Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026

    শ্মশানকোকিলের ডাক – সৌভিক চক্রবর্তী

    May 1, 2026

    এসো না অসময়ে – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    প্রিয় পঁচিশ – অর্পিতা সরকার

    অর্পিতা সরকার এক পাতা গল্প407 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অলক্ষ্মী – অর্পিতা সরকার

    অলক্ষ্মী

    মা আজ পাড়ায় কে আসছে জানো ফাংশন করতে? সিঙ্গার নীলাদ্রি রায়। উফ মা, এটা আমার কতদিনের স্বপ্ন ছিল জানো? একবার অন্তত নীলাদ্রির সামনে দাঁড়াব, একটা অটোগ্রাফ …চোখে মুখে উত্তেজনায় লালচে রং ধরেছে সমাপ্তির। আলমারির সামনে দাঁড়িয়ে খুঁজছে একটা হলুদ রঙের চুড়িদার। নীলাদ্রি রায়ের সাক্ষাৎকারে দেখেছে, ওনার পছন্দের রং হলুদ। তাই সমাপ্তি আজ হলুদ পরবে।

    দিদিভাইকে ফোন করে বলেছিল, আজ আসতে। কিন্তু দিদিভাইটা যেন কেমন একটা হয়ে গেছে বিয়ে হয়ে! সংসারী টাইপ। বলল…না রে, তোর জামাইবাবু রাগ করবে, লক্ষ্মী পুজোর আগের দিন নিজের সংসার ছেড়ে যেতে নেই, ইত্যাদি প্রভৃতির ভিড়ে দিদিভাইটা হারিয়ে গেছে যেন।

    ধুর, না আসুক দিদিভাই, সমাপ্তি আর রিতিকা দুজনেই কাফি। ওরা দুজনেই নীলাদ্রির মারাত্মক ফ্যান। দুই বন্ধু যেদিন থেকে পাড়ায় ওই পোস্টারটা দেখেছে, সেদিন থেকেই মারাত্মক এক্সাইটেড। রিতিকা অলরেডি মেসেজ করেছে, ও হলুদ কুর্তি পরবে।

    মা তিলের নাড়ু পাকাতে পাকাতেই বলল, কে নীলাদ্রি রায়?

    মুখে চূড়ান্ত বিরক্তি ফুটিয়ে সমাপ্তি বলল, মা প্লিজ। ভুলেও কখনো জিজ্ঞেস কোরো না, কে নীলাদ্রি? ওর নাম জানে না এমন পাবলিক কমই আছে এখন। ছেলেটা জাস্ট মাল্টি ট্যালেন্টেড বুঝলে?

    বয়েস আমাদের মতোই, মেডিকেল পড়ছে, সঙ্গে দারুণ গান গায়। জাস্ট রকস আমরা তো পাগল ওর গান শুনে। আর মা ওর রেজাল্টও দারুণ। ওর বাবাও নামকরা গায়ক নীলেশ রায়। তবে ওর বাবা আধুনিক গাইলেও, ছেলে বাবাকে ছাপিয়ে গেছে পপুলারিটিতে। তুমি বুঝবে না। সারাজীবন তো এই নাড়ু, মুড়কি নিয়েই কাটিয়ে দিলে। জীবনে কার নাম তুমি জানো!

    বাবার হুকুম তামিল করা জড় পদার্থ যেন! আমার ভাবতেই অবাক লাগে মা, তুমি কলেজ পাস করা শিক্ষিত একটা মেয়ে। দিদিভাইটাও হয়েছে তোমার মত। লক্ষ্মীপুজোর দিনে নিজের সংসার ছেড়ে নাকি যেতে নেই। আরে, জীবনের বাইশ-তেইশটা বছর যে সংসারে কাটাল, সেই বাড়িটা এখন পর হয়ে গেল। মাত্র তিনবছর বিয়ে হয়ে ওই বাড়িটাই নাকি ওর আপন হয়ে গেল।

    অদ্ভুত আজব সব যুক্তি।

    বাবা খবরের কাগজটা হাত থেকে সরিয়ে বলল, শোনো সমু, মেয়েদের বেশি স্বাধীনতা ভালো নয়। তাতে সংসার উচ্ছন্নে যায়। অলক্ষ্মীর মতো কথা বলো না। তুমিও তোমার মায়ের কাছ থেকে হাতের কাজ শিখে নাও। এসব ফাংশন, উড়ে বেড়ানো বাদ দাও।

    কলেজ পাশ করলেই আমি বিয়ে দিয়ে দেব তোমার।

    সমাপ্তি বরাবরই একটু ডাকাবুকো। বেশ জেদি গলায় বলল, আমায় দিদি পাওনি বাবা। আমি বিয়ে করব আমার নিজের ইচ্ছেয়। তোমার কথা বলা পুতুলকে এসব শাসন করো, আমায় করতে এলে বাড়ি ছেড়ে বেরিয়ে যাব। ওই যে তোমার কথা বলা পুতুল গরম গুড়ে তিল ফেলে হাত লাল করে নাড়ু পাকাতে ব্যস্ত।

    মা চোখ তুলে বলল, আঃ, সমু, বাবার মুখের ওপর এমন করে বলতে নেই।

    শোনো মা, তোমার পতি পরমেশ্বরকে বলে দিও, আমি পড়াশোনা কমপ্লিট করে, জব পেয়ে তবে বিয়ে করব।

    বাবা গজগজ করতে করতেই বলল, অনুরাধা, তোমায় তো প্রতি বছর একই কথা বলি, আমি তিলের নাড়ু পছন্দ করি না। চিনির নাড়ুই আমি ভালোবাসি। কেন যে বছর বছর এই তিলের নাড়ু বানাও, কে জানে! বিয়ের পর থেকে আজ পর্যন্ত বোঝাতে পারলাম না, তিলের নাড়ু আমার নাপসন্দ।

    আর তোমার আদরের মেয়েকে বলে দিও, তার এসব বেলেল্লাপনা এ বাড়িতে বসে চলবে না। এটা উমেশ দেবনাথের বাড়ি, তাই তার নিয়ম এখানে চলবে।

    সমাপ্তি গুনগুন করে গান গাইতে গাইতে বাথরুমের দিকে যাচ্ছিল, তাচ্ছিল্যের হাসি হেসে বলল, থানায় পাঠিয়ে দেব। বাবা বলে রেয়াত করব না। আমি অনুরাধা নয়, যে তুমি মাঝরাতে ঘুম থেকে তুলে চা করতে বললেও করে দেবে। তোমার রেলের অফিসার কলিগরাও সেদিন বাঁচাতে পারবে না। মনে রেখো আমার ইচ্ছের বিরুদ্ধে বিয়ে দেবার কথা কল্পনাও করো না।

    আবার গানের কলিতে সুর দিতে দিতেই হালকা পায়ে এগিয়ে গেল সমাপ্তি।

    উমেশ আগুনঝরা চোখে বলল, মেয়েটাকে এই মানুষ করেছ? বাবার মুখের ওপর এত কথা বলে কী করে?

    উমেশ জানে অনুরাধা নিশ্চুপ। প্রায় উনত্রিশ বছরের সংসার জীবনে অনুরাধা ঠিক কটা কথা বলেছে হাতে গুনে বলে দিতে পারবে উমেশ। উমেশের যত্ন আত্তির ত্রুটি করেনি। বিছানায় উমেশ যেভাবে বলেছে সেভাবে ওকে সুখ দেওয়ার চেষ্টা করেছে। ওর দুটো সন্তানের মা হয়েছে। বড় মেয়ের বয়েস প্রায় ছাব্বিশ বছর, তার বিয়ে হয়ে গেল, অনুরাধা মা থেকে শাশুড়ি হয়ে গেল তবুও কখনো নিজের ইচ্ছের কথা মুখ ফুটে বলল না। পুজোয় উমেশ যে রঙের শাড়ি এনে দিয়েছে সেই রঙের শাড়ি পরেছে। কখনো বলেনি এটা পছন্দ নয়। বিয়ের পরের দিন থেকে উমেশের মনে হয়েছে, একটা হুকুম তামিল করা কাজের লোক বাড়িতে নিয়ে এসেছে। কখনো এই মানুষটা মুখ ফুটে বলতেই পারেনি, আমার কষ্ট হচ্ছে, আমার দুঃখ হচ্ছে। শুধুই হাত পা সচল একটা পুতুল যেন। উমেশের অবশ্য এমন মেয়েই পছন্দ ছিল। বেশি স্বাধীনচেতা, প্রতিবাদী মেয়ে ওর দুচোখের বিষ। সেই হিসাবে পায়ে পায়ে চলা, বাধ্য অনুরাধাকে ওর মন্দ লাগেনি। ও যাই বলুক অনুরাধা ঘাড় নেড়ে সমর্থন করেছে। বড় মেয়েটাও কিছুটা মায়ের মতো ছিল। বাপকে সম্মান করত। কিন্তু ছোট মেয়েটা বড্ড দামাল স্বভাবের, একগুঁয়ে টাইপের। তাই উমেশ সমুকে মোটেই পছন্দ করে না।

    আরেকবার জোর গলায় বলল, অনু তুমি কি মেয়েটাকে শাসন করবে, না করবে না? অনুরাধা একটা প্লেটে দুটো দুধ সাদা নাড়ু এনে বলল, চিনির নাড়ু, আগেই করেছি। ঠাকুরের জন্য তুলে রেখেছি, তুমি খাও।

    উমেশ নাড়ুর প্লেটটা হাতে নিতে নিতে বিরক্ত মুখে বলল, কী ধাতু দিয়ে যে তৈরি তুমি!

    তাপ উত্তাপও নেই। মনে হয় যেন আধমরা মানুষের সাথে কাটিয়ে দিলাম সময়টা। সাদা গোল এলাচের গন্ধ মেশানো নারকেল নাড়ুটা মুখে দিতেই ভ্রুর কোঁচকানো ভাবটা চলে গেল উমেশের। নিজের ঘরের দিকে পা বাড়াল ও। যেতে যেতেই বলল, খাবার দাও, অফিস বেরোবো।

    সমাপ্তি ভিজে গায়ে বাথরুম থেকে বেরিয়েই মায়ের দিকে কটাক্ষ করে বলল, মা মাঝে মাঝে নিজের গায়ে চিমটি কেটে দেখো, তুমি জীবিত তো? বিশ্বাস করো মা, আমি শুধু অবাক হয়ে ভাবি এই মানুষটাকে তুমি দিনের পর দিন সহ্য কর কি করে! স্বার্থপর একটা মানুষ।

    তুমি জানো ওই বাবা নামক মানুষটা মহিলাদের জাস্ট মেয়েছেলে ভাবে। তাদের ইচ্ছে, অনিচ্ছে থাকতে পারে… এটাও জানে না ওই মানুষটা। এর পিছনে মূল কারণ কিন্তু তুমি, তোমার এই অত্যন্ত নিরীহ নির্বিবাদী স্বভাবের জন্যই আজকের যুগে দাঁড়িয়ে বাবা মেয়েদের স্বাবলম্বী ভাবতেই পারে না। প্লিজ মা, বয়েস তো অনেক হল। চুলে পাক ধরল, চোখের নিচে হাঁসের পা থাবা বসাল, এবারে অন্তত নিজের পছন্দটুকু বলতে শেখ! বুঝলাম তুমি খুব শান্ত স্বভাবের মানুষ, কিন্তু তাই বলে এতটা ভালোমানুষও ভালো নয়।

    মেয়ের মাথায় আলতো করে হাত বুলিয়ে অনুরাধা বলল, তিলের নাড়ু খাবি?

    সমাপ্তি বিরক্ত হয়ে বলল, না, আমি কিছু খাব না।

    আজ সমাপ্তির জেদ চেপে গেছে। মা নামক এই প্রস্তর প্রতিমার ঘুম ভাঙাতেই হবে। আর বাবাকে একটা সজোরে আঘাত দিতে হবে।

    অনেকক্ষণ ধরেই প্ল্যান ভাঁজছিল ও।

    আচমকাই মা এসে বলল, হ্যাঁ রে পাড়ার প্রোগ্রামটা আজ কেন হবে?

    সমাপ্তি উচ্ছসিত হয়ে বলল, বিজয়া সম্মেলনী মা। যাবে দেখতে নীলাদ্রির গান?

    মা উদাস চোখে বলল, আমি তো গান শুনি না রে।

    নিজের মোবাইলের বড় স্ক্রিনে নীলাদ্রির ছবিটা দেখিয়ে বলল, মা দেখো, এই হচ্ছে নীলাদ্রি। দারুণ হ্যান্ডু বল? নীলেশ রায়ের ছেলে বলে অহংকারও বেশি। নামকরা বাবার ছেলে তো!

    মা ফোনটার দিকে বেশ কিছুক্ষণ তাকিয়ে থেকে বলল, কখন অনুষ্ঠান?

    সমাপ্তির ফাঁদে একটু একটু করে পা দিচ্ছে মা। যে মানুষটা পৃথিবীর সব ব্যাপারে চূড়ান্ত উদাসীন তাকে পর্যন্ত নীলাদ্রি রায় একটু হলেও নাড়া দিতে পেরেছে তাহলে!

    মায়ের গলা জড়িয়ে ধরে বলল, যাবে মা? তোমার দারুণ লাগবে।

    মা হালকা হেসে বলল, সন্ধেবেলা তোর বাবা ফিরে জলখাবার পাবে না যে?

    সমাপ্তি একমুখ হেসে বলল, তুমি বাবার পরোটা বানিয়ে টেবিলে চাপা দিয়ে রাখবে। আর আমি বাবার ফোনে মেসেজ করে দেব, ব্যাস মিটে গেল। পাশের ফ্ল্যাটের কাকিমার কাছে চাবিটা রেখে যাব।

    মা ঘাড় নেড়ে বলল, তাহলে যাব।

    এই তো, জীবনে প্রথমবার বাবার পারমিশন ছাড়া মাকে বাড়ি থেকে বের করতে পারবে ও। বাবার প্রথম ঝটকা লাগবে। আর যখন শুনবে মা বাবার অনুমতি ছাড়াই ফাংশন শুনতে গেছে, তখন তো বাবার মুখটা জাস্ট লাল হয়ে যাবে। ওই মুখটা দেখার বড্ড ইচ্ছা সমাপ্তির। দিনের পর দিন মায়ের ওপরে হওয়া একপেশে অত্যাচারের জবাবগুলো দিতে হবে ওকেই। ছোট থেকে দেখেছে জ্বর গায়েও মা সংসারের কাজ করে চলেছে। কোনোদিন বাবা এসে বলেনি, আজ থাক, তুমি রেস্ট নাও।

    নিজে হলদে রঙের চুড়িদার পরে চুল বাঁধতে বাঁধতে আয়নায় দেখল, মা একটা নীল পাড় অফ হোয়াইট রঙের শাড়ি পরেছে। চুলে হাত খোঁপা। গলায় একটা সরু চেন। এই স্বল্প সাজেই মাকে বড্ড সুন্দর লাগছে। সমাপ্তি মায়ের গালে একটা চুমু খেয়ে বলল, আমার মিষ্টি মা।

    হাতের ব্যাগে কী নিয়েছ মা?

    সমাপ্তির দিকে তাকিয়ে একটু লজ্জিত ভাবে বলল, ওই কয়েকটা নাড়ু নিলাম। ছেলেটা আমাদের পাড়ায় গান গাইতে আসবে বিজয়ার পরে, তাই দেব।

    কোনোমতে হাসি চেপে সমাপ্তি বলল, যদি তুমি ছেলেটার কাছে পৌঁছাতে পার, তবেই তো দেবে মা?

    উপচে পড়া ভিড় থাকবে। নেহাত পাড়ার সৌপর্নদাকে বলে গোটা তিনেক টিকিট ম্যানেজ করেছি বলেই সামনে বসতে পারব।

    চলো চলো দেরি হচ্ছে। রিতিকা ফোন করছে।

    মা আবার বলল, বাবাকে মেসেজ করেছিস?

    ঘাড় নেড়ে সমাপ্তি জানিয়ে দিল, হ্যাঁ করেছি।

    যদিও মেসেজটা বাবা এখনও সিন করেনি। সমাপ্তি লিখেছে, মাকে নিয়ে ফাংশন দেখতে চললাম, চাবি পাশের ফ্ল্যাটে আর খাবার টেবিলে থাকবে। অকারণে ফোন করে বিরক্ত করবে না।

    সমাপ্তি যা ভেবেছিল ঠিক তাই। বিশাল ফুটবল খেলার মাঠটা ভিড়ে ঠাসা হতে শুরু করেছে। ক্লাবের ছেলেগুলো নেহাত চেনা তাই ভিড় কাটিয়ে পৌঁছাতে পারল সামনের সিটগুলোতে।

    কিছুক্ষণের মধ্যেই নীলাদ্রি রায়ের আগমন ঘটল মঞ্চে। শ্রোতার উচ্ছ্বাসের মাঝেই মা বলে উঠল, এই বয়সেই এত নাম করেছে ছেলেটা!

    তবে গান শেষ হবার পরে মা বলল, গানের সাথে এত মাথা নাড়া দেয় কেন রে? সমাপ্তি হেসে বলল, ওটা স্টাইল। তাড়াতাড়ি চলো গো, গ্রিনরুমে যদি একবার ঢুকতে পারি, তাহলে একটা অটোগ্রাফ পেলেও পেতে পারি।

    মাকে টানতে টানতে ভিড় থেকে এগোচ্ছিল নীলাদ্রির দুই ভক্ত-সমাপ্তি আর রিতিকা।

    গ্রিনরুমের সামনেই দাঁড়িয়ে আছে ক্লাবের সেক্রেটারি। রিতিকার সম্পর্কে কাকা হয়। তাই কোনোমতে ম্যানেজ করে ঢোকা গেল গ্রিনরুমে। নীলাদ্রি তখন কফিতে চুমুক দিয়েছে। গ্রীনরুম ফাঁকা, সম্ভবত উনি বাড়ি ফেরার ব্যবস্থা করছেন।

    সমাপ্তি কিছু বলার আগেই আচমকা অনুরাধা বলে উঠল, নীলেশ এখন কেমন আছে? মাইগ্রেনের প্রবলেমটা এখনও হয়? মাঝরাতে ছটফট করে এখনও?

    সমাপ্তি অবাক হয়ে তাকিয়ে আছে চিরপরিচিত মারাত্মক আনস্মার্ট মায়ের দিকে।

    নীলাদ্রিও সামান্য অবাক হয়েই বলল, আপনি বাবাকে পার্সোনালি চেনেন? বাবার মাইগ্রেনের প্রবলেম আছে এটা খুব কম মানুষই জানেন।

    অনুরাধা বলল, পামেলা এখনও গান গায়?

    নীলাদ্রি আবারও অবাক গলায় বলল, পামেলা বলে তো আমি কাউকে চিনি না আন্টি। ওহ, আপনি কি গায়িকা পামেলা মিত্রর কথা বলছেন? ওনার সাথে আমার সেভাবে পরিচয় নেই।

    তোমার মায়ের নাম কী?

    নীলাদ্রি মুখটা নিচু করে বলল, আমি নীলেশ রায়ের পালিত পুত্র। নিজের সন্তান নই। নীলেশ রায় তো অকৃতদার, উনি বিয়ে করেননি।

    কেঁপে উঠল অনুরাধা। সমাপ্তিও একটু অবাক হয়েছে। এতদিন সব ইন্টারভিউয়ে শুনেছে নীলাদ্রি রায়ের বাবা বিখ্যাত গায়ক নীলেশ রায়, আজ শুনছে উনি পালিত সন্তান।

    অনুরাধা নীলাদ্রির হাত দুটো আচমকা ধরে বলল, একবার নিয়ে যাবে তোমার বাবার কাছে? এককালে তাকে চিনতাম।

    নীলাদ্রি হেসে বলল নিশ্চয়ই। চলুন আমার গাড়িতে উঠুন। বাবার বন্ধুবান্ধব তো কেউই আসে না বাড়িতে। কাজের লোকজন ছাড়া। চলুন, বাবা খুশিই হবেন।

    সমাপ্তি বলতে যাচ্ছিল, মা… বাবা ফোন করেছিল চারবার। বাড়ি ফিরবে না?

    অনুরাধা আলগা গলায় বলল, চলো নীলাদ্রি আমায় একটিবার নিয়ে চলো।

    রিতিকা বাড়ি ফিরে গেল।

    নীলাদ্রির গাড়িতে ওঠার উত্তেজনার থেকেও এখন বেশি চিন্তা হচ্ছে বাবাকে নিয়ে। সমাপ্তি ভেবেছিল রাত আটটার মধ্যেই বাড়ি ফিরে যাবে। কিন্তু এখন বেশ বুঝতে পারছে, রাত অন্তত দশটা বাজবে। বাড়িতে একটা চূড়ান্ত কুরুক্ষেত্র বাঁধবে। কি ভাবে সামলাবে সেটাই ভাবছিল ও।

    নীলাদ্রি রায়ের সাথে কথা বলার উত্তেজনা এখন আশঙ্কায় পরিণত হয়েছে।

    নীলাদ্রির পাঁচতলার প্রায় দুহাজার স্কয়ার ফিটের ফ্ল্যাটে যখন ওরা পৌঁছল তখন ঘড়িতে প্রায় পৌনে নটা।

    দরজায় বেল বাজাতেই একজন বয়স্ক মহিলা দরজা খুলে বলল, বড়বাবু তোমার জন্য ওয়েট করছেন। কিছুতেই ডিনার খেতে চাইছেন না।

    নীলাদ্রি হেসে বলল, শর্মিলাপিসি তুমি বাবাকে খবর দাও, বলো তার পরিচিত একজন এসেছে।

    চোখে গোল্ডেন ফ্রেমের চশমা। সাদা কালো চুল, টিকলো নাক, গায়ের রংটা আগের থেকে তামাটে হয়ে গেছে।

    ড্রয়িংয়ে এসেই থমকে দাঁড়িয়ে নীলেশ বলল, রাধা! তুমি?

    সমাপ্তি কোনোদিন ওর মাকে কাঁদতে দেখেনি। বরং পাথরপ্রতিমার মতো ভাবলেশহীন মুখ দেখেছে চিরটাকাল। কোনো কিছুতেই যেন হেলদোল নেই। আজ সেই মায়ের শুকনো চোখ দিয়ে গড়িয়ে পড়ছে অবাধ্য নোনতা জলের রেখা।

    নীলাদ্রি হালকা স্বরে বলল, সমাপ্তি, আপনি আসুন আমার রুমে। আমার বইয়ের কালেকশন দেখবেন।

    সমাপ্তি যেতে যেতেই শুনল, মা বলছে, পামেলাকে বিয়ে করলে না কেন?

    নীলেশবাবু ধরা গলায় বললেন, পামেলা আমার সহ গায়িকা ছিল রাধা। ওকে তো আমি কখনো ভালোই বাসিনি।

    অনুরাধা একটু থেমে বলল, কিন্তু পামেলা যে সেই সন্ধেতে আমায় বলেছিল, ও তোমার সন্তানের মা হতে চলেছে!

    নীলেশ আবার বললেন, পামেলা চেয়েছিল আমার গানের কেরিয়ারটা শেষ করে দিতে। আমার নামে বদনাম দিলে সেটা সহজেই সম্ভব হত। বিশ্বাস করো রাধা, আমি একবারও ভাবিনি তুমি আমায় অবিশ্বাস করতে পার! তুমি তো আমার শক্তি ছিলে, তাই পামেলা প্রথমেই তোমায় কেড়ে নিল আমার কাছ থেকে। আমিও ভেঙে গুঁড়িয়ে গেলাম। মিডিয়ার গসিপ, কিছু পত্রিকার চটকদার আলোচনায় যে আমার রাধা আমার সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করবে, সেটা আমি ভাবিনি গো। বেশ কিছু বছর গান থেকে বিরত ছিলাম। শুনেছিলাম তুমি বিয়ে করেছ। গিয়েছিলাম তোমার বাড়িতে। তোমার বাবা আমায় দুশ্চরিত্র বলে তাড়িয়েও দিয়েছিলেন। তখন চারিদিকে শুধু একটাই কথা.. নীলেশ রায়ের মতো দুশ্চরিত্র মানুষ আর দ্বিতীয়টি নেই। সেদিন যদি তুমি আমার পাশে থাকতে রাধা, তাহলে আমি সোজা হয়ে সত্যের জন্য লড়াই করতাম। কিন্তু যখন দেখলাম তুমি সরে গেলে, তখন আর লড়াইয়ের ক্ষমতা ছিল না। তবে সেই কলেজ থেকে তুমি জানতে গান ছাড়া আমি বাঁচতে পারি না। তাই আবার শুরু করলাম গান নিয়েই।

    নীলাদ্রি আমার দূরসম্পর্কের দিদির ছেলে। ছোট থেকেই বড় ভালো গায় ছেলেটি। জামাইবাবুর আকস্মিক মৃত্যুর পরে আমি ওকে দত্তক নিয়েছি। ও আমায় ভরিয়ে দিয়েছে জানো রাধা। ওর গান শুনলে নিজের যৌবন খুঁজে পাই। মনে আছে রাধা, কলেজের ক্লাসরুমে তুমি বেঞ্চ বাজাতে আর আমি গান গাইতাম!

    সমাপ্তি আর নীলাদ্রি দুজনেই থমকে দাঁড়িয়ে গিয়েছিল পরিচিত মানুষগুলোর স্মৃতি রোমন্থনের সময়ে।

    তারপর বিস্মিত হয়ে শুনছিল ওদের টুকরো টুকরো কথাগুলো। সমাপ্তি ভাবছিল, ওদের জেনারেশন এভাবে একজনের মুখের কথা বিশ্বাস করে নিজের অধিকার ছেড়ে কোনোদিন চলে আসবে না।

    নীলাদ্রি বলল, স্ট্রেঞ্জ বাবা। তুমি আন্টিকে বুঝিয়ে কেন বলো নি? তাছাড়া ডি এন এ টেস্ট করলেই তো সত্যিটা উঠে আসত…

    অনুরাধা বলল, আমি কিছু শুনতে চাইনি নীলাদ্রি। তোমার বাবা চেষ্টা করেছিলেন। আমি অবুঝ অভিমানে নিজের মনের সব জানালা দরজা বন্ধ করে দিয়েছিলাম। পালটে গিয়েছিল পরিচিত অনুরাধা।

    সমাপ্তি বলল, আঙ্কেল আপনি কী বলছিলেন যেন…মা বেঞ্চ বাজাত?

    শর্মিলাপিসি কফি আর স্ন্যাক্স রেখে গিয়েছিল।

    কফিতে চুমুক দিয়েই নীলেশ বলল, তোমার মা একটা গুন্ডা মেয়ে ছিল। সাইকেল চালিয়ে কলেজে এসে শুরু করত তার গুন্ডামি। ইউনিয়নের ছেলেগুলো পর্যন্ত ভয় পেত তোমার মাকে। সবাই বলত, লড়াকু মেয়ে। প্রতিবাদী কণ্ঠে তোমার মা যখন ডিবেট লড়ত, তখন সবাই সমীহ করত। তোমার মায়ের সাথে আমার মতো নিরীহ ছেলের পরিচয় হবারই কথা নয়।

    মাইনে দেবার লাইনে দাঁড়িয়ে ছিলাম একদিন। সবাই এসে আমার আগে দাঁড়িয়ে মাইনে দিয়ে বেরিয়ে যাচ্ছিল। আমি একই জায়গায় দাঁড়িয়ে ঘামছিলাম।

    তোমার মা এসে বলল, কি চিপকু, তোমার পায়ে কি ফেবিকল লাগানো আছে নাকি? সবাই এগোচ্ছে, তুমি সেম জায়গায় দাঁড়িয়ে আছ? হাঁদা কোথাকারের। তারপর তোমার মা হয়ে গেল আমার অলিখিত অভিভাবক। আমি কোন শিক্ষককের কাছে পড়ব, কার কাছে গান শিখব সব উনিই ঠিক করে দিতেন। একদিন নিজেই বলেছিল, এই যে এত হেল্প করছি… কেন বলত?

    আমি অবাক হয়ে বলেছিলাম, কেন?

    তোমার মা একটু লজ্জা পেয়ে বলেছিল, তোমার সারা জীবনের দায়িত্ব নেব বলে।

    নীলাদ্রি হাততালি দিয়ে বলল, মাই গড, দারুণ প্রোপোজ টেকনিক তো। আমিও ভাবছি এবারে ইন্দিরাকে এভাবেই প্রোপোজটা সেরে নেব বাবা।

    সমাপ্তি নীলাদ্রির হাতটা ধরে বলল, গ্রেট আইডিয়া ব্রাদার, আমিও আমার দু-বছরের ক্রাশ অরণ্যকে এভাবেই থ্রেড দিয়ে প্রোপোজ করব।

    নীলেশকে ইশারায় ভর্ৎসনা করে অনুরাধা বলল, কী হচ্ছে কী, ছেলেমেয়ের সামনে! তুমি থামবে!

    নীলাদ্রি বলল, না আন্টি বাবা বলুক, আমার তো ভীষণ ইন্টারেস্টিং লাগছে।

    সমাপ্তির ফোনটা ভাইব্রেট করে উঠল।

    ও আস্তে আস্তে বলল, আঙ্কেল আমরা অন্যদিন আসব। সব গল্প শুনব তোমাদের।

    মা, বাবা ফোন করছে বারবার।

    অনুরাধা নীলাদ্রির দিকে তাকিয়ে বলল, রোজ সকালে উঠে বাবাকে গানে বসিয়ে দেবে, তাহলে বাবার প্রাণশক্তি বাড়বে। ওটাই তো ওর প্রথম ভালোবাসা, আমি দ্বিতীয় ছিলাম।

    আর খুব ঝাল যেন না খায়, পেট রোগা মানুষ তো।

    নীলেশ সমাপ্তিকে বলল, মাকে বলো, আবার যেন গানটা গায়। তোমার মাও কিন্তু খালি গলায় গানটা বেশ ভালো গাইত। আর ইলিশ মাছ খেতে বড্ড ভালোবাসে রাধা।

    অনুরাধা নিজের ব্যাগ থেকে একটা ছোট্ট টিফিন কৌটো বের করে বলল, এত বছর একই ভাবে বানিয়ে গেছি। ওবাড়ির কেউ খায় না। তবুও তিলের নাড়ু বানাই, কেন জানো? আমার অপটু হাতের শক্ত তিলের নাড়ু খেয়ে তুমি বলেছিলে, এটাই সেরা মিষ্টি আমার কাছে।

    মুখে একটা নাড়ু ভরেই নীলেশ বলল, কিন্তু রাধা এ যে নিখুঁত নাড়ু। যোগ্য গৃহিণীর হাতের নাড়ু। আমার কলেজবেলার উড়নচণ্ডী রাধার অপটু এলোমেলো হাতের শক্ত নাড়ুগুলো কই? সব হারিয়ে ফেললে দেবনাথ বাড়িতে গিয়ে?

    অনুরাধা হেসে বলল, আমি এখন মারাত্মক গিন্নি গো।

    চললাম, আমার সংসার অপেক্ষা করছে আমার জন্য। কাল কোজাগরী লক্ষ্মী পুজো, ঢের কাজ পড়ে আছে।

    নীলেশ হেসে বলল, ভালো থেকো রাধা। মাঝে মাঝে ফোন করো। আমার কিন্তু সেই অগোছালো অলক্ষ্মীটাকেই বেশি পছন্দ ছিল। এমন পালটে গেলে কেন?

    অনুরাধা করুণ হেসে বলল, অলক্ষ্মীটাকে ভালোবাসার, প্রশ্রয় দেওয়ার কেউ ছিল না যে, তাই অনাদরে সে লক্ষ্মী মেয়ে হয়ে গেল।

    বেরোনোর আগে মুচকি হেসে অনুরাধা বলল, আমায় ছেড়ে যে কোনো শাঁখচুন্নিকে বিয়ে করোনি, এই আমার ঢের সুখ। এবারে শান্তিতে মরতে পারব।

    নীলেশ একই ভাবে হেসে বলল, তুমি এখনও সেরকম হিংসুটে আছো।

    বাড়িতে ঢোকার মুখে সমাপ্তি বললো, মা আমি তার মানে তোমার মতো হয়েছি কি বলো? তুমিও তো শুনলাম প্রতিবাদী ছিলে…

    ওর কথা শেষ হবার আগেই উমেশ বেশ রাগী গলায় বলল, মাঝরাত পর্যন্ত মা, মেয়ে কোথায় ঘুরছিলে? পাড়ার ফাংশন তো অনেক আগেই শেষ হয়ে গেছে। তাছাড়া অনু, তুমি তো আমার পারমিশনও নাওনি যাবার আগে?

    অনুরাধা নিরুদ্বিগ্ন গলায় বলল, রাতের খাবার বানাতে হবে, দরজা থেকে সর। হঠাৎ আমার পুরোনো বন্ধুর সাথে দেখা হয়ে গিয়েছিল, তাই গল্প করতে করতে দেরি হল। তোমার সংসারের ঘড়ির কাঁটা একদিন না-হয় তোমার হুকুম ছাড়াই চলল, খুব কি ক্ষতি হল তাতে?

    উমেশ অবাক হয়ে তাকিয়ে আছে তার ঊনত্রিশ বছরের প্রায় বোবা বউটার দিকে। এই মহিলা এমন গুছিয়ে কথা বলতেও পারে!

    একটু হকচকিয়েই বলল, না, আমি চিন্তা করছিলাম। তাই বারবার ফোন করছিলাম অনু।

    মা গুনগুন করে গান গাইতে গাইতে রান্নাঘরের দিকে এগোল। পালটে যাওয়া মা-টাকে জড়িয়ে ধরে আদর করতে ইচ্ছে হচ্ছিল সমাপ্তির। এই মাকেই তো ও চায়।

    পিছন থেকে জড়িয়ে ধরে আচমকা একটা চুমু খেয়ে সমাপ্তি কানে কানে বলল, মা নীলেশ আঙ্কেল কিন্তু তোমায় আজও বেশ ভয় পায়।

    অনুরাধা হেসে বলল, ছাড় পাকা মেয়ে। তোর বাবাকে খেতে দিতে হবে।

    মনে মনে বলল, নীলেশ একটা পরজন্ম চাই আমার। একটা ফাঁকা ক্লাসরুম আর অনেক বড় ক্যাম্পাস। আর একটা ভিতু ভিতু নীলেশ। দেখো পরের জন্মে আর ভুল বুঝব না তোমায়।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআদিবাসী লোককথা : ১ম খণ্ড – দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    Next Article মন আয়নায় মেঘ – অর্পিতা সরকার

    Related Articles

    অর্পিতা সরকার

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    অর্পিতা সরকার

    এসো না অসময়ে – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    অর্পিতা সরকার

    মন আয়নায় মেঘ – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Our Picks

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026

    শ্মশানকোকিলের ডাক – সৌভিক চক্রবর্তী

    May 1, 2026

    এসো না অসময়ে – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }