Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    চতুষ্পাঠী – স্বপ্নময় চক্রবর্তী

    August 5, 2026

    উত্তম পুরুষ – রশীদ করীম

    August 5, 2026

    প্রসন্ন পাষাণ – রশীদ করীম

    August 5, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    প্রসন্ন পাষাণ – রশীদ করীম

    রশীদ করীম এক পাতা গল্প258 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    প্রসন্ন পাষাণ – ২৬

    ২৬

    আমার ঘরের এই জানালা দিয়ে কত কিছুই দেখা যায়। সবচাইতে বেশি দেখি সম্মুখের বাড়ির খোলা জানালা দিয়ে তারই ভিতরকার বিশ্বটিকে। সেই নতুন-মা, যে এখন আর নতুন নয়, কোলের সেই শিশুটি এখন যে আর কোলে নয়, যে হাঁটতে শিখেছে, মুখে যার বুলি ফুটেছে—তাদেরকেই দেখি। ঐ ছোট্ট সংসারটি বিচিত্র। একদিন শিশুটির কি এক শক্ত অসুখ হলো, তার মায়ের কান্না শুনতে পেলাম। ডাক্তার এলো। ক’দিন খুবই সঙ্কটের মধ্যে তাদের দিন কাটল। মা টেম্পারেচর নেয়, বোতলের দাগ মেপে ওষুধ খাওয়ায়, বাপ চিন্তিত মুখে খাটের পাশে দাঁড়িয়ে থাকে। আত্মীয়স্বজন আসে, প্রবোধ দেয়, তারপর একদিন শিশু সেরে ওঠে। স্বামী-স্ত্রী সেজেগুজে ম্যাটিনি শোতে সিনেমা দেখতে যায়।

    স্বামীকে বেশি দেখা যায় না। সকাল থেকে বেরিয়ে যায়, কখন ফেরে জানিও না। তবে আর একটি ছেলেকে প্রায়ই সেখানে দেখি। মেয়েটির কেমন যেন আত্মীয় হয়। সাদা প্যান্ট- শার্ট পরে থাকে, কাঁধে ঝুলতে থাকে একটি স্টেথিসকোপ। ক্যাম্বেল হাসপাতালে না কি ডাক্তারি পড়ে। হাসিখুশি থাকে সারাক্ষণ। মেয়েটির নিঃসঙ্গ দ্বিপ্রহরগুলোকে এই ছেলেটি প্রায়ই দেখি গল্প-গুজবে মাতিয়ে রাখে।

    একদিনের একটি ঘটনার কোনো মানে বুঝি নি।

    দুপুরবেলা ছেলেটি এসেছে। মেয়েটিও বোধ করি এইমাত্র স্নান সেরে উঠল। তার ভেজা চুল পিঠের ওপর খোলা। একটি চিরুনি নিয়ে সে ধীরে ধীরে জট ছাড়াচ্ছে। বাচ্চা ঘুমিয়ে পড়েছে।

    হঠাৎ দেখি ছেলেটি দেয়ালের সেই স্বামী-স্ত্রীর ছবিটির দিকে এগিয়ে গেল। তারপর সেটিকে দেয়ালের দিকে মুখ করে উল্টে দিল।

    আমার ওপর চোখ পড়তেই সে ঝট করে দৃষ্টির আড়ালে চলে গেল। কি হবে মানে বুঝে। আমিও সেখান থেকে সরে এলাম। এইভাবে অন্যের বাড়ির সংসারযাত্রা দেখতে থাকাটাই অন্যায়।

    সেই পানঅলাকেও চোখে পড়ল। তাকে বহুদিন পর দেখলাম। আমার মনের মধ্যে একটি হাসি ছড়িয়ে পড়ল। সঙ্গে সঙ্গে মনে পড়ল চন্দ্রিমার কথা। কলেজ ছেড়ে দেবার পর তার সঙ্গে বহুদিন দেখা হয় নি। কি হবে রোজ কলেজ গিয়ে, ডিগ্রি নিয়ে, আমাকে তো আর চাকরি করতে হবে না। মিস্ মজুমদারের জীবনের প্রতি আমার কোনো লোভ নেই। তাই কলেজ ছেড়ে দিয়েছি। ছোট চাচা আমাকে গ্রীক ট্রাজেডি, শেপীয়র আর শাহনামা পড়ান। কিছুদিন থেকে এসব পড়তেও আর ভালো লাগছে না। ছোট চাচাও আজকাল আর নিয়মিত পড়তে ডাকেন না। যখন ইচ্ছে করে আমি নিজেই একটি বই খুলে বসি। তবে সবসময় শাহনামা বা শেপীয়র নয়। বাজে বইও পড়ি। বস্তুত মনের অলস অবস্থায় বাজে বইই বেশি পড়ি।

    চন্দ্রিমার কাছে আজকালের মধ্যে একবার যেতে হবে। এর মধ্যে সে আরো কি সব পাগলামি করেছে কে জানে।

    জাফর আর কনিজকে এখন প্রায় সবসময়ই এক সঙ্গে দেখা যায়। কনিজ জাফরের বিরুদ্ধে আর কোনো নালিশ নিয়ে আসে না। জাফর কনিজ সম্পর্কে কখন কি বলেছে আর তার মানেই-বা কি এ কথা জানতে কনিজ আর আমার কাছে আসে না। বোধ করি জাফর নিজেই মানে বলে দেয়; অথবা হয়তো এমন ভাষায় বলে কনিজ নিজেই যার অর্থ বোঝে। যাত্রার দলে থেকে জাফর বেশ সৌখিন বাবুটি হয়েছে এবং পালার ভালো ভালো কথা সে যা শিখেছে তা সে যাত্রাদলের ভাঙা চৌকির বাইরেও বেশ দক্ষতার সঙ্গে কাজে লাগিয়েছে। খোদা তাদের সুখী করুন। আশা করি তার আগেই তারা বিয়েটা করে নেবে।

    কিন্তু আমি নিজেকে নিয়ে করি কি?

    কত রকম চিন্তাই যে সবকিছু গোলমাল করে দেয়। আমি কি নিজেকে ভালো করে বুঝেছি?

    শেষ পর্যন্ত কি আমার চোখ পৌঁছায়?

    পৌঁছায় না! কারই কি পৌঁছায়? না। তাহলে?

    কামিলের সঙ্গে সকালবেলা এক সঙ্গে খেতে পারি নি। কিন্তু ডেকেছিলাম আমিই। তাই বিকেলবেলা আর এক রেস্টুরেন্টে কামিলকে আসতে বলেছি। হ্যারিসন রোডে একটা অপেক্ষাকৃত অখ্যাত দোকান আছে—খাবার দোকান—সেখানকার মাটন কাটলেট আর মোগলাই পরটা বিখ্যাত। বড় ভিড় হয় সেখানে। কলেজ আর ইউনিভার্সিটির ছেলে- ছোকড়াই বেশি—কিছু কিছু মেয়েও দেখা যায়। তাছাড়া বড্ড গরম আর হট্টগোল। মনে হয় হাট বসেছে। অনেকগুলো ছোট ছোট টেবিলের চারপাশে বসে খদ্দেররা ফরমায়েশিত ভোজ্যের জন্য অপেক্ষা করতে থাকেন। প্রতীক্ষা যখন আর সহ্য হয় না তখন অসন্তোষের বহ্নি মুখ দিয়ে প্লাবিত হয়ে কক্ষটিকে তপ্ত করে দেয়। প্রতিবাদ জানিয়েও কোনো লাভ হয় না— তখন নিছক ক্লান্তিতেই আবার সকলে সহনশীলতার অবতারের মতো চুপ করে থাকেন। তবু তারই ফাঁকে ফাঁকে আবার হুঙ্কার শোনা যায় : আরে মশাই, আমার চেহারাটা কি পছন্দ হলো না, কবে থেকে বসে আছি চিংড়ি-কাটলেটের জন্য। আর একজন বলেন : আমি এসেছি আপনারও আগে। একটা ভেজিটেবল চপের জন্য বসে বসে নিজেই ভেজিটেবল হয়ে গেলাম। অথচ আমার পরে যারা এসেছেন তাঁরা খাওয়া-দাওয়া সেরে এখন মুখে সুপুরি পুরছেন। এর রহস্যটা একবার জানতে হয়। তারপর আসে চিংড়ি-কাটলেট আর ভেজিটেবল চপ। অমনি রহস্য সন্ধানের সমস্ত প্রয়োজন ফুরিয়ে যায়।

    আর শোনা যায়, রূপবাণীতে কাননবালার ছবি হচ্ছে সে কথা; বিজয় মার্চেন্ট পেন্টাঙ্গুলারে সেঞ্চুরি করেছেন সে আলোচনা; ইলিশ মাছের দাম চড়েছে, তাও।

    এবং এ সবেরই ফাঁকে ফাঁকে বেয়ারারা গরম চায়ের পেয়ালা নিয়ে করে ছোটাছুটি। পেয়ালা থেকে ওঠে ধোঁয়া, তাদের গা দিয়ে ঝরে ঘাম।

    বলা বাহুল্য, বসে আলাপ করবার জন্য জায়গাটা আদর্শ নয়। তাছাড়া এমন এক আবহাওয়া যে দু’মিনিটেই হাঁফ ধরে যায়। তবু এইখানেই আমাদের আসতে হবে। কলেজ স্ট্রিটে কামিলের কি এক কাজ আছে। পাঁচটার মধ্যে সে অন্য কোথাও আর পৌঁছতে পারবে না। ওয়াই-এম-সি এতে যেতে পারতাম, বসন্ত কেবিনও এর চাইতে ভালো; কিন্তু মোগলাই পরটা এখানেই ভালো হয়। এবং কামিল মোগলাই পরটা ভালোবাসে।

    তৈরি হয়ে সিঁড়ি দিয়ে নিচে নেবে আসছি, দেখি তারই এক পাশে ছোট চাচা অপেক্ষা করছেন। তিনি কি জানতেন আমি এই সময়টা আবার বের হবো?

    —আবার চললি কোথায়?

    –বাইরে যাচ্ছি। আমার একটু কাজ আছে।

    ছোট চাচা এক মুহূর্ত কি যেন চিন্তা করলেন তারপর বললেন : আচ্ছা যা। ফিরতে দেরি করিস নে।

    আমি সে কথার কোনো জবাব না দিয়ে তরতর করে নেবে গেলাম। বেশ বুঝতে পারছিলাম, ছোট চাচা তখনো সেইখানেই দাঁড়িয়ে আছেন।

    কামিল বুদ্ধি করে একটি কেবিন দখল করে বসেছিল। কেবিনের পর্দা ছিল তোলা। আমি আসতেই পর্দা নাবিয়ে দিলাম।

    কামিলের মুখ অপ্রসন্ন।

    —এই বিচিত্র চিড়িয়াখানার ঠিকানা তোমাকে কে দিল?

    আমি সে কথার কোনো জবাব দিলাম না। চেয়ারে ভালো করে নড়েচড়ে ঠিকমতো বসলাম। একটু পরই গরমে আমার সারা গা থেকে দরদর করে ঘাম ঝরতে লাগল।

    —তোমাকে দেখে আমারই কষ্ট হচ্ছে। এই দুর্ভোগের কি দরকারটা ছিল বল?

    আমি তবু নিরুত্তর।

    কামিল তারপর অনেকক্ষণ কোনো কথা বললো না। সে কি চিন্তা করছিল। পকেট থেকে একটি রুমাল বের করে সে কপালের ঘাম মুছে ফেলল। তারপর আমার ওপর তার দুটি চোখের স্থির দৃষ্টি রেখে বললো : তিশনা, ক’দিন থেকেই ভাবছি তোমাকে একটা কথা বলব।

    এই ক্ষুদ্র ভূমিকার পর সে আবার কিছুক্ষণ চুপ করে থাকল। আমি অপেক্ষা করে আছি আগ্রহ ভরে একবার তাই দেখে নিয়ে সে আবার বললো : আমাদের এই মেলামেশা বন্ধ করতে হবে।

    —কেন?

    —তোমার সাময়িক দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে আমি এমন কিছু করতে চাই না, যা তোমার বাকি জীবনটাকে বিগড়ে দিতে পারে। তুমি যখন আমার ওপর রাগ কর সে আমার সহ্য হয়। কারণ আমি জানি, তার মধ্যে কতখানি ভালোবাসা আছে। কিন্তু তুমি যখন প্রেমের রক্তগোলাপ নিয়ে আস তখন আমার ভয় হয়। কারণ আমি জানি তা গ্রহণ করবার আমার কোনো অধিকারই নেই—তবু বড় লোভ হয়।

    মাথার ওপর পাখা তার নিজের নিয়মে ঘুরছে। মনে হয় চুলোর ওপর থেকে গরম হাওয়া তুলে এনে আমাদের মাথার ওপর ছড়িয়ে দিচ্ছে। অসহ্য ঠেকছে এই গরম।

    একবার ভাবলাম আমি কোনো জবাবই দেব না। তবু না বলে পারলাম না : তোমার ওপর জুলুম তো করতেই চাই না। তোমার যা মন চায় তাই করো। কিন্তু বারবার সাময়িক দুর্বলতার কথা বলে আমাকে আর অপমান করো না।

    —তুমি বুঝছ না, তিশনা। তোমার আব্বা ছোট চাচা কিছুতেই মত দেবেন না।

    —তবু যদি আমি মত দিই। তাহলে?

    —তাহলেও না। কারণ আমি জানি তুমি কিছুতেই সুখী হবে না। উপস্থিতির লোভে তুমি ভবিষ্যৎ খুইয়ে বসবে, তোমার শুভাকাঙ্ক্ষী হয়ে এটা কি করে হতে দেব?

    —তুমি কি অনিশ্চিত ভবিষ্যতের লোভে আমাকে উপস্থিতিটাও খোয়াতে বল?

    —তিশনা, আজ তুমি কিছুতেই বুঝবে না। কিন্তু তবু তোমাকে কালকের একটি ঘটনা বলি। আমি বাড়ি ফিরছিলাম। দুপুরবেলা। রাস্তায় ঠেলাগাড়িঅলা খেলনা বিক্রি করছে। পাড়ার অনেক ছেলেমেয়েই খেলনা কিনল, হাসিমুখে আবার বাড়ি ফিরে গেল। সেই বাড়িরই ঝিয়ের চার বছরের মেয়েটি হঠাৎ দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে কান্না জুড়ে দিল। সে যে কি কান্না তোমাকে বোঝাতে পারব না। তারও একটি লাল পুতুল চাই। হঠাৎ তার মা সেই মেয়েটিকে ধরে মারতে শুরু করল। সে মারই-বা কি তোমাকে তাও বোঝাতে পারব না। মেয়েটি চুপ করল। খেলনার কথা সে ভোলে নি; কিন্তু মার খেয়ে তার বায়না ভুলে গেল।

    —তারপর?

    —তারপর আর কিছুই না।

    —তুমি বলতে চাও কি?

    —ঝি কি তার মেয়েকে ভালোবাসত না? নিশ্চয়ই অন্য মায়ের মতোই সেও তার চার বছরের সন্তানটিকে ভালোবাসত। তবু সেই মেয়েরই এক স্বাভাবিক আর সামান্য ইচ্ছা পূরণ করতে না পেরে তাকে পশুর মতো মারধর করতে হলো। মা-র মনে এই দুঃখ যে কিভাবে বেজেছে আমি তা অনুমান করতে পারি। আমি নিজে এইরকম দুঃখ সইতে পারব না, তাই তোমার কাছ থেকে দূরে সরে যেতে চাই।

    —তুমি কি সত্যিই সোমবার চলে যাবে না কি?

    —হ্যাঁ।

    —আমাদের সঙ্গ এতই দুঃসহ?

    —না, দুঃসহ নয়। একটা কারণ তো বললাম। আরো কারণ আছে।

    —সেটা কি?

    কামিল জবাব দিল না।

    —কৈ বললে না, আর একটি কারণ কি?

    এবার কামিলের শরীরের সব কটি পেশি অকস্মাৎ দড়ির মতো শক্ত হয়ে গেল। মুখে এক বিচিত্র হাসি দেখলাম। এমন আর কোনোদিনই দেখি নি। কামিলকে কে যেন মুখোশ পরিয়ে দিয়েছে, ঠিকমতো চেনা যায় না।

    –জানো তিশনা, আর বেশি দিন তোমার সঙ্গের লোভ করলে, আমি আমার মা-কে হারাব।

    —কি বলছ আবোলতাবোল।

    কামিল একবার ক্রূর তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে আমাকে দেখে নিল, মুখে সেই বিচিত্র হাসি। তারপর বললো : বলতে চাও, কিছুই তোমার চোখে পড়ে নি?

    এই বলে কামিল সজোরে হাত দিয়ে টেবিল চাপড়ে উঠে পড়ল।

    কামিল কিছুতেই আমার সঙ্গে আসতে চাইল না। বললো, কোথায় তার কি কাজ আছে। আমিও আর পীড়াপীড়ি করলাম না। সেই মুহূর্তে একটু একা থাকতেই আমার ভালো লাগছিল।

    ট্রামের জন্য অপেক্ষা করছি, কোথা থেকে চন্দ্ৰিমা উপস্থিত।

    —শপিং করতে বেরিয়েছিলাম রে। তুই এখানে কি করছিস?

    ট্রাম কবে দয়া করে আসবেন, তারই অপেক্ষা করছি। মনে হয় আধঘণ্টার ওপর দাঁড়িয়ে আছি।

    —আমিও তোদেরই পাড়ার কাছাকাছি যাব। ধর না মেয়ে, শাড়ির এই বাক্সটা! দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখছিস, আমি সবগুলো সামলাতে পারছি না!

    —দে দে ভাই। রাগ করিস কেন!

    আমরা ট্রামের জন্য অপেক্ষা করছি, এমন সময় চোখে পড়ল, সামনের ফুটপাতে একটি ফলের দোকানের সামনে এক ভদ্রমহিলা দাঁড়িয়ে আছেন। সঙ্গে চব্বিশ পঁচিশ বছরের এক ছেলে। ফর্সা, চোখে চশমা, মাথায় সোলা-হ্যাট।

    ভদ্রমহিলা আমাকে দেখে হাত তুলে সালাম করলেন। তাঁকে খুব চেনা চেনা মনে হচ্ছিল, তবু ঠিক চিনতে পারছিলাম না। অবশ্য আমিও সালামের জবাব দিলাম।

    এমন সময় ট্রাম এলো। আমি আর চন্দ্রিমা উঠে পড়লাম।

    —ভদ্রমহিলাটি কে রে?

    —ঠিক চিনলাম না।

    —সঙ্গের ছেলেটি কিন্তু ভারি ডিগনিফাইড।

    –হবে। আমি ভালো করে দেখি নি।

    —আর কত ভালো করে দেখতে চাও, পোড়ারমুখী!

    ট্রাম বেনিয়াপুকুরের কাছে আসতেই চন্দ্রিমা উঠে পড়ল।

    —আমি এখানেই নাবব। কাজ আছে একটা। দেখা করিস। চন্দ্রিমা নেমে গেল।

    ট্রাম ছেড়ে দেবার পর পথ থেকেই এই কথাগুলো ছুঁড়ে মারল : তুই দেখতে আরো সুন্দর হয়েছিস। আর হ্যাঁ, ভালো কথা। তোদের সেই পানঅলা কেমন আছে রে? Give him my love. কিছুতেই ভুলিস নে।

    ট্রাম সার্কুলার রোডের মোড়ে আসতেই একেবারে হঠাৎ মনে পড়ে গেল : কলেজের নাটকের দিন এই ভদ্রমহিলাই আমার ঠিকানা চেয়ে নিয়েছিলেন।

    রাস্তার অপ্রচুর আলোয় দুই পাশের দোকানপাট আবছা আবছা দেখা যায়। মেঘ করে এসেছে। যে-কোনো মুহূর্তে মাথার ওপর বৃষ্টি ভেঙে পড়বে। ঢং ঢং ঢং আওয়াজ করে ট্রাম এগিয়ে চলেছে। আমি বসে আছি একেবারে সামনের আসনে। জানালা দিয়ে বাদলা হাওয়া এসে মুখে লাগছে। এইভাবে চুপ করে বসে থেকে নিজের মনের সাথে একটা সরগড় সহজ মনে হয়।

    সেই মুহূর্তে কিছুতেই এই চিন্তাটিকে ঠেকিয়ে রাখতে পারলাম না, কামিলের সঙ্গ আমাকে আনন্দ দেয় সত্য; কিন্তু তবু এক সূক্ষ্ম অপরিচয়ের অস্বাচ্ছন্দ্যেও মনটিকে ভার করে রাখে। তার সান্নিধ্যে মাঝে মাঝে এক দুয়ে অসোয়াস্তি বোধ করি। আমাদের দু’জনের হৃদয় একই সুরে বাজতে থাকে; কিন্তু আবার একেবারে অপ্রত্যাশিতভাবে ছন্দপতনও হয়। আমাদের দু’জনের মাঝখানে একটা কিছু ব্যবধান আছেই, পদে পদে যার অস্তিত্ব উপলব্ধি করেছি। যতই অস্বীকার করতে চেয়েছি, সেই পার্থক্যটুকু ততই কঠিন হয়ে বাধা দিয়েছে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleলাঞ্চ বক্স – রশীদ করীম
    Next Article উত্তম পুরুষ – রশীদ করীম

    Related Articles

    রশীদ করীম

    উত্তম পুরুষ – রশীদ করীম

    August 5, 2026
    রশীদ করীম

    লাঞ্চ বক্স – রশীদ করীম

    August 5, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    চতুষ্পাঠী – স্বপ্নময় চক্রবর্তী

    August 5, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    চতুষ্পাঠী – স্বপ্নময় চক্রবর্তী

    August 5, 2026
    Our Picks

    চতুষ্পাঠী – স্বপ্নময় চক্রবর্তী

    August 5, 2026

    উত্তম পুরুষ – রশীদ করীম

    August 5, 2026

    প্রসন্ন পাষাণ – রশীদ করীম

    August 5, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }