Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    উদাসী রাজকুমার – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 3, 2026

    যমুনা নদীর মুশায়রা – সেলিনা হোসেন

    August 3, 2026

    কিতাগড় – শ্রীপারাবত

    July 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    উদাসী রাজকুমার – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় এক পাতা গল্প262 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    উদাসী রাজকুমার – ১.২

    ২

    রানি তলতাদেবী ঘোড়ায় চড়া শিখেছিলেন খুব ছোটবেলা থেকেই। তিনি তীর-ধনুক, তলোয়ার, বর্শা প্রভৃতি অস্ত্র চালনাও শিখেছেন। তাঁর বিয়ের আগে, তাঁর পিতার রাজ্যে তিনি পোশাক পরতেন ছেলেদের মতন। রাজবাড়ির অন্যান্য ছেলেদের সঙ্গে তিনি একজন গুরুর কাছে সব রকম শিক্ষা গ্রহণ করেছেন। তার কারণ, তলতাদেবীর পিতা ভল্লদেবের কোনও পুত্রসন্তান ছিল না। রাজা-রানির ছিল ওই একটি মাত্র কন্যা। সুতরাং ভল্লদেব ঠিক করেছিলেন, তাঁর মৃত্যুর পরে তাঁর মেয়েই সিংহাসনে বসবে।

    পনেরো বছর বয়েস পর্যন্ত তলতাদেবী জানতেন যে ভবিষ্যতে তাঁকেই পিতার রাজ্য চালাতে হবে। তিনি সেই কাজের জন্য নিজেকে যোগ্য করে তুলছিলেন। কিন্তু এই সময় হঠাৎ তাঁর একটি ভাই জন্মাল। অমনি বদলে গেল সব কিছু। রাজা-রানির কাছ থেকে তলতাদেবী যতখানি আদর পেতেন, তার অনেকখানিই চলে গেল নতুন শিশুটির দিকে। শুধু তাই নয়, রাজা আদেশ দিলেন, তলতাদেবীকে ছেলেদের পোশাক ছেড়ে মেয়েদের পোশাক পরতে হবে, তিনি আর রাজপুরীর বাইরে যেতে পারবেন না। সব দেশেই কন্যাসন্তানের চেয়ে পুত্রসন্তানের কদর বেশি। রাজ্য চালাবার সব রকম যোগ্যতা অর্জন করেছিলেন তলতাদেবী, তবু একটি পুত্রসন্তান জন্মানোমাত্রই ঘোষণা করে দেওয়া হল যে, সে-ই হবে সিংহাসনের উত্তরাধিকারী।

    সেই সময় খুব দুঃখ আর অভিমান হয়েছিল তলতাদেবীর। তাঁকে তাঁর ছোটভাইয়ের কাছেও যেতে দেওয়া হত না। রাজা ভল্লদেবের সন্দেহ হয়েছিল তলতাদেবী হয়তো ছোট ভাইটিকে মেরে ফেলে আবার সিংহাসন দাবি করবেন। তাই তিনি খুব তাড়াতাড়ি রাজকন্যার বিয়ের ব্যবস্থা করলেন। ছোট ভাইটি জন্মাবার ছ’ মাসের মধ্যে তলতাদেবীর বিয়ে হয়ে গেল অহিচ্ছত্রপুরের রাজা মহাচূড়ামণির সঙ্গে।

    তলতাদেবীর সেই ছোট ভাইটিও কিন্তু শেষ পর্যন্ত রাজত্ব করতে পারেনি। কুমার যশস্করের যখন মাত্র পাঁচ বছর বয়েস, তখন একটা দুর্ঘটনা ঘটে গেল। জন্ম থেকেই যশস্কর বেশ দুর্বল আর রুণ। অত্যধিক আদর-যত্নে রেখে তাকে আরও দুর্বল করে তোলা হচ্ছিল। পাঁচ বছর বয়েসে পৌঁছে একদিন সে রাজপ্রাসাদের সিঁড়ি দিয়ে নামতে গিয়ে গড়িয়ে পড়ে গেল হঠাৎ। তাতে গুরুতর চোট লাগল তার মাথায়। রাজবৈদ্যরা হাজার চেষ্টা করেও সেই শিশুটিকে বাঁচাতে পারল না। তিনদিন পরেই সেই হতভাগ্য রাজকুমার প্রাণ হারাল।

    সেই শোকে রাজা ভল্লদেবও আর বেশিদিন বাঁচলেন না। চার মাসের মধ্যে তিনিও ইহলোক ছেড়ে চলে গেলেন। তখন সেই রাজ্যে দেখা দিল দারুণ বিশৃঙ্খলা। মন্ত্রী, সেনাপতি সিংহাসন দখল করার জন্য লড়াই শুরু করলেন। সেইসব সংবাদ তলতাদেবীর কানে আসায় তিনি বিচলিত হয়ে উঠলেন। তাঁর প্ররোচনায় তাঁর স্বামী মহাচূড়ামণি আক্রমণ করলেন শ্বশুরের রাজ্য। সেখানকার অরাজকতার সুযোগ নিয়ে মহাচূড়ামণি অল্পদিনেই যুদ্ধে জয়ী হলেন। সেই রাজ্যটি জুড়ে গেল উত্তর পাঞ্চাল রাজ্যের সঙ্গে। তলতাদেবী তাঁর পিতৃরাজ্য ফিরে পেলেন বটে, কিন্তু সিংহাসনে বসার অধিকার তাঁর স্বামীর।

    রানি হয়ে এসে তলতাদেবী কিন্তু শুধু রাজপ্রাসাদের অন্দরমহলে আবদ্ধ থাকেননি। রাজধানী অহিচ্ছত্রপুরের সর্বত্র তিনি রথে চড়ে ঘোরেন, প্রজাদের খোঁজ-খবর নেন। ঘোড়ায় চড়ার অভ্যেসটিও তিনি রেখে ছিলেন। কখনও কখনও তিনি রথের বদলে ঘোড়া ছুটিয়েও দূর-দূর জায়গায় যান। রাজার সঙ্গে শিকার করতে গিয়ে তিনি নিজেও তীর ছোঁড়েন। একবার রাজার সঙ্গে বাজি রেখে তিনি রাজার আগেই নিজের তীরে একটি বন্য শূকর বধ করেছিলেন।

    রাজধানী অহিচ্ছত্রপুরের দিকে যখন ভয়ঙ্কর দাবানল ধেয়ে আসছে, তখন সেই দাবানল নেভাবার প্রতিজ্ঞা নিয়ে রানি তলতাদেবী একটি সাদা রঙের ঘোড়ায় চড়ে বসলেন। সঙ্গে নিলেন বাছাইকরা দশজন অত্যন্ত সাহসী সৈনিক। দাবানলের গতি যে কখনও রোধ করা যায়, তা কেউ এখনও বিশ্বাস করতে পারছে না। গ্রীষ্মকালে অরণ্যের শুকনো গাছে-গাছে ঘর্ষণ লেগে আগুনের স্ফুলিঙ্গ বেরোয়। সেই স্ফুলিঙ্গ থেকে নীচের লতাপাতায় আগুন ধরে যায়। তারপর সেই আগুন বাড়তে থাকে। ক্রমশ সেই আগুন বড়-বড় গাছপালাকেও গ্রাস করে। তারপর বাতাসের গতি যেদিকে থাকে, সেদিকেই সেই বিশাল আগুন ধেয়ে চলে। আগেরবার এই দাবানল বহু গ্রাম পুড়িয়ে ছারখার করে, রাজধানীটি সম্পূর্ণ ধ্বংস করে, আরও অনেক দূর পর্যন্ত গিয়ে গঙ্গানদীর কিনারে থেমেছিল শেষ পর্যন্ত।

    রানির এরকম একটা অসম্ভব প্রস্তাব শুনেও বাধা দিলেন না বটে রাজা, কিন্তু রানিকে একা ছেড়ে দিতেও সাহস পেলেন না। বিরাট বিপদের আশঙ্কায় তাঁর ঘুম একেবারে ছুটে গেছে। তিনিও মন্ত্রী ও অমাত্যদের নিয়ে চললেন রানির সঙ্গে। শুধু সেনাপতি চম্পককে সঙ্গে নিলেন না, চম্পক তো আর সেনাপতি নেই, সে এখন থেকে পাদুকাবহনকারী ভৃত্য।

    সাদা শাড়ি পরা রানি তলতাদেবী সাদা ঘোড়ায় চেপে সকলের আগে ছুটছেন ঝড়ের বেগে।

    রাজধানীর পশ্চিম দিকে মাত্র সাতটি গ্রাম, তারপরেই অরণ্য। তারপর হিমালয়। এদিকে আছে একটি মাত্র ছোট নদী। তা এই পাহাড়ি নদীতে বর্ষাকালে প্রবল জলস্রোত থাকে বটে, কিন্তু শীত-গ্রীষ্মে শুকিয়ে একেবারে খটখটে। কোথাও জলের একটু রেখাও নেই। প্রত্যেক গ্রামেই একটা-দুটো পুকুর আছে বটে, কিন্তু সেগুলোও এখন প্রায় শুষ্ক। জলের চেয়ে কাদাই বেশি। লোকেরা তৃষ্ণা নিবারণ করে কুয়োর জল থেকে। কিন্তু কলসি দিয়ে সেই কুয়োর জল তুলে দাবানল ঠেকাবার চেষ্টা করাও হাস্যকর। কেউ সে চেষ্টা করতে গেলে নিজেও পুড়ে মরে।

    লোকের ধারণা, মাঝে-মাঝে অগ্নিদেবতার খিদে অত্যন্ত বেড়ে যায়। জঙ্গলের গাছপালা খেয়েও তাঁর খিদে মেটে না। গ্রাম-নগর, মানুষজনও তিনি খেতে চান। সেই প্রচণ্ড ক্ষুধার সময় অগ্নিকে রোধ করার সাধ্য মানুষের নেই। আকাশের দেবতাদের মধ্যে অগ্নির ক্ষমতার কোনও সীমা নেই। সেইজন্য সব মানুষই অগ্নির পূজা করে। বড়-বড় রাজারা যজ্ঞ করার সময় অগ্নি দেবতাকে কতরকম অর্ঘ্য দেন। তবু অগ্নি সন্তুষ্ট হন না। প্রতি বছরই কিছু-কিছু গ্রাম ও অনেক মানুষ অগ্নির গর্ভে যায়। আর দাবানল এলে তো কথাই নেই। তখন রাজধানীও রক্ষা করা যায় না।

    আকাশের দেবতাদের নিজেদের মধ্যেও রেষারেষি আছে। অগ্নির প্রতিদ্বন্দ্বী হলেন ইন্দ্র। তিনিই মেঘ ও বৃষ্টির দেবতা। একমাত্র বৃষ্টিপাতের সময়ই অগ্নি জব্দ হন। কিন্তু দেবরাজ ইন্দ্রের অনেক কাজ, তিনি সব সময় ব্যস্ত, এই গ্রীষ্মকালে তিনি পৃথিবীতে বৃষ্টি দিতে ভুলে যান। সেইজন্য গ্রীষ্মকালেই বেশি-বেশি দেখা যায় অগ্নির দাপট।

    রানি তলতাদেবী ঘোড়া ছুটিয়ে এসে পৌঁছলেন রাজ্যের শেষ প্রান্তে, অট্টাগ্রামে। সেই গ্রাম ততক্ষণে দাউদাউ করে জ্বলছে। গ্রামের অধিকাংশ মানুষই পালিয়েছে প্রাণভয়ে, কয়েকজন শুধু জিনিসপত্র বাঁচাবার লোভে জ্বলন্ত বাড়ির মধ্যেও ঢুকতে গিয়েছিল, তারা প্রাণ হারিয়েছে।

    অট্টাগ্রামের পর যবের খেত। তারপর আবার একটি গ্রাম। সেই গ্রামের নাম ভুরুঙ্গা, সেখানকার মানুষজনের মধ্যে একদল চিৎকার করে কান্নাকাটি করছে, আর একদল মাটিতে হাঁটু গেড়ে আকাশের দিকে চেয়ে চেয়ে বলছে, “হে ইন্দ্ৰ, রক্ষা করো! রক্ষা করো! বৃষ্টি দাও!”

    অট্টাগ্রাম থেকে যারা চলে এসেছে, তারা বলছে, “এখন আর প্রার্থনা করে কোনও লাভ হবে না! পালাও পালাও! আমরাও ইন্দ্র দেবতাকে অনেক ডেকেছি, জঙ্গলে যখন প্রথম আগুন লাগে, তখন থেকে ডাকছি। কিন্তু ইন্দ্র দেবতা এখন আকাশে নেই, পালাও! নইলে সবাইকে মরতে হবে।”

    তবু ভুরুঙ্গা গ্রামের মানুষ পালাতে চাইছে না। তাদের খেতে এখন ফসল পেকেছে, সব নষ্ট হয়ে যাবে। বাড়ি-ঘরও ধ্বংস হবে। এরপর পালিয়ে গিয়েও তারা খাবে কী? সাধ করে বানানো বাড়ি, নিজের হাতে লাগানো গাছপালা ফেলে দিয়ে কেউ চলে যেতে পারে?

    রানি তলতাদেবী এবং রাজা মহাচূড়ামণিকে দলবল সমেত আসতে দেখে প্রজারা যেন খানিকটা ভরসা পেল। এর আগেরবারের মহাবিপদের সময় রাজারা এদিকে মোটেই আসেননি। রাজপরিবার আগেই পলায়ন করেছিলেন রাজধানী ছেড়ে।

    এবারে আগুনের এমন বিধ্বংসী লীলা দেখেও রাজা-রানি এবং মন্ত্রীরা এখানে এসেছেন দেখে প্রজারা মনে করল, নিশ্চয়ই তা হলে গ্রাম রক্ষা করার কোনও উপায় হবে।

    সকলে একসঙ্গে চিৎকার করে বলতে লাগল, “মহারাজ, বাঁচান, বাঁচান!”

    সেই আর্ত বিলাপ শুনে রাজা মহাচূড়ামণি আরও অসহায় বোধ করলেন। প্রজাদের তিনি কী বলে সান্ত্বনা দেবেন?

    তিনি তলতাদেবীকে প্রশ্ন করলেন, “রানি, তুমি কী করে এই জলপ্রপাতের মতন দাবানলকে আটকাবে? এ যেন স্বয়ং মহাকাল! এর হাত থেকে কোনওক্রমেই নিস্তার নেই।”

    রানি দূরের আগুনের দিকে চেয়ে চুপ করে রইলেন। অট্টাগ্রাম পুড়ছে, সেই আগুনের আভা এসে পড়েছে তাঁর মুখে।

    রাজপুরোহিত ছম্ভী রাজার মুখের দিকে এমনভাবে তাকালেন যে, তাতেই বোঝা গেল রানির ওপর তাঁর কোনও ভরসা নেই। রানির কথায় বিশ্বাস করে এখানে আসাটাই খুব ভুল হয়েছে। শুধু শুধু সময় নষ্ট। এতক্ষণে রাজধানী থেকে মূল্যবান জিনিসপত্র সব সরিয়ে ফেলা যেত!

    স্বয়ং রাজা তাঁর প্রজাদের কোনওই সান্ত্বনা দিতে পারছেন না দেখে রাজপুরোহিত ছম্ভী নিজেই দায়িত্ব নিয়ে নিলেন।

    তিনি দু’হাত তুলে প্রজাদের বললেন, “তোমরা ইন্দ্রের বন্দনা করো! আকুলভাবে তাঁকে ডাকো। দেবতার দয়া ছাড়া উদ্ধার পাবার আর কোনও উপায় নেই। তোমাদের গ্রাম্য ভাষায় প্রার্থনা করলে হবে না, আমি সংস্কৃত মন্ত্ৰ উচ্চারণ করছি, তোমরা আমার সঙ্গে-সঙ্গে বলো!”

    রাজা মহাচূড়ামণি নিজেও হাত জোড় করে পুরোহিতের পাশে দাঁড়ালেন।

    রানি তলতাদেবী ঘোড়া ছুটিয়ে একবার গেলেন যবের খেত পেরিয়ে অট্টাগ্রামের কাছাকাছি। সে গ্রামের প্রায় সবটাই এর মধ্যে ভস্মীভূত হয়েছে, এখন সামনের খেজুর গাছ ও অন্যান্য বড় গাছের একটি বাগান পোড়াচ্ছে। তলতাদেবী আগুনের বেগ ও বাতাসের গতি পর্যবেক্ষণ করলেন একটুক্ষণ। তারপর দ্রুত ফিরে এলেন ভুরুঙ্গা গ্রামে।

    ঘোড়া থেকে নেমে তিনি পুরোহিত ছম্ভীকে বললেন, “ইন্দ্র দেবতার কাছে প্রার্থনা করার অবশ্য প্রয়োজন আছে। ইন্দ্রের দয়া ছাড়া বৃষ্টি হবে না। কিন্তু আপনি অনুগ্রহ করে প্রজাদের নিয়ে এই গ্রামটি ছেড়ে একটু দূরে চলে যান। সকলকে আগে বলুন, যার-যার ঘরবাড়ি থেকে অতি প্রয়োজনীয় জিনিসগুলি সরিয়ে নিতে।”

    প্রার্থনার মাঝখানে ব্যাঘাত ঘটায় একটু বিরক্ত হলেন ছম্ভী। তিনি এদিককার আকাশে মেঘ দেখেছেন। যদি দৈবাৎ ইন্দ্র-বন্দনার সময় বৃষ্টি নামে তা হলে প্রজারা তাঁর নামে জয়ধ্বনি দেবে।

    তিনি বললেন, “মহারানি, প্রজাদের এই গ্রাম তো ছাড়তেই হবে। তার আগে পূজা-প্রার্থনা সেরে নেওয়া যাক দ্রুত। আমার আর বেশি সময় লাগবে না।”

    রানি তলতাদেবী বললেন, “আপনার দ্রুত প্রার্থনা সারার দরকার নেই। অনেকক্ষণ ধরেই প্রার্থনা করাবেন সকলকে দিয়ে। আমি শুধু অনুরোধ করছি, আপনি সকলকে নিয়ে এই গ্রাম ছেড়ে পরের প্রান্তরটিতে গিয়ে বসুন। এই গ্রামটি আমার এক্ষুনি খালি অবস্থায় চাই।”

    ছম্ভী রাজার দিকে তাকাতেই রাজা বললেন, “মহারানি যেমন বলছেন, সেই মতন ব্যবস্থা করুন!”

    মন্ত্রী দারুক উচ্চৈঃস্বরে ঘোষণা করলেন, “প্রজারা অবিলম্বে এই গ্রাম পরিত্যাগ করো, রাজার আদেশ! রাজার আদেশ!”

    তৎক্ষণাৎ একটা হুড়োহুড়ি পড়ে গেল। লোকেরা যে-যা পারল, স্বর্ণালঙ্কার ও টাকাপয়সার পুঁটুলি হাতে নিয়ে ছুটে বেরিয়ে গেল গ্রাম থেকে। নারী, শিশু, বৃদ্ধ—কেউ রইল না।

    এবারে সেই জনশূন্য গ্রামের এক প্রান্তে এসে রানি তাঁর মশালধারী সৈন্যদের বললেন, “তোমরা প্রত্যেক ঘরে-ঘরে আগুন ধরিয়ে দাও। একটিও যেন বাদ না থাকে।”

    রাজা মহা বিস্ময়ে বললেন, “সে কী? আমরা নিজেরাই গ্রামে আগুন লাগাব? কেন?”

    রানি বললেন, “মহারাজ, কাঁটা দিয়ে কাঁটা তুলতে হয়। শত্রুকে জয় করতে হয় অন্য শত্রুর সাহায্য নিয়ে। সেরকম বড় আগুনের সঙ্গে লড়তে হয় ছোট আগুন দিয়ে।”

    রাজা আবার বললেন, “কিছুই বুঝতে পারলুম না। আগুনের সঙ্গে আগুন দিয়ে লড়াই হবে কী করে?”

    ছম্ভী বললেন, “এই আগুন যখন দাবানলের সঙ্গে যুক্ত হবে, তখন তো আগুনের আরও শক্তি বৃদ্ধি হবে।”

    রানি তলতাদেবী উতলা হয়ে বললেন, “আপনাদের সঙ্গে তর্ক-বিতর্কের আর সময় নেই। আমার ওপর বিশ্বাস রাখুন।“

    তারপর তিনিই একজন সৈন্যের হাত থেকে মশাল তুলে নিয়ে প্রথম একটি বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দিলেন।

    তখন অন্য সৈন্যরাও হাত লাগাল। তারা দৌড়ে দৌড়ে প্রতিটি বাড়িতে মশাল গুঁজে দিতে লাগল। এই গ্রামের সব বাড়িই কাঠ ও খড় দিয়ে তৈরি, আগুন ধরতে দেরি হল না। অল্পক্ষণের মধ্যেই সমস্ত গ্রামটি একটি জ্বলন্ত অগ্নিকুণ্ডে পরিণত হল।

    রানি তলতাদেবী সন্তুষ্ট হয়ে বললেন, “এবার যবের খেতটাও পুড়িয়ে ছাই করে দাও!”

    সৈন্যরা পরস্পরের দিকে গোল-গোল চোখ করে তাকাল। তারাও প্রায় সকলেই কৃষক পরিবারের সন্তান। মাঠের ফসলকে তারা পবিত্র জ্ঞান করে। শত্রু রাজ্য আক্রমণ করে তারা অনেক ঘর-বাড়িতে আগুন জ্বালে, অনেক মানুষ মারে, কিন্তু কখনও ফসল ধ্বংস করে না।

    অট্টাগ্রাম ও ভুরুঙ্গাগ্রামের মাঝখানে বিস্তীর্ণ যবের খেত। ফসল সবে পেকেছে, পাকা ফসলের সোনালি রঙে সেই প্রান্তরটি ছেয়ে আছে। একটুক্ষণের মধ্যেই দাবানল এসে সেই ফসল খেয়ে নেবে ঠিকই, কিন্তু সৈন্যরা নিজ হাতে সেখানে আগুন ধরাতে যাবে কেন?

    সৈন্যদের দ্বিধা দেখে রানি তলতাদেবী আবার নিজেই মশাল নিয়ে নেমে গেলেন সেই যবের খেতে। তখন সৈন্যরাও বাধ্য হয়ে রানিকে সাহায্য করতে এগিয়ে গেল।

    পাকা ফসলে আগুনের ছোঁয়া লাগতেই চচ্চড় শব্দে জ্বলতে লাগল। তারপর এক অদ্ভুত দৃশ্য হল। এদিকে ভুরুঙ্গাগ্রাম জ্বলছে মানুষের হাতের আগুনে। দূরে অট্টাগ্রাম দাউ-দাউ করে পড়ে শেষ হচ্ছে দাবানলে। মাঝখানে যবের খেতের আগুন যেন ঠিক একটা সরল রেখায় এগিয়ে যাচ্ছে দাবানলের দিকে। যবের খেতের আগুন যেন একসারি সৈন্য আর দূরের দাবানল যেন হামলাকারী দৈত্য-দানব!

    রানি তলতাদেবী একটা উঁচু টিলার ওপর দাঁড়িয়ে এই দৃশ্য দেখছেন, তাঁর পাশে রয়েছেন রাজা এবং মন্ত্রী।

    অন্যরা এখনও রানির এই কাণ্ডটির মর্ম কিছুই বুঝতে পারছেন না। রাজপুরোহিত প্রজাদের নিয়ে গ্রাম ছাড়িয়ে খানিকটা দূরের এক প্রান্তরে ইন্দ্রের বন্দনা করতে বসেছেন।

    হঠাৎ এই সময় এক রমণী কাঁদতে কাঁদতে এসে বলল, “রানিমা, আমার স্বামীকে বাঁচান! আমার স্বামীর জীবন রক্ষা করুন।”

    রানি তলতাদেবী ভ্রু কুঞ্চিত করে প্রশ্ন করলেন, “কী হয়েছে তোমার স্বামীর?”

    রমণীটি রানির পা জড়িয়ে ধরে বলল, “সে কিছুতেই বাড়ি ছেড়ে আসবে না। সে আগুনে পুড়ে মরবে!”

    মন্ত্রী জীবক জিজ্ঞেস করলেন, “সে বাড়ি ছেড়ে আসতে চায় না? কী এমন মূল্যবান জিনিস আছে তোমার বাড়িতে?”

    রমণীটি চোখের জলে রানির পা ভিজিয়ে দিতে দিতে বলতে লাগল, “কিছুই না। আছে শুধু কয়েকখানা পাথর। আমি কত বোঝালাম, তবু কিছুতেই সে সেই পাথরগুলো ছেড়ে আসবে না।”

    মন্ত্রী জীবক বললেন, “পাগল! ঠিক আছে, তুমি ওঠো। আমি সৈন্যদের বলছি, জোর করে তাকে ধরে নিয়ে আসবে। তুমি যাও, বাড়িটা চিনিয়ে দাও!”

    রমণীটি এবার অশ্রুমাখা মুখখানি তুলে বলল, “তাতে কোনও লাভ হবে না। আমার প্রতিবেশীরা তাকে জোর করে সরাবার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু তার হাতে একটা ধারালো কুঠার আছে। সে বলছে, কেউ তাকে ধরতে গেলেই সে নিজের গলায় কোপ মারবে। পাথরগুলো ছেড়ে সে কিছুতেই যাবে না।”

    রানি তলতাদেবী বললেন, “বড় বিচিত্র মানুষ তো! সোনাদানা নয়, কয়েকখানা পাথরের জন্য সে পুড়ে মরতে চায়!”

    রমণীটি বলল, “মহারানি, একমাত্র আপনিই দয়া করতে পারেন। আপনি আমার স্বামীর জীবন দান করুন।”

    রানি অবাক হয়ে বললেন, “আমি কী করে দয়া করব? তুমিই তো বললে, কেউ ধরতে গেলে সে কুঠার দিয়ে আত্মঘাতী হবে?”

    রমণীটি আস্তে-আস্তে বলল, “সে বলেছে, একমাত্র মহারানি নিজে এসে বললে সে গৃহত্যাগ করতে পারে।”

    এ-কথা শোনামাত্র রাজা ক্রোধে চক্ষু রক্তবর্ণ করে তলোয়ারে হাত দিলেন। মহারানির নাম উচ্চারণ করতে পারে এমন বেয়াদপকে তিনি এই মুহূর্তে পৃথিবী থেকে সরিয়ে দিতে চান। তিনি একজন সৈনিককে সেরকম আদেশ দিতে যাচ্ছিলেন, তার আগেই তলতাদেবী বললেন, “লোকটি সম্পর্কে আমার কৌতূহল হচ্ছে। একবার দেখে আসতে ক্ষতি কী?”

    রানি তরতর করে নেমে এলেন টিলা থেকে। সঙ্গে এল চারজন সৈনিক। রমণীটি রানিকে পথ দেখিয়ে নিয়ে চলল। তার বাড়ি বেশি দূর নয়। তার কাঠের বাড়িটি অগ্নিদগ্ধ হয়ে ভেঙে-ভেঙে পড়ছে। সামনের ছোট বাগানটিতে বিরাট একখানা পাথরের চাঁই-এর সামনে দাঁড়িয়ে আছে একজন বলিষ্ঠকায় মানুষ, তার সারা মুখে দাড়ি, মাথায় বাবরি চুল। একটা কুঠার দিয়ে সে একমনে পাথরটি কেটে চলেছে।

    রানি তলতাদেবী কাছে এসে দেখলেন, সেখানে আরও অনেকগুলি খণ্ড পাথর পড়ে আছে। সেগুলি ঠিক পাথর নয়, পাথরের মূর্তি। যে বড় চাঁইটি ওই লোকটি কাটছে, তাতেও ফুটে উঠেছে একটি মুখের আদল।

    রানি তলতাদেবী ধমকের সুরে বললেন, “ওহে, তুমি রাজার আদেশ শোনোনি যে, সবাইকেই এ-গ্রাম ছেড়ে যেতে হবে? কেন বিলম্ব করছ?”

    লোকটি তলতাদেবীকে দেখে মুখ ফিরিয়ে একগাল হাসল। তারপর কুঠারটি ফেলে হাত জোড় করে বলল, “দণ্ডবৎ হই, মহারানি! অধীনের নাম জয়পাল। আমি পাথর কেটে মূর্তি বানাই। বহু পরিশ্রম করে এই মূর্তিগুলি বানিয়েছি। আমি চলে গেলে এগুলো আগুনের শিখায় বিকৃত হয়ে যাবে। তাও না হয় হোক। কিন্তু এই যে মূর্তিটি আমি শুরু করেছি, এটা সম্পূর্ণ না করে যাই কী করে?”

    রানি বললেন, “তুমি তো ভারী মূর্খ দেখছি! তোমার জীবনের চেয়েও এই পাথরগুলির দাম বেশি?”

    জয়পাল বলল, “দামের প্রশ্ন নেই। আমি এসব মূর্তি বিক্রয় করি না! কিন্তু একজন শিল্পী যদি কোনও কাজ শুরু করে শেষ করতে না পারে, তা হলে তার বেঁচে থেকে লাভ কী?”

    রানি বললেন, “এখন কথা বলবার সময় নেই। তুমি আমাকে আসতে বলেছিলে কেন?”

    জয়পাল আবার হেসে বলল, “আমার মনস্কামনা পূর্ণ হয়েছে। মহারানি, এই বড় পাথরটি দেখে চিনতে পারেন? একটু দেখুন তো ভাল করে!”

    রানি এবার লক্ষ করলেন, সেই বড় পাথরের চাঁইটিতে ফুটে উঠেছে তাঁরই মুখের রেখা। অসমাপ্ত হলেও চেনা যায়।

    জয়পাল বলল, “কিছুদিন আগে রাজধানীর পথে আপনাকে দেখেছিলাম। তারপর এই মূর্তিটি গড়ে আপনাকে উপহার দেব ভেবেছিলাম। এর মধ্যেই এসে পড়ল আগুন। এই মূর্তি সম্পূর্ণ করে আপনাকে দেখাতে না পারলে আমার জীবনটাই ব্যর্থ হয়ে যেত।”

    রানি তলতাদেবী অধীর হয়ে বললেন, “তোমাকে আমার রাজপ্রাসাদে স্থান দেব। সেখানে তুমি যত ইচ্ছে মূর্তি গড়তে পারবে। এবার চলো!”

    সৈন্যদের তিনি আদেশ দিলেন ছোট-ছোট মূর্তিগুলি সঙ্গে নিয়ে নিতে। তারপর প্রায় ছুটেই আবার উঠে এলেন টিলার ওপরে।

    রাজা মহাচূড়ামণি চোখ বড়-বড় করে বললেন, “মহারানি, দ্যাখো, দ্যাখো, কী অদ্ভুত ব্যাপার! এ যে অলৌকিক কাণ্ড!”

    যবের খেতের সব ফসল এর মধ্যে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। নিভে গেছে সেই আগুন, এখন সেখান থেকে শুধু ধোঁয়া বেরোচ্ছে। ওদিকের দাবানল অট্টাগ্রামটিকে গ্রাস করে, কাছাকাছি সব বাগান ভস্ম করে দিয়ে বিনষ্ট যবের খেতের সামনে এসে থমকে গেছে। দাবানলের তেজও যেন খানিকটা স্তিমিত হয়ে এসেছে।”

    রানি তলতাদেবীর মুখে ফুটে উঠল জয়ের আনন্দ আর তৃপ্তির হাসি। তিনি আস্তে আস্তে বললেন, “এর মধ্যে অলৌকিক কিছুই নেই।”

    রাজা মহাচূড়ামণি জিজ্ঞেস করলেন, “অলৌকিক কিছু নেই? তোমার আগুন দেখে দাবানল ভয় পেল নাকি? দাবানল কেন থেমে গেল? আর তো এগিয়ে আসছে না!”

    তলতাদেবী বললেন, “মহারাজ, দাবানলের মধ্যে যে অগ্নি দেবতা থাকেন, তিনি ঘর-বাড়ি, গাছ-পালা, মানুষ-পশু এই সবই খেয়ে ফেলেন বটে, কিন্তু তিনি ছাই খান না! আগুন তার উচ্ছিষ্টকে ঘৃণা করে। ছাইগাদার ওপর দিয়ে কখনও আগুন যায় না!”

    রাজা বললেন, “তা হলে এই যব খেতের ছাই আর ভুরুঙ্গাগ্রামের ছাই পার হয়ে দাবানল আর রাজধানীর দিকে যাবে না?”

    রানি বললেন, “না। এবারের মতন দাবানল শুধু একটা গ্রাম খেয়েই নিভে যাবে।”

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleযমুনা নদীর মুশায়রা – সেলিনা হোসেন

    Related Articles

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সুখ অসুখ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    July 31, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    নিঃসঙ্গ-সম্রাট – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    July 27, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    আমাদের মহাভারত – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    March 20, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    উদাসী রাজকুমার – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 3, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    উদাসী রাজকুমার – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 3, 2026
    Our Picks

    উদাসী রাজকুমার – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 3, 2026

    যমুনা নদীর মুশায়রা – সেলিনা হোসেন

    August 3, 2026

    কিতাগড় – শ্রীপারাবত

    July 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }