Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026

    শ্মশানকোকিলের ডাক – সৌভিক চক্রবর্তী

    May 1, 2026

    এসো না অসময়ে – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    প্রিয় পঁচিশ – অর্পিতা সরকার

    অর্পিতা সরকার এক পাতা গল্প407 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    নিশ্চুপ পিয়ানো – অর্পিতা সরকার

    নিশ্চুপ পিয়ানো

    বললে না তো আমাদের ফার্স্ট অ্যানিভার্সারিতে তুমি আমায় কী গিফট করবে?

    চন্দ্রিমা ওর অবাধ্য চুলকে শাসন করে পার্পেল কালারের নেলপলিশটা সুন্দর করে লাগাচ্ছিল ম্যানিকিওর করা আঙুলে। সেদিকে অপলক তাকিয়ে অঙ্কুর বলল, বলো কী চাও?

    অঙ্কুরের থেকে বয়েসে অন্তত বছর সাতেকের ছোট চন্দ্রিমা। অ্যারেঞ্জড ম্যারেজে এমন একটু-আধটু বয়েসের ডিফারেন্স থাকে বলেই মনে করেছিলেন চন্দ্রিমার এক্স-মিলিটারিম্যান বাবা। চন্দ্রিমা বাবার একমাত্র আদরের মেয়ে। ছোটবেলায় মাতৃহারা বলেই হয়তো বাবার অত্যন্ত আদরে একটু হলেও প্যাম্পার্ড চাইল্ড বলা যায়। ওর মুড পরিবর্তন বোধহয় আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের স্কেলেও ধরা পড়ে না। তাই রিটায়ার্ড মিলিটারিম্যান সুশোভন সরকার একমাত্র কন্যার বিয়ে দেওয়ার সময় একটু ম্যাচিওরড পার্সনকেই পছন্দ করেছিলেন। ছেলে হিসাবে অঙ্কুরকে খুবই পছন্দ হয়েছিল সুশোভনবাবুর।

    ধীর-স্থির, নম্র-ভদ্র, ভালো চাকরি করে। সাইড বিজনেসও আছে। যেহেতু এম.বি.এ. করেছিল তাই বিয়ের পর থেকে অঙ্কুরের ব্যবসার অনেকটা দায়িত্ব নিজের কাঁধেই তুলে নিয়েছে চন্দ্রিমা। ইন্টিরিয়র ডেকোরেশনের বিজনেস। চন্দ্রিমার এমনিতেই ঘর সাজানো ভারি পছন্দের কাজ। তাই অঙ্কুরের শখ করে শুরু করা ব্যবসাটার দায়িত্ব বিয়ের পর থেকেই চন্দ্রিমার। অঙ্কুর রেলে কর্মরত। কেন তারপরেও ওর এমন একটা ব্যবসার কথা মাথায় এল, এটা নিয়েই ওকে দেখতে যাবার পরে প্রথম প্রশ্নটা করেছিল চন্দ্রিমা।

    অঙ্কুর বলেছিল, এটা আসলে বাবার ব্যবসা। আমার বাবা ব্যবসাপ্রিয় মানুষ ছিলেন। কয়েকযুগ এগিয়ে ভাবতে পারতেন। প্রচুর পড়াশুনা করতেন। কিন্তু ব্যবসাদার ছিলেন না বলেই বুঝতে পারেননি আমাদের এখানে ইন্টিরিয়রের ব্যবসা চলবে না। শেষপর্যন্ত বাবাকে কাঠের ফার্নিচারের ব্যবসা করতে হয়েছিল। কিন্তু ইন্টিরিয়রের ব্যবসার জন্য বানানো অফিসটাতে মাঝেমাঝেই গিয়ে বাবা বসে থাকতেন। তাই বাবার মৃত্যুর পর কাঠের ফার্নিচারের ব্যবসাটা বন্ধ করে দিলেও এই স্বপ্নটাকে বাস্তবায়িত করার চেষ্টা করছি মাত্র। চাকরির পরে সময় তেমন দিতে পারি না। তবুও বাঁচুক যে ক-দিন পারে।

    চন্দ্রিমার খুব পছন্দের বিজনেস এটা। আর এই মুহূর্তে রমরম করে চলছে। কলকাতা শহরের ছোট্ট ছোট্ট ফ্ল্যাটগুলোকে কম জায়গার মধ্যে ছবির মতো সাজিয়ে দেওয়ার জন্য ডাক পড়ছে অন্দরমহলের। ‘অন্দরমহল’ নামটাও অঙ্কুরের বাবার দেওয়া। অফিসে একটা বড় করে ছবি টাঙিয়ে রেখেছে চন্দ্রিমা স্বর্গীয় শ্বশুরমশাইয়ের। তাতে রোজ নিজের হাতে মালা পরায় চন্দ্রিমা।

    অঙ্কুর এই একবছরে এটুকু বুঝেছে, চন্দ্রিমার বয়েসটা কম তাই উচ্ছলতা একটু বেশি। কিন্তু কোনো দায়িত্ব দিলে ও সেটা যেভাবেই হোক পালন করে। স্ত্রীকে অঙ্কুর একটু বেশিই প্রশ্রয় দেয়।

    চন্দ্রিমা বলল, আগে বলো দেবে। প্রমিস করো।

    অঙ্কুর বলল, চাঁদে জমি কিনতে বোলো না প্লিজ।

    চন্দ্রিমা মিষ্টি করে হেসে বলল, যতক্ষণ না তুমি প্রমিস করছ ততক্ষণ পর্যন্ত আমি আমার গিফটের কথা কিছু বলব না তোমায়।

    অঙ্কুর অভিমানী গলায় বলল, এখনও পর্যন্ত তুমি যা আব্দার করেছ সেটা আমি দিইনি এমন হয়েছে? তাহলে এটা অবিশ্বাস করছ কেন? আচ্ছা বাবা প্রমিস করছি দেব।

    চন্দ্রিমা অঙ্কুরের বুকে মাথা ঠেকিয়ে আলতো আব্দারের সুরে বলল, একটা পিয়ানো চাই।

    অঙ্কুর বলল, এই কথা! এখন তো তুমিই অন্দরমহলের মালিক। আমার থেকে তোমার কাছে টাকা বেশি আছে। তারপরেও যখন মুখ ফুটে আমার মিষ্টি বউটা আমার কাছে আব্দার করেছে তখন আমি নিশ্চয়ই তোমাকে একটা দামি পিয়ানো কিনে এনে দেব।

    ঘাড় নেড়ে চন্দ্রিমা বলল, না, এটা তুমি এইচ পালের দোকানে পাবে না। আসলে কী জানো, আমাদের ভারতে অরিজিনাল পিয়ানো তৈরিই হয় না। এইচ পালের দোকানে পিয়ানো সারাই হয়ে বিক্রি হয়। যদিও ওক আর মেহগনি কাঠের পিয়ানোই সব থেকে ভালো হয়। পিয়ানো শব্দটি ইতালীয় শব্দ ‘Pianoforte’ এর সংক্ষিপ্ত রূপ। সংগীতের পরিভাষায় ‘Piano’ অর্থ ‘নিঃস্তব্ধতা (Quiet)’ এবং ‘Forte’ অর্থ ‘শব্দময়তা (Loud)’। আসলে পিয়ানোর চাবিতে স্পর্শ করলেই এটি শব্দ সৃষ্টি করে এবং ছেড়ে দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নিঃস্তব্ধ হয়ে যায় বলে যন্ত্রটির এরূপ নামকরণ করা হয়েছে।

    কিন্তু আমার চাই অন্য কিছু।

    অঙ্কুর চোখ বড় বড় করে তাকিয়ে বলল, তুমি কি পিয়ানো শিখেছিলে নাকি? বলোনি তো?

    চন্দ্রিমা বলল, না শিখিনি। তবে শেখার আগ্রহ আছে। আমার একটা ১৯০৫ সালের পিয়ানো চাই।

    অঙ্কুর বলল, সর্বনাশ! তখনকার পিয়ানো পাব কোথায়?

    চন্দ্রিমা বলল, আছে আছে। আমার স্কুলের বান্ধবী রাখী ডিসুজার ঠাকুমা আরিয়া ডিসুজার কাছেই আছে এমন একটা পিয়ানো। আমি স্কুলে পড়াকালীন গিয়েছিলাম ওদের বাড়িতে। রাখী এখন জার্মানি চলে গেছে। বিয়ে-থা করে ওখানেই সেটেল্ড। রাখীর বাবা মারা গেছেন। ওর ঠাকুমা একাই পড়ে থাকেন ওদের গোলপার্কের বাড়িতে। জানো তো, ভদ্রমহিলা নিজের বাড়িতে নিজেই ভাড়া থাকেন!

    ওঁর ছেলে নাকি বাড়িটা বিক্রি করে দিয়ে গিয়েছিল। শুনলাম ওবাড়ির সব জিনিস নিলামে উঠিয়ে বিক্রি করে দিচ্ছেন বর্তমান বাড়ির মালিক ভদ্রলোক। আরিয়া ডিসুজার বাড়ির আসবাব মানে তো ওই পিয়ানোটাও নিশ্চয় আছে। প্লিজ প্লিজ অঙ্কুর আমার ওটা চাই।

    অঙ্কুর বলল, বুঝলাম। তো এই অকসনটা কোথায় হচ্ছে?

    উৎসাহ পেয়ে গেছে চন্দ্রিমা। ওকে আর দেখে কে!

    উত্তেজিত হয়ে বলল, আমার কাছে সব খবর আছে। মিস্টার চ্যাটার্জী সব পুরোনো জিনিস দিয়ে ওঁর বাড়িটা ডেকোরেশন করাবেন বলে অন্দরমহলকে কন্ট্রাক্ট দিয়েছেন। তারপর থেকে আমি শ্যামল আর কেকাকে নিয়ে গোটা কলকাতা চষে ফেলেছি। প্রচুর নিলামে ওঠা জিনিসও কিনেছি দরদাম করে।

    অঙ্কুর হেসে বলল, যা! ওই দুটোই আমার একটু ভালো এমপ্লয়ী ছিল। ওদের মাথাটাও তুমি নিজের মতো করে খারাপ করে দিলে!

    চন্দ্রিমা মুখ ভার করে বলল, ও আমার মাথা খারাপ? অঙ্কুর চন্দ্রিমাকে কাছে টেনে নিয়ে বললো, এই নিয়ে সন্দেহ আছে এমন মানুষ কলকাতা শহরে আছে নাকি!

    অঙ্কুর চন্দ্রিমার মুড আর পাগলামি নিয়ে মাঝে মাঝেই লেগপুলিং করে। এ নতুন কিছু নয়।

    চন্দ্রিমা বলল, ধুর বাবা, তারপর শোনো না… মেহগনি কাঠের একটা পালঙ্ক নিয়েছি সেদিন এই অকসন থেকে। মিস্টার চ্যাটার্জী চা-বাগানের মালিক বুঝলে। তাই দেদার টাকা খরচ করছেন বাড়িটাকে এমন সব অ্যান্টিক জিনিস দিয়ে সাজাতে। শেষে খুঁজতে খুঁজতে বেরিয়ে গেল ওই পালঙ্কটা নাকি জগৎ শেঠের কোনো আত্মীয়ের। ভাবতে কেমন রোমাঞ্চ লাগছে না অঙ্কুর!

    অঙ্কুর ছদ্ম বিস্ময়ের ভঙ্গি করে বলল, বলো কী! সেই তখনকার জিনিস!

    চন্দ্রিমা বলল, মিস্টার চ্যাটার্জীর বাড়িটা ডেকোরেট করে ফেলার পরে তোমায় একদিন নিয়ে যাব। দেখবে ঝাড়লণ্ঠনটা। ড্রয়িং রুমে ঢুকলে ওটার দিকেই তাকিয়ে থাকবে। আর জানো, মাস্টার ক্লকটা তো সেই ইংরেজ আমলের।

    অঙ্কুর ফিসফিস করে বলল, মিস্টার চ্যাটার্জী তার মানে আস্ত একখানা চিড়িয়াখানা বানাচ্ছেন।

    অঙ্কুরের অত্যাধুনিক হ্যান্ডি ফার্নিচারই বেশি পছন্দের। কিন্তু আদুরে বউয়ের সামনে সে কথা প্রকাশ না করেই বলল, নিশ্চয় যাব দেখতে। তুমি বাড়িটাকে মনের মত করে সাজাচ্ছ আর আমি দেখব না তাই হয়!

    চন্দ্রিমা বেজায় খুশি হয়ে বলল, তাহলে কালকে মিসেস ডিসুজার বাড়ি গিয়ে নিলামে ওঠার আগেই পিয়ানোটা কিনে নিয়ে আসি?

    ফোনটা বেজে উঠল ঠান্ডা ঘরের নিস্তব্ধতা ভেঙে। চন্দ্রিমার ফোনের রিংটোনটা অঙ্কুরের খুব পছন্দের।

    ‘তুমি আসবে বলেই

    সোনালি স্বপ্ন ভিড় করে আসে চোখে

    তুমি আসবে বলেই

    আগামী বলছে দেখতে আসব তোকে…”

    ফোনটা রিসিভ করেই চন্দ্রিমা বলল, হ্যাঁ শ্যামল বলো। সেকি কখন? তাই নাকি? তাহলে তো আমাদের সকাল দশটার আগেই পৌঁছাতে হবে।

    চন্দ্রিমা ফোন রেখে বলল, আর বোলো না, মিসেস আরিয়া ডিসুজার বাড়িওয়ালা আগামীকাল ওঁকে বাড়ি ফাঁকা করে দিতে বলেছেন। তাই সব জিনিস নিলামে বিক্রি হয়ে যাবে বোধহয়। ওঁর কাছে বাড়ি ভাড়ার টাকা নেই। তাই উনি কাঠের সিন্দুক, শ্বেতপাথরের পরী বিক্রি করে দিয়েছেন। বাকি আছে খুব সামান্যই। ওগুলোও তার মানে ওই লোভী লোকটা আত্মসাৎ করতে চাইছে। এটা হতে দেওয়া যায় না। আরিয়া ডিসুজা যা দাম চায় আমি সেটা দিয়েই কিনব।

    অঙ্কুর ওর চেকবুকটা এগিয়ে দিয়ে বলল, কিনে এনো তোমার অ্যানিভার্সারি গিফট। আমি সাইন করেই রেখেছি তুমি অ্যামাউন্ট বসিয়ে নিও।

    চন্দ্রিমা সকাল সকাল রেডি হয়ে বেরিয়ে গেছে। অঙ্কুরের ব্রেকফাস্ট সাজানো আছে টেবিলে।

    ধীরে সুস্থে খবরের কাগজটা খুলল অঙ্কুর। সকালে সেকেন্ড কাপ চা খেতে খেতে দৈনিক সংবাদ পড়াটা ওর নিস্তরঙ্গ জীবনে বিলাসিতা।

    ভীষণরকমের প্রাইভেট পার্সন ও। ঠিক চন্দ্রিমার বিপরীত। ও যেমন পার্টি, হইহুল্লোড়ে মেতে থাকতে ভালোবাসে অঙ্কুর আবার নিয়ন আলোয় রবীন্দ্রসংগীতের ভক্ত। এতে অবশ্য ওদের দুজনের কোনো সমস্যা হচ্ছে না। কারণ ওরা দুজনেই ব্যক্তিস্বাধীনতায় বিশ্বাসী। চন্দ্রিমাও কখনও জোর করে ওকে ডিস্কোতে নিয়ে যায়নি। আর অঙ্কুরও ওকে বাধ্য করেনি নিজেকে পরিবর্তন করতে।

    দুই মেরুর তাই সুন্দর সহাবস্থান ঘটেছে ওদের দুজনের সংসারে। তবে চন্দ্রিমাকে নিয়ে সবসময় একটা চাপা আতঙ্ক কাজ করে অঙ্কুরের মনে। মেয়েটা বড্ড সরল স্বভাবের। সহজেই লোকজনকে বিশ্বাস করে ফেলে।

    খবরের কাগজের হেডলাইনটা পড়ে চমকে উঠল অঙ্কুর।

    এরকমই একটা নাম বলেছিল না চন্দ্রিমা!

    গোলপার্কের বাসিন্দা মিসেস আরিয়া ডিসুজার বাড়িতে গতকাল রাতে ডাকাতি হয়। ভদ্রমহিলার বয়স প্রায় আশি বছর। একাই থাকতেন বাড়িতে। দেনার দায়ে নিজের বাড়িটা পর্যন্ত বিক্রি হয়ে গেছে। মালিক দয়া করেই থাকতে দেন ওঁকে। এমন দরিদ্র মানুষের বাড়িতে ঠিক কী কারণে ডাকাতি হল তার হদিশ পায়নি পুলিশ। ভদ্রমহিলা ঘুমের ওষুধ খেয়ে ঘুমোচ্ছিলেন। ভোরে উঠে দেখেন ঘর তছনছ হয়ে গেছে।

    বাড়ির মালিক থাকেন দোতলায়। তাঁর জবানবন্দিতে জানা যায়, ঘরে খুব সামান্য আসবাবই অবশিষ্ট আছে। ডাকাত কিছুই নিয়ে যায়নি। শুধু দরজাটা ভাঙা রয়েছে। আর ঘরটা লন্ডভন্ড হয়ে রয়েছে।

    পুলিশের ধারণা দুষ্কৃতীরা ভুল ঠিকানায় ঢুকে পড়েছিল। তবে তাদের খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে স্থানীয় পুলিশ।

    অঙ্কুর দেরি না করে ফোন করল চন্দ্রিমাকে। বলবে এখুনি চলে এসো। ওই বাড়িতে ঢোকার দরকার নেই। শেষে পুলিশি ঝামেলায় জড়িয়ে পড়বে।

    কিন্তু মহারানীর তো ফোন নট রিচেবেল বলছে। উফ, এই মেয়েটা ওকে পাগল করে ছাড়বে। উঠল বাই তো কটক যাই। এখুনি ওর ১৯০৫ সালের পিয়ানোর ঠিক কী দরকার কে জানে!

    অস্থিরভাবে পায়চারি করা ছাড়া আর কিছুই করার নেই। কেকা আর শ্যামলের ফোনেও তাই। তার মানে কী ওরা ওই বাড়িতে ঢুকে পড়েছে!

    বাড়িটাতে ঢুকতেই কত পুরোনো কথা মনে পড়ে গেল চন্দ্রিমার। হাতে গুনে বার দুয়েক এসেছিল ও রাখীদের এই বাড়িটাতে। ওর দাদু তখনও বেঁচে ছিলেন। কুঁচকে যাওয়া চামড়া, কপালে অনেকটা জীবন কাটিয়ে আসার দুশ্চিন্তা। চালসে পড়া চোখে তাকিয়েছিলেন ওর দিকে। রাখী আর চন্দ্রিমা লম্বা বারান্দা দিয়ে একটু এগোতেই ওর দাদু গম্ভীর গলায় বলেছিলেন, দক্ষিণের ঘরের দিকে কেন যাচ্ছ? ওদিকের ঘরে যাবে না।

    রাখী রাগ দেখিয়ে বলেছিল, হ্যাঁ হ্যাঁ জানি। যাব না ওই ঘরে। ওই ঘরে তো তোমার লাখ টাকার সম্পত্তি রয়েছে না!

    আমরা ছাদে যাব।

    চন্দ্রিমা কৌতূহলবশত বলেছিল, ওই ঘরে কী আছে রে?

    রাখী মুখ বেঁকিয়ে বলেছিল, হাতির মাথা। একটা পিয়ানো, কটা বই আর একটা চেয়ার আছে। ওটা নাকি দাদুর প্রাইভেট সময় কাটানোর জায়গা। তাই ওঘরে কেউ ঢুকলে বিরক্ত হয়। আমি কলেজে উঠলেই বাবা বলেছে একটা ফ্ল্যাট কিনবে। এই ইংরেজ আমলের বাড়িতে কে থাকবে রে? যতসব বস্তাপচা জিনিসে ভর্তি ঘরবাড়ি।

    চন্দ্রিমা বলল, তোর দাদুর নাম কী রে?

    রাখী বলল, রবার্ট ডিসুজা। দাদুর মুখে শুনেছি আমার পূর্বপুরুষ পোর্তুগালে ছিলেন। ওখান থেকে কোনো কারণে এদেশে আসেন। তারপর এদেশের জলমাটির মায়া ত্যাগ করে আর ফিরে যাননি। তিনি এক বাঙালি মেয়েকে বিয়ে করে এদেশেই বসবাস শুরু করেন। আমরা কিন্তু পাক্কা বাঙালি বুঝলি। এমনকি আমার দাদুরও খুব প্রিয় শহর কলকাতা।

    চন্দ্রিমা বলল, একবার উঁকি মেরে দেখব ওই ঘরটা?

    দুজনের মাথাতেই দুষ্টুমি বুদ্ধি খেলে গেল।

    খুব সন্তর্পনে খুলে ফেলল দরজার ছিটকিনি। পা টিপে টিপে ঢুকল ওই ঘরে। নেহাতই সাদামাটা একটা ঘর। কাঠের আলমারিতে বেশ কিছু বই। একটা ইজি চেয়ার। আর একটা বিশাল পিয়ানো। সাদা রঙের একটা ঝালর দেওয়া কাপড়ের কভার পরানো আছে। দেওয়ালে একটা ছবিতে রাখীর দাদু স্যুট পরে পিয়ানো বাজাচ্ছেন।

    চন্দ্রিমা বলল, এই রাখী কভারটা একটু সরিয়ে দেখা না রে?

    রাখী ভয়ে ভয়ে ফিসফিস করে বলল, তোকে শনিবার বিকেলে একদিন আনব। প্রতি শনিবার বিকেলে দাদু এই পিয়ানোর ঢাকা নিজে হাতে সরায়। তারপর অনেকক্ষণ ধরে নিখুঁত করে মুছে দিয়ে আবার কভার পরিয়ে রাখে। আমি যখন খুব ছোট তখন দাদু বাজাত, ঠাকুমাও শিখেছিল টুকটাক। কিন্তু দীর্ঘদিন হয়ে গেল পিয়ানোটা খারাপ হয়ে পড়ে আছে। বাবা বলেছিল মিস্ত্রি ডেকে মেরামত করে দেবে। দাদু বলেছে, কেউ হাত দেবে না। এ জিনিস এখানের নয়। হাতুড়ে এসে আরও নষ্ট করে দিয়ে যাবে। সিলিঙের ওপরের ঝাড়টা দেখিয়ে রাখী বলেছিল, ওটা নাকি বেলজিয়াম গ্লাস দিয়ে তৈরি। আমার দাদুর বাবাকে কোন ইংরেজ মেম উপহার দিয়েছিল। এবাড়ির বেশিরভাগ আসবাবই বিদেশের। সব আমার দাদুর বাবা বিদেশ থেকে আনিয়েছিল। অথবা ইংরেজদের কাছ থেকে উপহার পেয়েছিল। ইংরেজ কোম্পানিতে চাকরি করত তো তাই। আমার দাদুও প্রথম জীবনে ইংরেজদের কোম্পানির এমপ্লয়ী ছিল। তারপর ওরা এ দেশ ছেড়ে চলে গেলে রেলে চাকরি নিয়েছিল।

    চন্দ্রিমার চোখের সামনে কত কত অদেখা অতীত ভিড় করে এসেছিল। ঘরের মধ্যে দাঁড়িয়েই কল্পনা করেছিল, এখানে একটা পার্টি চলছে… রাখীর দাদু পিয়ানো বাজাচ্ছেন। চারপাশে সাহেব, মেম হাতে সোনালি পানীয় নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে। বাড়ির সামনে ফিটন গাড়ির লাইন। আর বাইরে স্বদেশিরা ওঁৎ পেতে বসে আছেন কখন কোন সাহেবের গাড়ির ওপরে ইট ছুঁড়ে মারবেন। পরিবেশটা কল্পনা করেই শিউরে উঠেছিল চন্দ্রিমা। সেই থেকেই রাখীদের এই বাড়িটার প্রতি ওর ভীষণ আগ্রহ ছিল। রাখী অবশ্য কথা রেখেছিল। এক শনিবার ওরা দরজার ফাঁক দিয়ে দেখেছিল সম্পূর্ণ ওক কাঠের তৈরি এই বিশাল পিয়ানোটাকে। রবার্ট ডিসুজা সুন্দর করে পরিষ্কার করছিলেন। প্রতিটা রিডকে যত্ন করে মুছছিলেন।

    রাখীর দাদু রাশভারী হলে কী হবে রাখীর ঠাম্মি আরিয়া ডিসুজা ছিলেন মাই ডিয়ার মানুষ। কত সব গল্প করেছিলেন চন্দ্রিমার সঙ্গে।

    বলেছিলেন, রাখীর দাদু আসলে মাথাপাগলা লোক। যখন যা মন হয় তাই করে। এখন যেমন সে ওই ঘরে কাউকে ঢুকতে দেয় না। আমাকেও না। পিয়ানোটা কাউকে ধরতে দেয় না। বাজানো দূরে থাক, খারাপ হয়ে পড়ে আছে, সেটা সারায় না পর্যন্ত। ১৯০৫ সালের জিনিস ওটা। খাঁটি বিদেশি জিনিস। কী সুন্দর ওর সুর। রবার্ট নাকি বাজাতোও দারুণ।

    ঘরগুলোতে পা দিয়ে স্কুলজীবনে ফিরে যাচ্ছিল চন্দ্রিমা। কেকা ফিসফিস করে বলল, দিদি মিসেস ডিসুজা বসে আছেন। ওই দেখুন।

    চন্দ্রিমা দেখল একটা চেয়ারে হেলান দিয়ে বসে আছেন মিসেস আরিয়া ডিসুজা। সেই চেহারা আর নেই। কী সুন্দর দেখতে ছিলেন। গোলাপি ফর্সা, পাতলা ঠোঁটে কী সুন্দর একটা হাসি লেগে থাকত। সুখী সুখী হাসি। এখন শরীরটা জরাজীর্ণ। মনে হচ্ছে যেন একটা দুর্ধর্ষ কালবৈশাখী এসে তছনছ করে দিয়ে গেছে ওঁর জীবনটা। দৃষ্টিতে চূড়ান্ত বৈরাগ্য। শরীরে নেমেছে ক্লান্তি। অনিচ্ছা সত্ত্বেও জীবনটাকে টেনে নিয়ে যাওয়ার বিরক্তি ফুটে উঠেছে ভাঁজ পড়া কপালের রেখায়। পরমায়ু কেন এখনও রয়ে গেছে বলেই হয়তো আক্ষেপ করছেন ভদ্রমহিলা।

    চন্দ্রিমা নরম গলায় বলল, কেমন আছো গো ঠাম্মি? আমায় চিনতে পারছ?

    আরিয়া ডিসুজা ঝাপসা দৃষ্টি মেলে তাকিয়ে বললেন, কে? কে তুমি?

    চন্দ্রিমা ওঁর শিরা বেরোনো হাতের ওপরে হাত রেখে বলল, আমি রাখীর বন্ধু ছিলাম। আগে আসতাম তোমাদের বাড়ি।

    রাখীর নামটা শুনে ভদ্রমহিলা একটু হেসে বললেন, আমার নাতনী তোমায় পাঠাল? কী বলেছে সে? একটা ফোনও তো করে না আমায় কেউ। ওঁর গলায় অভিমানী ক্ষোভ দলা পাকাচ্ছে।

    চন্দ্রিমা বলল, ঠাম্মি আমি তোমার পিয়ানোটা কিনতে চাই। বিক্রি করবে আমায়?

    আরিয়া ডিসুজা অপলক তাকিয়ে বললেন, পিয়ানো কেনার খদ্দের তো দুপুরে আসবে বলেছিল সুধীর। আমার বাড়িওয়ালা সুধীর বলেছিল, আজ ওই ঘরের চেয়ার আর পিয়ানো দুটো বেচে দেবে। দিয়ে ওর পাঁচ মাসের বাড়ি ভাড়া শোধ করে নেবে।

    চন্দ্রিমা বলল, কত করে বাড়ি ভাড়া দিতে হয় তোমায়?

    আরিয়া ডিসুজা আক্ষেপের সুরে বললেন, আমার ছেলে এই বাড়িটা বিক্রি করে দিয়েছিল। আমায় ভাড়াটে করে রেখে সকলে উঠে গিয়েছিল অন্য ফ্ল্যাট কিনে। তারপর থেকে জমানো টাকা একটু একটু করে খরচ করে বেঁচে আছি। এ ঘরের ভাড়া দিতে হয় পাঁচ হাজার করে। আমার কাছে কমই নেয় সুধীর।

    গলাটা কাঁপছে আরিয়া ডিসুজার। সারাটা জীবন বিলাসিতা আর সম্মানের সঙ্গে বেঁচেছেন, এখন এমন অক্ষম অবস্থায় আত্মসম্মান খুইয়ে যন্ত্রণা পাচ্ছেন।

    চন্দ্রিমার মনটা কেঁদে উঠল। ওর বাবা একটা বৃদ্ধাশ্রমের দায়িত্বে আছে। এক্স-মিলিটারিম্যান এখন রীতিমতো ব্যস্ত ওই বৃদ্ধাশ্রম নিয়ে। চন্দ্রিমা ভাবল আরিয়া ঠাম্মিকে যদি বাবার ওই বৃদ্ধাশ্রমে পাঠানো যায় মন্দ হবে না।

    চন্দ্রিমার বাবা বলেন, ‘অলস মস্তিস্ক শয়তানের কারখানা বুঝলি! তাই নিজেকে ব্যস্ত রাখাটা প্রধান কর্তব্য।’

    বাবার রুটিনে কোনো ফাঁকি নেই। এখনও ভোরে উঠে মর্নিংওয়াকে যাওয়া। তারপর ব্রেকফাস্ট খেয়ে, সংবাদ মাধ্যমের অযৌক্তিক খবরের সমালোচনা করে বেরিয়ে পড়ে বৃদ্ধাশ্রমের জন্য ফান্ড কালেক্ট করতে। বাবার ইচ্ছে, ওটাকে খুব সুন্দর করে সাজানোর। আরও কয়েকটা ঘর বাড়ানোর। কিন্তু অনেক টাকার ব্যাপার।

    যাই হোক, আরিয়াঠাম্মির জন্য একটা ব্যবস্থা করতেই হবে ওকে। এত বয়েসের মানুষ এভাবে একা একা থাকতে পারে নাকি!

    রাখীর ওপরে খুব রাগ হল চন্দ্রিমার। ফেসবুক ফ্রেন্ডে আছে ও। যদিও এখন আর বেশি কথা হয় না। তবুও একবার অন্তত ওকে বলতে হবে যে এভাবে ঠাম্মাকে ফেলে দিয়ে তাঁকে সর্বস্বান্ত করার মানে কী!

    ঠাম্মি, রবার্ট দাদুর সেই পিয়ানোটা আছে এখনও? চন্দ্রিমার কথায় মিসেস ডিসুজা যেন অতীতের সোনালি দিনে পাড়ি দিতে চাইছিলেন।

    ওঁর চোখের চাউনিতে সোনালি দিনের মেদুরতা।

    সেই জমজমাট বাড়িটা যে এমন হয়ে গেছে ভাবতে চন্দ্রিমারই কেমন কষ্ট হচ্ছে।

    মিসেস ডিসুজা বললেন, এখনও আছে। তবে আজ দুপুরেই বিক্রি হয়ে যাবে। চন্দ্রিমা ইতস্তত করে বলল, ‘কত দাম দিয়েছেন তোমার বাড়ির বর্তমান মালিক সুধীর?’

    মিসেস ডিসুজা বললেন, পঞ্চাশ হাজার দাম দিয়েছে। ও জিনিস তো বাজে না। ভাঙাচোরা জিনিস। নেহাত কাঠটা দামি বলে দামটা পাচ্ছি। ওর বাড়ি ভাড়া মিটিয়ে কয়েকদিন চলে যাবে আমার। গলাটা বড্ড অসহায় শোনাচ্ছিল ওঁর।

    চন্দ্রিমা বলল, আমি যদি দেড় লাখ দিই আমায় দেবে ঠাম্মি?

    অপলক তাকিয়ে রইলেন মিসেস ডিসুজা। তারপর নরম গলায় বললেন, ওটা কিন্তু বাজে না। নেহাত রবার্টের খুব প্রিয় ছিল তাই আমি ধুলো জমতে দিইনি। রবার্ট বলেছিল, এটা কোনোদিন কাউকে দেবে না। এ তোমায় বুড়ো বয়েসে খাবার জোগাবে।

    রবার্ট বোধহয় নিজের সন্তানকে আমার থেকেও বেশি চিনতে পেরেছিল। আমার ছেলে যে এভাবে আমায় নিঃস্ব করে দেবে সেটা বোধহয় বুঝেছিল। রবার্ট তাহলে ঠিকই বলত, এটা বিদেশি পিয়ানো আরিয়া, এর অনেক দাম। চোখ দুটো ভিজে এল আরিয়া ডিসুজার। সত্যিই আমায় ওই পিয়ানোর জন্য এত দাম দেবে তোমরা?

    চন্দ্রিমা বলল, দেব ঠাম্মি। আরেকটা কথা, তোমাকে যদি এ বাড়ি থেকে আমি একটা ভালো জায়গায় নিয়ে যাই যেখানে তুমি অনেক বন্ধু পাবে, যাবে?

    আরিয়া হেসে বললেন, ওল্ডএজ হোম? হ্যাঁ যাব। কিন্তু সেখানে থাকতে গেলে তো টাকা লাগবে আমি কোথায় পাব?

    চন্দ্রিমা বলল, আমি ব্যবস্থা করছি।

    কথার মাঝেই বাড়ির বর্তমান মালিক সুধীর ঘোষ ঢুকলেন।

    বিরক্তির গলায় বললেন, আবার কী পুলিশের লোক নাকি? আরে আপনাদের তো বললাম, এঁর ঘরে চুরি করার মতো কিছুই নেই। নিশ্চয়ই দুষ্কৃতীরা ঠিকানা ভুল করে ঢুকেছিল। বয়স্ক মহিলা ভয়ে চেঁচিয়ে ফেলেছেন, সেই থেকে শুরু হয়েছে। সামনের বাড়িতেই এক মিডিয়ার ইঁচড়ে পক্ক ছেলে থাকে। সেই পুলিশে খবর দিয়েছিল। সেই আবার খবরও করে দিয়েছে কাগজে। আমি বলছি শুনুন, আদপে চুরি করার কিছুই নেই এ বাড়িতে। আপনারা আসুন এখন।

    চন্দ্রিমা হাত তুলে নমস্কার করে বললো, আমি চন্দ্রিমা সরকার। আমার ‘অন্দরমহল’ নামে একটি হাউজ ইন্টিরিয়র ডেকরেশনের বিজনেস আছে। আমি পুরোনো জিনিস, অ্যান্টিক জিনিস কিনে থাকি। শুনলাম এবাড়ির অনেক জিনিস নিলাম করছেন আপনি?

    সুধীরবাবুর চোখ দুটো উজ্জ্বল হয়ে উঠল। বললেন, কিন্তু বেশিরভাগ জিনিস তো বিক্রি হয়ে গেছে। থাকার মধ্যে আছে ওই সুরবিহীন পিয়ানো আর ইজিচেয়ারটা। তো ওই দুটোর জন্য কত টাকা দেবেন আপনি? আজ একটা খদ্দেরের সঙ্গে কথা হয়ে গিয়েছিল সত্তর হাজারে। আপনি তাহলে আশি দিন, আমি দিয়ে দেব। মিসেস ডিসুজার ধার আছে অনেক টাকা।

    চন্দ্রিমা বুঝল, সুযোগ বুঝে সুধীরবাবু ত্রিশ হাজার বেশি চাইছেন। কথা না বাড়িয়ে চেক কেটে দিলো চন্দ্রিমা। আরিয়া ঠাম্মির কানে কানে বলল, তোমার আরও টাকা পাওনা রইল। আর খুব তাড়াতাড়ি আমি তোমায় নিয়ে যাব।

    শ্যামল ফোন করে অন্দরমহলের নিজস্ব মালবাহী গাড়িটাকে ডেকে নিল।

    বাইরে বেরোতেই অঙ্কুরের ফোন।

    কী ব্যাপারটা কী? ফোন রিসিভ করছ না কেন? গতকাল মাঝরাতে ওই বাড়িতে ডাকাত ঢুকেছিল জানো? দেখো, কোনো পুলিশি ঝামেলায় পড়ো না।

    অঙ্কুরকে শান্ত করে ফোনটা রাখল চন্দ্রিমা। বাবাকে ফোন করে বলল ওদের বাড়িতে আসতে। আজই আরিয়াঠাম্মির একটা ব্যবস্থা করতে হবে। সব জিনিস নিয়ে নেওয়া হয়ে গেছে সুধীরবাবুর, এবারে যেকোনো দিন বাড়ি থেকে ঠাম্মিকে বের করে দেবে।

    পিয়ানোটা নিয়ে যখন বাড়িতে ঢুকল তখন দুপুর হয়ে গেছে। রান্নাঘর থেকে খুটখাট আওয়াজ আসছে। অঙ্কুর অফিসে যায়নি। বাবা, অঙ্কুর আর সারদাদি মিলে কিছু একটা রান্না করছে দেখেই আতঙ্কিত হল চন্দ্রিমা। তবে দুপুরে খেতে বসে দেখল চিকেনটা মন্দ রাঁধেনি তিনজন মিলে।

    শ্যামল আর কেকা অন্দরমহলের চেম্বারে চলে গেছে। এবেলা আর যায়নি চন্দ্রিমা। সেই স্কুলবেলার মতো একটা উত্তেজনা হচ্ছে ওর। ঠিক যেন নিষিদ্ধ জিনিসে হাত দিতে চলেছে। সেই যে রাখীর দাদু বলেছিলেন, দক্ষিণের ঘরে ঢুকবে না। আর রাখী বলেছিল, দাদু নাকি কাউকে ওই ভাঙা পিয়ানোতে হাত ছোঁয়াতেই দেন না। আজ মিসেস ডিসুজা বললেন, উনি মারা যাবার পরে শনিবার করে ধুলো মুছে কভার পরিয়ে রাখা ছাড়া আর কিছুই করেননি তাই বোধহয় সাদা সাটিনের কভার পরানো পিয়ানোটা ওকে ডাকছে হাতছানি দিয়ে।

    কোনোমতে খাবার খেয়েই ছুটে চলে গেল ড্রয়িংরুমে। ওর পিছন পিছন বাবা আর অঙ্কুরও এসে দাঁড়িয়েছে।

    ধীরে ধীরে কভারটা খুলে ফেলল চন্দ্রিমা। অরিজিনাল ওক কাঠের পালিশে আলো পড়ে চকমক করে উঠল। নিজের আভিজাত্য জানান দিল পিয়ানোটা। ওপরে পিতলের প্লেটে খোদাই করে লেখা আছে H.D Rowlson-১৯০৫।

    অঙ্কুর বললো, তার মানে চন্দ্রিমা এটা মিস্টার ডিসুজাদেরও নয়। ওঁর কাছেও এসেছিল হাত বদল হয়ে।

    চন্দ্রিমা হাত বুলিয়ে নিল একবার। কেমন যেন অদ্ভুত একটা টান আছে পিয়ানোটায়।

    চন্দ্রিমার বাবা বললেন, বাজাতে তো পারিস না। সরে যা একটু, আমি বাজিয়ে দেখছি।

    অঙ্কুর বললো, আপনি পারেন নাকি বাবা?

    সুশোভনবাবু মুচকি হেসে বললেন, অঙ্কুর এই তো খুব বড় ভুল করলে! কোনোদিন কোনো মিলিটারি ম্যানকে জিজ্ঞেস করবে না সে কোনো কিছু পারে কিনা! জানবে সে সব পারে, বুঝলে!

    হৃষিকেশে আমার পাশের কোয়ার্টারে এক ভদ্রলোক থাকতেন। খুব আড্ডাবাজ মানুষ ছিলেন। তিনি সন্ধে হলেই পিয়ানো নিয়ে বসতেন। আমিও গিয়ে আড্ডা জমাতাম মাঝে মাঝেই। তখনই উনি আমায় শিখিয়েছিলেন এর টুকিটাকি। খুব একটা ভালো বাজাতে পারি না। তার সঙ্গে দীর্ঘদিনের অনভ্যাস। তবে একটু আধটু তো পারবই।

    চন্দ্রিমা হেসে বলল, বাবা এটা তো খারাপ পিয়ানো। বাজে না। নিস্তব্ধ হয়ে চেয়ে থাকে।

    সুশোভনবাবু অবাক হয়ে অঙ্কুরের দিকে তাকিয়ে বললেন, এতটা প্রশ্রয় মেয়েকে দেওয়া কী ঠিক হচ্ছে অঙ্কুর? এ একটা ভাঙাচোরা পিয়ানো লাখ টাকা দিয়ে কিনে আনল আর তুমি হাসছ!

    চন্দ্রিমা বলল, এর অরিজিনাল দাম শুনলে তুমি চমকে উঠবে বাবা। এর দাম প্রায় ষোলো লক্ষ টাকা।

    অঙ্কুর বলল, তাই নাকি!

    সুশোভনবাবু জমিয়ে বসলেন পিয়ানোর সামনের বেঞ্চে।

    তারপর বললেন, বেশ আমি একটু খুটখাট করে দেখি এর থেকে কোনো কথা বের করতে পারি কিনা! তীক্ষ্ন নজরে তাকিয়ে বললেন, এমন ঝকঝকে পিয়ানোর একটা ছোট্ট জিনিস বড় দৃষ্টিকটু লাগছে চন্দ্রা। কীবোর্ডের একটা রিডের রং অন্যগুলোর মতো ব্ল্যাক নয় বুঝলি। একটু যেন ব্রাউন। এটা কেন? দাঁড়া প্রপস্টিকটাকে আগে তুলি বুঝলি। ভিতরে কিছু গন্ডগোল আছে মনে হচ্ছে।

    প্রপস্টিক দিয়ে পিয়ানোর ওপরের ঢাকনাটা খুলতেই এক কোণে চোখে পড়ল একটা ব্ল্যাক রিড। সুশোভনবাবু বললেন, অদ্ভুত তো। এই রিডটা কি কাজ করে না নাকি! তাই হালকা ব্রাউন রিডটা লাগানো হয়েছিল?

    ব্রাউন রিডটা টেনে খুলে ব্ল্যাক রিডটা লাগিয়ে প্যাডেলে পা দিতেই চোখের সামনে পিয়ানোটার ভিতরের দুটো ছোট্ট বক্স খুলে গেল। তার মধ্যে কোনো তার নেই। রয়েছে দুটো ছোট্ট বাক্স।

    চন্দ্রিমা অবাক হয়ে বলল, ওগুলো কী বাবা!

    অঙ্কুর প্রথম বক্সটা খুলতেই বেরিয়ে এল সোনার গিনি। আরেকটা বক্সে বেশ কিছু চিঠি। বেশিরভাগ চিঠি কোড ওয়ার্ডে লেখা।

    সুশোভনবাবুর চোখে জল।

    চন্দ্রা, ডিসুজারা প্রকৃতপক্ষেই বাঙালি ছিলেন রে। তুই কী বললি, ওঁরা পোর্তুগিজ ছিলেন! বাংলা লুঠ করতেই হয়তো এসেছিলেন এদেশে! কিন্তু তারপর বাংলার মাটিকে ভালোবেসে রীতিমত বাঙালি হয়ে গিয়েছিলেন। সম্ভবত মিস্টার রবার্ট ডিসুজার বাবা স্বদেশি আন্দোলনের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন। তিনি ইংরেজ কোম্পানিতে চাকরি করতেন অথচ স্বদেশিদের সাহায্য করতেন অর্থ দিয়ে। চিঠির অক্ষরে পরিচিত কয়েকজন স্বদেশি নেতার নামেরও উল্লেখ আছে। ইংরেজদের ফিটন গাড়িতে সাহেবের অস্ত্রশস্ত্র লুঠ করার একটা নকশাও রয়েছে কাগজে আঁকা। আরেকটা চিঠিতে মেয়েদের চুলের সোনার কাঁটা আটকানো আছে।

    চন্দ্রিমা বলল, বাবা এটা হয়তো কোন প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদারের সোনার কাঁটা। সাজসজ্জা যাঁদের কাছে অর্থহীন ছিল। দেশকে স্বাধীন করে তোলবার মন্ত্রেই যাঁরা দীক্ষিত ছিলেন।

    সোনার চুলের কাঁটা দিয়ে চিঠিটাকে এমনভাবে ভাঁজ করা আছে যে দেখে মনে হবে কোনো কুমারী হৃদয়ের প্রেমপত্র। কিন্তু খুলতেই দেখা গেল সেই আগুন জ্বালানো বাণী…বন্দে মাতরম। নীচে লেখা—

    ‘আমার সমস্ত অলঙ্কার প্রদান করিলাম দেশমাতৃকার উদ্দেশ্যে।’

    —সীমন্তিনী দাশগুপ্ত

    চন্দ্রিমা বলল, বাবা এই নামটা আমরা ইতিহাসের কোথাও পড়িনি তাই না? অমরত্ব লাভ করেনি কত নাম। অথচ তাঁদের অবদান লুকিয়ে আছে এই স্বাধীনতার পিছনে।

    সুশোভনবাবু বললেন, হ্যাঁ, আর এই যে রবার্টের পরিবার খাঁটি ভারতপ্রেমী ছিলেন, এটা তো আজ এই পিয়ানোটা না পেলে জানতেই পারতাম না। সুরবিহীন পিয়ানোটা কত বছর আগেকার ইতিহাস বহন করে চলেছে বলত!

    অঙ্কুর আরেকটা বাক্স এনে বলল, বাবা এতেও গোল্ড আছে।

    চন্দ্রিমার গায়ে কাঁটা দিয়ে উঠল। তার মানে রবার্ট ডিসুজা জানতেন সব। হয়তো ছেলে নিঃস্ব করবে বুঝেই এগুলো লুকিয়ে রেখেছিলেন। যাতে আরিয়া ডিসুজার অর্থাভাব না হয়। কিন্তু হার্ট অ্যাটাকে আচমকা মারা যান বলেই বলে যেতে পারেননি।

    সুশোভনবাবু বললেন, বুঝলি চন্দ্রা, আমার দৃঢ় ধারণা কাল ও বাড়িতে কোনো বাইরের ডাকাত ঢোকেনি। ওই সুধীরই রাতে তল্লাশি চালিয়েছে। হয়তো ওর কাছে খবর ছিল ডিসুজাদের বাড়িতে সম্পত্তি আছে। তাই বাড়িটা কিনে নিয়েও মিসেস ডিসুজাকে থাকতে দিয়েছিল। আর সমস্ত আসবাব নিলামে তোলার নাম করে সবকিছু খুঁজে দেখেও নিয়েছে। আজকে দুপুরে এই পিয়ানোটা নিলামে উঠত। আর কিছুই অবশিষ্ট নেই ওবাড়িতে। তাই সুধীর বাকি ঘরগুলো তন্নতন্ন করে খুঁজেছিল।

    অঙ্কুর বললো, বাবা এই সম্পত্তি কী পুলিশে দেওয়া উচিত?

    সুশোভনবাবু বললেন, এর মালিক আমরা নই অঙ্কুর। মিসেস ডিসুজার সম্পত্তি এটা। উনি যা ভালো বুঝবেন করবেন। চন্দ্রিমা আজ বিকেলে গিয়ে ওঁকে নিয়ে চলে আয়। ওঁকে হয়তো সুধীর এবারে রাস্তায় বের করে দেবে।

    চন্দ্রিমা সুধীরবাবুর সামনে গিয়ে আরিয়াঠাম্মাকে নিয়ে যেতে চাই বলতেই ভদ্রলোক বললেন, হ্যাঁ হ্যাঁ নিয়ে যান। আমিও এ বাড়ির খদ্দের দেখেছি। কয়েকদিনের মধ্যেই এ বাড়ি বিক্রি করে দেব প্রমোটারকে। গুজবে কান দিয়ে এ বাড়ি কিনে আমি বড় লোকসান করেছি। বিক্রি করে দেব। ওঁর থাকার জায়গা নেই। ওঁকে কোথায় রাখব সেটাই ভাবছিলাম।

    মিসেস ডিসুজা চিঠিগুলো ঘাঁটছিলেন। হাত বোলাচ্ছিলেন। অস্ফুটে বললেন, আমার শ্বশুরমশাই গোপনে স্বদেশীদের সাহায্য করতেন বলে আমারও মনে হত। কিন্তু কখনো বুঝতে দেননি।

    চন্দ্রিমা বলল, ঠাম্মি চিঠিগুলো আমার কাছে রাখব? ওই চিঠিগুলোর মধ্যে কত বিপ্লবীর হস্তাক্ষর আছে। গায়ে কাঁটা দিয়ে উঠছে ওগুলো দেখলে।

    মিসেস ডিসুজা বললেন, নিশ্চয়, তুমি রাখো। পিয়ানোটার গায়ে পরম যত্নে হাত বুলিয়ে আর্দ গলায় বললেন, ওই জন্যই রবার্ট বলত, পিয়ানোটা কখনো বেচবে না। ওই তোমায় বুড়ো বয়েসে খাবার জোগাবে। কাউকে হাত দিতে দিত না এটাতে। রবার্ট আমার সব ব্যবস্থা এভাবে করে রেখে গিয়েছিল জানতেও পারিনি।

    সুশোভনবাবুর হাতে বাক্সটা তুলে দিয়ে মিসেস ডিসুজা বললেন, আপনার ওল্ডএজ হোমকে আরও বড় করুন। আমি আজ থেকে ওখানেই থাকব।

    অঙ্কুর বললো, দেখো, ভদ্রমহিলার চোখেমুখে কী তৃপ্তি! আত্মসম্মানের সঙ্গে বাঁচতে পারবেন ভেবেই উনি আনন্দিত।

    শোনো চন্দ্রিমা, এই পিয়ানোটা আমি সারিয়ে আনব। আমাদের অ্যানিভার্সারী গিফট। চন্দ্রিমা হাসি মুখে বলল, আরিয়াঠাম্মির হাসিটাই আমার উপহার অঙ্কুর। আমার সব বায়নায় তোমাকে পাশে পাই বলেই আজ একজনের মুখে হাসি ফোটাতে পারলাম। পিয়ানোর সুরের মতোই নির্মল এই হাসি।

    মিসেস ডিসুজা নিশ্চুপ পিয়ানোর সামনে বসলেন, আঙুল ছোঁয়ালেন পিয়ানোর রিডে। গুনগুন করে গাইলেন—

    I cried a tear
    For nobody but you
    I’ll be a lonely one, if you
    Should say we’re through…

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআদিবাসী লোককথা : ১ম খণ্ড – দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    Next Article মন আয়নায় মেঘ – অর্পিতা সরকার

    Related Articles

    অর্পিতা সরকার

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    অর্পিতা সরকার

    এসো না অসময়ে – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    অর্পিতা সরকার

    মন আয়নায় মেঘ – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Our Picks

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026

    শ্মশানকোকিলের ডাক – সৌভিক চক্রবর্তী

    May 1, 2026

    এসো না অসময়ে – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }