Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026

    শ্মশানকোকিলের ডাক – সৌভিক চক্রবর্তী

    May 1, 2026

    এসো না অসময়ে – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    প্রিয় পঁচিশ – অর্পিতা সরকার

    অর্পিতা সরকার এক পাতা গল্প407 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    সেদিন ভোরে – অর্পিতা সরকার

    সেদিন ভোরে

    পা টিপে টিপে বাথরুমে গেলো রাই। প্রেগন্যান্সি কিটটা বের করে ইউরিন দিল এক ফোঁটা। বুকের ভিতরটা টিপটিপ করছে। যথারীতি রিপোর্ট নেগেটিভ এল। না, তার মানে এবারেও প্রেগন্যান্ট হল না ও। ঘরে তাকিয়ে দেখলো নির্ঝর ঘুমাচ্ছে। ঘড়ির কাঁটা জানান দিচ্ছে সবে ভোর চারটে। যদিও চারটেকে মফসসলে ভোর বললেও তিলোত্তমা মধ্যরাত্রিই বলে। কারণ তিলোত্তমায় আলো ঝলমলে জীবন ক্লান্ত হয় গভীর রাতে। তাই এ শহরের ঘুম ভাঙে একটু দেরিতে। কিন্তু রাইয়ের ঘুম নেই চোখে। বেশ কয়েকটা রাত নির্ঘুম কাটছে ওর। নির্ঝর ওর চোখের আড়ালে লুকিয়ে রেখেছে প্রেগন্যান্সি টেস্টের কিটগুলো। রাইয়ের শাশুড়িমা কড়া নির্দেশ দিয়েছে ছেলেকে, খেয়াল রাখিস রাই যেন সন্তান সন্তান করে ক্ষেপে না ওঠে। রাইয়ের শাশুড়িমা অন্য ধাতুতে গড়া মানুষ। ভীষণরকমের আধুনিকমনস্ক ভদ্রমহিলা। রাইয়ের বার তিনেক মিসক্যারেজ হয়ে যাবার পরে ভদ্রমহিলা পরিষ্কার বলেছে, রাইয়ের জীবন আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ। অদেখা ভ্রূণের থেকেও বেশি মূল্যবান। আর আমি ওসব মেকি বংশরক্ষা বা বংশধরে বিশ্বাসী নই। যারা বেঁচে আছে, যাদের ঘিরে আমি আছি তাদের ভালো থাকাটা আমার কাছে সব থেকে বেশি জরুরি। ছেলেও মায়ের মতোই উদারমনস্ক হয়েছে। নির্ঝরও বলেছে, প্লিজ রাই এসব ছেলেমানুষি করো না। বারবার মিসক্যারেজ হয়ে যাচ্ছে তোমার। তুমি জানো ডক্টর অরুণ গুহ বলেছেন, তোমার শরীরের কতটা ক্ষয় হচ্ছে? এভাবে তোমার শরীরটা খারাপ হয়ে যাবে। প্লিজ আগের মতো হাসিখুশি হয়ে যাও তুমি। রাই ভাগ্য করে এমন স্বামী আর শাশুড়িমা পেয়েছে। বধূহত্যা, সন্তান না হওয়ায় বাড়ির বউকে অত্যাচার, কন্যা সন্তান হবার অপরাধে বউকে মেরে ফেলা..এসব খবরের মাঝে ওর ছোট্ট সংসারটা যেন মরুদ্যান।

    নির্ঝর আর ওর শাশুড়িমা সুচেতা দুজনেই বন্ধুর মতো। তবুও সুখ সেই অধরাই রয়ে গেল ছোটবেলায় মাতৃহারা রাইয়ের কাছে। মা ডাকটাই যে ওর কপালে নেই। মাত্র পাঁচ বছর বয়েসে মাকে হারিয়েছিল রাই। তখন থেকেই দেখত, স্কুলের যে কোনো ফেস্টে সকলের মা উপস্থিত আছে। সবাই মা, মা বলে ডাকছে একজন আদর করা এবং শাসন করা মহিলাকে। রাইয়ের বাবা উপস্থিত থাকত ওর স্কুলের অনুষ্ঠানে। ওর জীবনে মায়ের অনুপস্থিতি পূর্ণ করার জন্য বাবার চেষ্টার কমতি ছিল না। কিন্তু তবুও কাউকে একজনকে বড্ড মা বলে ডাকতে ইচ্ছে করত। ওই ইচ্ছেটাকে বুকের গোপন লকারে জোর করে চাবি দিয়ে রেখেই স্বাভাবিকভাবে বড় হয়ে উঠেছিল রাই। যখন খুব কান্না পেত তখন বুকের মধ্যে লুকিয়ে রাখা ওই অবাধ্য ঘরের দুয়ার যেত খুলে। আর বড্ড নিঃসঙ্গবোধ করত রাই।

    যেমন এই পাখি ডাকা, সূর্য না ওঠা ভোরে ও ভীষণ একা বোধ করছে। অলস, মনখারাপি একাকীত্ব ওকে গ্রাস করছে ধীরে ধীরে। পাঁচ বছর পেরিয়ে গেছে ওর বিয়ে হয়েছে। রাইয়ের বয়েস বত্রিশ। ও আর নির্ঝর দুজনেই একই কোম্পানিতে চাকরি করে। কর্মসূত্রেই ওদের আলাপ। প্রেমটা জমে ওঠার আগেই বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছিল নির্ঝরের মা রাইদের বাড়িতে। তাই বিয়ের পরে দুটো বছর ওরা চুটিয়ে প্রেম করেছে। হানিমুন মেটার পরেও উইকেন্ডে কোথাও না কোথাও বেড়াতে যাওয়া ওদের লেগেই ছিল। ওই দু-বছর ওরা বাচ্চা নিয়ে কোনো কথাই ভাবেনি। তারপরেও এক বছর কেটে গেছে ছোট ফ্ল্যাট থেকে বড় ফ্ল্যাটে শিফ করা নিয়ে। শাশুড়িমাও রিটায়ার করেছেন ব্যাংক থেকে। এই শেষ দু-বছরেই রাই প্রতিমুহূর্তে চেয়ে এসেছে সে যেন মা হয়। সুচেতা শুনেই উচ্ছসিত হয়ে বলেছিল, বুঝেছি তোরা আমায় অবসরেও খাটিয়ে মারবি। তাই এমন পরিকল্পনা এঁটেছিস। বেশ তবে বাড়িতে একটা বিচ্চুকে নিয়েই আয়।

    রাইয়ের প্রেগনেন্সির খবরে নির্ঝর আর ওর মা খুব আনন্দ পেয়েছিল। রাইয়ের বাবা এ বাড়ির সকলকে মিষ্টি খাইয়ে গিয়েছিল। কিন্তু মাত্র চারমাসের মাথায় মিসক্যারেজ। ভেঙে পড়েছিল রাই। সুচেতাই তখন মায়ের মতো আগলে রেখেছিল রাইকে। ওনার দেখা কত কত উদাহরণ দিয়ে বুঝিয়েছিল, অনেকেরই প্রথমবার এমন হয়। তারা সকলে এখন মা হয়েছে সুস্থ ভাবে। চিন্তা করিস না, আমি ঠাকুমা হব খুব তাড়াতাড়ি। রাই শুয়ে শুয়ে ভেবেছিল, মামিমা নয়, কাকিমা নয়, কেউ একজন আসবে সে ওকে শুধু মা বলে ডাকবে। রাইয়ের ছোটবেলা কেটেছে মাতৃবিহীন। কিন্তু ওর সন্তানকে ও ঘিরে রাখবে সবসময়। তার মা ডাকে নিজের শৈশবের না পাওয়া মিটিয়ে নেবে প্রাণভরে। আস্তে আস্তে চারমাসের শরীরের সামান্য অস্বস্তিটুকুকে ভুলে গিয়েছিল রাই।

    অফিস জয়েন করেছিল স্বাভাবিকভাবেই। আবার মাস ছয়েক বাদে এভাবেই এক ভোরে প্রেগনেন্সি কিট ওকে সুখবরের বার্তা দিয়েছিল। সঙ্গে একটা গা-গোলানো আনন্দানুভূতি জানান দিয়েছিল ও মা হতে চলেছে। আগেরবারের ঘটনায় সকলেই সতর্ক হয়েছিল, আর হাঁক ডাক, মিষ্টিমুখ কিছুই করেনি কেউ। বরং নির্ঝর আর সুচেতা রাইয়ের শরীরের দিকে তীক্ষ্ন নজর রেখেছিল। সেবারেও মধ্যরাতে ভিজে ভিজে উপলব্ধিতে ঘুম ভেঙে গিয়েছিল রাইয়ের। বিছানায় রক্ত দেখে বুঝে গিয়েছিল কি হয়ে গেল! নির্ঝরের বুকে মুখ লুকিয়ে কেঁদেছিল অনেকক্ষণ।

    সুচেতা বলেছিল, এরপর অফিস কামাই করে বেডরেস্ট নিতে হবে রাই। আমাদের অফিসের শুভাশীষ বলছিল ওর বউয়েরও নাকি এ ভাবেই মিসক্যারেজ হয়ে যাচ্ছিল, তারপর বেডরেস্টে থেকে তবে সুস্থ বাচ্চার জন্ম দিয়েছে।

    তৃতীয়বার রাই সকলের কথা শুনেছিল। সুচেতা রাইকে এক গ্লাস জল নিয়েও খেতে দেয়নি। নির্ঝর পেনড্রাইভে করে যত কমেডি সিনেমার কালেকশন এনেছিল রাইয়ের মন ভালো রাখতে।

    বাড়িতে সবসময় রাইয়ের পছন্দের খাবার রান্না করছিল কাকলীমাসি। যত্নের কোনো ত্রুটি করেনি কেউই। রাইও দিনরাত ঈশ্বরকে স্মরণ করেছিল। তারপরেও আবারও ডক্টর শোনালেন সেই ভয়ানক শব্দটা যেটা রাতের পর রাত তাড়া করে বেড়ায় রাইকে, মিসক্যারেজ।

    না কেউ দোষ দেয়নি ওকে। বরং সকলে ওকে আরও বেশি করে আঁকড়ে রেখেছে। তবুও রাই যেন দিন দিন ডুবে যাচ্ছে ডিপ্রেশন নামক মনখারাপের জগতে। হাসতে ভুলে গেছে ও। কোভিডের প্যান্ডামিক সিচুয়েশনে নেহাত ওয়ার্ক ফ্রম হোম বলেই হয়তো এখনও টিকে আছে ওর চাকরিটা। নাহলে কি হত কে জানে। বাড়িতে বসে ল্যাপটপে অফিসের কাজটুকু করে কোনোমতে। বাকি সময় বড্ড চুপচাপ। নির্ঝর রাইয়ের পছন্দের গান বাজালেও বিরক্ত হয় রাই। সুচেতা ওর পছন্দের খাবার বানালেও রেগে যায় রাই। মনে হয় যেন সকলে ওকে করুণা করছে। ওর অক্ষমতা ঢাকার জন্য সকলে ব্যর্থ প্রয়াস করছে। সেই হাসিখুশি, সাজতে ভালোবাসা রাইটা যেন এখন সম্পূর্ণ অন্য এক মানুষ। চোখের নীচে কালো ছোপ। দৃষ্টিতে বিহ্বলতা। কেমন যেন বড্ড এলোমেলো।

    সুচেতা আর নির্ঝরের একান্ত আলোচনাটাও সেদিন শুনে ফেলেছিল রাই।

    সুচেতা বলেছিল, বাবু এখন তো অনেকে আইভিএফ পদ্ধতিতে মা হচ্ছে। তো তোরা তো এটা নিয়ে একটু ভাবতে পারিস। চোখের সামনে রাইয়ের এমন কালো মুখটা আমি সহ্য করতে পারছি না বাবু। আমি তো ওর মা বল। নির্ঝর গম্ভীরভাবে বলল, ডক্টরের সঙ্গে কথা বলেছিলাম মা। কিন্তু রাইয়ের ফ্যালোপিয়ান টিউবে ব্লক আছে। তাই আইভিএফ খুব বেশি কার্যকরী হবে না বলেই মনে হয়। আবার ওর শরীর আর মনের ওপরে প্রেশার দেবার কোনো ইচ্ছে আমার নেই।

    সুচেতা বললো, তাহলে কোনো অনাথ আশ্রমে খোঁজ নে। নির্ঝর বলল, মা এখন তো চারিদিকে লকডাউন। তাছাড়া আমার অফিসের একজন বললেন, বাচ্চা এডাপ্ট করার ঝামেলা আছে অনেক। সেই প্রসেস করতেও তো বছর খানেক লাগবে। এদিকে রাই প্রেগনেন্সি কিট নিয়ে দিনরাত ছেলেমানুষি করে যাচ্ছে। কি যে করি!

    সুচেতা বলল, ওর হাতের নাগালের বাইরে রেখে দে ওগুলো। ওকে সুস্থ করতে হবে বাবু আমাদের। কী হাল হয়েছে মেয়েটার! নির্ঝর বলল, লকডাউন, কোভিড এসব না থাকলে একটু বেরিয়ে আসা যেত। অন্তত চার দেওয়ালের মধ্যে দিনরাত এই এক ভাবনা ওকে এলোমেলো করে দিত না। তাছাড়া মা ডক্টর বলে দিয়েছেন, আপাতত একবছর ও কনসিভ করতেও পারবে না। ওর শরীর খারাপ হয়ে যাবে। রাই বড্ড অবুঝ হয়ে যাচ্ছে মা। কিছু শুনছে না।

    রাই ওদের আলোচনা থেকেই বুঝতে পেরেছিল, ওর যেমন মা ডাকার কেউ ছিল না। তেমনই ওকে মা ডাকবে এমনও কেউ এল না।

    অপলক তাকিয়ে আছে রাই প্রেগনেন্সি কিটটার দিকে। নেগেটিভ রিপোর্টটা ওকে আবারও জানান দিচ্ছে ও ব্যর্থ।

    এ শহর ঘুমায় নিশ্চিন্তে। লকডাউন বলেই বোধহয় ভোর হয় দেরিতে। সময় যেন কিছুতেই কাটতে চায় না রাইয়ের। অসহ্য রাগে নিজের পেটের ওপরেই দুটো কিল বসিয়ে দিল ও। তবে কী মানসিক রোগী হয়ে যাচ্ছে ও ধীরে ধীরে।

    ভোরের দিকে চোখটা লেগে গিয়েছিল রাইয়ের। নির্ঝরের ডাকে ধড়ফড় করে উঠে বসলো ও।

    নির্ঝর বলল, চলো রেডি হয়ে নাও রাই আমরা বেরুব। আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে জামা ইন করছিল নির্ঝর।

    সেদিকে তাকিয়ে রাই বলল, আমি বেরুব না। আমার ভালো লাগছে না। তাছাড়া লকডাউনে যাবই বা কোথায়?

    নির্ঝর হাত ধরে টেনে বলল, ওঠো বলছি। বেরুতে হবে। সকাল দশটায় মধ্যে পৌঁছাতে হবে।

    রাই আজ একটা শাড়ি পরে চলো। নির্ঝর এভাবে কখনো জোর করে না ওকে।

    বহুদিন পরে ও আর নির্ঝর ওদের প্রিয় গাড়িটাতে আবার চাপল। বললে না তো কোথায় যাচ্ছি আমরা? নির্ঝর বলল, আরেকটু ধৈর্য ধরে বসো তো। রাই বলল, কোনো বড় গাইনি? যে আবার মিথ্যে সান্ত্বনা দিয়ে আমাকে বলবে, হ্যাঁ তুমি মা হতে পারবে তেমন কারোর কাছে?

    নির্ঝর কথা না বলে ফাঁকা রাস্তায় গাড়ি ছুটিয়ে দিল। একটু পরেই গাড়িটা দাঁড় করিয়ে ফোন করল কাউকে একটা। হ্যাঁ আমরা পৌঁছে গেছি। একটা পোস্টঅফিসের সামনে দাঁড়িয়ে আছি আমরা। কোনদিকে যাব একটু বলবেন?

    রাইয়ের কোনো উৎসাহ নেই। ও দম দেওয়া পুতুলের মতো বসে আছে। একটা গলি রাস্তায় গিয়ে গাড়িটা থামাল নির্ঝর। বলল, চলো ওই বাড়িটাতে।

    রাই নেমে অনুসরণ করল নির্ঝরকে। বাড়িতে ঢুকতেই একজন মধ্যবয়স্ক মহিলা বললেন, হ্যাঁ আমিই বিজ্ঞাপন দিয়েছিলাম। আমি ওর আয়া ছিলাম। ওর বাবা-মা দুজনেই করোনাক্রান্ত হয়ে মারা যায়। বাচ্চাটা অনাথ হয়ে গেছে। মাত্র এক বছর সাত মাস বয়েস ছেলেটার। ওর কোনো আত্মীয়ও নেই যে ওকে নেবে। বাবা-মায়ের সম্পত্তিটা নিয়ে নিয়েছে ওদের কোনো দূরসম্পর্কের আত্মীয়। কিন্তু ওকে ফেলে রেখে গেছে। তাই কেউ যদি দত্তক নিতে চায় বলে আমিই বিজ্ঞাপন দিয়েছিলাম ফেসবুকে।

    আমার পক্ষে ওকে মানুষ করা সম্ভব নয়। তাই…

    রাই নির্নিমেষ তাকিয়ে আছে বাচ্চাটার দিকে। একটা খেলনা নিয়ে আনমনে খেলে যাচ্ছে। ও জানে ও না ওর বাবা-মা দুজনেই আর নেই এই পৃথিবীতে।

    রাই ফিসফিস করে বলল, নির্ঝর আমার থেকেও অভাগা তার মানে এ পৃথিবীতে আর কেউ আছে!

    নির্ঝর বলল, কিন্তু ম্যাডাম দুদিন পরে যদি কেউ ওকে দাবি করতে আসে?

    ভদ্রমহিলা বললেন, কে আসবে স্যার। সম্পত্তি গুছিয়ে নেবার পরে আর কে আসবে। তাছাড়া ওর কেউ নেই। রাই নির্ঝর আর ভদ্রমহিলার কথায় কর্ণপাত না করে এগিয়ে গেল বাচ্চাটার দিকে।

    বাচ্চাটাকে কোলে নিতেই বাচ্চাটা আধো অস্পষ্ট স্বরে ডাকল মা।

    রাই আর নির্ঝর ফিরেছে বাচ্চাটাকে নিয়ে। দরজা খুলতেই সুচেতা বরণডালা সাজিয়ে আনল ওদের বাইরে দাঁড় করিয়ে। তারপর বলল, বাড়ির নতুন অতিথিকে বরণ না করলে চলে!

    নির্ঝর বলল, মা ওর নাম কি দেব? রাই বলল, ওর নামের প্রথম অক্ষর ”র” দিয়ে হবে আমার নামের সঙ্গে মিলিয়ে। রায়ান রাখলে কেমন হবে মা? সুচেতা বললো, ও তোর সন্তান রাই তাই তোর যা ইচ্ছে ওর নাম রাখ। দেখ ও তোকে কেমন দেখছে?

    রাই বলল, জানো মা ও আমাকে মা বলে ডাকল। তুই তো ওর মা, তোকেই তো ডাকবে পাগলি।

    তার মানে মহামারী সবকিছু কেড়ে নেয় না তাই না মা? কাউকে কাউকে ফিরিয়েও দেয়। সুচেতা বলল, ঠিক তাই। যেমন রায়ান তোদের বাবা-মা আর আমাকে ঠাম্মা করে দিল মুহূর্তে।

    রাই নিজের মনেই বলল,

    এ শহর জানে আমার সবকিছু। তাই তো দুঃখগুলোকে আপন করে একটুকরো সুখ দিল ফিরিয়ে। এ শহরের কাছে আমি ঋণী চিরকাল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআদিবাসী লোককথা : ১ম খণ্ড – দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    Next Article মন আয়নায় মেঘ – অর্পিতা সরকার

    Related Articles

    অর্পিতা সরকার

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    অর্পিতা সরকার

    এসো না অসময়ে – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    অর্পিতা সরকার

    মন আয়নায় মেঘ – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Our Picks

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026

    শ্মশানকোকিলের ডাক – সৌভিক চক্রবর্তী

    May 1, 2026

    এসো না অসময়ে – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }