Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    উদাসী রাজকুমার – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 3, 2026

    যমুনা নদীর মুশায়রা – সেলিনা হোসেন

    August 3, 2026

    কিতাগড় – শ্রীপারাবত

    July 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    উদাসী রাজকুমার – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় এক পাতা গল্প262 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    উদাসী রাজকুমার – ২.৩

    ৩

    মাঝরাত থেকেই বৃষ্টি পড়ছে ঝমঝমিয়ে, বাতাস বইছে শনশনিয়ে। শীত পড়েছে জবর। এইসব রাতে কম্বল মুড়ি দিয়ে ঘুমোতেই মজা লাগে। অনেকেই ঘুমোয় বটে, কিন্তু সকলের পক্ষে সেই আরাম জোটে না। কারাগারের রক্ষীদের সারারাত জেগে থাকতে হয়। কখনও একটু ফাঁকি দিয়ে যে ঝিমিয়ে নেবে, তারও উপায় নেই। রক্ষীদের ওপরেও পাহারা দেবার জন্য থাকে অন্য রক্ষী।

    রাজকুমার দৃঢ়কে যে-কক্ষটিতে রাখা হয়েছে, সেখানে পৌঁছতে হলে তিনজন প্রহরীকে পার হয়ে যেতে হয়। এ ছাড়া দু’জন প্রহরী একসঙ্গে পায়ের শব্দে পাথর কাঁপিয়ে সমস্ত দুর্গটা ঘুরে বেড়ায়। অন্য প্রহরীরা এই দু’জনের নাম দিয়েছে শুম্ভ-নিশুম্ভ, এদের গায়ে যেমন জোর, হাতিয়ারেরও তেমন শক্তি। কোনও রক্ষীকে সামান্য ফাঁকি দিতে দেখলেই এই শুম্ভ-নিশুম্ভ কঠিন শাস্তি দেয়। শীত কিংবা গ্রীষ্ম কোনও সময়েই এই শুম্ভ-নিশুম্ভের ক্লান্তি নেই।

    পাহাড়ের ওপর এই দুর্ভেদ্য দুর্গের মধ্যে রোদ বা বৃষ্টি আসতে পারে না বটে, কিন্তু শীতের বাতাস কোনও বাধা মানে না।

    প্রত্যেক প্রহরীর সামনে দাউ দাউ করে মশাল জ্বলছে। তারা সেই আগুনে হাত সেঁকছে বসে বসে। সারারাত তো আর কোনও কাজ নেই, শুধু জেগে বসে থাকা।

    একজন প্রহরী হঠাৎ একটা শব্দ পেয়ে সচকিত হয়ে সামনের দিকে তাকাল। দূরে একটা ছায়ামূর্তি দেখে সে তুলে নিল বশাটা।

    ক্রমে ছায়ামূর্তিটা কাছে এলে চিনতে পারল সে। এও আর একজন রক্ষী, এর নাম বজ্রপাণি। সে একটা পা টেনে টেনে হাঁটছে। গায়ে একটা কম্বল জড়ানো। প্রহরীটি একটু অবাক হল, বজ্রপাণির তো এই সময়ে ঘুরে বেড়াবার কথা নয়। সে আজ থেকে বন্দীদের ঘরে খাবার দেবার ভার পেয়েছে। সে কাজ হয়ে গেছে অনেক আগে, এখন তো তার নাকে তেল দিয়ে ঘুমোবার সময়।

    রক্ষীটি জিজ্ঞেস করল, “কী হে, বজ্রপাণি, অসময়ে এখানে এলে কী মনে করে?”

    বজ্রপাণি ছদ্মনামে জয়পাল বলল, “এত শীত, কিছুতেই ঘুম আসছে না। মনে হয় যেন বিছানার নীচে বরফের চাঁই! তবু হেঁটে বেড়ালে গা গরম হয়!”

    রক্ষীটি বলল, “যা বলেছ ভাই! এরকম শীত সারা জন্মে দেখিনি! আঙুলের ডগাগুলো যেন ভোঁতা হয়ে যাচ্ছে।”

    জয়পাল বলল, “তবু তো তোমার এখানে মশালের আগুন আছে, একটুখানি হাত সেঁকেনি, কী বলো?”

    রক্ষীটি বলল, “হ্যাঁ, বোসো, বোসো, একটু গল্প করা যাক!”

    জয়পালের ডান পায়ের পাতায় একটা ন্যাকড়া বাঁধা। সে বেশ কষ্ট করে বসল। আগুনের ওপর হাত রেখে বলল, “একে পায়ে ব্যথা, তার ওপর এমন শীত, এর মধ্যে কি আর ঘুমোবার উপায় আছে?”

    রক্ষীটি জিজ্ঞেস করল, “পায়ে কিসের ব্যথা? চোট লাগল কোথায়?” জয়পাল বলল, “চোট লাগাইনি। কিন্তু কী যে একটা পোকা কামড়াল কে জানে! পা-টা অনেকখানি ফুলে গেছে। অসহ্য যন্ত্রণা হচ্ছে!”

    রক্ষীটি বলল, “সে কী হে, বজ্রপাণি, কিসে কামড়াল, দেখি, দেখি, ন্যাকড়াটা খোলো তো, জায়গাটা দেখি একবার।”

    জয়পাল ন্যাকড়াটা খুলে পা-টা ছড়িয়ে দিল সামনের দিকে।

    রক্ষীটি ঝুঁকে দেখতে যেতেই জয়পাল দু’হাতে চেপে ধরল তার গলা। রক্ষীটি ছটফট করতে লাগল, কিন্তু টু শব্দটি বার করতে পারল না। জয়পাল তাকে বজ্রআঁটুনি দিয়ে ধরে রাখল। এক সময় রক্ষীটি জ্ঞান হারিয়ে ফেলতেই জয়পাল তাকে শুইয়ে দিল এক অন্ধকার কোণে।

    পায়ে আবার ন্যাকড়া জড়িয়ে জয়পাল এবার গেল আরও খানিকটা দূরে দ্বিতীয় প্রহরীটির দিকে। তাকেও ওই একই ভাবে অজ্ঞান করে ফেলতে বেশি সময় লাগল না।

    তৃতীয় প্রহরীটিকে নিয়ে খানিকটা মুশকিল হল।

    সে একটু গম্ভীর ধরনের, গল্প করতে চায় না। জয়পালের পায়ের ব্যথা সম্পর্কেও সে কোনও আগ্রহ দেখাল না।

    জয়পাল চায় নিঃশব্দে কাজ সারতে। প্রহরীটিকে একেবারে মেরে ফেলতেও চায় না। কিন্তু লোকটি একটু অসাবধানী না হলে সে তার গলা টিপে ধরবে কী করে? বেশি সময়ও নষ্ট করা যাবে না।

    সুতরাং বাধ্য হয়েই সে চলে যাবার ভান করে, হঠাৎ ঘুরে দাঁড়িয়ে নিজের তলোয়ারের উল্টো পিঠ দিয়ে তৃতীয় প্রহরীটির মাথায় একটা আঘাত করল। সেই এক আঘাতেই লুটিয়ে পড়ল প্রহরীটি। তার আর জ্ঞান ফিরবে কি না কে জানে!

    সেই প্রহরীর কোমর থেকে তার তলোয়ারটি খুলে নিয়ে জয়পাল এগিয়ে গেল রাজকুমার দৃঢ়র ঘরের দিকে।

    সন্ধের সময় এই রাজকুমারের সঙ্গে খানিকটা কথা হয়েছিল।

    জয়পাল আত্মপরিচয় দিয়ে রাজকুমারকে তার মায়ের বার্তা জানিয়েছিল।

    এখন সে ভিতরে এসেই বলল, “রাজকুমার, চলুন!”

    দৃঢ় ঘুমিয়ে ছিল, আচমকা জেগে উঠে সে প্রথমে কিছুই বুঝতে পারল না। সব যেন সে ভুলে গেছে। সে অবিশ্বাসের সুরে জিজ্ঞেস করল, “কোথায় যাব!”

    জয়পাল বলল, “চলুন, দেরি করার সময় নেই। আপনি মুক্তি পেতে চান না? এখন কেউ আমাদের বাধা দিতে পারবে না!”

    দৃঢ় যেন খানিকটা ভয় পাওয়া গলায় বলল, “এই দুর্গে অনেক প্রহরী, আমি চক্ষে দেখতে পাই না। বাইরে বেরিয়ে তাদের সঙ্গে লড়াই করব কী করে! তোমার সঙ্গে গেলে আমরা দু’জনেই মরব।”

    জয়পাল বলল, “আপনি ভয় পাচ্ছেন কুমার? এখন গভীর রাত, বাইরে অন্ধকার। আপনি তো অন্ধকারের মধ্যে ঠিকই দেখতে পান। আপনি লড়তে পারবেন না? সিংহের বাচ্চা সিংহই হয়। আপনি কার ছেলে সেটা ভেবে দেখুন। আপনার মাকে উদ্ধার করবেন না? আপনার বাবার হত্যার শোধ নেবেন না?”

    দৃঢ় বলল, “এখন গভীর রাত? অন্ধকার? আমি যে এখানে দিন আর রাতের কোনও তফাতই দেখতে পাই না। হ্যাঁ, আমি অন্ধকারের মধ্যে যেতে পারব। কিন্তু জয়পাল, দিনের আলো ফুটলে কী হবে? তখন যে আমার চোখে খুব ব্যথা করবে?”

    জয়পাল বলল, “দিনের আলোয় আমি আপনার চোখ বেঁধে দেব। আমি আপনার হাত ধরে নিয়ে যাব। আর দেরি করবেন না, চলুন।”

    দু’জন দুটি খোলা তলোয়ার হাতে নিয়ে সাবধানে বাইরেটা একবার দেখে নিয়ে বেরিয়ে পড়ল ঘর থেকে। কোথাও কোনও শব্দ নেই। জয়পাল মনে মনে হিসেব করে নিয়েছে যে শুম্ভ-নিশুম্ভর সারা দুর্গটা একবার ঘুরে এখানে আসতে এখনও খানিকটা দেরি আছে, তার আগেই প্রবেশদ্বারের কাছে পৌঁছতে হবে।

    রাজকুমার দৃঢ় অন্ধকারের মধ্যে বেশ সাবলীলভাবে এগিয়ে যেতে লাগল। জয়পাল তার হাত টেনে বলল, “অত তাড়াতাড়ি নয়, কুমার। হঠাৎ কেউ এসে পড়লে বিপদ হবে।”

    দৃঢ় বলল, “আমার মা কোন দিকে আছেন? আমি শীঘ্র সেদিকে যেতে চাই। কতদিন মাকে দেখিনি। আমি আর ধৈর্য ধরতে পারছি না।”

    জয়পাল বলল, “আপনার মায়ের কাছে যাওয়া এখনই কি ঠিক হবে? ওদিকে পাহারা অনেক বেশি। আমরা ধরা পড়ে যেতে পারি।”

    দৃঢ় বলল, “মাকে উদ্ধার না করে আমি একা পালাব? তুমি বলছ কী জয়পাল?”

    জয়পাল বলল, “আমার মনে হয়, আগে আপনার একা চলে যাওয়াই ভাল, আপনি বাইরে গিয়ে দলবল জুটিয়ে একটা সৈন্যবাহিনী তৈরি করবেন। তারপর উদ্ধার করবেন আপনার মাকে। সেটাই ভাল হবে।”

    দৃঢ় বলল, “মাকে ছেড়ে আমি একা কিছুতেই যাব না। একবার অন্তত মায়ের সঙ্গে দেখা করতেই হবে!”

    জয়পাল বলল, “চলুন, ওদিকটায় কিছুটা এগিয়ে দেখা যাক।”

    তৃতীয় প্রহরী এখনও উপুড় হয়ে পড়ে আছে। কোনও সাড়াশব্দ নেই। জয়পাল আর দৃঢ় তাকে পার হয়ে চলে এল

    দ্বিতীয় প্রহরীটিকে জয়পাল চিত করে ফেলে গিয়েছিল, এখন সে উপুড় হয়ে আছে। জয়পাল আবার তার গলা চেপে ধরে একটা ঝাঁকুনি দিল। ওর এক্ষুনি জ্ঞান ফেরার সম্ভাবনা নেই।

    প্রথম প্রহরীটির কাছে আসতেই দূরে পাওয়া গেল এক জোড়া ভারী জুতোর শব্দ। জয়পাল বলল, “সর্বনাশ! শুম্ভ-নিশুম্ভ এর মধ্যে এদিকে এসে গেছে।” শুম্ভ-নিশুম্ভ প্রত্যেকটি প্রহরীর কাছে এসে দেখে যে, তারা জেগে আছে কি না। সুতরাং ওরা দু’জন এখানে আসবেই। জয়পাল মুহূর্তে একটা উপায় ভেবে নিল।

    পাশেই দুর্গের একেবারে ওপরের গম্বুজে ওঠার সিঁড়ি। রাজকুমার দৃঢ়কে সে টেনে এনে দাঁড় করিয়ে দিল সেই সিডির পাশে। তারপর নিজে সে মশালটার কাছে বসে গেল প্রহরী সেজে। কম্বলটা দিয়ে মাথা ঢেকে রাখল অনেকখানি। শুম্ভ-নিশুম্ভ এসে তাকেই এখানকার প্রহরী মনে করবে।

    দেওয়ালে ঠেস দিয়ে বসে সে গুনগুনিয়ে একটা গান গাইতে লাগল।

    জুতো খটখটিয়ে শুম্ভ-নিশুম্ভ নামের সেই দৈত্যের মতন দুই প্রহরী এসে দাঁড়াল জয়পালের পাশে। জয়পাল যেন ওদের দেখতেই পায়নি এমনভাবে গান গেয়েই চলল।

    শুম্ভ হেঁড়ে গলায় হেসে বলল, “কী হে, খুব শীত করছে বুঝি? গান গাইলে শীত কমে?”

    জয়গাল তড়াক করে উঠে দাঁড়িয়ে নমস্কার জানিয়ে বলল, “আজ্ঞে না, তবে গান গাইলে ঘুম আসে না।”

    নিশুম্ভ বলল, “ভাল, ভাল, গানের চর্চা করা ভাল, তবে আগে কোনওদিন তোমাকে গান গাইতে শুনিনি!”

    শুম্ভ বলল, “এদিককার অন্য দু’জন প্রহরীর খবর কী? তাদের কোনও সাড়াশব্দ নেই কেন! তারা বুঝি ঘুমিয়েছে?”

    জয়পাল উত্তর দিল, “না, না, তাদের সঙ্গে এই তো একটু আগেই আমার কথা হল। আমরা তিনজনেই মাঝে-মাঝে জায়গা বদলাবদলি করছি, তাতে গা গরম হয়!”

    নিশুম্ভ বলল, “ভাল, ভাল, শীতের মধ্যে গা গরম করা ভাল। ওরা জেগে আছে, তা হলে আর ওদিকে গিয়ে কী হবে?”

    শুম্ভ বলল, “তা ঠিক, তা হলে ওদিকে আর যাবার দরকার নেই। আর একটা চক্কর দিয়ে আসি, তারপর না হয় ওদের সঙ্গে বসা যাবে। ওহে, তুমি গান করো, আমরা চলি।”

    শুম্ভ আর নিশুম্ভ পেছন ফিরে কয়েক পা মাত্র গেছে, এমন সময় অজ্ঞান প্রথম প্রহরীটি জ্ঞান ফিরে পেয়ে উঃ উঃ শব্দ করে উঠল।

    সঙ্গে সঙ্গে শুম্ভ আর নিশুম্ভ আবার ঘুরে দাঁড়িয়ে জিজ্ঞেস করল, “কিসের শব্দ হল, কে উঃ বলল?”

    জয়পাল মরিয়াভাবে বলল, “আজ্ঞে আমি। হঠাৎ আমার পেটটা ব্যথা করে উঠল, আমার অম্লশূল আছে কি না। তাই যখন তখন পেট ব্যথা করে।”

    শুভ বলল, “অম্লশূল? বেশি করে তেতো খাবে। উচ্ছে আর করলা।”

    জয়পাল বলল, “নিশ্চয়ই খাব। আপনি বলছেন যখন।”

    শুম্ভনিশুম্ভ দ্বিতীয়বার যাবার জন্য পা তুলতেই প্রথম প্রহরী আবার চেঁচিয়ে উঠল, “উঃ, মরে গেলাম! এক বিশ্বাসঘাতক আমার গলা টিপে ধরেছিল!”

    শুম্ভ আর নিশুম্ভ সঙ্গে সঙ্গে তলোয়ার উঁচিয়ে ধরল।

    জয়পাল বুঝতে পারল যে আর উপায় নেই। সে এক লাফে চলে এল গম্বুজের সিঁড়ির পথে। রাজকুমার দৃঢ়র হাত ধরে দ্রুত উঠতে লাগল ওপরের দিকে।

    এই সিঁড়িটা উঠে গেছে গম্বুজের মাথায়। সেখানে ছোট্ট একটা গোল ছাদ। তারপর আর কিছু নেই। একদিকে খাড়া দেওয়াল নেমে গেছে, অনেক নীচে বয়ে যাচ্ছে একটা নদী। এখান থেকে পালাবার কোনও পথ নেই, শুম্ভ আর নিশুম্ভ ধেয়ে এলে তাদের সঙ্গে মুখোমুখি লড়াই করতে হবে। বাঁচার একমাত্র পথ শুম্ভ আর নিশুম্ভকে হত্যা করা।

    জয়পাল বলল, “কুমার, আমরা কিছুতেই ধরা দেব না, যদি মরতে হয়, যুদ্ধ করেই মরব।”

    রাজকুমার দৃঢ় বলল, “ওরা তো মোটে দু’জন। তবে ভয় কিসের?”

    শুম্ভ প্রথমে উঠে এসে জয়পালকে বলল, “ওরে শয়তান, তুই আমাদের চোখে ধুলো দিবি ভেবেছিস!”

    জয়পাল তার তলোয়ার তুলে শুম্ভকে বাধা দিয়ে বলল, “ইনি আমাদের যুবরাজ। আমাদের প্রিয় মহারাজ মহাচূড়ামণির পুত্র। যুবরাজকে অন্যায়ভাবে বন্দী করে রাখা হয়েছে।”

    শুম্ভ হা-হা করে হেসে উঠে বলল, “এখন আবার মিথ্যে কথা বলে আমাদের ভোলাতে চাস! আমাদের যুবরাজের নাম তীক্ষ্ণ, তা কে না জানে!”

    নিশুম্ভ এই সময় এসে আক্রমণ করল দৃঢ়কে। চারজনে লড়ে যেতে লাগল সেই ছোট্ট ছাদে। তলোয়ারের ওপর তলোয়ারের আঘাতে ছিটকাতে লাগল আগুনের স্ফুলিঙ্গ। শুম্ভ আর নিশুম্ভ খুব সাহসী আর অভিজ্ঞ যোদ্ধা। রাজকুমার দৃঢ় বহুদিন হাতে তলোয়ার ধরেনি। জয়পাল প্রাণপণে লড়ে গিয়েও সামলাতে পারছে না। এ-পক্ষের পরাজয় নিশ্চিত।

    আরও দু’জন প্রহরী উঠে এল গম্বুজের চূড়ায়।

    জয়পাল জানে, ধরা দিলে তাদের চরম অত্যাচার ও অপমান সহ্য করতে হবে। তারপর মৃত্যু। মরতে যদি হয়ই তা হলে শুধু শুধু এদের হাতে ধরা দেওয়া কেন?

    সে চিৎকার করে বলে উঠল, “রাজকুমার, আমরা জিততে পারব না। নদীতে লাফ দাও!”

    সে আগে ঠেলে দিল রাজকুমার দৃঢ়কে, তারপর নিজে ঝাঁপিয়ে পড়ল অন্ধকার অতলে।

    শুম্ভু আর নিশুম্ভ দৌড়ে এসেও তাদের ধরতে পারল না। প্রাচীর ধরে ঝুঁকে ও দেখা গেল না সেই দু’জনকে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleযমুনা নদীর মুশায়রা – সেলিনা হোসেন

    Related Articles

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সুখ অসুখ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    July 31, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    নিঃসঙ্গ-সম্রাট – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    July 27, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    আমাদের মহাভারত – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    March 20, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    উদাসী রাজকুমার – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 3, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    উদাসী রাজকুমার – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 3, 2026
    Our Picks

    উদাসী রাজকুমার – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 3, 2026

    যমুনা নদীর মুশায়রা – সেলিনা হোসেন

    August 3, 2026

    কিতাগড় – শ্রীপারাবত

    July 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }