Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    উদাসী রাজকুমার – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 3, 2026

    যমুনা নদীর মুশায়রা – সেলিনা হোসেন

    August 3, 2026

    কিতাগড় – শ্রীপারাবত

    July 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    উদাসী রাজকুমার – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় এক পাতা গল্প262 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    উদাসী রাজকুমার – ১.১০

    ১০

    পাশাপাশি দুটি ঘোড়ায় বেশ কিছুক্ষণ নিঃশব্দে পথ চললেন মহারাজ মহাচূড়ামণি এবং রাজপুরোহিত ছম্ভী।

    মধ্যরাত্রি পার হয়ে গেছে, রাজধানীর সমস্ত মানুষই এখন নিশ্চিন্তে ঘুমোচ্ছে। কেউ জানেই না রাজ্যের এখন কতখানি বিপদ। বিদ্রোহ করেছে সেনাপতি চম্পক, এই রাজ্যের মহারানি সেই চম্পকের কাছে বন্দিনী। মহারাজ গোপনে চলেছেন রাজধানী ছেড়ে, সঙ্গে একজনও সৈন্য নেননি, শুধু রাজপুরোহিত তাঁকে পথ দেখিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন।

    কোনও বাড়িতেই এখন বাতি জ্বলছে না। কিন্তু পথের মোড়ে মোড়ে দাউদাউ করে জ্বলছে মশাল।

    এই রাজ্যে চোর-ডাকাতের উপদ্রব নেই। রাত্রে পথে পথে পাহারাদারও থাকে না। তবে নগরীর দু’ দিকে দুটি প্রবেশ দ্বারে প্রহরী থাকে সর্বক্ষণ। মহারাজ ও রাজপুরোহিত সেই দ্বার এড়িয়ে একটা জলাভূমি দিয়ে চলে গেলেন রাজধানী ছাড়িয়ে।

    মহাচূড়ামণি যখন অন্য সময়ে যুদ্ধযাত্রায় বেরোন কিংবা শিকার করতে যান, তখন সঙ্গে শুধু সৈন্যবাহিনী ছাড়াও বহু জিনিসপত্র, দাস-দাসী, রান্নার লোক, ধোপা-নাপিত সবই থাকে। আজ সঙ্গে কিছুই নেই।

    আজ মহারাজের মনখারাপ তো বটেই, একটু পরে খিদেও পেয়ে গেল। তাঁর কখন যে ঘুম পাবে আর কখন খিদে পাবে, তার কোনও ঠিক নেই। এখন তাঁর মনে রাগ আর দুঃখ একসঙ্গে জ্বালা ধরিয়ে রেখেছে, তাই ঘুম পাবে না। কিন্তু এই অবস্থাতেও খিদে পেতে বাধা নেই।

    মহারাজ একটু পরে বললেন, “গুরুদেব, আপনি খেয়ে এসেছেন? আপনার খিদে পায়নি তো?”

    রাজপুরোহিত বললেন, “না, মহারাজ, আমার খিদে পায়নি। আমি একদিন-দু’দিন না খেয়েও থাকতে পারি। কিন্তু আপনার খিদে পেয়েছে বুঝি?”

    মহারাজ বললেন, “হ্যাঁ, হঠাৎ বেশ খিদে পেয়ে গেল! এখান থেকে চম্পকের শিবির কত দূর?”

    ছম্ভী বললেন, “খুব বেশি দূর নয়। রাত্রি ভোর হবার আগেই আমরা পৌঁছে যাব।”

    মহারাজ বললেন, “এখন রাত্রির তৃতীয় প্রহর। ভোরবেলা চম্পকের শিবিরে পৌঁছে তাকে হত্যা করব। তারপর তার সৈন্যদের দমন করব। তারপর কিছু খেতে পাব! এতক্ষণ কি আমার সহ্য হবে?”

    ছম্ভী বললেন, “খুব বেশি সময় তো নয়, মহারাজ। সকাল পর্যন্ত অপেক্ষা করতে পারবেন না?”

    মহারাজ বললেন, “মনে হয় না। পেটে খিদে থাকলে আমি অন্য কোনও কাজে মন দিতে পারি না।”

    ছম্ভী বললেন, “তবে তো মুশকিল হল, মহারাজ। এখন খাবার কোথায় পাওয়া যাবে? তা হলে এদিকের কোনও গৃহস্থের বাড়ি খুঁজব? সে-বাড়ির লোকদের ডেকে বলব, আপনাকে খাবার দিতে! কিন্তু এদিককার যে-কোনও প্রজাই যে আপনাকে দেখে চিনে ফেলবে! তা হলেই আমাদের উদ্দেশ্য নষ্ট হয়ে যাবে। আমি চাই, আমাদের অভিযানের কথা কেউ জানতে না পারে!”

    মহারাজ বললেন, “তা হলে কোনও প্রজার বাড়িতে যেতে হবে না। গুরুদেব, এদিকে কোনও ফলের গাছ নেই?”

    ছম্ভী বললেন, “এদিকে সবই তো দেখছি খেজুর গাছ। আপনি কি শুধু খেজুর খেয়ে খিদে মেটাতে পারবেন?”

    মহারাজ বললেন, “পাকা খেজুর অতি উত্তম জিনিস। দেখুন দেখি, কোন গাছটিতে বেশ ভাল খেজুর ফলেছে!”

    আকাশে অল্প-অল্প জ্যোৎস্না। গাছের মাথাগুলো ভাল দেখা যায় না। ছম্ভী সঙ্গে কোনও মশালও আনেননি।

    তবু একটা গাছের কাছে থেমে তিনি বললেন, “মহারাজ, এই খেজুর গাছটিতে যথেষ্ট খেজুর আছে মনে হচ্ছে। কিন্তু লম্বা গাছ। খেজুর পাড়া যাবে কী করে? আমি তো গাছে উঠতে শিখিনি।”

    মহারাজ বললেন, “আপনি গাছে উঠতে পারেন না? আমিও কখনও গাছে উঠিনি। তা হলেও একটা ব্যবস্থা তো করতেই হবে!”

    মহারাজ ঘোড়া থেকে নেমে খাপ থেকে তলোয়ার বার করলেন।

    ছম্ভী বললেন, “এ কী করছেন মহারাজ? তলোয়ার দিয়ে খেজুর গাছ কাটবেন নাকি? আপনার অমন মহার্ঘ তলোয়ারটি নষ্ট হয়ে যাবে।”

    মহারাজ বললেন, “এবার দেখুন আমার শক্তি। মনে করুন, এই গাছটাই চম্পকের গলা। আমি কী করে এক কোপে তার গলা কাটব, সেটা দেখুন!”

    মহারাজ তলোয়ার তুলে প্রচণ্ড জোরে এক কোপ বসালেন। অত বড় খেজুর গাছটা দু’ খণ্ড হয়ে গেল। ধপাস করে সেটা পড়ল একদিকে।

    ছম্ভী বললেন, “আশ্চর্য! আশ্চর্য! মানুষের গায়ে যে এত শক্তি থাকতে পারে, তা চোখে দেখলেও যেন বিশ্বাস করা যায় না!”

    মহারাজ এক ছড়া পাকা খেজুর ছিঁড়ে নিয়ে টপাটপ মুখে দিতে লাগলেন। অল্পক্ষণের মধ্যেই তা শেষ হয়ে গেল। তিনি আর-এক ছড়া নিলেন। তৃপ্তির সঙ্গে বললেন, “বাঃ, বেশ মিষ্টি!”

    ছম্ভী অস্থিরভাবে তাকাচ্ছেন আকাশের দিকে। দেরি হয়ে যাচ্ছে। ভোর হয়ে গেলে চম্পকের শিবিরে গোপনে প্রবেশ করার অসুবিধে হবে।

    মহারাজ আরও দু’ ছড়া খেজুর শেষ করলেন। তারপর আবার যাত্রা শুরু হল।

    সমতল ছেড়ে এবার পাহাড়ে উঠতে হবে। অন্ধকার পথ ভাল বোঝা যায় না। জঙ্গলের মধ্যে একটা সরু পায়ে-চলা পথ আছে বটে। ছম্ভী এ-পথে আগে কয়েকবার এসেছেন, তিনি অতিকষ্টে পথ খুঁজে খুঁজে চলেছেন আগে-আগে। ঘোড়ার পায়ের কপাকপ শব্দ ছাড়া আর কোনও শব্দ নেই। বাতাস থেমে আছে। অরণ্যের একটি পাতাও নড়ছে না।

    .

    হঠাৎ এক জায়গায় থেমে গেলেন ছম্ভী। উৎকর্ণ হয়ে কী যেন শোনার চেষ্টা করলেন। তারপর ফিসফিস করে বললেন,”মহারাজ, কিছু শুনতে পাচ্ছেন কি?”

    মহারাজ বললেন, “মনে হচ্ছে পায়ের আওয়াজ। কেউ আমাদের পিছু-পিছু- আসছে গোপনে?”

    ছম্ভী বললেন, “মানুষ নাও হতে পারে। মহারাজ, এই জঙ্গলে ভাল্লুকের উপদ্রব আছে। মনে হচ্ছে, দু-একটা ভাল্লুকই চলাফেরা করছে। হঠাৎ সামনে কোনও ভাল্লুক এসে পড়লে বিপদে পড়ে যাব।”

    মহারাজ অবাক হয়ে বললেন, “ভাল্লুক এলে আবার বিপদ কিসের? ভাল্লুক আমাদের কী করবে? এবার আমি সামনে যাচ্ছি, আপনি আসুন আমার পেছনে।”

    তলোয়ার উঁচিয়ে ঝড়ের বেগে ঘোড়া ছুটিয়ে দিলেন মহারাজ। সোজা উঠে এলেন পাহাড়ের একেবারে চূড়ার কাছে। তার সামনে একেবারে খাড়া পাথর। আর কোনও পথ নেই।

    ছম্ভী এসে পৌঁছলেন একটু পরে।

    ঘোড়া থেকে নেমে তিনি বললেন, “মহারাজ, আমরা সুড়ঙ্গটার প্রায় কাছাকাছি এসে গেছি। এবার খানিকটা পায়ে হেঁটে যেতে হবে।”

    মহারাজও ঘোড়া থেকে নামলেন। ঘোড়া দুটিকে বেঁধে রাখা হল সেখানে একটি গাছের সঙ্গে।

    আস্তে-আস্তে পাহাড়ের পূর্ব দিগন্ত লাল হয়ে আসছে। পাহাড়ের এক কোণ থেকে মাথা তুলছেন সূর্য। একটু আলো ফোটার সঙ্গে-সঙ্গে ডাকাডাকি করতে শুরু করেছে নানারকমের পাখি

    পাহাড়ের ফাটল ধরে খানিকটা এগোতে এগোতেও আবার থামতে হল। এবারে একেবারে নিরেট দেওয়ালের মতন পাথর, কোনও ফাঁকফোকর নেই।

    ছম্ভী সেই পাথরের গায়ে হাত বুলিয়ে বললেন, “মহারাজ, আমরা এসে গেছি। এই পাথরটার ওপারেই সেই সুড়ঙ্গ শুরু হয়েছে। চম্পকের শিবিরে পৌঁছতে আর বেশিক্ষণ সময় লাগবে না। আকাশে আলো ফুটে গেল অবশ্য! তা হোক, চম্পক এত ভোরে জেগে উঠবে না নিশ্চয়ই।”

    মহারাজ বললেন, “এই পাথরের দেওয়ালটা যে অনেকখানি উঁচু। এর ওপাশে যাব কী করে?”

    ছম্ভী বললেন, “মহারাজ, আপনি আমাকে একটু উঁচু করে তুলে ধরুন। আমি আগে এর ওপরে উঠে দেখি, রাস্তা পরিষ্কার আছে কি না। দৈবাৎ এদিকেও যদি কোনও প্রহরী থাকে, তাকে আগে শেষ করতে হবে।”

    মহারাজ জিজ্ঞেস করলেন, “গুরুদেব, আপনি আগে ওপরে উঠবেন? যদি কোনও প্রহরী থাকে, আপনাকে দেখে ফেলে? আমিই আগে উঠি বরং!”

    ছম্ভী বললেন, “না, মহারাজ। যদি প্রহরীর সংখ্যা বেশি হয়? আমার প্রাণ গেলেও ক্ষতি নেই। কিন্তু আপনি রাজা, আপনাকে রক্ষা করা আমার কর্তব্য। তবে, এত কম আলোয় আমাকে দেখতে পাবে না মনে হয়। যদি বেশি প্রহরী থাকে, তা হলে আমাদের অন্য পথের কথা চিন্তা করতে হবে। এই সুড়ঙ্গের আর-একটা মুখও আছে। নিন, আমাকে একটু তুলে ধরুন, মহারাজ।”

    ছম্ভীর পাতলা ছিপছিপে চেহারা, মহারাজ তাঁকে অনায়াসেই দু’ হাতে উঁচু করলেন, ছম্ভী উঠে গেলেন সেই পাথরের দেওয়ালের ওপর। সেখানে বসে পড়েই খুব উৎফুল্ল ভাবে বললেন, “দারুণ সুযোগ, মহারাজ! একজনও প্রহরী নেই। পথ একেবারে পরিষ্কার।”

    তলা থেকে মহারাজ বললেন, “বাঃ! তবে তো কোনও কথাই নেই!”

    ছম্ভী বললেন, “সুড়ঙ্গের ওপাশে চম্পকের শিবিরের খানিকটা অংশও দেখা যাচ্ছে। কেউ জেগে ওঠেনি। কাউকে নড়াচড়া করতেও দেখা যাচ্ছে না।”

    মহারাজ বললেন, “আপনি এবার নেমে আসুন, গুরুদেব। এবার আমি যাব। আর আমি ধৈর্য ধরতে পারছি না।”

    ছম্ভী একলাফ দিয়ে নেমে পড়লেন। তারপর বললেন, “মহারাজ, কোনও শব্দ করবেন না। খুব সাবধানে যেতে হবে।”

    কিন্তু মহারাজ মহাচূড়ামণিকে ওপরে তুলে দেওয়া অত সহজ হল না। তাঁর বিশাল চেহারা। ছম্ভী অত ভারী একজন মানুষকে তুলতে পারবেন কী করে?

    অনেক ঠেলাঠেলি করেও বিশেষ কোনও ফল হল না।

    মহারাজের মাথা থেকে মুকুটটা খসে পড়ে ঝনঝন শব্দ হল।

    মহারাজ বললেন, “থাক, মুকুটটা থাক। আমি ওপরে ওঠার পর ছুঁড়ে দেবেন!”

    মহারাজের কোমরের তলোয়ারটা নিয়েও অসুবিধে হল বেশ। অত বড় খাপসুদ্ধু তলোয়ার, বারবার ঠেকে যাচ্ছে পাথরে। মহারাজ কোমর থেকে সেটাও খুলে ফেলে বললেন, “এটাও আপনার কাছে রাখুন। পরে আমার হাতে দিয়ে দেবেন!”

    ছম্ভী এবার মহারাজের কোমরে দু হাত দিয়ে খুব জোরে চাপ দিলেন ওপরের দিকে। মহারাজও সেইসঙ্গে লাফ দিয়ে ধরে ফেললেন পাথরের ওপরের দিকটা। .

    তারপর তিনি হাতের জোর দিয়ে ওপরে উঠে বসলেন। সঙ্গে-সঙ্গে বিস্ময়ের সঙ্গে বললেন, “এ কী?”

    ছম্ভী জিজ্ঞেস করলেন, “কী হল, মহারাজ?”

    মহাচূড়ামণি বললেন, “কী ব্যাপার বুঝতে পারছি না। সুড়ঙ্গ কোথায়? এ যে দেখছি একটা অন্ধকার খাদ? আপনি কোথায় দেখতে পেলেন চম্পকের শিবির? সেরকম কিছুই তো নেই!”

    ছম্ভী হা-হা করে হেসে উঠে বললেন, “দেখতে পাচ্ছেন না? সে কী? ভাল করে নীচের দিকে উঁকি মেরে দেখুন!”

    মহারাজ বললেন, “কই, কোথায় সুড়ঙ্গ?”

    ছম্ভী বললেন, “উঠে দাঁড়ান, ভাল করে দেখুন। একটু নীচেই তো সুড়ঙ্গটা রয়েছে, আমি স্পষ্ট দেখলাম!”

    মহারাজ উঠে দাঁড়িয়ে বললেন, “গুরুদেব, আমি এখনও দেখতে পাচ্ছি না!”

    ছম্ভী আবার হেসে বললেন, “এইবার ঠিক দেখতে পাবেন!”

    সঙ্গে-সঙ্গে তিনি এক ধাক্কা দিলেন মহারাজের পিঠে। মহারাজ নিজের শরীরের ভার সামলাতে পারলেন না। আঁ-আঁ-আঁ শব্দ করে তিনি পড়ে যেতে লাগলেন খাদের মধ্যে।

    সেই খাদটা অনেক গভীর। তলা পর্যন্ত দেখাই যায় না।

    মহারাজ কিন্তু শেষ পর্যন্ত পড়বার আগেই আটকে গেলেন এক জায়গায়। চিৎকার করতে লাগলেন, “বাঁচাও, বাঁচাও!”

    ছম্ভী এবার মহারাজের তলোয়ারটা নিয়ে একাই নিপুণভাবে লাফ মেরে উঠে পড়লেন পাথরের দেওয়ালের ওপর। ঝুঁকে দেখলেন, একটু নীচে মহারাজ একটা গাছের ডাল ধরে ঝুলছেন।

    কোনওক্রমে মুখ তুলে ছম্ভীকে দেখতে পেয়ে মহারাজ ব্যাকুলভাবে বললেন, “গুরুদেব, গুরুদেব, কী করলেন আপনি? আপনার হাতের ধাক্কা লেগে আমি পড়ে গেলাম। শিগগির আমাকে টেনে তুলুন!”

    ছম্ভী গাছটাকে কেটে ফেলবার জন্য একটা কোপ মারলেন।

    মহারাজ বললেন, “এ কী করছেন, গুরুদেব? গাছটা কাটছেন কেন?”

    ছম্ভী বললেন, “বুঝতে পারছেন না? আপনার কষ্ট ঘুচিয়ে দিচ্ছি। কতক্ষণ আর ঝুলে থাকতে পারবেন ওভাবে? অতবড় ভারী শরীর নিয়ে আপনি ওপরে উঠতে পারবেন না কখনও!”

    মহারাজ বললেন, “গুরুদেব, আপনি আমাকে মেরে ফেলতে চান? আমি চলে গেলে এই রাজ্য কে চালাবে!”

    ছম্ভী বললেন, “তোমার মতন একটা মাথা মোটা, গোঁয়ার গর্দভ এ দেশের যথেষ্ট ক্ষতি করেছে! তোমার থেকে চম্পক অনেক ভাল রাজা হবে।”

    মহারাজ বললেন, “গুরুদেব, আমি প্রাণভিক্ষা চাইছি। আমি কোনওদিন আপনার কোনও ক্ষতি করিনি। আমাকে একবার বাঁচার সুযোগ দিন। আমাকে ওপরে টেনে তুলুন! আমি না বাঁচলে মহারানিকে কে উদ্ধার করবে?”

    ছম্ভী বললেন, “তোমাকে আর কোনও সুযোগ দেব না, শয়তান!”

    তারপর তিনি গাছটা কাটার জন্য আবার তলোয়ারটা তুলতেই শুনতে পেলেন একটা ভেড়ার ডাক। ছম্ভী চমকে উঠলেন দারুণভাবে।

    মুখ তুলে তিনি দেখলেন, একটু দূরে একটা ভেড়ার পালের সঙ্গে দাঁড়িয়ে আছে একজন মাঝবয়সী লোক, তার সঙ্গে সাত-আট বছর বয়েসী একটি বাচ্চা ছেলে। তারা হাঁ করে এই ব্যাপার দেখছে।

    মহারাজ আর্ত চিৎকার করলেন, “বাঁচাও! বাঁচাও! যে বাঁচাবে, তাকে লক্ষ স্বর্ণমুদ্রা দেব! যা চাইবে তাই দেব! গুরুদেব, আপনাকে আমি সোনার সিংহাসন গড়িয়ে দেব!”

    ছম্ভী দাঁতে দাঁত চেপে বললেন, “তুমি যমালয়ে যাও, মহাচূড়ামণি!”

    খুব জোরে একটা কোপ দিয়ে তিনি কেটে ফেললেন গাছটা। মহারাজ মহাচূড়ামণি ঘুরতে-ঘুরতে পড়তে লাগলেন নীচের দিকে। একটু পরেই তাঁকে আর দেখাই গেল না। একেবারে নীচে পড়ে তাঁর হাড়গোড় গুঁড়ো হয়ে যাবে।

    ছম্ভী এবার ক্রুদ্ধ চোখ তুলে বয়স্ক রাখালটিকে বললেন, “এদিকে আয়!”

    রাখালটি কাঁপতে কাঁপতে বলল, “এ কী করলেন প্রভু? আমাদের রাজাকে আপনি মেরে ফেললেন?”

    ছম্ভী বললেন, “রাজাকে তার যোগ্য শাস্তি দিয়েছি। অনেক আগেই ওকে সরিয়ে ফেলা উচিত ছিল। তুই এদিকে আয়! কাছে আয়!”

    লোকটি বলল, “আমি একজন সামান্য মেষপালক। আমাকে কেন ডাকছেন, প্ৰভু?”

    ছম্ভী ডান হাত তুলে বললেন, “যা দেখেছিস, তা যদি কারও কাছে কখনও বলিস, তা হলে আমার অভিশাপে তুই পুড়ে ছাই হয়ে যাবি। আর যদি না বলিস, তা হলে পুরস্কার পাবি। এদিকে আয়, তোকে বুঝিয়ে দিচ্ছি, রাজাকে কেন শাস্তি দিতে হল। তোর ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে আয়।”

    এখানে চম্পকের শিবির-টিবির কিচ্ছু নেই। সুড়ঙ্গও নেই। রয়েছে শুধু এই ভয়ঙ্কর খাদ। তার ওপাশে সাধারণ একটি গ্রাম। সেই গ্রামের মেষপালকটি এই ভয়ঙ্কর দৃশ্য দেখে ফেলে ভয়ে কাঁপছে এখনও। রাজপুরোহিতের আদেশ সে অমান্য করতে পারল না।

    সে এক-পা এক-পা করে এগিয়ে এল ছম্ভীর কাছে। ছেলেটির হাত ধরে রইল।

    সে কাছে আসবার পর ছম্ভী বাচ্চাটাকে নিজের কাছে টেনে আনলেন। বয়স্ক লোকটিকে ধমক দিয়ে বললেন, “প্রণাম কর আগে। তারপর পুরস্কার পাবি।”

    লোকটি প্রণাম করার জন্য মাথা নিচু করল।

    ছম্ভী তক্ষুনি তলোয়ারের এক কোপে তার মুণ্ডুটা কেটে ফেললেন।

    তারপর তিনি বাচ্চাটিকে হত্যা করার জন্য পাশ ফিরলেন বটে, কিন্তু সে সুযোগ পেলেন না। বাচ্চাটি তাঁর হাত ছাড়িয়ে নিয়ে এক লাফ মারল উঁচু পাথর থেকে। নীচে পড়েই সে দৌড় লাগাল।

    ছম্ভী সেই বাচ্চাটিকে খানিকটা তাড়া করেও আর ধরতে পারলেন না। সে তীরের মতন ছুটে মিলিয়ে গেল অরণ্যের মধ্যে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleযমুনা নদীর মুশায়রা – সেলিনা হোসেন

    Related Articles

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সুখ অসুখ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    July 31, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    নিঃসঙ্গ-সম্রাট – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    July 27, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    আমাদের মহাভারত – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    March 20, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    উদাসী রাজকুমার – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 3, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    উদাসী রাজকুমার – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 3, 2026
    Our Picks

    উদাসী রাজকুমার – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 3, 2026

    যমুনা নদীর মুশায়রা – সেলিনা হোসেন

    August 3, 2026

    কিতাগড় – শ্রীপারাবত

    July 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }