Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ইতি স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    September 5, 2026

    অশ্বত্থামা হত – ড. পার্থ চট্টোপাধ্যায়

    September 5, 2026

    ঈশ্বরপুরের প্রেমকথা – দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য

    September 5, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    উদাসী রাজকুমার – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় এক পাতা গল্প262 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    উদাসী রাজকুমার – ২.২

    ২

    বন্দিনী তলতাদেবী কারাগারের মধ্যে ঘুমিয়ে ছিলেন, হঠাৎ একটা শব্দ পেয়ে তাঁর ঘুম ভেঙে গেল। চোখ মেলে তাকিয়েও তিনি প্রথমে বুঝতে পারলেন না, কিসের শব্দ কিংবা শব্দটা কোথা থেকে আসছে।

    দিনে ও রাতে সব সময়েই এই ঘর অন্ধকার থাকে। শুধু মাঝে-মাঝে একজন প্রহরী মশাল জ্বেলে খাবার দিতে আসে। তিনি দেখলেন, একটু দূরে একটা মশাল পড়ে আছে, কোনও লোককে দেখা যাচ্ছে না।

    আবার একটা হেঁচকির মতন শব্দ হল।

    তলতাদেবী উঠে বসে জিজ্ঞেস করলেন, “কে?”

    এবার শব্দটা থেমে গেল।

    তলতাদেবী বুঝতে পারলেন, ঘরের মধ্যে কোনও লোক আছে। প্রহরীরা এসে খাবার দিয়ে চলে যায়, কোনওদিন তো মাটিতে মশাল ফেলে রাখে না।

    তলতাদেবী আবার জিজ্ঞেস করলেন, “কে?”

    এবার একজন কেউ কাঁপা কাঁপা গলায় বলল, “মহারানি! মহারানি!”

    এবারে তলতাদেবী আরও অবাক হলেন। এই ঘরে যে দু’জন প্রহরী পালা করে আসে, তারা দু’জনেই বোবা-কালা। তারা মহারানির কোনও কথা শুনতে পায় না, তারা মহারানির সঙ্গে কোনও কথাও বলতে পারে না। ছম্ভীর ইচ্ছেতেই এ রকম ব্যবস্থা হয়েছে। আজ তবে ঘরের মধ্যে কে কথা বলছে?

    এতকাল ধরে বন্দিনী থাকলেও তলতাদেবীর মেজাজ রানিরই মতন রয়েছে, তিনি ভয় পান না, তাঁর কণ্ঠস্বরে আদেশের সুর ফুটে ওঠে।

    তিনি কড়া গলায় বললেন, “কে ওখানে? লুকিয়ে রয়েছ কেন?”

    এবারে অন্ধকারের লোকটি বলল, “মহারানি, আমি জয়পাল!”

    এই নাম শুনেও তলতাদেবী চিনতে পারলেন না। কে জয়পাল? এই নিশ্ছিদ্র কারাগারের মধ্যে লোকটি এল কী করে?

    তলতাদেবী নিজেই এগিয়ে এসে মশালটি তুলে নিলেন। সেই আলোতে তিনি দেখতে পেলেন ঘরের এক কোণে হাঁটুতে মুখ গুঁজে একজন লোক বসে আছে, তার পোশাক প্রহরীদের মতন, তার কোমরে আঁটা আছে তলোয়ার।

    লোকটি মুখ তুলল। তার দু’চোখ দিয়ে জল গড়াচ্ছে। তার সারা মুখে পড়ি, সেই দাড়ি ভিজে গেছে চোখের জলে।

    একজন প্রহরী ঘরের এক কোণে বসে ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদছে, এ আবার কী অদ্ভুত ব্যাপার?

    লোকটি বলল, “মহারানি, আমি শিল্পী জয়পাল। আমাকে চিনতে পারছেন না?”

    মহারানি বিস্ময়ের সঙ্গে বললেন, “শিল্পী?”

    লোকটি উঠে দাঁড়িয়ে হাত জোড় করে বলল, “প্রণাম, মহারানি!”

    তলতাদেবীর বুক খালি করে একটা দীর্ঘশ্বাস বেরিয়ে এল। বহু বছর বাদে কেউ তাঁকে মহারানি বলে ডাকল, কেউ তাঁকে প্রণাম জানাল। তিনি তো আর এ রাজ্যের মহারানি নন, তিনি সামান্য একজন বন্দিনী।

    জয়পাল বলল, “মহারানি, আপনার মনে নেই? একবার আমাদের গ্রামে দাবানল এসে হানা দিয়েছিল। আমি নিজের বাড়িতে বসে আপনার মূর্তি গড়ছিলাম, সব কিছু পুড়ে যেত, তখন আপনি এসে আমাদের বাঁচালেন।”

    তলতাদেবী অস্ফুট স্বরে বললেন, “তুমি সেই শিল্পী জয়পাল? তুমি এখানে এলে কী করে?”

    জয়পাল বলল, “সে এক লম্বা কাহিনী, মহারানি! আপনি রাজবাড়ির উদ্যানে আমার স্থান করে দিয়েছিলেন। সেখানে আমি মনের আনন্দে মূর্তি গড়তাম। হঠাৎ সব কিছু ওলটপালট হয়ে গেল। মহারাজের মৃত্যু হল। আপনিও কোথায় অদৃশ্য হয়ে গেলেন। আপনি বেঁচে আছেন না মারা গেছেন, তা-ও জানতে পারিনি প্রথমে। আমি আপনার একটা ছোট মূর্তি গড়েছিলাম, ছোট রাজকুমার তীক্ষ্ণ সেটা নিয়ে গিয়েছিল রাজবাড়ির মধ্যে। সেটা দেখে রাজপুরোহিত ছম্ভী দারুণ রেগে গেলেন, মূর্তিটা ভেঙে ফেললেন। আমাকেও হত্যা করার আদেশ দিলেন। ছম্ভী নিজেই তো রাজা হয়ে বসেছেন, তা জানেন কি? উনি সাঙ্ঘাতিক নিষ্ঠুর, কত লোককে যে মেরে ফেলার আদেশ দেন, তার ঠিক নেই।”

    তলতাদেবী জিজ্ঞেস করলেন, “ছম্ভী তোমাকে হত্যা করার হুকুম দিয়েছিলেন, তবু তুমি বাঁচলে কী করে?”

    জয়পাল বলল, “বাঁচা খুবই শক্ত ছিল। আমি পালিয়ে গিয়ে আশ্রয় নিলাম বেণুপালের বাড়িতে। বেণুপাল আমার স্ত্রীর ভাই, আমাকে খুব শ্রদ্ধা-ভক্তি করে। সে-বাড়ির গোয়ালঘরে লুকিয়ে রইলাম দিনের পর দিন। কিন্তু সেভাবে তো বেশিদিন থাকা যায় না। লোকে জেনে যাবেই। এক সময় বেণপাল একটা ভাল বুদ্ধি করল। আমার মাথায় তখন বড়-বড় চুল, মুখভর্তি দাড়ি-গোঁফ, আমাকে সহজে চেনা যায় না। সেই অবস্থায় আমাকে নিয়ে গিয়ে বেণুপাল প্রহরীদের দলে ভর্তি করে দিল। তখন কিছু নতুন প্রহরী নেওয়া হচ্ছিল। আমি অন্য কোনও ছদ্মবেশ ধরে থাকলেও প্রহরীরা একদিন-না-একদিন ধরে ফেলতই আমাকে। কিন্তু প্রহরী সেজে থাকলে কে আমাকে সন্দেহ করবে? অনেক সময় আমিই অন্য প্রহরীদের সঙ্গে জয়পালকে খুঁজতে গেছি। এখন আমার নাম বজ্রপাণি।”

    তলতাদেবী বললেন, “ছিলে শিল্পী, হয়ে গেলে সৈনিক?”

    জয়পাল বলল, “হ্যাঁ, মহারানি! আমি প্রাণে বেঁচে গেলাম বটে কিন্তু আমার মনে সুখ নেই। বেণুপাল আমাকে সাবধান করে দিয়েছে, কিছুতেই আর আমার মূর্তি গড়া চলবে না। কেউ যেন ঘুণাক্ষরেও আর জানতে না পারে যে, আমি এককালে শিল্পী ছিলাম! মহারানি, আপনিই বলুন, এককালে আমি এই হাত দিয়ে পাথর কেটে মূর্তি বানাতাম, এখন কি এই হাত দিয়ে তলোয়ার-বর্শা ধরতে ভাল লাগে?”

    তলতাদেবী জিজ্ঞেস করলেন, “তুমি আমার মূর্তি গড়েছিলে বলে ছম্ভী তোমাকে হত্যা করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। তবু তুমি আমার সঙ্গে দেখা করতে এলে কোন সাহসে? বোবা-কালা প্রহরীদের বদলে তুমি এলেই বা কী করে?”

    জয়পাল বলল, “যে বোবা-কালা রক্ষীটি এখানে আসত, গতকাল থেকে তার ভেদ-বমি হচ্ছে, তার বিছানা ছেড়ে ওঠার ক্ষমতা নেই। হঠাৎ অন্য একজন বোবা-কালা রক্ষী পাওয়া যাবে কোথায়? কারও জিভ কেটে বোবা করে দেওয়া যায় বটে, তবু তো সে কানে শুনতে পাবে। আমার শ্যালক বেণুপাল এখন এই কারাগারের অধ্যক্ষ। তাকে বলে কয়ে রাজি করিয়ে আমি এখানে এসেছি।”

    কথা বলতে-বলতে আবার জয়পালের চোখে জল এসে গেল।

    বাঁ হাতের উলটো পিঠ দিয়ে চোখ মুছে সে ধরা গলায় বলল, “নিয়তি! নিয়তি! এতকাল পর আপনাকে আবার দেখতে পেলাম। কিন্তু মহারানি, আপনাকে প্রথম দেখে আমি নিজেকে সামলাতে পারিনি। মশালের আলোয় দেখলাম, আপনি মেঝের ওপর শুয়ে ঘুমিয়ে আছেন। এত বড় একটা দেশের মহারানি, সোনার পালঙ্কে দুধের মতন সাদা বিছানায় আপনার শুয়ে থাকার কথা। আপনাকে শুতে হচ্ছে এই অন্ধকার ঘরে পাথরের মেঝেতে!”

    তলতাদেবী বললেন, “অত বিচলিত হোয়ো না, জয়পাল। আমার আর কষ্ট হয় না, সহ্য হয়ে গেছে। তুমি সাবধানে থেকো। ছম্ভী অতি ধূর্ত। তিনি যদি কোনওক্রমে তোমার পরিচয় জানতে পারেন, তা হলে আর রক্ষে রাখবেন না।”

    জয়পাল বলল, “আমি সহ্য করতে পারছি না। আপনার এই অবস্থা কিছুতেই সহ্য করতে পারছি না। আপনাকে আজই আমি এই কারাগারের বাইরে নিয়ে যাব। আপনাকে অনেক দূরের এক গ্রামে লুকিয়ে রাখব। দেশের মানুষকে আপনার কথা ধীরে-ধীরে জানাব। তারাই আপনাকে আবার সিংহাসনে বসাবে।”

    তলতাদেবী একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললেন, “ওসব কথা এখন বোলো না, জয়পাল। আমার পালাবার কোনও উপায় নেই। ছম্ভী বলে দিয়েছেন, আমি পালাবার চেষ্টা করলেই তিনি একে-একে আমার ছেলেদের বধ করবেন। আমার দুই ছেলে কোথায় আছে, আমি জানি না। তুমি তাদের খবর কিছু জানো?”

    জয়পাল বলল, “কিছু কিছু শুনেছি! রাজকুমারদের ওপর ছম্ভীর ব্যবহার বড় অদ্ভূত। ছোট রাজকুমার তীক্ষ্ণকে ওই ছম্ভী ভালবাসে, তাকে রেখেছে রাজপ্রাসাদে। আর বড় রাজকুমার দৃঢ়কে রেখেছে কারাগারে, তার সঙ্গে ছম্ভী একদিনও দেখা করেনি এ পর্যন্ত!”

    তলতাদেবী ব্যাকুলভাবে জিজ্ঞেস করলেন, “দৃঢ় কোথায় আছে; কোন্ কারাগারে!”

    জয়পাল বলল, “মহারানি, আমি যতদূর শুনেছি, বড় রাজকুমারকে এই কালাঘর বন্দীশালাতেই কোনও একটা কক্ষে রাখা হয়েছে।”

    “সে কি জানে আমি বেঁচে আছি কি না?”

    “তা আমি জানি না। আমি তাকে দেখিনি!”

    “জয়পাল, তোমাকে একটা কাজ করতে হবে। তুমি যে-কোনও উপায়ে পারো আমার দুই ছেলের সঙ্গে দেখা করো। এমনও হতে পারে যে, ছম্ভী তাদের দু’জনকেই বুঝিয়েছে যে, তাদের বাবা আর মা কেউ বেঁচে নেই। তুমি তাদের জানিয়ে দাও যে আমি বেঁচে আছি। যে-কোনও উপায়েই হোক, আমাদের আবার দেখা হবে। মহারাজের হত্যার প্রতিশোধ আমরা একদিন ঠিকই নেব।”

    “আমি এই কারাগারে বড় রাজকুমারের সঙ্গে দেখা করতে পারি। সেটা খুব কঠিন হবে না। বড় রাজকুমারকে এখান থেকে পালাবার ব্যাপারে সাহায্যও করতে পারি। কিন্তু ছোট রাজকুমারের সঙ্গে যোগাযোগ করব কী করে? রাজপ্রাসাদে তো আমি ঢুকতে পারব না। শুনেছি, ছোট রাজকুমারের সঙ্গে বাইরের কোনও লোক কথা বলতে পারে না। ছম্ভী সব সময় তার কাছে-কাছে থাকে।”

    “তুমি তা হলে বড় রাজকুমারের সঙ্গেই দেখা করো। সে কেমন আছে আমাকে জানাও!”

    “আমি আজই যাব তার কাছে।”

    আরও কিছুক্ষণ সুখ-দুঃখের কথা বলার পর জয়পাল বিদায় নিল।

    তলতাদেবী দেওয়ালে হেলান দিয়ে এক দৃষ্টিতে চেয়ে রইলেন সামনের দিকে। তাঁর বুকের মধ্যে এক প্রবল আলোড়ন হচ্ছে। বছরের পর বছর একইরকম ভাবে কেটে যাচ্ছিল, এখান থেকে মুক্তি পাবার কোনও আশাই ছিল না। হঠাৎ যেন জয়পাল নিয়ে এল এক নতুন আশার আলো।

    এতদিন তিনি তাঁর দুই ছেলের কোনও খবর পাননি। এখন অন্তত জানলেন যে তারা দু’জনেই বেঁচে আছে। ছম্ভী রাজকুমারদের হত্যা করেননি।

    জয়পাল ফিরে এল সন্ধের সময়।

    রাজকুমার দৃঢ়র কাছে সে খুব একটা আশার কথা শোনেনি। মায়ের খবর শুনে সে খুব কেঁদেছে। সেও তার মা ও ছোট ভাইয়ের কোনও খবর জানত না। তার ধারণা ছিল, মা বেঁচে নেই।

    কিন্তু কারাগার থেকে মুক্ত হবার কোনও ইচ্ছেই নেই বড় রাজকুমারের। একবার সে পালাবার চেষ্টা করেছিল, কিন্তু দিনের আলো তার সহ্য হয় না। সে অন্ধ হয়ে গেছে। অন্ধকার ঘরেই তাকে থাকতে হবে সারাজীবন।

    তলতাদেবী হাহাকারের স্বরে বললেন, “তুমি কী বলছ, জয়পাল? সত্যিই কি দৃঢ় অন্ধ হয়ে গেছে?”

    জয়পাল বলল, “না, মহারানি। আমি মশালের আলোয় তাকে ভাল করে দেখেছি। চোখ ঠিকই আছে। কিন্তু, বহু বছর সূর্যের আলো দেখেনি বলে তার চোখে আলো সহ্য হবে না। বড় রাজকুমার বলল, রোদ তার চোখে কাঁটার মতন ফোটে।”

    তলতাদেবী বললেন, “সে তো হবেই। প্রথম কয়েকদিন তার চোখে রোদ সহ্য হবে না। তা বলে সারাজীবন অন্ধকার ঘরে থাকবে কেন? যত কষ্টই হোক, তবু মুক্তি আর স্বাধীনতা অনেক বেশি কাম্য। জয়পাল, তুমি আবার যাও! তাকে বুঝিয়ে বলো, তার ওপরেই এখন আমার সব আশা, ভরসা। সে এখন বড় হয়েছে। এই রাজ্যের সিংহাসনের ওপর তারই একমাত্র দাবি আছে। যে-কোনও প্রকারে বাইরে গিয়ে তাকে এখন সৈন্য-সামন্ত জোগাড় করতে হবে। দেশের মানুষ তার পরিচয় জানতে পারলে নিশ্চয়ই তার দলে যোগ দেবে। ছম্ভীর বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে তারা ছম্ভীকে বিনাশ করবে। তুমি দৃঢ়কে গিয়ে বলো, সে একদিন এসে তার মাকে উদ্ধার করবে, তার মা সেই আশা করে আছে!”

    জয়পাল মাথা চুলকে বলল, “কিন্তু মহারানি, রাজকুমার দৃঢ় আলোতে বেরোতে খুবই ভয় পাচ্ছে। বাইরে যাবার কোনও ইচ্ছেই নেই!”

    তলতাদেবী দৃঢ়ভাবে বললেন, “তুমি গিয়ে তাকে বোঝাও! চোখে আলো সহ্য না হলে সে অন্ধকারের মধ্যে বেরোবে। রাত্তিরবেলায় যাতে কারাগার থেকে পালাতে পারে, তুমি সেই ব্যবস্থা করো। রাত্তিরবেলা সে অনেক দূরে চলে যাক। পরের দিন সকালে তাকে বলো চোখে একটা কাপড় বেঁধে রাখতে। দু-একদিন এরকম ভাবে থাকলেই আস্তে-আস্তে তার চোখে আবার আলো সহ্য হবে! যাও জয়পাল, তাকে গিয়ে বলো, সে কি তার মাকে বাঁচাতে চায় না? সে কি পিতৃরাজ্য উদ্ধার করতে চায় না? বীরের রক্ত কি নেই তার শরীরে?”

    জয়পাল আবার চলে গেল রাজকুমার দৃঢ়র কাছে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleযমুনা নদীর মুশায়রা – সেলিনা হোসেন
    Next Article ভিখারি – নগীব মাহফুজ : অনুবাদ – রাফিক হারিরি

    Related Articles

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    রাধাকৃষ্ণ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 12, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    অর্ধেক জীবন – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 12, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সেই সময় ১ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 11, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    বুকের মধ্যে আগুন – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 10, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    বিশেষ দ্রষ্টব্য – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    কৈশোর – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ড. পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    মোহিত কামাল
    রকিব হাসান
    রজতশুভ্র মজুমদার
    রঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাহীন আখতার
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্তোষকুমার ঘোষ
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সাগরময় ঘোষ
    সাদাত হোসাইন
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুপ্রতিম সরকার
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ইতি স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    September 5, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ইতি স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    September 5, 2026
    Our Picks

    ইতি স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    September 5, 2026

    অশ্বত্থামা হত – ড. পার্থ চট্টোপাধ্যায়

    September 5, 2026

    ঈশ্বরপুরের প্রেমকথা – দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য

    September 5, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }