Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026

    শ্মশানকোকিলের ডাক – সৌভিক চক্রবর্তী

    May 1, 2026

    এসো না অসময়ে – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    প্রিয় পঁচিশ – অর্পিতা সরকার

    অর্পিতা সরকার এক পাতা গল্প407 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    রুমমেট – অর্পিতা সরকার

    রুমমেট

    তোর সাথে আমার প্রথম দেখা হয়েছিল, মেসের ওই ছোট্ট ঘরটাতে। আমি আসামের নেহাতই মফসসলের মেয়ে। মুখচোরা, লাজুক…এত কথা না বলে বরং তোদের ভাষায় আনস্মার্ট বললেই ভালো হয়। আমাদের মেস বাড়ির মালিক মানে গগন জ্যেঠু বললেন, দরাজ খোলামেলা ঘর, দক্ষিণ খোলা বারান্দা। আমি, তুই আর আমার বাবা মিলে গেলাম গগন পাত্রর খোলামেলা ঘর দেখতে, তুই ততক্ষণে প্রথম দর্শনের সংকোচ কাটিয়ে ফেলেছিস। সংকোচ! আদৌ কি তোর মধ্যে সেটা ছিল রিয়া? তিনটে বছর তোকে খুব কাছ থেকে দেখে যেটা বুঝেছি, সেটা হলো সংকোচের ধার পাশ দিয়েও তুই যাস না। সিঁড়ি দিয়ে ওঠার সময় তুই ফিসফিস করে বলেছিলিস, দুজন পাশাপাশি উঠতে পারবে না এমন সিঁড়ির মাথার ঘর কেমন খোলামেলা হয় সেটাই দেখার।

    বাসন্তীদেবী কলেজের আশপাশে চক্কর মেরেই এই মেস বাড়িটা খুঁজে পেয়েছিলাম আমি আর বাবা। এসে দেখি আমার মতই আরেক তীর্থের কাক বসে আছে ঘরের আশায়।

    তোর ধারণাই সত্যি হল রে, গগন জ্যেঠুর খোলামেলা ঘরে দুটো খাট পাশাপাশি রাখার পর যে কোনো একজনের পড়ার টেবিল রাখার জায়গা হবে। দুটো টেবিল ধরবে না। আমার বাপি আমার দিকে তাকিয়ে নেতিবাচক ঘাড় নাড়তেই আমি বুঝলাম বাপির পছন্দ হয়নি। তোরও দুই ভ্রুর মাঝে বিরক্তির চিহ্ন দেখেই বুঝলাম, অপছন্দের জিনিসকে জোর করে মানিয়ে নেওয়ার আপ্রাণ লড়াই চলছে মনের মধ্যে।

    তারপরই তুই বিজ্ঞের মতো বলে বসলি, ইলেকট্রিক বিল কি ঘর ভাড়ার মধ্যেই? এই ঘরের ভাড়া কিছুতেই হাজার টাকা হওয়া উচিত নয়। তবুও যদি ইলেকট্রিক বিল এই হাজারে হয় তবেই ভেবে দেখব।

    আমি আর বাপি মুগ্ধ হয়ে তোর সপ্রতিভ আচরণ দেখছিলাম। আমার মুখের ভ্যাবলা ভ্যাবলা চাহনি দেখেই তুই বোধহয় আমাকে ঠিক বিশ্বাস করতে পারিসনি, তাই বাপিকে জিজ্ঞেস করেছিলিস, হাজারের বেশি হওয়া উচিত আঙ্কেল আপনিই বলুন?

    বাপি তখন তোর স্মার্টনেস দেখে মুগ্ধ, সেটা বাপির মুখ দেখেই আমি বুঝতে পারছি।

    বাপি আমার দিকে তাকিয়ে বলেছিলো, কি রে তুই থাকতে পারবি? সেদিন তুই না থাকলে আমার উত্তর নিশ্চিত না হত, কিন্তু তোর কনফিডেন্স দেখেই আমিও ঘাড় নেড়ে বললাম, না থাকার কি আছে। আমরা তো বেশিরভাগ সময় কলেজেই থাকব।

    গগন জ্যেঠুও নিমপাতা গেলা মুখ করে তার ওই দুই চৌকি বসানো ফুটবল খেলার মাঠের মতো ঘরটাকে হাজার টাকাতেই ছেড়ে দিয়েছিলেন।

    এরপর তুই আমার দিকে তাকিয়ে বলেছিলিস, আমার বড্ড বাজে স্বভাব, আমি চেয়ার টেবিলে বসে পড়তে পারি না। আধ শোয়া হয়ে পড়ার জন্য মায়ের কাছে খুব পিট্টি খাই। তাই স্টাডি টেবিল তুই আনতে পারিস ওই ফাঁকা জায়গায়। আমি হাঁফ ছেড়ে বললাম, যাক তোমার সাথে আমার একটা অন্তত মিল পেলাম। তুই আমার দিকে তাকিয়ে মুচকি হেসে বললি, আমিও এই বছরই উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছি। আমি অবাক হয়ে বললাম, হ্যাঁ বুঝতে পেরেছি তো!

    তুই আবার বললি, আমিও ফার্স্ট ইয়ারে পড়ি।

    আমিও বুদ্ধুর মতো আবার রিপিট করলাম, সেটা বুঝেছি।

    এরপর তুই আমার কাঁধ দুটো ঝাঁকিয়ে বললি, আমি তোর ঠাকুমা?

    এতক্ষনে তোর কথার সূক্ষ্ম মানেটা ধরতে পেরে আমি বললাম, তুই কি কাল থেকেই থাকবি?

    তুই একমুখ হেসে বললি, দয়া করে তুই বলিস রে, নাহলে আমার পিতৃদেব আবার ভাববে বয়েস বেড়ে গেছে মেয়ের তাই বিয়ে দিয়ে দেওয়া উচিত।

    কে জানে কেন, আমার মতো নিজের মধ্যে নিজেকে গুটিয়ে রাখা মেয়েরও প্রথম দর্শনেই তোকে পছন্দ হয়ে গিয়েছিল। তোর ওই সপ্রতিভ আচরণ, আত্মবিশ্বাসী দুচোখ, মিশুকে স্বভাবের জন্যই বোধহয় খুব তাড়াতাড়ি কলেজে সকলে বলা বলি শুরু করেছিল, দেবলীনা আর উজ্জয়িনী সম্ভবত লেসবি। তোর ওই খটমট নামটা ছাড়াও একটা ডাকনাম আছে কিনা জানতে চাওয়ায় তুই বলেছিলি, আছে লীনা, আমার নিক নেম রিয়া।

    আমার নামকে পারমিশন ছাড়াই তুই ছোট করে নিয়ে ঘরোয়া করে নিয়েছিলিস, তখনও আমি অপেক্ষা করছিলাম, তোকে রিয়া বলে ডাকবার। ওই জন্যই তো তুই সবার প্রিয়, আর আমি কেবল প্রফেসরদের। জানিস রিয়া ডায়রী লেখার স্বভাবটা আমার আগে ছিল না রে। এই হঠাৎই আজ তোকে অনেক কিছু লিখতে ইচ্ছে হল বলেই নিয়ে বসলাম।

    তবে কি জানিস, আমাদের তিনবছরের সব অনুভূতিদের ডায়রি বন্দি করতে গেলে, একটা ডায়রি কম পড়ে যাবে।

    স্মৃতি কি কিছু কম আছে আমাদের। বিশেষ করে মিস উজ্জয়িনী যেখানে স্বয়ং বর্তমান সেখানে যে ঘটনার ঘনঘটা ঘটবেই তাতে আর আশ্চর্যের কী আছে।

    আমরা থাকতে শুরু করেছিলাম, গগন জ্যেঠুর ওই দরাজ ঘরে। যেখানে দেওয়ালে দড়ি টাঙিয়ে রাখা থাকত আমাদের রোজকার পরিধেয়। চৌকির নীচে থাকত মায়েদের সত্তর সালের বিয়ের ট্রাংক। তার মধ্যেই ভালো জামাকাপড়।

    আমার বাড়ি যেহেতু অনেকটা দূরে তাই আমি বড় ছুটি না পেলে যেতেই পারতাম না। তুই বহরমপুর যাওয়া কমিয়ে দিয়েছিলিস কেন সেটা তুই মুখে না বললেও আমি জানি। এই ভ্যাবলারাম রাতে ভূতের ভয় পায় বলেই হয়তো। আমি জানি, তুই একদিন গগন জ্যেঠুকে বলেছিলিস, আমি কয়েকদিনের জন্য বাড়ি যাচ্ছি, জেঠিমা কি লীনার কাছে রাতে শুতে পারবে? মেয়েটা আবার এক থাকতে বড় ভয় পায়। কে জানে কেন, সমবয়সি হয়েও তোকে আমার অভিভাবক মনে করতাম। বারবার মনে হত, সব সমস্যার সমাধান তুই।

    বারান্দার একপাশে ছিল আমাদের রান্নার ব্যবস্থা। আমাদের পুতুল পুতুল রান্না ঘর। আজও মনে আছে, আমার বানানো প্রথম রুটি খেয়ে তুই বলেছিলিস, হ্যাঁরে লীনা, তুই কি আমাকে সারমেয় গোত্রের ভেবেছিস?

    পড়াশোনায় ব্রিলিয়ান্ট হলেই যে সব কথা এন্টেনায় ধরা পড়বে এমন নয়। আমারও মাথার এন্টেনাটা কেবল একদিকে ঘোরানো ছিল, সেখানে কেবল কেমিস্ট্রির ইকুয়েশন কাজ করত। তোর ওইসব ভুল ভাল কথায় পাত্তা না দিয়েই রুটিতে কামড় মেরেছিলাম। একটুকরো রুটি বেশ কিছুক্ষণ চিবিয়ে যখন চোয়াল ব্যথা হয়ে গিয়েছিল, তখন বুঝেছিলাম, তুই কেন নিজেকে কুত্তা বলেছিলিস।

    তুই অমনই ছিলিস। ঝকঝকে, জড়তাহীন, প্রতিবাদী, মিশুকে…আরও অনেক কিছু। আমি বাংলার স্টুডেন্ট ছিলাম না, তাই এত সমার্থক শব্দ খুঁজে পাওয়া কঠিন।

    তোর ম্যাথস অনার্স ছিল। স্বাভাবিক ভাবেই তুই একটু অঙ্ক কষে চলতিস। তাই তো আমাকে বলেছিলিস, বুঝলি লীনা আমরা যদি সকাল বেলা এই রান্নাবান্না নিয়ে বসি তো নামী কলেজের সার্টিফিকেট না নিয়ে সেরা রাঁধুনির পুরস্কার নিয়ে কলকাতা থেকে ফিরতে হবে। এক কাজ করি, জ্যেঠুকে বলি, একটা রাঁধুনি দেখে দিতে। তুই দুশো আমি দুশো দিলেই হবে।

    তোর কথার বিরুদ্ধে কথা বলবো এত কনফিডেন্স হয়তো আজও নেই। আমি সিদ্ধান্তে রাজি হয়ে পরের দিনই বাপিকে ফোন করলাম মোড়ের মাথার বুথ থেকে, বাপিও তোর কথায় একদম রাজি। দুশো টাকা বেশি আসতে শুরু করল পরের মাস থেকে। আমাদের রাঁধুনির বয়েস আবার আমাদের থেকে একটু কমই হবে। তাই তুই বাথরুমে গেলে কনক তোর নেলপলিশ পরে নিত এলোমেলো করে। তুই একদিন হেসে বলেছিলিস, কনক তুই কি জানিস নেলপলিশ পরলে মনখারাপ ভালো হয়ে যায়, তুই আমার নেলপলিশ থেকে রোজ নেলপলিশ পরবি। আমি অবাক হয়ে দেখছিলাম তোকে। কি সুন্দর করে ওর ওই ছোট্ট চুরিটাকেও তুই আটকে ছিলিস। আমি তোকে রিয়া বলে ডাকলেও উজ্জয়িনী নামেই তোকে মানাত বেশি। তোর চরিত্রের সাথে বেশ একটা গাম্ভীর্যপূর্ণ নাম থাকবে তবেই না। আমাকে ইভটিজিং করা ছেলেগুলোকে একদিন তুই রাস্তায় দাঁড় করিয়ে প্যান্টের চেন খুলতে বলেছিলিস। বলেছিলিস, আগে নিজেদের দৌড়টা দেখা, তারপর আমার ফ্রেন্ডের ব্রায়ের সাইজ জানবি। লজ্জায় আধমরা হয়ে গিয়েছিলাম আমি। পরেরদিন থেকে ওড়নাটাকে চাদরের মতো জড়িয়ে বেরোচ্ছিলাম দেখে তুই বললি, এভাবে আমাকে ইনসাল্ট না করলেও পারতিস লীনা। আমি ঘাবড়ে গিয়ে বললাম, কী করেছি রে?

    তুই বিরক্ত মুখে ভ্রু কুঁচকে বলেছিলিস, ওই ছেলেগুলো আজ তোকে দেখে ভাববে ওদের ওই নোংরা কথায় বিশাল কাজ হয়েছে। একমুহূর্তও না দাঁড়িয়ে, আমার জন্য অপেক্ষা না করেই তুই চলে গিয়েছিলিস কলেজের দিকে। আমিও ওড়নাটা যে ভাবে রোজ নিতাম সেভাবেই নিয়ে বেরিয়েছিলাম। অদ্ভুত একটা ঘটনা ঘটেছিল জানিস, তোকে আজও বলা হয়নি। ওই রকে বসা ছেলেগুলো আমাকে দেখেই অন্য দিকে তাকিয়েছিল। একটা টুঁ শব্দ করেনি আর। ওদের সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় আমার মনে মনে গর্ব হচ্ছিল, তুই আমার বন্ধু বলে।

    রিয়া জানি আজও হয়তো তুই আমাকে ক্ষমা করতে পারিস না। তবে আমার ভুলটা ভেঙেছে মাত্র দিন দুই আগে।

    ফেসবুকের একটা ছবি দেখে।

    অনেক খুঁজেছি তোকে। অর্কুট, গুগুল একাউন্ট কোথাও পাইনি।

    উজ্জয়িনী মিত্র খুঁজে খুঁজে আমার ফার্স্ট সার্চ অপশন ওটাই হয়ে গিয়েছিল। পাই নি রে। সেই বৃষ্টি ভেজা সন্ধের পর আমার চোখের অনেক নোনতা জলের বন্যা বয়ে গেছে, যেটার খবর তুই জানতিস না রিয়া।

    আমাদের টিউশনেই পরিচয় হয়েছিল শুভদীপের সাথে। প্রথম দিন দেখেই আমি শুভদীপের প্রেমে পড়েছিলাম। প্রেমে যে পড়েছিলাম সেটা অবশ্য বুঝেছিলাম বেশ পরে। প্রথম প্রথম তো শুধুই ভালো বন্ধু ভাবতাম। গ্রুপ স্টাডি করার সময়ও শুভদীপ আমার গ্রুপেই পড়ত। কেন জানিনা ওর সাথেই আমার ওয়েভলেন্থ ম্যাচ করল সব থেকে বেশি। তারপর থেকে তোর আর আমার কথার মাঝে শুভদীপের হানাদারি শুরু হল। কথায় কথায় আমি বলে ফেলতাম ওর নাম। তুই চোখ ছোট করে বলতিস, বাচ্চাটাকে তো একদিন দেখতে হচ্ছে। তখন আমাদের পার্ট ওয়ান পরীক্ষার মারাত্মক চাপ। দুজনেই দারুণ রেজাল্ট করবার সংকল্প নিয়েই বাড়ি ছেড়ে এই অচেনা পরিবেশে আছি। তাই মাঝ রাত পর্যন্ত আমাদের ঘরে লাইট জ্বলত। গগন জ্যেঠু বলেছিলেন, পরের মাস থেকে ইলেকট্রিক বিল বাড়বে।

    তুই ভেংচি কেটে বলেছিলিস, বাথরুমে জল ঢাললে নিজের দিকেই ফিরে আসে, তার জন্য আগে ফাইন দিন, তারপর ইলেকট্রিক বিল বাড়াবেন। গগন জ্যেঠু বিড়বিড় করতে করতে পালিয়ে বেঁচে ছিলেন।

    আমি আর তুই জড়িয়ে ধরে খুব একচোট হেসে ছিলাম। তোর সাদা খাতায় তখন শুধুই সংখ্যার বাধ্যতা। আমার চোখে কেমিস্ট্রির অবাধ্য ফর্মুলা। অবশেষে পরীক্ষা শেষ হল আমাদের। কয়েকদিনের নিঃশ্বাস ফেলার ফুরসতেই তোর সাথে পরিচয় হয়েছিল শুভদীপের। আমরা তিনজনে ভিক্টরিয়ার সামনে আড্ডা দিয়েছিলাম। শুভদীপ বলেছিল, লোকে ভাববে আমি দুজন মেয়ের সাথেই প্রেম করছি। আমার মনে সেই প্রথম আশা জেগেছিল, যে শুভদীপ হয়তো আমাকে ভালোবাসে। তাই এমন একটা কথা বলেছিল। মুশকিলটা হয়েছিল বেশ কয়েকদিন পরে। যখন তোর প্ররোচনায় আমি শুভদীপকে প্রোপোজটা করে ফেললাম। তুই বললি, বুঝলি লীনা, শুভদীপও তোর মতোই বাঁকা এন্টেনার পাবলিক। এ আরও ক্যাবলা, জীবনে কোনোদিন প্রোপজ করবে না। তার থেকে বরং বেহাত হবার আগে তুইই প্রোপোজ করে দে। তুই ছিলিস আমার গডমাদার, তাই তোর কথা মতো টিউশনি শেষে একসাথে ফেরার সময় আমতা আমতা করে বলেই দিলাম শুভদীপকে। শুভদীপ একটু ঘাবড়ে গিয়ে বোকা বোকা তাকিয়ে বলল, কিন্তু দেবলীনা আমি তো তোকে খুব ভালো বন্ধু ভাবি রে। এর বেশি কিছু নয়। আমি তোকে কখনো প্রেমিকা হিসাবে ভাবিনি। আসলে আমার মনে আমার প্রেমিকা সম্পর্কে একটা চেহারা আঁকা হয়ে গেছে, যার সাথে তোর মিল নেই রে দেবলীনা। আমার পা কাঁপছিল, হাত ঘামছিল। লজ্জায় আর অপমানে গলা শুকিয়ে কাঠ হয়ে গিয়েছিল। না, শুভদীপ অপমান করেনি। শুধু বুঝিয়ে বলেছিল। আমি রাগে গড়গড় করতে করতে দাঁত চেপে বলেছিলাম, তোর পছন্দের প্রেমিকার অবয়বটা জানতে পারি?

    ও ভাবুক মুখে একটু চিন্তা করে বলেছিল, যেমন ধর উজ্জয়িনী, অনেকটা ওর মতন। সাহসি, ঝকঝকে, মেয়েলি ন্যাকামো বিহীন একজন হবে। আমি প্রায় ছুটতে ছুটতে বাসে উঠেছিলাম। পরের সপ্তাহে পড়তে গিয়ে শুভদীপের সাথে কথা বলিনি। ও বলতে এসেছিল, আমি সাড়া দিই নি। ও বলতে এসেছিল, আমরা যেমন বন্ধু ছিলাম তেমনই থাকি। আমি কোনো কথা না বলে চলে এসেছিলাম। আমাদের বন্ধুত্বের মৃত্যু ঘটেছিল স্যারের বাড়ির সামনেই।

    তুইও রোজ রাতেই জিজ্ঞেস করেছিলিস, হ্যাঁরে, শুভদীপকে প্রোপোজ করতে পারলি, নাকি গলা কেঁপে টয়লেট করে বাড়ি চলে এলি। আমি বলেছিলাম, ওসব ছাড়। সামনেই ফাইনাল ইয়ার, পড়ায় মন দে। তুই তোর স্বভাব সুলভ ঢঙে বলেছিলি, চাপ নিস না, শুভদীপ তোকে বিয়ে না করলে আমি তো আছি রে। আমি রুটি করব তুই খাবি। তোর ওই সামান্য সামান্য মজাগুলোতেই আমার আরও রাগ হচ্ছিল। মনে হচ্ছিল তুই সবটা জেনেও ইচ্ছা করে এমন করছিস। হয়তো শুভদীপ তোকে সবটা বলেছে। আমি একটু বেশিই চুপচাপ হয়ে গিয়েছিলাম। খাবার পাতে তোর ডিম ভাজা থেকে কোনা কেটে নিলাম না দেখেই সেদিন তুই বলে বসলি, তুই বদলে যাচ্ছিস লীনা। আমিও সেই প্রথম বার তোকে বললাম, কেন রে, তুই একাই স্মার্ট হতে পারিস, তোর একারই আত্মসম্মান থাকতে পারে, আমার কিছু না! তুই আমার কথার ধারে চমকে গিয়েই হয়তো খাবার থালায় মন দিয়েছিলিস। তারপর থেকেই তোর আর আমার মধ্যে একটা দূরত্ব তৈরি হয়ে গেলো। এতটাই সুক্ষ সে ব্যবধান যে সামনে দেখে কেউ বুঝতেই পারবে না। শুধু এখন আমি কলেজ যাওয়ার সময় আমাদের কমন দড়ি থেকে তোর ওড়না টেনে নিয়ে চলে যাই না, তুইও আমার ব্যাকক্লিপ মাথায় লাগিয়ে বেরিয়ে যাস না। তোর আর আমার মাঝের এই ফাটলটা আর কেউ না দেখতে পেলেও ওই ফাটলে দুজনেরই রক্ত ক্ষরণ হচ্ছিল, সেটা আমাদের মন ঠিকই বুঝতে পারছিল। তারপর সেই বৃষ্টিভেজা সন্ধেতে তোদের একসাথে দেখে আমাদের সম্পর্কের কফিনে শেষ পেরেকটা পুঁতে দিয়েছিলাম আমি।

    তুই বলেছিলিস তোদের টিউশন স্যার এক্সট্রা ক্লাস নেবেন পরীক্ষার সামনে। তাই ফিরতে সন্ধে হবে।

    আমি ঘরে পড়ছিলাম, একা একা। সামনে পরীক্ষা তাই জীবন মরণ সংশয়। পার্ট ওয়ানের পরীক্ষায় যেহেতু আমার দুর্দান্ত রেজাল্ট হয়েছিলো, তাই প্রফেসররাও আমার ওপরে ভরসা করেন। সেই কারণেই হয়তো অথবা শুভদীপকে টেক্কা দেবার লোভেই দিনরাত এক করে পড়ে চলেছি। পড়তে পড়তেই ক্ষিদেটা অনুভব করেছিলাম। না, বিস্কুট, মুড়ির ক্ষিদে নয়। একটু মুখরোচক কিছুর ক্ষিদে। ঘরে পরা চুড়িদার পরেই ছাতা নিয়ে বেরিয়ে পড়েছিলাম সামনের নটরাজ রেস্টুরেন্টের উদ্দেশ্যে। মিশন মটন চাউ। ভেবেছিলাম বেশি করে কিনে আনব, তোরও খুব পছন্দ ছিল ওটা। টিউশন থেকে ফিরে ঘরে ঢুকেই তুই বলতিস, কি রে তোর স্টকে কি কিছু আছে, তাহলে ছুঁচোর মুখে একটু দিতাম। বলতে বলতেই আমার বিস্কুটের কৌটো থেকে বেকারির বিস্কুটে কামড় মেরে বলতিস, উফ! কি ক্ষিদে পেয়েছিল রে। ভাগ্যিস তুই ছিলিস। তোর সব ছেলে মানুষীগুলো মিস করছিলাম। তাই চেষ্টা করছিলাম আবার যদি ওই সুতোটাকে শক্ত করে বেঁধে নেওয়া যায়, যেটা ছিঁড়ে গিয়েছিল কদিন আগেই। আবার যদি আমাদের বন্ধুত্বের তানপুরার তারগুলো সঠিক সুরে বাজে তাহলে বোধহয় আমরা দুজনেই হাঁফ ছেড়ে বাঁচি। মেস বাড়ি থেকে বেরোতেই বড় রাস্তায় ওঠার আগে যে কফি শপটা আছে তার কাচের জানালা দিয়ে দেখেছিলাম, তুই হাসি মুখে একটা ছেলের সাথে কথা বলছিস। হাতে নাতে ধরব বলেই এগিয়েছিলাম। আমাকে না জানিয়ে প্রেম করা, মনে কিন্তু বেশ আনন্দ ছিল বিশ্বাস কর, তোর মতো ডাকাত মেয়ে প্রেমে পড়েছে জেনে। কিন্তু কাঁচের দরজা ঠেলে ভিতরে ঢোকার আগেই দেখলাম তোর প্রেমিকের মুখটা। হাত থেকে পার্সটা পড়ে গেল মাটিতে। শুভদীপের এই স্কাইব্লু স্ট্রাইপ শার্টটা আমার ভীষণ পছন্দের ছিল। ক্ষিদেটা মরে গিয়েছিল, বরং গলার কাছে একটা বমি বমি ভাব নিয়ে ঘরে ফিরে এসেছিলাম।

    তুই ঢুকলি আধঘণ্টা পড়েই।

    কবিরাজি কাটলেটের প্যাকেটটা আমার হাতে দিয়ে বললি, গরম থাকতে থাকতে খেয়ে নে।

    আর শোন, শুভদীপ তোর যোগ্য নয়। ওর দিকে আর ঘুরেও তাকাবি না বুঝলি। আমি আগ্নেয়গিরির মতো ব্লাস্ট করলাম। কেন রে রিয়া, ও বুঝি তোর যোগ্য?

    উজ্জয়িনী মিত্র, মুখোশের আড়ালের মুখটা আজ বেশ পরিষ্কার আমার কাছে। কেন রে কলকাতা শহরে ছেলের বুঝি অভাব ছিল! নাকি তোর ছলাকলায় আর কেউ ঘায়েল হল না? কাটলেটের প্যাকেটটা ছুঁড়ে মারলাম তোর মুখে। তারপর বালিশে মুখ গুঁজে সারারাত কেঁদে ছিলাম। ভোর রাতে হয়তো ঘুমিয়ে পড়েছিলাম একটু।

    সকালে ঘুম ভেঙে দেখলাম, তুই স্থির চোখে তাকিয়ে আছিস আমার দিকে।

    আমি দেখলাম, আমার সবচেয়ে কাছের মানুষটার বেইমানি, নির্লজ্জতা। ভিতরে ভিতরে ভেঙে গুঁড়িয়ে গেলেও বাইরে তার প্রকাশ করিনি আমরা কেউই। শুধু সেদিন থেকে লীনা আর রিয়া নামটা ধরে ডাকাডাকি শুনতে পায়নি গগন জ্যেঠু।

    ফাইনাল এক্সাম শেষ হল, লাগেজ গুছিয়ে বেরিয়ে আসার সময় আমি বলেছিলাম, বিয়েতে নিমন্ত্রণ করিস উজ্জয়িনী। তুই আর শুভদীপ সুখে থাকিস। তোর ঠোঁটের ব্যাঙ্গের হাসিটা দেখে নিজেকে খুব ছোট মনে হচ্ছিলো সেদিন। মনে হচ্ছিলো, শুভদীপকে জিতে নেবার অহংকার তোর চোখের দৃষ্টিতে।

    কেটে গেছে অনেক বছর। আমি এখন একটা স্কুলের কেমিস্ট্রির টিচার। একসন্তানের মা। আমার ছেলের বয়েস দু-বছর। আমার স্বামী রেলের বড় অফিসার। সুখী দাম্পত্য জীবন আমাদের। শুভদীপ হারিয়ে গেছে ভাবনা থেকে সেই কবেই। এম এসসি করার সময়েই আলাপ হয়েছিলো অনির্বাণের সাথে, তারপরে দুজনেই জব পেয়ে বিয়ে করি। জানিস লীনা, আজও মোচার চপ খেতে গেলে মনে পড়ে তোর কথা। তুই বলতিস, ভাগ্যিস লোকে কলা পর্যন্ত অপেক্ষা করেনা, তাই তো এমন সুস্বাদু জিনিস খাওয়া যায়। আসলে তোর উপস্থিতিটাই ছিল ভীষন জমকালো। যার সাথে তুই দুদিনও কাটাবি সেই তোকে ভুলতে পারবে না, আর আমরা তো পাক্কা তিন বছর কাটিয়েছিলাম। তোকে ভোলা কি সহজ রে।

    সপ্তাহ খানেক আগে শুভদীপ ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠিয়েছিল। বুকের ভিতরটা তোলপাড় করে উঠেছিল। এই ছেলেটার জন্যই আমাদের বন্ধুত্বের মৃত্যু ঘটেছিল। না, শুভদীপের দোষ নেই, দোষী তো আমি রে। আমিই হিংসায় অন্ধ হয়ে গিয়েছিলাম। সেটাই তো স্বাভাবিক, উজ্জয়িনী আর দেবলীনা পাশাপাশি থাকলে যে কোনো মানুষের চোখ দেবলীনাকে অতিক্রম করে উজ্জয়িনীতে গিয়েই স্থির হবে। শুভদীপের দোষ নেই রে, ভেবেই ওর রিকোয়েস্টটা নিয়েছিলাম। চমকে গিয়েছিলাম ওর পাশে ওর বউ হিসেবে তোকে না দেখে। তারমানে তোদের ব্রেকআপ হয়ে গিয়েছিল সেই ভেবেই মেসেঞ্জারে লিখেছিলাম, তুমি উজ্জয়িনীকে বিয়ে করো নি?

    শুভদীপ দুটো স্মাইলি পাঠিয়ে বলেছিল, কি ইয়ার্কি করছিস দেবলীনা? উজ্জয়িনীর সাথে আমার প্রেম ছিল কবে যে বিয়ে করব?

    আমার দু-চোখের অবাধ্য নোনতা জলের ধারাকে সম্বরণ করেই লিখেছিলাম, আমি যে তোকে আর ওকে ওই কফি শপে দেখেছিলাম সেই সন্ধেতে।

    বেশ কিছুক্ষণ নীরব থেকে ও বলেছিল, সেদিন তো আমি উজ্জয়িনীকে প্রোপোজ করেছিলাম। কিন্তু ও পরিষ্কার বলে দিয়েছিল, তুমি যাকে ভালোবাসো তাকে ও বোনের লাভার হিসাবে দেখতে রাজি, অন্য কিছু নয়।

    বিশ্বাস কর রিয়া, সেই মুহূর্ত থেকে বুকের ভিতরের রক্তক্ষরণটা হয়েই চলেছে। আমি এত কাছে থেকেও চিনতে পারলাম না তোকে। তোর মনের অভিমানের পাহাড়টা ডিঙানোর চেষ্টাও করলাম না একবারও। কোথায় হারিয়ে গেলি উজ্জয়িনী, একবার সুযোগ দে, নিজের দিকে চোখ তুলে তাকাতে পারছি না রে। প্লিজ, রিয়া একবার, মাত্র একবার ধরা দে আমার কাছে। আবার তোর গলা জড়িয়ে ধরে কাঁদতে দে আমাকে। দেখিস তোর অভিমানের পাহাড় ডিঙিয়ে আমরা আবার পৌঁছে যাব মেস বাড়ির সেই অগোছালো ঘরটাতে, যেখানে তুই পেত্নী সেজে আমাকে বলতিস আমি মরে গেলেও তোর ঘাড়ে চাপব, তোকে কিছুতেই ছাড়ব না। ফিরে আয় রিয়া, একবার ফিরে আয়।

    ডায়রির পাতার অক্ষরগুলো ধেবড়ে যাচ্ছে ফোঁটা ফোঁটা জলে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআদিবাসী লোককথা : ১ম খণ্ড – দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    Next Article মন আয়নায় মেঘ – অর্পিতা সরকার

    Related Articles

    অর্পিতা সরকার

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    অর্পিতা সরকার

    এসো না অসময়ে – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    অর্পিতা সরকার

    মন আয়নায় মেঘ – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Our Picks

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026

    শ্মশানকোকিলের ডাক – সৌভিক চক্রবর্তী

    May 1, 2026

    এসো না অসময়ে – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }