Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    কাঞ্চন-মূল্য – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    April 23, 2026

    শূন্য পথের মল্লিকা – স্মরণজিৎ চক্রবর্তী

    April 23, 2026

    মরণের আগে ও পরে – ইমাম গাজ্জালী (অনুবাদ : মাওলানা শাহ ওয়ালীউল্লাহ)

    April 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কাঞ্চন-মূল্য – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায় এক পাতা গল্প299 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কাঞ্চন-মূল্য – ৬

    ৬

    এবার আপনাকে একটু এদিককার কথা বলতে হয় দা’ঠাকুর। ছ’আনি তরফের দেবনারায়ণ রায়চৌধুরীর কথা, বিধবা-বিবাহ নিয়ে যিনি কাকা নিশিকান্ত থেকে প্রেথক হয়ে গেল না? বিধবাদের তরফে মাতব্বর তো উনিই। আলাদা হয়েই প্রেথমে এক মন্দির তোয়ের ক’রে তাতে ঘটা করে ঠাকুর যা পিতিষ্টে করলে তাইতেই গাঁয়ে এক হৈ-চৈ উঠে গেল। আর সব জায়গাতেই দেখুন, নয় যুগলমূর্তি, নয় শিবঠাকুর, নয় গৌরাঙ্গ; দেবনারাণের নতুন মন্দিরে পিতিষ্টে হোল বিভীষণ ঠাকুর, আজ্ঞে হ্যাঁ, রাবণরাজার ভাই বিভীষণ—উনি যে মন্দুদরীকে বিধবা-বিবাহ করলেন কিনা; বুঝলেন না কথাটা? ও-কাজটুকু সেরে যে বিধবা-পার্টির কাজ নিয়ে নামলেন, এক নাগাড়ে সেই গয়ারামের সাতপুরুষের কোন্ বিধবা বোনঝির বিয়ে দিয়ে তবে খালাস। লোক চাই, ট্যাকা চাই, তার জন্যে আমি আচি, তোমরা সব চালিয়ে যাও চোখকান বুজে।

    বিয়েটা যে হয়ে গেল তারপর কিন্তু অনেকদিন যাবতই দেবনারাণ গাঁয়ের মধ্যে ছেল না। প্রেথমটা অনেক কথা উঠল, ওবিশ্যি সধবা পার্টির ওরাই তুললে—গতিক খারাপ দেখে সটকেচে, গাছে তুলে দিয়ে মই কেড়ে নিলে, হ্যান, ত্যান, সাত-সতরো; খুব একটা ঢিটি তুলে দিলে গাঁয়ের মধ্যে। দেবনারাণ কিন্তু সটকাবার ছেলে নয় দা’ঠাকুর; খুড়োর সঙ্গে টেক্কা দিয়ে করলে তো অত বড় একটা কাণ্ড, মরদকা বাচ্চা, সে কখনও সটকাবার পান্ডোর হয়? কথা হচ্চে, শুধু গাঁটুকু নিয়ে থাকলে তো ওনাদের মতন নোকের চলে না, তাহলে তো বিদ্যেসাগরমশাইও নিজের গাঁয়ে একটা বিধবা বিয়ে দিয়ে পায়ের ওপর পা তুলে ব’সে থাকতে পারতেন। গাঁয়ে ঐ কেরামতিটুকু দেখিয়ে, সব বিলি-ব্যবস্থা ঠিক ক’রে উনি বাইরে নেকচার দিয়ে বেড়াতে লাগল। শোনা যায় ইস্তক কলকাতারও বড় বড় আসরে দেবনারাণের নেচার পড়তে পায় না, এমনি নামডাক। এ হোল একটা কথা; আরও একটা ছেল দা’ঠাকুর। যিদিনকে বিভীষণ ঠাকুরের মন্দিরটা পিতিষ্টে হোল, সিদিন উনি আবার একটা কড়া শপথ গেলে বসলেন কিনা ঠাকুরের পা ছুঁয়ে—উনি ক’রতে চ্যালাচামুণ্ডোদেরও করতে হোল,—যে বিধবা ছাড়া বিয়েই করবে না এ জীবনে। তা গাঁয়ে তো মেয়ে নেই, একটা খুঁজে বের করতে হয় তো, তা ইদিক থেকে খানিকটে ফুরসত হ’তে বেরিয়ে পড়ল উনি। বেশির ভাগ কলকাতাতেই থাকত, খবরটা-আসটা আসত মাঝে মাঝে—কখনও শোনা যেত পাত্রী জুটেচে, এইবার ফিরবে, কখনও শোনা যেত তাকে সধবারা আবার ভাঙিয়ে নিয়েচে, এইরকম গোছের গুজব সব। মোট কথা, আসা আর হয়ে উঠছেল না ওনার, তারপর একদিন হঠাৎ শোনা গেল কাল রাত্তিরে এসে গেচে পাত্রী সমেত। পাত্রীর রূপ, গুণ, বয়েস নিয়ে নানারকম গুজব ছড়িয়ে পড়ল আবার গাঁয়ে। এবার আসল বিয়ে, মসনে আবার দেখতে দেখতে সরগরম হয়ে উঠল।

    ইতিমধ্যে, উনি গ্রামে না থাকাকালীন অনেক ব্যাপার হয়ে গেচে ইদিকে। পয়লা নম্বর তো সধবা পাটিদের বাবাঠাকুরের বাড়ি চড়াও করা, আর ব্রেজোঠাকরুনের আবির্ভাব। তারপর গুজব-এবার বিধবা পাটির পুরুত ন্যায়রত্নমশাই নিজেই বিয়ে করবে—কন্যের পরচেও পেলে নোকে ক্রেমে। এ তো নোলকপরা, ঘোমটাটানা লববধূ নয়, ঢাক পিটিয়ে বেড়াতে নেগেচে। তারপর—এগুলো ওবিশ্যি বাইরে কেউ জনে না-বরের রাতারাতি অন্তধ্যান, আবার ফিরে আসা, তারপর আপনার গিয়ে ঐ যা বলছিলুম, আমার চিঠি নে যাওয়ার কথা, আর যা যা হল।

    চিঠি নিয়ে যিদিন ঐ কাণ্ডটা হোল দা’ঠাকুর, তারপরের দিনের কথা। সন্দে প্রায় হয়ে এয়েচে। গরু নিয়ে যে যার ঘরে চলে গিয়েচে, দিদিমণিদের বাড়ির দিকটা তো আবার একটু নিজ্জন, আমি কৈলীকে হাঁকিয়ে একলাই আসচি, এমন সময় একটা মোড় ঘুরতেই রাস্তার ওপর খানিকটে দূরে এক ঘোড়-সওয়ার। একলাই, টুকটাক ক’রে আস্তে আস্তে নিজের মনেই এগিয়ে যাচ্ছিল, একটু ইদিক-উদিক চাইতে চাইতে, একবার পেছনে নজর পড়তে আমায় দেখে দাঁড়িয়ে পড়ল। ডাকও দিলে—‘এই ছোকরা, একটু পা চালিয়ে আয় তো।’

    আমি কৈলীকে ছেড়ে তাড়াতাড়ি এগিয়ে গেলুম। বোধ হয় বারদুয়েক দেখেচি এর আগে, গাঁয়ের একেবারে উদিকে তো, তার সেকালের রাজারাজড়ারা বেরুতোও কম, এখনকার মতন আখছারই পথে-ঘাটে দেখা যেত না, তবু সন্দে হয়ে এলেও চিনতে দেরি হোল না। ছ-আনি তরফের দেবনারাণ চৌধুরী। অমন সুপুরুষ তো মসনেতে কেউ ছেল না ত্যাখন। দিয়ে একটু তফাতে সেলাম ক’রে দাঁড়িয়েচে, জিগ্যেস করলে—‘অনাদি ভচায্যিমশাইয়ের বাড়িটা কোথায় জানিস?’

    অত বড় মানুষটা বাড়ি বয়ে এয়েচে, তার এ পাটির যাকে বলে লিডার, ঐ চেহারা, রাঙা টকটকে ঘোড়াটা চনমন করচে, আমার বুকটা যেন দশহাত হয়ে গেল; যতটা পারলুম বড় ক’রে বললুম—‘আজ্ঞে জানি বৈকি, আমি যে ওনাদের নফর।’

    বেশ মনে আচে তো! হতভাগী কৈলীটা এগিয়ে চলে যায় তো হয়, একেবারে পাশটিতে এসে দাঁড়াল আমার। নফর তো ঐ,—গরু চরায়, তার জাবনা দেয়, গোবর কাড়ে। আর দেখেচি দা’ঠাকুর এগুনো যেন নজরও এ্যাড়ায় না কারুর। অত উঁচুতে ব’সে র’য়েচে, সন্দে, তবুও মনে হোল,

    গোরুটার দিকে চেয়ে যেন অল্প একটু হাসলে —মনে হোল আমার, সত্যিমিথ্যে ভগবানই জানেন—তবে আমায় এ নিয়ে আর কিছু বললে না, বললে —‘তাহলে তো ভালোই হোল, আচেন তিনি বাড়িতে? থাকেন এ সময়?’

    এ সময় কেন, প্রায় কোন সময়ই থাকে না আজকাল – ব্রেজঠাকুরুন আসার পর থেকে। তবু এত বড় লোকটাকে কি একেবারে বাড়ি টেনে না নিয়ে গেলে চলে? কালকে মাঠে যে গল্পগুনো ঝাড়ব ইরি মধ্যে তার মালমসলা জমতে আরম্ভ হয়েচে। বললুম—‘আজ্ঞে হ্যাঁ, এসময় তিনি কোথায়ও বেরোন না তো, সাক্ষাৎ করবেন?’

    ‘হ্যাঁ চল, দরকার আছে একটু।’

    যেতে যেতে খানিকটা গল্পও হোল।

    ‘পণ্ডিতমশায়ের বাড়ি নাকি আগুন ধরাতে এয়েছিল সবাই?’

    ‘বললুম— ‘আজ্ঞে হ্যাঁ, সধবা পাটির গুণ্ডোরা।’

    জো পেয়ে বেশ একটু নালিশের মতন করেই শুনিয়ে দিলুম কথাটা। আমার দিকে আবার একবার ঘুরে চাইলে। বোধ হয় সেইরকম একটু হেসেও থাকবে দা’ঠাকুর, সাঁঝের অন্ধকারে বেশ তো বুঝতে পারচি নে, জিগ্যেস করলে—‘তুই সধবা পাটি বিধবা পাটি বুঝিস?’

    ঘাড়টা খুব কাৎ করে বললুম—‘আজ্ঞে হ্যাঁ। তা আর বুঝব না।’

    ‘তুই কোন্ পার্টিতে?’

    ‘বিধবা পাটিতে।’

    একটু চুপ করে রইল, তারপর আবার জিগ্যেস করলে—‘বাড়িতে বিধবা কেউ আচে নাকি?’

    একটা যে আচে ঠাকুমা বুড়ি সে কথাটা আর বললুম না দা’ঠাকুর, বিয়ের ভয়ে তাড়াতাড়ি বিন্দাবন পালিয়ে বলবার তো আর মুখ রাখেনি। হয়তো একটু আক্রোশের মাথায়ই বললুম- ‘ছেল, ঠাকুমা, তা তিনি ওলাউঠোয় মারা গেল এই সিদিনকে।’

    একটু চুপ করেই চললুম খানিকটা; সেই পেল্লায় ঘোড়ার ওপর উনি, নিচে আমি, পাশে কৈলী। ঘোড়াটা একবার করে সেটার দিকে চোখ বেঁকিয়ে দেখচে। অবোলা জীব, ঠাট্টার কি বোঝে ওরা?—-তবু আমার যেন মাথা কাটা যাচ্চে, দা’ঠাকুর–ঐ ঘোড়ার পাশে এই গোরু! একটু পরে দেবনারায়ণমশাই আবার জিগ্যেস করলে- যিদিন ঘরে আগুন লাগাতে আসে তুই ছিলি নাকি?’

    বললুম— ‘আজ্ঞে হ্যাঁ, আগাগোড়া ছিলুম।’

    সঙ্গে সঙ্গে খুব জুতসই কথাটাই মনে পড়ে গেল। বললুম— ‘আমিই তো আপনার কাছে দিদিমণির চিঠিটা নিয়ে যাচ্ছিলুম—“বললে ছুট্টে যা”।’

    ঘোড়াটার রাস টেনে থামিয়ে দিলে, আমার দিকে ঘুরে তাকিয়ে বললে—‘চিঠি নিয়ে গেছলি? কৈ নায়েবমশাই তো সে কথা বললেন না—আমি অবিশ্যি ছিলুম না সিদিনকে।… লোকজনকে পাঠায় নি নায়েব মশায়?’

    একদিনে অত নালিশের সুযোগ তো পায় না লোকে। আদালত যেন বাড়ি বয়ে এয়েচে একেবারে। আমি যতটা পারলুম রং চড়িয়ে ছিরু ঘোষালের চিঠি কেড়ে নেওয়ার কাহিনীটা বলে গেলুম দা’ঠাকুর। চুপ করে সবটা শুনে গেল, কিছু বললে না, শুধু শেষ হ’লে’হুঁ!’ ক’রে একটা চাপা আওয়াজ করলে।

    আর একটু গিয়ে বললে, ‘হ্যাঁ, ভালো কথা মনে পড়ে গেল-শুনলুম নাকি পণ্ডিত- মশায়ের কে এক শালী এয়েচে, সে-ই এসে সিদিনকার ব্যাপারটা সামলে দেয়।’

    বললুম—‘আজ্ঞে হ্যাঁ, ব্রেজঠাকরুন।’

    একটু চুপ করে কি যেন ভাবতে লাগল। বোধ হয় ওনার বিয়ের কথাটাই তুলত, তা আমার আর সবুর সইল না, মস্তবড় জবর একটা খবর তো, বললুম—‘উনি আবার বিধবা- বিবাহ করতে এয়েচে কিনা।’

    একটু মুখটা ঘুরিয়ে জিগ্যেস করলে— ‘সত্যি নাকি? তা বয়েস কত হবে?’

    এবারে তো আর ত্যাখনকার মতন ভারিক্কে ক’রে দেখাবার দরকার ছেল না, যতটা পারলুম বিয়ের যুগ্যি ক’রে বললুম—‘এই আপনার মতন।’

    এবার হাসিটা একটু পষ্টই যেন দেখতে পেলুম দা’ঠাকুর, ওবিশ্যি মুখে ও-নিয়ে আর কিছু বললে না। জিগ্যেস করলে—’তা তুই আগাগোড়া যে ছিলি-ব্যাপারটা কি হয়েছিল?’

    বেশ ফলাও করে আরম্ভ করতে না করতে বাড়ির কাছে এসে পড়লুম, ঐ একটিই বাড়ি তো, ও-তল্লাটে, জিগ্যেস করলে—‘এই বাড়ি?’

    রাস্তা, তারপর একটা ছোট মাঠ, তারপর বাড়িটা, ইচ্ছে ছেল দাঁড় করিয়ে সবটা বলে নোব, তারপর বলব এসে গেচি; তা আর হোল না, বললুম–হ্যাঁ, ঐ যে।

    ‘যা, আমি দাঁড়িয়ে আচি এখেনে। কে আমি জানিস্ তো?’

    বললুম—‘হ্যাঁ, ছ’আনি তরফের রায়চৌধুরী মশায়।’

    ‘বা।’

    আমি তিন লাফে মাঠটা পেরিয়ে দোরগড়া থেকেই হাঁক দিলুম—‘ও দিদিমণি, দেখোগে কে এয়েচে।’

    জানি বাবাঠাকুর নেই, তাই তানার কথাটা পরে মনে পড়ল, জিগোলাম—‘বাবাঠাকুর আচেন বাড়িতে?’

    আহ্লাদের চোটে আমার গলাটা কেঁপে গেচে, হাঁপাচ্ছিও; দিদিমণি সন্দেয় শাঁক বাজাতে যাচ্ছেল, ‘কে রে স্বরূপ?’—ব’লে সেটা হাতে ক’রেই তাড়াতাড়ি নেমে এল দাওয়া থেকে। উঠোন পেরিয়ে চৌকাঠের ওপর দাঁড়িয়ে উদিক পানে চেয়ে একটু থমকে দাঁড়াল, তারপরেই দুড় দুড় ক’রে আবার উঠোন ডিঙিয়ে দাওয়া পেরিয়ে একেবারে ঘরের মধ্যে। আচমকা এমন হয়ে গেল ব্যাপারটা যে, ছ ‘আনি তরফের উনিও যেন বাকরোধ হয়ে ফ্যাল ফ্যাল করে চেয়ে রইল; ইদিকে আমিও যেন থ’ মেরে গেচি, কেন এমনটা হোল, কাকে কি বলব বুঝে উঠতে পারচি নে, ছেলেমানুষই তো ত্যাখন। তারপর খেয়াল হোল, দিদিমণি নিশ্চয় ভেবেচে দারোগা, কিম্বা হয়তো গোরা সেপাই-ই-হুগলী থেকে কদিচ কখনও ছটকে এসে পড়ত তো এক-আধটা। একটু সাড় হ’তে সেই ভুলটাই ভাঙিয়ে আবার বোধ হয় ডেকেই আনতে যাচ্ছিলুম, এমন সময় রায়চৌধুরীই ডাক দিলে, পোড়ো জমিটুকু পেরিয়ে কাছে যেতে বললে—‘মনে হচ্ছে নেই পণ্ডিতমশাই।’

    বললুম—‘দেখব না হয় ভেতরে গিয়ে?’

    ‘নেই, নৈলে বেরিয়ে আসতেন এতক্ষণ।’

    তারপর একটু কি যেন ভেবে নিয়ে বললে—“না হয় দেখই, দাঁড়িয়ে আছি আমি।’

    গিয়ে দেখি দিদিমণি ঘরের মধ্যেই সেইরকম শাঁকটা হাতে ক’রে একঠায় দাঁড়িয়ে আচে। কিছু জিগ্যেস করবার আগেই ধমকে উঠল—‘তুই বেরো হতভাগা, কখন কি রকম ক’রে ডাকতে হয় জানে না। অপরুদ্ধ ক’রে দেছল একেবারে!’

    বললুম—‘আর কেউ নয়, রায়চৌধুরীদের ছ’আনি তরফ। বাবাঠাকুরের দিকেরই লোক – বিধবা পার্টির।’

    হাতটা উঁচিয়েই উঠল, বললে— ‘বেরো তুই আগে বলচি!…বাবা নেই বাড়িতে, বলবি চলে যেতে, বাবা গিয়ে দেখা করবে’খন।

    আমি চলে আসছিলুম, দাওয়া থেকে নামবার আগেই একটু এগিয়ে এসে বললে— ‘সত্যিই যেন যেতে বলিসনি তুই; নেই শুনলে আপনি চলে যাবে’খন। যা।’

    বাইরে যেতে চৌধুরীমশাই জিগ্যেস করলে—‘নেই তো?’

    বললুম—‘না।’

    ‘বলে দিস্ এসেছিলুম; আর একদিন না হয় আসব’খন।’

    কেমন একটা খুঁতখুঁতুনি নেগে রইল দা’ঠাকুর দিদিমণির আচরণে। বললুম—‘আপনি আর কেন আসবেন দয়া ক’রে কষ্ট ক’রে? বাবাঠাকুর গিয়ে সাক্ষাৎ করবে’খন।’

    কি ভাবলে একটু, তারপর একটু হেসে বললে—‘বেশ দয়া ক’রে আর কষ্ট ক’রে আসব না আমি, তানাকেই পাঠিয়ে দিস।’

    ফিরে আসচি, আবার ডাকলে—‘এই শোন।’

    এগিয়ে যেতে বললে—‘একটু সঙ্গে আয়, ইদিক’কার রাস্তাটা তেমন জানা নেই;…আর তোর সেই সিদিনকার গল্পটাও তো শেষ হয়নি।’

    গল্পটা বলতে বলতে অনেকখানি পর্যন্ত গেলুম, তারপরেও রসিয়ে রসিয়ে ব্রেজঠাকরুনের কোঁদলের কথা অনেক শুনলে। গ্রামের সদরের দিকটা এসে পড়তে— ‘আচ্ছা, এবার যা। দিবি পাঠিয়ে।’—ব’লে চ’লে গেল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleশূন্য পথের মল্লিকা – স্মরণজিৎ চক্রবর্তী

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    শ্রেষ্ঠ গল্প – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    October 29, 2025
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    রাণুর প্রথম ভাগ – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    October 29, 2025
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    রাণুর দ্বিতীয় ভাগ – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    October 29, 2025
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    রাণুর তৃতীয় ভাগ – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    October 29, 2025
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    রাণুর কথামালা – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    October 29, 2025
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায় রচনাবলী ২ (দ্বিতীয় খণ্ড)

    October 29, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কাঞ্চন-মূল্য – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    April 23, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কাঞ্চন-মূল্য – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    April 23, 2026
    Our Picks

    কাঞ্চন-মূল্য – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    April 23, 2026

    শূন্য পথের মল্লিকা – স্মরণজিৎ চক্রবর্তী

    April 23, 2026

    মরণের আগে ও পরে – ইমাম গাজ্জালী (অনুবাদ : মাওলানা শাহ ওয়ালীউল্লাহ)

    April 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }