Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    চতুষ্পাঠী – স্বপ্নময় চক্রবর্তী

    August 5, 2026

    উত্তম পুরুষ – রশীদ করীম

    August 5, 2026

    প্রসন্ন পাষাণ – রশীদ করীম

    August 5, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    প্রসন্ন পাষাণ – রশীদ করীম

    রশীদ করীম এক পাতা গল্প258 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    প্রসন্ন পাষাণ – ১৫

    পনেরো

    ছোট ফুপুকে তাঁর ঘরেই পেলাম। চৌকির ওপর চুপ করে বসে আছেন। করছেন না কিছুই। আমি একটু অবাক হলাম। ছোট ফুপু জেগে আছেন অথচ তাঁর হাতে একটা কোনো কাজ নেই

    এমনটা আগে হতে দেখি নি। আমিও পাশে বসে পড়লাম।

    ছোট ফুপু শরীরটা কি তেমন ভালো নেই?

    ছোট ফুপু একটুখানি ম্লান হাসলেন।

    শরীর ঠিকই আছে। এমনিতেই ভালো লাগছে না।

    তারপর বহুক্ষণ কোনো কথাই হয় না। অনেক সময়ই এমন হয়। কিছুতেই কথা এগোতে চায় না। অন্য সময় কোথা থেকে অনর্গল কথা আসে শেষই হতে চায় না। আবার এমন কতগুলো অবরুদ্ধ মুহূর্ত আসে যখন অতি চেনা অতি আপন মানুষটিকেও অপরিচিত মনে হয়। ঠিক কোন কথাটি বললে সঠিক সুরটি বেজে উঠবে তা যদি কিছুতেই মনে পড়ে!

    কাল কিছু পিঠা বানিয়েছিলাম। খাবে?

    ছোট ফুপু আমাকে কখনো তুমি কখনো তুই বলতেন। তাঁর ডাক শুনেই আমি বুঝতে পারতাম কখন তাঁর মন কি অবস্থায় আছে।

    আমি বিশেষ উৎসাহ না দেখিয়েই বললাম : দাও।

    —মা তোকে উঠতে হবে। ঐ হাঁড়িতে আছে।

    আমি আদেশ পালন করতে উঠলাম।

    —আর শোন, ঐ সঙ্গে যদি একটুখানি চা–

    তাই বলো, চা খেতে চাও। পিঠা তোমার ঘুষ।

    ছোট ফুপুও হাসলেন।

    —হ্যাঁ তাই। তুই যে ঘুষ ছাড়া এক পা নড়তে চাস না। সেই সঙ্গে ইচ্ছে করলে এক পেয়ালা চাও তুই উপরি পেতে পারিস।

    —সে আর তোমাকে বলতে হবে না।

    তারপর আবার আমাদের কথা বন্ধ হয়ে গেল। স্টোভ জ্বালিয়ে কেটলি চড়িয়ে সলতেটি উস্কে দিয়ে আমি সেইদিকেই এক দৃষ্টে তাকিয়ে বসে থাকলাম। ছোট ফুপুর দিকে আমার পিঠ। তবু বুঝতে পারছিলাম ছোট ফুপুর দৃষ্টি আমারই ওপর লুটিয়ে পড়ছে।

    —তিশনা, এবার তুই একটা বিয়ে কর। তুই ভারি সুন্দর হয়ে উঠেছিস।

    —দাও না একটি বর খুঁজে।

    ছোট ফুপু এবার আর কিছু বললেন না।

    কথা আবার বন্ধ।

    তখনো ছোট ফুপুর দৃষ্টি নিশ্চয়ই আমারই ওপর। দৃষ্টির এই সেতুবন্ধনের দ্বারা ছোট ফুপু আমার খুব কাছাকাছি—আমার সারাটা মন অন্তরঙ্গতার এই উত্তাপে উষ্ণ হয়ে উঠছিল। অথচ এক অকারণ অভিমানও আমাকে পীড়িত করছিল।

    —আঁচলটা কোমরে জড়িয়ে নাও মা। আঁচল খুলে আগুনের কাছে যেতে নেই।

    আঁচলটা নিলাম জড়িয়ে।

    —ভাবছি আমরা আবার দেশের বাড়িতে ফিরে যাব।

    আমি চায়ের পেয়ালায় ফুঁ দিতে দিতে ছোট ফুপুর কাছে ফিরে এলাম।

    —কি রে। তুই যে পিঠা খাচ্ছিস না।

    আমি কোনো জবাব দিলাম না। কিন্তু এবার একটি প্রশ্ন করলাম : কি হয়েছে বলবে না!

    ছোট ফুপু হাত বাড়িয়ে আমাকে কাছে টেনে নিলেন।

    —অত সহজে ভুলবার পাত্রী তিশনা নয়। কি হয়েছে বলতে হবে।

    —দূর পাগলি। হবে আবার কি।

    –হবে আবার কি যদি তো দেশে ফিরে যাবার কথা বলছ কেন।

    —সারা জীবন তোদের এখানেই থাকতে হবে না কি!

    —থাকলেই-বা।

    —খুব তো বললি, থাকলেই-বা। আজ বাদে কাল শ্বশুরবাড়ি চলে যাবি—তখন?

    —এ বাড়িতে আমি ছাড়া আরো লোক আছে।

    —তারা থাকতে দেবে কেমন করে জানব?

    –সে তুমি ভালো করেই জানো।

    আবার কিছুক্ষণ নীরবতা।

    এক সময় ছোট ফুপুই বললেন : জানি বলেই যাচ্ছি মা। এখানে থাকা চলবে না।

    আমি তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে ছোট ফুপুর দিকে তাকিয়ে আছি দেখে একটু হেসে তিনি আবার বললেন : বড়বুবুর সংসারে আমি নিজেকে ঠিক মানিয়ে নিতে পারছি না। দোষ তাঁর নয়— আমারই। বহুদিন একভাবে থেকে সেইভাবেই জীবনযাত্রাটা অভ্যাস হয়ে যায়। নতুন মানুষ এলে অসুবিধা হয়।

    —তুমি এখন আর নতুন নও। তোমাকেও আমাদের অভ্যাস হয়ে গেছে। বরং অভ্যাসের চাইতে কিছু বেশিই হয়েছে।

    ছোট ফুপুকে নানাভাবে প্রশ্ন করেও ঠিক কি যে হয়েছে বুঝতে পারলাম না। তিনি কিছুই বলতে চান না। তবে জেনেছিলাম পরে। কিছুটা ছোট ফুপুই বলেছিলেন, বাকিটা শুনেছিলাম কনিজের কাছে। ব্যাপারটা হয়েছিল এই।

    ফুপুজানের এক দেবর, নাম তাঁর বৈরাম খান, প্রায়ই নানা কাজে কলকাতা আসতেন। তিনি বরাবরই এসে উঠতেন পাইচ হোটেলের সমশ্রেণীর কোনো হোটেলে। এ নিয়ে ফুপুজানের মনে কোনো দুঃখ ছিল বলে কখনো মনে হয় নি; থাকলে আশ্চর্য নিপুণতার সঙ্গেই তিনি তা গোপন রাখতে পেরেছিলেন। কিন্তু সেবার যখন দেবর ভ্রাতৃজায়ার সঙ্গে বৈকালের অবসরে সাক্ষাৎ করতে এলেন তখন অকস্মাৎ ফুপুজান তাঁর শ্বশুরকুলের এই সুযোগ্য প্রতিনিধির প্রতি এতদিনকার সঞ্চিত অবহেলার কথা স্মরণ করে বড়ই বিচলিত হয়ে পড়লেন; বেশ ঘটা করে অঞ্চল প্রান্তে অশ্রু, মার্জনা করে তিনি অশান্ত চিত্তকে তখনকার মতো সংযত রাখলেন। দেবরকে অনেকবার করে অনুনয়-বিনয় অনুরোধ-উপরোধ করা হলো তিনি যেন অনুগ্রহ করে কল্যই এ বাড়িতে থাকবার জন্য পদধূলি দেন।

    পাবনায় বৈরাম সাহেবের সাইকেলের দোকান আছে; সেই ব্যবসা সংক্রান্ত কাজেই তিনি কলকাতা আসতেন। এবার কাজ সেরেই তিনি ফুপুজানের সঙ্গে দেখা করতে এসেছিলেন। কালই আবার তাঁকে পাবনা ফিরে যেতে হবে বৈরাম খান এ কথা বলতেই ফুপুজানের অশ্রু প্রপাতে অঝোরধারা নেবে এলো। তিনি তাঁর স্নেহের দেবরকে এই কথাটি বুঝিয়ে দিলেন যে অবসরকালটাই সামাজিকতার সুবর্ণ সময়। ফুপুজানের পীড়াপীড়িতে বৈরাম সাহেব বিস্মিত হলেন কিন্তু পরদিন সকালেই টিনের বাক্সটি হাতে করে তিনি উপস্থিত। বৈরাম সাহেবকে আমি আসতে দেখেছি, চলে যেতেও দেখেছি; কিন্তু মাঝামাঝি সময়টার ইতিবৃত্ত আমার ভালো জানা ছিল না। বস্তুত লোকটাকে আমার একেবারেই ভালো লাগে নি। তাই তিনি যে ক’দিন ছিলেন, আমি তাঁকে এড়িয়েই চলতাম।

    গোলগাল বেঁটে মানুষ, মাথায় কদমছাঁট চুল। গায়ের রঙ কেবল কালোই নয়, মেটে কালো। ছবিতে এক জাতের সাপের এই রঙ দেখেছি। চোখ দুটি ছোট ছোট; হাতের আর পায়ের আঙুলগুলো এত ছোট যে মনে হতে পারে সৃষ্টির মাঝপথে সৃষ্টিকর্তা অন্যমনস্ক হয়ে গিয়েছিলেন। সবচাইতে দর্শনীয় তাঁর ভুঁড়িটি। ভুঁড়িটি যে দর্শনীয় বোধ করি বৈরাম সাহেব নিজেও তা জানতেন—সুন্দরী রমণী যেমন তার গালের তিল সম্পর্কে সচেতন থাকে। বৈরাম সাহেব তাঁর লুঙ্গিটিকে ভুঁড়ির নিচে গিঁট দিয়ে বেঁধে রাখতেন। গায়ে একটি গেঞ্জি পর্যন্ত তিনি রাখতেন না। ভুঁড়ি দিব্যি এক চলন্ত জালার মতো সর্বত্র ঘুরে বেড়াত। তিনি যখন হাঁটতেন, ভুঁড়িটি চলত তাঁর আগে আগে।

    সেদিন দস্তরখান সাজিয়ে তাঁকে খেতে দেওয়া হয়েছে। ফুপুজান হাত পাখা দিয়ে হাওয়া করছেন। বৈরাম সাহেব খেতে বসেছেন।

    ছোট ফুপুর দরজার কাছেই দস্তরখান বিছানো হয়েছে। যাতায়াত করতে হলে এঁদের চোখের সামনে দিয়েই তা করতে হবে।

    ছোট ফুপু মাথার ওপর লম্বা ঘোমটা টেনে ওপরে আসছিলেন কোনো কাজে—ফুপুজান এমন সময় তাঁকে ডাকলেন।

    —ময়না যাচ্ছ কোথায়? এখানে একটু বোসো। তোমার বৈরাম ভাইয়াকে একটু হাওয়া করতো। আমার হাত ধরে এসেছে।

    ময়না বুঝি নাম। বাঃ বেশ তো।

    বৈরাম সাহেবের মুখে ছিল মাছের মুড়ো। ঠিক বোঝা গেল না কোন বস্তুটি বেশ। তবে তাঁর অবিরাম হস্তচালনা আপাতত স্থগিত থাকল।

    ছোট ফুপুর পা দুটি কে যেন শিকল দিয়ে বেঁধে ফেলেছে। তিনি না পারেন নড়তে না পারেন বসতে।

    ছোট ফুপু তখনো লজ্জায় জড়সড় হয়ে এক পাশে দাঁড়িয়ে আছেন। বৈরাম সাহেব ভাতের থালা থেকে একবার চোখ তুলে সেদিকে তাকালেন।

    আবার শুধু বললেন: বাঃ বেশ।

    ছোট ফুপু লজ্জায় ঘামতে লাগলেন—শরীরটাকে বিন্দু পরিমাণ করতে পারলে বাঁচেন। কোনোমতে বললেন : বুবু আমার কাজ আছে। তারপর দ্রুত সেখান থেকে চলে গেলেন।

    —গলার আওয়াজটিও তো বেশ মিষ্টি।

    বেশ বোঝা গেল যেখানে যতটা প্রশংসা প্রাপ্য সেখানে তা পৌঁছে দিতে বৈরাম সাহেব কৃপণতা করেন না।

    ফুপুজানের হাতের পাখা নড়তে লাগল—এবং বৈরাম সাহেবের জিহ্বা।

    তারই মাঝখানে ফুপুজান আর একবার বললেন : আহা বেচারি। বড় ভালো মেয়ে। তেরয় পা না দিতেই বিধবা হলো। এখনই-বা বয়স কত! সাধ-আহ্লাদ কিছুই পুরা হলো না। ওর জন্য বড় দুঃখ হয়।

    ছোট ফুপু তখনো বৈরাম সাহেবের চক্ষু কর্ণের পরিধির বাইরে যেতে পারেন নি। এবার দু’কানে হাত দিয়ে সম্ভ্রম বাঁচিয়ে যতটা দ্রুত সম্ভব সেখান থেকে পালালেন।

    বৈরাম সাহেব আরো একবার বললেন : বেশ বেশ।

    ব্যাপারখানা তাহলে এই? কিন্তু আরো একটুখানি বাকি আছে।

    সেদিন সন্ধ্যাবেলা ফুপুজান তাঁর পানের ডিবা হাতে নিয়ে ছোট ফুপার ঘরে এলেন। বাড়িতে ইলেকট্রিক লাইট আছে কিন্তু ছোট ফুপু কদাচ বিজলি বাতি ব্যবহার করেন। তাঁর অন্য বহু আচরণের মতো এটারও সঠিক কারণ আমি আজও জানি না। তাঁর ঘরে জ্বলন্ত হারিকেন লণ্ঠন। হারিকেনের চিমনিটি কিছুদিন হলো হাত থেকে পড়ে ভেঙে গেছে, নতুন চিমনি এখনো কেনা হয় নি। ফুপুজান খাটের ওপর বেশ জাঁকিয়ে তাঁর বসাটুকুতে অন্তরঙ্গতা ও কল্যাণকামনার এক সৌধ গড়ে তুললেন। ডিবা খুলে এক খিলি পান মুখে পুরে আর একটি ছোট ফুপুর দিকে এগিয়ে দিলেন। বললেন : আহা ময়না, তোমার মুখটি কেমন শুকিয়ে গেছে।

    ছোট ফুপু সে পান নিলেন না; কোনো কথাও বললেন না। কিন্তু সংলাপ যেখানে চলে না সেখানেও স্বগতোক্তি দিব্যি চলতে পারে। ছোট ফুপু বসে বসে শুনলেন, তাঁকে শুনতেই হলো : বৈরাম সাহেব পাবনার এক বিশিষ্ট ব্যক্তি। পাবনায় সাইকেলের দোকান, ঈশ্বরদীতে মুদির দোকান আর সিরাজগঞ্জে কেরোসিনের এজেন্সি আছে। কাপড়ের কলেও আছে শেয়ার। মোটের ওপর ফুপুজান কথার সিঁড়ি তৈরি করে বৈরাম সাহেবকে এতটা উচ্চে তুলে ধরলেন যেখানে মানুষের দৃষ্টি পৌঁছায় ঈর্ষার বর্ণে রঞ্জিত হয়ে। কিন্তু ছোট ফুপুর দৃষ্টি অতটা ঊর্ধ্বে কিছুতেই পৌঁছতে পারছে না লক্ষ্য করে ফুপুজান এক সময় হঠাৎ চুপ করলেন।

    —আচ্ছা। এবার উঠি। তা বাছা, হারিকেনের চিমনিটা বদলে নাও। যেভাবে আলোটা দপদপ করে দেখলে মনটা কেমন ঘাবড়ে যায়।

    এই বলে ফুপুজান তাঁর পানের ডিবা, কথার সুধা ও উপদেশের ঝুলিসমেত বিদায় নিলেন।

    ছোট ফুপু আঁধারে তেমনি চুপ করে বসে থাকলেন।

    তারপর আরো একটু বাকি আছে।

    রাত্রিবেলা ছোট ফুপু খাওয়াদাওয়ার পর খাটে শুয়ে আছেন। কামিল তখনো ফেরে নি। তার জন্য দরজা আছে খোলা। দরজার আড়ালে লণ্ঠনটা জ্বলছে।

    এমন সময় ঘরে এসে ঢুকলেন বৈরাম সাহেব। ছোট ফুপু ধড়মড় করে বিছানার ওপর উঠে বসলেন।

    –হেঁ হেঁ এই নতুন চিমনিটা নিয়ে এলাম।

    হাতে চিমনিটা ধরা আছে, চোখ দুটি ছোট ফুপুর ওপর।

    ছোট ফুপুর তো গলা কাঠ, মুখে একটি কথা নেই।

    বৈরাম সাহেব সেইভাবেই স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে আছেন, ওষ্ঠে বিগলিত হাস্য। একটু পর শুধু বললেন : বেশ বেশ।

    তারপর তাঁর নতুন কামিজটির একটি কোণ দিয়ে নতুন চিমনিটি লেগে গেলেন পরিষ্কার করতে।

    সেই মুহূর্তে ঘরে এলো কনিজ।

    –পোড়া কপাল আমার। এইখানে ছেঁড়িয়ে আপনি কি করছা গা। কুটুম মানুষ কুটুমের মতো-

    কনিজের কথা শেষ হতে পারল না। পিছন থেকে ফুপুজান এলেন ঝড়ের মতো ছুটে।

    —সব কথায় তোর সরদারি করবার দরকারটা কি রে! সর এখান থেকে। মেহমানের ইজ্জত রাখতে জানিস না।

    —ওমা। তুমি যে অবাক করলে। মেহমানের ইজ্জত করতে হবে মেয়েমানুষের ঘরে টেনে এনে!

    কনিজ তার তীক্ষ্ণ দৃষ্টি ফুপুজানের মাথা থেকে পা পর্যন্ত বুলিয়ে নিল—যেভাবে সে ঝাঁটা দিয়ে ঘর সাফ করে—তারপর বৈরাম সাহেবের পা থেকে মাথা পর্যন্ত।

    —আমি এই দাঁড়িয়ে থাকলাম। এখান থেকে এক পাও নড়ছি না। তোমাকে হাজার সালাম। ঢের ঢের দেখেছি বাবা কিন্তু তোমার জুড়ি দেখি নি।

    কনিজের দিকে ফুপুজান কঠোর দৃষ্টিতে তাকালেন; কিন্তু পরক্ষণেই তাঁর মেহমানসহ ঘর থেকে বেরিয়ে চলে গেলেন। বাড়িতে এই একমাত্র কনিজকেই তিনি একটু ডরাতেন।

    বৈরাম সাহেবের মুখেও এবার আর ‘বেশ বেশ’ শোনা গেল না।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleলাঞ্চ বক্স – রশীদ করীম
    Next Article উত্তম পুরুষ – রশীদ করীম

    Related Articles

    রশীদ করীম

    উত্তম পুরুষ – রশীদ করীম

    August 5, 2026
    রশীদ করীম

    লাঞ্চ বক্স – রশীদ করীম

    August 5, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    চতুষ্পাঠী – স্বপ্নময় চক্রবর্তী

    August 5, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    চতুষ্পাঠী – স্বপ্নময় চক্রবর্তী

    August 5, 2026
    Our Picks

    চতুষ্পাঠী – স্বপ্নময় চক্রবর্তী

    August 5, 2026

    উত্তম পুরুষ – রশীদ করীম

    August 5, 2026

    প্রসন্ন পাষাণ – রশীদ করীম

    August 5, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }