Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    উদাসী রাজকুমার – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 3, 2026

    যমুনা নদীর মুশায়রা – সেলিনা হোসেন

    August 3, 2026

    কিতাগড় – শ্রীপারাবত

    July 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    উদাসী রাজকুমার – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় এক পাতা গল্প262 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    উদাসী রাজকুমার – ১.১৫

    ১৫

    আকাশে ঘনিয়ে এসেছে মেঘ, শনশন করে বইছে বাতাস। আকাশের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্ত পর্যন্ত এক ঝলক বিদ্যুৎ চোখ ধাঁধিয়ে দিয়ে গেল।

    গ্রামের সব লোক ঘর ছেড়ে বাইরে এসে অবাক চোখে তাকিয়ে আছে।

    একটু আগে তারা যাঁকে ভেবেছিল বনদেবী, তিনি হয়ে গেলেন এ-রাজ্যের মহারানি। আবার সেই মহারানিকে ধরে নিয়ে যাবার জন্য এসেছে সৈন্যবাহিনী। এসব কী যে ব্যাপার হচ্ছে, তারা বুঝতেই পারছে না।

    কয়েকজন সৈন্যের হাতে দাউ-দাউ করে জ্বলছে মশাল, তারা কিছু-কিছু বাড়িতে আগুন লাগাতে যাচ্ছিল, এখন সেই মশালগুলো তারা ফেলে দিল মাটিতে।

    চম্পক সৈন্যদের একটু দূরে সরে যাবার হুকুম দিয়ে এগিয়ে এল তলতাদেবীর কাছে। তারপর বলল, “তোমার জন্য একটা সাদা ঘোড়া এনেছি। তুমি সাদা ঘোড়া পছন্দ করো। এখন আমার সঙ্গে রাজধানীতে চলো।”

    তলতাদেবী কয়েক পলক তাকিয়ে রইলেন চম্পকের মুখের দিকে। চম্পক আগে তাঁকে ‘আপনি’ বলে সম্বোধন করত, এখন ‘তুমি’ বলছে। তার মুখে কোনও দুশ্চিন্তার ছাপ নেই, বরং বেশ খুশি-খুশি ভাব।

    তলতাদেবী জিজ্ঞেস করলেন, “তুমি সত্যিই আমায় রাজধানীতে ফিরে যেতে দেবে?”

    চম্পক বলল, “অবশ্যই। আমি নিজে তোমাকে সঙ্গে নিয়ে যাব।”

    তলতাদেবী আরও বিস্মিত হয়ে বললেন, “তুমিও রাজধানীতে যাবে?”

    চম্পক কৌতুক করে বলল, “হ্যাঁ। রাজধানী আমাকে ডাকছে!”

    তারপর সে ব্যস্ত হয়ে বলল, “তুমি পালিয়ে গিয়ে আমাদের খুব মুশকিলে ফেলেছিলে। মহারানিকে সঙ্গে না নিয়ে তো রাজধানীতে ফেরা যায় না। অনেক সময় নষ্ট হল। যাই হোক, আর দেরি করা নয়, চলো, এখনই যাত্রা করা যাক।”

    তলতাদেবী ঘোড়ায় উঠে বসলেন।

    চম্পক তলোয়ারটা কুড়িয়ে নিয়ে বলল, “এটাও তোমার হাতে রাখো। তুমি তো আর বন্দিনী নও, রাজধানীতে তুমি ঢুকবে বিজয়িনীর বেশে।”

    চম্পক নিজের ঘোড়ায় চেপে তলতাদেবীর পাশে গিয়ে দাঁড়াতেই সৈন্যরা চেঁচিয়ে উঠল, “জয়, মহারাজ চম্পকের জয়! জয় মহারানির জয়!”

    তলতাদেবী মুখ ফিরিয়ে জিজ্ঞেস করলেন, “তুমি এর মধ্যেই মহারাজ হয়ে গেছ নাকি?”

    চম্পক কৌতুকের সুরে বলল, “সবাই তো তাই বলছে। সেই জন্যই তো রাজধানীতে গিয়ে সিংহাসনে বসতে যাচ্ছি।”

    তলতাদেবী বললেন, “এক দেশে দু’জন মহারাজ কি থাকতে পারে? মহারাজ মহাচূড়ামণির কথা কি তুমি ভুলে গেছ? তিনি হয়তো এখনও ঘুমিয়ে আছেন, কিছুই জানেন না, কিন্তু কোনও একসময় তো জেগে উঠবেন!”

    চম্পক বলল, “ওঃ হো, তুমি জানো না? মহাচূড়ামণি আমার নাম শুনেই ভয় পেয়ে সিংহাসন ত্যাগ করেছে!”

    তলতাদেবী ভুরু তুলে বললেন, “তাই নাকি? মহারাজ ভয় পেয়েছেন?”

    চম্পক বলল, “শুধু তাই নয়! সে কাপুরুষটা এখন কাকুতি-মিনতি করছে, যাতে তাকে আমি প্রাণে না মারি। ভাবছি, ওকে নিয়ে কী করা যায়!”

    তলতাদেবী বললেন, “যুদ্ধ না করেই মহারাজ সিংহাসন ছেড়ে দিলেন?”

    চম্পক বলল, “আমি পাহাড়ি সৈন্যদের নিয়ে রাজধানী আক্রমণ করব শুনেই তো তার আত্মারাম খাঁচা ছাড়া হয়ে গিয়েছিল! চেহারাটাই বিরাট। বুদ্ধি তো কিছু নেই। এবার গিয়ে ওকে দিয়ে আমার পা টেপাব।”

    তলতাদেবী চুপ করে গিয়ে দ্রুত চিন্তা করতে লাগলেন। মহাচূড়ামণি মহাবীর, বিনা যুদ্ধে তিনি সিংহাসন ছেড়ে দেবেন, এটা বিশ্বাসই করা যায় না। চম্পক এসব বানাচ্ছে। কিন্তু চম্পক কোন্ সাহসে রাজধানীতে যাচ্ছে সঙ্গে এই ক’টা সামান্য সৈন্য নিয়ে? বিদ্রোহের কথা জেনেও মহাচূড়ামণি কেন ছুটে আসেননি এদিকে?

    একটু পরে তলতাদেবী আবার জিজ্ঞেস করলেন, “তুমি তা হলে এ-রাজ্যের মহারাজ হয়েছ! তা হলে তো আমি আর এখানকার মহারানি থাকতে পারি না!”

    চম্পক বলল, “কেন থাকবে না? রাজা বদল হলেই যে রানি বদল হবে, তার কি মানে আছে? তোমার মতন রানি কি আর পাওয়া যাবে? এ-রাজ্যের রানি হিসেবে তোমাকেই মানায়। তুমিই হবে আমার রানি!”

    তলতাদেবী বললেন, “এসব তুমিই নিজে-নিজে ঠিক করেছ? আমি রাজি হব কি না, তা নিয়ে তোমার মাথাব্যথা নেই!”

    চম্পক বলল, “তুমি রাজি হবে না কেন? তোমার তো কোনও ক্ষতি হচ্ছে না! তুমি যেমন মহারানি ছিলে তেমনই থাকবে। শুধু তোমার স্বামী বদলে যাবে। ওই হঁতকো মহাচূড়ামণিটার চেয়ে আমাকে তোমার বেশি পছন্দ হবে না? আমি জানি, তুমি এতে রাজি হবে।”

    তলতাদেবী জিজ্ঞেস করলেন, “যদি রাজি না হই?”

    চম্পক বলল, “তা হলে অবশ্য তোমার খানিকটা মুশকিল হবে। তুমি রাজি না হলে প্রথমেই মেরে ফেলা হবে তোমার ছেলে দুটিকে। তোমাকে মত বদলাবার জন্য সময় দেওয়া হবে তিন মাস। ততদিন তুমি থাকবে কারাগারের অন্ধকারে। তারপর তুমি যদি আবার রাজি হও…”

    তলতাদেবী মুখটা ফিরিয়ে নিলেন। ক্রোধে তাঁর দু’চোখ জ্বলছে।

    তবু তিনি ভাবছেন, এখন আর চম্পককে কোনও কথা বলে লাভ নেই। আগে রাজধানীতে পৌঁছনো যাক, তখন জানা যাবে আসলে কী ঘটেছে।

    তলতাদেবী আর চম্পকের পেছনে-পেছনে ধুলো উড়িয়ে আসছে পাহাড়ি সৈন্যবাহিনী। এরা ভাল করে যুদ্ধ বিদ্যা শেখেনি, এদের কাছে বেশি অস্ত্ৰ-শস্ত্রও নেই। মহাচূড়ামণির সৈন্যদের সামনে এরা দাঁড়াতেই পারত না। তবু কোন্ সাহসে চম্পক এদের নিয়ে বিদ্রোহ করেছিল?

    চম্পক আরও কিছু বলবার চেষ্টা করলেও তলতাদেবী শুনলেন না। চম্পকের দিকে তাকাতেও তাঁর ঘৃণা হচ্ছে।

    খানিকবাদে দেখা গেল দূরে রাজধানীর প্রাচীর। সেখানে বহু লোকের কোলাহল শোনা যাচ্ছে। নগরীর প্রধান সিংহদ্বারটি খোলা। উঁচু একটা বেদীর ওপর দাঁড়িয়ে আছে একজন মানুষ, স্থিরভাবে সামনের দিকে তাকিয়ে। তার গায়ে একটি রেশমের উত্তরীয় জড়ানো।

    চম্পক বলল, “ওই দ্যাখো মহারানি। রাজধানীর মানুষ আমাকে রাজা হিসেবে বরণ করার জন্য অধীর ভাবে অপেক্ষা করছে।”

    তলতাদেবী কোনও উত্তর দিলেন না।

    চম্পক আবার বলল, “আমাদের নামে ওরা জয়ধ্বনি দিচ্ছে, শুনতে পাচ্ছ?”

    তলতাদেবী তবু চুপ করে রইলেন।

    চম্পক আবার বলল, “আগেকার রাজা মহাচূড়ামণিকে ওরা বন্দী করেছে!”

    তলতাদেবী এবার আর কথা না বলে পারলেন না। মুখ ফিরিয়ে তিনি জিজ্ঞেস করলেন, “এ খবর তুমি কোথায় পেলে? মহারাজ মহাচূড়ামণিকে যে বন্দী করা হয়েছে, তা তুমি কী করে জানলে?”

    চম্পক বলল, “আজ খুব ভোরেই দূতের মুখে সব সংবাদ পেয়েছি। আগে থেকেই সব ব্যবস্থা করা ছিল। আমাকে কি কাঁচা লোক পেয়েছ। আগে থেকে সব ব্যবস্থা পাকা না করে কি আমি এমনি এমনি রাজধানীতে আসছি! ওই যে উঁচু বেদীর ওপর দাঁড়ানো মানুষটিকে কি চিনতে পারছ? উনি হচ্ছেন রাজপুরোহিত ছম্ভী। উনি আমাকে চিঠি লিখেছেন, তোমাকে সঙ্গে নিয়ে দ্রুত রাজধানীতে চলে আসার জন্য। ছম্ভী নিজে রাজধানীর সব প্রজাদের সামনে আমার মাথায় রাজমুকুট পরিয়ে দেবেন।”

    শেষের কথাটা শুনেও যেন বিশ্বাস করতে পারলেন না তলতাদেবী, তিনি জিজ্ঞেস করলেন, “কী বললে? ছম্ভী কী করবেন?”

    চম্পক আবার জোর দিয়ে বলল, “ছম্ভী নিজে আমার মাথায় রাজমুকুট পরিয়ে দেবেন!”

    এবার তলতাদেবী অজানা আশঙ্কায় কেঁপে উঠলেন। ছম্ভী মহাবীর মহাচূড়ামণিকে বন্দী করেছেন, এও কি সম্ভব? মহাচূড়ামণিকে প্রজারা যেমন ভয় করে, তেমন ভালও বাসে। তবে সাঙ্ঘাতিক একটা কিছু অশুভ ঘটনা নিশ্চয়ই ঘটেছে। ছম্ভী চম্পককে কখনও পছন্দ করতেন না, আজ তিনিই চম্পককে সিংহাসনে বসাতে চান, এ কি সম্ভব?

    তলতাদেবী বললেন, “মূর্খ, ছম্ভী তোমার মাথায় রাজমুকুট পরাবেন, তুমি এটা বিশ্বাস করেছ?”

    চম্পক সারা মুখে হাসি ছড়িয়ে বলল, “ছম্ভীর সঙ্গে আমার গোপন চুক্তি হয়ে আছে অনেক আগেই। তোমরা তার কিছুই জানো না। ছম্ভীর পরামর্শেই তো আমি বিদ্রোহ করেছি। মহাচূড়ামণি ফাঁদে পড়েছে, এখন আমিই রাজা। ছম্ভী আমার মাথায় রাজমুকুট পরিয়ে দেবেন, তার বদলে আমি ছম্ভীর ভাই দেবককে সেনাপতির পদ দেব। ছম্ভীও সারাজীবন থাকবেন মহা সুখে।”

    তলতাদেবী বললেন, “মহাচূড়ামণি যদি ধরা পড়ে থাকেন, তা হলে রাজধানীতে আমি এখন কিছুতেই যাব না।”

    তিনি ঘোড়ার মুখটা ফিরিয়ে খুব জোরে ছুটিয়ে দিলেন। চম্পক তাঁকে ধরতে গিয়েও কিছুটা গিয়ে ফিরে এল, অন্য কয়েকজন অশ্বারোহী ধেয়ে গেল তলতাদেবীর দিকে।

    এদিকে রাজপুরোহিত ছম্ভী সকাল থেকেই দাঁড়িয়ে আছেন চৌরাস্তার মাঝখানে উঁচু বেদীটার ওপর। তাঁর পাশে রয়েছে ছোট রাজকুমার তীক্ষ্ণ। এ-রাজ্যের অশ্বারোহীরা সার বেঁধে দাঁড়িয়ে আছে বেদীটা ঘিরে। কয়েকজন সৈন্য সারা রাজধানীতে ডঙ্কা বাজিয়ে ঘুরছে। সেই ডঙ্কাধ্বনির অর্থ হল, সমস্ত প্রজাদের জমায়েত হতে বলা হচ্ছে এই চৌরাস্তায়।

    দলে দলে প্রজারা এসে মিলিত হচ্ছে সেখানে। কী ব্যাপারে তাদের ডাকা হচ্ছে, তা তারা কিছুই জানে না। এখন দুর্ভিক্ষ কিংবা দাবানলের ভয় নেই। বিদেশী সৈন্যদের রাজধানী আক্রমণের কোনও আশঙ্কা নেই, কারণ বর্ষাকালে যুদ্ধ হয় না। তা হলে কিসের জন্য এই জরুরি ডাক?

    প্রজারা সবাই রাজপুরোহিত ছম্ভীর দিকে উৎসুক ভাবে তাকিয়ে আছে। কিন্তু ছম্ভী কোনও কথাই বলছেন না। প্রজারা প্রথম-প্রথম ছম্ভীর প্রতি সম্ভ্রম দেখিয়ে চুপ করে ছিল। তারপর ফিসফিস করে কথাবার্তা শুরু করল। তারপর গুঞ্জন। তারপর কোলাহল।

    ছম্ভী তবু চুপ করে চেয়ে আছেন। যেন তিনি ধ্যান করছেন। রাজকুমার তীক্ষ্ণও ছটফট করছে না। ওই বয়েসের অন্য যে-কোনও ছেলে এতক্ষণ এক জায়গায় চুপ করে দাঁড়িয়ে থাকত না, কিংবা রাজবংশের ছেলেরা অতি অল্প বয়েস থেকেই অনেক কিছু শিখে যায়।

    এক সময় প্রজারা দেখল, বাইরের দিক থেকে এক সৈন্যবাহিনী আসছে নগরের দিকে। এরা কারা? এদের সামনে রয়েছে দুই অশ্বপৃষ্ঠে এক পুরুষ ও এক রমণী। দূর থেকে তাদের ঠিক চেনা যাচ্ছে না।

    বাইরের সৈন্যবাহিনী আর-একটু কাছে আসতেই ছম্ভী তাঁর ডান হাতটি উঁচু করে তুললেন। সঙ্গে-সঙ্গে সমস্ত কোলাহল থেমে গেল।

    ছম্ভী এবার নিস্তব্ধতা ভঙ্গ করে উদাত্ত গলায় বললেন, “প্রিয় প্রজাগণ, তোমাদের আজ ডেকেছি এক বিশেষ কারণে। এ রাজ্যে এক মহা সঙ্কট উপস্থিত। বন্যা, দুর্ভিক্ষ, দাবানলের চেয়েও আরও বড় বিপদ।”

    এবার তিনি একটু থেমে প্রজাদের মুখের দিকে তাকালেন। সবাই উদগ্রীব হয়ে আছে, অনেকের মুখে ভয়ের ছায়া পড়েছে।

    ছম্ভী আবার বললেন, “এই দুঃসংবাদ দেবার ভার আমার ওপর পড়েছে। অন্য সময় এ-দেশের রাজা, পরমবীর মহাচূড়ামণিই এই বেদী থেকে তোমাদের সঙ্গে কথা বলেন। কিংবা উদ্যানবাটি থেকে তোমাদের দর্শন দেন। আজ তোমাদের মনে হতে পারে, মহারাজের পরিবর্তে আমি তোমাদের সামনে এসেছি কেন? তার কারণ,এই মুহূর্তে এই রাজ্যের কোনও রাজা নেই। এ-সংবাদ দিতে আমার বুক ফেটে যাচ্ছে, আমি অতিকষ্টে চক্ষের জল আটকে রেখেছি, কারণ, আমার ওপরে এখন খুবই গুরু দায়িত্ব! তোমাদের পরমপ্রিয় মহারাজ মহাচূড়ামণি আর বেঁচে নেই। তাঁকে খুন করা হয়েছে। এক কুৎসিত ষড়যন্ত্রে তিনি নিহত হয়েছেন।”

    সমস্ত প্রজারা হাহাকার করে উঠল। সেই মুহূর্তে সেখানে নেমে এল শোকের ছায়া। কেউ-কেউ বুক চাপড়ে কাঁদতে লাগল। কেউ-কেউ চিৎকার করে বলল, “মহারানি? আমাদের প্রিয় মহারানি কোথায়? তাঁর কিছু হয়নি তো?”

    ছম্ভী বললেন, “মহারাজকে কারা হত্যা করেছে তা আগে শোনো। এই ষড়যন্ত্রের মূলে আছে দু’জন। তোমাদের প্রাক্তন সেনাপতি চম্পক আর মহারাজের প্রিয় মহিষী তলতাদেবী। মহারাজকে সরিয়ে তলতাদেবী সিংহাসনে বসতে চান। সেই জন্য তিনি চম্পককে দিয়ে বিদ্রোহ করিয়েছেন। ওই দ্যাখো, সেই চম্পক আর তলতাদেবী বিদ্রোহী সৈন্যদের নিয়ে রাজধানী দখল করতে আসছে। এখন তোমরাই ঠিক করো, তোমরা কি এই দুই ষড়যন্ত্রীকে ক্ষমা করবে?”

    প্রজারা বজ্রকণ্ঠে চেঁচিয়ে বলল, “না, না, না!”

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleযমুনা নদীর মুশায়রা – সেলিনা হোসেন

    Related Articles

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সুখ অসুখ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    July 31, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    নিঃসঙ্গ-সম্রাট – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    July 27, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    আমাদের মহাভারত – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    March 20, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    উদাসী রাজকুমার – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 3, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    উদাসী রাজকুমার – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 3, 2026
    Our Picks

    উদাসী রাজকুমার – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 3, 2026

    যমুনা নদীর মুশায়রা – সেলিনা হোসেন

    August 3, 2026

    কিতাগড় – শ্রীপারাবত

    July 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }