Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    চতুষ্পাঠী – স্বপ্নময় চক্রবর্তী

    August 5, 2026

    উত্তম পুরুষ – রশীদ করীম

    August 5, 2026

    প্রসন্ন পাষাণ – রশীদ করীম

    August 5, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    প্রসন্ন পাষাণ – রশীদ করীম

    রশীদ করীম এক পাতা গল্প258 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    প্রসন্ন পাষাণ – ৪

    চার

    ছোট ফুপু প্রথম প্রথম আমাদের সাথেই খেতে বসতেন। আমরা সকলেই এক সঙ্গে বসতাম বটে; কিন্তু সবার শেষে দস্তরখান ছেড়ে উঠতেন ছোট ফুপু। তার কারণ এ নয় যে তাঁর খাওয়ার পরিমাণ আর দশজনের চাইতে মাত্রাতিরিক্ত বেশি। তবে কামিল যে কেবল ভোজনবিলাসী তাই নয়, সে ভোজনপটুও বটে। আমরা শহরের সভ্য সমাজের প্রাণী, খাওয়াটাকে চার ভাগে ভাগ করে প্রতিবারের পরিমাণ কমিয়ে নিয়েছি। তাই দুপুরবেলার খোরাক আমাদের এমনিতেই কম। ছোট ফুপু আর কামিল সকালে এক পেয়ালা চা ছাড়া আর কিছুই খেতেন না, বিকেলে এক বাটি চা পর্যন্ত নয়। তাই দুপুর ও রাতে তাঁরা আমাদের তুলনায় বেশি খেতে পারতেন। তাই না দেখে আমরা আমাদের স্বল্পাহারকে আরো হ্রাস করে দিলাম; ভাবখানা এই, ভব্য সমাজে খাদ্যের ব্যবহার কি পরিমাণ হওয়া উচিত একবার শিখে নাও। কামিলের চোখ-কান খোলা থাকত বলা যায় না। তাই ফুপুজানের চোখমুখের ইশারায় আভাসে ইঙ্গিতে, তরকারি পরিবেশনের কৃপণতায় যে বক্তব্য সমস্বরে উচ্চারিত হতো তার অর্থ সে বেচারা বুঝত না। কিন্তু ছোট ফুপু বুঝতেন। ত্রিভুবনে এই সন্তানটি ব্যতীত আপনজন বলতে তাঁর আর কেউ ছিল না। কামিলের প্রতি তাঁর ব্যবহারে শূন্যগর্ভ কুম্ভের কোনো নিনাদ ছিল না, ছিল গভীর সমুদ্রের প্রত্যয়; তবু এই ছেলেটিকে তিনি সর্বপ্রকারে আঘাত থেকে রক্ষা করেই চলতেন। তাই ফুপুজানের অনুক্ত বক্তব্যের মধ্যে যে হুলটুকু ছিল কামিলকে তা দংশন করতে না পারলেও, ছোট ফুপুকে বিদ্ধ করত ঠিক। ছোট ফুপু কেবল দগ্ধই হতে লাগলেন, অসন্তোষের কোনো ধূম্রই কুণ্ডলিত হতে দিলেন না। তাই তাঁর দুঃখের পরিমাণ কেউ জানল না।

    সেদিন আমরা খেতে বসেছি। কামিল সেই মাথা গুঁজে খেতে বসত, যতক্ষণ না খাওয়া শেষ হতো মাথা তুলতই না! কেবল ছোট ফুপু চামচ দিয়ে তার পাতে মাঝে মাঝে প্রয়োজনমতো খাবার তুলে দিতেন। আমি আর ফুপুজান বসতাম মুখোমুখি। কামিলের খাওয়ার বহর দেখে তিনি আমার দিকে তাকিয়ে মুখ টিপে একটুখানি হাসতেন। আমিও ওষ্ঠের বিপরীত প্রান্ত দিয়ে একটুখানি হেসে তাঁর আহ্বানে সাড়া দিতাম। হাসির মতো বস্তুও যে কি ভয়ঙ্কর হতে পারে ফুপুজানের সে হাসি যে দেখে নি সে বুঝবে না। কিন্তু মজার কথা এই, হাসির যে ছিপটি ফুপুজান এইভাবে আমার সঙ্গে মৈত্রীর সমুদ্রে ছেড়ে দিতেন, যতই বিস্বাদ হোক তার টোপটি আমাকে গিলতেই হতো।

    সত্য কথা বলতে কি, ছোট ফুপুও খেতেন একটু বেশি। সংলাপ বিহনেই ফুপুজান এবং আমার মধ্যে এই যে ভাবের আদান-প্রদান হতো প্রথম প্রথম তা ছোট ফুপুর দৃষ্টিগোচরই হয় নি। বস্তুত খাওয়ার পরিমাণ নিয়েও যে সংসারের বক্র হাসির উপলক্ষ হতে হয় ছোট ফুপুর বোধ করি এ অভিজ্ঞতাই ছিল না।

    ভাতের ওপর আমার আঙুল নড়ছে, যেন ভাত খাচ্ছি না, সেতারের তার নাড়াচাড়া করছি। ফুপুজানও আমাকে অনুকরণের করুণ অধ্যবসায়ে তাঁর আঙুলের খেলা দেখাতে লাগলেন। ভাতের বাসনের ওপর তাঁর স্ফীত আঙুলগুলো রঙ্গমঞ্চের ওপর স্ফীতোদর বিগত যৌবনা নটির মতোই নৃত্য করছিল। আমরা রোজ যতটা খাই আজ তার সিকি পরিমাণ খেয়ে দৃষ্টান্ত স্থাপনে সচেষ্ট হলাম। বস্তুত বেশ কিছুদিন থেকেই এই সাধনা চলছিল। এর জন্য ফুপুজানকে আত্মনিগ্রহ করতে হয় নি। এখানকার বারো আনি অনিবৃত্ত ক্ষুধাকে পুরোপুরি তৃপ্ত করবার ষোলো আনি ব্যবস্থা তাঁর ঘরের নেয়ামতখানায় সবসময়ই মজুদ থাকত। কিন্তু আমার দুঃখ এই যে সেই নেয়ামতে আমার কোনোই হিস্যা থাকত না এবং ক্ষুন্নিবৃত্তির কোনো গোপন ব্যক্তিগত ব্যবস্থাও আমার ছিল না। এই কারণে এই সময়টা আমার পেটের ক্ষুধা সর্বদাই মধ্য গগনে প্রচণ্ড রকম জ্বলতে থাকত।

    কিন্তু যা বলছিলাম।

    সেদিন বাড়া ভাত ফুরিয়ে গেল।

    ফুপুজান ব্যস্ত হয়ে হাঁক দিলেন : কনিজ—আরে ও কনিজ—তোরা কি চোখকানের মাথা খেয়েছিস। ভাত গেল ফুরিয়ে নজর নেই।

    কনিজ অত্যন্ত ম্লানমুখে অপরাধীর মতো সামনে এসে দাঁড়ালো।

    —ফুপুজান, হাঁড়িতেও তো ভাত নেই। সব বেড়ে দিয়েছি।

    —তুই যে অবাক করলি। ফুরিয়ে গেছে কি রে। তোকে না এই চারজনের জন্য ছ’পোয়া চাল বের করে দিলাম। তুই কি চাল চুরি করতে শুরু করে দিলি না কি!

    —অমন চুরির মুখে ঝাঁটা। চুরি করুক আটকুড়ের বেটি। চুরি করে থাকলে আমার হাত- পা খসে যাক। আমি যা চাল পেয়েছি সবই চড়িয়ে দিয়েছি।

    —তুই বললেই আমি বিশ্বাস করলাম আর কি। ছ’পোয়া চাল কি আর সোজা কথা! মা তিশনার খোরাক তো চিড়িয়ার মতো। আর আমি? আমার আবার খাওয়া। দু’জনে মিলে এক পোয়া চাল দু’বেলাতেও খেতে পারব না। তুই কি বলতে চাস, ময়না আর কামিল মিলে পাঁচ পোয়া চাল গিলে ফেলল। এটাই একটা বিশ্বাস করবার মতো কথা।

    —দেখ বাপু ফুপুজান, তোমার অত কথা বুঝি না। আমি যা পেয়েছি সবই চড়িয়েছি। আর ছ’পো ছ’পো করছ তখন থেকে? ছ’পো চাল আবার তুমি কখন দিলে।

    আমি আর মুখ তুলতে পারছি না। কামিলের হাতে ভাতের লুকমা তখনো ধরা ছিল—কিন্তু হাতটি চিত্রার্পিতের মতো বাসনের ওপর পড়ে ছিল। ছোট ফুপু তাঁর ভাত মাখানো হাত দিয়েই কামিলের সেই হাতটি শক্ত করে ধরে আছেন, তিনিও স্থির অধোমুখ।

    সেইদিন থেকেই ছোট ফুপু তাঁর সেই ছোট কক্ষটির নির্জন জগতে আত্মগোপন করলেন।

    তিনি চলাফেরাও করতেন, শতপ্রকার গৃহকর্মে নিয়োজিত থাকতেন; কিন্তু মনে হতো তাঁর দুটি হাত আর পা সীমাবদ্ধতার শিকল দিয়ে বাঁধা।

    .

    ছোট ফুপুর বয়স যখন খুবই কম তখনই তাঁর বিয়ে হয়ে যায়। যে বয়সে আমরা ফ্রক পরে ছুটোছুটি করে বেড়িয়েছি, পুতুলের বিয়ে দিয়েছি, সে বয়সেই তাঁর কোলে আসে কামিল। ভাবলে অবাক হতে হয়, মাত্র এক পুরুষের ব্যবধানে জমানা কিভাবে বদলে গেছে।

    ছোট ফুপুর সংসারযাত্রার গল্প শুনেছি। শ্বশুরালয়ে তাঁদের নাইবার জন্য পুকুরে যে ঘাট ছিল তার তিনদিক বেড়া দিয়ে ঘেরা। সন্তর্পণে লোকচক্ষুর সঙ্গে সর্বপ্রকার সংযোগ এড়িয়ে, গুটি গুটি পা ফেলে তাঁদেরকে ঘাটে নাবতে হতো, তারপর টুপ করে একবার ডুব দিয়েই আবার উঠে পড়তেন। মাথার ওপর আম-জাম গাছের শাখাগুলো নুয়ে নুয়ে পড়ত হাতের নাগালের মধ্যে। কিন্তু দুটি হাত দিয়ে বক্ষ চেপে সিক্ত বসনের লজ্জা নিবারণ করে বালিকা বধূ গৃহে ফিরে আসতেন। ফিরতে দেরি হলে জবাবদিহি করতে হতো। সেটি বড় সহজ কাজ ছিল না। ফল পাড়বার জন্য পথে দেরি হলো এই সত্য আর স্বাভাবিক কৈফিয়তটি কারো কাছে শোভন মনে হতো না বা বাড়ির বউ কাঁচা আম দেখে আত্মসম্বরণ করতে পারে নি এ লজ্জা ঢাকবার ঠাঁই আর যেখানে শ্বশুরবাড়িতে নেই। কথা বলতে হতো ফিসফিস করে, তবু কথা যদি শ্রুতিগোচর না হয় তা হলে একটু কথা শুনতে হতো। গলার স্বরটিকে গলার মধ্যে রেখেই শ্রোতার কর্ণ পর্যন্ত পৌঁছে দেবার অসাধ্য সাধনায় ছোট ফুপুকে বহু অশ্রুপাত করতে হয়েছে।

    অল্প বয়সে তাঁর বিবাহিত জীবন শুরু হয় এবং অল্প দিনেই তা চুকেও যায়। এগারোয় বিয়ে হয় সাড়ে বারোয় মা, এবং তেরোয় না পড়তেই বিধবা। ছোট ফুপু স্বামীর মৃত্যুর পরও পনের বছর শ্বশুরবাড়িতে কাটিয়ে যেদিন প্রথম আমাদের বাড়িতে এলেন তখন তাঁর বয়স তিরিশও হয় নি। তিনি এতদিন কেন আমাদের কাছে কিংবা বাপের বাড়ির অন্য কোনো আত্মীয়ের কাছে আসেন নি তার কারণ আমি আজও জানি না।

    তবে শিরগ্রামে তাঁর কিছু জমিজমা, গরু-বাছুর, বাগান-পুকুর ছিল। তার আয় যৎসামান্য হলেও তাঁর প্রয়োজনের তুলনায় নিতান্ত কম নয়। এসব কথা আমাদের বাড়িতে কেউ জানত না।

    সেদিন জানল।

    ছোট চাচা আর আমি সবে নাশতা সেরে উঠেছি। ছোট চাচা মুখে তামাকের নল পুরে খবরের কাগজ পড়ছিলেন। আমিও ছোট চাচার কামরায় জানালার ওপর বসে পথে লোক চলাচল দেখছিলাম।

    আশ্বিন মাসের সকালবেলা। শরৎকালের উতলা হাওয়া মনটিকে কেমন যেন অন্যমনস্ক করে দিতে চায়। গাছের ডালপালায় সবুজ ঘাসে অমল উদার আকাশে এক আশ্চর্য সজীবতা অনির্বচনীয় শান্ত প্রফুল্লতায় মনটি কোনো এক অজ্ঞাত দোসরের কাছে কৃতজ্ঞতায় অবনত হয়ে আসে। বাতাসে শীতের আমেজ। করপোরেশনের লোকে রাস্তায় হোসপাইপ দিয়ে পানি দিচ্ছে। আজ একটু দেরিই হয়ে গেছে। পথে লোক চলাচল বিরল। হোসপাইপের পিতলের নজল পিচের রাস্তার ওপর পড়ে ঠং করে একটা আওয়াজ করে, কানে বেশ লাগে।

    আশ্চর্য প্রকৃতির প্রভাব। অন্য সময় এই পথে অল্প লোক মিলেই কি বিষম হট্টগোল সৃষ্টি করে, সে আমি নিজেই দেখেছি। পথে দু’জন হাঁটলেও অত্যন্ত চড়া গলায় দিগ্বিদিক উচ্চকিত করে তোলে। কিন্তু আজকের সকালের এই মুহূর্তটিতে সকলেই যেন আপোস করে এই গলিটার নিঃশব্দতার পবিত্রতা রক্ষা করছে। প্রকৃতি ধ্যানে বসেছে। কেউ কোনো উপদ্রব সৃষ্টি করতে চায় না। কেবল পথের মোড়ে নন্দীদের বাড়ির হিন্দুস্থানি দারোয়ান দোরগোড়ায় ফুটপাতের ওপর একটি টুলে বসে হয়তো মীরারই কোনো ভজন গাইছিল। তার কথা কিছুই শোনা যায় না, সাধকের কণ্ঠও মধুর নয়, কেবল একটি করুণ সুর ছোট ছোট ঢেউয়ের মতো আকাশের গায়ে লুটিয়ে-ছড়িয়ে পড়ছিল।

    এমন সময় দেখলাম একটা ঠেলাগাড়ি আমাদেরই দরজার সামনে এসে থামল। ঠেলাগাড়ির ওপর অনেকগুলো বস্তা। সঙ্গে একটি লোক, পরনে তার লুঙ্গি আর হাত-কাটা ফতুয়া, মাথায় একটি গামছা পাগড়ির মতো বাঁধা। বয়স চল্লিশ হবে, শরীর সুঠাম। সে সোজা ঘরের ভিতর চলে এলো।

    —চাচা, কে যেন এলো।

    ছোট চাচা খবরের কাগজ থেকে মুখ না তুলেই বললেন : হবে কেউ। তুই জানালার ধার থেকে সরে আয়। ঠাণ্ডা লাগবে।

    আমি সোজা নিচে নেবে এলাম।

    নিচে এসে দেখি আগন্তুককে কেন্দ্র করে বেশ একটা ছোটখাটো আন্দোলন শুরু হয়ে গেছে। ছোট ফুপুকে দেখে সে কারো অনুমতির অপেক্ষা না করেই সোজা ঘরের ভিতর চলে এসেছে। সেখানে ফুপুজান, কনিজ, জাফর—এমনকি আলীমও বেশ উত্তেজিত হয়ে তর্ক করছে। আলীম পারলে এখুনি এই বেয়াদবটির মাথা ভেঙে দেয়; কিন্তু পারছে না কেবল এই জন্য, বেয়াদবটির মাথায় বুদ্ধিশুদ্ধির অভাব থাকলেও, তার যে দুটি কবজি দেখা যাচ্ছে, তার মধ্যে কোনো প্রকার স্বল্পতার লক্ষণ ছিল না। ছোট ফুপু একটু আগেই ঘটনাস্থলে ছিলেন; কিন্তু শুনতে পেলাম আলীমকে দেখে একটু আগেই সেখান থেকে সরে গেছেন। খবরটি দিলেন ফুপুজান তাঁর মুখ বাঁকাবার বহর দেখেই তাঁর বিরূপতার পরিমাণ আন্দাজ করলাম।

    আগন্তুকের নাম হুকুম আলী। সে এসেছে শিরগ্রাম থেকে চাল-ডালের বস্তা আর ঘিয়ের হাঁড়ি নিয়ে। ছোট ফুপুকে দেখেই সে মস্ত সালাম দিয়ে কি যেন বলতে অগ্রসর হচ্ছিল এমন সময় তার পথ আগলে দাঁড়ালো জাফর আর আলীম।

    পথশ্রান্ত হুকুম আলী এ ধরনের অভ্যর্থনার জন্য প্রস্তুত ছিল না। সে বেচারা বস্তা বস্তা চাল-ডাল ট্রেনে করে শিয়ালদহ পর্যন্ত নিয়ে এসেছে। তারপর ঠেলাগাড়িতে চড়িয়ে পিছনে পিছনে যক্ষের ধনের মতো আগলে এই বাড়িতে পৌঁছেছে। পথে তাকে বহুবার ঠিকানা খুঁজতে হয়েছে, বহু হয়রান হতে হয়েছে। তারপর সে যদি কিছুটা ভিন্ন প্রকার অভ্যর্থনার জন্যই তৈরি হয়েছিল তো তাকে দোষ দেয়া যায় না। ফুপুজানের জিজ্ঞাস্য সে কার হুকুমে ঘরের ভিতরে অমন হুট করে ঢুকে পড়ল। হুকুম আলীর বক্তব্য, যে বাড়িতে সে তার ছোট মাকে দেখতে পেয়েছে সে বাড়িতে তার গতিবিধি অন্য কারো বিধিনিষেধের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হতে পারে না।

    এমন সময় ছোট চাচা নিচে নেবে এলেন।

    —এত গোলমাল কিসের। তুমি কে?

    —হুজুর। আমার নাম হুকুম আলী।

    ছোট চাচা হেসে ফেললেন।

    —খাসা নাম। কিন্তু এখানে কি দরকার?

    —আমি শিরগাঁ থেকে এসেছি।

    —কোন শিরগাঁ?

    —হুজুর বলেন কি। শিরগাঁ আবার খোদার দুনিয়ায় ক’টা আছে। শিরগাঁ আপনি চিনলেন না! বস্তুত হুকুম আলীর কথায় ছোট চাচা রাগ করতে পারতেন; কিন্তু তার কথার ধরনে এমন কিছু ছিল যে আমারও মনে হচ্ছিল ঐ লোকটির ওপর রাগ করার কোনো অর্থ হয় না।

    —তা হুকুম আলী, আমি জানিশুনি একটু কমই। প্রথমে তোমার শিরগাঁর দিশা পাই নি, আমাকে মাপই করে দাও।

    হুকুম আলী এত বড় জিব কেটে এগিয়ে এসে ছোট চাচার পায়ের ধুলো নিল।

    —হুজুর, কন কি। আমার যে দোজখেও ঠাঁই হবে না।

    —তা নিয়ে আর দুঃখ করো না। কিন্তু তুমি চাও কি।

    —এক গেলাস পানি।

    ছোট ফুপু দরজার আড়ালে দাঁড়িয়ে এই কথা শুনছিলেন। এবার সেইখান থেকেই অত্যন্ত মৃদু কণ্ঠে বললেন : ও আমার শ্বশুরবাড়ির বিশ্বাসী লোক।

    —কিন্তু এত সব চাল-ডাল কি হবে?

    ছোট ফুপু সে কথার কোনো জবাব দিলেন না; কিন্তু দিলেন ফুপুজান।

    —হবে আবার কি। শ্বশুরবাড়ির দবদবাই না দেখালে চলছিল না।

    দরজার অন্তরাল থেকে আবার ছোট ফুপুর কণ্ঠ ভেসে এলো।

    –বছরে বছরে প্রতিবার আমাকে পাঠিয়ে দিয়েছে। না নিলে দুঃখ পাবে।

    ছোট চাচা আর কিছু বললেন না। সেখান থেকে চলে গেলেন। যাবার আগে বলে গেলেন : হুকুম আলীকে সরবত বানিয়ে দাও। আর দেখ ও যেন খাওয়া-দাওয়া না করে চলে না যায়।

    ছোট চাচা চলে গেলে কৌতূহলী হুকুম আলী প্রশ্ন করে : একটা কথা শুধাব? এই সাহেব আমাদের বড় বাচ্চু মিয়ার ছোট পোলা না?

    জাফর জবাব দিল : হ্যাঁ।

    হুকুম আলী এক করুণ দীর্ঘশ্বাসে কক্ষটিকে কাঁপিয়ে বললো : আ হা হা হা। এমন আকাশের চাঁদ, দেশের লোক কোনোদিন দেখল না। একবার দেশে এলে, মাথার গামছা দিয়ে তাঁর পা মুছে দেব

    এই বলে হুকুম আলী আপাতত গামছা দিয়ে তার নিজের মুখ মুছে সেখানেই বসে পড়ল। কনিজ এক গেলাস গোলাপ পানির সরবত এনে দিল।

    দুপুরবেলা হুকুম আলীর আহার ও বিশ্রামের ব্যবস্থাটা ভালোই হয়ে থাকবে। বিকেলবেলা বিদায় নেবার আগে তার হাত দুটি মোনাজাতের ভঙ্গিতে তুলে বাড়িসুদ্ধ লোককে সে যে পরিমাণ দোয়া দিয়ে গেল, তারপর বংশ পরম্পরায় আমাদের সকলের স্বর্গারোহণ অনিবাৰ্য। অবশ্য ইহকালেও ধন-দৌলত মান-ইজ্জত শান-শওকত সবকিছুরই সে সুপ্রচুর ব্যবস্থা করে দিয়ে গেল।

    ছোট চাচার প্রতি বিশেষ করে তার একটা পক্ষপাত দেখা গেল। ছোট চাচা তার আহার- বিশ্রাম আর খরচের নির্দেশ দিয়েই ছুটি নিয়েছিলেন। কিন্তু হুকুম আলী তাঁকে অত সহজে ছুটি দিল না।

    খাওয়া-দাওয়ার পর ছোট চাচা নিত্যকার মতো আজও তাঁর দিবানিদ্রাটি সেরে নিচ্ছিলেন। এই সময়টিতে তাঁর নিদ্রার ব্যাঘাত ঘটানো একেবারে নিষেধ ছিল।

    হুকুম আলী একটু গড়িয়ে নিয়ে, ভালো করে অজু করে আসরের নামাজটি পড়ে নিল। তারপর আবার গামছাটি মাথায় বেঁধে ফিরবার জন্য তৈরি হয়ে নিল। একে একে সকলের কাছ থেকেই সে বিদায় নিল এবং সকলকেই অন্তত একবার শিরগাঁ আসতে দাওয়াত দিল।

    অবশেষে বললো : এবার চলুন, ছোট সাহেবকে সালাম দিয়ে আসি।

    সে যে কোনো বিশেষ ব্যক্তিকে উদ্দেশ করে এই আমন্ত্রণ জানালো তা নয় কিন্তু তার এই আহ্বানে সাড়া কেউ দিল না।

    বরং ফুপুজান বললেন : সে এখন ঘুমুচ্ছে। সালাম দিতে চাও পরের বার দিও।

    —তাও কি হয়।

    —তাহলে বসে থাক। যখন উঠবে যত খুশি সালাম দিও।

    —তাও কি পারি। পাঁচটার সময় আমার ট্রেন।

    —এও না তাও না। তা করতে কি চাও বল?

    হুকুম আলী কি করতে চায় মুখে না বলে কাজেই দেখিয়ে দিল। সে সোজা সিঁড়ি দিয়ে উপরে ওঠে ছোট চাচার কামরায় ঢুকে পড়ল। ছোট চাচা এরই মধ্যে উঠে পড়েছিলেন। হুকুম আলী দেয়াল ঘেঁষে একপাশে সরে দাঁড়ালো।

    হাত দুটি মাথার নিচে রেখে চাচা লম্বা হয়ে শুয়েছিলেন। তাঁর চোখ দুটি খোলা। হঠাৎ সেখানেই হুকুম আলীকে দেখে তাঁর দুটি চোখে অসহ্য বিস্ময় আর বিরক্তি একটিবার উঁকি দিয়েই আবার অদৃশ্য হয়ে গেল : বরং তাঁর দুটি চোখ প্ৰসন্ন কৌতুকে আলোকিত হয়ে উঠল।

    —এবার কি হুকুম বল।

    আবার হুকুম আলীর সেই জিহ্বা দংশন, সেই পদস্পর্শন।

    —অভয় দেন যদি, একটা কথা বলতে চাই।

    —বলেই ফেল। তোমাকে কি আর অভয় দেব বল। তুমিই কত লোককে অভয় দাও।

    —হুজুর। দেশের মাটি দেখলেন না। বাপ-দাদার নিশ্বাসে গড়া ভিটাও একবার চোখে দেখলেন না। গ্রামের লোক যে বড় আফসোস করে।

    —আফসোস করে? ঠিক বলছ?

    —আপনাদের খানদানের শানেই গ্রামের নাম। আফসোস করবে না। আর আপনি কি না গ্রামের নামটাই ভুলে গিয়েছিলেন।

    —ঠিক বলেছ। আমরা বেইমান।

    —তওবা তওবা হুজুর কি যে বলেন। তবে একবার দেশটা ঘুরে গেলে আমরাও একটা উৎসব করতে পারি।

    চাচা এক মুহূর্ত কি ভাবলেন।

    —আচ্ছা। কথা দিচ্ছি। যাব।

    ছোট চাচার কণ্ঠে পরিহাসের বাষ্পও নেই। আমরা সকলেই আশ্চর্য হয়ে গেলাম। হুকুম আলী কিন্তু এতটুকু অবাক হলো না। বরং অন্যরকম ঘটলেই যেন সে বিস্মিত হতো।

    এবার চাচা আমাকে বললেন : হুকুম আলীকে নাশতা খাবার জন্য দশটা টাকা দিয়ে দে। হুকুম আলী প্রতিবাদ করে কি যেন বলতে যাচ্ছিল; ছোট চাচা একটিবার তার দিকে তাকিয়ে পাশ ফিরে শুলেন।

    সাক্ষাৎকার শেষ হলো। আর একটি কথাও না। হুকুম আলীও তা বুঝল।

    হুকুম আলী যখন বিদায় নিতে এলো, ছোট ফুপু তার হাতে রুমাল বাঁধা আধসের খানেক চিড়ে ভাজা দিলেন।

    —পথে খেও।

    রুমালটি হাতে তুলে নিয়ে হুকুম আলী উঠে পড়ল।

    —খোদা হাফেজ। মামণি তুমিও একবার দেশে এসো। দেখবে লোকে শাহজাদীর মতো ইজ্জত করবে।

    দোরগোড়ায় কনিজকে দেখে সে হঠাৎ দাঁড়িয়ে পড়ল।

    —বহিন। সারাদিন তুমি বহুত আদর-যত্ন করলে। তুমিও এসো আমাদের দেশে।

    –আ মরণ। মুখপোড়া মিনষে বলে কি।

    মুখপোড়া মিনষে সে কথার কোনো জবাব না দিয়েই চলে গেল।

    .

    সন্ধ্যা হয়ে গেছে। বাড়ির বিজলি বাতিটাও বিগড়ে গেছে। ক’দিন থেকে প্রায়ই এমন হচ্ছে। ছোট ফুপুর লণ্ঠনটি সিঁড়ির কাছে জ্বলছে। বাড়িতেও কেউ ছিল না। কামিল সকাল থেকেই অনুপস্থিতি। সে গেছে বারাসত, আলীমের সঙ্গে, ফুটবল খেলা আছে। ফুপুজানও গেছেন পাশের বাড়িতে বেড়াতে। ছোট ফুপু তাঁর ঘরে কাঁথা সেলাই করছিলেন। দোতলা থেকে ছোট চাচা নিচে নেবে আসছেন, সিঁড়িতে তারই শব্দ। তাঁর পরনে ফর্সা আদ্দির পাঞ্জাবি, সোনার বোতামগুলো আধ-অন্ধকারে মুগের দানার মতো চিকচিক করছে। ধবধবে পাজামার নিচে তাঁর ফর্সা পায়ের কিছুটা অংশ দেখা যাচ্ছে, যতটা কালো পাম্পশুর ভিতর ঢাকা পড়ে নি। এইটে তাঁর বেড়াতে যাবার সময়।

    —অন্ধকারে দাঁড়িয়ে করছিস কি!

    —তোমাকে একটা সুখবর দেব, তাই দাঁড়িয়ে আছি।

    —সুখবর?

    –শুনলে তুমি খুব খুশি হবে।

    —চট করে বলেই ফেল না।

    —হুকুম আলী কি বলে জান? তুমি না আকাশের চাঁদের মতো সুন্দর।

    ছোট চাচা হেসে ফেললেন।

    –লোকটা বেশ সমঝদার মনে হচ্ছে। তা এত বড় খবরটা তুই আগে দিলিনে। এক জোড়া লুঙ্গি বকশিশ দিতাম।

    ছোট ফুপু তাঁর ঘরের আড়ালে দাঁড়িয়ে চাচা-ভাইঝির আলাপ শুনছিলেন। তাঁর কণ্ঠের একখণ্ড হাসি শোনা গেল।

    সেই শব্দের দিকে একটিবার দৃষ্টিপাত করে ছোট চাচা মচমচ শব্দ করে বেরিয়ে গেলেন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleলাঞ্চ বক্স – রশীদ করীম
    Next Article উত্তম পুরুষ – রশীদ করীম

    Related Articles

    রশীদ করীম

    উত্তম পুরুষ – রশীদ করীম

    August 5, 2026
    রশীদ করীম

    লাঞ্চ বক্স – রশীদ করীম

    August 5, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    চতুষ্পাঠী – স্বপ্নময় চক্রবর্তী

    August 5, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    চতুষ্পাঠী – স্বপ্নময় চক্রবর্তী

    August 5, 2026
    Our Picks

    চতুষ্পাঠী – স্বপ্নময় চক্রবর্তী

    August 5, 2026

    উত্তম পুরুষ – রশীদ করীম

    August 5, 2026

    প্রসন্ন পাষাণ – রশীদ করীম

    August 5, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }