Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    চতুষ্পাঠী – স্বপ্নময় চক্রবর্তী

    August 5, 2026

    উত্তম পুরুষ – রশীদ করীম

    August 5, 2026

    প্রসন্ন পাষাণ – রশীদ করীম

    August 5, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    প্রসন্ন পাষাণ – রশীদ করীম

    রশীদ করীম এক পাতা গল্প258 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    প্রসন্ন পাষাণ – ১০

    দশ

    পহেলা রমজান। প্রতি বছরই ফুপুজান সারাটা মাস রোজা রাখেন। আমি প্রথম ছ’সাতদিন লাগারে রাখি, তারপর একদিন দু’দিন বাদে। ছোট চাচা একটিও না। এবারেও তাই হবে। কেবল ছোট ফুপু নিশ্চয়ই পুরা রোজাই আদায় করবেন। আর হয়তো কামিলও আমার মতোই প্রথম ছ’সাতটি, তারপর একদিন দু’দিন অন্তর।

    এবারে রোজা এলো শীতকালে—রোজদারদের অপেক্ষাকৃত সুবিধা। পানির পিয়াস, এই কষ্টটাই সবচাইতে বেশি,—এ বছর আর গলাটিকে গ্রীষ্মকালের কূপের মতো কাঠ করে দিতে পারবে না। দিনও ছোট, সূর্যাস্তও হবে অনেক আগে।

    ছেলেবেলার কথা মনে পড়ে। হ্যাঁগো ছেলেবেলার কথা। মেঘে মেঘে বেলা গেছে জানতেও পারি নি। আমরা ভাইবোনেরা—যতসব চাচা মামা খালা ফুপার ছেলেমেয়েরা দল বেঁধে রোজা রাখতাম। এই আলীমও ছিল তাদের মধ্যে। কে ক’টা রোজা রাখতে পারে তারই পাল্লা। পুণ্যের পথে চৌঘুড়ি হাঁকিয়ে কে আগে বেহেশতে পৌঁছে যাব, মগজে এই হিসেবটা সে বয়সে তত প্রবলভাবে ছিল না। কেবলই একটা পাল্লা। পাল্লার জন্যই পাল্লা।

    রমজান মাসের দিনগুলো ক্যালেন্ডারের পাতা থেকে যতটা সহজে ঝরে ঝরে পড়ত, আমরা যারা রোজা রাখতাম তাদের জীবন থেকে অতটা সহজে নয়। মাগরেবের আজানের জন্য কান পেতে থাকা, এই ছিল সারাদিনের কাজ। বেলা চারটে থেকেই মসজিদের সামনে ভিড়। পাড়ার মসজিদে বিভিন্ন বাড়ি থেকে ইফতার আসতে আরম্ভ করত; কাটা শাশা, পাপিতা, কাটা আনজির, কাগজি লেবু, আদা,—তাছাড়া পিঁয়াজু, বেগুনি, বুট, জিলিপি, ইসুবগুলের সরবত এসব তো ছিলই। কখনো-বা হাতে-বেলা রুটি আর সুজির হালুয়া। মসজিদে যারা নামাজ পড়তে আসতেন তাদেরই জন্য এই ইফতার। আর নামাজ পড়তেনও লোকে। অগণন।

    আমাদের বাড়ির ছেলেদেরকেও দেখেছি মসজিদের ইফতারের হিস্যার জন্য দাঁড়িয়ে থাকতে। বাড়িতে ইফতারের ব্যবস্থা খুব ঘটা করেই করা হয়—তবু ঐ একটা ইচ্ছা; খাদ্যের প্রতি লোভ নয়। এদের মধ্যে আলীমকেও দেখা যেত। জুম্মার নামাজের পর এই মসজিদে জিলিপি কখনো-বা আমরিতি বা বালুশাহী শিন্নির মতো বিলি করা হতো, জুম্মার নামাজে ও আলীম শরিক হতো।

    মসজিদের সামনে বৃদ্ধ রোজাদার, নিষ্ঠ নামাজী, অর্বাচীন বালক, প্রবীণ পড়শি সকলেই উপস্থিত থাকতেন। সবাই হাত-মুখ ধুয়ে অজু সেরে এসেছেন। অনেকে এই মসজিদেই নামাজ আর ইফতার সেরে নেবেন, আবার কেউ আজান হলেই বাড়ি ফিরে আসবেন। আতর লাগিয়ে দাড়িতে হাত বুলাতে বুলাতে কত রকম আলাপই না হতো। এমনিতে সবাই ব্যস্ত, কেউ কারো খবর নিতে পারেন না; তাই মসজিদে নামাজের আগে সকলেই কুশল বিনিময় করেন। তাছাড়া রাজনীতি আলোচনা, কায়েদে আযম কলকাতা আসছেন সে কথা। নজরুল ইসলাম পাশের বাড়িতে গান গেয়ে গেছেন তা নিয়েও রীতিমতো হুলুস্থুল। তাছাড়া ফুটবল লীগ চ্যাম্পিয়নশিপ; কন্যার বিবাহ, পুত্রের পরীক্ষা, স্ত্রীর আসন্ন প্রসব প্রসঙ্গ সবই চলত। এই সামাজিকতার দৃশ্যটি আমার চোখে বড়ই ভালো লাগত। তাই আমাদের জীবনে রমজান মাসের একটা বড় রকম ভূমিকা ছিল।

    সকালে উঠেই আমরা ছেলেমেয়েরা পরস্পরকে প্রশ্ন করতাম : রোজদার না ভোজদার? এই ছিল আমাদের ধরন। তারপর সকাল থেকে প্রতিটি মিনিট গোনা; কার ক’টা রোজা হলো দেয়ালে দাগ কেটে তার হিসাব রাখা; সবরকম খাবার থেকে মুখ ফিরিয়ে নেওয়া, রোজা রাখার মতো তৃপ্তিকর আর আনন্দদায়ক অনুশীলন আর কিছুই হতে পারে না প্রতিটি আচরণের দ্বারা এই কথাটি বুঝিয়ে দেওয়া;—তারপর দিন যতই বাড়তে থাকত মুখ যতই ছোট হতে থাকত খাদ্যের প্রতি অরুচি আর বিতৃষ্ণার প্রকাশটাও ততই পরিদৃশ্যমান হতে থাকত এবং এইসব কিছুরই ফাঁকে ফাঁকে অবিশ্রান্ত থুথু ফেলা। এবং বেলা দুটোর পর কাহিল হয়ে মড়ার মতো বিছানায় এলিয়ে পড়া। এই ছিল আমাদের ছেলেবেলার রোজা। এতে সুখ যে একেবারেই ছিল না তা নয়। একটি কঠিন কর্তব্য হাস্যমুখে সমাধা করবার তৃপ্তি সেই বাল্যহৃদয়ও লাভ করত; এবং তার মূল্য বড় কম ছিল না।

    এই প্রসঙ্গে আমার একটি করুণ অভিজ্ঞতার কথা মনে পড়ছে। বহু দিন আগেকার কথা। রোজা দু’তিন দিন হলো শুরু হয়েছে। বাড়িতে অনেক ছেলেমেয়ে; সেদিন অনেকেই রোজা রাখে নি—আমি রেখেছি।

    রাস্তায় আমাদের বাড়ির কাছেই ‘হ্যাপি বয়’ আইসক্রিমঅলা সওদা নিয়ে হাজির। সকালবেলা; তাকে কেন্দ্র করে পাড়ার ছেলেমেয়েদের ভিড় আর হল্লা। বাড়িতে কে রোজা আছে আর কে নেই ছোট চাচা কোনোদিনই সে খবর রাখতেন না। তিনি সব ছেলেমেয়েকেই একটা করে আইসক্রিম কিনে দিলেন। আমি রোজা ছিলাম, কিন্তু হাত বাড়িয়ে আমিও একটা আইসক্রিম নিলাম। ভিড়ের মধ্যে কেউ লক্ষ্য করে নি; অথবা হয়তো সকলেই আইসক্রিম লেহনের উল্লাসে মত্ত, কে কোথায় কি কারণে হাত বাড়ালো এইসব নিষ্প্রয়োজন নটখটে কারই উৎসাহ ছিল না। তা না হলে আমার নাজেহালের সীমা থাকত না। সকালেই বুক ফুলিয়ে উঁচু গলায় ঘোষণা করেছি : আমি রোজাদার। এ কথা বলবার সময় আমার মুখ গর্বে যে পরিমাণ উজ্জ্বল হয়ে উঠেছিল, একদল ভোজদারের মুখ সেই পরিমাণ অন্ধকার। আইসক্রিমের সামনে দাঁড়িয়ে এখন অবশ্য অবস্থাটা উল্টে গেছে। কিন্তু সেই সময় আমার ভূমিকাটা পাল্টাতে দেখলে আইসক্রিম অর্জনের আনন্দ টিটকারির দংশনে পণ্ড হয়ে যাবে। কিন্তু ভাগ্য প্রসন্ন, সেরকম কিছুই ঘটল না।

    আইসক্রিমের কাঠিটি হাতে ফুলের বৃন্তের মতো ধরে রাখলাম; শীর্ষের হিমসর আমার দুটি চোখে লোলুপতার এক প্রকার আলোক এনে দিচ্ছিল, এবং জিহ্বায় এক অসহ্য সুড়সুড়ি। খাব? কেই-বা জানবে। ঐটুকুন বরফ খেলে কি আর রোজা ভাঙে—খোদা কি সত্যই অসন্তুষ্ট হতে পারেন। আমার মনটি সেই কুখ্যাত সর্পটির মতোই আমাকে যতসব দুষ্টবুদ্ধি দিতে লাগল। এই একটুখানি, মাত্র একবার একটুখানি-

    কিন্তু যাই বলো, আমারও বাহাদুরি আছে। শেষ পর্যন্ত সমস্তটা খেলাম না। ঠিক করলাম রোজা খুলেই খাওয়া যাবে।

    আমাদের শোবার ঘরে বইয়ের আলমারির মাথার কাছে একটি পেরেকে মাটির একটি পাখি লটকানো ছিল। মাটির পাখিটির ভিতরটা ছিল ফাঁপা; সেখানে চড়ই পাখি বাসা বেঁধেছিল। আমাদের দৌরাত্ম্যে তারা নষ্টনীড় ত্যাগ করে আমার পরদাদার জমানার একটা পুরাতন বুট জুতার মধ্যে আশ্রয় নিল। যখন থেকে জ্ঞান হয়েছে এই বুট জুতাটিকে কবুতরের পিঁজরাপোলের পিছনে একটি কোণে পড়ে থাকতে দেখেছি। কেউ বুট জুতাটির মৌরসিপাট্যায় হস্তক্ষেপ করে নি।

    যাই হোক, মাটির পাখির অন্তঃসারশূন্যতায় আমার বড়ই উপকার হতো। ছেলেবেলায় সেখানে যে কতবার কত গুপ্তধন লুকিয়ে রেখেছি তার হিসাব নেই। খড়ি, ভাঙা চিরুনি, একটা ছোট্ট আয়না, অচল দু’আনি, সোডার বোতলের কেপচি—অমনি কত কি! সেদিনকার দুর্লভতম ধন আইসক্রিমটিকেও সেখানেই রাখলাম লুকিয়ে। খাটের মাথার কাছের উঁচু টুলটির ওপর দাঁড়ালেই আমি পাখিটির নাগাল পেতাম।

    সেইদিনটি আর ফুরাতে চায় না। পৃথিবীতে কেউ কোনোদিন মসজিদের আজানের জন্য সেভাবে তৃষিত হয়ে থাকে নি, সেদিন একটি ছোট্ট মেয়ে যেভাবে ছিল। বারবার ঘর-বাহির করি, ঘড়ির কাঁটা দেখি, পাখিটির ওপর চোখ রাখি—এবং বারান্দার রেলিং-এ বিকেলের ছায়া কতদূর লতিয়ে উঠল লক্ষ্য করতে থাকি।

    দুঃসময়েরও শেষ আছে; এক সময় মহত্তম সঙ্গীতের মতো মোয়াজ্জিমের কণ্ঠে আজান ধ্বনিত হলো। দস্তরখানে সকলের জন্য ইফতার সাজানো হয়েছে; যারা রোজা রাখে নি তাদের জন্যও। মুখে একটি ছোলা আর একখণ্ড আদা পুরে আমি ছুটলাম।

    রমজান এলে ঈদই কি আর দূরে থাকতে পারে!

    হা অদৃষ্ট! শুধু কাঠিটাই পড়ে আছে একটি কঙ্কালের মতো; আইসক্রিম সবটুকুই গলে ঝরে পড়ে গেছে। আইসক্রিম এতটা উদ্‌বায়ী সকালে তা খেয়াল থাকলে—কিন্তু যাক সে কথা। সেই বালিকার মনের অবস্থা সহজেই কল্পনা করতে পার।

    সেই মাহে-রমজান আবার এসেছে। রাত্রিবেলা সেহরির জন্য উঠতে হবে, বোধ করি ঘুমের মধ্যেও সে চেতনা ছিল। আমার যখন ঘুম ভাঙল তখন আড়াইটা কি তিনটা হবে। খাটের ওপর পড়েই থাকলাম, উঠতে একেবারেই ইচ্ছা করছিল না। শীতের রাত্রে যে সময়টা ঘুম আসে সবচাইতে জাঁকিয়ে তক্ষুণি সেহরির জন্য উঠতে হয়। এই কষ্টটাই কি কম। এক সময় তবু উঠে বসলাম। বেশ ঠাণ্ডা পড়েছিল; গায়ে লাল আলোয়ানটা জড়িয়ে নিলাম। কনিজ যে উঠে পড়েছে বোঝা যাচ্ছিল; পিরিচ-পেয়ালা ধোবার শব্দ কানে আসছিল। হাঁড়িতেও কিছু চড়েছে, গরম তেলে মশলা পড়ার চড়চড় শব্দ শুনতে পাই। নাকে একটা গন্ধও ভেসে আসে। জানি না কেন, এইখানে গায়ে চাদর জড়িয়ে খাটের ওপর বসে হঠাৎ কনিজকে এক অন্তরঙ্গ পরমাত্মীয় মনে হতে লাগল—বাড়ির ঝি নয়। আশেপাশের বাড়িতেও একটি একটি করে জোনাকির মতো আলো জ্বলছে, কখনো-বা শুনতে পাই খড়মের এক টুকরা আওয়াজ—এবং সদ্য ঘুম ভাঙা লোকের একখণ্ড গলা খাঁকারি। দু-একটি বাড়ির জানালার ভিতর দিয়ে চুলোর ধোঁয়া ও বেরিয়ে আসতে থাকে। আমার মনে হতে লাগল, আমরা সবাই যেন একই জাহাজের যাত্রী, মধ্যরাত্রে মাঝ সমুদ্রে হঠাৎ জেগে উঠেছি। অভিজ্ঞতাটি বেশ ভালোই লাগছিল।

    রাস্তায় তখন হেঁকে চলেছে :

    গাফিলে বান্দে সোঁচ জরা
    এ দুনিয়া ঘড়ি ভর কি ঠিকানা হয়।
    অথবা :
    মাহে রমজানকা দেখো নাজারা।
    এবং আরো একটি দল
    পাঁচ পয়সা এক লুঙ্গী
    দাতা লঙ্গর শাহকা সওয়াল হ্যায়।

    রাত একটা থেকেই এই নক্তচারীরা পথে বের হয়। এক এক পাড়ায় এক এক দল। গলা পর্যন্ত মোটা চাদর জড়ানো থাকে, হাতে বাঁশের লম্বা লাঠি। সমস্ত পাড়ার গাফিল বান্দাকে স্মরণ করিয়ে দেয়, এই নাটমন্দিরের লীলাখেলা সবই ফক্কিকার ‘ঘড়ি ভর কি ঠিকানা হয়।’ তারপর সেহরির সময় উত্তীর্ণ হলে যে যার বাড়ি ফিরে যায়। এদের ডাক সেই নিস্তব্ধ নিশীথে আমার কানে কিন্তু বড়ই মধুর ঠেকত। কতদিন শেষ রাত্রে পথিপার্শ্বের অলিন্দে কনুইয়ের ওপর ভর দিয়ে থাকতাম দাঁড়িয়ে। আকাশে নক্ষত্র মিটমিট করত; চোখেমুখে ঠাণ্ডা হাওয়া লাগত।

    আমি আর ফুপুজান সেহরি সেরে উঠছি। এমন সময় দেখি সিঁড়িতে ছোট ফুপু, হাতে তাঁর খাঞ্চা। খাঞ্চার তশতরিতে সাজানো পরোটা কোরমা, হালুয়া এইসব।

    —ও মা। তোমাদের খাওয়া হয়ে গেল!

    ছোট ফুপুর কণ্ঠে বিস্ময় আর হতাশা!

    ফুপুজান প্রশ্ন করলেন : এত কি সব নিয়ে এলে। দেখি হালুয়াটা কেমন হয়েছে।

    —বুবু, আজ প্রথম সেহরির রাত, তাই এই সামান্য আয়োজন। মা তিশনা, তুমিও হালুয়াটা চেখে দেখ।

    একবার ছোট চাচার বন্ধ দুয়ারের দিকে ইশারা করে ছোট ফুপু আমাকে প্রশ্ন করলেন : ওঁর কি খবর? দরজা বন্ধ যে। সেহরি করবেন না!

     জবাব দিলেন ফুপুজান : ও আবার রোজা রাখল কবে।

    ছোট ফুপু এক মুহূর্ত অপেক্ষা করলেন। দাঁত দিয়ে অধরের একটি কোণ কামড়ে ধরা তাঁর একটা বিশেষ ভঙ্গি ছিল। তারপর সঙ্কল্প স্থির করে নিয়ে অকম্পিত পদে সেই বন্ধ দুয়ারের দিকে খাঞ্চা হাতে এগিয়ে গেলেন।

    —এসতো মা, আমাকে একটু সাহায্য কর।

    আমি যন্ত্রচালিতের মতো ছোট ফুপুকে অনুসরণ করলাম। পাশে দাঁড়িয়ে পরবর্তী নির্দেশের জন্য অপেক্ষা করতে লাগলাম।

    —দরজায় ধাক্কা দাও।

    একটু ধাক্কাধাক্কি করতেই দরজা খুলে গেল। নিদ্রাজড়িত চোখ, কণ্ঠে বিরক্তি : কি চাও? কিন্তু ছোট ফুপুকে দেখতে পেয়ে তিনি চুপ হয়ে গেলেন।

    ছোট ফুপু পাশ কাটিয়ে খাঞ্চা হাতে সোজা ছোট চাচার ঘরের ভিতর চলে এলেন; তাঁর পিছনে পিছনে আমি। ছোট ফুপুর এই কর্মে আমার পূর্ণ সমর্থন ছিল।

    ফুপুজানের চোখে বিস্ময়; ছোট চাচার ললাটে প্রশ্ন।

    আমি কিন্তু একটুও অবাক হই নি; এইটেই যেন সবচাইতে স্বাভাবিক।

    টেবিলের ওপর খাঞ্চা সাজিয়ে ছোট ফুপু এক পাশে সরে দাঁড়ালেন। অল্প একটু হেসে ছোট চাচাকে প্রশ্ন করলেন : নিয়তটা মনে আছে, না তাও ভুলে গেছেন!

    আশ্চর্য, ছোট চাচা সব ক’টা রোজা রাখলেন।

    বছর গড়িয়ে যেতে লাগল। কামিল তার স্বপ্নলোক কলেজে প্রবেশ করল। পাস করল সেকেণ্ড ডিভিশনে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleলাঞ্চ বক্স – রশীদ করীম
    Next Article উত্তম পুরুষ – রশীদ করীম

    Related Articles

    রশীদ করীম

    উত্তম পুরুষ – রশীদ করীম

    August 5, 2026
    রশীদ করীম

    লাঞ্চ বক্স – রশীদ করীম

    August 5, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    চতুষ্পাঠী – স্বপ্নময় চক্রবর্তী

    August 5, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    চতুষ্পাঠী – স্বপ্নময় চক্রবর্তী

    August 5, 2026
    Our Picks

    চতুষ্পাঠী – স্বপ্নময় চক্রবর্তী

    August 5, 2026

    উত্তম পুরুষ – রশীদ করীম

    August 5, 2026

    প্রসন্ন পাষাণ – রশীদ করীম

    August 5, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }