Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026

    শ্মশানকোকিলের ডাক – সৌভিক চক্রবর্তী

    May 1, 2026

    এসো না অসময়ে – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    প্রিয় পঁচিশ – অর্পিতা সরকার

    অর্পিতা সরকার এক পাতা গল্প407 Mins Read0
    ⤶

    বাবা – অর্পিতা সরকার

    বাবা

    বললেন না তো আপনাকে আমি কোথায় দেখেছি?

    ঝালমুড়িওয়ালা মন দিয়ে ঝালমুড়ি মাখতে মাখতে বলল, সেটা আপনি মনে করুন স্যার। আমি তো আপনাকে দেখেছি বলে মনে পড়ছে না। এই শহরে এই জায়গায় আমি আজ প্রায় বছর চারেক ঝালমুড়ি বিক্রি করি, দেখেছেন হয়তো।

    অনিকেত জোরে জোরে ঘাড় নেড়ে বলল, অসম্ভব। আমি এই প্রথম পুরুলিয়া এলাম। আপনি যদি এই শহরের বাসিন্দাই হন তাহলে আপনার মুখটা আমার অত্যন্ত চেনা চেনা কেন লাগছে! আপনি কি কখনো ট্রেনে ঝালমুড়ি বিক্রি করতেন?

    ও অসীম কাকা নারকেলটা দাও গো, একটা ছোট মেয়ে ঝালমুড়ির ঠোঙাটা হাতে নিয়েই চেঁচাল।

    অসীম হেসে বলল, এই তো মা, এই নাও। কথা বলতে গেলে কাজে ভুল হয়ে যায়।

    দুটো আঙুলের মাঝে নারকেলটা নিয়ে অদ্ভুত ভঙ্গিমায় ছুঁড়ে ঠিক ওর মুড়ির ঠোঙায় দিয়ে দিল অসীম। মেয়েটা হেসে চলে গেল।

    অনিকেত স্থির দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে ঝালমুড়িওয়ালা অসীমের হাতের দিকে। অন্যদের ঝালমুড়ি মাখার সঙ্গে এ ব্যক্তির কোথায় যেন একটা পার্থক্য আছে।

    অভিজ্ঞ চোখে অনিকেত তাকিয়ে আছে।

    অনিকেতের বয়েস ছত্রিশ। রেলে চাকরী করে। কাজের সূত্রে নয় একমাত্র শ্যালিকার শ্বশুরবাড়ি পুরুলিয়ায়, তাই ফ্যামিলি নিয়ে এসেছে বেড়াতে।

    পাঁচ বছরের মেয়ে তিতলি, স্ত্রী পায়েলকে নিয়ে পায়ে পায়ে পুরুলিয়া ঘুরতে বেরিয়েছে বিকেলে।

    কলকাতায় থাকায় আর প্রাইভেট কারে সর্বত্র যাতায়াতের কারণে রেলে চাকরি সত্ত্বেও লোকাল ট্রেনে ওঠা হয় না। পায়েলের আবার লোকাল ট্রেনে চড়তে খুব ভালো লাগে। ট্রেনের বাদাম আর ঝালমুড়ির নাকি আলাদা টেস্ট। তাই ঝালমুড়িওয়ালা দেখেই দাঁড়িয়ে পড়েছে পায়েল।

    অনিকেত বলল, কিছুতেই মনে করতে পারছি না জানো, এই অসীমবাবুকে আমি কোথাও একটা আগে দেখেছি।

    পায়েল কনুই দিয়ে ঠেলে বলল, উনি বিরক্ত হচ্ছেন। এক কথা বারবার বলো না। ঝালমুড়িটা নাও দিয়ে চলো।

    টাকাটা দিয়ে ঠোঙা দুটো হাতে নিয়েও আরেকবার ভালো করে তাকাল অনিকেত। এতটা ভুল ওর হয় না। কলিগদের মধ্যে ওর স্মৃতিশক্তি নিয়ে রীতিমত চর্চা হয়। ব্যানার্জীদা বলেন, অনিকেতের মাথায় খান কুড়ি প্রকোষ্ঠ বেশি আছে। সেই অনিকেত মনে করতে পারছে না এটা ভেবেই যেন বিজবিজে অস্বস্তিটা আরেকটু মাথা চাড়া দিয়ে উঠল। তবুও পায়েলের কথা মতোই ঝালমুড়ির ঠোঙাটা নিয়ে এগিয়ে এল।

    সবুজ মাঠে বসে পা ছড়িয়ে ওরা ঝালমুড়ি খাচ্ছে। পায়েল জিভে তৃপ্তির আওয়াজ করে বলল, আচ্ছা অনি বাড়িতে এত ঘটা করে মাখলেও এমন টেস্ট কেন হয় না বলত! উফ, দুর্দান্ত মেখেছে কিন্তু লোকটা।

    অন্যমনস্ক অনিকেতের মাথায় তখনও ঘুরপাক খাচ্ছে কোথায় যেন দেখেছে ওই অসীম নামক লোকটাকে। এত চেনা লাগছে মুখটা অথচ মনে করতে পারছে না। অনিকেত ঘাড় নেড়ে বলল, হ্যাঁ ভালো লাগছে খেতে।

    পায়েল বিরক্তির গলায় বলল, তুমি এখনও ওকে কোথায় দেখেছ মনে করার চেষ্টা করে চলেছ তো! আশ্চর্য লোক বটে। রাস্তাঘাটে এরা ঘুরে বেড়ায়, দেখেছ হয়তো কোথাও একটা।

    অনিকেত অন্যমনস্কভাবে বলল, আচ্ছা ধরো পায়েল তুমি একজন মানুষকে রোজ ট্রেনে লজেন্স বিক্রি করতে দেখতে, আচমকা তাকে স্কুলে পড়াতে দেখলে তখন অবাক হবে না?

    যদি তুমি তাকে দীর্ঘদিন পরে লজেন্স বিক্রি করতেই দেখো তাহলে কি তোমার চোখে এমন কিছু বিষদৃশ ঠেকবে?

    পায়েল একটু ভেবে বলল, তার মানে তুমি ওই ভদ্রলোককে অন্য কোনো প্রফেশনে দেখেছিলে তাই তো? সে আর এমন কী কথা। কত প্রাইভেট কোম্পানির মানুষের চাকরি গেছে, তারাই অল্প পুঁজি নিয়ে ব্যবসায় নেমেছে। সংসারটা তো চালাতে হবে।

    অনিকেত বলল, একদম ঠিক। একে আমি অন্য কিছু করতে দেখেছিলাম, সেই কারণেই আমার মস্তিস্ক বলছে এই লোক এখানে ফিট করছে না। কিন্তু কিছুতেই মনে করতে পারছি না জানো।

    পায়েল বলল, চলো ফিরতে হবে। তিতলির খিদে পেয়েছে।

    অনিকেতরা ফিরে এল পায়েলের বোনের বাড়িতে।

    বাড়ি ফিরতেই কোয়েল বলল, অনিদা কেমন লাগল বলো আমাদের পুরুলিয়া?

    পায়েল হেসে বলল, ওরে কোয়েল তোর অনিদা তো বেরিয়ে থেকে ঝালমুড়িওয়ালার প্রেমে পড়ে গিয়ে অন্যমনস্ক হয়ে হাঁটছিল রাস্তা দিয়ে। পুরুলিয়া আর দেখল কই?

    কোয়েল হেসে বলল, কে অসীমদা নাকি?

    অনিকেত আগ্রহী হয়ে বলল, তুমি ওকে চেনো নাকি কোয়েল?

    কোয়েল বলল, আমরাও ওর কাছ থেকেই ঝালমুড়ি খাই। রিতমের খুব পছন্দের লোক।

    অনিকেত রিতমের দিকে তাকিয়ে বলল, আচ্ছা উনি কি বহুদিন ধরেই এ চত্বরে ঝালমুড়ি বিক্রি করেন?

    রিতম বলল, আরে না না। বছর চারেক দেখছি ওনাকে। তার আগে কোথায় থাকতেন জানি না।

    অনিকেত হেসে বলল, এটাই আন্দাজ করছিলাম।

    রাতে খাওয়ার পরে কোয়েলদের তিনতলার ছাদে পায়চারি করছিল অনিকেত। রাতের পুরুলিয়া তিলোত্তমার মতো ঝাঁ-চকচকে নয়। এখানে রাত একটু আগেই নামে হয়তো।

    নিস্তব্ধতা মানুষের ভাবনা শক্তিকে আরও শক্তিশালী করে দেয়। একমুখী ভাবনায় সাহায্য করে।

    নিশ্চুপ পুরুলিয়া, নিশ্চুপ কোয়েলের বাড়ির হুল্লোড়।

    একা ছাদের কার্নিশে হেলান দিয়ে দাঁড়িয়ে আছে অনিকেত।

    আচমকাই যেন কানে ভেসে এলো কয়েকজনের কণ্ঠস্বর। এই অনি ছাদে কী করছিস নেমে আয়, এবারের আমাদের রত্নাদীঘির বারোয়ারী পুজোর প্ল্যান নিয়ে বসতে হবে, তাড়াতাড়ি আয়।

    বাড়িতে পরা বারমুডাটা বদলে একটা ফুলপ্যান্ট পরে নেমে গিয়েছিল অনিকেত। তখনও ওর জীবনে পায়েল বা তিতলির আবির্ভাব ঘটেনি। সদ্য বেকার থেকে চাকুরিজীবি হয়েছে মাত্র। পাড়ার বারোয়ারী পুজোর ভার তখন ওদের মতো কয়েকজন ইয়ং ছেলের হাতে এসেছে।

    কাকু-জেঠুরা বলেছেন, পঁচিশ বছরের পুজো, তোরা যেন রুচিহীন করে ফেলিস না। পাড়ার দীর্ঘদিনের ঐতিহ্যটুকু অন্তত রাখিস। অনিকেতদের টিমটা পাড়ায় ভদ্র ছেলেদের টিম বলেই পরিচিত। ওরা এখনও গুরুজন দেখলে সিগারেট ফেলে দেয়। বয়স্কদের সামনে গালাগাল দিয়ে নিজেদের রুচিহীন প্রমাণ করেনি।

    পুজোর দায়িত্ব পেয়ে ওরা আবেগে ফুটছিলো। বাঁধানো বারোয়ারি তলায় অনিকেত পৌঁছাতেই সুজন বলেছিল, আমাদের এবারের রত্নাদীঘির পুজোর সব দায়িত্ব দেওয়া হল অনিকেতকে। আমরা শুধু ওর কথামত কাজ করব। মানে ওই হবে আমাদের ক্যাপ্টেন।

    অনিকেত সবার দিকে আলতো করে তাকিয়ে দেখেছিল, কারোর চোখে এই প্রস্তাবের কারণে বিরক্তি উৎপাদন হয়েছে কিনা! দেখেছিল সবাই বেশ হাসি মুখেই বলেছিল, একদম আমরাও সমর্থন করছি এই প্রস্থাব।

    অনিকেত একটু ভয়ের সঙ্গেই বলেছিল, কিন্তু এত বড় দায়িত্ব আমি কি পারব? তোমরা বরং নীলাঞ্জনদাকে দাও। নীলাঞ্জনদা অনির কাঁধে হাত রেখে বলেছিল, পাগলা আমরা সবাই তো তোর সঙ্গেই আছি।

    পাঁচ দিন পাঁচটা বড় প্রোগ্রাম সেট করেছিল অনিকেত। অনেক বয়স্ক বা বাচ্চারা পাড়ার বাইরে পুজো পরিক্রমায় যেতেই পারে না। তাদের জন্যই সন্ধের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সাজিয়েছিল। পাড়ার ছেলেমেয়েরা যেমন গান, কবিতা নাচ করেছিল ঠিক আছে। সঙ্গে বাইরে থেকেও কয়েকজন শিল্পীকে আনা হয়েছিল। তারা যে খুব নামী তেমনটা নয়, তবে সকলেই খুব গুণের। মোট কথা সবাই একবাক্যে প্রশংসা করেছিল অনিকেতদের টিমের।

    সিগারেটটা শেষ করে ঘুমাতে গেল অনিকেত।

    তিতলি পা ছড়িয়ে ঘুমাচ্ছে। পায়েলের ঘন নিশ্বাসের আওয়াজে ঘরের বাতাসে ঘুমের হাতছানি। তিতলির পাটা সাবধানে একটু সরিয়ে দিয়ে শুয়ে পড়ল অনিকেত। পরশু ওরা কলকাতা ফিরবে। তার মানে হাতে আর মাত্র কালকের দিনটা। সকালে তিতলিকে সঙ্গে নিয়ে বেরিয়ে পড়তে হবে। পায়েলকে বলতে হবে তিতলিকে একটু ঘুরিয়ে নিয়ে আসতে যাচ্ছে। একা বেরোলেই পায়েল সন্দেহ করবে। ভাববে ও ঠিক ওই অসীমের খোঁজে বেরোচ্ছে। চোখ বন্ধ করতেই অসীমের মুখটা মনে পড়ে গেল।

    চোখের সামনে পরিষ্কার ভাসছে সব কিছু। পুজো মণ্ডপের অ্যানাউন্সটাও যেন কানের কাছে বেজে উঠল।

    সকাল হতেই ব্রেকফাস্ট খেয়ে তিতলিকে ঘোরানোর নাম করেই কোয়েলদের বাড়ি থেকে বেরিয়ে পড়ল অনিকেত। রিতম বলেছিল, ও সঙ্গী হতে চায়। কিন্তু অনিকেত বলেছে, আরে না না তুমি তোমার অফিসিয়াল কাজ সারো। আমি একটু ঘুরেই চলে আসব।

    অসীম যেখানে ঝালমুড়ি বিক্রি করে সেখানে গিয়ে দেখল ও নেই। পাশের দোকানদাররা জানাল বিকেল চারটে থেকে রাত নটা পর্যন্ত বিক্রি করে ও। সকালে বসে না। অনেককে জিজ্ঞেস করেও অসীমের বাড়ির ঠিকানা উদ্ধার করতে পারল না অনিকেত। ব্যর্থ হয়ে ফিরে আসার ঠিক আগেই চায়ের দোকানের একজন বৃদ্ধ আগ্রহী হয়ে বললেন, আপনি কি কোনো সংবাদপত্রের লোক? পুলিশের লোক? কে আপনি?

    অনিকেত হেসে বলল, দুটোর কোনোটাই আমি নই। আমি অসীমকে চিনতাম অন্য পরিচয়ে। সেটাই ঝালাই করতে এসেছি মাত্র। না পেলে চলে যাব।

    অনিকেত ফিরতি পথের দিকে পা বাড়াতেই বৃদ্ধ বললেন,

    ডান দিকের রাস্তা ধরে সোজা যাবেন। একটা পুকুর পড়বে ওটাকে বাঁ হাত রেখে মোড়টা ঘুরলেই অসীম পাড়ুইয়ের বাড়ি।

    তিতলির হাতে একটা আইসক্রিম ধরিয়ে বৃদ্ধের নির্দেশিত ঠিকানায় পা চালাল অনিকেত।

    পাড়ার মধ্যে ঢুকে দু একজনকে জিজ্ঞেস করতেই লোকে ঝালমুড়িওয়ালার ঘর দেখিয়ে দিল।

    কিন্তু অন্যদের কৌতূহলী দৃষ্টির দিকে তাকিয়েই বুঝতে পারল অসীমের কাছে তেমন কেউ আসে না।

    একটা ছোট্ট টালির চালের ঘরে সিঙ্গেল একটা তক্তায় বসে একদৃষ্টে বিছানায় বসে থাকা মাছিটার দিকে তাকিয়ে আছে অসীম।

    অনিকেতকে ঘরের দরজায় দেখে চমকে উঠে বলল, আপনি? এখানে? কেন এসেছেন?

    আমি যে বললাম, আমি আপনাকে চিনি না, তারপরেও আমার ঘর অবধি ধাওয়া করে এসেছেন কেন?

    অনিকেত হেসে বলল, এত দুর্বল স্মৃতিশক্তি কোনো ম্যাজিশিয়ানের হয় বলে তো জানতাম না?

    অসীম পাড়ুই। রত্নাদীঘির পুজো মণ্ডপ মনে আছে?

    অসীম তীব্র ভাবে ঘাড় নেড়ে অস্বীকারের ভাঙ্গিমায় বলল, কে ম্যাজিশিয়ান? আপনার কোথাও ভুল হচ্ছে! আমি ঝালমুড়ি বিক্রেতা। অনিকেত দৃঢ় স্বরে বলল, না আমার ভুল হচ্ছে না। হচ্ছে না বলেই আপনি চোখের দিকে তাকিয়ে অস্বীকার করতে পারছেন না!

    কেন ছেড়ে দিলেন ম্যাজিক দেখানো? সবে তো নাম করতে শুরু করেছিলেন আপনি।

    এখনও স্পষ্ট মনে আছে আমি সেবার পুজোর দায়িত্ব পেয়েছিলাম। ভেবেছিলাম সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে নতুন কিছু এনে চমকে দেব। গান, নাচ আবৃত্তির বাইরে অন্য কিছু। ভাবতে ভাবতেই মনে হয়েছিল, বাচ্চা বুড়ো সকলের পছন্দের জিনিস ম্যাজিক। তখন সদ্য চাকরি জয়েন করেছি। আমরা ম্যাজিক বলতে পি সি সরকার জুনিয়ারকেই চিনি। কিন্তু তিনি শো করতে আসলে যা অর্থ নেবেন তা দেওয়াব ক্ষমতা নেই রত্নাদিঘীর বারোয়ারীর। অফিসে বলতেই আমাদের বিজনদা বললেন, আমি একজনকে চিনি, হয়তো খুব নাম করা কেউ নয়। টিভিতে শো করেননি, কিন্তু হাতের খেল দেখলে চমকে উঠতে হয়। আমি লাফিয়ে উঠলাম। তাহলে চলো আজকেই অ্যাডভান্স দিয়ে অষ্টমীর সন্ধের জন্য বুক করে রাখি।

    গলাটা একটু যেন ধরে এল অসীমের। কাঁপা গলায় বলল, হ্যাঁ আমি তখন জয়রামপুরের ম্যাজিক শো করে ফিরেছি। দুজন এসে আমার বাড়ির দরজায় কড়া নাড়চ্ছিল। আমার মেয়ে ঝিনুক খেলছিল উঠোনে। ধুলো পায়েই ছুটে এসে বলল, বাবা কারা জেন ডাকছে। আমার স্ত্রী জয়িতা রেগে গিয়ে বলেছিল, এই তো ঢুকলে। হাত-পা ধুয়ে চা খেয়ে তবে যাও বাইরে।

    আমি জয়িতাকে বললাম, চা বসাও আসছি। দরজা খুলে দেখি দুটো ছেলে দাঁড়িয়ে আছে। একজন হাতজোড় করে বলল, আমি অনিকেত। রত্নাদীঘি পুজো কমিটি থেকে আসছি। আমরা দুর্গাপুজো উপলক্ষ্যে একটা অনুষ্ঠান করছি। আমরা চাই আপনি অষ্টমীর সন্ধেতে ম্যাজিক শো করেন ওখানে।

    আমি ঘাড় নেড়ে বলেছিলাম, হ্যাঁ যাব। ছেলেটা ফট করে আমার হাতে হাজার টাকা ধরিয়ে দিয়ে বলেছিল এটা অ্যাডভান্স। অসীম পাড়ুইকে তখনও পর্যন্ত কেউ অ্যাডভান্স দিয়ে বুক করেনি। শো শেষ হলেই টাকা পেমেন্ট করেছে সকলে। সেই প্রথম কেউ অসীম পাড়ুইকে আগাম বায়না করেছিল।

    অনিকেত তিতলির মাথায় হাত বুলিয়ে বলল, আপনার মেয়ে এখন কোথায়? তখন তো মনে হচ্ছে তিতিলির মতোই বয়েস ছিল তাই না?

    অসীম তিতলির দিকে তাকিয়ে বলল, হ্যাঁ এর মতোই তখন ছিল ঝিনুক। আমি এখন আর ম্যাজিক দেখাই না। আপনি এবারে আসুন। আমায় আলুসিদ্ধ করতে হবে, লঙ্কা, ধনেপাতা, নারকেল কাটতে হবে, অনেক কাজ বাকি।

    অনিকেত বলল, কিন্তু কেন অসীমদা? কেন দেখান না? আমাদের পাড়ার সকলে আপনার সুখ্যাতি করেছিল। বছর দুয়েক পরও আপনাকে আনা হবে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল, আমার কাছ থেকে ঠিকানা নিয়ে দুটো ছেলে গিয়েছিল আপনার বাড়ি। কিন্তু গিয়ে শুনেছিল আপনি নাকি আর থাকেন না ওই বাড়িতে। বাড়িটা নাকি বিক্রি হয়ে গেছে।

    অসীম পাড়ুই উশখুশ করে বলল, আপনার মেয়েটা বড় মিস্টি ওকে নিয়ে বাড়ি ফিরে যান।

    অনিকেত অবাক হয়ে বলল, আপনি আমার প্রশ্নটা এড়িয়ে কেন যাচ্ছেন? আপনি কেন খেলা দেখানো ছেড়ে দিলেন? আপনি কি জাদুবিদ্যা ভুলে গেলেন?

    উত্তেজিত হয়ে উঠল অসীম পাড়ুই। তিতলির দিকে তাকিয়ে বলল, কিছুই ভুলিনি আমি। দেখবেন দেখবেন আমি ওকে ভ্যানিশ করে দেব?

    একটা পুরোনো সাদা কাপড়, একটা পুরোনো ট্রাংক আর কাঠের লম্বা বাক্স সামনে নিয়ে এসে উত্তেজিত গলায় বলল, ভ্যানিশ করে দেব।

    কাঠের বাক্সের মধ্যে ভরে দিল তিতলিকে। তিন সেকেন্ড পরে কাঠের বাক্সটা খুলে দেখাল তিতলি নেই।

    বুকটা ধক করে উঠল অনিকেতের।

    অসীম উদ্ভ্রান্তের মতো হেসে বলল, নাম-যশ-টাকার লোভে আমি খুন করে ফেলেছি আমার ঝিনুককে।

    শিরদাঁড়া দিয়ে হিমেল স্রোত বয়ে যাচ্ছে অনিকেতের।

    হাউমাউ করে কেঁদে অসীমের হাতটা ধরে বললো, আমার তিতলিকে আপনি ফেরত দিন।

    অসীম নিজের হাতে থুথু ছিটিয়ে বললো, মানুষ ভ্যানিশ করার খেলায় মেতেছিলাম তখন আমি। নিজের মেয়েকে নিয়ে যেতাম প্রায় সব শোতে। একবার একটা শোয়ের সময় ঝিনুককে কাঠের বক্সে ভরে দিলাম। কিন্তু ভিতরে যে চোরা বাক্সটা থাকে তার মধ্যে ছোট্ট নিশ্বাস নেওয়ার ছিদ্রটা রাখতে ভুলে গেলাম ঝিনুকের নাকের সামনে। শেষ মোচড়টা দিতে ভুলে গিয়েছিলাম। যখন বক্স খুললাম তখন আমার ছোট্ট ঝিনুক মৃত। বাবার বদনাম যেন না হয় তাই সে বক্সের মধ্যে একটুও নড়াচড়া করেনি। দমবন্ধ হয়ে মরে গেলো আমার ঝিনুক। জয়িতা বলেছিল, কোনো কেস করব না আমি তোমার বিরুদ্ধে। তুমি রোজ মরবে, একটু একটু করে মরবে। জয়িতা চলে গিয়েছিল আমায় ছেড়ে বাপের বাড়ি।

    আমি ওই বাড়িতে ঝিনুকের সব খেলনার সঙ্গে ছিলাম কিছুদিন। কিন্তু আর পারছিলাম না। তাই পালিয়ে এসেছিলাম এত দূরে। যাতে কেউ আমায় চিনতে না পারে। অনিকেত অসীমের পা দুটো ধরে বললো, আপনি যত টাকা চান আমি দেব, আমার মেয়েটাকে ফেরত দিয়ে দিন।

    অসীম বলল, মেয়েটাকে আমায় দেবেন না বাবু? দিয়ে দিন না?

    অনিকেত দাঁতে দাঁত চেপে বলল, তিতলিকে বের করে দাও। নাহলে আমি পুলিশ ডাকব। কাঠের বক্সে মোচড় দিয়ে অসীম বের করে দিল তিতলিকে।

    তিতলি চোখ বন্ধ করে শুয়ে আছে। অনিকেত তিতলির মুখের সামনে গিয়ে বলল, তিতলি? এই তিতলি?

    তিতলি চোখ মেলে কঁকিয়ে কেঁদে উঠল। বাবা বলে গলাটা জড়িয়ে ধরল। অসীমের গাল বেয়ে জল পড়ছে। আস্তে আস্তে বলল, এ বড় ভয়ঙ্কর খেলা বাবু। তাই ছেড়ে দিলাম। যান আপনার মেয়েকে নিয়ে বাড়ি যান। আর কখনও এ চত্বরে আসবেন না।

    অনিকেত তিতলিকে বুকে জড়িয়ে কোনোমতে বেরিয়ে এল অসীমের ঘর থেকে।

    অসীম ফিসফিস করে বলল, আমিও বাবা ছিলাম। লোভী বাবা। তাই হয়তো ভগবান মেয়েটাকে কেড়ে নিল। কেড়ে নিল ঝিনুককে।

    অনিকেত তিতলিকে বুকের মধ্যে জড়িয়ে ধরে বলল, আমায় ক্ষমা করিস তিতলি।

    ⤶
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআদিবাসী লোককথা : ১ম খণ্ড – দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    Next Article মন আয়নায় মেঘ – অর্পিতা সরকার

    Related Articles

    অর্পিতা সরকার

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    অর্পিতা সরকার

    এসো না অসময়ে – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    অর্পিতা সরকার

    মন আয়নায় মেঘ – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Our Picks

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026

    শ্মশানকোকিলের ডাক – সৌভিক চক্রবর্তী

    May 1, 2026

    এসো না অসময়ে – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }