Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    কাঞ্চন-মূল্য – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    April 23, 2026

    শূন্য পথের মল্লিকা – স্মরণজিৎ চক্রবর্তী

    April 23, 2026

    মরণের আগে ও পরে – ইমাম গাজ্জালী (অনুবাদ : মাওলানা শাহ ওয়ালীউল্লাহ)

    April 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কাঞ্চন-মূল্য – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায় এক পাতা গল্প299 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কাঞ্চন-মূল্য – ৫

    ৫

    এই ক’রে ও সমিস্যেটে একরকম মিটল দা’ঠাকুর। হ্যাঁ, বাপের বেটি ছেল বটে দিদিমণি—কেমন না বাড়ি ফেরো দেখি; যেমন তুমি বেম্মদত্তি তেমনি তোমার পেত্নী যোগাড় করে দিচ্চি দাঁড়াও। অবিশ্যি পেত্নীর ভয়েই যে ফিরে এল বাবাঠাকুর তা নয়, তবে খ্যাপাটে মানুষ, যদিই আপ্তহত্যে হয়ে যায় তো একটা কেলেঙ্কারি তো, আর ত্যাখন পুলিশ-রোজাও তো বেম্মদত্তিকে জোড়া-বকুলগাছ থেকে নামাবেই, আর তো গা-ঢাকা দে চলবে না; শুনতে দেরি, হন্তদন্ত হয়ে ছুট্টে এল বাবাঠাকুর। মরা পেত্নীর চেয়ে জ্যান্ত পেত্নী যে আরও কি যে বলে ইয়ে দা’ঠাকুর।

    তবে সমিস্যে যা মিটল তা ঐ পজ্জন্তই, মানে, বাড়ির কত্তা বাড়ি ফিরে এল। ইদিকে সংসার কিন্তু দিনদিনই অচল হয়ে উঠচে। অনেকগুনো কারণ তো ছেলই উদিকে, তার উপর ব্রেজঠাকরুন আসতে আরও বেড়েই গেল। আয়ের পথ একেবারেই গেল বন্ধ হয়ে। এগুতে আপনাকে বলেচি, আয়ের দিকে ওনার নজর ছেলই কম; পেটে বিদ্যে না থাক, হাঁকডাকের জোরে রিদয় ভচায্যি উদিকটা একচেটে ক’রে নিয়েছিল গাঁয়ের মধ্যে। এরপর যখন সধবা-বিধবার হ্যাঙ্গাম উঠল, ঠাকুরমশাই গয়ারামের বোনঝির বিধবা-বিয়ে দিলে, ত্যাখন থেকেই ওনার কপাল আরও ভাঙল। তারপর ব্রেজঠাকরুণ উপস্থিত হতে য্যাখন রটে গেল ঠাকুরমশাই নিজেই আবার শালীকে বিধবা-বিবাহ করতে যাচ্চেন, ত্যাখন যে-ক’টা ঘর যজমান টিমটিম করছেল সে-কটাও গেল হাতছাড়া হয়ে। বলবেন, কেন, বিধবা-পার্টিতেও তো লোক ছেল। আজ্ঞে, তা ছেল বৈকি,…তবে একটা কথা মনে রাখতে হবে তো, বিধবা-পাটি বলতে তো বেটাছেলেরাই শুধু, সিদিক দিয়ে তো আবার ঘরেই মধ্যেই মেয়ে-পুরুষে দলাদলি- মেয়েরা সধবাই হোক আর বিধবাই হোক, বিধবা-পার্টিতে যেতে পারে না, ইদিকে পুজো পান বলতে যা কিছু সব ওদেরই হাতে, কাজেই ওনার পসার একেবারে গেল নষ্ট হয়ে। এর পরও দু’এক ঘর বোধ হয় টেঁকে যেত দা’ঠাকুর, আবার সব রকম মানুষ আচে তো—চুলোয় যাক ওদের সধবা- বিধবা, মন্তর তো বিধবা নয়, একথা বলবার নোকও ছেল-আজ্ঞে- স্ত্রীলোকই—মসনে গাঁটা তো এতটুকু নয়, তা ব্রেজঠাকরুনের আবির্ভাব হ’তে সে-ঘরগুনোও বেরিয়ে গেল হাত থেকে, বুঝলেন না কথাটা? বাবাঠাকুর থাকলে হ্যালাফ্যালা ক’রে যা হয় একটু নৈবিদ্যি সাজিয়ে পুজোটা সারিয়ে নিত সবাই, দুটো পয়সা দক্ষিণে, তা দিলে বা না দিলে, —তা এই নিয়ে যদি ঐ পাটনেয়ে কুঁদুলি ঝগড়া করতে আসে কোমর বেঁধে তো কে তার মহড়া নিতে যায় বলুন?

    এর ওপর আবার ক’দিন একটু আয়ের জন্যে শিষ্যিবাড়ি ঘোরাঘুরি করতে হোল উদিকে, তারপর আবার এই বেম্মদত্তির পালা; যখন ফিরল বাবাঠাকুর তখন দেখে রোজগারের আসর একেবারে ফরসা।

    আয় নেই, ইদিকে খেতে দুটির জায়গায় তিনটি লোক, তায় বামুনের মেয়ে, পাপমুখে বলতে নেই ব্রেজঠাকরুন একাই বেশি না হোক, কম ক’রে ধরলেও তিনজন তো বটেই, দুশ্চিন্তের ব্যাপার হয়ে উঠল দিন দিন। সম্বলের মধ্যে ঐ দশটি টাকা যা ঠাকুরমশাই আমার হাতে দেছল, তা তার মধ্যে ছেরাদ্দর পাঁচটি বোধ হয় কর্জই—কোন শিষ্যিবাড়ি থেকে—এই অভাবের টানে হু-হু ক’রে শেষ হয়ে আসতে লাগল।

    তবু, ধন্যি মেয়ে দিদিমণি, টেনেবুনে, মানিয়ে-সানিয়ে চালিয়ে নিয়ে যাচ্ছেল, সেই কথায় কথায় হাসি, সেই ঠাট্টা; বাবা, মাসি, রাজু ঘোষাল, ছিরু—যাকেই পেলে তাকে নিয়ে। ওবিশ্যি কতদিন আর এ-ভাবে চালাতে পারত ভগবানই জানেন, তবে হঠাৎ একদিন একটা ব্যাপার হয়ে ভেতরকার গলদ সব প্রেকাশ হয়ে পড়ল। সে দিনটার কথা বেশ মনে আছে—যায় না এক একটা দিন যেন দাগ কেটে মনের মধ্যে ব’সে? সেইরকম একটা দিন! দিদিমণি আমায় ক’দিন থেকেই বলছেল– তোকে একটা কথা বলব স্বরূপ, কিন্তু বলা আর ওর হয়ে উঠছেল না। সে দিনটা ছেল বাদুলে দিন, মেঘটা সকাল থেকেই নেগে ছিল, তবে বিষ্টি যা হচ্ছেল তা ছেড়ে ছেড়ে। সমস্ত দিন গোরুটাকে বার করা হয়নি, একটা ধরনের মাথায় কাজ থেকেই খানিকটা চরিয়ে নে এসে আমি গোয়ালে তুলচি বিকেল বেলায়, দিদিমণি বললে—‘তুই আজ আর বাড়ি যাবি স্বরূপ? নাই বা গেলি।’

    বললুম— ‘কেন গা? দিব্যি তো ধরেচে আকাশটা, কৈলীকে বেঁধে দিয়ে যাই না চলে।’

    বললে—‘আকাশটা ধ’রেচে ব’লেই বলচি। কাজ নেই গিয়ে। তোকে একটু বাইরে যেতে

    একটু কি যেন ইশারা করলে, তা তেমন বুঝতে পারলুম না, কৈলীকে নিয়ে গোয়ালে চলে গেলুম।

    নাদায় জাবনাটা মাখচি, গোয়াল থেকে উঠোনটা দেখা যায়। এই দিকেই আচি চেয়ে, এমন সময় সদর দরজা দিয়ে বাবাঠাকুর হন্তদন্ত হয়ে বাড়িতে ঢুকল, একবার চারিদিকে চেয়ে নিয়ে ডাকলে—‘নেত্য আচিস? নেত্য কোথায় গা?’ দিদিমণি ঘরের মধ্যে পিদিম জ্বালবার ব্যবস্থা করছেল, বাদলা দিন, তাড়াতাড়ি সন্দে হয়ে আসচে তো, নেমে এল উঠোনে। বাবাঠাকুর আর একবার চারিদিক নজরটা ঘুরিয়ে নিলে, জিগোলে—‘আর কাউকে দেখচি না যে?’

    দিদিমণি বললে—‘মাসিমা ঘোষপুকুরে গেল এই গা ধুতে।…আমায় কিছু বলচ? … তোমার মুখটা অমন শুকনো দেখাচ্চে কেন বাবা?”

    আমার কথাটা আর বললে না দিদিমণি—হয়তো খেয়ালই হোল না।

    বাবাঠাকুর বললে—‘ব্রেজো ঘাটে গেচে? তা ভালোই হয়েচে।…এক্ষুনি বোধ হয় ফিরবে, না?’

    দিদিমণি হেসে বললে—‘রোস, আজ সমস্ত দিন বেরুতে পায় নি। ঘোষপুকুরে উঠল বলে ভাঙা কাঁশির আওয়াজ।’

    আমি হাতের জাবনা পস্কের করতে করতে বেরিয়েই আসছিলুম, বাবাঠাকুর ব্রেজোঠাকরুন ঘাটে গিয়ে ভালোই হয়েচে বলতে, ছেঁচের কাচেই দাঁড়িয়ে পড়লুম। দেখচি তানার ভাবটাও যেন কেমন চনমনে। দিদিমণির কথায় একটু হাসবার চেষ্টা করলে, কিন্তু কেমন যেন দেঁতো হাসি। দিদিমণি চেনে তো; বললে—‘কি যেন বলবে বলো না বাবা, তোমার মুখটাও যেন শুকনো—কেন?’

    বাবাঠাকুর বললে—‘তুই ওরকম দেখি—শুকনো অমনি! একটু জলে ভিজলুম যে।’

    ‘তাই হবে, জলে ভিজলে শুকনো দেখায় অনেককে, রোদে পুড়লে ভিজে দেখায়।’

    আবার একটু হাসলে, জিগ্যেস করলে— ‘তা কথাটা কি?”

    ‘কিছু নয় তেমন। তোকে সেই পাঁচটা ট্যাকা পাঠিয়ে দিয়েছিলুম না? সেই যে গো, স্বরূপটা যেবারে কান শুনতে ধান শুনে তোকে এসে বললে বাবাঠাকুর বেম্মদত্তি হয়ে নিজের ছেরাদ্দর জন্যে পাঠিয়ে দিয়েচে—ছেরাদ্দ হ’লে তো বাঁচি—তা সেই ট্যাকাটা—তার আগে যেটা পাঠিয়েছিলুম সেটার কথা নয়, সেটা তুই খরচ কর, এটা, মানে বাতাসপুরের একটা বেনের কাচে নিয়েছিলুম কিনা—একজন শিষ্যির জমানতে—তা কদিন থেকেই জোর তাগাদা নাগিয়েচে, আজ আবার বাড়ি ব’য়ে আসছেল, আমি পোড়ো মন্দিরের দাওয়ায় বসিয়ে এয়েচি—বাড়িতে কুটুম তো।…সেই ট্যাকাটা, আর কিছু না।’

    দিদিমণির মুখটা যেন একেবারে ছাইপানা হয়ে গেচে দাদা’ঠাকুর। ভালোও দেখেচি মন্দও দেখেচি কিন্তু সে রকমটা কখনও দেখিনি। আর, একটু সন্দে হয়েচে তো, তাতে বাদুলে আকাশ—যেন আরও কালি ঢেলে দিয়েচে মুখে, ফ্যাল ফ্যাল করে বাপের মুখের দিকে চেয়ে আচে, কি বলবে, কি করবে যেন থৈ পেয়ে উঠচে না।

    তবুও দিদিমণিই, সামলে নিতে তো অমন ক’রে আর কাউকে দেখলুম না। ঐ থির চাউনির মধ্যেও দু’একবার চোখ দুটো যেন একটু একটু ঘুরে গেল, তারপর বোধ হয় আর একটু ভাববারই সময় নেবার জন্যে বললেও, সেই পরের বারে যে ট্যাকাটা পাঠিয়েছিলে?’

    ‘হ্যাঁ, সেইটে…নেই হাতে? তাহলে না হয়…’ আর শেষ করতে দিলে না দিদিমণি। ত্যাতক্ষণে ওর মুখটাও পস্কের হয়ে এসেচে, বললে— ‘ থাকবে না কেন বাবা? তবে এই ভরসন্দের সময় তো ট্যাকা বের করতে নেই—সে তো সেও জানে, আর বাদুলে সন্দে কখন ওরাবে টের পাওয়া যায় না তো—ভিন গেঁয়ের লোক, কতক্ষণ ওপিক্ষ্যে করবে—তার চেয়ে বল, আজ যেতে, কাল তুমি নিজেই দিনমানে গিয়ে দিয়ে আসবে।’

    —বাবাঠাকুর চলে যেতে দিদিমণি একটু গলা তুলেই আমায় ডাক দিলে, আমি গোয়াল থেকে সাড়া দিয়ে বেরিয়ে আসতে একটু যেন থমকেও গেল, জিগ্যেস করলে—‘তুই বাড়িতেই ছিলি?’

    আমি বললুম—‘গোরুটাকে জাবনা মেখে দিচ্ছিলুম।’

    ‘তাহলে তো শুনেচিস সব কথা। তা শুনেচিস তো আর কি হবে? বাড়ির ছেলের মতনই তো, তবে বলিসনি বাইরে কাউকে, বাড়ির কথা বের করতে নেই…তোকে ক’দিন থেকে বলচি না যে একটা কথা বলব? তোকে আবার একটা চিঠি দোব স্বরূপ, নিয়ে একাদশী ঘোষালের ওখানে যাবি, মনে করেছিলুম বাদুলে আকাশ, আজ না হয় থাক, তা শুনলি তো সব।…ভয় করবে না তো?’

    নিজেই হেসে বললে- ‘ বেম্মদত্তির সঙ্গে সমানে কথা কয়ে এল, ওর আবার ভয়! তা’হলে আয় এক্ষুণি, বাবা, মাসিমা এসে পড়বে।’

    তাড়াতাড়ি পিদিমটা জ্বেলে খসখস করে একটা চিঠি লিখে বললে, —‘বাইরে চল, কেউ এসে পড়বে এখুনি।’

    আমার সঙ্গে ক’রে খিড়কির পুকুরের দিকে নিয়ে গেল, ঘাটের ওপর একটা জেয়ল গাছ, তার নিচে দাঁড়িয়ে চিঠিটা আমার হাতে দিয়ে বললে—‘সবই নিখে দিয়েছি চিঠিতে, তোকে কিছু বলতে হবে না, শুধু যদি জিগ্যেস করে বাবা কোথায় তো বলবি দিন পনের হোল শিষ্যিবাড়ি গেচেন, ফেরেন নি এখনও, বুঝলি না?—ঐ কথাটা আমিও নিকেচি, কথা আবার দু’রকম না হয়ে যায়।…ঐ পঞ্চাশটা ট্যাকার কথা নিখলুম, অত দেবে না, যা দেয় তুই নুকিয়ে নিয়ে আসবি। ….তা যেন হোল, রাত ক’রে আবার ফিরে এলি কেন—বাবা মাসি কেউ যদি জিগ্যেস করে, কি বলবি বল দিকিন?’

    নিজেও ভাবতে লাগল। আমি বললুম— ‘বলবখনি পোড়ো মন্দিরের বেলগাছে বেম্মদত্তি দেখলুম, তাই।’

    দিদিমণি খিলখিল করে হেসে উঠল, বললে—‘ও ছোঁড়ার মাথায় কী যে সেই এক বেম্মদত্তি সেঁদিয়ে বসেছে, আর পরিত্রাণ নেই।… বলবি—বলবি-দাঁড়া হয়েচে, সকালে তো তোর বাবার সেই বীরভদ্দর ছাতাটা নিয়ে এয়েছিলি, তা সেটা আর নিয়ে কাজ নেই, বলবি- ভুলে ফেলে গেছলুম নিতে এয়েচি। যা। গুচিয়ে-গাচিয়ে যদি আনতে পারিস, তোর দোয়ানিটা সিকি ক’রে দোব এবার। এইদিক দিয়েই বেরিয়ে যা, উদিকে ওরা আবার এসে পড়তে পারে।’

    খিড়কির রাস্তাটা পুকুরধার দিয়ে গিয়ে খানিকটা পরে আবার সদর রাস্তায় এসে উঠেচে। নিজ্জন, অন্ধকার রাস্তা, একটু গা ছমছম করছেলই, কতই বা বয়স ত্যাখন বলুন না—পেরায় সদর রাস্তাটার কাচাকাচি এয়েচি, এমন সময় পেছন থেকে এক ডাক—‘স্বরূপ দাঁড়িয়ে যা।’

    ভাঙা কাঁশির আওয়াজ সে আর ভুল হবার নয় তো, ফিরে দেখি ব্রেজঠাকরুন হনহন করে এগিয়ে আসচে। কাছে আসতে চেহারা দেখে ভয় পেয়ে গেলুম, দা’ঠাকুর, ইদিক-উদিক যতই ক’রে বেড়াক আমাদের সঙ্গে ব্যাভারটা তো ভালোই ছেল, দুজনকেই ভালোবাসত, মিষ্টি কথাই ছেল মুখে, অন্তঃকরণটা তো ভালোই ছেল ওনার। ত্যাখন কিন্তু কী ভয়ংকর যে চেহারা, চোখ দুটো যেন জ্বলচে, মুখটা থমথম করচে, মাথার ওপর সেই চুড়োটা রয়েছে উঁচু হয়ে বসে, আমি দাঁড়িয়ে পড়ে নিব্বাক হয়ে চেয়ে রইলুম, বলল –’সদর রাস্তার কাছ থেকে সরে আয় ইদিকে।

    ওনার পেছনে পেছনে বেশ খানিকটা ভেতরের দিকে গিয়ে এক জায়গায় দাঁড়ালুম।

    বললে- ‘চিঠিটা বের কর।’

    আমি থতমত খেয়ে দাঁড়িয়েই রয়েছি, বললে- ‘আমি সব দেখেচি ঘরের জানলা দিয়ে, নুকুবার চেষ্টা করেচিস কি আস্ত পুঁতে ফেলব ঐ পুকুরের পাঁকে, কাক-কোকিলেও টের পাবে না। বের কর চিঠি ‘

    আমি আস্তে আস্তে চিঠিটা বের ক’রে হাতে তুলে দিলুম। মুঠোর মধ্যে চেপে ধরে জিগ্যেস করলে–’কার কাছে নিয়ে যাচ্চিস চিঠি? এ নষ্টামি তোদের কদ্দিন থেকে চলচে?’

    এসব কথার মানে তো ত্যাখন বুঝিনে, আগেকার কথা ধ’রে খোলসা মনেই বললুম— ‘মাসখানেক ধরে।’

    ‘মাসখানেক ধ’রে।…উদিক থেকেও চিঠি নে আসিস্ তো? এক্কেবারে নুকুবিনি।’

    ঠিক তো গুছিয়ে বলতে পারচি না, আমতা আমতা করে বলে ফেললুম— ‘না—উদিক থেকে চিঠি নয়-ট্যাকা।’

    ‘ট্যাকা!!…কত টাকা?’

    যেটা নেখা থাকে সেইটেই ব’লে ফেললুম দা’ঠাকুর, ট্যাকা তো পাইনি একবারও যে সেইটে বলব, আর ওনার মূর্তি দেখে ত্যাখন তো আর সাড়ও নেই আমার; বললুম— ‘পঞ্চাশ ট্যাকা।’

    ‘পঞ্চাশ ট্যাকা!!’—ওনার চোখ দুটো অন্ধকারে দুটো ভাঁটার মতন জ্বলে উঠলো, আমার ডান হাতটা কক্কড়িয়ে মুঠিয়ে ধরলে দা’ঠাকুর, আবার বললে—‘পঞ্চাশ ট্যাকা! কে এত টাকা দেয়, কার কাছে নিয়ে যাস্ চিঠি তুই?”

    কপালের জোর এইখেনেই কথাটা ঘুরে গেল, নৈলে সিদিন যেমন গোলমেলে হয়ে বেরুচ্ছেল, আর একটু ঐরকম এগুলে কি হোত কি না হোত কিছুই তো বলা যায় না। এখন তো বুঝি কি গুরুচরণ ব্যাপারে দাঁড়িয়ে যাচ্ছেল; ব্রেজঠাকরুণ যেরকম আগুন হয়ে উঠছেল একটা কথার পর একটায়, কে জানে সেই নিৰ্জ্জন অন্ধকারে এই দূতীগিরি করার হ্যাঙ্গামাটা চুকিয়েই ফেলত হয়তো, সত্যিই কাক-কোকিলে টের পেত না। একেবারে মোক্ষম কথা তো দা’ঠাকুর। তা পরমায়ু আচে, এখানটায় কথার মোড়টা ফিরে গেল, বললুম—“ট্যাকা দেয় নি এখনও।’

    ‘তবে? দেবে বলেচে তাই যাচ্ছিস?’

    ‘না, দিদিমণি চেয়ে পাট্যেচে।’

    ‘কার কাছে? সম্বন্ধটা কি চেয়ে পাঠাবার?’

    ‘উনি কজ্জ দেয় নোককে।

    অনেকটা নরম হয় এসেছে ব্রেজঠাকরুনের চেহারাটা, ওবিশ্যি একেবারে নরম হবার তো নয়। একটু থেমে জিগ্যেস করলে– নোকটা কে?’

    আমার ভরসা অনেকটা ফিরে এয়েচে ত্যাখন দা’ঠাকুর, বললুম—‘ঘোষালমশাই, রাজু ঘোষাল দক্ষিণপাড়ার—উনি সবাইকে ট্যাকা দেন বন্দকী রেখে—ঠাকুরমশাইকেও দিয়েচেন- দিদিমণি বলে তানাকে বন্দক রেখে—ওনার ছেলের সঙ্গে বিয়ে দেবে তো—ঠাকুরমশাই ট্যাকা নিয়ে আসে-তা ঐ ভয়ে আর যায় না—তাই দিদিমণি নিখে পাট্যেচে আমায় দিয়ে খরচ চলে না তো—-তায় বাবাঠাকুর শিষ্যিবাড়িতে ধার ক’রে এয়েচে—তাই দিদিমণি বললে—‘

    বেশ মনে পড়ে দা’ঠাকুর। দিব্যি গড়গড়িয়ে ব’লে যাচ্ছিলুম—দিদিমণির মানা ভুলে ঘরের কথা অনেকখানি বের ক’রে দিয়ে—এইখেনটায় এসে হঠাৎ কি যে হোল, দিদিমণির সন্দেবেলার সেই মুখটা মনে পড়ে গিয়ে বুকটা এমন উৎলে উৎলে উঠল, কেন বলতে পারি নে—উনি আজ সকাল থেকে কিছু খায়নি’ ব’লে একটা মিথ্যে কথাও জুড়ে দিয়ে, দু’হাতে মুখটা ঢেকে আমি একেবারে হাউ হাউ ক’রে কেঁদে উঠলুম।

    ব্রেজঠাকরুন হাতটা যে শক্ত করে ধরে ছেল, আলগা হয়ে গেল, সেই হাতটাই আমার কাঁধে আলগা ক’রে থুয়ে বললে- ‘চুপ কর্, সব বুঝেছি।’

    নিজেও আর কোন কথা না ব’লে আস্তে আস্তে আমার কাঁধে হাতটা বুলিয়ে যেতে নাগল। অনেকক্ষণ; তারপর বেশ নরম গলাতেই জিগ্যেস করলে—‘যা বললি সব সত্যি?’

    বললুম –’সব সত্যি; তুমি চিঠিটে না হয় পড়ে দেখো না।’

    ‘বুড়ো শিবের মাথায় হাত দিয়ে বলবি?’

    বললুম— ‘চলো না।’

    পাও বাড়ালুম, বললে— ‘থাক্, আর যেতে হবে না।’

    ‘কি ঘোষাল নাম করলি–কজ্জটা যে দেয়—তার ছেলে করে কি?’

    বললুম— ‘গাজা খায়—আর গুলি, চরস এই সব

    ‘কত বয়েস হবে?

    মুখটা তুলে বললুম— ‘এই তোমার মতন।’

    ‘আমার বয়স কত বল্ দিকিন?”

    আমি একটু যাকে বলে ফাঁপরে পড়ে গেলুম দা’ঠাকুর। বাবাঠাকুরকে বিধবা-বিয়ে করতে এয়েচে, সিদিক দিয়ে বয়েসটা একটু কমিয়ে বলতে পারলেই ভালো, ইদিকে একটা ভারিক্কে গিন্নীবান্নী মানুষ, য্যাত বাড়িয়ে বলা যায় ত্যাতই মানানসই—কি বলি, কি বলি মাঝামাঝি একটা ঠাহর করে নিয়ে বললুম—‘তিনকুড়ি।’

    একটু হেসে উঠল, আবার তাও ছেল তো, বললে—‘এক কুড়ি কমিয়ে দিলি এক কথায়?’

    তখুনি আবার ভারিক্কে হয়ে গিয়ে বললে— ‘তাহলে আমার বয়সী?…বাড়িতে আর কে আচে, বাপ ছাড়া?’

    বললুম—‘কেউ নেই। ঘোষালগিন্নীর গত বছর কাল হোল তো।’

    ‘আর বিয়ে করে নি?’

    বললুম— ‘না, বড্ড কেপ্পন তো।’

    আরও বলতে যাচ্ছিলুম নাম করলে হাঁড়ি ফেটে যায়, পেয়ারা গাছ আগলে বসে থাকে, এই সব; হঠাৎ একটা খেয়াল হতে চেপে গেলুম দা’ঠাকুর। কথাটা হোল – ব্রেজঠাকরুন বিয়ে ক’রে বসবে এই ভয়েই তো বাবাঠাকুর পালিয়ে পালিয়ে বেড়াচ্চে, যার জন্যে এত কাণ্ড, তা ওনাকে যদি রাজু ঘোষালের ঘাড়ে চাপ্যে দেওয়া যায় তো ইদিকের সমিস্যেটা বেশ মিটে যায় না? চেপে গেলুম, বললুম—‘বিয়ে করেনি, তবে করবে বলেচে। বিধবা পাটির নোক তো?—বলেচে তেমন মনের মতন বিধবা ক’নে পেলে করবে বিয়ে।’

    আরও খানিকটা সামলে নিয়ে বললুম—‘কেল্পন—বিস্তর ট্যাকা থাকলে মন্দ নোকে কেপ্পন বলে তো, তাই আর কি। এমনি খায় দায় ভালো। বউয়ের কোন ক্লেশ হবে না।’

    জিগ্যেস করলে—‘খুব ট্যাকা আচে?’

    ঘোষালকে নিয়ে অনেক চোখা চোখা কথা শোনা ছেল তো সবার কাছে, বললুম- ‘ট্যাকার ওপর বসে থাকে।’

    বুদ্ধিটে ছেলেবেলা থেকেই একরকম মন্দ ছেল না, নানান রকম দেখতুম শুনতুম তো—লোভটা আরো বাড়িয়ে দিয়ে বললুম— ‘তারপর ওনার বয়েস হয়েচে তো, বেশিদিন বাঁচবেও না, ত্যাখন যিনি ওনাকে বিধবা-বিয়ে করবে তিনি ভালো দেখে আর একটা বিয়ে করলেই ট্যাকাণ্ডনো নিয়ে দিব্যি হেসে-খেলে কাট্যে দিতে পারবে।’

    কান পেতে শুনছেল কি না-শুনছেল ঠিক বলতে পারি নে দা’ঠাকুর, ভয়ানক অন্যমনস্ক হয়ে রয়েচে তো, তবে শেষের দিকটা যেন অল্প একটু হাসলে, তখুনি আবার পুব্বের মতন ভারিকে হয়ে জিগ্যেস করলে—‘তোর দিদিমণির হাতে কিছু নেই?’

    যতটা পারলুম বাড়িয়েই বললুম—‘কানা কড়িটেও না।’

    চুপ করে একটু দাঁড়িয়ে কি ভাবলে, তারপর বললে—শোন্, আমার একটু কাজ আচে, এখুনি আসচি; ত্যাতক্ষণ তুই এখেনে দাঁড়িয়ে থাকতে পারবি? না হয় একটু সদর রাস্তার দিকেই এগিয়ে দাঁড়া।’

    ভয়টাও কমই ছেল দা’ঠাকুর। থাকবেই তো, বললুম—‘আমি এখানেই দাঁড়াচ্চি।’

    ‘একলা ভয় করবে না তো? করে, না হয় এগিয়ে যাস্। আমি এলুম ব’লে।’ সদর রাস্তা ধরেই উনি চলে গেল। বেশি দেরি হোল না, খানিক পরেই আবার খিড়কির পথ দিয়েই ফিরে এসে বললে—‘এই আচি দাঁড়িয়ে। এখন যা বলি ঠিক সেইরকম করবি, বেশ তো? একটুও নড়চড় হবে না?’

    আঁচলের গেরো খুলে আমার কাপড়ের একটা খুঁট টেনে নিয়ে তাতে গোটাকতক ট্যাকা বেঁধে দিতে দিতে বললে—‘এই পনেরটা ট্যাকা দিচ্চি, সদর রাস্তা দিয়ে সোজা বাড়ি চলে যা, তাতে আর একটু দেরিও হবে’খন। অনাদি বোধ হয় ফেরেনি, ফিরলেও বোধ হয় আহ্নিকে ব’সেচে। আমিও এখন ফিরব না, ঘোষপুকুরেই আহ্নিকটা সেরে নিতে যাচ্চি; তুই সোজা গিয়ে তোর দিদিমণির হাতে ট্যাকাগুনো দিবি। দিয়ে কি বলবি?’

    বললুম ঘোষালমশাই দিলে।

    ‘যদি জিগ্যেস করে—সব ট্যাকা দিলে না যে?’

    বললুম—অত দেবে না জানে দিদিমণি, বললে—গোটা পাঁচেক দেবে, কেপ্পন তো।’

    ব্রেজঠাকরুন কি একটু ভাবলে, বললে—‘বেশ, তা তুই পনেরটাই নে যা। আর শোন—’

    বেশ কড়া হয়ে আমার দিকে চাইলে, বললে—‘এখানে যা যা কথা হোল কারুর কানে কক্ষনোও তুলবি নে।… তুলবি নে তো?’

    বললুম—‘না।’

    ‘আর একটা কথা—নেত্য যেখনি চিঠি দেবে—যার কাছেই হোক, আগে আমায় এসে দেখাবি।…দেখাবি তো?

    বললুম—‘হ্যাঁ, দেখাব।’

    ‘চল, বুড়ো শিবের মাথায় হাত দিয়ে দিব্যি করবি।’

    পা বাড়াতেই আবার বললে—‘থাক্, আমার গা ছুঁয়েই বল্। আমি বুড়ো শিবের বাবা, দেখচিসই তো, খেলাপ হ’লে জ্যান্ত পুঁতে ফেলব একেবারে।’

    সদর রাস্তায় আমায় খানিকটা এগিয়ে দিয়ে উনি ঘোষপুকুর পানে চলে গেল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleশূন্য পথের মল্লিকা – স্মরণজিৎ চক্রবর্তী

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    শ্রেষ্ঠ গল্প – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    October 29, 2025
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    রাণুর প্রথম ভাগ – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    October 29, 2025
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    রাণুর দ্বিতীয় ভাগ – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    October 29, 2025
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    রাণুর তৃতীয় ভাগ – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    October 29, 2025
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    রাণুর কথামালা – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    October 29, 2025
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায় রচনাবলী ২ (দ্বিতীয় খণ্ড)

    October 29, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কাঞ্চন-মূল্য – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    April 23, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কাঞ্চন-মূল্য – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    April 23, 2026
    Our Picks

    কাঞ্চন-মূল্য – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    April 23, 2026

    শূন্য পথের মল্লিকা – স্মরণজিৎ চক্রবর্তী

    April 23, 2026

    মরণের আগে ও পরে – ইমাম গাজ্জালী (অনুবাদ : মাওলানা শাহ ওয়ালীউল্লাহ)

    April 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }