঘুমোচ্ছিল৷ আমাকে দেখে খুব-একটা খুশি হয়ছে বলে মনে হল না৷ দু-বার রাগে ফোঁসফোঁস করে অন্যদিকে সরে পড়ল৷ কিন্তু আওয়াজটা আসছিল কোথা থেকে? এখনই বা আসছে না কেন? ছাদের লাগোয়া একটা ঘর আছে৷ দোতলা থেকে উঠেই সেটা ডান দিকে পড়ে৷ যতদূর জানি সেখানে কেউ থাকে না৷ আগে এক বুড়ো ভাড়াটে থাকত, গত মাসে তিনি রক্তবমি করে মারা যাবার পর থেকে ঘরটা ফাঁকাই পড়ে আছে৷ ওখান থেকেই কি আসছিল আওয়াজটা? ঘরের জানলা খোলা ছিল, সেদিকে এগিয়ে গেলাম৷ ভিতরটা কুপকুপে অন্ধকার, প্রায় কিছুই দেখা যায় না৷ গ্রিলটা ধরে আমি মুখটা কাছে নিয়ে গেলাম৷ ভালো করে কান পেতে শুনতে পেলাম ভিতর থেকে একটা অদ্ভুত আওয়াজ আসছে, যেটাকে দাঁত দিয়ে কোনও শক্ত খাবার ছেঁড়ার আওয়াজ বলা যেতে পারে৷ তবে এত জোরে শব্দ করে কোনও মানুষ খায় বলে তো আমার জানা ছিল না৷ শব্দটা বোঝার উপায় নেই, কী আশ্চর্য! এত জোরে শব্দ হচ্ছে অথচ বাড়ির কারও ঘুম ভাঙার নাম নেই, কী ঘুম রে বাবা!

    আমি জানলার কাছ থেকে সরে এলাম৷ বেড়ালটা ছাদ পেরিয়ে কোথায় গেল কে জানে৷ আমি এসে কাঁচা ঘুম ভাঙিয়ে দেওয়ায় নিশ্চয়ই বিরক্ত হয়ছে৷ ক-টা বাজে জানি না৷ সাড়ে তিনটে তো নিশ্চয়ই বেজেছে৷ ভাবলাম, এবার ঘরে ফিরে যাই৷ আর ব্যাপারটা মাথায় আসতেই আমার হাসি পেল৷ এই গভীর রাতে আমি নিজের ঘর ছেড়ে অন্যের ছাদে লাফিয়ে জানালার ভিতর উঁকি দিচ্ছি, কেউ দেখতে পেলে নিশ্চয়ই চোর ভাবত৷ নাহ, নিজের পাগলামিতে নিজেই অবাক হয়ে যাই৷ ক-দিন থেকেই মনে হচ্ছে আমার নার্ভগুলো হঠাৎ বেশি সজাগ হয়ে পড়েছে৷ সে জন্যই বোধহয় রাতে ঘুম হয় না৷ এর একটা কিছু ব্যবস্থা করতে হবে৷ কালই… আমার যে চিকেন পক্স হয়ছে সেটা এখনই বাইরে থেকে দেখে বোঝার উপায় নেই তবুও রাস্তায় বেরোতে আমার ইচ্ছা করে না৷ ফোন করে বাড়িতে ডেকে নেওয়াই ভালো৷ এরকম না-ঘুমিয়ে অন্যের বাড়িতে উঁকি দিয়ে আর কতদিন চালাব? দেখতে দেখতে একেবারে চোর না হয়ে যাই৷ আমি জানলাটা ছেড়ে সবে পাঁচিলের দিকে সরে আসতে যাচ্ছি, এমন সময় ঘরের ভিতর থেকে ঘুম-জড়ানো গলায় কে যেন চেঁচিয়ে উঠল,—‘কে? কে ওখানে?’

    এই সেরেছে! ঘরে বোধহয় লোক ছিল৷ আমার হাত লেগে জানলায় একটু শব্দ হয়েছে, আর তাতেই জেগে উঠেছে লোকটা৷ গলা শুনে অবশ্য চেনা কেউ বলে মনে হল না৷ এখন কী করা যায়? ধরতে পারলে নিশ্চয়ই চোর ভাববে৷ দৌড়ে পালানোর উপায় নেই৷ পাঁচিল থেকে কার্নিসটা অনেকটা নীচে৷ ধীরে-সুস্থে নামতে হবে৷ অতএব লোকটা দরজা খুলে বেরিয়ে এলে ছাদেই কোথাও গা আড়াল করা ছাড়া উপায় নেই৷ কোথায় লুকোই? সেরকম কোনও জায়গাও তো নেই৷ দরজায় খসখস শব্দ শুনেই বুঝেছি, লোকটা ছিটকানি খুলছে৷ হঠাৎ মনে পড়ল, ছাদের ঘরটার পিছনের দিকে একটা ছোট খুপরি আছে৷ একটা মানুষের ঢুকে দাঁড়ানোর মতো জায়গা৷ দিনেরবেলা হলে সেখানে লুকানোর কথা ভাবতেও পারতাম না, কিন্তু রাতের অন্ধকার এখনও কাটেনি এবং চাঁদটাও আকাশের এদিকে নেই তাই খুপরিটার ভিতরের দিকে ঢুকে দাঁড়ালে লোকটার খেয়াল না করার একটা আশা আছে৷ ব্যাপারটা নিজের পছন্দ না-হলেও আর কোনও উপায় নেই দেখে তা-ই করলাম৷ বুকের ভিতরটা কেমন যেন ঠান্ডা হয়ে গিয়েছে৷ লোকটা আমাকে দেখতে পেলে কেলেঙ্কারি হবে৷ শুধু আজকের নয়, এ পাড়ায় ইদানীং যত চুরি হয়ছে তার সব দায় আমার ঘাড়ে এসে পড়বে৷ সুপর্ণা ফিরলে তাকেই বা কী করে বোঝাব যে মাঝরাতে কীসের তাড়নায় পাঁচিল ডিঙিয়ে অন্যের ছাদে ঘোরাঘুরি করছিলাম৷

    আমার নাকে একটা বিশ্রী গন্ধ এল৷ খুব ক্ষীণ, তবু কেমন যেন চেনা লাগল গন্ধটা৷ এদিকে লোকটা ছাদের চারপাশটা ঘুরে দেখছে৷ সিমেন্টের মেঝের ওপরে খসখস পায়ের আওয়াজ শোনা যাচ্ছে৷ হ্যাঁ… এবার আস্তে আস্তে বাড়ছে৷ মানে সে এদিকেই আসছে৷ আমি নিজের হৃৎপিণ্ডের শব্দ শুনতে পেলাম৷ আর একটু ভিতরে ঘেঁষে দাঁড়ানোর চেষ্টা করলাম কিন্তু জায়গা নেই৷ খুপরিটা এতটাই ছোট যে আমার একটা হাত আড়াআড়ি বেরিয়ে আছে৷ লোকটা যখন আমার সামনে এসে দাঁড়াল, তখন আমার দুটো হাঁটু কাঁপছে৷ কোনওরকমে পিছনের দেওয়ালে সেঁটে দাঁড়িয়ে আছি৷ সে কিন্তু এখনও দেখতে পায়নি আমাকে৷ ভাগ্যিস হাতে টর্চ নেই, এই অন্ধকারের চাদরটাই আমার একমাত্র সম্বল৷

    ‘নাহ, এ পাড়াটা চোরের আখড়া হয়ে উঠেছে, একটা ব্যবস্থা করতে হবে৷’

    নীচুস্বরে বিড়বিড় করতে করতে লোকটা ফিরে গেল৷ আমারও ঘাম দিয়ে জ্বর সারল৷ ওফফ…! এমন বদনামের ভয় জীবনে পাইনি৷ খুব শিক্ষা হয়ছে, এবার থেকে পাশের বাড়িতে বোম পড়লেও বাইরে বেরব না৷ পা টিপে টিপে খুপরি থেকে বেরিয়ে এলাম৷ টেনশনটা কেটে যেতে খেয়াল করলাম, গন্ধটা আগের থেকে বেড়েছে৷ খানিকটা দূর থেকে আসছে তাই বোধহয় তীব্রতাটা একটু কম৷ কোথাও ইঁদুর মরল নাকি? আমি আবার কার্নিস ডিঙিয়ে এদিকে ছাদে চলে এলাম৷ এতক্ষণে নিশ্চিন্ত৷ নিজের ছাদ, যত খুশি ঘুরি না-কেন কেউ কিচ্ছু বলার নেই৷ কিন্তু আমার আর বেশিক্ষণ ওপরে থাকতে ইচ্ছা করল না৷ টেপ রেকর্ডারটা হাতে নিয়ে সিঁড়ি দিয়ে নীচে নেমে এলাম৷ গন্ধটা কিন্তু ক্রমাগত বেড়েই চলেছে৷ এখনই সেটার উৎস খুঁজে বের করতে না-পারলে ঘুম কেন, কাল সারাদিন বাড়িতে টিকতেই পারব না৷

    ঘরের চারপাশটা খুঁজে দেখলাম৷ নাহ, কোথাও কিচ্ছু নেই৷ হঠাৎ একটা ব্যাপার চোখে পড়তেই আমার গলার কাছটা শুকিয়ে ঠান্ডা হয়ে গেল৷ ছাদে যাওয়ার সময় ঘরে হাওয়া ঢুকবে বলে জানলার একটা পাল্লা খুলে রেখেছিলাম৷ এখন সেটা বন্ধ৷ শুধু বন্ধই নয়৷ রীতিমতো ছিটকানি দিয়ে ভিতর থেকে বন্ধ করা৷ কে বন্ধ করল? ঘরে তো কেউ ছিল না৷ বাইরে থেকে কারওর ঢোকা সম্ভব নয়৷ একমাত্র যদি না কেউ ছাদ দিয়ে ঢুকে থাকে, কিন্তু তাই বা কী করে… ব্যাপারটা মনে হতেই আমার ভয়টা আরও বেড়ে গেল৷ আমি পাশের বাড়ির ছাদে ছিলাম সেই সময়ে কেউ আমার ঘরে ঢুকেছে এবং যদি ঢুকে থাকে তাহলে সে এখনও বেরিয়েছে কি না আমি জানি না৷ যদি চোর হয়, তাহলে ভয়ের কিছু নেই৷ কারণ আমার ঘরে মহামূল্য তেমন কিছু নেই৷ ওই বাক্সের ভিতরে গয়নাগুলো ছাড়া৷ কিন্তু সেটার চাবিও তো আমার কাছে নেই৷ সুপর্ণার ব্যাগেই থাকে সেটা৷ আমি লাইট জ্বালালাম না৷ চোর অস্ত্রধারী কি না আমি জানি না৷ অতএব সম্মুখ-সমরে গিয়ে আমার লাভ নেই৷ আগের মতোই বিছানার ওপর শুয়ে গভীর ঘুমের ভান করলাম৷

    হঠাৎ একটা চেনা গলা শুনে আমি চমকে উঠলাম৷ সুপর্ণা! এত রাতে সে পাশের ঘরে কী করছে? তার তো এখানে থাকার কথা নয়৷ তা ছাড়া সে যদি এখানে আসেই, আমাকে জানাবে না কেন৷ মাঝ রাতে ছাদ ডিঙিয়ে… ধুর, আমার মনের ভুল৷ একটু পরেই বুঝলাম আমার মনের ভুল নয়৷ সে ধীরে ধীরে এই ঘরে এসে ঢুকল৷ একটা কালো শাড়িতে গোটা শরীরটা ঢাকা৷ আঁচলটা মাথার পিছন দিয়ে ঘোরানো৷ যাতে দরকার পড়লেই সেটা দিয়ে মুখ ঢাকা যায়৷ আমি উঠলাম না৷ কেমন যেন খটকা লাগছে আমার৷ কী একটা ব্যাপার যেন আমি ভুলে যাচ্ছি৷ সব কিছুই আমার জানা অথচ কিছুতেই মনে পড়ছে না৷ সুপর্ণা কিন্তু আমার দিকে ফিরেও তাকাল না৷ সে তার হ্যান্ডব্যাগ থেকে বাক্সের চাবি বের করছে৷ আমার এই অবস্থাতেও হাসি পেল৷ নিজের জিনিস নিজেই রাত দুপুরে এসেছে চুরি করতে৷ হঠাৎ একটা ব্যাপার খেয়াল হতেই আমার হৃৎপিণ্ডটা প্রায় আধ মিনিটের জন্য বন্ধ হয়ে গেল৷ মনে পড়েছে, খুব অস্পষ্ট ছেঁড়া-ছেঁড়া ছবির মতো কয়েকটা দৃশ্য, না দৃশ্য নয়— অনুভূতি৷ দৃশ্যগুলো সব আমার কল্পনা৷ আমি টেপ রেকর্ডারটা নিয়ে উঠে পড়লাম৷ এক-পা এক-পা করে হেঁটে চলে এলাম পাশের ঘরে৷ সুপর্ণা এখনও বাক্স খোলায় মশগুল৷ আমি ঘরের টেবিলের উপর টেপটা রেখে অন করলাম৷ তারপর যে ব্ল্যাঙ্ক ক্যাসেটটায় একটু আগে কবিতা রেকর্ড করেছিলাম সেটা ঢুকিয়ে প্লে-বাটনটা টিপে দিলাম৷ আবার আগের মতোই শোঁ-শোঁ শব্দ৷ কিচ্ছু রেকর্ড হয়নি৷ কিন্তু সেটা আমার উদ্দেশ্য নয়৷ আমি অপেক্ষা করে আছি শেষটার জন্য৷ শব্দটা কিছুক্ষণ চলার পর অদ্ভুতভাবে খারাপ হয়ে-যাওয়া টেপ রেকর্ডারের ভিতর থেকে বেরিয়ে এল সেই কুকুরের ডাকটা৷ তার মানে? সব রেকর্ড হয়ছে, হয়নি খালি আমার গলাটা৷ কেন?

    আমি আর অবাক হলাম না৷ চলে এলাম পাশের ঘরে৷ এতক্ষণে বাক্সটা খুলে ফেলেছে সুপর্ণা৷ আমার অনিদ্রা, আমার নার্ভগুলোর অতিসক্রিয়তা, আমার অন্ধকারে মিশে যাওয়ার ক্ষমতা, আমার গলা রেকর্ড না হওয়া—সব প্রশ্নের উত্তর ওই বাক্সটার ভিতরে৷ ধীরে ধীরে বাক্সের ডালাটা সরিয়ে ফেলল সুপর্ণা৷ শাড়ি নয়, গয়না নয়, ওর ভিতরে হাত-পা মোড়া অবস্থায় একটু কুঁকড়ে শুয়ে আছে একটা লাশ, আমার লাশ৷ তিনদিনের বাসি মরা৷ পাথরের মতো শক্ত হয়ে আছে৷ স্থানে স্থানে পচন ধরা শুরু হয়ছে৷ সে গন্ধ অবশ্য অন্য কারও পাওয়ার কথা নয়, অন্তত দু-একদিনের মধ্যে নয়৷ আমি স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে পড়লাম৷ একটা কালো কাপড়ে মৃতদেহটাকে ঢুকিয়ে ধীরে ধীরে সাবধানে ঘরের চাবিটা খুলছে সুপর্ণা৷ আমি কিছু বলতে চেয়েও বলতে পারলাম না, সে সিঁড়ি দিয়ে নেমে যেতে আমি এক দৌড়ে ছাদে চলে এলাম কালো কাপড়ে জড়ানো দেহটাকে একটা গাড়ির পিছনে তুলল সে৷ আমি ছাদের পাঁচিল ধরে একদৃষ্টে দেখতে লাগলাম৷ ধীরে ধীরে আমার চিন্তাভাবনাগুলো ছোট হয়ে আসতে লাগল৷ আমার গলন্ত মনের কোনও এক গহ্বর থেকে অদ্ভুত আঁধার এসে গ্রাস করছে আমাকে, নিয়ে যাচ্ছে অন্তহীন সময়ে…

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleস্যার, আমি খুন করেছি – প্রচেত গুপ্ত
    Next Article পঁচিশটি গল্প – শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়

    Related Articles

    সায়ক আমান

    মৃত পেঁচাদের গান – সায়ক আমান

    May 15, 2026
    সায়ক আমান

    তালদিঘিতে ভাসিয়ে দেব – সায়ক আমান

    March 23, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Our Picks

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026

    পঁচিশটি গল্প – শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026

    সেরা ৪৫ – সায়ক আমান

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }