Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026

    শ্মশানকোকিলের ডাক – সৌভিক চক্রবর্তী

    May 1, 2026

    এসো না অসময়ে – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    প্রিয় পঁচিশ – অর্পিতা সরকার

    অর্পিতা সরকার এক পাতা গল্প407 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    নাম বিভ্রাট – অর্পিতা সরকার

    নাম বিভ্রাট

    মাঝে মাঝে আমার নিজের ওপরে বড্ড রাগ হয়। কেন যে আমি ছোটবেলায় বাবার দাড়ি কাটার ব্লেড দিয়ে পাশের বাড়ির পুপুনের আঙুল কেটে আবার বাবার শেভিং বক্সের ফিটকারী দিয়ে রক্ত বন্ধ করতে গিয়েছিলাম, কে জানে! কেন যে সেই বিরক্তিকর ছোটবেলাতেই আরশোলা ধরে তার দুটো পা কেটে খণ্ড খণ্ড করে বুঝিয়ে দিয়েছিলাম, আরশোলা আসলে সন্ধিপদী প্রাণী, কে জানে! কেন যে আমি বড়মামার চরকের মেলা থেকে কিনে দেওয়া শলাকা আকারের চুম্বকটা দিয়ে খেলতে খেলতে ঠাম্মার গমের মধ্যে মিশে যাওয়া দুটো পেরেককে আবিষ্কার করে ফেলেছিলাম, কে জানে? অথবা শিলাবৃষ্টির সময়ে দুটো বরফের টুকরো নিয়ে এসে বাবার হাতে দিয়ে বলেছিলাম, এগুলো ফ্রিজে রাখলে এমনই থাকবে কিন্তু বাইরে রাখলে জল হয়ে যাবে। আমার এমন সব অত্যাশ্চর্য আবিষ্কারের কথা জানতে পেরেই বাড়ির সকলে বুঝে গিয়েছিল, আমি ডাক্তার না হয়ে যাই না।

    আমার নাকি আইকিউ লেভেল সাধারণের থেকে অনেক বেশি সেটা অবিষ্কার করেছিল আমার বম্বে ফেরত ছোটমামা। দুঃখের মধ্যে আমার সারনেম রায় হওয়ায় বাবা সে সুযোগটুকুও ছাড়েনি। আমার নাম রেখেছে বিধান চন্দ্র রায়।

    অপেক্ষায় আছে কবে আমি এই নামের আগে ডক্টর শব্দটি বসাতে পারব। বিড়ম্বনা আর বলতে?

    স্কুলের ছেলেরা মুচকি মুচকি হাসে আমার এমন নাম শুনে। মর্ডান নামের ভিড়ে আমার নামটা বড়ই বেমানান। তারপরে আমাদের অঙ্কের শিক্ষক ক্লাসে ঢুকেই বলতেন, বাবা বিধান তোরাই হলি ভবিষ্যতের ধারক ও বাহক। তোরাই এগিয়ে নিয়ে যাবি যুব সমাজকে। অঙ্কের স্যার আবার স্বভাব কবি ছিলেন। কবিতার সঙ্গে যে অঙ্কের ভাব হতে পারে এ আমি কস্মিনকালেও ভাবতে পারিনি। কিন্তু আমাদের অঙ্কের রমেশ স্যারের লাঠির ভয়েই বোধহয় অঙ্ক আর কবিতা বাঘ আর গরুর মত একই ঘাটে জল খেতে বাধ্য হত। আমি এখন ক্লাস এইটের স্টুডেন্ট।

    আমার কাঁধে অনেক ভার। একটা ইনভার্টার একসঙ্গে তিনটে ফ্যান টানতে পারে না, এইটুকু লোডও নিতে পারে না। এদিকে আমার ওপরে লোডটা একবার কল্পনা করুন আপনারা। ছোটবেলায় লোকের ছেলের আঙুল অপারেশনের দায় থেকে শুরু করে পশ্চিমবঙ্গের রূপকার ডঃ বিধান চন্দ্র রায়ের নামের দায়িত্ব পর্যন্ত টেনে নিয়ে বেড়াতে হচ্ছিল আমার কাঁধে। ওইজন্যই অঙ্কের স্যার কখনো ক্লাসে ঢুকে বলেন না, ওরে আবীর দেশের ভবিষ্যৎ তোর কাঁধে। অথবা ক্লাসের ফার্স্ট বয় অঙ্কুশকেও বলেন না। বলেন শুধু বিধানকে। এর একমাত্র কারণ এই নাম, বিধান চন্দ্র রায়। অদ্বিতীয় চিকিৎসক ও পশ্চিমবঙ্গের একজন সফল মুখ্যমন্ত্রী। সত্যি বলতে কী যে কোনো কুইজ প্রতিযোগিতায় বা জেনারেল নলেজের পরীক্ষায় নিজের নামখানা লিখতে মন্দ লাগত না। কিন্তু যখনই স্বভাব কবি অঙ্কের স্যার কাঁধের ওপরে হাত রেখে দুলকি চালে বলতেন, তোরাই তো স্কুলের নাম উজ্জ্বল করবি। এই বিবেকানন্দ বিদ্যালয়ের ছাত্রের নাম ছড়িয়ে পড়বে দেশে বিদেশে, তখন আমার হাতের তালু ঘামতে শুরু করত!

    আমাদের অঙ্কের স্যার রমেশ গড়াই বরাবর বিশ্বাস করতেন, যারা অঙ্ক পারে না তাদের বেঁচে থাকার অধিকার নেই এই একশো ত্রিশ কোটির দেশে। তার কুমেরুতে গিয়ে বরফে জমে মরে যাওয়া উচিত। কেউ কোনো অঙ্ক পারব না বললে স্যার তার দিকে এমনভাবে তাকিয়ে থাকতেন, যেন আচমকাই ভিনগ্রহের বাসিন্দা নেমে এসেছে স্যারের সামনে। অথবা বিলুপ্তপ্রায় রয়াল বেঙ্গল টাইগার স্যারকে এক কামড়ে খেয়ে নিতে চেয়েছে।

    অনেকক্ষণ তাকিয়ে থাকার পরে স্যার বলতেন, কী বললি? আরেকবার বল, অঙ্ক পারবি না?

    ওরে তোকে যে নরকে পাঠাতেও ভয় রে। তুই যে সেখানে গিয়েও ছিঁচকে চোরদের হিসেবে গন্ডগোল করে দিবি? আয় আয় বাবা বোর্ডে আয়। আমার স্টুডেন্টকে আমি অঙ্ক শেখাতে পারিনি জানলে স্বয়ং ব্রহ্মা যে আমাকে স্বর্গের উদ্যানে প্রবেশ অবধি করতে দেবেন না।

    আমার মাথায় কিছুতেই ঢুকত না, স্যারের বাড়ির পাশেই রহিম চাচার অমন একখানা সুন্দর বাগান থাকতে কেন যে রমেশ স্যার ওই অজানা ব্রহ্মার বাগানে ঢুকতে চাইতেন কে জানে! অপরিচিতের বাগানে আম, জাম চুরি করতে গেলে শেষে স্যারকে এই বয়েসে যে লাঠির বারি খেতে হবে সেটা কী স্যার জানেন না নাকি! মনের মধ্যে অবশ্য সামান্য হলেও আনন্দের ঢেউ খেলে যেত। যাকগে, স্যারও তার মানে কারোর কাছে মার খেতে পারেন ভেবেই মনটা উৎফুল্ল হয়ে উঠত। এ হেন স্যারের পাল্লায় পড়ে আমাদের ক্লাসের সব ছেলেরাই মোটামুটি অঙ্কতে ভালোই নম্বর পেত।

    এদিকে আমার বাবা শ্রী সৃষ্টিধর রায় বাড়িতে একজন ইংরেজির শিক্ষক নিয়োগ করেছিলেন। তিনি আবার শুধুই বড় বড় বাক্য ট্রান্সলেট করতে দিতেন। যেমন- ‘আমরা আট দশ মাসে এই মহাত্মার হস্ত হইতে মুক্তিলাভ করিয়া বিদেশের উদ্দেশ্যে রওনা হইলাম।’ আমি মহাত্মা বলতে আমাদের গান্ধীজিকেই চিনতাম। সেই মতোই ট্রান্সলেট করলাম। স্যার বললেন, এখানে মহাত্মা অর্থে মহৎ আত্মা যাঁর। আমি ঠাম্মার কাছে শুনেছিলাম, তেনাদের নাম নাকি সন্ধেবেলা লোকে নেয় না। তাই হয়তো স্যারও সচেতনভাবে এড়িয়ে গেলেন তেনাদের নাম। অনেক বুদ্ধি করেই তাই আমি মহাত্মা বলতে ঘোস্ট লিখলাম। স্যার মাথায় দুটো রাম গাট্টা মেরেছিলেন। তিনদিন মাথা ফুলে আলু হয়েছিল।

    ক্লাস নাইন থেকে আমি অঙ্ক করতে যেতাম রমেশ স্যারের বাড়িতে। আমাদের এই চত্বরে কথাই আছে.. জয়েন্টে যদি চান্স পেতে হয় তাহলে অবশ্যই রমেশ স্যারের কাছে অঙ্ক শিখতেই হবে। তাই আমি বিধান চন্দ্র রায়ও গুটিগুটি পায়ে ক্লাস নাইনে পৌঁছে গেলাম রমেশ স্যারের টিউশনে। স্কুলের ক্লাসে স্যার ছিলেন আমাদের স্বয়ং আতঙ্ক। সেই স্যারের টিউশনেই যে আমাকে যেতে হবে কস্মিনকালেও কল্পনা করিনি। আমার বাবা সৃষ্টিধর রায়ের কড়া নির্দেশ নাম আমি দিয়ে দিয়েছি, তার আগে ডক্টর বসানোর দায় একান্তভাবেই আমার।

    একটা অদ্ভুত জিনিস খেয়াল করতাম, আমার থেকে আমার তিনবছরের ছোট বোনের ওপরে এমন কোনো চাপ তৈরি হত না বাড়িতে। বরং প্রীতিলতা নাম ছিল বলেই ওর দস্যিপনায় সকলে হেসে বলত, স্বাধীনচেতা মেয়ে হবে আমাদের প্রীতি। নামের একটা মাহাত্ম্য নেই?

    বাহ রে, কী মজা। শুধু নামের কারণেই আমার ওপরে এমন লেখাপড়ার চাপ ছিল। আর প্রীতিলতার সারনেম না মিললেও ওর ওই দস্যি স্বভাবকে সবাই জাস্টিফাই করত স্বাধীনতা সংগ্রামীর সঙ্গে। মনে মনে বলতাম, বহুত না ইনসাফি হ্যায় রে! ওই মনে মনে বলাই সার। বাবার সামনে কখনো বলতে পারিনি এসব। ছোট থেকেই বাবার ওপরে মনে মনে একটা আক্রোশ তৈরি হয়েছিল। বাবাকে মনে হত জেলার আর আমি যেন জেলের কয়েদি। তাই এ আক্রোশের যথার্থ কারণ আছেই। জেলের কয়েদির জেলারের ওপরে আক্রোশের কারণ নিশ্চয়ই বিশ্লেষণ করতে হবে না।

    যাইহোক, রমেশ স্যার আমার মাথায় হাত বুলিয়ে বলেছিলেন, অঙ্কে তোর মাথা খোলে ভালো। দিনরাত অঙ্ক করে যাবি বুঝলি। সংখ্যায় ক্লান্তির কোনো জায়গা নেই। কে জানে কী বিশেষ উপায়ে স্যার কয়েকমাসের মধ্যেই অঙ্ককে আমার প্রিয় সাবজেক্টে পরিণত করলেন।

    বলতে নেই মাধ্যমিকে আমি বেশ ভালোই রেজাল্ট করলাম। কিন্তু বাবার মুখে হাসি নেই। জেলার সেরা হতে পারিনি বলে বাবার মুখ ভার। রমেশস্যার হেসে বললেন, তবে…একটা নম্বরও তো কোনো বাপের বেটা কাটতে পারেনি তোর। একেবারে একশো তে একশো। হ্যাঁ আমি মাধ্যমিকে অঙ্কে একশো পেয়েছিলাম। বিধান চন্দ্র রায় যে বিজ্ঞান নিয়ে পড়বে এটা অত্যন্ত সাধারণ বিষয় ছিল আমার বাড়িতে। তাই ভর্তি হলাম সায়েন্স নিয়ে। আমাদের স্বভাব কবি রমেশ স্যারের প্রিয় ছাত্র আমি। তাই স্কুলে রমেশ স্যারের সঙ্গে সঙ্গে আমার নামেও ছড়া বাঁধা হল।

    ‘রমেশ গড়াই গড়িয়ে চলে, সঙ্গে চলে কে?

    সঙ্গে আছে মেনি বিধান একশো পেয়েছে।’

    আমার খুব রাগ হল এমন ছড়া শুনে। স্যারের টিউশনিতে গিয়ে স্যারকে নালিশ করলাম। স্যার হেসে বললেন, বটে এমন ছড়া কে বেঁধেছে রে?

    অন্তে মিল নেই এমন পদ্য তো শুনতে বেমানান লাগে। দাঁড়া একটু ভাবতে দে।

    ‘তাই রে নাই রে নাই

    গড়াই বাড়ি যাই

    গড়াই বাড়ি ভারী মজা

    অঙ্ক শিখে যাই।’

    এটা বরং ভালো ছড়া বুঝলি।

    আমি বুঝলাম, স্যারকে নালিশ করে লাভ নেই। স্যার তখন লাভক্ষতির অঙ্ক নিয়েই ব্যস্ত।

    বেশ কাটছিল দিন পড়াশোনা করে। কিন্তু হুড়মুড়িয়ে সামনে এসে হাজির হল উচ্চমাধ্যমিক আর পিছনে পিছনে আমের সঙ্গে কাঁঠালের মতোই জয়েন্ট এন্ট্রান্স।

    আমার বাড়ির অবস্থা তখন হিরোশিমা বা নাগাসাকির মতো। মৃত্যুকালীন স্তব্ধতা। সকলেই ফিসফিস করে কথা বলা অভ্যেস করে ফেলেছে কারণ বিধানের পড়াশোনায় যেন কোনোরকম বিঘ্ন না হয়। মনোসংযোগ বিঘ্নিত হলে সৃষ্টিধর রায় যে সমস্ত সৃষ্টিকে ধ্বংস করে দেবে এ আমাদের বাড়ির পরিচারিকাও বুঝতে পেরেছিল। তাই তো যে সন্ধ্যাপিসির গলার আওয়াজে এ পাড়ার কাক-চিলগুলো পার্মানেন্টলি অন্য পাড়ার বাসিন্দা হয়ে গিয়েছিল তারাও এখন ধীরে ধীরে ফিরে আসছে এ পাড়ায়। এদিকে আমি পড়েছি মহামুশকিলে। অঙ্ক, বায়োলজি আর ফিজিক্স আমার বরাবর বশে থাকলেও কেমিস্ট্রিটাকে কিছুতেই বশে করতে পারছি না। কেমিস্ট্রি স্যার অরুণাংশুবাবু হাল ছেড়ে দিয়ে বলেছেন- বাবা বিধান, ডাক্তার হওয়া বোধহয় তোমার আর হল না। আমিও বুঝেছিলাম, কী মারাত্মক ভুল করেছিলাম আমি পুপুনের আঙুল অপারেশন করে। কিন্তু সব ভুলের ক্ষমা হয় না বলেই বার দুয়েক জয়েন্টে বসে ডাক্তারিতে চান্স না পেয়ে পুপুনের ভেংচি শুনেছিলাম। মধ্যমায় প্রায় মিলিয়ে যাওয়া ব্লেডের কাটার দাগটা দেখিয়ে ও বলেছিল, তুই যদি ডাক্তার হতিস তাহলে আমি শচীন তেন্ডুলকর হতাম। কারণ আমিও পাড়ার মাঠে একবার ডাবল সেঞ্চুরি করেছিলাম রে বিধান!

    আমি বুঝি, আমি ডাক্তার হতে পারব না। অকারণে আমার দাড়ি গোঁফ গজিয়ে যাবে মেডিকেলে চান্স পেতে পেতে। তাই সেই প্রথম আমি বাবার কথার একপ্রকার বিরোধিতা করেই ম্যাথে অনার্স নিয়ে বিএসসি ভর্তি হলাম। অলরেডি দু-বছর নষ্ট হয়েছে। বাচ্চা বাচ্চা ছেলেদের সঙ্গে গিয়েই কলেজে ক্লাস করতে হচ্ছিল। সে হোক, ছেলেপিলে দাদা বলে সম্ভ্রম করত। আমি রমেশ স্যারের স্টুডেন্ট, তাই অঙ্কে আমায় পায় কে?

    আমার বাড়িতে অবশ্য এখন শ্মশানের নিস্তব্ধতা। আমার বাবার কপালে দুটো বলিরেখা চিরস্থায়ী জায়গা দখল করে নিয়েছে। মা বরাবরই একটু শান্ত স্বভাবের। তাই নরম গলায় আমার মাথায় হাত বুলিয়ে বলেছে, বিধু মনখারাপ করিস না। ডাক্তার হতে পরিসনি তো কী হয়েছে? ভালো করে পড়।

    আমার বোন প্রীতিলতা মুচকি হেসে বলেছে, দেখ দাদাভাই আমিও প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার হবার চেষ্টা করিনি, রায় হয়েই সন্তুষ্ট হয়েছি। তুইও তোর নামের আগে ডক্টর বসানোর প্রতিযোগিতায় গোহারান হেরে গেছিস, তাই এবার থেকে বাড়ির সকলের কাছ থেকে অতিরিক্ত অ্যাটেনশন পাওয়ার আশাটা ত্যাগ করে ফেল। মনখারাপ আমারও যে কিছু কম হয়েছিল তা নয়। বাবার মুখের দিকে তাকালে কেমন একটা অপরাধবোধ কাজ করত। মনে হত মানুষটা তো এত পরিশ্রম করে আমাদের জন্য, তার একটা স্বপ্ন আমি পূরণ করতে পারলাম না?

    কী আর করব, আমি নিরুপায়। তবে মনপ্রাণ দিয়ে আমি বিএসসির অঙ্ক কষতে লাগলাম।

    মাঝে মধ্যে যেতাম রমেশ স্যারের বাড়িতে। সেদিন চলতো স্যারের সঙ্গে অঙ্ক নিয়ে খেলা। স্যার যেহেতু হায়ার স্টাডির টিউশন দেন না তাই আমার অন্য টিচার ছিল। তবুও কী একটা অজানা টানেই মাঝেমধ্যে অবসরে যেতাম স্যারের বাড়ি।

    তারপর আর কী? ইউনিভার্সিটি টপার হলাম বিএসসিতে। এমএসসিতেও তাই। রমেশ স্যার গর্ব করে সকলকে বলতেন, বিধান আমার নিজের হাতে গড়া ছাত্র। তাই কারোর সাহস হয় না ওর খাতায় কলম চালাতে।

    স্যার তারপর?

    সেমিনারের সামনের চেয়ারে বসে থাকা কৌতূহলী ছেলেমেয়েরা জিজ্ঞেস করে উঠল। সম্বিৎ ফিরল আমার। হলদে হয়ে যাওয়া স্মৃতির পাতায় বিচরণ করছিলাম এতক্ষণ। সেই ফেলে আসা ক্লাসরুম। সেই বাবার শাসন, আমার পড়ার জন্য বাড়িশুদ্ধু সকলের রাত জাগা, সেই মেডিকেলে চান্স না পাওয়ার দিনটা কখন যে জীবন্ত হয়ে গিয়েছিল আমার সামনে বুঝতেই পারিনি। স্মৃতির সরণি বেয়ে আমি পৌঁছে গিয়েছিলাম রমেশ স্যারের টিউশন ব্যাচে।

    স্টুডেন্টরা আবার বলল, বলুন না স্যার তারপর?

    আমি বললাম, তারপর আর কী? বিধান চন্দ্র রায়ের নামের আগে একটা ডক্টরেট বসানোর অনুমতি পেলাম ইউনিভার্সিটি থেকে, পি এইচ ডি করার পর। আর এখন তোমাদের ”বঙ্গবন্ধু” কলেজের ম্যাথের প্রফেসর ডঃ বিধান চন্দ্র রায় তোমাদের সম্মুখে দণ্ডায়মান।

    স্যার আপনার বাবা কী খুশি হয়েছিলেন এরপর?

    আমি হেসে বললাম, হ্যাঁ যবে থেকে শ্রী সৃষ্টিধর রায় নিজের ছেলের পরিচয় দেবার সময় ডঃ বিধান চন্দ্র রায় বলতে শুরু করেছেন তবে থেকেই কপালের ওই চিরস্থায়ী বলিরেখাগুলো একটু একটু করে নরম হতে শুরু করেছে।

    আজ আমি এই সেমিনারে তোমাদের কেন এই গল্প শোনালাম জানো? ধরে বেঁধে যেমন গোসাপকে কুমিরের পরিচয়ে পরিচিত করা যায় না, ঠিক তেমনই ভালোবেসে না পড়লে কোনো বিষয়েই সাফল্য পাওয়া যায় না। তাই যে সাবজেক্ট নিয়েই পড় না কেন, মন থেকে ভালোবাসতে হবে, তাহলে সাফল্য ধরা দিতে বাধ্য। আজ তোমাদের অত্যন্ত সফল প্রফেসর ডঃ বিধান চন্দ্র রায়ের জীবনের ব্যর্থতার গল্পটা শোনালাম। প্রতিটা সাফল্যের পিছনে ঘাপটি মেরে লুকিয়ে আছে একরাশ ব্যর্থতা। সেই ব্যর্থতাগুলোকে পিছনে ফেলে লড়াই করতে পারলেই আসে সফলতার হাতছানি।

    ইউনিভার্সিটির সেমিনার হলে হাততালিতে ফেটে পড়ছে। আমি বিয়াল্লিশ বছরের অধ্যাপক ডঃ বিধান চন্দ্র রায় মুচকি হেসে নেমে এলাম মঞ্চ থেকে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআদিবাসী লোককথা : ১ম খণ্ড – দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    Next Article মন আয়নায় মেঘ – অর্পিতা সরকার

    Related Articles

    অর্পিতা সরকার

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    অর্পিতা সরকার

    এসো না অসময়ে – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    অর্পিতা সরকার

    মন আয়নায় মেঘ – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Our Picks

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026

    শ্মশানকোকিলের ডাক – সৌভিক চক্রবর্তী

    May 1, 2026

    এসো না অসময়ে – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }