Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    উদাসী রাজকুমার – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 3, 2026

    যমুনা নদীর মুশায়রা – সেলিনা হোসেন

    August 3, 2026

    কিতাগড় – শ্রীপারাবত

    July 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    উদাসী রাজকুমার – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় এক পাতা গল্প262 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    উদাসী রাজকুমার – ২.৭

    ৭

    পাহাড়ের আড়ালে সূর্য উঠেছে একটু আগে। এখনও রোদ চড়া হয়নি, রাজপুরীর সামনের চত্বরটিতে ছড়িয়ে আছে পাতলা ছায়া। এখানে অনেকগুলি গাছে পাখিরা জেগে উঠে ডাকাডাকি করে অন্যদের জাগাচ্ছে। দূরে শোনা যাচ্ছে জলপ্রপাতের শব্দ।

    রাজকুমার তীক্ষ্ণ এসে দাঁড়িয়েছে একটি গাছের নীচে। সেই গাছের অনেক ডালপালা ছড়ানো। মল্লপাল এবং দলের অন্য লোকজনরা দাঁড়িয়ে আছে দূরে। নির্দিষ্ট সময় অতিক্রান্ত হয়ে গেল, বাহুক এখনও আসেনি। অনেক দর্শক অবশ্য এসে গেছে এরই মধ্যে।

    হঠাৎ সানাই আর কাড়া-নাকাড়া বেজে উঠল। রাজপ্রাসাদ থেকে বেরিয়ে এল একটি দল, তার মাঝখানে কালো ঘোড়ার পিঠে বসে আছেন বৃদ্ধ রাজা। প্রজারা রাজার নামে জয়ধ্বনি দিয়ে উঠল।

    একটি গাছের নীচে ঘোড়া থেকে নামলেন রাজা। তারপর তিনি হাতছানি দিয়ে তীক্ষ্ণকে কাছে ডাকলেন।

    রাজকুমার তীক্ষ্ণ কাছে এগিয়ে এসে হাত জোড় করে রাজাকে প্রণাম জানাল।

    রাজা মৃদু স্বরে বললেন, “জয় হোক। দীর্ঘজীবী হও, কুমার। আমি শুনলাম, তুমি আমার সেনাপতি বাহুককে কাপুরুষ বলে অপমান করেছো। কেন এমন দুঃসাহস দেখালে তুমি? বাহুক তোমার চেয়ে বয়েসে অনেক বড়, তোমার তুলনায় অনেক শক্তিমান। এই রাজ্যের হয়ে সে তিনটি যুদ্ধ জয় করেছে। তোমাকে জয় করতে তার এক মুহূর্তও লাগবে না।”

    রাজকুমার তীক্ষ্ণ বলল, “বেশ তো! আমার সঙ্গে যুদ্ধ করে তিনি যদি জয়ী হতে পারেন, তা হলে তাঁর গৌরব আরও বাড়বে। আপনার রাজ্যের সুনাম হবে!”

    রাজা বললেন, “তোমাকে হারিয়েই তো সে থামবে না। তুমি তাকে কাপুরুষ বলেছ, তোমাকে সে হত্যাও করবে! তোমার এত কম বয়েস, তবু তুমি মরতে চাও কেন? কী তোমার দুঃখ? কেন তুমি নিজের রাজ্য ছেড়ে অন্য রাজ্যে রাজ্যে ঘুরছ?”

    রাজকুমার তীক্ষ্ণ হেসে বলল, “আমার কোনও দুঃখ নেই। আমার খুব তাড়াতাড়ি মরে যাবারও ইচ্ছে নেই। আমি দিগ্বিজয়ী হবার জন্য রাজ্য ছেড়ে বেরিয়েছি।”

    রাজা বললেন, “তোমার অভিজ্ঞতা কম, তাই তুমি বুঝতে পারছ না। তোমার যতই দক্ষতা থাকুক, বড়-বড় বীরদের সঙ্গে লড়াই করতে গেলে তোমার যে-কোনও সময় মৃত্যু হতে পারে। একজনকে তুমি যুদ্ধে হারালেও তার সঙ্গী-সাথীরা তোমাকে মেরে ফেলবার চেষ্টা করবে। আমি তাই এই যুদ্ধ বন্ধ করতে এসেছি। সেনাপতি বাহুক এখনি এসে পড়বে। তুমি তার সামনে ক্ষমা চাও! বয়েসে বড় একজন যোদ্ধার কাছে ক্ষমা চাওয়ার মধ্যে লজ্জার কিছু নেই। তুমি ক্ষমা চাইলেই মিটমাট হয়ে যাবে। তারপর তুমি আমাদের অতিথি হয়ে কিছুদিন থাকো।”

    রাজকুমার তীক্ষ্ণ উদ্ধতভাবে বলল, “ক্ষমা চাওয়া তো দূরে থাক, সেনাপতি বাহুক যদি এখানে আসতে আর দেরি করেন, তা হলে আমি সবার সামনে তাঁকে আবার কাপুরুষ বলব। এই রাজ্যের সকলকেই কাপুরুষ বলব!”

    রাজা দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললেন, “হায় বালক! তবে তোমাকে মরতেই হবে দেখছি!”

    সঙ্গে-সঙ্গে শোনা গেল অনেকগুলি ঘোড়ার ক্ষুরের শব্দ। একদল অশ্বারোহীর সঙ্গে এসে উপস্থিত হল সেনাপতি বাহুক। তার সঙ্গে স্বর্ণখচিত পোশাক। মাথায় কার্তিক ঠাকুরের মতন মুকুট। তার সঙ্গীদেরও বেশ বলবান যোদ্ধা বলে মনে হয়।

    বাহুক ঘোড়া থেকে নেমে রাজাকে প্রণাম জানাবার পর গম্ভীরভাবে বলল, “মহারাজ, আজ একটু পরেই আমাকে পাহাড়পুরে যেতে হবে। তার আগে আপনার সঙ্গে জরুরি বৈঠকে বসতে হবে। এই বালকটির যুদ্ধসাধ আমি খুব তাড়াতাড়ি মিটিয়ে দিচ্ছি। তারপর সব কাজ সারব।”

    এর পর সে জনতার দিকে তাকিয়ে চেঁচিয়ে বলল, “এই অসভ্য ছোকরাটি আমাকে অপমান করেছে, আমাদের রাজ্যের অপমান করেছে। আমি একে শাস্তি দেব। এর বয়েস কম বলে অনেকের দয়া হতে পারে। কিন্তু একে ক্ষমা করার জন্য অনুরোধ করবেন না আমাকে। এই হতভাগা প্রাণ নিয়ে এ রাজ্য ছেড়ে যেতে পারবে না।”

    রাজকুমার তীক্ষ্ণ মৃদু-মৃদু হাসতে লাগল।

    এর পর শুরু হল যুদ্ধ। রাজকুমার তীক্ষ্ণর চেহারাটা ছোটখাটো বলে তার প্রতিদ্বন্দ্বীরা প্রথম থেকেই তাকে অবহেলার চক্ষে দেখে। তাকে পরাজিত করা যেন অতি সহজ কাজ। কিন্তু রাজকুমার তীক্ষ্ণর হালকা শরীরটি এত দ্রুত ঘুরতে পারে যে, তাকে ধরাছোঁওয়াই যায় না। তা ছাড়া সে অনেক উঁচুতে লাফাতে পারে। হঠাৎ-হঠাৎ যেন অদৃশ্য হয়ে যায়। লাফিয়ে গাছের ডাল ধরে ঝোলে।

    সেইরকমই একবার গাছের ডাল থেকে রাজকুমার তীক্ষ্ণ একটা লাথি মারল বাহুকের মুখে। বাহুক সেই আঘাতে চিৎপাত হয়ে পড়ে গেল। রাজকুমার তীক্ষ্ণ ঝুপ করে তার সামনে এসে পড়ে বলল, “তুমি নিজেই জানিয়েছ, কেউ কারুকে ক্ষমা করবে না। উঠে দাঁড়াও! শুয়ে থাকা অবস্থায় আমি কারুকে হত্যা করি না। ওঠো!”

    সেনাপতি বাহুক অতিকষ্টে উঠে দাঁড়াল। তার মাথা ঘুরছে। তবু সে খুব জোরে একটা কোপ মারতে গেল। ঝট করে সরে গিয়ে রাজকুমার তীক্ষ্ণ তার তলোয়ারের অর্ধেকটা বিধিয়ে দিল বাহুকের বক্ষে। বাহুক আর একটা শব্দও উচ্চারণ করতে পারল না, ঢলে পড়ল মৃত্যুর মুখে।

    রক্তমাখা তলোয়ারটা টেনে বার করে উঁচুতে উঠিয়ে রাজকুমার তীক্ষ্ণ চেঁচিয়ে বলল, “আমার সঙ্গে লড়াই করতে আর কেউ চায়? আর কেউ আমার সঙ্গে দ্বন্দ্বযুদ্ধে রাজি আছে?”

    সবাই বিস্ময়ে হতবাক্। কেউ কোনও সাড়া দিল না।

    তারপর হঠাৎ বাহুকের অশ্বারোহী দল হুঙ্কার দিয়ে উঠল এক সঙ্গে। অস্ত্র তুলে প্রায় কুড়ি-পঁচিশজন যোদ্ধা আসতে লাগল রাজকুমার তীক্ষ্ণর দিকে। দ্বন্দ্বযুদ্ধের এরকম নিয়ম নয়। একসঙ্গে এতজন মিলে একজন মাত্র যোদ্ধাকে আক্রমণ করে না। রাজকুমার তীক্ষ্ণ একবার তাকাল বৃদ্ধ রাজার দিকে। রাজা কটমট করে তাকিয়ে আছেন। তিনিও আগে থেকেই জানতেন, বাহুক পরাজিত হলে তার দেহরক্ষীরা সবাই একসঙ্গে আক্রমণ করে এই স্পর্ধিত কুমারকে হত্যা করবে।

    রাজকুমার তীক্ষ্ণ বিদ্যুৎ গতিতে ছুটে গিয়ে রাজার কালো ঘোড়াটার পিঠে চড়ে বসল। আর কোনও দিকে পালাবার পথ নেই, তাই সে ঘোড়া ছুটিয়ে চলে গেল রাজবাড়ির দিকেই। সেদিক থেকেও তেড়ে আসছে একদল যোদ্ধা। অন্য কোনও উপায় না দেখে রাজকুমার তীক্ষ্ণ সেই ঘোড়াসুদ্ধু ঝাঁপিয়ে পড়ল জলপ্রপাতের মতন অতি খরস্রোতা নদীতে।

    তারপর তাকে দেখা গেল না। হায়-হায় করে উঠল জনতা।

    সেই দুরন্ত স্রোতের টানে অনেকখানি ভেসে গেল রাজকুমার তীক্ষ্ণ, তবু তার মৃত্যু হল না। এক সময় সে উঠে পড়ল নদীর অন্য পাড়ে। পাশেই একটি নিবিড় বন। সেই বনের মধ্যে শুয়ে পড়ল সে। জেগে ওঠার পর সে কালো ঘোড়াটিকে আর দেখতে পেল না।

    পরদিন বন থেকে বেরিয়ে কিছু দূর যাবার পর সে একটি নগরের সন্ধান পেল। লোকজনের সঙ্গে কথা বলে বুঝল, এটা ভোজ রাজ্য নয়। এ এক অন্য রাজ্য, এর নাম গালবদেশ। এর রাজধানীর নাম যুধাখেরি।

    রাজকুমার তীক্ষ্ণ রাজধানীর উদ্দেশে রওনা দিল। ভোজ রাজ্যের পর তার এখানেই আসার কথা ছিল। ভোজ রাজ্যের অশ্বারোহীরা তাকে এখানে তাড়া করে আসতে পারবে না।

    রাজকুমার তীক্ষ্ণর সঙ্গে টাকা-পয়সা কিছু নেই। খিদে পেলেও খেতে পারবে না কিছু। কোনও লোকের বাড়িতে আশ্রয় চাইলেই পেতে পারে। সেইরকমই প্রথা। ক্ষুধার্ত ব্যক্তিকে অন্ন-পানীয় দিয়ে সবাই পুণ্য অর্জন করতে চায়। সেইজন্যই এইসব রাজ্যে কোনও লোক উপবাসী থাকে না। কিন্তু রাজার কুমার তীক্ষ্ণ কারও কাছে হাত পাততে জানে না।

    সে রাজধানীতে এসে এক ধর্মশালার বারান্দায় শুয়ে রইল। তলোয়ারটা লুকিয়ে রাখল কাপড়ে মুড়ে। দু’ দিন তার কোনও খাদ্য জোটেনি, শুধু জল খেয়ে পেট ভরাতে হয়।

    আরও একজন ভিখিরির মতন চেহারার লোক ওই ধর্মশালার বারান্দায় থাকে। সে রাজকুমার তীক্ষ্ণর সঙ্গে ভাব জমাতে আসে, তার পরিচয় জানতে চায়। কিন্তু রাজকুমার তীক্ষ্ণ এমনিতেই কম কথা বলে, অচেনা লোকের সঙ্গে কথা বলতেই চায় না।

    রাজকুমারের হাতে একটা আংটি আছে। সেই লোকটি ওই আংটিটির দিকে লোভীর মতন তাকায়। দ্বিতীয় রাতে ঘুমন্ত রাজকুমারের হাত থেকে সে ওই আংটিটা চুরি করতে গিয়ে ধরা পড়ে গেল!

    রাজকুমার জেগে উঠতেই সে কাঁচুমাচু হয়ে নিজেই বলে উঠল, “চুরি করতে চাইনি, চুরি করতে চাইনি, আমি শুধু ওটা একবার দেখতে চেয়েছি। তুমি ওটা বিক্রি করবে?”

    আংটি যে বিক্রি করা যাবে, সেটাই জানত না রাজকুমার তীক্ষ্ণ। আংটিটার যে কত মূল্য, তাও সে জানে না। তিনরকম দুর্লভ পাথর বসানো অতি মূল্যবান সেই অঙ্গুরীয় সে বিক্রি করে দিল মাত্র দশটি মুদ্রার বিনিময়ে। পরদিন সেই টাকা দিয়ে সে খাদ্য ফলমূল কিনল।

    আরও দু’ দিন পরে তার সঙ্গে দেখা হয়ে গেল মল্লপালের। অনেক পথ ঘুরে ঘুরে সে তার দলবল নিয়ে উপস্থিত হয়েছে যুধাখেরিতে।

    বাহুকের দলবল রাজকুমার তীক্ষ্ণকে তাড়া করতেই মল্লপালরাও ভয়ে পালিয়েছিল। রাজধানীর বাইরে এক জঙ্গলে লুকিয়ে ছিল দু’ দিন। তারপর রাতের বেলায় হেঁটে-হেঁটে তারা সেই রাজ্য ছেড়ে আসে। পথে তারা শুনেছে, ভোজরাজা নাকি ঘোষণা করেছেন যে, রাজকুমার তীক্ষ্ণ ফিরে এলে তার সঙ্গেই তিনি দুই রাজকন্যার বিয়ে দেবেন। রাজকুমার তীক্ষ্ণ তার কালো ঘোড়ায় চেপেছে, দারুণ তরঙ্গমুখর নদীতে ঝাঁপ দিয়েছে। এর পরেও যদি সে বেঁচে থাকে তবে রাজকন্যারা তার গলাতেই বরমাল্য দেবে।

    লুকা বলল, “রাজকুমার, চলুন, আমরা ভোজরাজ্যে ফিরে যাই। সেনাপতি মারা গেছে। রাজাও খুব বৃদ্ধ। রাজকন্যাদের বিয়ে করলে আপনিও সে রাজ্যের রাজা হবেন। আমরাও মহাসুখে থাকব!”

    রাজকুমার তীক্ষ্ণ বলল, “চুপ! ওই রাজকন্যারা যাকে ইচ্ছে বিয়ে করুক। আমি ওদের রাজ্যও চাই না। তোমরা শিবির স্থাপন কর। তারপর খোঁজ নাও এই রাজ্যের শ্রেষ্ঠ বীর কে? আমি তার সঙ্গে দ্বন্দ্বযুদ্ধ করব .

    মল্লপাল হতাশভাবে বলল, “আবার যুদ্ধ? আবার আমাদের কী বিপদ হবে কে জানে?”

    রাজকুমার তীক্ষ্ণ বলল, “আমি উত্তর ভারতের অন্তত তিরিশটি রাজ্য ঘুরতে চাই!”

    গালবদেশের রাজা অসুস্থ। তাঁর রানি পল্লবী দেবীই রাজ্য চালান। সেনাপতি অতি বৃদ্ধ, এখন তিনি একটা বর্শাও তুলতে পারেন না, তবু তাঁকে সেনাপতি পদ থেকে ছাড়ানো হয়নি। তবে শহরের দুই কোটালই সৈন্যবাহিনীকে চালায়। কোটাল দু’জনের নাম দ্রব আর প্লব। সাধারণত সব রাজধানীতে একজন করেই কোটাল থাকে, এই রাজধানীতে দু’জন কোটাল। তার কারণ, দ্রব আর প্লব যমজ। তারা দেখতে হুবহু একরকম তো বটেই, তাদের চিন্তারও অদ্ভুত মিল। দ্রব যদি পুকুরঘাটে আছাড় খায়, তা হলে প্লব বিছানায় শুয়েও ব্যথায় উহু-হু করে ওঠে। দ্রব আর প্লব যতদূরেই থাকুক, একজনের খিদে পেলে অন্যজনও খিদেয় কাতরাবে। কিংবা প্লব যদি শুধু ডাবের জল খেয়ে পেট বোঝাই করে ফেলে, তখন দ্রব তার সামনে মণ্ডা-মেঠাই দেখলেও খাবে না।

    কে যে দ্রব আর কে যে প্লবতা প্রজারা চিনতেই পারে না। সবসময় ভুল করে। সেইজন্য পল্লবী দেবী ওদের দু’জনকেই কোটালের পদ দিয়েছেন।

    দ্রব আর প্লব’র তলোয়ার খেলার খুব সুনাম। তারা গর্ব করে বলে যে একালে তাদের সমকক্ষ যোদ্ধা আর কেউ নেই। তাই তারা দু’জনেই মাঝে-মাঝে দ্বন্দ্বযুদ্ধে মাতে। দু’জনেই সমান, কেউ জেতে না, কেউ হারে না।

    লুকার মুখে সব খবর শুনে রাজকুমার তীক্ষ্ণ বলল, “যাও, ওদের দু’জনকেই আহ্বান জানাও। আমি একসঙ্গে ওদের দু’জনের সঙ্গেই লড়াই করব।”

    লড়াইয়ের মাঠে হল এক অদ্ভুত কাণ্ড।

    দ্রব আর প্লব দু’জনেই কালো কুচকুচে পোশাক পরে। দু’জনেই বেশ রোগা আর লম্বা। দু’জনেরই ঠোঁটের কোণে বাঁকা হাসি।

    দু’ ভাই পাশাপাশি দাঁড়াল। ভাল করে দেখল রাজকুমার তীক্ষ্ণকে। তারপর দ্রব অস্ত্র হাতে না নিয়ে সোজা হেঁটে এসে এক থাপ্পড় কষাল রাজকুমার তীক্ষ্ণর গালে। দ্রব’র হাতে এত জোর যে সেই থাপ্পড় খেয়ে রাজকুমার তীক্ষ্ণ উলটে পড়ে গেল।

    দু’ ভাই একসঙ্গে হেসে উঠে বলল, “এই গায়ের জোর নিয়ে তুই লড়াই করবি? যা, বাড়ি যা!”

    রাজকুমার তীক্ষ্ণর ঠোঁটের পাশ দিয়ে ফোঁটা-ফোঁটা রক্ত গড়াচ্ছে। উঠে দাঁড়িয়ে রক্ত মুছে সে দ্রবকে বলল, “তুমি আমাকে অন্যায়ভাবে আঘাত করেছ। আমার অস্ত্রের কোপে তোমারই প্রথম প্রাণ যাবে।”

    তারপর সে তলোয়ার হাতে নিতেই দু’ ভাই দু’ দিক থেকে ধেয়ে এল তাকে আঘাত করতে। রাজকুমার তীক্ষ্ণ লাফিয়ে উঠে গেল তাদের মাথার ওপর। একসঙ্গে দুই প্রতিদ্বন্দ্বীর তলোয়ারকেই সে কী করে যে আটকাতে লাগল, তা বোঝাই গেল না।

    দ্রব আর প্লব সত্যিই ভাল লড়াই জানে। তবু এই লড়াই চলল না বেশিক্ষণ। রাজকুমার তীক্ষ্ণ প্রথমে দ্রব’র ডান হাত কেটে ফেলল, তারপর তার বুকে তলোয়ার ঢুকিয়ে ধরাশায়ী করল। সঙ্গে-সঙ্গে প্লবও ধড়াম করে শুয়ে পড়ল মাটিতে। তার হাত থেকে খসে গেল তলোয়ার। সে আর কোনও শব্দ করল না।

    রাজকুমার তীক্ষ্ণ নিরস্ত্রকে আঘাত করে না। প্লব’র কাছে গিয়ে বলল, “খুব যে হেসেছিলে? এর মধ্যেই লড়াইয়ের সাধ মিটে গেল? উঠে দাঁড়াও!” প্লব কোনও উত্তর দিল না। উত্তর দিতে পারবেই না। দ্রব’র মৃত্যুর সঙ্গে-সঙ্গেই তারও প্রাণ বেরিয়ে গেছে।

    এইভাবে রাজকুমার তীক্ষ্ণ একের পর এক রাজ্য ঘুরে-ঘুরে নামকরা বীরদের দ্বন্দ্বযুদ্ধে পরাজিত করতে লাগল। বৈভব রাজ্য, ধরাশূর, উনকোটি, শ্রীপুর, মন্দারগড় রাজ্যে কোনও যোদ্ধাই রাজকুমার তীক্ষ্ণর সামনে আসতে সাহস করল না। চতুর্দিকে রটে গেছে যে এই রাজকুমার যেমন কৌশলী যোদ্ধা তেমনই নিষ্ঠুর। কোনও শত্রুকেই সে দয়া করে না। এই রাজকুমার যেন জাদুকর। লড়াইয়ের মধ্যে যখন-তখন অদৃশ্য হয়ে যায়, হঠাৎ-হঠাৎ শূন্যে লাফিয়ে ওঠে, গাছের ডাল ধরে ঝোলে। লোকের মুখে-মুখে রাজকুমার তীক্ষ্ণর আর-একটা নাম হয়ে গেল উড়ন্ত রাজকুমার।

    সদলবলে রাজকুমার তীক্ষ্ণ এক সময় এসে পৌঁছল কাঞ্চী রাজ্যে। অহিচ্ছত্রপুর ছেড়ে আসার পর প্রায় দেড় বছর কেটে গেছে। কাঞ্চীতে এসেই তার জীবন আবার এক অন্যদিকে মোড় নিল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleযমুনা নদীর মুশায়রা – সেলিনা হোসেন

    Related Articles

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সুখ অসুখ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    July 31, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    নিঃসঙ্গ-সম্রাট – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    July 27, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    আমাদের মহাভারত – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    March 20, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    উদাসী রাজকুমার – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 3, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    উদাসী রাজকুমার – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 3, 2026
    Our Picks

    উদাসী রাজকুমার – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 3, 2026

    যমুনা নদীর মুশায়রা – সেলিনা হোসেন

    August 3, 2026

    কিতাগড় – শ্রীপারাবত

    July 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }