Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    উদাসী রাজকুমার – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 3, 2026

    যমুনা নদীর মুশায়রা – সেলিনা হোসেন

    August 3, 2026

    কিতাগড় – শ্রীপারাবত

    July 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    উদাসী রাজকুমার – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় এক পাতা গল্প262 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    উদাসী রাজকুমার – ১.১৭

    ১৭

    চম্পককে শূলে চড়ানো হল দ্বিপ্রহরের আগেই। তার মুখ বাঁধা রইল, শেষ মুহূর্তেও সে একটা কথাও বলতে পারল না। ছম্ভীর কাছ থেকে ভরসা পেয়ে সে রাজা হবার আশা নিয়ে ছুটে এসেছিল রাজধানীতে, সেই ছম্ভীর আদেশেই প্রাণ দিতে হল তাকে।

    মহারানি তলতাদেবী ঘোড়া ছুটিয়ে পালিয়ে যেতে গিয়ে এক সময় বাধা পেলেন। তিনি ঠিক করেছিলেন যে, কোনওক্রমে সীমান্ত পেরিয়ে গিয়ে তিনি তাঁর পৈতৃক রাজ্যে আশ্রয় নেবেন। কিন্তু সীমান্তের দিকে আগে থেকেই সৈন্য সাজিয়ে রাখা হয়েছিল। তলতাদেবী এক জায়গায় এসে দেখলেন, তাঁর সামনেও সৈন্য, পেছন দিকেও সৈন্য, সবাই তাঁকে ধরতে আসছে।

    তখন তলতাদেবী ঠিক করলেন, তিনি আত্মহত্যা করবেন। ষড়যন্ত্রকারীদের হাতে ধরা দিয়ে তিনি কিছুতেই অপমানের জীবন বরণ করে নেবেন না। তলোয়ারটা তুলে গলায় কোপ মারতে গিয়েও তিনি থমকে গেলেন। তিনি আত্মহত্যা করলে তাঁর ছেলে দুটির কী হবে? দৃঢ় আর তীক্ষ্ণ দু’জনেই ছোট। মাকে ছাড়া ওরা কী করে বাঁচবে?

    তলতাদেবী একটা দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে তলোয়ারটা ফেলে দিলেন।

    প্রহরীরা তাঁকে ঘিরে ধরল। ঘোড়ার ওপর বসিয়ে রেখেই তাঁকে দড়ি দিয়ে বেঁধে ফেলল আষ্টেপৃষ্ঠে।

    এদিকে রাজবাড়ির যে অংশটাতে মহারাজ আর মহারানি থাকতেন, সেই অংশটা নতুন করে সাজিয়ে নিলেন ছম্ভী। একেবারে শেষ ঘরটা তিনি রাখলেন নিজের জন্য। তার সামনের ঘরটিতে থাকবে তীক্ষ্ণ। এর পরে একটি সুদৃঢ় লোহার দ্বার, সেই দ্বারের সামনে বসে থাকবে অতি বিশ্বাসী চারজন প্রহরী। ছন্তা আদেশ দিয়ে রাখলেন, “কোনও মানুষ তো দূরের কথা, কোনও পক্ষী-পিঁপড়েও যেন এ লোহার দ্বার দিয়ে ভেতরে ঢুকতে না পারে।”

    সব ব্যবস্থা পাকা করার পর ছম্ভী কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিলেন মহাচূড়ামণির মণি-মাণিক্যখচিত পালঙ্কে।

    একসময় প্রহরীদের ডাকে তাঁর ঘুম ভাঙল। লৌহদ্বারের বাইরে এসে তিনি দেখলেন সেনানায়ক ভামহ দাঁড়িয়ে আছে। ছম্ভীকে দেখে হাত জোড় করে সে প্রণাম জানাল।

    ছম্ভী জিজ্ঞেস করল, “কী বার্তা, সেনানায়ক?”

    ভামহ বলল, “গুরুদেব, আপনার সব আদেশ পালিত হয়েছে। রাজ্যের সর্বত্র সৈন্যদের ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। যাতে কোথাও সামান্য কোনও বিদ্রোহের চিহ্ন দেখা গেলেই তারা দমন করতে পারে। সেরকম কোনও চিহ্ন এখনও কোথাও দেখা যায়নি। মহারানি তলতাদেবীও ধরা পড়েছেন।

    ছম্ভী ধমক দিয়ে বললেন, “মহারানি মানে? কে মহারানি? এ-রাজ্যের তো কোনও মহারানি নেই এখন? বলো, তলতাদেবী!”

    এ-রাজ্যের সাধারণ মানুষ ও সৈন্যরা কখনও রাজা বা রানির নাম উচ্চারণ করে না। ভামহ আড়ষ্ট গলায় বলল, “আজ্ঞে হ্যাঁ। উনিই ধরা পড়েছেন। ওঁকে কি এখানে নিয়ে আসব?”

    ছম্ভী আরও জোর গলায় বললেন, “খবরদার, না! তলতাদেবী আর কোনওদিন এই রাজবাড়িতে প্রবেশ করতে পারবেন না, একথা মনে রেখো। তিনি এখন কোথায়?”

    ভামহ বলল, “তাঁকে রাজউদ্যানের মাঝখানে ধরে রাখা হয়েছে। তাঁকে কারাগারে নিক্ষেপ করা হবে কি না, সে বিষয়ে আমরা আপনার আদেশের অপেক্ষায় রয়েছি।”

    ছট্টী বললেন, “এখানকার কারাগারে নয়, পাহাড়ের ওপরে কালাঘরে নিয়ে যাও। সেখানে কড়া পাহারায় ওঁকে রাখবে। আমি সন্ধের সময় কালাঘরে যাব। সাবধান, এই বন্দিনী যেন কোনওক্রমে আর না পালায়!”

    ভামহ বলল, “না গুরুদেব, সে ব্যবস্থা আমরা করব। ওঁকে কি কিছু খেতে দেওয়া হবে?”

    ছম্ভী বললেন, “তা দিও। যা খেতে চান উনি সব দিও। আমি তো ওঁকে মৃত্যুদণ্ড দিইনি, কারাদণ্ড দিয়েছি মাত্র। ওঁকে না খাইয়ে রাখবার দরকার নেই।”

    ভামহ এবং অন্য প্রহরীরা দূরে সরে গেলে ছম্ভীর মুখে একটা তৃপ্তির হাসি ফুটে উঠল। এ-রাজ্যের আর কোনও প্রজা এখনও বিদ্রোহ করেনি। তলতাদেবীও ধরা পড়েছেন। এখন ছম্ভীর আর কোনও প্রতিপক্ষ রইল না।

    বিকেলবেলা ছম্ভী রাজসভায় গিয়ে কিছুক্ষণ রাজকার্য পরিচালনা করলেন। তিনি বসলেন ভূতপূর্ব মহারাজ মহাচূড়ামণির সিংহাসনে। কিন্তু তিনি মুকুটটা মাথায় দেননি। তাঁর অঙ্গে পুরোহিতের পট্টবস্ত্র। রাজ্যের কোথায় কী ঘটছে, তার সবই খুঁটিনাটি তিনি জানেন, কর্মচারিদের প্রয়োজন মতো নির্দেশ দিলেন।

    একটু পরে তিনি একটি রথে চেপে চালককে বললেন, “কালাঘর চলো।”

    রাজধানী থেকে কিছুটা দূরে একটা ছোট পাহাড়ের ওপর কালাঘর একটি কুখ্যাত জেলখানা। অন্যান্য জেলখানার সঙ্গে এর তফাত এই যে, এখানে কয়েদিদের সঙ্গে কেউ দেখা করতে আসতে পারে না। কয়েদিরাও চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে কখনও আলো দেখতে পায় না। দিনের পর দিন, মাসের পর মাস, বছরের পর বছর তাদের কাটাতে হয় অন্ধকার ঘরে। তারা নিজেদের মুখ দেখতে পায় না, হাত-পা দেখতে পায় না, কখন যে বুড়ো হয়ে যাচ্ছে, তাও টের পায় না। এই রকম অন্ধকারে থাকতে থাকতে চোখের প্রয়োজন ফুরিয়ে যায়, তখন অন্ধ হয়ে যায় তাবা।

    ছম্ভী সেই কালাঘরের প্রধান দ্বারে এসে রথ থেকে নামলেন। চারদিকে একবার তাকিয়ে দেখে বুঝে নিলেন, এই কারাগার থেকে কোনও জীবন্ত মানুষের পালাবার উপায় নেই। একেবারে নিশ্ছিদ্র ব্যবস্থা।

    লম্বা সিঁড়ি বেয়ে তিনি উঠে এলেন ওপরে।

    একজন প্রহরী একটা মশাল জ্বেলে নিল, তারপর সেই মশালের আলোয় পথ দেখে ছম্ভী প্রহরীটির সঙ্গে একটার পর একটা কক্ষ পার হয়ে এলেন।

    একেবারে শেষ কক্ষটির সামনেটা বড়-বড় লোহার শিক দিয়ে ঘেরা। সেখানে এসে দাঁড়িয়ে তিনি দেখতে পেলেন তলতাদেবীকে। কালো মেঘের মধ্যে প্রায় ঢাকা পড়ে যাওয়া চাঁদের মতন সেই অন্ধকার ঘরের মেঝেতে শুয়ে আছেন তলতাদেবী।

    ছম্ভী বিদ্রূপের স্বরে বললেন, “ওহে প্রাক্তন রানি, তা হলে তুমি শেষ পর্যন্ত পালাতে পারলে না?”

    তলতাদেবী উঠে বসে ছম্ভীর দিকে একদৃষ্টিতে তাকিয়ে রইলেন কয়েক মুহূর্ত। তারপর দু’হাত জোড় করে বললেন, “প্রণাম, গুরুদেব।”

    ছম্ভী হাত তুলে আশীর্বাদের ভঙ্গিতে বললেন, “বেঁচে থাকো! তুমি আয়ুষ্মতী হও!”

    তলতাদেবী বললেন, “গুরুদেব, আপনাকে সবাই বিশ্বাস করি, শ্রদ্ধা করি। তবু আপনি মিথ্যে কথা বলে আমাকে চম্পকের কাছে পাঠালেন!”

    ছম্ভী হা-হা করে হেসে উঠলেন খুব জোরে। তারপর বললেন, “তুমি নিজের বুদ্ধির খুব গর্ব করতে, তাই না? তুমি মনে করতে, এ রাজ্যে তোমার মতন বুদ্ধি আর কারও নেই। তুমি সামান্য একটা কৌশলে দাবানল নিভিয়ে দিয়েছিলে, তাই তোমার স্বামী রাজা মহাচূড়ামণি আমাদের সকলকে বোকা বলে অপমান করেছিল। এবার বুঝলে, কে আসল বুদ্ধিমান? যে শেষ পর্যন্ত জেতে, তার বুদ্ধিই সবচেয়ে বেশি।”

    তলতাদেবী বললেন, “মহারাজ আপনাকে সব সময় মান্য করতেন। তিনি সরল মানুষ ছিলেন। তবু আপনি তাঁকে ভুলিয়ে ভালিয়ে নিয়ে গিয়ে হত্যা করলেন?”

    ছম্ভী বললেন, “আমি তাকে হত্যা করেছি? তুমি এখন এ-কথা চিৎকার করে বললেও কেউ শুনতে পাবে না। মহাচূড়ামণি মারা গেছেন নিজের বোকামির জন্য। অত কম বুদ্ধি নিয়ে কি কোনও রাজা রাজ্য চালাতে পারেন? কোনও রাজা কি কখনও অন্য কাউকে বিশ্বাস করে একা অত উঁচু খাড়া পাঁচিলে ওঠেন? তার তো মরাই উচিত!”

    তলতাদেবী বললেন, “আপনি কিসের লোভে এত সব খারাপ কাজ করলেন গুরুদেব? আপনার কিসের অভাব ছিল?”

    ছম্ভী বললেন, “তোমার বুদ্ধির অহঙ্কারই আমার অসহ্য ছিল। তুমি নারী হয়েও সকলের ওপরে উঠে গিয়েছিলে। তাই আমি প্রতিজ্ঞা করেছিলাম, বুদ্ধির খেলায় তুমি জিতবে, না আমি জিতব, তা শেষ পর্যন্ত দেখতে হবে। তুমি এত সহজে হেরে গেলে, তলতাদেবী! ছি ছি ছি. তুমি এখন অন্ধকার কারাগারে ধূলায় গড়াচ্ছ!”

    তলতাদেবী বললেন, “আমি তো আপনার সঙ্গে বুদ্ধির খেলা খেলতে যাইনি। আমি আপনাকে বিশ্বাস করেছিলাম!”

    ছম্ভী বললেন, “রাজ্য যাঁরা চালান, তাঁরা কাউকেই পুরো বিশ্বাস করেন না। তুমি ভুল করেছ, তাই তোমার এই দশা।”

    “আপনি পুরোহিত হয়েও সিংহাসনের ওপর লোভ করেছিলেন?”

    “কেন, পুরোহিত বুঝি রাজা হতে পারে না? আমি ইচ্ছে করলেই মাথায় রাজমুকুট পরতে পারতাম। তা আমি পরিনি। কিন্তু এই রাজ্য এখন আমার হাতের মুঠোয়। আমি যেমনভাবে খুশি এই রাজ্য চালাব!”

    “আপনি অন্যায়ভাবে সিংহাসন দখল করেছেন। এ-সিংহাসন আপনি বেশিদিন রাখতে পারবেন না।”

    “তুমি বুঝি মনে-মনে ভেবে রেখেছ, এখান থেকে কোনওক্রমে পালিয়ে গিয়ে প্রজাদের আমার বিরুদ্ধে খ্যাপাবে! সে গুড়ে বালি! তোমার জন্য কী ব্যবস্থা করেছি শুনে রাখো। তুমি সারা জীবন এই অন্ধকার ঘরে কাটাবে। এখান থেকে কেঁদে-কেঁদে চিৎকার করলেও কেউ শুনতে পাবে না। একজন বোবা-কালা সৈন্য শুধু দু’ বেলা তোমার খাবার দিয়ে যাবে। এখান থেকে তোমার পালাবার কোনও উপায় নেই। তবু যদি কোনওক্রমে বাইরে বেরোতে পারো, তা হলে কী হবে, সেটাও শুনে রাখো। তোমার এক ছেলে তীক্ষ্ণ থাকবে আমার কাছে। অন্য ছেলে দৃঢ় থাকবে এই কারাগারেরই অন্য একটা ঘরে। তুমি তাকে কখনও দেখতে পাবে না। তুমি যদি কোনওক্রমে পালাও, তাহলে প্রথমেই তোমার দুটি ছেলেকে খুন করা হবে। সুতরাং মনে রেখো, তুমি এ-ঘরের বাইরে কোনও দিন পা দিলেই তোমার দুই ছেলেরই মৃত্যু হবে, আর তুমিই হবে তাদের মৃত্যুর জন্য দায়ী।”

    “গুরুদেব, তবু আপনি আমাকে বেশিদিন বেঁচে থাকার জন্য আশীর্বাদ করলেন কেন?”

    “তুমি যত বেশিদিন বেঁচে থাকবে, ততদিন কষ্ট পাবে, সেটাই তো আমি চাই।”

    একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে তলতাদেবী কিছুক্ষণ চুপ করে রইলেন। তারপর বললেন, “তবে আপনিও শুনে রাখুন, গুরুদেব! যদি আমি বেঁচে থাকি, তা হলে নিশ্চয়ই আমি দেখে যাব, একদিন কেউ এই রাজ্যের সিংহাসন থেকে পদাঘাত করে আপনাকে ফেলে দিয়েছে। আপনার ছিন্ন মুণ্ড ধূলায় গড়াচ্ছে!”

    ছম্ভী অট্টহাস্য করে বললেন, “সে সাধ তোমার কোনওদিন পূর্ণ হবে না!” আর কোনও কথা না বলে ছম্ভী পেছন ফিরে হাঁটতে শুরু করলেন। সব ক’টি কক্ষ পেরিয়ে, বাইরের মুক্ত বাতাসে নিশ্বাস নিয়ে তিনি পরম তৃপ্তির সঙ্গে মনে-মনে বললেন, “আঃ! এখন এই রাজ্য সম্পূর্ণ আমার!”

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleযমুনা নদীর মুশায়রা – সেলিনা হোসেন

    Related Articles

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সুখ অসুখ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    July 31, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    নিঃসঙ্গ-সম্রাট – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    July 27, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    আমাদের মহাভারত – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    March 20, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    উদাসী রাজকুমার – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 3, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    উদাসী রাজকুমার – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 3, 2026
    Our Picks

    উদাসী রাজকুমার – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 3, 2026

    যমুনা নদীর মুশায়রা – সেলিনা হোসেন

    August 3, 2026

    কিতাগড় – শ্রীপারাবত

    July 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }